somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... ফটোব্লগ: আজি ঝড়ো ঝড়ো মুখরও বাদলও দিনে
ছবির পেছনের গল্প: ঠাকুরের "আজি ঝড়ো ঝড়ো মুখরও বাদল দিনের" জন্য সিংহপুরে বর্ষাকালের জন্য অপেক্ষা করতে হয় না। বরষা প্রায়কার ঘটনা। তবে সবদিন ঝুম বৃষ্টি হয় না।

সেদিনকে (দু'দিন আগে) ঝুম বৃষ্টি। অনেকক্ষন পৃথি্বী অন্ধকার মেঘ করে তারপরে বিদ্যুত চমকে টমকে নামলো অনেক ঘন বৃষ্টি। তখনও স্নান সারা হয় নি। বাড়ির খুব কাছে ক্লেমেন্টি উডস নামের একটা ছোটমোট পার্ক আছে। ভাবলাম বৃষ্টিতে সেইখানে একটা দৌড় দিয়ে আসি। শরীরটা বড্ড আলসে হয়ে যাচ্ছে। বৃষ্টিতে দৌড়ানোর মতলবটা ইদানীংকার। প্রায়শই মনে হয়, করা আর হয় না। সেদিন গেলে স্নানের কাজটাও একসাথে হয়ে যেতো।

যাবো যাবো করে লাইব্রেরী থেকে তোলা কবীর হেলমিনন্সিকি'র, দি নোয়িং হার্ট বইটা পড়া শুরু করে আর যেতে ইচ্ছে করছিলো না কোথাও। বইটা চুম্বকের মতো আটকে রাখলো। ওদিকে বৃষ্টিতে ভিজতেও মন টানে।

বৃষ্টি তখন আকাশ ছেড়ে মাটিতে সজোরে ক্র্যাশ করতে ব্যস্ত। পাগলা হাওয়াকে ঘরে আমন্ত্রন জানাতে জানালা মেলবো বলে জানালার কাছে যেতেই বৃষ্টির ছাট টের পেলাম দিব্যি ঘরে ঢুকছে অনুমুতি ছাড়াই। এত সুন্দর হাওয়া বন্ধ করতে ইচ্ছে করলো না। পায়ের কাছেই মাটিতে পাতা বিছানা। ভিজলে মুশকিল। তাই বৃষ্টির পানি আটকাতে পিঠ দিয়ে দাড়ালাম। বৃষ্টিও গায়ে মাখা হবে, তার সাথে পড়াও। বেশ অপটিমাল ইঞ্জিনিয়ারিং সলিউশন। ফাকতালে জানালার বাইরে মাথা বের করে বোনাস বৃষ্টি মাখো।

পিকাসায় এডিট:
ছবিটা কম্পিউটারে ডাউনলোডের পরে পিকাসায় একটু ব্রাইটনেস কমিয়ে নিয়েছি শ্যাডো বাড়িয়ে। তারপরে বাইরের সবুজ গাছের সতেজতা আরেকটু হাইলাইট করার জন্য স্যাচুরেশন বাড়িয়েছি অতি সামান্য। ঘরের জানালার বাইরের গাছগুলো আসলেই খুব দারুন সবুজ। ফ্রেমিং নান্দনিক করার জন্য (জানালাটাকে রেফারেন্স ধরে) একটু ক্রপিং করা হয়েছে ফাইনাল টাচ হিসাবে।

বন্ধু ঈন্দ্রনীলের ক্যামেরাটা ক্যানন পাওয়ারশট।

+ দি নোয়িং হার্ট বইটা থেকে কিছু চ্যাপ্টার অনলাইনে পড়া যাবে এখানে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28720450 http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28720450 2007-07-11 09:58:49
সচলায়তন অনেকভাবেই সামহোয়ারের সমান্তরাল/প্রতিযোগী/বিকল্প সবটাই হউক, ক্ষতি কি? সচলায়তন অনেক ভাবেই সামহোয়ারের সমান্তরাল/প্রতিযোগী/বিকল্প এর সবটি আলাদা আলাদা অথবা একইসাথে হইলেও কোন ক্ষতি নাই।

(দুই.)
সামহোয়্যার ইন আছে বইলা কি আর কোন সমান্তরাল, প্রতিযোগী, বিকল্প সাইট হইতে পারবে না, এমন কোন আইন আছে?

না নাই।

নতুন বাংলা সাইট অলওয়েজ ওয়েলকাম। যারা ইন্টারনেটে বাংলা ভাষার আরো বেশি প্রকাশ দেখতে চাই তাদের জন্য যেকোন বাংলা সাইটের ওয়েবে সংযোজন মাত্রই খুশির খবর। মনে হয়, "না। প্রিয়, অভাগা বাংলা ভাষাটার আরো প্রকাশ বাড়লো।"

সচলায়তন সমহোয়্যারের সমান্তরাল হউক, প্রতিযোগী হউক, প্রতিদিন সকালে ও রাত্রে আইসা নতুন মেম্বার ডাকা ডাকি করুক সামহোয়্যারইনে, ভিন্ন ভিন্ন নিকে বিভিন্ন মার্কেটিং হইতেই থাকুক, হইতেই থাকুক - ইট ডাজেন্ট ম্যাটার।

তাইলে হোয়াট ডাজ ইট ম্যাটার, সাদিক? বেকুবের মতো তাইলে এইডি কি কও! নাকি তোমারে সচলায়তনে ডাকে নাই বইলা গা কামড়ায়? হিংসা হয়?

না বেরাদার। যেইটা ভাবতাছেন সেইটা না। হিংসার কিছু নাই। দুনিয়ার বহুত ভালো লেখক আছে, তারা সচলায়তনে লেখুক। আমি কেউ না, গরীব মানুষ। মাঝে মধ্যে ভালো সাইটের লেখা পড়ি, ভালো লাগে; সেইটা আরো দশটা অনলাইন ম্যাগাজিন হউক বা সচলায়তন। গরীবের হিংসাও নাই। টুকটাক লেখক হিসাবে ভালো লেখা দেখলে স্রেফ ভালো পড়াই হয়, হিংসা হয় না। ঘটনা ভিন্ন।

(তিন.)
ঘটনা হইলো যারা একসময়ে নানান কারনে সামহোয়্যারের কতৃপক্ষের উপরে ত্যাক্তবিরক্ত তাদের প্রায় পুরো অংশই সচলায়তনের আয়তনরে সচল করতে গেছেন। সচল করুক ভালো কথা।

কিন্তু চোর মহাশয়, আমাদের অমনিবাস নিক ধারী বিশিষ্ট ব্লগার অমি রহমান পিয়ালেরা এবং তার সাঙ্গপাঙ্গ দি এ টিমরা যা শুরু করছে সামহোয়্যারে দ্যাট প্রিটি মাচ বদারিং। এইটার দায়ভার সচলায়তনে ভিড় জমানো কুতুব ও বিশিষ্ট ব্লগারদের উপরে অনেকাংশেই পড়ে, কারন তেনারা আগে থেকেই ছাগল খেদানোর এন্টারটেইনমেন্টের প্রাকটিস করছেন। যেইটার ইনটেনসিটি নানান নিকে ব্লগ ত্যাগের পরে ও আগে বৃদ্ধি করিয়াছেন। সমস্যা সেইখানে।

গালাগালি প্রবণতার নেতৃত্ব যে সকল সচলায়তনের রতনেরা করিতেছেন অনুগ্রহ পূর্বক সেইটা বন্ধ করেন। সচলায়তন নিয়া ব্যস্ত থাকেন, সামহোয়্যারে লিখিয়া উদ্ধার করবেন কি করবেন না সেইটা আপনাদের কৃপা। সবাই স্বাধীন এইখানে। শুধু ব্যক্তি আক্রমনটা বড্ড বিরক্তিকর। সেইটা ত্রিভুজ, রামছাগল অথবা আর যে কাউরে হউক না কেন। নোংরামি বন করেন। যারে আশ্রয় কইরাই করা হউক ওইটা নোংরামিই থাকে।

(চার.)
ভালো কথা, আমি মডুরামও না এই সামহোয়্যারের। স্রেফ আপনার মতোই ইউজার, গরীব একজন লেখক, নিরীহ পাঠক। মাঝেমধ্যে সারকাস্টিক পোস্টার। মডুরাম হইলে এই সাইট বহুত আগেই পরিস্কার কইরা ফেলা যাইতো ফাউল নিক আর পোস্ট থেইকা।

(পাঁচ)
ডিসক্লেইমার: সাদিক আগে নরম কথা কইতো। এখন ডিগবাজী ক্যান? জ্বি না হুজুর। ধর্মান্ধগো বিরুদ্ধে সমালোচনায় যে সারকাজম থাকতো, আপনাগো পেয়ারের সচলাতায়ন এবং একই সাথে তাহার বান্দাদের ডাবল স্ট্যান্ডার্ড আচরনের সমালোচনায়ও একই স্টাইলের সারকাজম আছে। খিয়াল করলেই বুঝার কথা। ডিগবাজী আপনার মনে, এইখানে না। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28718991 http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28718991 2007-07-03 00:22:40
হোয়াট দা হেক আর উই ডুয়িং। গ্লোবাল ওয়াননেস প্রোজেক্ট http://www.goonj.org) নামের একটি ভলান্টিয়ার সংস্থার এক্সিকিউটি ডাইরেক্টর অংশু গুপ্ত হলেন সেইরকম মানুষ যাকে আমি বলবো সত্যিকারের অবতার, খলিফাতুল্লাহ বা খোদার প্রতিনিধি। কেন বলবো তা বুঝতে আপনাকে ওর কার্যক্রমের এই ভিডিওটা দেখতে হবে।

