আমার প্রিয় পোস্ট
- গত ৫ বছরে চালের দাম দ্বিগুণ - মারদাঙ্গা
- প্রখ্যাত ব্লগার দিনমজুর ও সোশ্যাল মিডিয়া এক্টিভিস্ট ফিরোজ গ্রেফতার! সোশ্যাল মিডিয়া মুভমেন্ট আপরাইজিং! - কৌশিক
- ক্ষুধার্ত থেকো, বোকা থেকো (কপি-পেস্ট পোস্ট) - বল্টু মিয়া
- জয় হোক বাংলা ভাষার, জয় হোক বাংলা ব্লগের: আলী মাহমেদ - নোটিশবোর্ড
- ভয়ঙ্কর এক সংখ্যার জন্ম, নিষ্ঠুর এক খুনের গল্প (শেষ পর্ব) - ম্যাভেরিক
- লগোদের বির্বতনবাদ - জেরী
- বাপেক্স/পেট্রোবাংলাকে নিয়ে যতসব মিথ ও তার জবাবে .... - দিনমজুর
- গ্যাস উৎপাদন কে করবে? - দিনমজুর
- বাংলাদেশে তেল/গ্যাস অনুসন্দ্ধানের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস এবং গ্যাস সংকটের প্রেক্ষিত। - মনোয়ার আহমদ
- সাগর বক্ষে গ্যাস ব্লক ইজারার উদ্দেশ্য গ্যাস সংকট মোকাবেল না রফতানি? - ভিন্ন চিন্তা
- গ্যাস ব্লক ইজারা: এবার সাগর লুটের লাগলো ধুম - দিনমজুর
- হিরোশিমা দিবস ঃ আধুনিক সভ্যতার এক কলংকজনক অধ্যায়। - ভিন্ন চিন্তা
- সেলিব্রিটি সিনড্রোম - ফারহান দাউদ
- জায়নিস্টদের অবিসংবাদিত নেতা এবং ইসরায়েলের প্রথম রাষ্ঠ্রপতি ডঃ চ্যাইম ওয়াজম্যানের সাথে ইসরাইল প্রতিষ্ঠা বিষয়ে কথোপকথন। - নরাধম
- বাজেটে পিপিপি :পাবলিক-মানি টু প্রাইভেট পকেট?- ১ম কিস্তি - দিনমজুর
- ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত ডিএমসির ছাত্রী নাহিদা মৃত্যুর প্রহর গুনছে - অণৃণ্য
- পুরান আর রূপকথা নিয়ে আরও কিছু কথা... - খারেজি
- বাংলাদেশের মানুষের মন - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- সচলায়তন ব্লগের কয়েকটি ইবুকের সরাসরি ডাউনলোড লিংক - সাদাচোখ
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার রোধে আন্তর্জাতিক চাপ - রেজওয়ান
- ৮০০তম পোষ্টঃ কিছু আবোল-তাবোল কথা - এস্কিমো
- ব্লগ এবং পত্রিকায় পাওয়া প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনাগুলোর সঙ্কলন - আতিকুল হক
- এসো ৭১ এর গল্প শোনাই সবাই মিলে - জ্বিনের বাদশা
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই-১: একটা কমিশন গঠনের কাহিনী - শওকত হোসেন মাসুম
- আর কত মেরে থামবে শিকার, গণচিঠি দিন দেশে দেশে (আপডেটেড) - কাকশালিখচড়াইগাঙচিল
- ইজরায়েলের জবানবন্দী:: তেলআবিবে বিপন্ন মানবতা আর আত্মরক্ষার অধিকার !! - মেহরাব শাহরিয়ার
- চাইনিজ ভেজিটেবল কিভাবে রান্না করবেন। - জরিণা
- কাচ্চি বিরিয়ানী রেসেপি - মাহবুব সুমন
- জনস্বার্থের পোস্ট: ব্লগে আপনার নিজের সেরা লেখা কোনটি? (সবার অংশগ্রহন বাধ্যতামূলক)
