আমার প্রিয় পোস্ট

যার ঘড়ি সে তৈয়ার করে, ঘড়ির ভিতর লুকাইছে

দ্য গ্রেট বৃটেন কমপ্লেক্স

২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৭:৫৫

শেয়ারঃ
0 0 0

১.

আত্মীয়তার সূত্রে এক মুরুব্বীর বাসায় কয়েকদিন কাটিয়েছিলাম। মুরুব্বী আবার খানদানী জমিদার বংশের, দাদার তাঁর সত্যি সত্যিই বিরাট জমিদারী ছিলো; তাই নিজে জমিদার না হলেও কথায় কথায় ঘুরিয়ে ফিরিয়ে পূর্বপুরুষের সেই বাহারী জমিদারীর প্রসঙ্গ তুলে আনায় যে মুরুব্বী সিদ্ধহস্ত ছিলেন, সেটা বুঝতে একদিনেরও কম সময় লেগেছে। তবে মুরুব্বীর এরকম বাহাদুরী ফলানোর পেছনে কারণ যে নেই তাও না; শুধু জমিদারীই যে তাঁরা হারিয়েছিলেন তা তো নয়, কোন কাজকর্ম না করে ঘরে বসে নবাবী চালে চলা আর তালুক বেচে খাওয়ার যে তরীকা তাঁদের অভ্যাসে পরিণত হয়েছিলো, তাতে এই প্রসঙ্গ তুলে গর্ব করার চেয়ে বেশী কিছু করার সাধ্যও তাঁর ছিলোনা।

যদিও আতিথ্য গ্রহনের পর এরকম বদনাম করাটা অভব্য আচরণে পড়ে, তাও লেখার খাতিরে লিখতেই হচ্ছে; যেক'দিন ছিলাম সেখানে, মুরুব্বীর সাথে যেখানে গিয়েছি, সেখানেই দেখেছি প্রত্যক্ষভাবে হোক, পরোক্ষভাবে হোক, তিনি যে জমিদার বংশের উঁচুজাতের লোক এবং তাঁকে যে আশপাশের সবার মান্যগণ্য করা উচিত, তা প্রকাশ না করে তিনি থাকতে পারতেননা। যেমন, ধরুন মাছ কিনতে গেলেন মুরুব্বী, হাতে একশো টাকা আছে মাত্র। কিনলে কেনা যাবে গুড়া মাছ কয়েক ভাগ, বা বড়জোর একটা নলা মাছ! এখন বাজারে গিয়ে চার-পাঁচশো টাকার মাছ দেখে সাধ আর সাধ্যের লড়াইয়ের সাথে সাথে মুরুব্বীকে মানসম্মানের লড়াইও করতে হবে; উপায় নেই, কারণ আশপাশে প্রচুর মানুষজন আছেন যারা তাঁকে জমিদারের নাতি বলে চেনেন।

সেজন্যই দেখতাম, হাতের মুঠিতে একশো টাকা গুঁজে ধরেই মুরুব্বী বাজারের সবচেয়ে বড় মাছের সামনে গিয়ে মাছওয়ালাকে জিজ্ঞেস করেন যে মাছের ওজন কতো। জমিদারের নাতির সামনে বিগলিত হাসিমুখে বিক্রেতা যখন বলে সাড়ে তিন সের, তখন তিনি মুখের পেশী নাড়িয়ে চাড়িয়ে খানিকটা অবজ্ঞার প্রকাশ দেখান (এই একটি কাজে এঁদের জুড়ি থাকেনা, অবজ্ঞা, উপহাস প্রকাশে)। মাছ তো কিনবেননা জানিই, তারপরও দেখি দাঁড়িপাল্লা দিয়ে মাছের ওজনও করাচ্ছেন, মাছের গায়ে টিপে-টুপে দেখছেন, কানকো তুলে মাছ তাজা কিনা তাও পরীক্ষা করছেন। সবশেষে হতাশমুখে "পাঁচ সের না হইলে কি বোয়াল মাছ খাই মজা আছে নিকি!!" বলতে বলতে গুড়া মাছের দিকে হাঁটা শুরু করলেন। যেতে যেতে আশপাশের লোকজনকে শুনিয়েই স্বগোতোক্তি করেন, "করম আলী তো সকালেই কাতল মাছ নিয়া গেছে, অখন আমি কিছু গুঁড়ামাছ নিয়া যাই।" মুরুব্বীর কথা শুনে যারা তাঁর ট্যাকের খোঁজ রাখেনা, তারা খানিকটা হতচকিত হয়; যারা ট্যাকের খবর রাখে তারা মুচকি মুচকি হাসে।