অংশু গুপ্তা ভূভারতের হাজার হাজার গরীবের থেকেও গরীব যে মানুষগুলো, তাদের লজ্জাকে ঢেকে দেন বস্ত্র দিয়ে। হেজিপেজি ভাবে না, চমৎকার পরিকল্পনার মাধ্যমে।

আমরা যারা আরাম কেদারায় উবু হয়ে এই মুহুর্তে এই ব্লগ পড়ছি তাদের হয়তো কল্পনায়ও আসবে না যে শীতের রাতে বিহারের অনেক গ্রামে মায়েরা তাদের নগ্ন শিশুকে মাটিতে গর্ত করে তার ভিতরে ঢুকিয়ে রাখে, উপরে ঢেকে দেয় খরকুটো ঘাস দিয়ে, একটু উষনতার আশায়। গায়ে দেবার মতো জামাটা পর্যন্ত নেই, শীতের কাথা কম্বল তো দূরের কথা। আমরা যারা প্রতি ঈদে, উতসবে অথবা কোন কারন ছাড়াই হাজার হাজার টাকার দামের জামা কিনি তাদের হয়তো কল্পনাতেও আসবে না কেমন জীবন তাদের যারা গত পাঁচ বছর ধরে দুই টুকরো ছেড়া কাপড়ে লজ্জা ঢাকে। এ শুধু ভূ-ভারতের বাস্তবতা না, এরকম বাস্তবতা আমাদের বাংলাদেশেও ঢের।

ওয়াননেস প্রোজেক্টের সাথে ব্যক্তিগত সম্পৃক্ততার আগ্রহ থেকেই দেখছিলাম অংশু গুপ্তের কার্যক্রম। ভিডিওটার শেষের দিকে এসে সত্যিই শকড হলাম অন্য একটা ব্যাপার বুঝতে পেরে।

অংশু বলছিলো, এই পৃথিবীতে প্রতি মহিলার নিয়মিত মাসিকের সময়টায় পাঁচ দিনের জন্য প্রয়োজন হয় এক টুকরো কাপড়ের।

আমরা কেউ কখনো ভেবে দেখেছি যে মহিলার পরনের কাপড়টুকুর ঠিক নেই সে কিভাবে জোগাড় করে সেই এক টুকরো কাপড়? আমাদের প্রতিনিধিরা অনেক গ্রামে মহিলাদের সাথে কথা বলেছে। অনেক পরিবারে এক টুকরো কাপড়ই ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ব্যবহার করে একাধিকজন। আবার অনেক ট্রাইবে মহিলারা বলেছে তারা কিছুই ব্যবহার করে না। এ তথ্য শকিং! এরা এতটাই গরীব তাদের সামর্থ্য নেই নিজেদের লজ্জা ঢাকার। পরনের ব্লাউজ ব্যবহার করে টিটেনাসে মারা গেছেন এমন উদাহরনও আছে।

বিহারের একাধিক গ্রামের নাঙ্গা শিশুদের কাপড় জড়িয়ে দেওয়া, এই অতি গরীব মহিলাদের মাসিক সময়ে ব্যবহারের জন্য পরিস্কার কাপড় প্রদান করা সহ অসাধারন কাজ করছে অংশু গুপ্তের গুঞ্জ। ভিডিওটি দেখছিলাম আর মনে হচ্ছিলো প্রকৃতি পরম মমতায় যে মানুষকে সৃষ্টি করেছে তার সে কি করুন অবস্থা; স্রষ্টাও না জানি কতটা ব্যথিত আমাদের এই ভোগবাদী সমাজব্যবস্থায়, আমাদের অন্ধত্বে - যেখানে একদিকে ধনীদের সম্পদের স্তুপ কেবলই বেড়ে চলে আর নি:স্বরা হয় আরো নি:স্ব।

এই নি:স্বদের জন্য যারা কাজ করে, যারা তাদের কষ্টে ব্যথিত হয় সেইরকম মানুষ অংশু গুপ্ত - তাই তাকেই ডাকা যায সত্যিকারের অবতার, সত্যিকারের খলিফাতুল্লা। গরীবদের জন্য কাজ করবেন বলেই অংশু গুপ্তা ১৯৯৮ সালে ভারতের খুব বড় একটা কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান থেকে ইস্তফা দিয়ে ঘুরে বেড়াতে শুরু করে ভারতময়। উদ্দেশ্য নিজ চোখে দেখা ও উপলব্ধি করা গরীব মানুষের সত্যিকারের প্রয়োজনটুকু। হ্যাটস অফ টু হিম।

আর এই নষ্ট আমরা নিজেদের প্রশ্ন করতেই পারি, "হোয়াট দা হেক আর উই ডুয়িং? জাস্ট ইটিং, শিটিং, কনজিউমিং এন্ড মোর মিনিংলেস কমজিউমিং ... ইজ দ্যাট এ লাইফ ওর্থ লিভিং?"

লো ব্যান্ড উইথের ভিডিওটি দেখা যাবে এখানে।

হাইব ব্যান্ডউইথের ভিডিও এখানে।

স্লো ইন্টারনেট লাইন হলে পজ করে রাখুন, স্ট্রিমিং লোড হলে তারপরে প্লে করুন।

গ্লোবাল ওয়াননেস প্রোজেক্ট সম্পর্কে]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28718943 http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28718943 2007-07-02 20:37:16
মাইকেল মুরের নতুন ডকুমুভি, সিকো
আমাদের সৌভাগ্য যে আমরা মাইকেল মুরের সময়ে বেঁচে আছি এবং তার সৃষ্টিকে এবং সেই সৃষ্টি যে ঘটনার পরিপ্রক্ষিতে তৈরী সেই সময়ের স্বাক্ষী। ডকুমেন্টারী মানে যে বোরিং কোন দৃশ্যায়ন না, ডকুমেন্টারী যে সিনেমা হলে বাঁধভাঙ্গা দর্শকের ঢল নামাতে পারে, ডকুমেন্টারী তৈরী করে সমাজের অসঙ্গতির কথা তীব্রতার সাথে বলা যেতে পারে তার প্রমাণ মাইকেল মুরের ফারেনহাইট ৯/১১, বোলিং ফর কলাম্বাইনের মতো কাজগুলো।

ফারেনহাইট ৯/১১ দর্শকদেরকে হলিউডের ব্লকবাস্টার মারদাঙ্গা ছবির চাইতেও তীব্রভাবে স্ক্রীনে টেনে রাখার শক্তি নিয়ে হাজির হয়েছিলো। এবার মাইকেল মুর হাজির হয়েছেন তার নতুন ডকুমুভি নিয়ে, সিকো যার নাম। ইতিমধ্যেই দারুন আলোড়ন তুলেছে আমেরিকায় সিনেমাটি। মুরের পলিটিক্যাল এক্টিভিজমের হয়তো সেরা সাফল্য হতে যাচ্ছে এটা।

আমেরিকার স্বাস্থ্যসেবার যাচ্ছেতাই করুন অবস্থা একেবারে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখাতে এবং হেলথ ইনসুরেন্স ঘিরে রাজনৈতিক ও টাকার নোংরামী ইত্যাদি নানান বিষয় তুলে আনা হয়েছে ডকুমেন্টারীটিতে। রিভিউয়াররা ইতিমধ্যেই সিকোকে মাইকেল মুরের এ যাবতকালের সেরা সৃষ্টি বলতে আরম্ভ করেছে। যথারীতি এই সিরিয়াস বিষয়ের ডকুমেন্টারীতেও থাকছে মুরের এগ্রেসিভ ব্যাঙ্গাত্বক স্টাইল।

ডকুটা দেখার জন্য অপেক্ষায় আছি। মাইকেল মুরের স্মার্ট হিউমারের তুলনা নেই। অনলাইনে পুরো মুভিটা পাওয়া গেলে আওয়াজ দিয়েন।

. অফিসিয়াল ট্রেইলার
. সিকো নিয়ে মুরের লাইভ সাক্ষাতকার
. অফিসিয়াল সাইট
. রোড শো ভিডিও ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28718655 http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28718655 2007-06-30 19:07:56
ব্রাংকার জন্য কোলাজ ব্লগের মাধ্যমেই পরিচয়। পাওলো কোয়েলহোর আল কেমিস্ট বইটায় 'মাকতুব' (এভরিথিং ইজ রিটেন) বলে যে অদ্ভুত শব্দটা তার অর্থ নিয়ে লেখা কয়েক সিরিজ পোস্টের কল্যানে, যেটাকে গুগল বাবা মাকতুব শব্দের সার্চে প্রথেমই তুলে দেয়।