- জ্বিনের বাদশা
- একাত্তরের গণহত্যা ও নারী নির্যাতনঃ কিছু সাক্ষীর বয়ান - রাশেদ
- অভিশপ্ত এই খুনীদেরও চিনতে হবে ঘৃণাভরে... - অমি রহমান পিয়াল
- সেই কালোরাতে ইথারে খুনীরা যা বলেছিলো.... - অমি রহমান পিয়াল
- মুক্তিযুদ্ধের কিছু প্রামান্য বইয়ের তালিকা - ফারহান দাউদ
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী (১৯৪৭-৫৬)। উৎসর্গ - সকল ভাষাশহীদকে - মিরাজ
- একটি সত্যিকার [অ]রম্য গল্প: নাটকের বিবর্তন , প্যাকেজ বিপ্লব , এবং একজন বিপ্লব-প্রত্যক্ষদর্শীর জবানবন্দি - মেহরাব শাহরিয়ার
- ফিলিস্তিন সংকটের কারন - এ মাস্ট ওয়াচ ভিডিও - আবূসামীহা
- এক রাত্রির গল্প - রক্তিম
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ৎৎ হবে না কেনো, হবে ... - হাসান মোরশেদ
সহজিয়া দর্শন - ২: হাসি ফোটাওনা কেন মন
১৭ ই মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫৫
(আজকেরটা একটু বড়)
১.
একটা চুটকি দিয়ে শুরু করি
জাপানে বুড়োবুড়িদের হাসপাতালপ্রীতিটা খুব বাড়াবাড়ি মাত্রার। এদের গড় আয়ু যেমন বেশী স্বাস্থ্যসচেতনতাটাও তেমনি খুব বেশী। তবে বলা হয় বুড়োবুড়িরা নাকি যতটা স্বাস্থ্যসচেতনতার কারণে হাসপাতালে যায় তার চেয়েও বেশী যায় আড্ডা দেয়ার জন্য, কারণ সমবয়েসী অনেক বুড়োবুড়ির দেখা মেলে।
এভাবে প্রতি এলাকার সরকারী হাসপাতালে বুড়োবুড়িদের ছোট ছোট ফ্রেন্ড-সার্কল তৈরী হয়ে যায়। এরা সাধারণত সপ্তায় একটি বা দুটি নির্দিষ্ট দিনে হাসপাতালে যায়, আড্ডা মারে।
তো, কখনও সার্কলের কেউ যদি হাসপাতালে না আসে তখন গ্রুপের বাকীরা বলাবলি করে 'ও হয়ত আজ অসুস্থ, তাই আসতে পারেনি।'
২.
আমি তখন পি.এইচ.ডি সেকেন্ড ইয়ারে শেষ দিকে; মোটামুটি গাধা টাইপের পি.এইচ.ডি ছাত্রদের জন্য ২য় বছরের এই সময়টা যায় সবচেয়ে খারাপ। যতটা না কাজের প্রেসার, তারচেয়ে বেশী দুশ্চিন্তা, ডিগ্রী হবে তো!! এর মধ্যে জব হান্টিংয়ের দুশ্চিন্তাও জেঁকে বসে।
এমনি একদিন কাজে মন বসছেনা, ল্যাব থেকে বের হয়ে ডাউনটাউনের এক পার্কে গেলাম। এক প্যাকেট বাদাম হাতে নিয়ে উদাসমনে পার্কের বেঞ্চে বসে বাদাম চাবাই, পাখির কিচির মিচির শুনি, বাতাসের-গাছের পাতার মানঅভিমানের কঅপকথন শুনি।
হঠাৎ পিছনে তাকিয়ে দেখি, আমার বেঞ্চিরে অপজিটের বেঞ্চিতে দুই বুড়ো বসে বসে গল্প করছে। আমার কপালই এরকম, কখনও এমন হয়না যে এক সুন্দরী রূপসী উদাসমনে নীলাকাশ দেখছে। হয় বুড়ু, নইলে বুড়ি।
শুনতে না চাইলেও তাদের দুজনের সবকথাই আমার কানে আসছিল। দুজনেই থুরথুরে বুড়ো। দুজনেই কথা বলছে স্বাস্থ্য নিয়ে;
