গেসবল ১১: জাপানী খানদানী, সুশির খুঁতখুতানি
কাঁচামাছ খায় বলে যতই অবজ্ঞার চোখে তাকাইনা কেন, এটা মানতে হবে যে জাপানীদের টেস্টবাডগুলো সেরকম খানদানী। সুশি খেতে গিয়ে টাটকাভাবটা একটু কম হলেই হলো, "ওটা খাবার না" বলে উঠবে। এদের চাই একেবারে টাটকা-তাজা মাছের স্লাইস, একটু বাসী হলেই গ্যাছে, আপনার সুশির ব্যবসা লাটে উঠবে। একই সাথে এটাও জানিয়ে রাখি যে সুশি হলো এদেশে খানদানী খাবার, আমাদের পোলাও-কোর্মা-কালিয়া-কোপ্তা খেলে যে অনুভূতি হয়, এদের সোট হয় সুশি খেয়ে।
সমস্যাটা হলো নব্বইর দশকে, দিন দিন মানুষের আয় বাড়ছিলো, খাওয়া দাওয়ায় সুশির পরিমাণ বাড়ছিল, উপকূলের কাছে পাওয়া মাছে আর কুলিয়ে ওঠা যাচ্ছিলনা। তখন মাঝিরা মাছ ধরার ট্রলার নিয়ে দূরে চলে যেত, সাগরের গভীরে যেখানে অনেক মাছ; কিন্তু ঝামেলা হলো, এত দূর থেকে ফিরতে ফিরতে মাছ তো আর টাটকা থাকেনা, এমনকি পঁচেও যায়? এই সমস্যার সমাধান কি? এটাও হতে পারত আজকের গেসবল, তবে এটা বেশ সহজ। তাই সমাধানটা বলেই দিই, ট্রলারে বড় বড় ফ্রিজার সেট করল মাঝিরা। মাছ ধরে ফ্রিজে ঢুকিয়ে রাখে।
কিন্তু ঝামেলা বাঁধালো খানদানী জিহবার জাপানীরা। তারা ঠিকই বুঝতে পারে এ মাছ ফ্রিজের -- এতে কি খানদানী টাটকা সুশি খাওয়া হয়? মাঝিরা বিপাকে পড়ে। সমাধান কি?
এখানেও গেসবলটা ছেড়ে দেয়া যায়, তবে সেটাও তেমন কঠিননা। হ্যাঁ, ঠিক ধরেছেন, মাঝিরা ট্রলারে ফ্রিজের বদলে পানির ট্যাংক তৈরী করল। এখন মাছ ধরে ট্যাংকে ফেলে রাখে। মাছ পঁচেওনা, ফ্রিজের মতো জমেও যায়না। সমস্যা সমাধান।
কিন্তু জাপানী খানদানী জিহবা বলে কথা!!! ট্যাংকে ফেলে রাখলেও, ট্যাংকের সাইজ তো আর সাগরের তুলনায় কিছুনা, অমন সাগর থেকে ট্যাংকে ঢুকে মাছেরা যেন খাঁচায় বন্দী। তারা নড়াচড়া করেনা, অলসভাবে ভাসে। ফলে স্বাদেও সেটা টের পাওয়া যায়, যেমন পাওয়া যায় দেশী মুরগী আর ফার্মের মুরগীর মাঝে। খানাদানী খুঁতখুতানিওয়ালা জাপানীরা এই মাছও পছন্দ করলনা, বলল, "এটা তো তরতাজা মাছ না, এটা খেয়ে কি হবে?"
এখন আপনি কি করবেন? কিভাবে এও খুঁতখুঁতে জাপানীদের "খানদানী সুশি" খাওয়াবেন? গেস করুন
হ্যাপি গেসবল
একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন
কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আব্বাসীদের জন্য হুমকি হয়ে আসছে- কী হবে খালেদ মহিউদ্দিনের?
হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন
আসলে কেউ ফেরে না।
মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর
যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন
দ্য ড্রাগ কিং

সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।
খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে
আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।