ব্রাংকা থাকে সেই ভূমধ্যসাগরের কাছে একটা ছোট্ট অদ্ভুত সুন্দর দ্বীপে। ও বলছিলো বাড়ি থেকে বায়ে ৫ মিনিট হাটলে সাগরের তীর যেখানে প্রায়ই ব্রাংকার নীল জলে চলে সাতার কাঁটা। ওর বাড়িতে নিজের যতন করে গড়া একটা বাগান আছে। ও নাম দিয়েছে সিক্রেট গার্ডেন। ওর লেখা লাইন সাজিয়ে তাই যখন কবিতাটা গড়েছিলাম তখন সেটায় ওর নাম লিখেছি, দি সিক্রেট গার্ডেনার, ব্রাংকা।

খুব বন্ধু ব্রাংকার একটা ছবি নিয়ে কোলাজ করছিলাম। আর ওর চিঠি থেকে গড়া কবিতাটা এখানে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28717233 http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28717233 2007-06-23 12:31:56
হু লেট দা ডগস আউট। নোটিশবোর্ডের আরেকটু প্রোএ্যাক্টিভ হওয়া প্রসঙ্গে হোয়েন দি পার্টি ওয়াজ নাইস, দি পার্টি ওয়াজ জাম্পিন
এন্ড এভরিবডি হ্যাভিন এ বল
আই টেল দা ফেলাজ, 'স্টার্ট দা নেম কলিন"
এন্ড দা গার্লস রিপোর্ট টু দা কল
দা পুওর ডগ শো ডাউন।

হু লেট দা ডগস আউট, হুফ! হুফ!'
- বাহা মেনের গানের লিরিক থেকে।

১.
যারা অত্র ব্লগাঞ্চলে নতুন অথবা তুলনামূলকভাবে নতুন তাদের জ্ঞাতার্থে জানিয়ে রাখা দরকার যে আমরা অসম্ভব ভালো সময় কাটিয়েছি এই সামহোয়্যার ইন ব্লগে, হাতে গোনা কয়েকটা মাস আগেও। আরো কাটাবো সামনে নি:সন্দেহে। প্রথমদিকের অসাধারন শেয়ারিং ছিলো, তুখোড় বিতর্ক ছিলো, মেধাবী ভিন্নমতের মিথস্ক্রিয়া ছিলো। সেগুলো এখনো হারায়নি। এই ব্লগেরই পাতায় পাতায় আছে।

অগ্রজ শোহেইল মতাহিরের নানান বৈচিত্রের পোস্ট, শুভর চোখে পানি নামিয়ে আনা লেখাগুলো, অমি রহমান পিয়ালের অসম্ভব রকমের মূল্যবান মুক্তিযুদ্ধের সত্যকথন, অপবাকের সম্পূর্ন অন্যমাত্রার অন্যচিন্তার পরিচ্ছন্নতা, রাসেলের তীক্ষন সব বিশ্লেষন, শেখ জলিলের মনছুয়ে যাওয়া কবিতা, আড্ডাবাজের আড্ডার আসর, তীরন্দাজের অনেকরকমের ডায়েরী, সুমন চৌধুরীর টোপ আর কেঁচো, আস্তমেয়ের যুক্তিখন্ডন, হিমুর বোম্বাস্টিক হাসির লেখা, অরূপের অফিসের ছোট ছোট কথা, হাসান মোরশেদের ম্যাচিউরড লেখা, মাশীদের কবিতা, স্বরহীনের মনের কথা, সাকিবের পাগলামি, ধুসর গোধুলীর মজার মজার কমেন্টস আর কখনো খুব সিরিয়াস ভালো লেখা, ব্রাত্য রাইসুর স্কেচ বা তর্ক, লন্ডনী হাসানের সরল ডায়েরী, উতসের সিরিয়াস পোস্টগুলো, দীক্ষক দ্রাবিড়ের মেধাবী লেখাগুলো ... কাকে রেখে কার কথা বলি। সবাই খুব আপন নাম। খুব মেধাবী নি:সন্দেহে।

কি নিয়ে আমরা মেতে উঠি নাই তর্ক বিতর্কে বলেন তো? ধর্ম থেকে শুরু করে রাজনীতি, খুনসুটি, আবেগ, ভালোবাসা - খোদার আকাশের নীচে হ্যান বিষয় নাই হয় নাই। আমার স্পষ্ট মনে আছে দাগের এইপাশে দাড়িয়ে আমি, ওইপাশে হাসিমুখ একবার সমকামিতা প্রসঙ্গে তর্ক করছিলাম। কই পুরো ভিন্নমতের হয়েও তো আমাদের গালাগালি করতে হয় নাই।

ভিন্ন মত নিয়ে অপবাকের সাথে আস্তমেয়ের অথবা দীক্ষক দ্রাবিড়ের সাথে অন্যদের, মহুয়া মঞ্জুরীর সাথে অমি পিয়াল দারুন দারুন মজার সব মিথস্ক্রিয়া, তর্ক আছে। ধর্ম নিয়া সুপার মজার সব তর্ক হইছে শোহেইল, অপবাক, সাদিক, দীক্ষক, আস্ত, সুমন অনেকের ভিতরেই। এতই এনগেজিং, এতই উপভোগ্য যে তা জায়গা করে নিয়েছে অপরবাস্তব বইটাতেও।

তখন কিন্তু খেপে গিয়ে কারো মধ্যবয়স্ক রমনীর থলথলে ভুড়ির বা বক্ষবন্ধনী সম্বলিত পোস্ট দিয়ে মানসিক বিকার প্রমান করতে হয় নাই। পুংযৌনাঙ্গ অথবা পশ্চাতদেশের ছবি দিয়াও পোস্ট করার দরকার হয় নাই।

২.
মাঝখানে প্রচন্ড রকম নোংরা পোস্ট এসেছে। আমরা কেন যেন খুব মনে হয় ঐ পোস্টগুলো যারা করেন তারা আমাদের রথিমহারথি এবং সো-কলড সেলিব্রেটি ব্লগারদের ভিতরেই কেউ কেউ। প্রায় পর্নো স্টাইলের ঐ পোস্টগুলো অথবা প্রচন্ড উদ্দেশ্যমূলক দেশকে হেয় করা, মুক্তিযুদ্ধকে অবজ্ঞা করা (৩০লক্ষে প্রাণ উৎসর্গ নিয়ে মশকরা) পোস্টগুলো ব্লগের পাতায় আসা বন্ধ করার একটাই উপায়। তা হলো দৃষ্টান্তমূলকভাবে এ ধরনের পোস্টকারীর আইপি প্রকাশ করা। এর বিকল্প নাই। ব্যান করা কাজের কাজ না। আরেকটা নিক খোলা ২০ সেকেন্ডের মামলা।

পোস্টের টাইমিং এবং সাপোর্ট প‌্যাটার্ন দেখে সহজেই অনুমেয় ঐ ধরনের পোস্ট তারাই করবে যারা দীর্ঘদিন ধরে ব্লগে আছেন। ব্লগের ইস্যু, তর্ক যাদের জানা। আলোয় আসা দরকার কোন সেলিব্রেটি ব্লগ বা ব্লগারগন - এক নিকে নিদারুন ভদ্র পোস্ট, আরেক নিকে সফট পর্নো পোস্ট করেন। এক নিকে ধর্ম করে, আরেক নিকে অন্যের বয়স্কা (অথবা পরলোকগত) মায়ের সাথে সঙ্গম ইচ্ছা প্রকাশ করেন। অসভ্যতার সীমা থাকা দরকার।

আমাদের বোধহয় একটু লজ্জা পাওয়া দরকার আছে মাঝেমধ্যে। নোটিশবোর্ডকে অনুরোধ এরকম পরিস্থিতিতে আরেকটু প্রোএ্যাক্টিভ এ্যাকশন নিতে। শুধুমাত্র তাদের আইপি প্রকাশিত হোক। ম্যাচড হোক অন্য নিকের এ্যাগেইন্সটে। হু লেট দা ডগস আউট - উত্তরটা পাওয়া যাবে।

৩.
ব্লগের অস্থির সময়ে যারা নিজেরাও অস্থির তাদের বলি, একটু সময় দিন। ঘোলা জলের অস্থির সেডিমেন্ট থিতাতে একটু সময় লাগে। আপনাদের ভালো লেখাই এই অস্থির সময়ের গুমোটভাব কাটাতে পারে।

সিনিয়ার ব্লগাররা ইটপাটকেল ছোড়াছুড়ি বন্ধ করে কনট্রিবিউট করেন। ডগসদের ঘেউ ঘেউ আপনাতেই থামবে। ভালো লেখা পড়তেই এখানে সবাই আসে, কাউ কাউ পড়তে না।

৪.
বাহা মেন গেয়ে চলে,
'হু লেট দা ডগস আউট, হুফ! হুফ!'
আমিও তালে তালে মাথা দুলাই।

আসলেই!

