ইরাকে বিদায়ী বক্তব্য রাখতে গিয়ে জর্জ বুশের জুতো খেয়ে হেনস্তা হবার খবর এখন দুনিয়ার সবাই জানে। মুন্তাজের এখন শুধু ইরাক না, আরব বিশ্বও না, পৃথিবীতেই হিরো। তার জুতোর দাম সৌদি ধনকুবের হেঁকেছে ১ কোটি ডলার, এখবরও আমরা জানি; আবার সেটা আসলেই বিক্রী হয়ে গেলে মান ইজ্জত কিছু থাকবেনা এ ভেবে সেটাকে নষ্ট করে ফেলা হয়েছে -- এখবরও আমরা শুনেছি। আবার সেদিন দেখলাম ইরাকেই বুশকে জুতোমারা উপলক্ষ্যে তৈরী হয়েছে বিরাট এক মন্যুমেন্ট, জুতোর। বুশ হোয়াইট হাউস ছেড়ে চলে গেছে, তবে তার এই জুতো খাওয়া বিষয়ক রসালো গল্প আলোচনাগুলো এখনও রয়ে গেছে, মনে হচ্ছে আরো কিছুদিন রয়ে যাবে।
বিশ্ব রাজনীতিকে খুব তীক্ষ্মভাবে প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে পশ্চিমা মিডিয়ায় কার্টুনের ব্যবহার অনেকদইনের। একেকটা ঘটনা ঘটে, আর কার্টুনিস্টদের তুলির আঁচড়ে তার নানান মাহাত্ম্য আমাদের সামনে ফুটে ওঠে। বাদ জায়নি বুশের সেই ঘটনাও। সেরকমই কিছু কার্টুন আমি পেয়েছি ই-মেইলে। নিজের ভালো লাগা কয়েকটা তুলে ধরলাম।
মুন্তাজেরের জুতো যখন ছুটে আসছিলো বুশের দিকে, তখন সে ডাক করায় জুতো গিয়ে লাগে আমেরিকার পতাকার গায়ে। দেখে মনে হয়েছিলো, "শেষমেষ বুশ আমেরিকার পতাকাকে রক্ষা করতে পারলেননা" এরকম একটা ক্যাপশনের সিরিয়াস কার্টুন আঁকা যায়। আমি আঁকতে পারিনা একদমই, কেউ চেষ্টা করতে আগ্রহী থাকলে আমার অগ্রীম সাধুবাদ গ্রহন করুন।
যাইহোক, আসুন কার্টুনগুলি দেখি:
১. সবচেয়ে তীক্ষ্ম যেটা, একদম কষে থাপ্পড় মেরে দেয় সভ্যতার গালে, সেটাই প্রথমে দিলাম।
২. এটাকে সবচেয়ে বুদ্ধিদীপ্ত মনে হয়েছে, জুতোও শকে পরিণত হতে পারে তাহলে!
৩. ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি সম্ভবতঃ একেই বলে
৪. এটার পেটেন্ট করে রাখা ভালো, ভবিষ্যৎ কাটতি নিশ্চিত, অন্ততঃ আমগো দেশে জামাত তো কিনবই
৫. এই দু'টা দেখে হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খেলাম, পারফেক্ট পশ্চিমা দর্শন যাকে বলে আর কি!
৬. হতভাগা জুতোও অবেশেষে মুন্তাজারের কল্যাণে জাতে উঠলো!
৭. এগুলোর সবগুলোই কমবেশী মজার; বুশ জুতো খাচ্ছে -- মজা না পাবার কারণ নেই।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

