somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... আনওফিসিয়াল এথিক্যাল হ্যাকিং এর সদস্য বেড়ে এখন ২০০
ধন্যবাদ জানাই, যারা কষ্ট করে গ্রুপ সংক্রান্ত মূল্যবান পোস্ট দিয়েছেন।
ধন্যবাদ জানাই, যারা কষ্ট করে তাদের মূল্যবান মতামত দিয়েছেন।
ধন্যবাদ জানাই, যারা কষ্ট করে তাদের মূল্যবান সময় নিয়ে গ্রুপের মডারেশনের দায়িত্ব পালন করেছেন।
আর, আপনাকে ধন্যবাদ জানাই, কষ্ট করে পোস্টটি পড়ার জন্য।

শুভ ব্লগিং। ভালো থাকুন।

বিঃদ্রঃ - বেশ কিছু পোস্ট দেখা যাচ্ছে যা মোটেই গ্রুপ সংক্রান্ত পোস্ট নয়। মূলত হ্যাকিং সংক্রান্ত যেকোন ধরণের ( হতে পারে টিউটোরিয়াল, ল্যাঙ্গুয়েজ, রেফারেন্স, পদ্ধতি, অপারেটিং সিস্টেম, ভিডিও, ওয়েব ইত্যাদি) নিয়ে আলোচনা ও আর্কাইভের ইচ্ছা থেকেই গ্রুপের উৎপত্তি। সবাইকে গ্রুপ সংক্রান্ত পোস্টের জন্য উৎসাহিত করা গেলো।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/29086282 http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/29086282 2010-01-26 21:58:08
একটি আস্তিক ধর্মী পোস্ট। "আহা, কি সুন্দর রাতি
আকাশেতে উড়ে যায়, একপাল হাতি। "

- পবিত্র ধর্মগ্রন্হ গজাল, অনুচ্ছেদ- পিন প্যারা নং- ৪২০।

মহান সৃষ্টিকর্তা তাঁর মানব সম্প্রদায়ের জন্য যে পবিত্র বাণী একত্রিভূত করেছেন, তারই প্রতিফলিত স্বয়ং রূপ পবিত্র ধর্মগ্রন্হ গজাল। এখানে, মহান সৃষ্টিকর্তা তাঁর পবিত্র লেখনীতে বয়ান করেছেন, আকাশে হাতি উড়ে যাওয়ার মনোমুগ্ধকর মনোরম দৃশ্যের কথা। পরম সেই দৃশ্য অবলোকনে মানুষের রূহের পবিত্রতার কথা।

নাস্তিকরা তো হেসেই খুন। "হাতিরা আকাশে উড়ে আর কাকের কপাল পুড়লো বলে"। মানে, বিজ্ঞান কি বলে? এতো বড়ো ও ভারী প্রাণী আকাশে কি আসলেও উড়তে পারবে? এদের নাই কোন পাখা। বা যদিও পাখা থাকতো, তবে কি তা এতো ভারী প্রাণী আকাশে কিভাবে উড়বে?

নাস্তিকদের শ্রদ্ধার সাথে জানাতে চাই, বিমান তো আপনাদেরই তৈরী। আকাশে উড়ালেন কিভাবে? শত শত মানুষ ও মালামাল এর পেটের মধ্যে নিয়ে অতি উচ্চতায় কিভাবে ঘুরে বেড়ায়? দেশ থেকে দেশান্তরে বা কিভাবে পাড়ি জমায়?

পবিত্র ধর্মগ্রন্হ গজাল এ মানুষের সৃষ্টির ক্ষমতা ও দূরদৃষ্টি নিয়ে প্রতি পরতে পরতে আলোচনা করা হয়েছে। আর, উল্লেখিত অনুচ্ছেদটি তারই রূপক প্রতিফলন।

বোধকরি, আস্তিকদের বিশ্বাস ও নাস্তিকদের অবিশ্বাস এক অপরের সমানুপাত।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/29062556 http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/29062556 2009-12-20 20:37:29
Ataque de Pánico
Ataque de Pánico উরুগুয়ের ২০০৯ এর স্বল্প দৈর্ঘ্য সাইন্স ফিকশান মুভ্যি। ডিরেক্টর হলেন, Fede Alvarez। ছবির গল্পে দেখা যায় কিছু বিকট দর্শন রোবট ঘন কুয়াশায় উরুগুয়ের রাজধানী আক্রমণ করে বসে। সমস্ত শহরকে পুরোপুরি ধ্বংসে ব্যস্ত। তারপর সব শেষ।

মুভ্যিটি রিলিজ হয়েছে, ৩রা নভেম্বর, ২০০৯
স্থায়িত্ব, ৫ মিনিট
ভাষা, স্প্যানিশ
বাজেট, $৩০০ (ভাবা যায়! :-* )

ছবিটি দেখে Ghost House Pictures ডিরেক্টর Fede Alvarez কে তাদের পরবর্তি মুভ্যি বানানোর জন্যও চুক্তি করিয়ে নিলেন।

আসুন, দেখি স্বল্প দৈর্ঘ্য সাইন্স ফিকশান মুভ্যি Ataque de Pánico

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/29061015 http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/29061015 2009-12-18 11:00:36
এলিয়েনের পিছনে লাগা (দূর্বল চিত্তের ব্লগারদের জন্য নয়)

এলিয়েন সংক্রান্ত সবসময়ই আমার কিছু অবসেশন ছিলো। আমার আগের এক পোস্টে এ নিয়ে এক অনুসন্ধানি লেখা ছিলো। আজকেও সেই রকম এক ভিডিও প্রকাশনা পেলাম।

ভিডিওতে দেখা যায়, পাহাড়ের অপরূপ দৃশ্য । খুব সম্ভবত কেউ একজন প্রকৃতিকে তার ভিডিও ক্যামারায় ধারণ করছে। অদ্ভুদ সেই পাহাড়ের পাদদেশে ছোট্ট সেই লেকে একটি স্পিড বোট ধরণের কিছু একটা। ব্যস, এতটুকুই।

আবারও দেখলাম, সেই একই জিনিস। ঠিক একটা পাখির মতন, ঠিক বোটটার উপর দিয়ে গেলো মনে হলো।

আবারও। এইবার বুঝে গেলাম, আসলে কি জিনিস দেখেও বুঝতে পারছিলাম না।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/29049487 http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/29049487 2009-11-25 15:54:50
সিগেরেট কেন ছাড়তে চাই না <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" /> (আবারো রিপোস্ট)

আজকে বেশ কিছুক্ষণ গুগলে সিগেরেট নিয়ে ভালো হয় দিয়ে বিশাল সার্চ করলাম। সিগেরেটের পক্ষে আসলে কিছুই পেলাম না। বেশ আশ্চর্যই লাগলো। কিন্তু আমি সিগেরেট ছাড়া নিজে কিছুই ভাবতে পারিনা। সকাল হতেই সিগেরেটের চুমু ছাড়া কোন ভাবেই দিন শুরু হয়না।



সিগেরেট কেন ছাড়তে ছাড়তে ছাড়া হয় না,

১। আমি ধার্মিক টাইপ মানুষ না। তবে, নাস্তিকও নই। ধর্মের সব কথা পুরোপুরি মেনে চলি বলাটাও ভুল হবে। তবে, আশ্চর্য হলেও সত্য কোন ধর্মেই সিগেরেট খাওয়াকে সরাসরি মানা করা হয় নাই। মদ নিয়ে বিভিন্ন ধর্মে মাতামাতি থাকলেও সিগেরেট নিয়ে কোন কথাই নেই। তাহলে, সিগেরেট খাওয়া তো কোন পাপ নয়।

২। ইয়াবা খারাপ, মদ খারাপ, সিগেরেট খারাপ, ড্রাগকে না বলো ইত্যাদি সব কথা সবাইকে বলতে শুনা যায়। সরকারীভাবে মোটামোটি সব নেশা জাতীয় বস্তুকে ব্যান করা হলেও সিগেরেটকে কেন করা হয়নি?

৩। ফুসফুসসহ শরীরের বিভিন্ন ধরণের অংগ প্রতংগের ক্ষতির কারণ সিগেরেট, ডাক্তার রা বলে। তাহলে, কিছু কিছু ডাক্তারদের সিগেরেট খেতে দেখা যায় কেন?