এখানেই শেষ না, যেমন ধরুন বাজার থেকে ফিরতে ফিরতে পথেই হাতের ডানে বা বাঁয়ে জোলাবাড়ীর নারকেল গাছের পাতার ফাঁক দিয়ে নিজের সগর্ব অস্তিত্বের জানান দিচ্ছে জোলার দুবাই বা নিউইয়র্কবাসী ছেলের পাঠানো টাকায় করা পাকা দোতলা বাড়ীটি, টিনশেড যদিও। মুরুব্বী ইচ্ছে করেই আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন সেদিকে, তারপর এই ক'বছর আগেও জোলারা অঘ্রান মাসে কিভাবে তাঁদের বাড়ীতে এসে একবেলা পেটপুরে খাওয়ার জন্য বাপে-পুতে লাইন ধরে বসে থাকতো সে গল্প একদম দাঁড়ি-কমাসহ বয়ান করবেন। অথবা, মফস্বলের হাটে গিয়ে দেখলেন আকন বাড়ীর ছেলে তার কটকটে লাল রঙের টয়োটায় সুখী সুখী চেহারায় স্ত্রী-সন্তান নিয়ে উঠছে, বেড়াতে যাচ্ছে। মুরুব্বী খুব সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করতে পারবেন যে ছোটলোকের পয়সা হলেও কেন রুচির পরিবর্তন হয়না! এই রঙের গাড়ী মানুষে কেনে! সেখান থেকে দাদার ঘোড়ার গাড়ী বা বজরার গল্প শুরু করাটা তাঁর জন্য তখন মুহূর্তের ব্যাপার মাত্র।

উপরে যে মুরুব্বীর কথা বললাম, তিনি একটা কমপ্লেক্সে ভুগছেন, এই কমপ্লেক্সের কথা আমরা সবাই কমবেশী জানি। একসময় নিজেদের অনেক ছিলো, এখন শুধু যে নেই তাই নয়, এখন অন্যদের অনেক হচ্ছে সেটাও তাঁকে দেখতে হচ্ছে। এই অন্যদের হচ্ছেটাকে তিনি সহজভাবে নিতে পারছেননা, পুরোনো স্মৃতি বা পূর্বপুরুষ সম্পর্কে শোনা কথা সেখানে বারবার হানা দিচ্ছে। সেই স্মৃতি রোমন্থনই অন্যের প্রতিপত্তি দেখে মনকে শান্ত করার একমাত্র ঔষধ তাঁর জন্য। অনেকদিন ধরেই ভাবছিলাম, এই কমপ্লেক্সটার কি নাম দেয়া যায়?


২.

পৃথিবী জুড়ে অধুনা সাড়াজাগানো ছবি স্লামডগ মিলিয়নিয়ার সম্পর্কে নানা খবর পড়তে পড়তে আবারও একইরকম আরেকটি কমপ্লেক্সের কথা মাথায় খেলছে। সেটা একদা সবকিছু হাতের মুঠোয় থাকা বৃটিশদের, এবং মূলতঃ বৃটিশদেরই কমপ্লেক্স।

একসময় বৃটিশ সাম্রাজ্যে সূর্যাস্ত হতোনা, আজ হয়। শুধু তাইনা, আমেরিকাকে বাঘ ভেবে বৃটিশ পান্ডবকে আজ "পুডল" হয়েও নাচতে হয়। যে প্রতাপে তারা জগত নিয়ন্ত্রণ করেছে কয়েক শতক জুড়ে, আজ সেই প্রতাপকে ছাড়িয়ে যেতে দেখছে তারা পৃথিবীজুড়ে, নানানভাবে নানান জায়গায়। সেই অভিজ্ঞতা থেকে জমিদারের নাতি ঐ মুরুব্বীর মতোই কমপ্লেক্সের তৈরী হবার একটা সম্ভাবনা দেখা দেয়, সেজন্যই হয়তো স্যুটপ্যান্ট পরে সমুদ্রপাড়ে হাঁটতে থাকা আনস্মার্ট জাপানীদের নিয়ে বা উন্নত জীবিকার জন্য মরিয়া চীনাদের নানান ডেসপারেট কাজকর্ম নিয়ে কৌতুক হাস্যরসে মেতে উঠে তাঁরা আলাদা মজা পান।