একজন বলছে দুমাস আগে থেকে চিরতার পানি খাওয়ার পর তার পেটে তেমন আর প্রবলেম হচ্ছেনা। আরেকজন বলছে, ইদানিং তিনি বুঝেছেন যে টমেটোর উপর কিছু নেই; রাতে দুটো গোটা টমেটো খেয়ে ফেললেই হলো, সারাদিন একটুও অবশ লাগেনা।
এভাবে আরও অনেক কিছু। সব মনেও নেই, তবে এটুকু মনে আছে দুজনেরই কথাবার্তা/চিন্তাধান্তা সবই এখন স্বাস্থ্যকে ফোকাস করে।
একটু পর একজন উঠে চলে গেলেন। আরেকজন একা বসে আছেন। আমি পিছন ফিরে তাকাতেই চোখাচোখি হলো। আমি বললাম, 'চমৎকার ওয়েদার, তাইনা।' বুড়ো সৌজন্যের হাসি হাসলেন। নানারম কথা শুরু হলো। কথাপ্রসঙ্গে জানলাম তিনি আমার ইউনিভার্সিটিরই প্রফেসর ছিলেন। কথাপ্রসঙ্গে আরও জানলাম অন্য যে বৃদ্ধের সাথে তিনি কথা বলছিলেন তিনি ছিলেন তার(প্রফেসরের) মেয়ের হাইস্কুলের গার্ডম্যান।
আমার চক্ষু চড়কগাছ হলো।
আসার পথে ভাবলাম, একসময়ে দুজনের কতো পার্থক্য ছিল! আজ প্রাণের বন্দনায় দুজন একবিন্দুতে মিলিত হয়েছেন। বিশ বছর আগে কে কি করত তা নিয়ে তাদের মাথাব্যাথা নেই, এখন তারা এক।
ভাবলাম, আমরা সবাই কি অদ্ভুত এক গন্তব্যের দিকে যাচ্ছি। হাঁটতে হাঁটতে যখন এসব ছাইপাশ ভাবছিলাম হঠাৎ মনে হলো, 'ধুসশালা! ডিগ্রী না হলে কিইবা হবে? ভাল কোন চাকরী না পেলেই বা কি আর এমন হবে?' মন শরীর হালকা হয়ে গেল। ল্যাবের দিকে পথ চলা আমি হঠাৎ পথের দিক পাল্টে ফেললাম। সে এক অদ্ভুত মুক্তির অনুভূতি।
৩.
যে বুড়োর সাথে আমার কথা হয়েছিল, তার সাথে সেই একই পার্কে আরেকদিন দেখা হলো। অনেক কথা হলো সেদিন।
কথায় কথায় জানতে চাইলাম,
'আপনার কাছে জীবনের মূল্যায়ন কি?'
উনি দম নিয়ে আমাকে মিনিট দশের এক লেকচার দিলেন।
যেটার সারমর্ম হলো এরকম,
আমরা ভাল কিছু বা আনন্দদায়ক কিছু করলে খুশী হই, নিজের মুখে হাসি ফোটে, চারপাশের কিছু মানুষের মুখেও হাসি ফুটে। কাজটা যত ভাল বা আনন্দের হয়, হাসিটা তত দীর্ঘস্থায়ী হয়। তো একজন মানুষের মূল্যায়ন হলো, সে সারাজীবনে নিজে মোট কত সময় হাসল আর অন্যকে মোট কত সময় হাসাল তার যোগফল। এই যে আমাদের এত কিছু করার সামর্থ্য বা শক্তি, সব দিয়েই আমরা কাউর না কাউর মুখে হাসি ফুটিয়ে যেতে পারি। এর এককের নাম তিনি দিয়েছেন 'স্মাইল-আওয়ার'। একজন মানুষের জীবনের স্কোর যতবেশী 'স্মাইল-আওয়ার' হবে, সে এই জীবনকেই আবার ততবেশী ফিরে পেতে চাইবে।
একটা মানুষের জীবন তখনই সার্থক, যখন সে মৃত্যুর কাছাকাছি গিয়ে ভাববে আবার জন্মালে যেন এই জীবনটাকেই পাই।
আজও ভাবলাম।
স্রষ্টা আমাদের কত ক্ষমতা দিয়েছেন!