৪। ক্যান্সারসহ বিভিন্ন রোগের কারণ হিসেবে সিগেরেটকে দায়ী করা হয়। তাহলে, কেন বলা হয়, ক্যান্সারের সুস্পষ্ট কারণ জানা যায় না?

৫। তাছাড়া, সকাল বেলায় সিগেরেট ছাড়া পেট পরিস্কারভাবে পরিস্কার করা যায় না। খাবার পরে, সিগেরেটের ধোঁয়া খাবারের রুচি বাড়ায়। হজমে সহায়তা করে। কম্পিউটারে কাজ করতে করতে যখন চোঁখ জ্বালা করে, তখন চায়ের বা কফির সংগে সিগেরেটের সুখ টানের মজাই আলাদা।

আমার বিয়ের এক বছরে বৌয়ের চোপা পেটানো শুনতে শুনতে কান্ত। "তুমি সিগেরেট না আমার মাথা খাও"। বিশ্বাস করুন, সেই সময়ে সিগেরেটের টেস্টাই ডিফরেন্ট লাগে। ছোট এই জীবনে সিগেরেটের চেয়ে এত বড়ো, সস্তা ও সম্মানীয় এন্টারটেইনমেন্ট আর কোথায় পাওয়া যায়।

সিগেরেট জিন্দাবাদ।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/29046490 http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/29046490 2009-11-20 00:16:45
কানে কানে..... পর্ব দুই


সমস্যা:
পরিবারের দিক থেকেই ওর সাথে আমার বিয়ের কথা আগায়। সাইজে এই ধরণের শ্যামলা হিউজ মেয়ে মানুষটিকে দেখে প্রথমে ঘাবড়ে গিয়েছিলাম। পরে দেখলাম, এতো ভীষণ কিউট! এতো খোলামেলা মনের মেয়ে দেখেনি। যদিও আমার জীবনে কোন মেয়েই আসেনি। বিয়ের কথা বার্তা শেষে বেশ ঘুরতে গিয়েছিলাম। টোনাটুনি মিলে ঘর কিভাবে সাজাবো, তাই নিয়ে কতো ধরণের ভার্চুয়াল ঝগড়া। আর, তার পরেই, আমি ওর কান কামড়ে ধরতাম। আসলে ওর মিষ্টি রাগ চুষে নিতাম।।। আমায় পুরো দোষ দিয়ে লাভ নেই। শুরুটা ওরই। কোন জোয়ান ছেলের নাকের ছিদ্রতে জিহবা দিয়ে কাতুকুতু দেবার মানেটা কি?

হঠাৎ কি মনে করে, ওদের পরিবারে কি যেন হলো। ওরা আমার ব্যাপারে আর আগাবে জানিয়ে দিলো। আমি এখনো জানিনা আসল কাহিনী কি? তবে, পরিস্কার জানিয়ে দেওয়া হলো, তারা আমায় আর তাদের জামাই বানাবে না।

কষ্ট পেলেও চেপে গেলাম। মাল্টি ন্যাশানাল কোম্পানিতে কাজ করা সাধারণ এক সিস্টেম ইন্জিনিয়ারের আর কত টুকুই বা ক্ষমতা। ভুলে যাওয়ার ব্যর্থ চেষ্টায় সত্যি সত্যি একদিন ভুলেও গেলাম।

তিন মাস কেটে গেলো।

সেদিন আমি খুব ব্যস্ত। হঠাৎ ফোন বাজে। সেই বিরক্তিকর আওয়াজ। ফোন তুলতেই সেই "তুমি"! ও আমার কাছে ক্ষমা চেয়ে বললো, পরিবারের চাপ ও তার ব্যর্থতা। আমি মানা করিনি। পারিনি।

তারপর, ওর সাথে অনেকদিন দেখা। আবারো, সেই পুরোনো গর্তে ইচ্ছে করেই পড়ে গিয়ে পা ভাংগা। বার বার আবারো দেখা। আর, সেই সময়ই ওকে আমার মতন করে সর্বোচ্চ পাওয়া। বার বার। যতবার, যতক্ষণ ও চেয়েছে আমায়।

ওরই চাপে আমার বাবা মাকে আবার তাদের বাসায় পাঠালাম। কিছুই করার ছিলো না। মায়ের কাছে আমার ঘাড়ে লাগানো ওর টিপে অনেকদিন আগেই ধরা খেয়েছি।

আমি যা আশাও করিনি, ঠিক তাই হলো। আমাদের সোজা সাপ্টা আবারো "না" করা হলো। এবার মেয়ের মা-বাবা নয়, মেয়ে নিজেই!

শুনেছি, পরে কোথাও কোন বুয়েট ও ঢাকা ভার্সিটি এমবিএ পাস করা ইন্জিনিয়ারের সংগে বিয়ে করেছে। সেও ভালো কোন জায়গায় ভালো টাকা কামাচ্ছে। হ্যাপিলি এভার এফটার টাইপের কিছু একটা।

আবার ও আবারও এবং একই মানুষ। ড্যামন।

টুইস্ট নাম্বার এক: মেয়েটির হাজব্যান্ড আমারই কলিগ। সম্প্রতি শুনেছি, সেই আমার বস লেভেলের কেউ একজন হতে যাচ্ছে।
টুইস্ট নাম্বার দুই: কেনো আমায় মানা করেছে, বুঝতে সমস্যা আর হয়নি। স্বার্থপরতা তো মেয়েদেরই রক্তের লোহিত কণায়!
টুইস্ট নাম্বার তিন: দুঃখু মিয়া, তুমি একটা এসহোল!

কোন এক নীল রংয়ের ওর্কিড মার্কা টেলিকম থেকে, ঢাকা
নামটা পরিস্কার না!

পরামর্শ:
আপনার জীবনে ভালো কিছু হবে বলেই আমার ধারণা। ধৈর্য্য রাখুন এবং চেপে যান। নতুন জীবন শুরু করুন।

দুঃখু স্পেশাল পরামর্শ:
আপনি নিশ্চিত থাকুন, ঐ মেয়েটি আপনার কোন কোথাই ওনাকে বলেনি। মেয়েরা এই বিষয়ে যথেষ্ঠ সচেতন থাকে। রাতারাতি ভুলে যাওয়াতে মেয়েরা এক্সপার্ট হয়। তবুও সাবধানে থাকুন। আফটার অল, মেয়ে মানুষ। পেটে কথা থাকেনা। নিজের জিনিস অন্যের নামে চালিয়ে এক্সপেরিমেন্ট চালিয়ে দেখে নেয়, জিনিস ঠিক থাকে কিনা। তবে, ছেলেটি নিয়ে অতিরিক্ত সাবধান থাকুন। বুয়েট ফেরত পাবলিক বলে কথা! কোন কথা বন্ধুকে যদি বলে থাকেন, সময় ভেদে অস্বীকার করুন। নিজের জীবন নিয়ে কোন মেয়ে মানুষ যদি এধরণের োদা আপনাকে দিতে পারে, তবে মনে রাখুন আপনার ইয়েও কম যায় না। আশা হারাবেন না, শুরু করুন আপনার যাদু। জায়গা মতন আপনিও মারুন পল্টি।

জানিনা আপনি আমার লেখা পড়বেন কিনা! বাই দ্যা ওয়ে, আমি সত্যি একজন এসহোল! আই এম সো এফ* লুজার!!! রি আ্যালি, আই এম! ভালো থাকুন! শুভকামনায়।
দুঃখু



আগের পর্ব দেখুন ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/29041421 http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/29041421 2009-11-11 00:19:04
ব্লগার জীবন-মৃত্যু'র জন্য: পিসিতে ব্লুটুথ-dongle ও ব্লুটুথ-হেন্ডসেট কানেকশান

প্রথমে জানা দরকার, আপনার পিসিতে ব্লুটুথ-dongle টি আদৌ অডিও সাপোর্ট করে কিনা, না শুধু ডাটা কানেক্টিভিটি দিয়েই খালাস। আমার ডোন্গলটা দেখতে ঠিক এইরকম (নিচের ডোন্গলটার মতন)।



যা কিনা মোটেও নিচেরটির মত এইরকম না। নিচের ডোন্গলটার জন্য এক্সপিতে কোন ড্রাইভার লাগেনা। জাস্ট প্লাগ এন্ড প্লে। নিচেরটা দিয়ে ইন্টারনেটও ঠিক ঠাক ব্যবহার করা যায় না। কাপঝাপের শেষ নাই।


