আমার প্রিয় পোস্ট
- গণিতের পঞ্চ কৌতুক (ফার্মেটের লাস্ট থিওরেমসহ) - ম্যাভেরিক
- নির্মম কিছু ছবি ( দুর্বল চিত্তের মানুষদের প্রবেশ নিষেধ) - স্বপ্ন নীল
- বিশ্ববিবেককে কাঁপিয়েছিল যে ছবি - জোবাইর
- কবি শামসুর রাহমানকে নিয়ে কিছু অপপ্রচার - অমি রহমান পিয়াল
- কেন কিনবেন বই যখন ফ্রী পাচ্ছেন? - তামিম
- সুকুমার রায়ের ছড়া সমস্টি। - ব্রাইট
- বাংলা উইকিপিডিয়া-তে কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় সব সফটঅয়্যার এক পাতায়। তবুও দয়া করে বাংলা উইকি তে কাজ করুন। - সাদাচোখ
- ওই ছোটোলোকের পোলাটা কিন্তু বীরপ্রতীক ছিল - অমি রহমান পিয়াল
- অগুনিত মেহেরের গল্প। - সৌম্য
- ১৯৭১ : বীরাঙ্গনা অধ্যায় - আইরিন সুলতানা
- বগালেক কি সত্যি আগ্নেয়গীরি? জানতে চাইলে দেখে আসুন নিজের চোখে? - সৌম্য
- ইন্টারনেটের প্রকৃত ইতিহাস - ১ম পর্ব (ব্রাউসার যুদ্ধ) - নাফিস ইফতেখার
- Elmina Castle...Where thousands of African slaves died. - প্রীটি সোনিয়া
- ছোটগল্পঃ হেমিংওয়ের বরশি - মোস্তাফিজ রিপন
- জ্ঞানপিপাসুদের জন্য কিছু ফ্রি ই-বুক সাইট - রাকিব
- আ লিটল ফাইটার স্লিপিং উইথ আর্মস - একরামুল হক শামীম
- পেনড্রাইভ থেকে পিসিতে ভাইরাস ঢোকবার পথটাই বন্ধ করে দিন - মোঃ রফিকুল আলম (পাভেল)
- XP Genuine করুন : Microsoft এর মাথায় কাঁঠাল ভেঙে খান - নাফিস ইফতেখার
সত্যের মত একটি গল্প....
১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০৩
সদ্য বিবাহিতা মেয়েটির দিন যায় শ্বশুরের মুখে নানারকম মজার মজার গল্প শুনে আর শাশুড়ীর জন্য পান বানিয়ে। মাঝে মাঝে একটু সংসারের ঝুট ঝামেলা সামাল দিতে হয়। ছোট দেবরটা মাত্র ক্লাস টুতে পড়ে, ননদটা ক্লাস সিক্সে আর মেজ দেবর তার সমবয়সী ....মেয়েটার সারাদিনের সাথী এই পাঁচজন মানুষ । মেজটার সাথে সারাদিন কথাকাটাকাটি, ননদের সাথে গুটুর গুটুর গল্প আর ছোটটা সারাদিন আঁচল ধরে বসে থাকে আবদার করার জন্য। এত আনন্দের মাঝে থেকেও প্রতিটি পড়ন্ত বিকেলে মেয়েটা জানালার ধারে মন খারাপ করে বসে থাকে। তার চোখে থাকে শূণ্যতা...মনে অজানা ভয়। তার সবচেয়ে আপন মানুষটাযে বহুদূরে। চিঠি লিখলেও কোন উত্তর পাওয়া যায়না। এদিকে তারা সবাই এ বাড়ি ছেড়ে অন্যকোথাও চলে যাবে। সে যদি ফিরে এসে দেখে দরজায় তালা তাহলে বেচারা কি করবে! দেশের পরিস্থিতিও খুব খারাপ.......সে কবে ফিরবে?
