আমার প্রিয় পোস্ট

যার ঘড়ি সে তৈয়ার করে, ঘড়ির ভিতর লুকাইছে

কবিতা সংকলন

২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৮

শেয়ারঃ
0 0 0

বহু বছর পর একদিন

বহু বছর আগে একদিন,
অশ্বত্থের শাখা থেকে লাশকাটা ঘরে
গিয়েছিলে তুমি - স্বেচ্ছায়; কিসের আশায়?
কার অন্বেষণে?
জীবনের দায়, বোঝা -
বড়বেশী ভার মনে হয়েছিল বুঝি?
লাশকাটা ঘরে গিয়ে - ভারমুক্ত হয়েছিলে?
নাকি নতুন কোন ভারের বোঝায় ক্লান্ত হয়ে,
খুঁজে ফিরতেছ
অন্যকোন ঘরের সন্ধানে?

আমি জানি,
তুমি গিয়েছিলে, বিপন্ন বিস্ময়ের সন্ধাণে, আমি জানি।
আজ যদি প্রশ্ন করি হে প্রপিতামহ,
"পেয়েছ কি তারে?
লাশকাটা ঘরের গুমোট গহীণ অন্ধকারে?
অথবা হয়েছ কি এতখানি ক্লান্তিমুক্ত?
যারে অভিযোগে দুষি,
বাঁধাহীন করতে চেয়েছিলে নিজের সত্ত্বারে।"

বিপন্ন বিস্ময়! হে আদিপুরুষ,
আমিও খুঁজে ফিরি তারে;
তোমারই দেখানো পদচিহ্ন ধরে -
প্রাণচঞ্চল ফড়িঙের মাঝে, আর
শালিকের দষ্টু উড়ে যাওয়া আর বেঁচে থাকা দেখে।
তুমি কি জান, হে পরমপুরুষ?
তুমি যেইভাবে দেখেছিলে,
ঠিক সেইভাবে ; আজও;
"গলিত স্থবির ব্যাঙ" অথবা
"সোনালী রোদের ঢেউয়ে"
উড়ে যায় কীট,
দোয়েলেরা, ফড়িঙেরা -- বেঁচে থাকে, আছে,
জীবনের জয়গান করে।
প্রাণের পরমপুজায় এখনও এখানে,
বিভীষণ ঝড়ে ক্ষুদ্র নারকেল-সুপারীর গাছ --
বাঁচবার আকুলতায়,
আজও লড়ে যায়।
যে অবিরাম বেদনার কথা,
বলেছিলে বহু বছর আগে একদিন,
সেই ব্যাথা তারা জয় করে অবিরাম প্রাণের ছোঁয়ায়।

/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_ /_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/



স্বপ্নের ফেরীওয়ালা

আকাশে তখন রহস্যময়ী তৃতীয়ার তিথি --
প্রেমমন্দিরের পাদপ্রদীপের তলে এসে,
সে আমায়,
স্বপ্নের ফেরীওয়ালা হতে বলেছিল।

সে কি হবে তবে স্বপ্নচারিনী,ভিখিরিনী?
নাকি স্বপ্নে ঠাসা ঝুড়ি থেকে
কয়েক ছটাক স্বপ্ন নেবে কিনে -
অযত্ন আর বিলাসী অবহেলায়?
সে আমার বোঝা হয়না বিলক্ষণ!

তবুও সমস্ত দিন এখন আমি
স্বপ্ন ফেরী করে বেড়াই এখানে, ওখানে;
ধুলি-ধুসরিত মাঠে প্রাণচঞ্চল শিশু,
কলসীকাঁখের সলজ্জ অবনত মুখের গ্রাম্যবধু,
ভোঁ ভোঁ শব্দে দিক ভুলে গিয়ে
ঘুরপাক খাওয়া মৌমাছি -
কেউ বাদ পড়েনা।
সবাইকে লক্ষ্য করে জোর গলায় হাঁকাই,
'স্বপ্ন চাই? স্বপ্নওওওও'।

উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরু,
আর দক্ষিণ মেরু থেকে উত্তর মেরুর পানে
ছুটে বেড়াই দিনভর, রাতভর;
স্বপ্নের ঝোলা কাঁধে,
অথবা স্বপ্নের ঝুড়ি মাথায় চেপে।
অনন্ত বিশাল স্বপ্নের বোঝা
বয়ে বেড়াই যেন অনন্তকাল ধরে।
হাতড়ে বেড়াই,
মাতাল হয়ে ছুটি;
কোন এক স্বপ্নচারিনী স্বপ্নক্রেতাকে
এক বুক নিঃশ্বাসে দেখার অভিপ্রায়ে।

"তোমার কথা আমি রেখেছি,
সেও অনেকদিনই তো হলো --
হে স্বপ্নচারিনী স্বপ্নবতী রাজকন্যা।"

অথচ এখনও আমি,
সমস্তদিন স্বপ্ন ফেরী করে করে
ক্লান্ত শরীরে নদীর ধারের
সোঁদা গন্ধের ছোট্ট টিলার উপর বসে থেকে -
বিধবার শাদা শাড়ীর চেয়েও
শুভ্র সতেজ পালক-পশমের
বিরহে কাতর অশ্রুসিক্ত রাজহাঁসটাকে,
রাজহাঁসটাকেই কেন শুধু দেখি?"

/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_ /_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/



দুঃসময়ের কান্না শোন তবে

জোনাকীরা আর আলো জালিবেনা -
বিদ্রোহ করিতেছে।

তালের শাখার ভীষন বাতাসে,
কাকের বাসা ও তার আশেপাশে;
জোনাকীর দল ঝাঁকেঝাঁক বাঁধি -
বিদ্রোহ করিতেছে।

মজাপুকুরের ময়লা অংশে,
ব্যাঙের ছাতার বংশে বংশে;
জোনাকীর দল মরা চীৎকারে -
বিদ্রোহ করিতেছে।

ভীষণ আঁধার সুপুরীর বনে,
বাঁশঝাঁড় আর হুগলী ও শনে;
জোনাকীরা কেহ আসিবেনা আর -
বিদ্রোহ চলিতেছে।

এই বৎসর বৃষ্টি হয় নাই,
সন্ধ্যা-আবীর দিশেহারা তাই;
মেঘলা আকাশে চোখ বড় করে
কাকেরা এখন চেঁচায়না ভোরে;
নীরবদৃষ্টে চেয়ে থাকে সবে -
কবে ? কবে?
তারা আসিবেবা কবে?
আলো জালিবার সময় তো নাই,
দ্রুত বয়ে চলিতেছে!

বোবা আক্রোশে জোনাকীরা তাই
বিদ্রোহ করিতেছে।

/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_ /_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_//_/_/_/_/_/



প্রথম সম্ভাষণ

তোমায় হয়ত দেখেছি পূর্বজন্মে,
অথবা স্বপ্নলোকের অবাধ্য বিচরণে,
অথবা অন্য কোন আলোর মিছিলে --
জানিনা ঠিক কোথায়!

তবে ,
দেখেছি তোমায় আরও --
সে আমি নিশ্চিত,
মনে মনে।

এখনও, তখনও, তাই,
তোমায় যখন দেখি;
মনেমনে শুধে ফিরি বারবার,
'স্বপ্নলোক না অন্যকোথাও?'
সমস্যা বোধ করি।

/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_ /_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_//_/_/_/_/_/



ফুলের মতোন মানব-মানবীরা

শাহবাগ মোড় পুষ্পবিতানে, রঙবেরঙের ফুল দেখিয়াছি,
শোভা আর ঘ্রাণে পৃথক অনেক, তবু যেন ওরা খুব কাছাকাছি।
কে কার চাইতে বেশী সুরভিত, তাই নিয়ে ওরা নয় চিন্তিত;
অথচ মানুষ! সেরা জীব মোরা, তুলনায় মাতি - সদা বিচলিত!
সারাক্ষণ মোরা মানব জাতিতে জটিল অঙ্ক-হিসাব কষিয়া,
"অপরের চেয়ে আমি বেশী বড়!" ভাবি' দিন যায় অলস কাটিয়া।

অথচ আমরা প্রতিটি মানুষই, ফুলগাছে ফোটা একেকটি ফুল,
ভিন্ন তাদের বর্ন, গন্ধ, সৌরভ আর পুষ্পমুকুল।
একটিমাত্র কলি হয়ে মোরা সকলেই এই পৃথিবীতে আসি,
সেই কলি যেন কহিছে সদাই, 'এনে দাও মোর মুখ জুড়ে হাসি'।
এধরার বুকে আলো ও বাতাসে, কলি থেকে ফুল যদি ঠিক ফোটে,
আপরের ফুলে ঈর্ষা হবেনা, দেখিবে তাতেও হাসি ঠোঁটে ঠোঁটে।