কারণটি আসলে ডোন্গলটার ড্রাইভারের সমস্যা। এক্সপিতে বাই ডিফল্ট যে ড্রাইভার ব্যবহার করা হয়, অদ্ভুদ কারণে ডাটা ট্রান্ষফার ছাড়া কিছুই হয় না। পুরাই পাংখা।

ব্লুটুথ ডোন্গল কেনবার সময় অবশ্যই ড্রাইভার মনে করে নেবেন। নতুবা, সংগ্রহ করে নিতে পারেন, BlueSoleil । এটাই আসল ড্রাইভার যা থাকলে মোটামুটি সব কাজই করা যায় ব্লু টুথের দ্বারা।

BlueSoleil ইনস্টলের পর, পিসির ঘড়ির থামনে ব্লু টুথের আইকনে ক্লিক করে সার্ভিসটি চালু করুন। ডেস্কটপেও ব্লু টুথের আরেকটি আইকন তৈরী থাকবে। ঢুকে পড়ুন Bluetooth Places এ। ব্লুটুথ হেডফোনটি চালু করার সময় পাওয়ার বাটানটি ছয় সেকেন্ডের মতন ধরে রাখুন। খেয়াল করে দেখবেন, LED তে লাল রং ঝিলিক দেবে নীল রংয়ের বদলে। সেইসময়, Bluetooth Places এ Search Device করুন। কিছুক্ষনের মধ্যেই হেডফোনের আইকন চলে আসবে। ব্যাস, পেয়ার করে নিন। পাসওয়ার্ড চাইলে, চারটা শুন্য (zero) দিন।

হেডফোনের ডিটেকশানের পরই, তাতে ঢুকে পড়ুন। Bluetooth Headset and Microphone রাইট ক্লিক রে কানেক্ট করুন। ব্যাস, হয়ে গেলো সবচেয়ে কানেকশান। তারপার, আর দশটা মাইক্রফোন বা হেডফোনের মতই ব্যবহার করুন।

মনে রাখুন,
১। হেডফোনের আউটপুট মনোটাইপ। অতএব, ব্যবহার করে কাজ চলে যাবে কিন্তু কোন হাইফাই সাউন্ড ইফেক্ট পাবেন না, যেটা মোবাইলের সাথে কানেক্ট করে পান।
২। আপনার রেন্জ নির্ভর করবে, আপনার ব্লুটুথের রেন্জের উপরে।

নিচের ছবিগুলো হয়ত একটা রেফারেন্স হিসেবে কাজে আসতে পারে।








]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/29034175 http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/29034175 2009-10-29 19:16:36
মানুষ চেনা দায় মহিনের ঘোড়াগুলি। আমার অত্যন্ত পছন্দের একটি গান তুলে দিলাম। আমার কোন একটা পোস্টও তাদের নিয়ে লিখেছিলাম। অসাধারণ অনেক গানের মাঝেই একটি,

মানুষ চেনা দায়


বাড়লে বয়স সবাই মানুষ হয় কি
শুনলে কথা মানুষ চেনা যায় কি
চেনা সহজ নয়,চিনতে লাগে ভয়
বলি তায়, মানুষ চেনা দায়।

হাত বাড়ালে বন্ধু পাওয়া যায় না
বাড়ালে হাত বন্ধু সবাই হয় না
পেরিয়ে অনেক পথ, নিলাম এই শপথ
আমি নয় শত্রু হবো তাই।

হাসলে পরে রসিক সবাই হয় কি
কান্না এলেই কাঁদতে পারা যায় কি
হাসি মিছে কান্না অনেক হলো আর না
মন খুলে হেসেই যাবো তাই।

ডাউনলোড করুন ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/29029279 http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/29029279 2009-10-21 00:02:19
প্রেকটিক্যাল আইডিয়া পাস: বিয়ে করতে চান এজাতীয় ভাইদের জন্য
যা করবেন-
১। মা-বাবা ভালো করে চেনে এমন কোন ঘনিষ্ট বন্ধুর ছেলের সুন্নতে খাৎনা অনুষ্ঠান সামনে। কি গিফট দেওয়া যায় বা উচিত এই নিয়ে ভাবগম্ভীর মুডে তাদের সাথে নাতিদীর্ঘ আলোচনা করুন। বিয়ে করেছে এমন বন্ধুদের ছুটির দিনে তাদের পরিবারসহ দাওয়াত দিন।

২। জাস্ট একদিন দুই রাতের জন্য অফিসের কাজে বাইরে যাবার ভাব দেখান। তারা এটাকে অন্য কিছু মনে করবেই। টুরিজ্যম চলাকালীন সময়ে রাতের দিকে বাপ-মায়ের ফোন এভোয়েড করুন।

৩। রাত জেগে কম্পিউটারে বা টিভিতে স্বল্পকালীন মুভ্যি দেখুন। আওয়াজ থাকবে অত্যন্ত হালকা। ঘরের বাইরে থেকে যেন বোঝা যায় আপনি কম্পিউটারে বা টিভিতে কিছু একটা লুকিয়ে লুকিয়ে দেখছেন। কিন্তু কি দেখছেন, ধরা পড়া চলবে না।

৪। শুধু শুধু কারণেই হোক বা সত্যি সত্যি মোবাইলে মাত্রার চেয়েও ফিস ফিস করে কথা বলুন। আজকে এক নারী নাম, কালকে আরেক নামে একটু গলা উচিয়ে বলে আবারও চুপিচুপি চুলবুলি।

৫। মুরুব্বি টাইপ পাবলিক বাসায় এলে ঢাক ঢোল দিয়ে প্রচার করুন, আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা ও কত ভালো চাকরী করেন। এবং একস্ট্রা সালাম শ্রদ্ধা জারি রাখুন।

৬। ট্রাফিক জ্যামের মতন বড় ভাই বা বোন থাকলে তাদের ব্যবস্হা আগে করে নিন।

৭। আপাতত পাকা চুল কালো করার কোন দরকার নেই।

৮। বিয়ে বা সামাজিকভাবে পাবলিক গ্যাদারিং হয় এমন জায়গায় হিরোটাইপ এটিচিউড রাখুন।

৯। ভূড়ি বানানোর দিকে নজর দিন। আজকালের শ্বশুররা তাদের মেয়ের জামাইদের ভূড়ি খুব পছন্দ করে। পরে, না হইলে ডায়েট কইর‌্যা নিয়েন, বস। <img src=" style="border:0;" /> বিয়ার পর, ঐটা এমনিতেই ঠিক হইয়্যা যাবে। <img src=" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/29026465 http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/29026465 2009-10-15 22:34:40
ভূতপর্ব
এটি সত্য কাহিনী অবলম্বনেই লেখা।

টেক্সাসের,স্যান এন্টোনিও এর দক্ষিণে একটি রেলক্রসিং নিয়ে কিছু ভূতুড়ে কাহিনী শোনা যায়। বেশ অনেকদিন আগে এই ক্রসিং এ অল্প বয়সী কিছু স্কুল পড়ূয়া বাচ্চাদের ট্রেনে কাঁটা পড়ার এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। তারপর,থেকেই লোকমুখে রেলক্রসিং এ কোন এক বাচ্চা মেয়ের আত্মা ঘুরে ফেরার কথা শোনা যেতো।



ছবিটুকু ছাড়া, গল্পটি তৎকালিন ভূতুরে গল্পের মতই সবকিছুই ঠিক ছিলো। ছবিতে ঘোলা হলেও বেশ বোঝা যায় যে, ধোঁয়ার মতন আসলে ব্যাপারটি এক মেয়ে শিশুর। শিশুটির হাতে টেডি বেয়ারটিও অনেকখানি পরিস্কার।

কি বলা উচিত,জানিনা। হতে পারে, ফটোশপের কারসাজি। আবার নাও হতে পারে। কয়েকবছর আগে যদি জ্যামস ক্যামেরন যদি নয়া টাইটানিক ডুবিয়ে দিতে পারে, তবে এই ছবি কারো মাথা থেকে বের হওয়া তো কোন ব্যাপারই না। ছবিটি সত্যি বা বানানো যাই হোক না কেন, কাহিনীটি নিয়ে নতুন করে ভাবার আর কোন অবকাশ নেই।

(ইন্টারনেট হতে সংগৃত)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/29024766 http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/29024766 2009-10-12 23:37:05
আত্মহত্যা অবশ্যই কম বেদনার

আজকে আমার আরেকবার মৃত্যু হলো। প্রতিদিনই হয়, এ আর নতুন কিছু নয়। সকালে ধাঁধা নিয়ে আশাহত চোঁখ খোলা ও তারপরই আবার নির্ভেজাল কষ্টগুলোর মুখোমুখি। বড় বেশি একরোখা এই অনুভূতিগুলি।

জীবনের অনেক খেলা। সব খেলাই শক্ত। হেরে যাওয়া যখন অনিবার্য, তবে আর ভাবার কি? আত্মহত্যাই হতে পারে সমস্ত কষ্টের মুক্তি। নিঃশ্চয়ই শোনাবে আমায় কতো শত যুক্তি। মৃত্যু সবারই নিশ্চিত। তোমার, আমার ও সকলের পুরোপুরি; অল্প নয়, অবশ্যই নয় আংশিক বা কিঞ্চিত। তারপরেও করি অমর থাকার ঘুম পাড়ানো গান। শুয়ে পড়া শিশুদের মতো। আর কতো!

