somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... জাফর ইকবাল বাঙালি জাতিকে কি দিয়াছেন?
ইংরেজি বই অনুবাদ পূর্বক ছাইন্স ফিকশন লিখিবার ব্যবসা ধরিলেন। গবেষণা আর শিক্ষকতায় সময় দিতে পারিবনা বলিয়া হুমায়ুন মাস্টারি ছাড়িয়া সাহিত্যে মনোনিবেশ করিলেন। আর বেচারা এত মেধাবী জাফর গবেষণা বাদ দিয়া গল্প উপন্যাসের পাবলিকেশনে নামিয়া গেল। নিজের আদর্শ প্রচারের জন্য বস্তাপচা গল্প লিখিয়া, তথাকথিত আদর্শের বুলি দিয়া, বিদেশ ফেরত আদর্শ দেশ সেবক বলিয়া নিজেকে প্রচার করিতে লাগিল।

তাহাতেই সুধী সমাজে ধন্য ধন্য পড়িয়া গেল, অদূরদর্শী তরুণ-তরুণীরা পাগল হ্ইয়া জাফরের নাম ফ্যান ক্লাব খুলিল। অথচ কি এমন জিনিস দিয়া এদেশকে ধন্য করিয়াছে এত মেধাবী জাফর? আসুন তাহার সাহিত্য লইয়া পর্যালোচনা করি।

মুক্তিযুদ্ধ লইয়া জাফর ইকবালের প্রকাশনা দেখুন আর হুমায়ুনের প্রকাশনা দেখুন। পদার্থ লইয়া পড়াশোনা করিয়া মশাই কম্পু ছাইন্স পড়ান কোন যুক্তিতে? বেল ল্যাবের এত বড় গবেষক, কি আবিষ্কার করিল জানিতে পারিলামনা, এদেশে বসিয়া কি গবেষণা করিয়া অধ্যাপক হইল তাও জানিলাম না। কোন কাজ না পারিয়া উপায়ান্ত না দেখিয়া বড় ভাই হুমায়ুনকে দেখিয়া গাজা খুরি ছায়েন্স ফিকশন লিখিবার ব্যবসায় নামিয়া গেল। তাহার সাথে সাথে চলিল নতুন প্রজন্ম আর বাচ্চাদের মগজ ধোলাই সাহিত্য রচনা। মুক্তিযুদ্ধের আসল ইতিহাস না লিখিয়া, মুক্তিযুদ্ধের নামে ফিকশন লিখিতে আরম্ভ করিল। উহাতে সবচেয়ে নিকৃষ্ট পশুর চরিত্র দেয়া হইল দাড়ি-টুপি ওয়ালাদের, যেন দাড়ি টুপি রাজাকারদের জন্মদিনের পোশাক।

যাহা হউক, এক্ষণে জাফরের ধর্ম প্রীতির নমুনা তুলিয়া ধরা হইতেছে তাহার লেখনিতে। জাফরের গল্পের মহাভক্ত, নিয়মিত আর স্মৃতিধর পাঠকরাই ইহা সূত্র উদ্ধার করিতে পারিবেন।

জাফর মশাইয়ের ঝুলি-১

ভাগ্নে মার্কিনে গিয়াছে জ্যাঠা মশাইয়ের সাথে দেখা করিতে। জ্যাঠা মশাই ধার্মিক ম্লেচ্ছ, ম্লেচ্ছ কসাই ছাড়া অন্য জাতের কাটা গোমাংস ভক্ষণ করেননা। তা ভাগ্নে গোমাংসা খাইতে বসিয়াছে। জ্যাঠা মশাই হঠাৎ বলিয়া বসিলেন, "আর বলিসনে এ তল্লাটে আর ম্লেচ্ছদের কসাই খানা নেই, তাই পাকিদের কসাই খানা হইতে তোর জন্য মাংস লইয়া আনিয়াছি । " তৎক্ষণাৎ ভাগ্নে তেলেবেগুনে জ্বলিয়া উঠিল। "হ্যা!!! পাকি কসাইয়ের কাটা গো মাংসা!!!, এরা লাজাকার....ঘাতক..আমার মা-বোনকে ধর্ষণ করিয়াছে......আমি পাকিদের কাটা মাংস খাইয়া...থু ওয়াক থু....."