সবার চাইতে শ্রেষ্ঠ হবার, নেই প্রয়োজন মানবের কোনো,
'তোমার তুলনা শুধুই যে তুমি' - এই কথাটুকু সর্বদা জেনো।

/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_ /_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_//_/_/_/_/_/



ভালবেসে এগারোটি হাইকু লিখি


ভাব-প্রেমপর্ব

১.
আমার আনাড়ীহাতের খিচুড়ী তোমার রূপসীহাতে
চটকে খেয়েই বলেছিলে,'আহ্! দারুণ, আরেকটু খাই?'
সেইথেকে বিশ্বখিচুড়ীদিবস হলো, ১৭ই জুলাই।

২.
তুমিই আমায় ডেকেছিলে 'যাদুকর বাউন্ডুলা';
অথচ জানো? অনেক আগেই তুমি
এক হাসিতেই খেয়েছ আমার সব ম্যাজিকের খেলা।

৩.
কলেজ-গেটে দাঁড়িয়ে বড়ইর আচার খেতে,
অফিস যাবার পথে এখন রোজ সেখানটা পেরোই;
নিজেকে কেমন জামাই জামাই লাগে।


ভালবাসা-অভিমানপর্ব

৪.
কেউ কখনো দেয়নিকো কথা অভাগার পানে চেয়ে,
অথচ জানিনা কিভুলে দিয়েছ তুমি?
তবে, তাই তুমি আলাদা আর দশটি-মেয়ের চেয়ে।

৫.
মুখে মৃদুহাসি, গায়েতে জড়ানো সাদা সেই আলোয়ান,
কুট্টুস-চোখের দুষ্টু চাহনি, রাজ্যের অভিমান;
সুচিত্রা সেন, তোমাকে হারানোর সাহস আমার নেই।

৬.
নিজের দোষটা পড়লেই ধরা আহ্লাদ আর আস্কারা,
অথচ আমার একটু ভুলেই তীরবেগে তেড়ে আসো!
কিভাবো নিজেকে? ট্রয়ের হেলেন? এইবার ঝেড়ে কাশো।


বিরহ-পর্ব:

৭.
কথা দিয়েছিলে বর্ষায় উঠোনে ফোটাবে কদম ফুল,
সেফুল ফুটেছে অন্য বাগানে জানি;
আমার উঠোনেও বর্ষা এসেছে, সাথে শুধু নোনাপানি।

৮.
হাতে একখানা ভাঙা বাঁশী আর একঘটি চোলামদ,
প্রভাতি সুর্যের প্রখর আগুনে দাউদাউ জ্বলে মন।
কার্তিকের কুত্তার ডাক শুনি ঘনঘন।

প্রায়শ্চিত্ত-পর্ব

৯. একহাতে শুধু বারুদের ঘ্রান, আরেক হাতেও পাপ।
অনেকটাদিন বয়েছি তোমার নিষ্ঠুর অভিশাপ;
শাপমুক্তির চেষ্টা বলছ? সেও তো আরেক পাপ।

১০.
ভালবাসব বলে বাবার পকেট মেরেছিলাম,
ভাইয়ের সানগ্লাস, মায়ের গয়না, বোনের জমানো টাকা;
অথচ এখন দেখি এজিনিস পুরোটাই যেন ফাঁকা।

প্রতিশোধ-পর্ব:

১১.
চলে গিয়েছিলে কিছু না বলেই,
ফিরেও চাইনি -- পাছে দেখেফেলি তুমিও চাওনি ফিরে।
এখন যদি ফিরেচাও তবে দুচোখই দেব গেলে!!

/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_ /_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_//_/_/_/_/_/



টিচার্স কমনরুম

দেলোয়ার স্যার স্যালোয়ার ছেড়ে শার্ট-প্যান্ট পরা ধরলেন;
আলামত দেখে সালামত স্যার একচোট হেসে বললেন,
'ওহে দেলোয়াড়, যত ভাব তুমি খেলোয়াড় তত পাকা নও',
দেলোয়ার কন, 'সালামতো বাপু, ভালমতো ভেবে কথা কও।'
সব দেখে পীর স্যার বীর বেগে তেড়ে এসে কন, 'ওহে ভাই,
খোদায়ী পোশাক ছাড়িলে, অথচ গোঁফখানা ঠিকই ছাড়নাই!'