ছেলেটি তখন চাকরীর সুবাদে ঢাকায়। অসুস্থ শরীরে পালিয়ে বেড়ানো জীবন...অফিস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে...মেসের মালিক সবাইকে মেস ছেড়ে দিতে বলেছে...পকেটে একটা কানাকড়িও নেই। কারো কাছে হাত পাতার মত অবস্থাও এখন নেই। সবারই একই পরিস্থিতি। বারবার বাড়ির কথা মনে পড়ে। প্রিয়জনদের কথা মনে পড়লেই ডুকরে কেঁদে উঠে ছেলেটি.....। নতুন বউটির চেহারা প্রতি মুহুর্তে চোখের সামনে ভেসে উঠে.......সে কি বেঁচে আছে? ছেলেটি কোন চিন্তাভাবনা ছাড়াই বাড়ির পথে হাটা শুরু করে। হেটে হেটে ঢাকা থেকে কোন এক অজপাড়াগাঁয়ের উদ্দেশ্যে। কিন্তু মাঝপথে ছেলেটি একটা মুক্তিসেনার দলে ভিড়ে যায়।
১৬ই ডিসেম্বর দেশ স্বাধীন হলো। তারপর একে একে মুক্তিযোদ্ধারা বাড়ি ফিরতে শুরু করলো। কেউ কেউ এসে ঘরটা শূণ্য পেল। সবাই ফিরে আসে...পাশের বাড়ির কলিম, ঐ বাড়ির কামরুল, জামিলার বাবা জহির.....কিন্তু সে আসেনা। তার কোন খবর নেই। তার খবর কেউ দিতে পারেনা। ছেলেটি সম্পর্কে কেউ জানতনা। চাকরীর কারণে সে থাকত ঢাকায়। তার মেসের মালিকের কাছে খবর জানতে গেলে সে বলে ছেলেটি একদিন রাতে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিল....তারপরের ঘটনা সে জানেনা। হয়ত ঢাকায় সে পাকিস্তানী হানাদারদের হাতে নিহত হয়েছিলো অথবা রাজাকাররাই তাকে ধরিয়ে দিয়েছিলো অথবা অন্য কোন উপায়ে সে নিখোঁজ। এখন শুধু কান্নাই মেয়েটার নিত্যসঙ্গী। মেয়টা তবুও জানালার ধারে লোহার শিক আঁকড়ে ধরে বসে থাকে।
মার্চ মাস ১৯৭২। মেয়েটার শ্বশুর আর বাবা মেয়েটাকে অন্য জায়গায় বিয়ে দেয়ার কথা চিন্তা করতে থাকেন। মেয়েটি কিছুই বলতে পারেনা। শ্বশুরবাড়ি থেকে মেয়েটিকে নিয়ে যায় তার বাবা মা। যাওয়ার আগে মেয়েটি একটা শার্ট লুকিয়ে ব্যাগে ভরে নিল। সবকিছু ছাপিয়ে তার মনের গহীন কোণে কোথায় যেন আশার প্রদীপ জ্বলতে থাকে। সৃষ্টিকর্তা এত নিষ্ঠুর হতে পারেনা।
৩৭ বছর হয়ে গেলো। সে ফিরে আসেনি। ৫৫ বছরের নিঃস্বঙ্গ মেয়েটি এখনো বিশ্বাস করে সে বেঁচে আছে। ৭২ এর এপ্রিলে তার দ্বীতিয় বিয়ের আগের দিন রাতে মেয়েটি ঘর ছেড়ে পালিয়ে যায় পাশের গ্রামে তার খালার বাড়িতে। তারপর অনেক ঘটনাবহুল জীবন তার।
এটা সত্যের কাছাকাছি একটি গল্প। হয়তবা কারো সাথে মিলেও যেতে পারে। আমরা কতজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের কথা জানি?
২৬ শে মার্চ বা ১৬ই ডিসেম্বর এলে তাঁর প্রতি এবং তাঁর প্রিয়তমা স্ত্রীর প্রতি শ্রদ্ধায় আমাদের মাথা নত হয়ে যায় (আমরা এটা ছাড়া কিছু কি আর পারি?)।
কিন্তু যখন দেখি এই মহিলাটিই রাস্তায় ফুটপাথে শুয়ে শুয়ে ভিক্ষা করে...তার মাথার নিচে ময়লা একটা শার্ট আর তার পাশ দিয়ে রাজপথে ছুটে চলে কোন এক রাজাকারের বি এম ডব্লু....তখন কেমন লাগে?
