না বলতে সমস্যা?
০৯ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৫
আপনি কি সবসময় ‘হ্যাঁ’ বলায় অভ্যস্ত? এবিষয়ে একমত হওয়ার আগে ছোট্ট একটা বিরতি নিন। খেয়াল করে দেখুন এর মাধ্যমে কি আপনি নিজের জন্য সবচেয়ে বেশী সুবিধা পেয়ে থাকেন? ভুল আশ্বাস দিয়ে হতাশ করার মাধ্যমে অন্যেদের আস্থা হারানোর চাইতে নিজেকে আত্মবিশ্বাসী হিসাবে উপস্থাপন করাই শ্রেয়। বিভিন্ন অবস্থাতেই ‘না’ বলার দরকার হয়, আপনার সুসংগত যুক্তিবোধকে ব্যবহার করে সহজেই এই জাতীয় পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রন করতে পারেন। নিচের টিপসগুলো খেয়াল করুন, কিভাবে ‘না’ বলবেন তার সহজ একটা গাইডলাইন এখানে দেয়া হয়েছে।
> না দিয়েই শুরু করুন। কথোপকথনের গোড়াতেই আপনার প্রোপটকে পরিষ্কার করে দিন এবং পরবর্তিতে ঘটতে পারে এমন কোন বিভ্রান্তি থাকলে তাও কমিয়ে ফেলুন। এর মধ্য দিয়ে অপর ব্যক্তিটিকে আপনি সম্মানই দেখাচ্ছেন, এমন নয় যে আশেপাশের কাউকে মাড়িয়ে দিচ্ছেন আপনি আলগোছে।
> প্রাকটিস মেকস্ ম্যান পাফের্ক্ট । যা আপনি বলতে চাচ্ছেন সে বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে নিন। সুবিধাজনক অংশ বেছে নিয়ে, অন্যান্য অংশ চাপা দিয়ে বিকৃত ভংগিতে যেন উপস্থাপিত না হয় সে জন্য আগে থেকেই নিজের মাথায় বিষয়টিকে পরিষ্কার করে রাখুন।
> আপনার যুক্তিগুলো দেখান। আলংকারিক ভাষা অথবা মিষ্টি কথার প্রলেপ দিয়ে আপনার যুক্তিবোধকে নমনীয় করার চেষ্টা করবেননা। কেন আপনি সহযোগিতা করতে পারছেননা সে বিষয়টি খোলাসা করুন। আপনার বক্তব্য যত ষ্পষ্ট হবে সেটির বোধগম্যতাও তত বড়বে।
> প্রশ্ন করুন। অপর ব্যক্তিকেও তার চিন্তা ও অনুভূতি প্রকাশের সুযোগ দিন, মনযোগ দিয়ে শুনুন সে কি বলতে চাইছে। এর ফলে তার চিন্তাধারা এবং আপনার বক্তব্য সে কতটুকু বুঝতে পেরেছে সেটি স্পষ্ট হবে।
> অন্যের অবস্থানকে মেনে নিন। ল্েয স্থির থেকেও আপনি তার পরিস্থিতিকে স্বীকার করতে পারেন। তাকে জানান আপনি বুঝেছেন - ‘অমি জানি তুমি কাজকর্ম আর বাচ্চাদের নিয়ে খুবই ব্যস্ত, কিন্তু আমি দু:খিত, এবার আমি তোমাকে মোটেই সময় দিতে পারছিনা।’ খেয়াল করলে দেখবেন বাস্তবতা নয় বরং অনুভূতিপ্রবণ অবস্থাগুলোই ‘না’ বলাকে কঠিন করে তোলে।
> দৃঢ় আশ্বাস দিন। প্রায়শই প্রত্যাখ্যানকে আমরা ব্যক্তিগত ভাবে নিই। বিশেষভাবে এই বিষয়টি পরিষ্কার করুন কেন তাকে ‘না’ বলা প্রয়োজন এবং সুনিশ্চিত করুন ‘না’ বলার মধ্যে দিয়ে আপনি তাকে খাটো করছেননা।
> কোন কিছু গোপন না রেখে স্বীকার করুন। আপনি কি অবাস্তব কিছুর প্রত্যাশা করছেন? দায়িত্বের সাথে আপনার অবস্থানকে পরিষ্কার করুন। আপনার হাতে সত্যিই যদি সময় কম থাকে, তাকে বলুন। আপনার সততাকে সে সম্মান করবে।
> গঠনমূলক প্রস্তাবের দিকে নজর দিন। ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাগুলোর ধারনা দিন তাকে, তার আগে অবশ্যই নিশ্চিত হয়ে নিন সেগুলো বাস্তবসম্মত। ধরুন প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রার্থী উপযুক্ত নয়, সেেেত্র এটা বলে আলোচনার ইতি টানবেননা - আশা করছি পরবর্তিতে আবার কখনো আপনাকে আমরা ডাকবো।
> প্রয়োজনে বেশী সময় ব্যয় করুন। অপর ব্যক্তিটির তাৎণিক প্রতিক্রিয়ায় উদ্বিগ্ন হবেননা। প্রাথমিকভাবে সেও বিভ্র্ান্ত হয়ে যেতে পারে, কিন্তু সময় নিয়ে বুঝিয়ে বললে তার যুক্তিবোধ নিশ্চয়ই কাজ করবে।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
প্রবাস কন্ঠ বলেছেন:
সুন্দর
নিলা বলেছেন:
গাইডলাইনটা চমৎকার। দারুন তথ্য। তবে, না বলাতে আমার কোনো সমস্যা হয় না......বলতে গেলে সেটাই আমার ফেভারিট শব্দ
তামিম বলেছেন:
থ্যাংন্কু না বলার কিছু দেখতে পাচ্ছিনা। থ্যান্কু প্রবাস, নিলা, নাজিরুল।
দূরন্ত বলেছেন:
যাক বাবা ভুলেই গেছিলাম। এক জায়গায় ফোন করে না বলতে হবে। মনে করিয়ে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ।প্রিয় পোস্টে রাখলাম।
লেখক বলেছেন: থ্যান্কস, প...
ইফতেখার ইনান বলেছেন:
শেল-এর অ্যাডের ফটু না থাকলে প্লাস দিতাম...
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
চমৎকার পোস্ট,এটা ঠিক, 'না' বলাটা খুব কঠিন কাজ। এই 'না'' বলতে না পারার সমস্যায় অনেক সময় অনেক সমস্যার জন্ম দেয়।
লেখক বলেছেন: আর সেজনেই এই ক্ষুদে প্রয়াস ...
লেখক বলেছেন: একি সমস্যা আমারো ... কী দুখ: আমার !
তামিম বলেছেন:
মন্তেব্যর জন্য সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