হু লেট দা ডগস আউট?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28714702 http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28714702 2007-06-05 13:48:04
ফটোব্লগ: ভেসাক ডে অথবা বৌদ্ধ পূর্ণিমা
এই দিনের দিবাগত এক ভরা চান্দের ঢলঢলা পূর্ণিমার রাতে গৌতমা বুদ্ধার জন্ম, তার বৌদ্ধত্ব লাভ এবং একই তারিখে মহাপ্রয়াণ।

'চান্নিপসর রাইতে আমার মরণ যেন হয়' - গানটা যেন কই শুনছিলাম? হুমায়ুন আহমেদের কোন নাটকে মনে হয়।

মানুষের লিখিত ইতিহাসে আরেকজন গুরুর জন্ম, মৃত্যু এবং তার জীবনের একটা সবচেয়ে অর্জনের দিন একই তারিখে। তিনি হযরত মুহাম্মদ। ১২ই রবিউল আউয়াল জন্ম, ওফাত একই দিনে এবং ১২ই রবিউল আউয়াল তারিখেই তিনি মদীনা (সেই সময়ের ইয়াথরিব) শহরে প্রথম পদার্পন করেন সেখানে নতুন বিশ্বাসীদের জন্য এক নতুন কমিউনিটি প্রতিষ্ঠার জন্য যা বীজ বপন করে তার এনলাইটেনড নব্যুয়তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ন সময়টার।

দুই মহাগুরুরে এই বৌদ্ধপূর্ণিমার শুভ দিনে প্রণাম।

বুদ্ধার এই ধ্যানমগ্ন ছবিটা তোলা সিংহপুরের হল্যান্ড ভিলেজের লিম'স আর্ট নামের একটা সৌখিন জিনিস পত্রের দোকান থেকে।

ক্রেডিট ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28713707 http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28713707 2007-05-31 16:57:06
লাইভ ব্লগিং। পাবদা মাছের রেসিপিতে স্টিংরে ফিস রান্না প্রচেষ্টা রেজওয়ান ভাই এই ক্রিকেট বিশ্বকাপে বাংলাদেশের খেলার সময়ে লাইভ ব্লগিং করছিলেন। লাইভ ব্লগিং কনসেপ্ট নতুন না। আমরাও খেলার সময়ে করছি কম বেশি এইখানে, স্কোর আপডেট দিয়া। এইবার রান্নাঘর থেইকা লাইভ ব্লগিং প্রচেষ্টা।

দাড়ান এদিকে তেল পুড়িয়া গ্যালো বলিয়া। আসতেছি।

কিস্তি ২.
না তেল পুড়ে না

শ্যাজা পাবদা মাছের রেসিপি দিছে। পাবদা নাই কি করুম। স্টিং রে ফিসে রেসিপির কাঠামো পুরাটা মোটামুটি ঠিক রাইখা বন্ধন হইবেক।

নাম ভূমিকায় পাচক এই আমি। আমার ডিরেক্টর শ্যাজা।

কিস্তি ৩.
শ্যাজার রেসিপিটা পইড়া নিলাম আরেকবার। আমার মাছ ভাজা হইয়া গ্যাছে। স্টিং রে মাঝারি সাইজে কাটাইছিলো। হলুদ নুন দিয়া ভাজা সাড়া।

এবার ডাইরেকশন মতো পরের পর্বে যাইতাছি।

কিস্তি ৪.
আগেই কইছিলাম। রেসিপি পুরা ফলো করা সম্ভব না। হঠাৎ দেখা গ্যালো কালো জিরা নাই। কালো গুড়া গুড়া যা পাইলাম সেইটা পাঁচ ফোড়ন। আদাবাটা সহকারে, কাচা লংকা আর ঐ পাচ ফোড়ন দিয়া তেল নাড়লাম। এইবার পানি ঢালতে হইবেক।

কিস্তি ৫.
মাছেরা এইবার জলে সাতর কাটিতেছে।

কিস্তি ৬.
রান্না প্রায় খতম। অনেক তাড়াতাড়ি হইছে। এইটাই চাইতাছিলাম। খানা ক্যামন হইছে পরে আপডেট দিমু।

রান্নাঘর হইতে লাইভ ব্লগারদের জন্য টিপস:
০. ল্যাপটপ এবং ঘরে ওয়্যারলেস ইন্টারনেট সিগনাল এবং রান্নাঘরে ল্যাপটপ রাখার নিরাপদ জায়গা থাকা প্রি রিকুইজিট।

১. ভাজা ভাজির সময়ে ব্লগিং আপডেট তারাই করেবন যারা ঝড়ের বেগে বাংলা টাইপ পারেন।

২. চুলার জ্বাল সদাসবসময় মাঝারি থেইকা কমে থাকবে, স্পেশালী তেলের কারবারে। নাইলে বুইঝেন। ব্লগিংই হইবো আর না খায়া থাকতে হইবো, বিকল্প: কয়লা খাইতে হইবো।

৩. কীবোর্ড ফেরত যাওয়ার আগে হাতে হলুদ তেল ঝটপট ধুইয়া ভালো টিসু দিয়া মুইছেন। আমি অবশ্য পড়নের জিনসে সেইটা সারলাম। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28712224 http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28712224 2007-05-23 20:33:25
আড্ডার বিষয় রান্না, রেসিপি, স্বাদ কসম, শ্যাজারে বহুতবার কইছি আমারে তোমার কলকাতিয়া স্টাইলে 'নো-রিচ মশলা' মাছ রান্নার রেসিপিটা শিখাও শিখাও। ঝামেলা কমায়ে রানতে পারাটা পরদেশে বড় জরুরী। মাইয়া হয় আইলসা নাইলে ভুলো মনা, নাইলে এই গরীবরে পাততা দ্যায় না।

সেইদিন প্রিয়া শিখাইছে কলকাতিয়া স্টাইলে সবজী। রানছি এবং খাইতাছি। যারা কলকাতিয়া স্টাইলে পরিচিত না তাদের বলি যে ওদের মশলার ব্যবহার অন্যরকম। অনেক সময়ে আমরা যেমন (বেশিরভাগ মেইন ডিশে) গব গবায়ে মশলা, পিয়াজ ঢালি, ওইপারে সবসময় সেইটা প্রযোজ্য না। একেবারে মিনিমালিস্টিক মসলা অথচ খেতে দিব্যি স্বাদ, এমনিক মাছের আষটে গন্ধটাও হাওয়া। ওদের স্টাইলটা আসলেই ইউনিক।

তো শেহজাদী আপনের রেসিপি ছাড়েন। ফাকতালে বাকিরা রান্না, রেসিপি আর স্বাদ বিষয়ক আড্ডায় ঢুকতে চাইলে ঢুইকা পড়েন।

২.
গতকাল আমার এক পিচ্চি খালাতো ভাই গুগল টকে কথা বলছিলো। বয়স মাত্র ৮ কি ৯। জিজ্ঞেস করে ভাইয়া তুমি কি করো?

আমি বলি কিছুনা। ক্যাবল রান্না করলাম। একটু পরে খাবো।

পিচ্চি পৃথিবীর যাবতীয় বিস্ময় কন্ঠে জড়ো করে আমারে যে মন্তব্যটা ছুড়লো সেইটা শুনে ঢাকায় কম্পিউটারের কাছাকাছি বসা সবার সেকি তুমুল হাসি। আমি মাইক্রোফোনে বইসা শুনি।

পুরান ঢাকায় বড় হওয়া পিচ্চি খাস ঢাকাইয়া উচ্চারন পদ্ধিতিতে বলে (যেইটা এইখানে লেইখা বলা সম্ভব না), 'তুমি রান্না করতে পারো?!!! কই দেইখাতো মনে হয় না!! বাংলাদেশে আসলে একদিন রান্না কইরা খাওয়াইবা।'

রানতে পারি কি পারি না, এইটা বলে 'দেইখা মনে হওয়ার' বিষয়। মর জ্বালা!

৩.
সুমন চৌধুরীরে অনলাইনে দেখি। বদ্দা আপনের ল্যাটকার রেসিপিটা দিয়েন। আমার মসলায় গন্ডগোল লাগে। কতটুক চাইলে কতটুক ডাইল এইটা বইলেন। সমান সমান? কোন কোন ডাইল বদ্দা'স রেকমেন্ডেড?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28712185 http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28712185 2007-05-23 16:06:58
বাংলাদেশ ভারত ক্রিকেট লাইভ
http://pklivecricket.blogspot.com/

সাইটটা ফায়ারফক্সে না, ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারে খুলতে হবে। এম্বডেড মিডিয়া প্লেয়ারে চালু হওয়ার কথা। আপাতত স্ট্রিমিং স্পিড দারুন স্মুথ। জানিনা সবাই হামলি খাইলে পরে কি হবে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28711796 http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28711796 2007-05-21 13:39:30
মানুষটাতো এসেছে বোধহয়। কই হারাইলো? হ আমি স্বরহীনের কথাই জিগাইতাছি।
মানুষটা দেশে আইসা কই হারাইলো?