কষ্ট থেকে বাঁচার একমাত্র উপায়, মৃত্যকে আলিঙ্গন করায়। আত্মহত্যা অবশ্যই জীবন অপেক্ষা কম বেদনার। বেঁচে থাকার মাঝে কি বা আছে করার।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/29022048 http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/29022048 2009-10-07 19:38:24
Pink Floyd, যাদু ও ডাউনলোড লিংক

১৯৬৮ সালের Pink Floyd এর সদস্যরা (বাম থেকে ডানে): Nick Mason, Syd Barrett, David Gilmour (সামনে বসে), Roger Waters এবং Richard Wright

১৯৬৫ সালে স্থাপত্যকলার কিছু ছাত্র Nick Mason, Syd Barrett, David Gilmour (seated in front), Roger Waters এবং Richard Wright এর সমন্বয়ে ব্যান্ডের প্রথম দিকের কাজ শুরু করেন। পরবর্তিতে Klose ব্যান্ড ছেড়ে চলে গেলেও ব্যান্ডের মূল অংশের জনপ্রিয়তা তখনও তুঙ্গে।


Pink Floyd এর ক্লাসিক লাইনআপ,উপর থেকে ঘড়ির গতির দিকানুসারে, Roger Waters, David Gilmour, Richard Wright এবং Nick Mason।

১৯৮৫ তে ব্যান্ড থেকে Roger Waters চলে যান। তারপর থেকে মূল ব্যান্ডের জনপ্রিয়তা একটু কমলেও Pink Floyd তখনও জীবিত। বর্তমানে সবাই এখন আলাদা হয়ে কাজ করেন। ফলে, Pink Floyd বলতে এখন আর কিছু নেই।

তবুও, সেই অদ্ভুদ সুর আজও বেঁচে আছে।

Pink Floyd এর এলবামগুলো ও তাদের প্রকাশিত এলবামের সাল সংগে যতখানি পেরেছি তাদের ডাউনলোড লিংক। আশা করি, Pink Floyd ভালো লাগবে। ভালো থাকুন। সবাইকে শারদীয় দূর্গোৎসবের শুভেচ্ছা।

১৯৬৭ The Piper at the Gates of Dawn

ডাউনলোড লিংক

১৯৬৮ A Saucerful of Secrets

ডাউনলোড লিংক

১৯৬৯ Soundtrack from the Film More


১৯৬৯ Ummagumma

ডাউনলোড লিংক

১৯৭০ Atom Heart Mother

ডাউনলোড লিংক

১৯৭১ Meddle

ডাউনলোড লিংক

১৯৭২ Obscured by Clouds

ডাউনলোড লিংক

১৯৭৩ The Dark Side of the Moon

ডাউনলোড লিংক

১৯৭৫ Wish You Were Here

ডাউনলোড লিংক

১৯৭৭ Animals

ডাউনলোড লিংক

১৯৭৯ The Wall

ডাউনলোড লিংক পর্ব ১
ডাউনলোড লিংক পর্ব ২

১৯৮৩ The Final Cut

ডাউনলোড লিংক

১৯৮৭ A Momentary Lapse of Reason

ডাউনলোড লিংক
১৯৯৪ The Division Bell


ডাউনলোড লিংক

Pink Floyd সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/29017206 http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/29017206 2009-09-28 22:47:11
আমার প্রিয় ক্যাফে.... বিঃ দ্রঃ - যদিও নুডেটি টাইপের কিছুই নেই, তবুও পোস্টটিকে আঠারো প্লাস রেটিং দিলাম। কোমলমতি ব্লগারদের এই পোস্টে না আসার জন্য বিশেষ অনুরোধ করা গেলো। বিশেষ কারণে রিপোস্ট। আগে যদি আপনার পড়া হয়ে থাকে, তবে ক্ষমাপ্রার্থী। ধন্যবাদ।



প্রিয়তি,
অনেকদিন পর পৃথিবীতে গেলাম। আমার অন্যতম পছন্দের গ্রহ। দূর থেকে নীলাভ রংয়ের এই অনুল্লেখেত গ্রহটির প্রধান আকর্ষণ, সেই ক্যাফে। তুমি বিশ্বাস করবে কি না জানি না, এখানে জীবন্ত মানুষের শিশ্ন ভাজা পাওয়া যায়। তোমাকে লাইনে দাড়িয়ে থেকে কষ্ট করতে হবে। তবে, সত্যি বলতে কি, মুখে মচমচে শিশ্নের অনুভূতির মজাই আলাদা। যাবার আগে তুমি কিন্তু নিও পলিমারের কোটটা পড়ে নিও। গরম তেলের মাঝে শিশ্ন ভাজার সময় স্তন্যপায়ী প্রাণীগুলো খুব বেশি ছটফট করে। গায়ে গরম তেল যেন ছিটকে না আসে, সেজন্য ওদের শিশ্ন খাবার ম্যানুয়েলটা আগে ভাগেই পড়ে নিও।

শুনেছি, ক্যাফে কর্তৃপক্ষ নতুন আরেকটি আইটেম আনছে, যা কিনা আগের থেকেও অনেক বেশি বিকোবে বলে ধারণা হচ্ছে। পুরুষ প্রানীর সাথে সাথে তারা নতুনভাবে মেয়ে প্রজাতিও বাজারে আনছে। তবে, সেগুলো জীবন্ত অবস্থায় খাওয়ার জো নেই। কোমল বলে স্তন কেটে নেবার সংগে সংগেই মরে যায়। হ্যা! হ্যা!!, ঠিক ধরেছ।

আস্তে আস্তে খাবে। শুনেছি, এরা প্রানী হিসেবে অত্যন্ত খারাপ। অহেতুক নিজেদের মাঝে কোলাহোল করে। নিজেদের প্রজাতির উন্নতি একদম সহ্য করে না।

যাই হোক, তোমার তো কোনদিন ইতিহাসে আগ্রহ ছিল না। শুনে আর কি করবে। যেও, পেট পুরে একদিন খেয়ে এসো।

ভালো থেকো।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/28976768 http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/28976768 2009-07-11 19:45:03
সবচেয়ে আরামের কাজ | একটি জনগুরুত্বপূর্ণ পোস্ট <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" />
কেউ পারে তো, কেউ প্রশ্ন বুঝে না। কিন্তু পরে গিয়া এক জায়গায় হেভি ক্যাচাল লাগলো। পাশের ফ্ল্যাটের নতুন ভাবীরে গিয়া 'জানিতো পারবো না' জাতীয় ভাব নিয়া জিগাইতে গিয়ে থাপ্পর খাইলাম। তার উপর বাপের কাছে কমপ্লেন। আর, পালাই কোথায়! সেদিন, বাপে বেত দিয়া আমার পিঠে বাংলাদেশের ম্যাপ বানাইয়া দিছিলো। কেনো যে সেই দিন মাইর খাইছিলাম তা বুঝতে বুঝতে আমার বয়স চৌদ্দ হইলো। :-*



দুনিয়ার বেশির ভাগ মানুষ কি ভাবে আমি জানিনা। তবে, কানের মধ্যে পাখির পালক সাফ কইরা ঠিক মতো নাড়া-চাড়া দিলে জান্নাতের সুখ পাই। একদিকে কাইত হইয়্যা কম্পিউটারে ব্লগিং করতে করতে কান চুলকানোর মজাই আলাদা।



