কেন সচলায়তনকে ব্যান করা হয়েছে, কি করলে এই ব্যান উঠিয়ে নেয়া হবে, অথবা কতদিন পর এই ব্যান উঠিয়ে নেয়া হবে -- এসব কিছুই জানা যাচ্ছেনা, অর্থাৎ, যে কর্তৃপক্ষ সচলায়তনকে ব্যান করেছে, তারা কিছু না জানিয়েই বিনা নোটিশে কাজ করেছে। চুপিসারে করেছে। চুপিসারে মানুষ কাজ করে কখন, সেটা পরিণত বয়সী ব্লগপাঠকদের চোখে আঙুল দিয়ে না দেখিয়ে দিলেও চলবে।
সামহোয়ারে আমরা বাঁধ ভাঙার আওয়াজ ব্যানারটা দেখতে পাই। আমি মনে করি সাবমহোয়ারের ব্লগাররাও বাঁধ ভাংতেই এখানে আসেন। এককেজনের চোখে বাঁধ একেকরকম, তবে বাঁধ ভাংতে, অর্থাৎ, যে কথাগুলো বাস্তবজীবনে চাইলেও সবসময় সাবলীলভাবে বলে ফেলা যায়না, সেগুলো বলতেই ব্লগে আসা।
সেই বলতে চাওয়ার অধিকারকে যখন ক্ষমতাবলে টুঁটি চেপে ধরে মেরে ফেলার উদ্যোগ নেয়া হয় কোথাও, তখন সেই অধিকার যারা চায়, তাদের সবার নৈতিক দায়িত্ব হয়ে পড়ে সেই অধিকারের পক্ষে থাকা, কন্ঠ মেলানো। আমি মনে করিনা, সচলায়তনের এই ব্যান হবার বিষয়টি জেনে কোন সচেতন ব্লগার খুশী হবেন, সবারই ভ্রূ কুঁচকে যাবারই কথা।
আমি সচলায়তনের একজন সদস্য।
তবে এখানে এখন লিখছি সামহোয়ারের একজন সদস্য হিসেবে।
আমি সচলায়তনের এই ব্যান হওয়ার বিরুদ্ধে নিন্দা জ্ঞাপন করলাম, প্রতিবাদ জানালাম কলমের ভাষায়, আর সামহোয়ারের সব বন্ধুদের কাছে আবেদন জানালাম কন্ঠ মেলাতে।
কারণ, এই আঘাত শুধু সচলায়তনের উপর না, এটা বাংলা ব্লগিংয়ের উপর আঘাত।
মুক্তভাবে মনের ভাব প্রকাশ করতে না পারলে ব্লগিংয়ের কোন মানে নেই।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