স্বরহীন ডুব সাতার থেকে মাথা উঠান। সামহোয়্যার আপনারে মিস করে। আমরাও খুঁজি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28711376 http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28711376 2007-05-19 11:39:35
ফটোব্লগ - ব্যাংকক এয়ারপোর্ট
বিশাল করে নতুন এই এয়ারপোর্ট বানিয়েছে। ম্যানেজমেন্ট এখনো খুব একটা নিখুঁত হয়ে ওঠেনি। এক গেটে রেখে অনেক্ষন পরে চেকইন গেট পরিবর্তন করার ভোগান্তিটা কপালে ছিলো ঢাকা থেকে ব্যাংকক হয়ে সিংহপুরে ফিরে আসার সময়। বড় এয়ারপোর্টের ঝামেলা হলো হাটতে হাটতে জীবন কারবার। তার সাথে যদি সহযাত্রীর ব্যাগট্যাগ টানাটানি করতে হয়।

তবে যেটা ভালো লেগেছিলো তা হলো এয়ারপোর্টটার আর্কিটেকচার। আর্চ আকারের বিশাল হলওয়ে মতো, যেটা একটা বড় স্পেস দেয় দেখার চোখে। অনেকটা ফিউচারিস্টিক আমেজ। মজার বিষয় হলো আর্চগুলো তৈরী করতে চকচকে ক্যানভাস কাপড় ব্যবহার করেছে। দেখলে মনে হয় যেন ইস্পাত। খুব খেয়াল করলে বোঝা যায় টানটান করা ক্যানভাস।

আরেকটা যেটা চোখে পড়ার মতো সেটা হলো একেবারে এয়ারপোর্টের ভিতরে থাই ঐতিহ্য, রূপকথার প্রদর্শনী। মনে হবে যেন যাদুঘরের একটা অংশ তুলে এনে রাখা হয়েছে এয়ারপোর্টে। এতে এয়ারপোর্টটার একঘেয়েমী যান্ত্রিকতা যেমন ব্রেক হয়, তার সাথে সাথে ট্রানজিট যাত্রীদের আরো কৌতুহল করে থাইল্যান্ডকে ঘুরে ফিরে দেখতে। আমারই মনে হচ্ছিলো একটা ভিসা থাকলে মন্দ হতো না!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28711331 http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28711331 2007-05-19 02:07:05
ইন্ট্রোস্পেকশন৷ একটা সাক্ষাত্‍কার আবার ঠিক সাক্ষাত্‍কারও না
(হাসি হাসি মুখ হঠাত্‍ গম্ভীর হয়৷ তারপরে অতি শুদ্ধ ভাষায়)
: আমি মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লিখি৷

- তারপরে?

: (মনে মনে বলে, আবার জিগায়?!) লিখে ফাটিয়ে দেই৷ জানেন আমার লেখা পড়ার আগে কতজন টিস্যু বক্স নিয়ে বসে?! আর লেখা নামালে কি কারবারটাই না হয়, পাবলিকে আহা উহু করে ওয়েবসাইট ফাটিয়ে দেয়৷ কেউ বলে:
তুই সব বইলা ফেলাইছিস, আর কি বলুম!
কেউ বলে: প্রতি শব্দে আগুন৷
কেউ গুরু গুরু বলে ভাষা হারিয়ে ফেলে!
কেউ বলে: এই আবেগের যে অর্নিবাণ বিচ্ছুরন তাতে জ্বলে পুড়ে যাই৷
এতজনে সহমত প্রকাশ করে যে কি বলব!

- খুব ভালো৷ চমত্‍কার! অসাধারন!
আচ্ছা আপনি যে এই মুক্তিযুদ্ধ নিয়া লেখেন, আর ঐদিকে দেশের মুক্তিযোদ্ধাদের যে কয়জন আজ পর্যন্ত কোন মতে বেঁচে আছে তাদের কথা তো বলতে শুনি না৷ তাদের বিরুদ্ধে বছরের পর বছরের ধারাবাহিক অন্যায়, দেশের অপরিসীম, অমার্জনীয় অবহেলা। মার্চ মাস নাইলে ডিসেম্বরে অল্প বয়স্ক ছেলে ছোকরা সাংবাদিক হয়তো কোন বস্তি থেকে এরকম পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধাদের খুজে বের করে৷ তাদের কথা আমরা শুনি বছরের ঐ দুইদিনেই৷ আপনি সিনিয়ার মানুষ৷ আপনি কি নিয়া লেখেন সাধারনত?

: আবারো জিগায়? (হালকা বিরক্ত) লিখি ২০০৭ এর নতুন রাজাকারদের নিয়া৷ (ভুরু কুচকে যায়)

- নতুন রাজাকার, ক্যামনে কি, বুঝায়ে বলেন প্লিজ৷ আপনি বস-মানুষ, না বুঝাইলে ক্যামনে৷

: আরে বোকা ১৯৭১ এর রাজাকারদের আমরা স্পর্শ করতে চাই না৷ তারা থাকুক, এমপি হোক, গদীকে যাক, টিভিতে ভাষন দিক৷ পাবলিকের ভিজিবিলিটিতে ওদের দরকার আছে৷ দরকারটা পরে বলছি৷

আমি ও আমার মতো এলিট লেখকেরা যারা এলিট পত্রিকা (যেমন ভোরের কাগজ, প্রথম আলো, যায়যায়দিন) এর পাতায় লিখি আবার লিখিও না তারা মনে করি আমাদের পাড়ায়, পানের দোকানে, সাইবার ক্যাফেতে, প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এফ রহমান হলে - (কোথায় নেই) চারিদিকে এই নতুন রাজাকারেরা আমাদের ভিড় করে আছে৷ আমি ও আমরা নতুন রাজাকার তৈরী করি, তাদের খেতাব দেই৷

নতুন রাজাকার তৈরী করা মানে এই আমরা হয়ে উঠি নতুন কলমবাজ মুক্তিযোদ্ধা৷ আমার প্রতিবেশির কলেজে পড়ুয়া ছেলেকে (নামাজ টামাজ করে, দুই একটা জামাতের ছেলে ছোকরা ওর বন্ধু, নি:সন্দেহে ও হার্ডকোর জামাতী) রাজাকার ডাকলে আমি হতে পারি মুক্তিযোদ্ধা বিষক লেখক৷ আসল ইস্যু তখন আর মুখ্য না।

বুঝলেন না, শত্রু বানায়ে নিতে হয় অনেক সময়ে৷ আর এই নতুনদের চোখে পড়ার জন্য দরকার হয় আসল রাজাকারদের, তারা একটা ইমোশনাল ক্যাটালিস্ট৷ তাদের দরকার আছে৷ এই কারনে যুদ্ধাপরাধী, ধর্ষক, গনহত্যার প্ল্যানার, আল বদর কমান্ডারদের বিরুদ্ধে আমরা তেমন কিছু বলি না৷ আমরা নতুন রাজাকার সনাক্ত করি, চায়ের টেবিলে বসে হাতি ঘোড়া মেরে প্ল্যান করি, কখনো এমএসএন ক্লোজ গ্রুপে এ বসি (আমরা খুব আধুনিক) আর ঠিক করি নতুন কাকে "মুখোশ টুখোশ" খুলে দেওয়ার নাম করে রাজাকার বলে ডাকা যায়৷

- তাইলে ৭১ এর খুনীরা, বুদ্ধিজীবি হত্যাকারী ও পরিকল্পনাকারীরা?

:: আরে রাখেন৷ ওরা আমার ও আমাদের ইন্টাররাকশনের আওতায় নেই৷ নিজামীর গাড়িতে জাতীয় পতাকা উড়ে সেইটার প্রতিবাদ আমরা কেন করবো? একটা ইয়ে বলে কথা আছে না। কিছু ইস্যু জমিয়ে রাখা সবসময়ের জন্য, অনেক কারনেই লাভজনক৷

আমি আমার সাধ্যের সাথে আপোষ করতে যাবো ক্যান? বোকা নাকি!

- বুঝলাম৷ তাইলে আপনি ও আপনারা সাধ্যের মধ্যে আর কি কি করেন?

: একটা উদাহরন দেই৷ বুঝতে সুবিধা হবে৷ এই যেমন মনে করেন অমুক নামের একটা ছোকরা সেইদিন মুখের উপরে বেয়াদবের মতো বলে উঠলো: 'মুক্তিযুদ্ধের ছবিরে যেইখানে সেইখানে ব্যাবহার করবেন না৷' আরে সেইদিনের ছেলে৷ ১৯৯২ এ মনে হয় স্কুলে পড়ে যখন আমরা বাংলাদেশে প্রায় আরেকটা মুক্তিযুদ্ধ করতে ব্যস্ত ছিলাম (গলা ঝাকানী ও কাশি)৷

সে কিনা কয় মুক্তিযুদ্ধের ছবি যেইখানে সেইখানে ব্যবহার করলে নাকি কি হয়! হি সাউন্ডস লাইক রাজাকার ইউ নো। হরিবল। মাঝে মধ্যে ইসলাম নাইলে ধর্ম নিয়া কথা বলে। হাউ ফানি। প্রোফাইল পুরা রাজাকারের সাথে ম্যাচ। এ নিয়ে আমরা মেসেঞ্চারে বসে এনলাইসিস পর্যন্ত করেছি। বলেছিলাম না আমরা খেটে খাই। ভাবছি ছোকরাকে রাজাকার সাব্যস্ত করার জন্য আমরা ওয়েব সাইটে হরতালে যাবো, একটা একশন না হলে জমছে না।

ভাবেন। ঐ ছবিগুলা হইলো আমাদের লেখার পেইজ মেকআপ এলিমেন্ট৷ শোভা বর্ধক৷ ঐ সাদাকালো আর্কাইভ ছবি দেখেইতো প্রথমে পাবলিক আসল ইস্যু ভুলে যায়৷ ওগুলা ব্যবহার, অতি ব্যবহার, অতি অতি অতি অতি ব্যবহার আমাদের আবেগকে আরো আরো আরো আরো আরো শানিত করবে, করেছে, করতেই থাকবে, করতেই থাকবে ককককককককককককককরতেই থাকবে৷

তারপরে আমি যেদিকে ইস্যু টানি, তারাও সেইদিকে যায়৷ শেষ হয় বাহবা দিয়া৷

- অতি ব্যবহারের তো একটা বিপদ আছে এইটাতো মানবেন?
: জ্বি না৷ মানবো না৷ মানার দরকার নাই৷ আপাতত আমরা মুক্তিযোদ্ধা, ব্যস৷ আমি ভাই খেটে খাই৷

- তাইলে ১৯৭১ এর মুক্তিযোদ্ধাদের অবহেলিত অধিকার বা ৭১ এর যুদ্ধাপরাধীদের নিয়ে খুব একটা লিখেন না?