তবে এটাও ঠিক, গরমের সময় চুল কাটাইতে গেলে ঠান্ডা এসির মাঝে মাথা বানানো হইলো সেইরকম সুখের! নাপিতগুলান এতো বদের বদ, মাইরও দেয় আর তার জন্য টাকাও নেয়।

এক টিকিটে দুই ছবি দেখতে গিয়া বুঝতে পারছিলাম, কুটিকালে আমি হুদাই মাইর খাইছি। দেখলাম, এক চিংকি টাইপ পাবলিক আরেক চিংকি মহিলার সংগে একটু বেশি ইয়ে টাইপ ভালোবাসা করতে ছিলো। আচানক লোকটার সেইরকম তেজে বড় টয়লেট পায়। লোকটা মহিলারে চরম অবস্থার মাঝেও ধাক্কা মাইরা ফালাইয়া বড় টয়লেটের জন্য দৌড়। অবশেষে কোথাও টয়লেট না পাইয়া কার পার্কিং এ গাড়ির চিপায় প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেয়। লোকটার কি যে আনন্দ!! কথাই বলতে পারেনা!!! <img src=" style="border:0;" />

মানুষের পাপী মন আমার মতন নিস্পাপ মানুষরে মাইরা তক্তা বানাইলেও সত্য অলওয়েজ সত্য। সেদিন মাইর খাইলেও, আমি কিন্তু ঠিকই কইছিলাম। হ <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/28975842 http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/28975842 2009-07-09 19:10:39
গুগলের কিছু সার্চ টিপস গুগলে সমস্যা হয় একটাই। অনেক রেজাল্ট আসে, এতে বুঝতে সমস্যা হয় কোনটি দরকারী অথবা ফালতু। সেইসমস্ত ক্ষেত্রে, আমরা আমাদের প্রয়োজন অনুসারে আমাদের রেজাল্ট বের করে আনতে পারি।

উদাহরণ:
আমি শুধুমাত্র .pdf কনটেন্ট পেতে চাই।
-কোন ব্যাপার না। আপনার দেওয়া সার্চ স্ট্রিং এর শেষে .pdf বা :pdf বা *.pdf দিয়ে ট্রাই করুন। এভাবে আপনি আপনার পছন্দের এক্সটেনশান দিয়ে ট্রাই করে দেখতে পারেন।

এটা গেল, খুব প্রাইমারী লেভেলের জিনিস।

এখন দেখুন, গুগল সার্চের ঘরে নিচের লেখাগুলো রেখে সার্চ দিন। নিজের প্রয়োজন অনুসারে ফাইলের এক্সটেনশানগুলো পরিবর্তন করে নিন।

উদাহরণ:
১। গানের জন্য:
intitle:index.of +"last modified" +"parent directory" +(mp3|wma|ogg) +"xyz" -htm -html -php -asp

লক্ষ্য করুন, xyz হলো আপনি যার গানগুলোর উপর সার্চ করতে চান। গানের এক্সটেনশানগুলো হলো mp3 ,wma এবং ogg।

২। কোন নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে সার্চ করতে চান কোন নির্দিষ্ট কোন ফাইলের:
site:abc.com +"xyz" +(rar|zip)

লক্ষ্য করুন, xyz হলো আপনার ফাইলের নাম এবং rar,zip হলো তাদের এক্সটেনশান।

৩। পিডিএফ এর জন্য:
-inurl:htm -inurl:html intitle:"index of" +("/ebooks"|"/book") +(chm|pdf|zip) +"xyz" "Last Modified"

লক্ষ্য করুন, xyz হলো আপনার ফাইলের নাম এবং chm,pdf,zip হলো তাদের এক্সটেনশান।

৪। রিংটোনের জন্য:
intitle:index.of +"last modified" +"parent directory" +(qcp|mid|m4a|mp4) +"xyz" -htm -html -php -asp

- ১ নং উদাহরণ লক্ষ্যনীয়।
গুগলে কাস্টমাইজড সার্চ সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন। এভাবে আপনি অনেক বেশি অযাচিত রেজাল্ট থেকে বেরিয়ে শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় জিনিসে সময় দিতে পারবেন।

বলে রাখা ভালো: বিশেষ কারণে এই পোস্টটি আবার পোস্টানো হলো। যারা আগে দেখেছেন, তাদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। ধন্যবাদ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/28965570 http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/28965570 2009-06-16 21:39:45
ঘুর্ণিঝড় 'বিজলী' ও বর্তমান সাম্ভব্য পরিস্থিতি
ঘূর্ণিঝড়টি শুক্রবার সন্ধ্যা নাগাদ মেঘনা অববাহিকার নিকট দিয়ে বরিশাল-চট্টগ্রাম উপকুল অতিক্রম করতে পারে।

সকাল নয়টায় আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক বুলেটিনে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরসমূহকে ছয় নম্বর বিপদ সংকেত এবং মংলা সমুদ্র বন্দরকে পাঁচ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এছাড়া চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, নোয়াখালী, ফেনী, লক্ষ্মীপুর, ভোলা, বরিশাল, চাঁদপুর জেলাসমূহ এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহকে ছয় নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

বুলেটিনে বলা হয়, ঘূর্ণিঝড়টি সামান্য উত্তর-পূর্ব দিকে সরে গিয়ে উত্তর-বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।

সকাল নয়টায় এটি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৯০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৬০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং মংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ৩৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থান করছিল।

ঘুর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘন্টায় ৭০ কি.মি. যা দমকা বা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ঘন্টায় ৯০ কিমি পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের চারপাশে সাগর উত্তাল রয়েছে।

উপক'লীয় জেলা কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, ফেনী, লক্ষ্মীপুর, ভোলা, বরিশাল, পটুয়াখালী, বরগুনা, চাঁদপুর, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা ও সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের উপর দিয়ে ঘূর্ণিঝড়টি অতিক্রমের সময় ভারী বর্ষণসহ ঘন্টায় ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এসব এলাকা ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৭-১০ ফুট অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।

উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার সব নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলেছে আবাহওয়া অধিদপ্তর।

শুক্রবার সকাল নয়টা থেকে উপক'লীয় জেলাগুলোতে নৌ চলাচল বন্ধ রয়েছে। এছাড়া পটুয়াখালী ও ভোলায় সকাল থেকেই প্রবল বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। ঘুর্ণিঝড় মোকাবিলায় ভোলার সব উপজেলা প্রশাসন ও ইউপি চেয়ারম্যানদের প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।

তথ্যসূত্র:
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

আপডেটেড ঘুর্ণিঝড় 'বিজলী' দেখুন ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/28939275 http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/28939275 2009-04-17 13:32:26
ঐ যে সুদূর নীহারিকা (একটি ফুটুক পোস্ট)

উইকিপিডিয়াতে নীহারিকা সম্পর্কে পড়ছিলাম।



নীহারিকা ধূলিকণা, হাইড্রোজেন গ্যাস এবং প্লাসমা দ্বারা গঠিত এক ধরণের আন্তঃনাক্ষত্রিক মেঘ। একসময় নীহারিকা ছিল ছায়াপথ সহ যে কোন ধরণের বিস্তৃত জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক বস্তুর সাধারণ নাম যা আকাশগঙ্গার বাইরে অবস্থিত। যেমন: বর্তমানে উল্লেখিত এনড্রোমিডা ছায়াপথের পূর্ব নাম ছিল এনড্রোমিডা নীহারিকা।







খটমটে ব্যাপারগুলো আমার বরাবরের মতনই মাথার এন্টেনার উপর দিয়ে চলে যায়। কিন্তু রূপবতী নীহারিকার ছবিগুলো দেখার পর থেকে আমার নিজের ক্ষুদ্রতা নিয়ে একধরণের সম্যক ধারণা চলে আসে।





কেন জানি আমার রবিবাবুর নীহারিকার এই ভার্সানটাই বেশি পছন্দের।

তুমি কি কেবলই ছবি, শুধু পটে লিখা।
ওই-যে সুদূর নীহারিকা
যারা করে আছে ভিড় আকাশের নীড়,
ওই যারা দিনরাত্রি
আলো হাতে চলিয়াছে আঁধারের যাত্রী গ্রহ তারা রবি,
তুমি কি তাদের মতো সত্য নও।
হায় ছবি, তুমি শুধু ছবি।।




