ধিক্কার আর নিন্দা জানানোর ভাষা নেই, চীন সরকারকে বলি, এই নিষ্ঠুরতা এক্ষুণি থামাও!!!
এটা ঠিক যে চীনে অনুষ্ঠিতব্য অলিম্পক গেমসকে লক্ষ্য করে চীন সরকারের যাবতীয় মানবাধিকার লংঘনমূলক কাজকর্ম এখন আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে, তারই ফলশ্রুতিতে চীনের বিরুদ্ধে বিশ্বজনমত তৈরী হবার পথ ধরেই হয়ত লাসার অধিবাসীরা এই আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটিয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিন যাবৎ বিশেষ করে সাংস্কৃতিকভাবে নিপীড়িত এই জনগোষ্ঠীর নিজেদের দাবী জোরদার করার অধিকার আছে। যেমন অধিকার আছে দারফুরের জনগনেরও।
দারফুরের গণহত্যার জন্য সুদান সরকারকে অস্ত্র সহায়তা দেয়ার জন্য চীন সরকারের সমালোচনা করে জনপ্রিয় চলচ্চিত্র পরিচালক স্টিফেন স্পিলবার্গ এবছর অলিম্পিক কার্যক্রম থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলে মূলত চীনের মানবাধিকার লংঘনবিষয়ক ইস্যুগুলো একটার পর একটা আলোচনায় আসতে থাকে। যদিও একই দোষে দুষ্ট আমেরিকায় (ইসরাইলে অস্ত্র যোগান) বসবাস করে চীনের ব্যাপারে স্পিলবার্গের এই প্রতিক্রিয়াকে অনেক সমালোচকই "হাস্যকর" বলে অভিহিত করেছেন, তথাপি দারফুরের গণহত্যার জন্য সুদান সরকারের পাশাপাশি চীন সরকারের দায় পুরোপুরিই থেকে যায়। যেমনটা থেকে যাচ্ছে এবারের "লাসা ম্যাসাকারের" দায়।
বাংলাদেশের মিডিয়া বা রাজনৈতিক অঙ্গনের এব্যাপারে নিশ্চুপ থাকাটাও একরকম নৈতিক অস্বস্তির জন্ম দেয়।
অবিলম্বে চীন সরকার এই গণহত্যা থামাবে -- এই আহবান রাখা ছাড়া দুপয়সার ব্লগলেখক আমাদেরও আর তেমন কিছু করার নেই।
ছবি: ওয়ালস্ট্রীট জার্নাল

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