: লিখবো না কেন৷ অবশ্যই লিখি৷ ওগুলাতো প্রাইম আইটেম৷ হটের ভিতরে হট। বছরের বিশেষ দিনে ওই লেখা নামাই আমি ও আমার বন্ধুরা৷ মনে করে ১০টা লেখার ভিতরে একটা ফ্যাকচুয়াল লেখা নামাই৷ কাগজপত্র ঘাটতে হয়, বইপত্র পড়তে হয়৷ এত কষ্ট! তারচেয়ে আবেগের নক্সাকাটা অনেক বেশি সহজ৷ পাবলিকে খায়ও বুঝলেন৷

ঝট করে বসো, চট করে লিখে দাও৷ সঙ্গে একটা মুক্তিযুদ্ধের ধর্ষিত মায়ের ছবি, অথবা গলিত লাশ৷
ব্যস৷

ভালো কথা, আমি যে ওয়েবসাইটে লিখি সেইটার ঠিকানাটা নিয়ে যান৷ দেখবেন কেমন খায় পাবলিক৷ আমিতো রীতিমতো সুপারস্টার সেইখানে! নিন নোট করে নিন৷ ডব্লিউ ডব্লিউ ডব্লিউ ডট সামাহোয়্যার ইন ব্লগ ডট নেট, হ্যা সামহোয়্যারইনব্লগ একটা শব্দ৷ তারপরে একটা ...


>> টীকা: যখন দুই মেরুতে একদল আলট্রা রিয়েকশন্যারী, ফান্ডামেন্টালিস্ট ইসলামীস্ট, ৭১এর রাজাকারদের সরাসরি সহায়তা প্রদানকারী এবং তাদের প্রতিক্রিয়া স্বরূপ আরেকদিকে আলট্রা ন্যাশনালিস্টিক ব্যানারে অন্য আরেক এক্সিট্রিমিস্ট আইডিওলজী তৈরী হয় (যারা নতুন শত্রু তৈরীর জন্য নতুন শত্রুর ছায়া তৈরী করে), তখন দুই এক্সট্রিম আইডিওলজীই যে ভুল সেইটা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখানোর দরকার হয়৷

বিশেষ গোষ্ঠিবদ্ধ কলমবাজ মুক্তিযুদ্ধ লেখকেরা যখন নতুন রাজাকার তৈরী করতে গিয়ে আমার পাড়ার জুনিয়ার কাউকে (যাকে আমি বাংলাদেশের ভবিষ্যতের একজনই দেখি) বা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলের ২১৯ রুমের জুনিয়ার রুমমেটকে তার পলিটিক্যাল ভিউয়ের জন্য রাজাকার শিরোনামে আখ্যায়িত করে পুলকিত হয় এবং নিজেদের আরো তুখোড় থেকে তুখোড়তম মুক্তিযোদ্ধা ভাবতে চায় তখন আমি সেইটার প্রতিবাদ করি৷ আমি মনে করি এই ধরনের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক ডিসকোর্স আর হাইপোথিসিস আমাদের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক অর্জনকে আন্ডারমাইন করে, যা প্র্যাক্টিক্যালী এখনও সম্ভব তাকেও সেকেন্ডারী প্রায়োরিটিতে ঠেলে দেয়৷

>> স্টেরিওটাইপিং বাদ দিয়ে প্রায়োরিটি দেখার সময় এসেছে। মুক্তিযুদ্ধের কথা অবশ্যই লেখা হবে। যার লিখবেন তারা সন্মানিত। কিন্তু ক্যারিড এ্যাওয়ে হয়ে গিয়ে কেবলই "এই আকালে স্বপ্ন" দেখলে কবরে শোওয়া প্রণমি যোদ্ধারাও কষ্ট পান। তারা স্বপ্ন দেখেই জীবন দিয়েছ। এবার আপনারা কৃত কাজটি করুন।
আবেগ আর স্বপ্নকে ছুটি দিয়ে আড়মোড়া ভাঙ্গার কথাটি ভাবুন। প্রায়োরিটিগুলোকেও ইন্ট্রোস্পেকশনে আনুন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28708581 http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28708581 2007-05-01 12:12:46
ব্লগীয় মোহগ্রস্থতা, আরিফ জেবতিকের পোস্ট এবং টুকরো কথা যে জায়গায় বন্ধু অন্যমনস্ক শরত শুরু করছে আমি সেইখান থেইকাই চিন্তাটা টানি। ব্লগীয় মোহগ্রস্থতা।

অনেকেই ব্লগরে নিজের দ্বিতীয় জীবন বানানোর মোহে আবদ্ধ। এইটা আধুনিক সময়ের অন্যতম বিপজ্জনক এবং তুলনামূলকভাবে খুব নতুন সামাজিক সমস্যা। পশ্চিমে অলরেডী শুরু হইছে। আমাদের দেশেও এক্সপেরিমেন্টটা সামহোয়্যার দিয়েই হইতাছে মনে হয়। মাঝে মধ্যে মনে হয়, বেচারারা, দে ডোন্ট হ্যাভ এনি থিং বেটার দ্যান দিস। প‌্যাথেটিক!

এন্টারটেইনমেন্টের এতই অভাব যে অনেক পরিপক্ক মানুষদের (অন্তত বয়সে ও সামাজিক অবস্থানে তো বটেই) দেখি সবে মাত্র কৌশর পার হওয়া কোন বালকের সাথে পচানী টিটকারী মাইরা সময় পার করতাছে। রামছাগল, তিরিভুজ বিষয়ক কাদাছুড়াছুড়ি দেখলে আসলেই মনে হয়, অনেক মানুষের আসলেই মনে হয় এরচেয়ে ভালো কিছু করার নাই। আফসোস।

একটা হাইপোথিসিসে বিশ্বাস করতাম যে সম্ভবত শিক্ষা (প্রাতিষ্ঠানিক) মানুষের নোংরামী দূর করতে পারে। মাঝে মধ্যে মনে হয় ভূল। সম্ভবত শিক্ষার নতুন সংজ্ঞা প্রয়োজন অথবা সুআচরন সেখাইতে আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যর্থ।

শিশুতোষ ছেলেমানুষী কাটাইয়া ম্যাচুরিটি প্রয়োজন। রাজকার, মুক্তিযুদ্ধ, ধর্ম, মৌলবাদ, যৌণতা - বিষয় যেইটাই হউক না কেন, ইন্টারনেট হওয়া উচিত সেনসর বিহীন বিশ্ব। সেইটাই ইন্টারেনেটের স্পিরিট। এন্ড উই অল লাভ ইট। উই অল বেনিফিট ফ্রম ইট।

জামাত আইডিওলজী অথবা শিবির প্রপাগান্ডা যেইটার যতখানি বিরোধীতাই আমি করি না কেন, ডায়ালগ ইজ অল ওয়েজ এ বেটার অপশন দ্যান টার্নিং দি মাইক্রোফোন অফ।

ব্লগে সবার বাকস্বাধীনতার পক্ষে আমার অবস্থান, এমনকি যেইটা আমার কাছে অশ্লীল সেইটারও। সময় ও পাঠকেই নির্ধারন করবে গ্রহনযোগ্যতা।

দুই.
আরিফ জেবতিক একটা পোস্ট করছিলেন আরিলরে উদ্দেশ্য কইরা। বিষয় হইলো বিশেষ বিশেষ রাজনৈতিক নেতাদের ছবি যেন ব্লগে দেখানো না হয়।

তুমুল আবেগী পোস্ট। বরাবরের মতো আমরা বাঙ্গালীরা আবেগে গইলা পড়ি। এইখানেও যে পড়ছি সেইটা মন্তব্য দেখলেই বুঝা যায়।

কথা সেইটা না, কথা প্রথমে হইলো এই দাবীর ম্যাচিউরিটি নিয়া। প্রশ্ন আসে ইন্টারেনেটের ফ্রিস্পিচ কম্প্রোমাইজ প্রসঙ্গটা। যেইখানে আমি মাসুদা ভাট্রি বা মহুয়া মঞ্জুরী বা রাসেলরের বাক স্বাধীনতা সমর্থন করুম, সেইখানে আমি সো কলড শিবির, জামাতের বক্তব্য রাখার জায়গাটারেও সমর্থন করতে হয়। নীতিমালা থাকুক, সেইটার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হউক এবং একই সাথে সেই নীতিমালার ভিতরে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংরক্ষিত হউক সবার জন্য। মিত্র বা শত্রু তা তুমি যেই হও না কেন। এইটারেই কয় সহনশীলতা, গ্রহনযোগ্যতা।

তিন.
স্বাধীনতার এত বছর পরেও দেশের মতো একটা বিশাল ইনসটিটিউট, এতগুলা সরকার যুদ্ধাপরাধী, ধর্ম ব্যবসায়ীদের কিছু করতে পারলো না, পারবে বইলাও মনে হয় না; সেইখানে আরিলরে সম্বোধন করে, "এই সিদ্ধান্ত এখুনই নিতে হবে, নাইলে খেলবো না, আমার বড় অশলীল লাগে" - এই ধরনের বক্তব্যে বেজায় ফাঁক। ইমোশন ভরা, কিন্তু গ্রহনযোগ্য যুক্তির অভাব। আমরা বোধহয় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক ফাঁকা ইমোশন অনেক দেখছি আমাদের এই দু:খিনী বাংলাদেশে!