বাধ্য হইয়া জ্যাঠা মশাই ভাগ্নের জন্য যন্ত্রে কাটা খেরেস্টান প্রজাতির মাংস লইয়া আসিল। ভাগ্নে উহা তৃপ্তি সহকারে ঢেকুর তুলিয়া ভক্ষণ করিল।

জাফর মশাইয়ের ঝুলি -১ হইতে তরুণ-তরুণীদের শিক্ষণীয়

সবার পূর্বে দেশকে ভালবাসিতে হইবে। ম্লেচ্ছদের মতন ধর্মের জন্য দেশ ছাড়িয়া হিজরত করা যাইবেনা বরং দেশের জন্য প্রয়োজনে ধর্ম নাশ করিতে হইবে। পাকি ইমামের পিছনে নামায পড়িলে বাঙ্গালিত্ব থাকিবেনা। এর চেয়ে একা বা নামায না পড়াই উত্তম। পাকি জিনিস বর্জন করিতে হইবে, পাকি ক্রিকেট দলকে সমর্থন দেয়া যাইবেনা, কোথাও পানি না পাওয়া গেলেও পাকিদের দোকান হইতে পানি কেনা যাইবেনা, বার হইতে মদ কিনিয়া, মদ গিলিয়া তেষ্টা নিবারণ করিতে হইবেক।

অন্যথায় দেশপ্রেম থাকিবেনা।

জাফর মশাইয়ের ঝুলি-২

বাড়িতে ঠাকুর দা আর এক নাতি আর এক নাতনি আছেন। মা বাবা গিয়াছেন কর্মস্থলে। ইত্যবসরে দ্বারে ভিক্ষুক আসিয়া কড়া নাড়িতে লাগিল। নাতি গিয়া দরজা খুলিয়া দেখিল ভিক্ষুক। ঠাকুর মশাইকে কে গিয়া বলিল, "ঠাকুর দা, ভিক্ষুক আসিয়াছে। টাকা দিন।"

ঠাকুর দা গম্ভীর গলায় বলিলেন, "আগে তারে শুধাও, ভিক্ষুক হেন্দু না কি ম্লেচ্ছ?"
নাতি গিয়া শুধাইল, "আপনি ম্লেচ্ছ না হেন্দু?" ভিক্ষুক বলিল, "আজ্ঞে আমি হেন্দু!!"
ঠাকুর মশাইকে হেন্দুর কথা বলিতেই তিনি তেলেবেগুনে জ্বলিয়া উঠিলেন।
"কি! ম্লেচ্ছর বাড়িতে হেন্দু আসিয়াছে ভিক্ষা করিতে... এত বড় স্পর্ধা? যা বল কোন ভিক্ষা নাই।"
ইহা শুনিয়া নাতির মন খারাপ হ্‌ইয়া গেল। দু ভাই বোন মিলিয়া জমানো ব্যাংকের টাকা সব ভিক্ষুককে দিয়া দিল, আর ফন্দি আটিল ঠাকুর দাকে শায়েস্তা করিতে হইবে।
সোজা গিয়া ঠাকুর দার চশমা খুলিয়া মাটিতে ফেলিয়া ভাঙ্গিয়া দিল, টিউব লাইট ভাঙ্গিয়া ফেলিল....ঠাকুরদা চেঁচাইয়া উঠিলেন..."করিস কি? করিস কি?"............."ঠাকুরদা, চশমা খেরেস্টানের আবিষ্কার, টিউব লাইট খেরেস্টানের আবিষ্কার, তুমি ম্লেচ্ছ হইয়া উহা ব্যবহার করিতে পারনা।"

জাফর মশাইয়ের ঝুলি -২ হইতে তরুণ-তরুণীদের শিক্ষণীয়

ধর্ম মানুষকে বিভেদ শেখায়, সংকীর্ণতা শেখায়। বিশেষ করিয়া ইসলাম ধর্মের অনুসারী ম্লেচ্ছরা হইল মহা সাম্প্রদায়িক, কেননা তারা সবাই দান খয়রাত, ফেতরা দিবার পূর্বে ভিক্ষুককে জিজ্ঞেস করিয়া লয়, ভিক্ষুক হেন্দু না ম্লেচ্ছ!!! ম্লেচ্ছদের ধর্মে শুধু যাকাত অম্লেচ্ছদের দেয়া নিষেধ। এ অপরাধে তারা খেরেস্টানদের আবিষ্কার ট্রাক-বাস-বিমান ব্যবহার করিতে পারিবেনা। কাজেই ধর্ম পরিচয়ে মানুষকে আলাদা করা যাইবেনা, তবে পাকি আর বাঙালি পরিচয়ে আলাদা করিতে হইবে। চোর ডাকাত গাজা-ডাইল খোর যেই আসুক নিজের ব্যাঙ্ক ভাঙ্গিয়া সব অর্থ দান করিয়া দিতে হইবে। ধর্মনিরপেক্ষ বাঙালি হিসেবে প্রমাণ দিতে হইবে আমরা ধর্মান্ধ ম্লেচ্ছ প্রজাতির মত নীচু জাত নই, বরং মহান।