তথ্যসূত্র:
পোস্টের নীহারিকা সংক্রান্ত সমস্ত ছবিই হাবল সাইট থেকে নেওয়া হয়েছে।

উইকিপিডিয়া হতে নীহারিকা সম্পর্কে সংগাটি নেওয়া হয়েছে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/28939077 http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/28939077 2009-04-16 23:07:23
মুঠোফোনে একদিন আসো, আজকে তোমার সংগে এক খেলা খেলি। ভাবার তেমন কিছু নাই। জাস্ট তোমাকে দুটি অপশান দেবো, তুমি তোমার মতো বেছে নিবে। প্রশ্নটা তোমার মনের মতো ভেবে নিতে পারো। আমি বললাম।
: তাতে কি হবে?
: তেমন কিছু না, হয়ত। দেখি তুমি আমায় কতটুকু জানো, আমায় কতটুকু বোঝো। মেয়েদের তো জেনে শেষ করা আমার কাজ না, বুঝতেই পারো। আমিও চাই না, যে তুমি আমায় পুরোপুরি জানো। আমাদের ফ্রিকোয়েন্সি কতটা ম্যাচ করে সেটাই জানা দরকার।
: ঠিক আছে। শুরু করো।
: কানের দুল না নাকের ফুল?
: হুম!! বুঝছি। নাকের ফুল।
: ক্লিন সেইভড না খোঁচা খোঁচা দাড়ি?
: খোঁচা খোঁচা দাড়ি।
: ঘামের গন্ধ না আফটার সেভ?
: আফটার সেভ না।
: কিস না বাইট?
: দ্বিতীয়টা।
: প্লেইন না ডটেড?
: জুতা চেনো?? <img src=" style="border:0;" />



এই বছরের কোন এক সময়,
: বিয়ে করেনি, এখনো?। আমায় বললে।
: এনগেজমেন্ট হয়ে গেছে তো। আর, তাছাড়া তোমার কি ধারণা, তুমি ছাড়া কি আমার জীবন থেমে থাকবে নাকি?
: আমি তা বলিনি। কানাডা যাবার পর, তোমার কথা ভীষণ মনে পড়তো। অনেকদিন ভেবেছি ফোন করব। কিন্তু, ওর ভয়ে করতাম না। খুব একটা সুখে ছিলাম না। আমার পিঠে ওর বেল্টের দাগ এখনো র‌য়েছে। পরে, ডিভোর্স নিয়ে ব্যস্ত হয়ে গেয়েছিলাম।
: ওকে। দুঃখিত তোমার কথা শুনে। আমি এখন রাখি। আসলে, এখনই ওর ফোন আসবে। বুঝতেই পারছো হবু বউকে আমার সময় দেওয়া দরকার। তাছাড়া, এখন আমরা একজন আরেকজনকে জানার চেষ্টা করছি। বাই দ্যা ওয়ে, তুমি আমায় মাঝে মধ্যে অবশ্যই ফোন করবে। ঠিক আছে?

...... এখন ২০০৮। লাইলির প্রেমে ধোঁকা খেয়ে মজনুর মতো মরে যাবার টাইম আমার নাই...... ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/28939039 http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/28939039 2009-04-16 21:16:42
ফ্রি মুভি ডাউনলোড একটি সাময়িক পোস্ট দিয়েছিলাম। বেশ কয়েকজন ভালোভাবেই সাহায্য করেছিলেন। সাইটগুলো যত ঘুরে ফিরে দেখছিলাম, ততই ভালো লাগছিলো। এমনিতেই আমি আবার মুভি পাগল মানুষ, তার উপর এই ধরণের ঢোলের ধাক্কা পেয়ে আর যাই কোথায়। সারাদিন ধরে সেইরকম ডাউনলোড চলছে। সমস্যা হলো, আমার নেট স্পিড। একটু স্লো বলে মুভি নামাতে কষ্ট হয়, তবুও রিজিউম সাপোর্টেড ডাউনলোডার দিয়ে নামালে ভালোই নামে। ব্যক্তিগতভাবে, ডাউনলোডিং এর জন্য ডাউনলোড এক্সিলেটর প্লাস ব্যবহার করছি। আপনাদের যেটা ভালো লাগে, সেটা দিয়েও ডাউনলোড করে নিতে পারেন। টরেন্ট খুব ভালো একটা রিসোর্স হলেও আমি নিজে খুব একটা ভালো পাইনা। তাই, সরাসরি কিছু সাইট উল্লেখ করছি।

যারা সেই পোস্টে কষ্ট করে সাইটের নাম দিয়েছেন, তাদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি ও সঙ্গে যারা আমার মতন মুভি পাগল তাদের কথা মাথায় রেখে সাইটগুলোর নাম তুলে দিচ্ছি।

http://www.stagevu.com
জানিয়েছেন: আশরাফ৪৫৯

http://yourpcmovies.blogspot.com
জানিয়েছেন: শিবলী রহমান

http://yourpcmovies.blogspot.com/
http://oneclickmoviez.com/
http://www.amaderforum.com/
জানিয়েছেন: ব্লগেশ্বর

http://www.movplus.com/
http://themoviedownloads.com/

ভালো থাকুন। শুভ নববর্ষ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/28937790 http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/28937790 2009-04-14 00:17:55
মুভি ডাউনলোড সাইট (সাময়িক পোস্ট) জানালে খুশি হবো।







বলতে ভুলে গেছিলাম, অবশ্যই ফ্রি হতে হবে <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> খেক খেক <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> টেকা নাই তো, তাই।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/28936321 http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/28936321 2009-04-10 20:12:57
মুভি Knowing
কাহিনী:
1958 সালে নতুন প্রাথমিক স্কুল স্থাপনার সময় একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে কিছু অল্প বয়সী ছাত্র-ছাত্রীরা "আগামী ৫০ বছর পর পৃথিবী দেখতে কেমন হবে" তার উপর চিত্র চাওয়া হয়। সেই সব ছাত্র-ছাত্রীদের আঁকা ছবিগুলো টাইম ক্যাপসুলের মধ্যে রেখে দেওয়া হবে, যা কিনা সেই দিন থেকে ঠিক ৫০ বছর পর খোলা হবে। কিন্তু সেখানে রহস্যময় ধরণের এক ছাত্রী সারা পাতা ধরে শুধু সংখ্যা লেখে রাখে যা অদ্ভুদ ও যার সাম্ভাব্য কোন অন্তর্মিল নেই।



৫০ বছর পরে, টাইম ক্যাসুল খোলা হলো। সেখানে রাখা সমস্ত হাতে আঁকা চিত্রগুলো বতর্মান সময়কার ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে বিতরণ করা হয়। আর, অদ্ভুদ সেই চিত্রটি এইবার Nicolas Cage এর ছেলের হাতে আসে। আর, সেই সূত্রে এটা Nicolas Cage দেখেন ও পরবর্তিতে এর গোপন সংকেতগুলো তিনি উদ্ধার করতে শুরু করেন। উনি খুঁজে পান যে, আসলে অন্তর্মিল সংখ্যাগুলো আসলে গত 50 বছরে পৃথিবীতে যতগুলো বড়ধরণের প্রাণহানিকর ঘটনা হয়েছে- তারই তারিখ, নিহতের পরিমাণ এবং কোথায় হয়েছে। পরবর্তিতে, Nicolas Cage আরো বড় ধরণের তিনটি ঘটনা ঘটবে বলেও জানতে পারেন যার শেষ পরিণতি হবে পুরো দুনিয়া ধরে। শেষ ঘটনাটি সঙ্গে তার ছেলেরও পরিণতি জড়িত।



সর্বশেষ ঘটনায় যখন পুরো মানবজাতিই বিপন্ন হবে ভেবে নিজের পরিবার ও সন্তানের শুভকামনায় কিভাবে Nicolas Cage নিজেকে সময়ের আগে এগিয়ে রাখে তারই উপর খুবই মায়াবী মুভি Knowing।



অসাধারণ এনিমেশন ও কাহিনীর টুইস্টগুলো আসলেও বেশ উপভোগ্য। আশা করি, সবারই ভালো লাগবে।

মুভি ট্রেলার:


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/28936095 http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/28936095 2009-04-10 09:56:34
দুঃখবিলাসের কানে তুলা (আজকে কারোও কথা শুনলাম না!!!) - সাবলিমিনালি একটুস প্রাপ্তবয়স্ক
মনের সুখে চেয়ারে পিঠ হেলিয়ে বেশ একটা রিলেক্স ভঙ্গিতে এলিয়ে কান চুলকানো শুরু। কটন বাডের বান্ডিল থেকে একটা স্টিক নিয়ে বাম কানটা ভালো করে ডলে ডলে পরিস্কার করছিলাম। আয়েশে চোখ কেমন যেন বন্ধ হয়ে যাচ্ছিল। জমে থাকা ময়লাগুলো তুলতেও যে এত শান্তি, আজকের মতো কখনোই টের পাইনি। মনে পড়লো, আমার এক কলিগের কান চুলকানোর অদ্ভুদ ও ফেটিশ ধরণের তৃপ্তি কথা।

"কান পরিস্কার, কান পরিস্কার লাগবে!!!" কিছু লোক থাকে, যারা ব্যাগে করে তুলা, কিছু সরু সুন নিয়ে ঘুরে বেড়ায়। পাঁচ-দশ নিয়ে কিভাবে যেন রাজ্যের ময়লা কান থেকে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে বের করতো। এদের সাধারণত বাস বা ট্রেন স্টেশনে দেখা যায় বেশি। এতো শিক্ষিত হবার পরেও, আমার কলিগ বন্ধু রাস্তার ধারে বসে তাদের কাছ থেকে কান পরিস্কার করাতো। অস্বাস্থ্যকর জানতো, তারপরেও কান পরিস্কারের বাতিকে ভুগতো।

কান চুলকানো নিয়ে একটা জোকস বলা যাক।
: বলো তো সেক্স করার সময় ছেলে না মেয়ে কে বেশি আনন্দ পায়? : অব্যশই মেয়ে । : কেন ? : যখন কাঠি দিয়ে কান খোঁচাও আরামটা কোথায় লাগে, কানে না লাঠিতে ??

স্টিকটা যখনই ডান কানেই ঢুকাতেই ক্যাচালটা লেগে গেলো। কটন বাডের তুলোটা ডান কানের ভিতরেই আটকে ভিতরেই রয়ে গেছে। এটাকে কোনভাবেই বের করতে পারলাম না। ঘরের মুরুব্বি আবার চোঁখে ঠিক মতন দেখে না। আমার তখন ছেড়ে দে মা, কেঁদে বাঁচি। আবার এই অবস্থায় ঘরের সবার আইডিয়া পপ কর্নের মতো ফুটতে লাগলো। একজন তো কানে জোর করে পানি ঢেলে দিলো। এতে নাকি তুলা নরম হয়ে বের হয়ে আসবে!! <img src=" style="border:0;" />

ডান কানে পর্দার মধ্যে দমদম আওয়াজ করছে। এদিকে বিদ্যুত নেই। দৌড়ে গেলাম হাসপাতালে। ইএনটি স্পেশালিস্ট তখনও আসেনি। কষ্টে দুঃখে নিজের ছোট চুলকে টেনে টেনে লম্বা করছি।
এতো পেইনের মাঝেও আবার আরেক জোকস মনে পড়লো।
দুই বিদেশি যুবক জাহাজডুবি হয়ে এক দুর্গম দ্বীপে আশ্রয় নিয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যেই তারা স্থানীয় জংলি সর্দারের সুন্দরী মেয়ের প্রেমে পড়ে গেলো। শুরু হলো উদ্দাম শারীরিক প্রেম। ঘটনা জানতে পেরে সর্দার গুন্ডা পাঠিয়ে ধরে আনলো দু’জনকেই। “বিদেশি!, সর্দারের একমাত্র মেয়ের সাথে তোরা ভারি অন্যায় করেছিস।” গম্ভীর কন্ঠে জানালো সর্দার। তোদের শাস্তি হবে। বেছে নে বিদেশি, মরণ অথবা বোঙ্গাবোঙ্গা!” প্রথম যুবকটি ভাবলো, বোঙ্গাবোঙ্গার মত শাস্তি থাকতে মরণ কেন? সে বেছে নিলো বোঙ্গাবোঙ্গা। কিন্তু ব্যাপারটা যে আসলে কী রকম, জানতো না বেচারা। বোঙ্গাবোঙ্গা মানে হচ্ছে পাকা বাঁশ পশ্চাদ্দেশ দিয়ে প্রবেশ করানো। তা-ই করা হলো তাকে। জল্লাদ বাঁশ কেটে নিয়ে শাস্তি দিলো। মাটিতে শুয়ো যন্ত্রণায় কাতরাতে লাগলো বেচারা। অপরজন ভাবলো, কোনও দরকার নেই অমন শাস্তির, এরচেয়ে মরণই ভালো। বেছে নিলো সে মরণকে। এবার সর্দার জল্লাদের দিকে তাকিয়ে ক্রূর হেসে বললো, “না মরা পর্যন্ত এটার ওপর বোঙ্গাবোঙ্গা চালানো হোক!”

অবশেষে ডাক্তার এলেন। কানের মাঝে তেড়া-বেড়া টাইপ কাঁচির মতন কি যেন দিয়ে কুট করে তুলাটি বের করে আনলেন। আমার কষ্টের অবসান হলো। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/28934566 http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/28934566 2009-04-06 23:36:54
বর্তমান সরকার ও জঙ্গি
ছবি: প্রথম আলো ২৫/০৩/২০০৯


বাংলাদেশ বরাবরের মতই এখনো সেই নাজুক অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। আগেও আমাদের দেশে জঙ্গি ছিলো, তবে তা খুব একটা খবরে আসতও না। হতে পারে, তৎকালীন সরকারের উদাসীনতা বা প্রশ্রয়।

ছবি: প্রথম আলো ২৫/০৩/২০০৯


ছবি: ইত্তেফাক ২৫/০৩/২০০৯


তবে, এটাও সত্যি, আমাদের মাঝে অনেকেরেই মাঝে জঙ্গি কর্মকান্ড হয়নি বলেও জোড় বলতে শোনা যায়। বেশ কিছু দৈনিকের শিরোনামে এসব ভয়াবহ সংবাদ আসেনা। বরং উল্টো উস্কানিমূলক তথ্য দিয়ে ভরা থাকে। সংবাদের বিশেষ সংবাদদাতাই বা কে অথবা কিসের ভিত্তিতে এসব সংবাদ, এর সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন জাগে।

সবাই সবার স্বার্থ নিয়ে ব্যস্ত রয়েছে। এটা স্বাভাবিক। তবে, ধর্ম বর্ণ মত নির্বিশেষে বৃহত্তর কিছু স্বার্থ নিয়ে আমাদের এক সাথে কাজ করা উচিত। যতদিন এই উপলব্ধি আসবে না, বাংলাদেশ পিছিয়েই থাকবে।

সবাইকে ধর্ম বর্ণ মত নির্বিশেষে দেশ গড়ার আহবান।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/28929224 http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/28929224 2009-03-25 11:28:58
১২ এপ্রিল ছাগু নৃত্য ও ছাগুগল্ফের মোড়ক উন্মোচন উপলক্ষ্যে দরপত্র প্রদান বিষয়: ১২ এপ্রিল ছাগু নৃত্য ও ছাগুগল্ফের মোড়ক উন্মোচন উপলক্ষ্যে দরপত্র প্রদান

বরাবর,
যথাবিহীত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি ব্যক্তিগতভাবে মগবাজার সংলগ্ন কচি ও মোটা বাঁশের চাষ করিয়া থাকে। সামুর পারিপ্বার্শিক কথা বিবেচনায় রাখিয়া আমি বিনা মূল্যে বাঁশ বিতরণে আগ্রহ প্রকাশ করিতেছি।

আমার বাঁশ বাগানের কিছু বাঁশের নমুনা ফুটুক পোস্টে অন্তর্ভুক্ত করা গেলো। এখানে উল্লেখ করা যাইতে পারে যে, আমি দেশের বিভিন্ন জেলার একমাত্র নির্ভরযোগ্য ডিলার। বর্তমানে আমার বাগানের বাঁশ বিদেশের বিভিন্ন জায়গায় প্রথম শ্রেণীর রপ্তানিযোগ্য পন্য হিসেবে সম্মান লাভ করিয়াছে।