চার.
দ্বিতীয় আরেকটা জায়গা আপাতত খুব হালকা মনে হইলেও আমার কাছে অন্তত হালকা লাগে নাই।

আরিফ জেবতিক আরিলরে তার ব্যক্তিগত অনুভূতি জানাইছে। সেইটারে আমি শ্রদ্ধা করি। সে জানাইতেই পারে কোনটা তার কাছে শ্লীল আর কোনটা অশ্লীল। কিন্তু পোস্টের শুরু ছবিটায় আমার চোখ আটকে যায়।

ইমোশন ড্র করা ভালো। তবে ইমোশন ড্র করার জন্য যা কিছু সীমারেখাকে সন্মান করা মনে হয় কাম্য।

মুক্তিযুদ্ধের এই চরম বেদনাদায়ক একেকটা ছবিকে এভাবে হালকা করে অপমান করবেন না। আরিলকে, কতৃপক্ষকে কিছু জানাতে চান, জানান। খুব ভালো কথা। কিন্তু তার সাথে মুক্তিযুদ্ধের আবেগকে এভাবে ব্যবহার করার ভিতরে আমি সমস্যা দেখি।

যে ইস্যু তোলা হইছে সেইটা সামহোয়্যারের নীতিমালার সম্পর্কিত। এইখানে সামহোয়্যারের অবস্থান থেকে অবশ্যই তারা প্রত্যেকের মত প্রকাশকে প্রায়োরিটি দেবে, বি ইট জামাত অর হার্ডকোর আওয়ামীলীগ অর হোয়্যাট এভার।

সুতরাং এই ধরনের দাবীর সাথে ইচ্ছেমতো মুক্তিযুদ্ধের ছবি জুড়ে দেওয়া আমার কাছে মুক্তিযুদ্ধের অনুভব, চেতনা আর স্পিরিটকে হালকা করা, ঠুনকো করা। এমনিতেই তাদের আমরা যোগ্য সন্মান দিতে ব্যর্থ হয়ে আসছি ধারাবাহিক। আর টেনে নীচে নামাবেন না, উপরে তোলার মোহগ্রস্থতায়। অনুগ্রহ করে ঐ চরম মমতার দেহগুলোকে এভাবে সস্তা চিঠির মনোগ্রাম বানাবেন না।

পাঁচ.
নাম জানা ও অজানা সকল মুক্তিযোদ্ধা ও নিহত মা, বোন, ভাইদের রুহের মাগফেরাত কামনা করি। তাদের ত্যাগ হোক মহিমাময়, রাজনৈতিক স্লোগানের সস্তা ব্যানারের লেখনী নয়। কখনোই নয়। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28708330 http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28708330 2007-04-29 14:21:21
রেটিং কইরা, "৫ দিলাম" কওনের কিছু নাই। প্রায়শই ব্যাপারটায় চামচামী প্রকাশ পায় রেটিং জিনিসটা ভালো। তয় সব ভালো সবার সহ্য হয় না।

সত্যিকারের ভালো পোস্টে ৫, ৪ দিতে আপততি নাই, তয় দলবাজী করনের মতো হ্যান ত্যান মার্কা পোস্টে ৫ নম্বরে মাউসের ডগা টিইপ্পা দাত ক্যালাইয়া মন্তব্যের ঘরে "৫ দিলাম" ঘোষণা দেইখা অনেকক্ষেত্রে দৃষ্টিকটু চামচামী পরিলক্ষিত হয়। উদাহরন দেখাইয়া লজ্জা দেওনে কাম নাই, তয় বটম লাইন ওইডাই। চামচামী আর দলবাজী জিনিসটা থেইকা দূরে থাকাই ভালা।

ব্লগ করেন ভালা কথা। একটু ম্যাচিউর আর সেনসিবল হইয়া করলে ক্ষতি নাই। বুশ বুশ দলবাজীর খেলন দুনিয়ার লেইগা যেমন ভালা না, রেটিং প্রসঙ্গেও সেরম।

দুই.
পাবলিকে চামচামী করে করুন, সাদিক তর কি?

আমার কিছু না। তয় ব্লগে লিখি, পড়ি, ব্লগটারে ভালাই লাগে বইলা 'ভালারে ভালা' আর 'খারাপরে খারাপ' কওনের মতো নিজের সময়টুকু নষ্ট করা এখনও অব্যহত, এই যা!

তিন.
খুব ভালো লেখা, সেনসিবল রেটিংয়ে যোগ্য জায়গাটায় থাকুক। আমরা সবাই যাতে ভালো লেখাগুলা পড়তে পারি সেইটাই হউক রেটিং সিস্টেমের প্রাপ্তি। সারাদিন ব্লগে বইসা থাকা সবার জন্য না। তাগো লেইগা ভালো লেখা পড়নের সুযোগটা বুঝদারী রেটিং সিস্টেমে সুন্দরই হইতে পারে।

- নো মোর রেটিং লইয়া হাংকি পাংকি। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28708179 http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28708179 2007-04-27 23:43:48
এইটা কি হাসিনারে নয়া হিরোইন বানাইনোর ধান্ধা। রেসলিং ম্যাচের নাটক মনে পড়ে ছুটু বেলা এবং বড় বেলা দুই সময়েই ডব্লিউ ডব্লিউ এফ রেসলিং জিনিসটা খুব দেখতাম। যখন বুঝতে শুরু করলাম পুরাটা সাজাইন্না, বানানো নাটক; এমনকি ঠিক কোন কৌশলে নকল রক্ত, এমনভাবে মাইর দেওন যাতে কিছু ব্যথা না পাওয়া, রেফারীর শয়তানী, রেসলিংকে আকর্ষণীয় করতে নানান কৌশলের উপরে একটা ডিটেইল ডকুমেন্টারী দেখার পরেও দেখতাম। পরে দেখতাম কৌশলগুলো ধরার জন্য, নাটকের ভানগুলো খেয়াল করার জন্য।

এই রেসিলংয়ের একটা কমন স্ট্র্যাটেজী ছিলো বড় টুর্নামেন্টের ঠিক ঠিক আগে শয়তান পাটি বা ভিলেইন ক্যারেক্টার (যেমন মনে করেন দি গেইম) দিয়া আগামী ফেভারিটরে (যেমন ধরেন শন মাইকেল) এক পশলা মাইর খাওয়ানো। এমন একটা নাটক সাজানো যাতে এই ফেভারিট খুব গুতা খায়, রক্তাক্ত হয়। এই নাটকটা সাধারনত স্টেজের বাইরে করা হয় যাতে অন্যায় অন্যায় একটা গন্ধ থাকে।

এতে নায়কের প্রতি দর্শকদের হেভী সিমপ‌্যাথী জন্মায় এবং আগামী বড় টুর্নামেন্টে একটা প্রতিশোধ প্রতিশোধ নাটক জমানো যায়। তখন হবু নায়কের পক্ষে সাপোর্ট থাকে ১০০%।

অনেক নতুন ক্যারেক্টাররে জনপ্রিয় করতেও কৌশলটার প্রয়োগ হইতো।

২.
আমাদের হাসিনারে দেশে আসতে না দেওয়াটা দেইখা পুরান দিনের রেসলিং ম্যাচের সেই নায়করে ফেভারিট বানানোর কুটকৌশলটা মনে পইড়া গ্যালো।

৩.
এই সরকার আসার আগেও নিউট্রাল সাধারন মানুষ সবাই খুব ফেড আপ ছিলো দুই শীর্ষ নেত্রীর উপরে। "দুইটারে দেশ ছাড়া করন দরকার", "দুইটারে খেদাইলে দেশে শান্তি হইবো"- এইটা আছিলো রিক্সা চালক থেইকা শুরু কইরা একটা সাধারন চাকুরীজীবি সবারই কমন সেন্টিমেন্ট। এখন এই দেশে না আসার নাটকে পাবলিকের সেন্টিমেন্ট আবার ঘুরতাছে। হাসিনা আপারে 'ফলেন ভিলেইন' থেইকা আবার 'হিরোইন' বানানোর এইটা কুটকৌশল কি না হালকার উপরে ঝাপশা একটা সন্দেহ আইতাছে!