কাউকে অনেক বুদ্ধি দিয়েছেন জ্ঞানের স্পৃহা দিয়েছেন। কাউকে অনেক অর্থ দিয়েছেন। কাউকে অনেক শারীরিক শক্তি দিয়েছেন।
এসবকিছুই আমরা সেই হাসি ফোটানোতে ব্যবহার করতে পারি।
আবার এই ক্ষমতাগুলোর গরিমা দিয়ে অন্যের মনে অসম্ভব কষ্ট দিতে পারি।
এবং নিজেদের এই সুন্দর সুন্দর ক্ষমতাগুলোকে আমরা কোন কাজে ব্যাবহার করব তা ঠিক করার ক্ষমতাও আমাদের আছে।
সবাইকে শুভেচ্ছা।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে নভেম্বর, -০০০১ রাত ১২:০০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
জি.এম.তানিম বলেছেন:
ভাল লাগসে...
মুনতাসির হাসান বলেছেন:
জীবন তো সহজ কিন্তু আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিটা জটিল।
মম বলেছেন:
জোস!
আর পিএইচডি করার সময় দিনরাত যারা ব্লগিং করছে তারা এখন দিনরাত ভালো চাকরি খুঁজে, ব্লগিং করতে পারে না, যেমন: শোহেইল মতাহির।
তবে প্রফেসার আর দারোয়ান দুইটাই যখন সমান। ভাবতেছি দারোয়ানই হবো। টেররিস্টদের যুগে সিকিউরিটিরও সমান চাহিদা।
লেখা জাঝা হয়েছে।
আর পিএইচডি করার সময় দিনরাত যারা ব্লগিং করছে তারা এখন দিনরাত ভালো চাকরি খুঁজে, ব্লগিং করতে পারে না, যেমন: শোহেইল মতাহির।
তবে প্রফেসার আর দারোয়ান দুইটাই যখন সমান। ভাবতেছি দারোয়ানই হবো। টেররিস্টদের যুগে সিকিউরিটিরও সমান চাহিদা।
লেখা জাঝা হয়েছে।
। জাঝার জন্য ধন্যবাদ 
আসলেই রিসার্চ জবে একটা মজা এটা ... প্রায় সারাটা সময় ডেস্কের কম্প্যুটারের সামনে বসা ... সামহোয়ারের একটা উইন্ডো খোলা থাকে ... মাঝেমাঝে চা-কী গিলতে গিলতে ঢুঁ মারি ... ঐদিন বসকে দেখালাম, 'দেখ আমাদের দেশ কত এগিয়ে গেছে!!' তার ধারনা ছিলনা যে বাংলায় এখন এত ওয়েবসাইট আছে।
আপনার জব হান্টিংয়ে সর্বোচ্চ শুভকামনা (শুভেচ্ছার হাসি)
কেমিকেল আলী বলেছেন:
শোহেইল মতাহির চৌধুরী ভাই এর মতই বলি--
পিএইচডি করার সময় যার ব্লগিং করে নাই, তারা ভালো চাকরি পেয়ে এখন দিনরাত ব্লগিং করে। যেমন: জ্বিনের বাদশা।
আর পিএইচডি করার সময় দিনরাত যারা ব্লগিং করছে তারা এখন দিনরাত ভালো চাকরি খুঁজে, ব্লগিং করতে পারে না,
যেমন -- কেমিকেল আলী
তবে প্রফেসার আর দারোয়ান দুইটাই যখন সমান। ভাবতেছি দারোয়ানই হবো। টেররিস্টদের যুগে সিকিউরিটিরও সমান চাহিদা।
লেখা জাঝা হয়েছে।
মিয়া মোহাম্মদ হুসাইনুজ্জামান বলেছেন:
ভাবছিলাম জ্বিনের বাদশার এখানে ঢু মারবো না...কারণ মাথার পোকা বের করার জন্য ব্লগটাকে উইন্ডো হিসেবে টার্গেট করেছিলাম .... ইনি উল্টা মাথায় পোকা ঢুকায় দেন। (থিসিস প্রসেসিং চলছে... এইটা লাস্ট টার্ম)
.