বুঝি বা না বুঝি ধর্ম কর্ম নিয়া গুরুজন, মুরুব্বিদের সাথে তর্ক বিতর্ক করিতে হইবে , ধমক দেয়া আর সব ধরনের ইতরামো করা যাইবে...প্রয়োজনে তাদের জিনিস পত্র ভাঙ্গিয়া, গায়ের কাপড় শক্তি দিয়া ছিড়িয়া শারীরিকভাবে নাজেহাল করিতে হইবেক।

নইলে বাঙালের জাত থাকিবেনা, ধর্মনিরপেক্ষতা প্রতিষ্ঠা হইবেনা। শহীদের আত্মা কষ্ট পাইবেক।

(চলিছে, চলিবে)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lifeapartblog/28778363 http://www.somewhereinblog.net/blog/lifeapartblog/28778363 2008-03-11 21:54:37
শহীদ মিনারের বেদী, পূজার মন্ডপ, বাঙালি সঙ-স্কৃতি
বাণী অর্চনার সময় দেখিয়াছি মুসলিম সন্তানগণ পূজার প্রসাদ ভক্ষণ করিয়া তাহাদের রোজা ভাঙ্গিয়া অসাম্প্রদায়িক ধর্মনিরপেক্ষ প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করিয়া আছিতেছে। স্বয়ং মুসলিম কবি কাজী নজরুল পূজার মন্ডপে গান গাহিয়া ধর্মনিরপেক্ষ সমাজে সাধু সাধু রব ফেলিয়া দিয়াছিলেন। অথচ তাহাদের গো নিধনের কালে আমরা বাঙালি হেন্দুরা ঘৃণায় গৃহদ্বার খুলিতে কুন্ঠিত হই।

যাহা হউক, সামনে একুশে ফেব্রুয়ারি আসিতেছে। এই দিবসে ভাষার জন্য বাঙালির হৃদয় মন কাঁদিয়া উঠে। অথচ হতভাগা বাঙালি শুদ্ধ ভাবিয়া "শ্রদ্ধাঞ্জলী", "বাঙালী", "ফেব্রুয়ারী" লিখিত পুষ্প মাল্য শহীদ মিনারের বেদীতে ফেলিয়া আসিতেছে। শুধু তাহাই নয়, মূর্খ বাঙালিত্বের দাবীদার রা মূল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ফেলিয়া দিয়া নদীর ধারে, পার্কে, গণশৌচাগারের পাশে, হাটে বাজারে যেখানে সেখানে স্তম্ভ নির্মাণ করে পুষ্পদান করিতেছে। নির্জীব প্রতীমার সামনে প্রণাম করা অথবা মুসলমানদিগের মসজিদে ওঠা বসা যেমন অর্থহীন কর্মকান্ড বলিয়া বোধ হইতে পারে, বেদী তুলিয়া যেখানে সেখানে পুষ্পদানও একই পদের মূর্খতা।


রক্তের বাসি দাগেরউপর পুষ্প ছিটাইয়া শহীদ গণের আত্মার কোন সুগতি হয়না, শুধু শুধু পুষ্প ছিড়িয়া উদ্যন গুলোকে শ্রীহীন করা। একুশের প্রথম লগ্নে সঙ্গীত সহকারে প্রভাত ফেরী যাত্রা করে বেদীর উদ্দেশ্যে। কান্ডজ্ঞানহীন বাঙালি হাটে বাজারের পাশে জনতার লক্ষ টাকার ব্যয়ে নির্মিত মিনারের উদ্দেশ্যে নগ্ন পদে যাত্রা করে কর্দমাক্ত পদযুগল লইয়া গৃহাভিমুখে ফিরিয়া আসে। প্রশ্ন করিতেই হয় এসব হাট বাজার অফিস আদালতে শহীদের কোন পবিত্র স্মৃতি জড়িত আছে যে নগ্ন পদে পূজা দিতে হইবে?

বেশ ক বছর ধরিয়া আবার বাঙালি সঙ-কৃতি নামে হেন্দু ধর্ম হইতে 'মঙ্গল প্রদীপ' প্রজ্জ্বলনের ব্যবস্থা আমদানি করিলেন কিচু ধর্মনিরপেক্ষ ঠুটো জগন্নাথ। অথচ তদাস্থলে কুরান-পুরাণ আবৃত্তি হইলে ঐ বংশালের দল জাত গেল, বাঙালিত্ব গেল বলিয়া খঞ্জর হস্তে মৌলবাদের টুটি চিপিয়া ধরতে উদ্যত হইল। এতদ সঙ্গে, "মোরা ধর্মনিরপেক্ষ বাঙালিরা সব এক জাত", এহেন কথাটি ভুলিয়া নিজেদের সংখ্যা লঘু নিচু জাত ভাবিয়া হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ গঠন পূর্বক সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলিম দমনে জোট বদ্ধ হইলো। তিন ধর্মের পুঁজি, মুড়ি, লাড্ডু চাদরের নিচে লুকাইয়া তারা ধর্মনিরপেক্ষতার পক্ষে ও মৌলবাদ তথা ম্লেচ্ছদের দমনের জন্য আমরণ অনশন করিতে লাগিল। তাহাদের কাহারো মহাপ্রয়াণ হইলে মৃতদেহ তৎক্ষণাৎ শহীদ মিনারে নিয়া গিয়া শ্রদ্ধার সহিত অন্ত্যেষ্টি ক্রিয়া সম্পাদন পূর্বক মরনোত্তর দেহ দান করিয়া থাকে।


আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসিলে লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয়ে দেশব্যাপী প্রতিমা , প্রতিকৃতি , শহীদ মিনার নির্মাণের হিড়িক পড়িয়া যায়। মানুষ খাইতে পাক আর না পাক... মুক্তিযুদ্ধ আর শহীদ দের পৌত্তলিক পন্থায় শ্রদ্ধা জানাইতে ইহবে যে কোন মূল্যে, নইলে বাঙালির জাত থাকিবেনা। 'শিখা অনির্বান' নামে অগ্নি প্রজ্বলিত করিয়া উহাকে স্বাধীনতা রূপক শক্তি ভাবিয়া শ্রদ্ধার সহিত পূজা করিতে শুরু করিল মূর্খ বাঙালির দল। বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি বানাইয়া উহা শুধু পথে ঘটে ঝুলাইয়া ক্ষান্ত হয় নাই। ঐ সব প্রতিকৃতি লইয়া শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রমমোচারীর আশ্রমের আদলে বানাইয়া পুষ্প মাল্য দান করিতে লাগিল। আর দিকবিদিক হইতে এপার ওপারের বাঙালিরা উলু ধ্বনি সহকারে জয় বাংলা, জয় মা কালী গাহিতে লাগিল।

আর শপথ নিতে থাকিল কোন ম্লেচ্ছ মৌলবাদীকে মাথা তুলিয়া দাড়াইতে দেয়া যাইবেনা, প্রয়োজনে বঙ্গোপসাগরে নিক্ষেপ করা হইবে।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lifeapartblog/28767895 http://www.somewhereinblog.net/blog/lifeapartblog/28767895 2008-02-07 10:55:54
পিএইচডি ডিগ্রিধারীদের ড. লেখার ফ্যাশন বাদ দিতে হবে
মো. মফিজ, পিএইচ ডি

আমাদের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে পিএইচ ডি করে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে যোগ দিয়ে দুদিনের মাথায় সহযোগী অধ্যাপক হয়ে পড়েন। ভাব খানা এমন যে সহকারী অধ্যাপকের পদটা মাস্টার্স বা এমফিল পাস শিক্ষকদের জন্য।

সবচেয়ে ভয়াবহ হল পিএইচ ডি না করেই ফুল প্রফেসর হয়েছেন এমন ভুরি ভুরি দৃষ্টান্ত আছে এদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে। <img src=" style="border:0;" />

অভিজ্ঞতা আর জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতেই এ উত্তরণ করা হয়। কাজেই অধ্যাপক হতে আর পিএইচ ডি র প্রয়োজন নাই এ দেশে।<img src=" style="border:0;" />

আর বাইরের বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে পিএইচ ডি ছাড়া কোন নিয়োগ পত্রই পাবেননা আপনি। সহকারী অধ্যাপক হিসেবে এমন কি সিনিয়র লেকচারার হিসেবে সারা বছর কাটিয়ে দিতে হবে গবেষণায় কোন উন্নতি সাধন না করলে।

কাজেই অধ্যাপক মানেই ডক্টরেট ডিগ্রীধারী, চেনা বামুনের যেমন পৈতা লাগেনা, আসল অধ্যাপকদের জোর গলায় ড. বলার প্রয়োজন হয়না ,

"আমি ডক্টর অমুক"? তারমানে শোনায় আমি ডাক্তার!!!! ইংরেজিতে পার্থক্য করা হয়না। Dr. is Dr.

বাংলায় আবার অদ্ভুত ভাবে ড. বনাম ডা. লিখে চিকিৎসকদের 'ডক্টর' সম্ভাষণ থেকে বঞ্চিত করা হয়। আরে তারা ত ডাক্তার আর কি? ঐ হাতুড়ে ডাক্তার, গ্রামের ডাক্তার......বাট নট স্মার্ট ডক্টর!!!

নচেৎ এদেশীয় নিস্ফল পিএইচ ডি অর্জন করে নামের সামনে প্রতিবার ড. অমুক , ড. তমুক না লাগিয়ে ডক্টর তকমাটা ডাক্তারদের জন্যই বরাদ্দ রাখা হউক।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lifeapartblog/28765804 http://www.somewhereinblog.net/blog/lifeapartblog/28765804 2008-01-31 13:28:44