তাঁদের সেই মজার লিস্টিটেই নতুন যোগ হয়েছে ভারত, যে ভারত আগামী বিশ্বকে নেতৃত্ব দেবার সবরকমের পোটেনশিয়াল রাখে, এবং তা প্রকাশও পাচ্ছে সময়ের সাথে সাথে। তাই নাকবোঁচাদের মতো ভারতীয়রাও কতটা রুচিহীন, নিন্মগোত্রের সেটাওতো দেখাতেই হয়! সেই মানসিকতা স্লামডগ মিলিয়নিয়ার বানাতে গিয়ে ড্যানি বয়েলের কাজ করেছে কিনা জানিনা, তবে যেরকম এক্সট্রিম পর্যায়ের দারিদ্র্য আর অনাচার দিয়ে ভারতকে উপস্থাপন করা হয়েছে, তাতে কেউ কমপ্লেক্স খুঁজলে আমি দোষ দিতে পারিনা।

উপরোক্ত কমপ্লেক্সের বিচারে ড্যানি বয়েল আর তাঁর ক্রুরা খানিকটা গ্রে এরিয়ায় আছেন বলে টেনেটুনে পার পাইয়ে দেয়া গেলেও (যদিও আমি তাতে একমত না), বৃটেনের এক ট্যাবলয়েড পত্রিকা দু'চারদিন আগে যা করলো তা কিন্তু কোনভাবেই পার পাচ্ছেনা। যে দরিদ্র বাচ্চা মেয়েটি (রুবিনা আলী) স্লামডগের নায়িকা লতিকার ছোটবেলার চরিত্রে অভিনয় করেছিলো, তার বাবাকে এরা একটি ভুয়া প্রলোভন দেখিয়েছে এই ট্যাবলয়েড। আরব ব্যবসায়ী সেজে তারা মেয়েটির বস্তিবাসী বাবাকে এই লোভ দেখিয়েছে যে মেয়েটিকে তারা ২ লাখ পাউন্ডে কিনে নেবে। ভারতীয় ছোটলোক বলেই হোক, অভাবে স্বভাব নষ্ট বলেই হোক -- মেয়ের বাবা নাকি রাজীও হয়েছেন। এ খবর জগতে সাড়াও ফেলেছে।

ভাবলাম, ট্যাবলয়েড ওয়ালাদের এই এক্সপেরিমেন্ট করার উদ্দেশ্য কি? দক্ষিণ এশিয়ার মানুষেরা কতটা লূজার লেভেলের দরিদ্র সেটা দেখানো? এই ঘটনা দিয়ে কি তারা আরেকবার সমগ্র বৃটেনবাসীকে নিশ্চিত করতে চাইলেন যে ভারতীয়দের এখনও তাদের পর্যায়ে আসতে অনেক দেরী? এই লোভী ফকিরের দল এখনও "অসভ্য" আরবদের কাছে সন্তান বিক্রী করে দেয় -- এটাই কি উপসংহারে টানতে চান ট্যাবলয়েড সাংবাদিক?

