প্রথম লেখাতে আলোচনা সমালোচনা দুটিই ছিল দৃশ্যমান। তারই ধারাবাহিকতায় ২য় পর্বটি লিখতে বসলাম।
আমার অন্য একটি পোষ্ট ছিল -- "এক পৃথিবী, দুইটি ধর্ম" আসুন দেখি এর মধ্যে এ বিষয়ে কিছু পাওয়া যায় কিনা।
এক পৃথিবী দুইটি ধর্মের মূল বিষয় ছিল- মুসলিম সমাজ একদিকে আর অন্যদিকে নন মুসলিম যারা কিনা সর্বদায় মুসলমানদের হেয় তথা ক্ষতির চিন্তায় ব্যস্ত। বিয়টির পক্ষে ও বিপক্ষে অনেকেই ছিলেন।
দুষ্ট লোক যে সর্বদায় মিষ্টি কথা বলে একথাটা সর্বজন ও বিশ্বব্যপি স্বীকৃত। তাই এই বিশ্ব সভ্যতার ভার এখন অধিকাংশ দুষ্ট লোকের হাতেই; কারণ তারা খুব সহজে সাধারণ মানুষকে তাদের উচ্ছাসের কথা মালা দিয়ে কাছে টানতে পারে। আর এই সব দুষ্টু লোকের দুষ্টু বুদ্ধির ফলে সারা বিশ্ব আজ স্যাকুলারের দিকে ধাবিত হচ্ছে। আর এই স্যাকুলারের ফলে প্রতিনিয়ত বাড়ছে হানাহানি কাটাকাটি। প্রতিটি ধর্মের মূলেই খারাপ কাজকে নিষেধ করা হয়েছে- হিংসা, ঘৃণা, বিদ্বেষ, হানাহানি কাটাকাটি করতে নিষেধ করা হয়েছে। মেনে চলতে বলা হেয়েছে ধর্মীয় অনুশাসন। এটি একটি সার্ব জনিন স্বীকৃত ব্যাপার যে সমাজে শান্তি বজায়ে রাখতে ধর্মীয় শাসনের বিকল্প কিছু নেই। কিন্তু আমরা স্যাকুলার সমাজ সেটাকে মানতে নারজ শুধু মাত্র নিজেদের ফুর্তি মাস্তির জন্য।
সৃষ্টি কর্তার বিধান অনুসারে বা জন্ম বা রীতি অনুসারে মেয়েরা ঘর দেখাশুনা করবে আর ছেলেরা তাদের অর্থ যোগান দিবে। ইসালাম ধর্মে এ বিষয়ে বলা হয়েছে-- পুরুষরা নারীদের অবলম্বন। আবার অন্যদিকে তাদের অধিকারের কথাও বলা আছে; নির্দেশ দেয়া আছে তাদের পিতা/মাতা আত্মীয় স্বজনদের প্রতি কিধরনের আচরণ বাধ্যতামূলক। (সুরা আন নিছা পাঠ করলেই অনেকটা বোঝা যাবে)। আমরা যদি ধর্মীয় আদর্শ / ধর্মীয় আইন মেনে চলি তা হলে আমাদের নারীদের আর বাইরে কাজের সন্ধানে বের হতে হয় না। সইতে হয়না পদে পদে ধিক্কার।
(কোরান শরীফ ডাউন লোড করতে ক্লিক করুন) Click This Link
যেহেতু বিশ্বের অধিকাংশই ইসলাম বিদ্বেশী তাই সকলেই মগ্ন আছেন ইসলামীক আইনের বিরুদ্ধাচারণে। তারই ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন উৎস তৈরী করে ইসলাম ধর্মের আইনকে না মানতে উৎসাহিত করা হচ্ছে। তার মধ্যে অন্যতম নারীদের স্বনির্ভরতার নামে রাস্তায় নামিয়ে দেয়া। আমরা ডালপালা নিয়ে টানা হেচড়ায় ব্যস্ত। একটি পুরুষ যখন তার স্ত্রীর পতি অত্যচার করছে তখন ঐ পুরুষটি শাসন না করে মেয়েটিকে স্ববলম্বী হতে শেখায়। যে আত্মীয়টি তার আত্মীয় অসহায় কোন মেয়েকে দেখাশোনা করছে না তার শাসন না করে মেয়েটিকে রাস্তায় বের করছি।
এবার দেখা যাক যে সকল পরিবারের মহিলারা চাকুরী জীবি তারা কি ভাবে লাভবান হচ্ছেনঃ
একজন মাতা যখন চাকুরী করছেন তখন ঐ মাতার বাচ্চটির কি অবস্থা হচ্ছে একবার ভেবে দেখেছেন কি? মাত্র তিন মাস বয়স থেকেই ঐ বাচ্চাটি কিভাবে মাতৃ স্নেহ ছাড় বেড়ে উঠছে? আপনি কি কখনও কোন কাজের লোক কে দেখেছেন যে তার বাসার বাচ্চটির পেছনে অধিক সময় ব্যায় করে খাবার খাওয়ান? কখনই না। সে আপনার বাসায় টিভি সিরিয়াল নিয়েই ব্যস্ত। আপনার চাকুরীর ফলে আপনার বাচ্চা বেড়ে উঠছে কাজের লোকের কাছে; তার মানুষিকা হয়ে উঠছে ঐ কাজের লোকটির মতই। সে শিখছে তারই আচরণ। সামান্য নার্সারী পড়ুয়া বাচ্চার জন্য রাখতে হচ্চে শিক্ষক। যে বাচ্চাটির মায়ের কোমল হাত ধরে স্কুলে যাবার কথা সে যাচ্ছে কাজের লোকের রুক্ষ হাতের হেচড়ানী খেতে খেতে। আপনার নিজের অজান্তেই আপনার বাচ্চা হয়ে উঠছে রুক্ষ মেজাজের; সে হাড়াচ্ছে মাতৃ ভক্তি, জড়িয়ে পরছে বিভিন্ন অন্যায় কাজে। এখন দেখেন একজন মহিলা চাকুরীর ফলে কত দিকে সমস্যা হচ্ছে- (১) ৩মাস বয়সী বাচ্চার জন্য কাজের লোক (২) যে বাচ্চাটির আপনার বুকের দুধে বড়ে ওঠার কথা তার জন্য বাজারের বিভিন্ন ব্রান্ডের চড়া মূল্যের দুখ (৩) বুকের দুধ/মাতৃ স্নেহ বঞ্চিত শিশুরা সবসময়ই শারীরি সমস্যায় ভোগেন যার ফলে অষুধ; (৪) নার্সারী পড়ুয়া বাচ্চার জন্য শিক্ষক (৫) মেয়েটির নিজের ও পরিবারের লোকের জন্য কাজের লোক। (৬) কাজের লোকের হাতের রান্না খেয়ে আপনিও ভুগছে নানা রোগ ব্যাধিতে। (৭)কাজের লোকের অবহেলায় আপনার পোষাক হচ্ছে অল্প সময়ে নষ্ট। এ রকম হাজারো সমস্যা যা আমাদের চোখের সামনে ঘটে চলেছে যার আসল কারণ আমরা খুজে ফিরি না।________ অধিক বড় লেখায় পাঠকের সমস্যা; পাঠ যোগ্যের মাঝে রেখে এখানেই_____(চলবে)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