শুধু 'গোঁফ' শুনে গঁফরগাওয়ের শফিক স্যারের হুঁশ হয়,
কহিলেন, 'ধুর্, এমন টপিকে কথা বলা মোর কাজ নয়।'
'আহারে টপিক!' বলিয়া রফিক স্যারও ফিক হাসি হেসে নেন,
ফিক হাসি দেখে হাসিনা ম্যাডাম ঠিক কাশি শুরু করলেন।
কাশির শব্দে কাশিম স্যারের কাজের ব্যাঘাত ঘটে,
মাথা তুলে সব দেখেশুনে তিনি বলিলেন শুধু, 'বটে!'

ভুল শুনে চাপরাশি বটু ভাই ছুটে আসে, বলে, 'জি-হ্যাঁ স্যার,
ডেকেছেন বুঝি? বান্দা হাজির, বলুন শুধু কি দরকার?'
বটুকে দেখিয়া চমকান সবে, তবু কন, 'শোনো বটু ভাই,
ভালো দেখে দুই-তিন হালি কলা এক দোড়ে নিয়া আসা চাই।'
'দুই-তিন হালি?' আজগর আলী স্যার লাফ দিয়ে বললেন,
'আমার একাই চারটা লাগবে, কাজটা কি ঠিক করলেন?'

'কলা এক হালি!' হালিম স্যারের টিপ্পনী বুঝি শোনা যায়,
শুনে টিপ্পনী টিপু স্যার হাসে, আমাদেরও যেন হাসি পায়।
মুর্গীর রান হাতে ইমরান স্যার এসে যেই ঢুকলেন,
হাকিম স্যারের সাথে তিনি কার হাসি যেন শুনলেন!
'কে রে ঐখানে!?' বজ্রকন্ঠে হাকিম স্যারের শুনি হাঁক,
'টিচার্স কমন-রুমে উঁকি দিস! দূর হ ব্যাটারা ভাগ্, ভাগ্!!'

/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_ /_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_//_/_/_/_/_/


রাজকীয় ছড়া

সাতসকালে খবর দিলো ভোয়া,
বুশ গাধাটার শখ, খাবে সে ছেলের হাতের মোয়া।
"ছেলের হাতের মোয়া খাওয়া, নয়কো সোজা কথা"
ভাবতে গিয়ে রামসফেল্ডের বাড়লো দাঁতের ব্যাথা।

খানিক বাদেই বিবিসিতে কয়,
সরষের ফুল দেখে চোখে, ব্লেয়ার পেলো ভয়।
"সর্ষেফুলে ভয় পাওয়া, নয় চাট্টিখানি কথা!"
ভেবে ব্যাকুল, জ্যাক দাদাভাই -- বাড়ছে চোখের ব্যাথা।

এনএইচকেতেও কোইজুমির লেটেস্ট খবর বলে,
অশ্বডিম্ব কিনতে গ্যাছেন, লোকাল আস্তাবলে।
"লাঞ্চে শুধুই অশ্বডিম্ব! কত্ত মহান নেতা!"
ভেবেই অবাক, টের পান আবে, স্টমাকের ব্যাথা।

বিকেল বেলা আল-জাজিরা কাভার নিউজ করে,
ডুমুর ফুলে কিং ফাহাদের বাগান গেছে ভরে।
"ডুমুরের ফুল! বাদশা মহান! নিত্যনতুন প্রথা!"
ভাবছেন উজির, পাচ্ছেনও টের, উটকো নাকের ব্যাথা।

সকাল বিকাল রাজ-রাজড়ার নিউজ সবাই পড়ে,
আমরা দেখি ক্লাস্টারবোম নামছে আকাশ ফুঁড়ে।

/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_ /_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/



সাইন্টিস্ট গগাবাবুর ছড়া

নিউটন উট হলে, আইনস্টাইন নস্টা,
উই পোকা ডারউইন, "বলে, নেই স্রষ্টা!"
কোপারনিকাস তুমি পারনি তো বুঝতে,
কলি হাতে ফ্রাংকলিন কাকে গ্যাছে খুঁজতে।

"লিলি লিলি" জপে গ্যালিলিওটার দিন যায়,
কেপলারও পলাদির প্রেমে পড়ে খাবি খায়!
যেন-তেন বলে, সততেনবোস, কত আর,
গদীতে যে জগদীশ, রেখেছো কি খোঁজ তার?