পোকাটা বড় জ্বালাচ্ছে ... জোর করে নিয়ে আসলো।
.
জোকটা জোজু হৈছে।
.
বাকীটা জাঝা হৈছে।
তবে যেভাবে জোজু, জাঝা ব্যবহার হচ্ছে!! ... ভাবতেছি এখনথেকে 'জোজু' কে 'জোঝু' বলব
এই চুটকিটা নিয়ে একটা এক্সটেন্ডেড চুটকি হইছিল ...
চুটকিটা মনোযোগ দিয়ে শুনেও অনেকে প্রথমে ধরতে পারেনা টুইস্টটা কোথায় ... আর মনোযোগ না দিলে তো কথাই নাই।
তো আমার এক বন্ধুকে যখন চুটকিটা বললাম (বলার আগে আমি তারে 'একটা চুটকি শোন' টাইপের কিছু বলিনাই ) ... সে মনোযোগ দিয়া শুনে নাই ...
তো, আমি বলা শেষ করার পর বলল, 'হুমম, দেখেছিস! জাপানীরা কত উন্নত! বুড়োবুড়িরাও স্বাস্থ্যের ব্যাপারে কি সিরিয়াস!!'
আমি অবাক!!
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:
বেশ ভালই লাগল
সবার জীবন পূর্ণ হোক অগুবতি 'স্মাইল আওয়ার' দিয়ে
ঝড়ো হাওয়া বলেছেন:
পড়লাম ।কেন জানি মনে হচ্ছে আপনি সহজ জীবন যাপন করতে পছন্দ করেন। আমার কাছে সহজ-সরল জীবন মনে সুখি জীবন। কি লাভ এতো ভেজালে জড়িয়ে ?
কেউ কেউ ধরে ফেলে ... তারাই সুখী হয়
ছোট্ট একটা ঘর ... পাশে পুকুর ... আম,জাম,নারকেল, সুপুরীর কিছু গাছ ...সারাদিন মাছ ধরে, গাছে গাছে কাটাতে পারতাম ...আহা!
চট্টগ্রাম বলেছেন:
জ্বিনের বাদশা, অনেক দেরীতে এই লেখা পড়লাম...মন্তব্য না করে পারলাম না...আসলেই এই যে এত দৌড়াইতেছি, কারো মুখেই যদি হাসি না ফুটল তয় জীবনই বৃথা...ধন্যবাদ
ত্রিভুজ বলেছেন:
.....৫প্রিয় পোষ্টে যাওয়ার মত একটা লেখা খুঁজতেছিলাম.... পেয়ে গেলাম মনে হয়। ..... ভাল লাগছে...
চন্দ্রপ্রভা বলেছেন:
আসলেই বেশ ভালো লাগলো।
নেই মানুষ বলেছেন:
জিন্টু বিন্টু, আপনার ট্রিভিয়া-৩ পইরা আপনার ম্যাচুরিটির পরিচয় পাইছিলাম রামতারু'র সাথে আপনার কমেন্টানোর সময়। বাট, এইকানে তো দেখি আপনি বয়েসে ও ম্যাচিউর (আমার থেইকাও!!)। ার আমি আপনেরে জিন্টু ডাকি!! ভাল ভাল। ৫
লেখক বলেছেন: আপনার শুভকামনা পূর্ণ হোক ...
রাশেদ বলেছেন:
ভাল্লাগছে।
জনৈক আরাফাত বলেছেন:
লেখাটা দারুন লাগলো।আমি নিজে গোমড়া মুখো। কিন্তু সবাইকেই এমনিতেই হাসাই। ভালো লাগে।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