নমুনা ১: প্যাঁচানো বাঁশ


নমুনা ২: বিভিন্ন সাইজের বাঁশ


অতএব, জনাবের কাছে একান্ত মিনতি যেন সামুতে যথাপোযুক্ত স্থানে আমার বাঁশ ব্যবহারে সমস্ত ব্লগারের কাছে আমার অনুরোধ পৌছানো হয়।

নিবেদনে,
সামুর একজন অধম পাবলিক]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/28926729 http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/28926729 2009-03-19 22:25:59
সামু বিবর্তন
সামুতে অনেকদিন হলো। দিনে দিনে যেমন বেলা হয়, তেমনি সামুতে আমার সেই সূত্রে সন্ধ্যা। অনেক নতুন ব্লগার এসেছেন, অনেক পুরানোদের কোন খবর নাই। অনেক শক্তিশালী লেখা যেমন তখনও ছিলো, এখনোও আসে। শুধু সেই পরিচিত লেখকরা নাই। অনেকটা নস্টালজিয়ার ধোঁকাতে পড়েই আমার ফুটুক পোস্ট।

সামুকে ধন্যবাদ, বাংলাতে অনবদ্য এক প্লাটফর্মের জন্য।


ফুটুক: ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০০৬


ফুটুক: ২৭ এপ্রিল, ২০০৬


ফুটুক: ১৮ অগাস্ট, ২০০৬


ফুটুক: ৩০ ডিসেম্বর, ২০০৬


ফুটুক: ৩ জানুয়ারী, ২০০৭


ফুটুক: ৬ এপ্রিল, ২০০৭


ফুটুক: ১২ অগাস্ট, ২০০৭


ফুটুক: ৩০ ডিসেম্বর, ২০০৭


ফুটুক: ১৪ ফেব্রুয়ারী , ২০০৮]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/28926656 http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/28926656 2009-03-19 19:33:58
এমন হবে না তো!!






পরিবর্তন মানুষেরই হয়। তবে, এমনটি হবে না তো??

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/28913405 http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/28913405 2009-02-19 16:47:15
রোবোট মানবী ভার্সান ২০০৯
মানবী মডেলটি বাজারে আসার সাথে সাথেই সাধারণ মানুষের চাহিদা মাফিক যে পরিমাণ ছিলো, তা প্রথম ধাপেই শেষ। এক বছরের মাঝেই সপ্তমতম প্রোডাকশানেও মানুষের হিড়িক। সাড়া জাগানো এই সাফল্যে কোম্পানি এলবাট্রাস মানবী মডেলের বুদ্ধিমত্তা ও শারীরিক সৌন্দর্য্যের উপর আরো নতুন রিসার্চে মন দিলো।

সামাজিকভাবে, মডেল মানবীর চাহিদা এখন আর শুধু ভালোবাসার জন্য নয়। ক্রেতাদের মাঝে মডেল মানবী শুধু একজন আর রোবোট নয়, বরং পূর্ণাংগ একজন মানুষ। পুতুলের দাম প্রাথমিকভাবে বেশ দামি। তবে, যেহেতু সমাজে মোটামুটি উপার্জনক্ষম মানুষরা পুরুষ, তাই টার্গেট ক্রেতারাও ছিলো সেই অংশ। বিয়ে বিচ্ছেদ ও বিয়ে অনাগ্রহী সুখী পুরুষদের সংখ্যা এখন চরমে।

ভালোবাসা আসলে একটি শব্দ। কিন্তু, প্রশ্ন হলো ভালোবাসার জন্য আমরা কি পরিমাণ অভাব বোধ করি। ভালোবাসিত হবার প্রক্রিয়ায় শুন্যস্থান পূরণ করাটাই আসলে ভালোবাসা। সেক্ষেত্রে, মানবী ২০০৯ আসল নারীদের তুলনায় অনেক বেশি বিশ্বাসী ও প্রতিশ্রুতিশীল। রোবোট মানবীর উত্তরোত্তর সাফল্যে সমস্ত নারীজাতি আজ ঈর্ষান্বিত।

মানব ২০১১ একটি পুরুষ ভালোবাসা রোবোট। তবে, এর তেমন কোন সাফল্য পাওয়া যায়নি। বিস্তর গবেষণায় অল্প কিছু কারণ নিয়ে অবশ্য ধারণা পাওয়া। এরা মেয়েদের কোন গিফট কিনে দিতে পারেনা। রোবটের জন্য ই-টাকা উপার্জন করা এখনো পর্যন্ত নিষিদ্ধ। মানব ২০১১ এর নিউরাল নেটওয়ার্ক আর দশটা মানবীর মতো। যেহেতু, এদের সিপিইউ চালুর পর থেকেই কোন নির্দিষ্ট নারীর সাথে সাথেই থাকে, তো রোবোট পুরুষ শরীরে নারীদেরই আচরণ ফুটে ওঠে। সব নারীরা এটাকে আবার স্বাভাবিকভাবে নেয়না। তারপরেও, অনেক নারীদের কাছ থেকে মানব ২০১১ এর সাফল্যের কথা পাওয়া গেছে। যদিও সংখ্যাটা খুব নগন্য।

আশা করা যায়, রোবো প্রজাতির মাঝে খুব জলদি আরো কোন আপডেট আসবে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/28910846 http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/28910846 2009-02-14 01:06:00
ঢাকাতে উড়ন্ত সসার
পুরোনো ধাঁচের নিক্কনের ডিজিটা আমার। ফটো তোলার অভ্যাসটা তখন থেকেই। যেদিকেই যাই, পটপট ছবি তুলি। বন্ধুরা প্রায়ই মজা করে, আর কেউ করে টিটকারী। তাতে কি? ক্যামেরার চোঁখে দুনিয়া দেখি।


গত বছরে এই সময়ের দিকে বেশ কিছু ছবি তুলেছিলাম। হঠাত করেই, একটি ছবির দিকে নজর আটকে গেলো। শাহবাগের ডায়েবেটিস হাসপাতালের উল্টোদিকে তোলা। বি.এস.এম.এম.ইউ. এর ঠিক সামনে।


ঠিক কোণাটায়। মনিটরটা ঘষলাম, এরপর চোঁখ।


ঢাকাতে উড়ন্ত সসার।








]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/28906317 http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/28906317 2009-02-03 21:46:38
জানাশোনা কোনো গর্ভবতী মেয়ে (জুক্স) ____________________




প্রচণ্ড অলস এক লোক বড়শিতে মাছ তুলে বসে আছে।
পাশ দিয়ে একজনকে যেতে দেখে কোমল স্বরে বললেন, ভাই মাছটা একটু খুলে দেবেন?

একটু বিরক্ত হয়েও মাছটা খুলে দিলেন লোকটি। তারপর বললেন, এত অলস আপনি! এক কাজ করেন- একটা বিয়ে করেন। ছেলেপেলে হলে আপনাকে কাজে সাহায্য করতে পারবে।

উত্তর এলোঃ ভাই, আপনার জানাশোনা কোনো গর্ভবতী মেয়ে আছে?




]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/28906103 http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/28906103 2009-02-03 12:21:27
টুকরো গল্প
ফেইসবুকে রনিকে আমার আগে থেকেই বন্ধু লিস্টে রাখা ছিলো। রনি সেটা ভুলে গেছে। কারণ, ওর বন্ধু সংখ্যা ১৭৭৩ জন।



খ) মেয়েটাকে আমার প্রথম দেখাতেই পছন্দ হয়। বেশ ছটফটে। এসেই আমার দিকে চোঁখ বড় বড় করে তাকিয়ে ফিক করে হেসে দিলো। আমারও গম্ভীর মুখেও কেমন হাসি আসলো। নিজেকে বেশ হালকা মনে হলো। আমি এবার নির্লজ্জের মতই বলে দিলাম, "তোমাকে আমি চাই। যাবে আমার সাথে?"। উত্তর এলো, "হুম!"। তারপর, ফাস্ট ফরোয়ার্ড এক্শানের মতোই ঝটপট সরে যেতে লাগলো।

কামপর্ব শেষ করেই খুশি মনে পাচঁশ টাকার নোটটা গুজে দিয়েই চলে এলাম বাইরে। কি আশ্চর্য্য, নিজের স্ত্রীর ভালোবাসার সংগে কোন পার্থক্যই খুঁজে পেলাম না। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/28905796 http://www.somewhereinblog.net/blog/lostindarkblog/28905796 2009-02-02 19:50:23