"দুসসালা" বলে আবদুস সালামের হাঁক,
ইবনেসিনাটা শুধু বনে যেতে চায়, যাক।
লেজ কেটে মাথা ছেঁটে বলি আর কতকাল!
বিগগানী গগাবাবু, মিটলো মনের ঝাল?

/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_ /_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/_/

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): কবিতা সংকলন ;
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫২
শত রুপা বলেছেন: বেশ লাগলো আপনার সব লেখা।
২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:০৩

লেখক বলেছেন: তাই? ধন্যবাদ ... চুপেচাপে ব্লগে দেয়া কোবতেগুলোকে একসাথে করে রাখলাম আর কি ;)

২. ২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:৪১
বাফড়া বলেছেন: খাইছে!!! এতগুলা একসাথে দিলে কবিতার ''রস আস্বাদন'' করতে অসুবিধা হয়... অবশ্য একটা দিয়া যে সংকলন করা যায় না সেইটাও জানি!!

ওহ... টেনশানে আছি আপনি না কখন ই-বুক বানায়ে ফেলেন!!!! ;)
২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:০৪

লেখক বলেছেন: ই-বুক!!! সর্বনাশ!! ... এগুলা এমনি টুইকা রাখলাম আর কি ...

৩. ২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৬
আউলা বলেছেন: প্রথমটা পড়ে ভাল লাগলো সেইভ করে রাখলাম পরে সময় করে ঠান্ডা মাথায় পড়বো :)
২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:০৫

লেখক বলেছেন: মাথা ঠান্ডা করতে হবে কেনো?

৪. ২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৫৩
সীমান্ত আহমেদ বলেছেন: প্রথমটা পইড়া প্লাস দিলাম।
আট বছর আগের একদিন আমার খুব প্রিয় কবিতা তাই............
পরের গুলো পরে পড়বো।
২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:১০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ...

৫. ২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৩১
জেরী বলেছেন: ভাইয়া তো দেখি অলরাউন্ডার.........সব কিছুই ভালো লিখেন:):)

টিচার্স কমনরুম ....ওটা বেশী মজার হয়েছে।
২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:১১

লেখক বলেছেন: অলরাউন্ডার? ... নাকি জ্যাক অভ অল ট্রেড ;)

আপনি আইডিয়াল নাকি?

৬. ২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:০৭
েজবীন বলেছেন: ১১টি হাইকু, রাজকীয় ছড়া, গগাবাবু.... বেশি মজাদার,

টিচার্স কমনরুম'এর প্রথম লাইন পড়ে মনে পড়লো, স্কুলবাসের জন্য অপেক্ষায় দাড়াতাম বেশকিছু বন্ধু মিলে, সাথে চলতো আশপাশের নিত্য দেখা মানুষগুলো বৈশিষ্ট আলোচনা, সেখানে একজনের নাম দিয়েছিলাম আমরা দেলোয়ার ভাই, কারন সেলোয়ার পরে প্রতিদিন আসতেন উনি,.... :)
২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:১৩

লেখক বলেছেন: সবগুলো কোবতে পড়ার ধৈর্য্য পেয়েছেন -- শুকরিয়া

আমাদের কিংবদন্তী দেলোয়ার স্যারকেও সারাজীবন স্যালোয়ার ;) পরে আসটে দেখেছি ... ;)

৭. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:০৬
শফিউল আলম ইমন বলেছেন: চমৎকার লিখেন তো। আগে কখনো আপনার কবিতা পড়িনি। প্রিয়তে নিলাম।
২৬ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:১৮

লেখক বলেছেন: ওরে খাইছে!!

ব্লগের ফাটাফাটি কবিতাগুলা পড়ার পর এগুলারে "বকিতা" বলা যায় ;)

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৬১৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
কি করার কথা কি করছি,
কি লেখার কথা কি লিখছি!
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