ক্যাডায় জানে! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28707424 http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28707424 2007-04-22 22:17:00
ঈশ্বর ও ফ*ক বিষয়ক রসিকতা - যা একমাত্র ওশোই পারে
এই হইলো ওশোর লেকচারের শুরু। জিনিয়াসের ফ্ল্যাট ফেইস রসিকতা শুনলে হাসতে হাসতে খবর হয়। শেয়ার করার লোভ সামলাইতে পারলাম না। বাচ্চারা মাউসের ডগা সামলাও আর কান সামলাও।

ঠিকানা: http://www.youtube.com/watch?v=6D7rWLzloOI

লিংক]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28707306 http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28707306 2007-04-22 03:02:22
ফটোব্লগ: ঢাকা বইমেলায় সন্ধ্যাগড়িয়ে চটপটির গাড়ির পাশে .
ঝাল বেশি। টকও বেশি
.
জিভে জল]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28705500 http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28705500 2007-04-09 09:13:11
ফটোব্লগ: ইউরোপের স্মৃতি আবারো যখন ডাক দিয়া যায়
[link|http://www.somewhereinblog.net/lensblog/post/11640|]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28705070 http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28705070 2007-04-05 10:17:07
জাভাস্ক্রিপ্ট ওয়ার্কশপে হাসিনের সাক্ষাৎকার http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28705046 http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28705046 2007-04-05 07:37:47 ফটোব্লগ : মিষ্টি সন্নাসী বালকদের ডেরায়
বেজায় কুয়াশা তখন, তাপমাত্রা মাত্র 3। তাই ছবিগুলো বেশ ঘোলা ঘোলা। মেঘের ভিতরে পাহাড়, তার উপরে মনাস্ট্রি। সবসময় মেঘের কুয়াশা ছুয়ে দিয়ে যায় সবকিছু সেখানে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28700212 http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28700212 2007-02-26 16:14:17
ফটোব্লগ । চলে যায় বসন্ত দিন 3 .
এই ছবিটা কলা ভবনের সামনে তোলা, 1লা ফাল্গুনে।
.
এই ছবিটার টেকনিক্যাল দূর্বলতার একটা বড় জিনিস হইলো অল্প আলোতে, মেঘলা দিনে তোলা বইলা যতটা ভালো ফোটা উচিত ছিলো ততটা আসে নাই। এক্সপোজার +3 করার জন্য হালকা নয়েজ পাওয়া যাইতে পারে। আর মন চাইতাছিলো আরো অন্য ভঙ্গিমায় সাবজেক্ট তিনটারে ফ্রেমবন্দী করি। কিন্তু অনুমতি বিহীন, জুমহীন ক্যামেরায় আর বেশি সম্ভব ছিলো না। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28698388 http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28698388 2007-02-14 12:36:54
ফটোব্লগ। চলে যায় বসন্ত দিন 2 .
আইজকা আকাশ মেঘলা ঢাকায়। দুপুরের দিকে হালকা ছিটছিটে বৃষ্টি বসন্ত উৎসবরে একটু হালকা কইরা দিছে। বটতলার গান বাজনার আসর তখনও শুরু হয় নাই। বিকালে বা রাতে হবে মনে হচ্ছে।
.
ছবি তোলা আর বাদাম খাইতে খাইতে দেখি বটতলার পাশে এই তিন সুন্দরী যাইতেছিল। অনুমতি প্রার্থিত হইলো ছবি তোলার জন্য। দারুন খুশিতে পোজ দিতে এতটুকুও সময় লাগে নি।
.]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28698154 http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28698154 2007-02-13 04:41:05
ফটোব্লগ । চলে যায় বসন্ত দিন 1 .
1লা ফাল্গুন, 1413।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28698136 http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28698136 2007-02-13 04:04:57
বেশি কিছু তো চাই না। যে নিউজ পইড়া ভালা লাগলো।
আজকে বিডি নিউজে যে নিজজটা দেইখা ভালো লাগলো সেইটা খুব সাধারন একটা খবর। বাংলা সংস্করনে বিডি নিউজের টাইটেলটা এইরকম: 'দেয়াল লিখন মুছে ফেলা ও শহর পরিচ্ছন্ন রাখার নির্দেশ।' ঘটনা বিশাল না। সিটি কপের্ারেশনের আওয়ার এলাকায় সব ধরনের দেয়াল লিখন মুছা, পোস্টার, অবৈধ তোরন, ব্যানার ও ফেস্টুন অসারনের নির্দেশ দিছে সরকার। এমনটাই দেওয়ার কথা থাকে। এইটাই সরকারের স্বাভাবিক কাজ। অথচ আমাদের ঐ বেআক্কেল বিগত সরকারগুলার আকামের জন্য এখন এই সংবাদটাও বিশেষ সংবাদ হইয়া উঠে।

রেজিস্টার না করা থাকায় পুরা নিউজ পড়তে পারি নাই। তারপরেও আফসোস নাই।

সারাংশ পড়াই যথেষ্ট আছিলো। এই তত্ত্বাবধায়ক সরকাররে ধন্যবাদ দিয়া মনে মনে দেশের তথাকথিত সরকারগুলারে গালি দিতে মনে চাইতাছিলো।

ফাজিল বেলি্লকগুলা বছরের পর বছর ক্ষমতায় থাকে, সিটি করপোরেশন নামে টাকা লুটার জিনিস বানায়ে রাখে আর শহরটারে মিনিমাম পরিস্কার রাখতে পারে না। সিটি করপোরেশনে অশিক্ষিত অযোগ্য মেয়রগুলা ব্যস্ত থাকে স্মাগলিং আর ঘুষের শেয়ার গুছাইতে। 'ইয়ে' ফেলাইতে সরকারের গদিতে বসে যতসব নিমক হারামী। নিজেরা ইতালিয়ান শ্বেতপাথরের প্রাসাদের থাকে আর দেশের শহরগুলারে যাওনের অযোগ্য টয়লেট বানায়ে রাখে শালারা। উলঙ্গ অসভ্যতা!

দেশের হাতি ঘোড়া মারনের বাকি বহুত খবরের ভিতরে এই শহর পরিস্কার করার খবরটার বেইল অনেকের কাছে না থাকলেও আমার কাছে আছে। জয়তু তত্ত্বাবধায়ক সরকার। মরুক হাসিনা খালেদা আর চৌদ্দগুষ্ঠি।

বিডি নিউজের বাংলা সাইট।
http://www.bdnews24.com/bangla/home.php]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28695059 http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28695059 2007-01-23 23:25:48
আইপি এ্যাড্রেস বিষয়ক সহজ পাঠ
প্রথম কথা হইলো: ইন্টারনেটে কানেক্ট হওয়া প্রত্যেকে কম্পিউটারের কি একটাই আইপি এ্যাড্রেস থাকে? এইটা কি প্রতিবার লগইন হওনের সময় পরিবর্তন হয়? আইপি এ্যাড্রেস কখন ইউনিক হয়?

দ্্বিতীয়: একটা ইন্টারনেট সার্ভারে কানেক্ট থাকলে সেইটা ব্যবহারকারী সব পিসির আইপির ভিতরে মৌলিক মিল আর অমিল কি থাকে? ভৌগলিক অবস্থান কি সবসময়েই সেই এলাকার নির্দিষ্ট আইপি নিশ্চিত করে?

তৃতীয়: একজনের পিসির আইপি ট্র্যাক করে সেইটারে ব্যান্ড করলে ঐ ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোইডারে যে বাকি পিসিগুলা কানেক্টেড তারাও কি ব্যান্ড হবে? নিজের আইপি চাইলে কি পরিবর্তন করা যায়?

চতুর্থ: ... ওপেন কোয়েশ্চেন। আপনাদের আইপি নিয়া আর কোন প্রশ্ন থাকলে মন্তব্যে করতে পারেন। যারা জানেন আশা করি ব্যাপারগুলা পরিস্কার করবেন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28694279 http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/28694279 2007-01-17 04:07:08
ফটোব্লগ: ভীষণ রঙ্গিন পাখিদের ঢেরায়
সম্প্রতি আমি, ইন্দ্রনীল আর এক পশ্চিম বাংলার অতিথি মিলে গিয়েছিলাম বার্ড পার্কে। সেইখানে তোলা ছবি। এই পাখিগুলা প্রায় ছাড়াই থাকে। অনেক অনেক উপরে (প্রায় 20 তলার সমান উচ্চাতায়) জাল দিয়ে ঘেরা জায়গায়। পাখিরা উড়তে পারে নিজেদের স্বাধীনতায়।

আমরা পাখিরে পাউরুটি ভিজায়ে খাওয়াচ্ছিলাম। ঘাড়ে মাথায় পাখি উইঠা একাকার। বেটা বেটিগো কোনো ভয় ডর নাই। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/27768 http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/27768 2006-12-11 09:20:34
যা খুঁজিতেছি। সন্ধান জানলে আওয়াজ দিয়েন
কারো জানা থাকলে লিংক দিয়েন। মূল ইংরেজীতেই খুঁজছি। আর ভিডিওকি পাওয়া যাচ্ছে ইউটিউবে?

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/27754 http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/27754 2006-12-11 07:22:14
ফটোব্লগ: সহজ কথা .
from Kashf Al-Mahjub - The Oldest Persian Treatise on Sufism.
.

.
ছবি তোলা কোটা টিঙ্গি, মালয়শিয়া। পাহাড়ী ঝনর্ার দিকে উঠে যাওয়া সিঁড়ি। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/25713 http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/25713 2006-11-24 23:05:13
ভিডিও ব্লগ: যে বাস্তবতা রক্তাক্ত করে .
ভিডিওটা দেখতে পাবেন [link|http://mysticsaint.blogspot.com/2006/11/listen-to-young-girl-reality-bleeds.html|GLv]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/25119 http://www.somewhereinblog.net/blog/lensblog/25119 2006-11-21 06:59:38