১৪ই ডিসেম্বর চ্যানেল আইতে মো.সা.ফারুকীর টেলিফিল্ম "এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি..." দেখলাম। সেখানে একটা দৃশ্যে কখগ নামক রাজাকার পার্টির চেয়ারম্যানের পুত্র নামাজের মোনাজাতে বলছে "হে আল্লাহ তুমি আমার বাবাকে ভালো মানুষ করে দাও। সে যেন মানুষের কষ্ট বুঝতে পারে।" দেশের সকল রাজাকারের পুত্রকন্যারা কি এভাবে মোনাজাত করে?
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৪০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
সাইফুর বলেছেন:
হু..ভালো
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
জটিল বলেছেন:
সুন্দর গল্প
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
নাঈম বলেছেন:
অসাধারণ লিখেছেন.... আসলে আমাদের দেশের মুক্তিযুদ্ধের সময়কার অনেক পরিবারের অবস্থাই আজ এমন করুন, শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্বজনরা অর্ধাহারে,অনাহারে দিন কাটাচ্ছেন, আর কুলাঙ্গার রাজাকারেরা বহাল তবিয়তে আছে। এজন্যই কি মুক্তিযোদ্ধারা দেশ স্বাধীন করেছিলেন?
লেখক বলেছেন: দীর্ঘশ্বাস....
মিছে মন্ডল বলেছেন:
বিজয় আমাদের একটি দেশ, একটি পরিচয়, একটি নাম দিলেও বিবেক দেয়নি। তাই আমরা পারি রাজাকার-জামাতীদের ভোট দিয়ে ক্ষমতায় নিতে, মন্ত্রি বানাতে, শূকরগুলর গাড়িতে পতাকা লাগাতে।
লেখক বলেছেন: দীর্ঘশ্বাস....
কিন্তু যখন দেখি এই মহিলাটিই রাস্তায় ফুটপাথে শুয়ে শুয়ে ভিক্ষা করে...তার মাথার নিচে ময়লা একটা শার্ট আর তার পাশ দিয়ে রাজপথে ছুটে চলে কোন এক রাজাকারের বি এম ডব্লু....তখন কেমন লাগে?
কেমন যে লাগে এই কেমন লাগাটা ভাষায় প্রাকাশ করা কি সম্ভব
লেখক বলেছেন: হুমম.....এটা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়....
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ছবিটা চমৎকার.....
ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: অনেক অনেক অনেক ধন্যবাদ
লিপিকার বলেছেন:
মায়ের কঠিন নির্দেশে শেষ প্যারাটা মুছে দিলাম......বাবামা'র মুখে তাদের বিয়ের প্রথম জীবনের কাহিনী শুনে উদ্বুদ্ধ হয়েই গল্পটা লিখেছিলাম। তবুও মায়ের নির্দেশ বলে কথা........
লেখক বলেছেন: আপনাকে বহুদিন পরে দেখলাম। দেখে খুব ভালো লাগলো.....
ধন্যবাদ
তানজিল আহমেদ বলেছেন:
মা এবং বাবার প্রতি শ্রদ্ধা রইল
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ
কঁাকন বলেছেন:
দারুন গল্পবিজয় দিবসের শুভেচ্ছা
আগামী কোন বিজয় দিবসে বাংলাদেশের মাটিতে স্বাধীনতাবিরোধীদের দেখতে চাই না
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আগামী কোন বিজয় দিবসে বাংলাদেশের মাটিতে স্বাধীনতাবিরোধীদের দেখতে চাই না........হুমম এটাই এখন সবার চাওয়া...
নিবিড় বলেছেন:
ভালো লাগলো গল্পটা.....+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
তানজু রাহমান বলেছেন:
এই লেখাটা আমার ভেতরে নাড়া দিয়েছে লিপিকার!
লেখক বলেছেন: শুনে খুব ভালো লাগলো....
তোমাকে ধন্যবাদ
নিবিড় বলেছেন:
@তানজু আপুরেও প্লাস........আপনে যে এত সুন্দর লিখতে পারেন জানতাম না বা বুঝি নাই ..।
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ....তানজু খুব ভালো লেখে। সহজ সাবলীল লেখা লেখে...আমি তানজুরে প্লাস্ দিলাম...
লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ...
এম্নিতেই বলেছেন:
ভাই... শোকেসে সরাসরি!
লেখক বলেছেন: ভাই....অনেক অনেক ধন্যবাদ
জেরী বলেছেন:
ভালো লেগেছে....+++.....
লেখক বলেছেন: থ্যাংকু....জেরীর ড্রেসটা নাইস....মুকুট আর জুতাও দারুন...
লেখক বলেছেন: আপনাকেও বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা....
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
এটা মনে হয় গল্প না। মানুষের যাপিত জীবনের কাহিনী। এখানে এক ফোঁটাও বানানো কথা নাই। সেজন্যে অনেক অনেক খেলো কথার চেয়ে এটাই বেশি ভালো লাগলো!
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ....
অপ্সরা বলেছেন:
খুব সুন্দর একটা গল্প !
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা.....
নষ্ট মাথার দুষ্ট বালিকা... বলেছেন:
আমাদের ভিতরের দীর্ঘশ্বাসটাকে প্রকাশ করার জন্য ধন্যবাদ...
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: হুমম.....রাজাকারদের জন্য জুতা
আপনাকে ধন্যবাদ
অ্যামাটার বলেছেন:
হুমম...মন খারাপ হয়েযাওয়া একটা গল্প...তবু গর্বের...এ'রকম কত ত্যাগের বিনিময়েই তো অর্জন আমাদের প্রিয় স্বাধীনতা!
লেখক বলেছেন: হুমমম......
ধন্যবাদ
মৈথুনানন্দ বলেছেন:
খুউব খুউব ভালো থেকো
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আপনার জন্যও শুভকামনা.....
রাতের বৃষ্টির শব্দ বলেছেন:
খুব ভাল হয়েছে লেখা
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
দারুন
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
মৈথুনানন্দ বলেছেন:
সেদিন তাড়া ছিল বলে না পড়েই চলে গেছিলাম।এক্সেলেন্ট হয়েছে।
অফ-টপিক : ঢাকাই বিরিয়ানি এর মধ্যে খেয়ে নিয়েছি পার্ক সার্কাসের রাজশাহী রেঁস্ত্রতে।
আরো একটা কথা বলে যাই। এই কথাটা প্রায় এক মাস ধরে মনের মধ্যে তোলপার করেছে। দেখছো তো সব কিছু থেকে কেমন দূরে সরে গেছি। আমাদের জীবনটা একেবারে পাল্টে গেছে ছাব্বিশে নভেম্বরের পরে। প্রত্যেককে আলাদা আলাদা করে বলা সম্ভব নয়...সবার নামও মনে নেই...তুমি-আইরিন-তানজু-আউলা-ইত্যাদি ( আরো আছে, যাদের নাম এই মুহূর্তে মনে পড়লো না, তাদেরকে সরি ) তোমরা সবাই যারা আমার ছোটো বোনের মতো...তোমাদের একটা কথাই বলি...কাল এই কথাটা বলার সুযোগ পাবো কিনা জানিনা...কখনো যদি আমার কোনো ব্যাপারে হার্ট হয়ে থাকো তাহলে ক্ষমা করে দিও...কেমন? তোমাদের সবাইকে বললাম।
লেখক বলেছেন: দাদাভাই কি হয়েছে? ![]()
সবসময় ভালো থাকবে...শুভকামনা...
লেখক বলেছেন: আসলে ২৬ নভেম্বরের ট্রাজেডির জন্য আমরা সবাই অনেক অনেক দুঃখিত.....এটা পুরো মানবজাতির জন্যই একটা অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা...
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
আরো পোস্ট কই গেলো?
লেখক বলেছেন:
ব্ল্যাক হোল......
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
বাহঃ !! আপনিতো অসাধারন লিখেন !!!! আগে আপনার লেখা পড়িনাই, এইটাই প্রথম ........ এখন আস্তে আস্তে ব্যাক ট্রেকিং করে আগের লেখাগুলোও পড়তে হবে ..........
এই গল্পটার ব্যাপারে আর কি বলবো
আপনার নিকটাকে ফেভারেটে এড করে নিলাম ........
লেখক বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে......
ইউনুস খান বলেছেন:
অসাধারণ লিখেছেন। +
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ....
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...





