মজার ব্যাপার হলো, এই বস্তিবাসী শিশু অভিনেতাদের নিয়ে স্লামডগের বৃটিশ পরিচালক ড্যানি বয়েলের একটা ক্ষত কিন্তু রয়ে গেছে। কারণ, এ সত্যটা ফাঁস হয়ে গেছে যে, এই হতদরিদ্র শিশু অভিনেতাদেরকে বেতন দেবার বেলায় ঠিকই নিজের একটা পরিচয় প্রকাশ করে ফেলেছিলেন। শ্রমের ব্যাপারে যে তিনি জাতিভেদ সমর্থন করেন, সেটা প্রকাশ করে দিয়েছেন অদ্ভুত কিপ্টেমীর মাধ্যমে। তুমি মহারাজ তাজ হোটেলে বসে টেবিলের উপর ঠ্যাং উঠিয়ে এক সন্ধ্যায় ১৯৩৯ ল্যাবেলের যে মদ পান করো, তার অর্ধেক দামও শিশু অভিনেতাদের পারিশ্রমিক হিসাবে দাওনা, আবার বলো, তাদের বেতন ভারতের সাধারণ বেতনের তিনগুণ! তা পরিচালক আর অভিনেতার বেতনের অনুপাত কতো? সেই একই অনুপাতে কি ড্যানি বয়েল নিজের বেতন নিয়েছে? নাকি ভারতীয় আর বৃটিশ, জাতি আলাদা বলে বেতন আলাদা?মধ্যপ্রাচ্যের তৈলশেখেরা এখন চরম চিত্তচাঞ্চল্যের সাথেই ড্যানি বয়েলকে নিয়ে এককাতারে "জামাতে নামাজ" আদায় করবেন।


৩.

চীনা-জাপানীদের মতো ভারতীয়দেরও ছোটলোক হিসেবে প্রমাণ করতে যেভাবে জনাবেরা উঠে পড়ে লেগেছেন, তা দেখে আমার মনে যে বেসিক প্রশ্নটা সবসময় জেগেছে তা হলো, এসব করে এদের আদতে লাভটা হচ্ছে কি! আত্মতৃপ্তি?

তাদের কোন লাভ হোক বা না হোক, আমার একটা লাভ হয়েছে। জমিদারী হারানো উত্তরপুরুষদের পরশ্রীকাতরতাজনিত যে কমপ্লেক্স, তার একটা জুতসই নাম খুঁজছিলাম। একদম খাপেখাপ পেয়ে গেলাম, এটাকে "দ্য গ্রেট বৃটেন কমপ্লেক্স" নাম দেয়া যায়।

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৭:৫৮
নুশেরা বলেছেন: দুর্দান্ত লেখা। কোত্থেকে কোথায় গিয়ে আসল প্রশ্নের উত্তরটা নিয়ে আসলেন!
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:১২

লেখক বলেছেন: বক্তব্যটা ধরতে পেরেছেন জেনে ভালো লাগলো ...

প্রসঙ্গতঃ ক্লারিফাই করে রাখি, একটা ভুল অনেকে বুঝতে পারে লেখাটা থেকে যেটা হলো, মনে হতে পারে যে আমি বলতে চাইছি বৃটিশ নাগরিক মাত্রেই এই কমপ্লেক্সে ভোগে ... ব্যাপারটা তা না ...

২. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:০০
নুশেরা বলেছেন: কয়েকদিন আগে রুবিনার বাবামাকে লোভী আর ধূর্ত মনে হচ্ছিল; গতকালের ঐ খবরের পর আর মনে হচ্ছে না :)
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:১৭

লেখক বলেছেন: আমার কিন্তু প্রথমেও লোভী মনে হয়নি ... যারা সারাজীবন বস্তিতে মানবেতর জীবনযাপন করে এসেছে, তাদের জন্য ২ লাখ পাউন্ডের লোভ সামলানো কঠিন ... বিশেষ করে যখন সে জানছে যে তার মেয়েকে নিয়ে এরা কেটেকুটে রান্না করে খেয়ে ফেলবেনা, মেয়েও ভালোই থাকবে

আমাদের দেশে গ্রামের গরীব বাবা-মায়েরা যেমন মেয়েদেরকে শহরে পাঠায় ধনী-মধ্যবিত্তের বাচ্চাদের রাখার জন্য, মেয়ে বড় হয় অন্যের বাসায় চাকরানীগিরি করে, বাবা-মা শুধু এই শান্তি পায় যে মেয়ে দু'বেলা খেয়েপরে আছে ... ব্যাপারটা তো সেরকমই, সাথে দুলাখ পাউন্ডের হাতছানি

৩. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:০২
নরাধম বলেছেন:


ফাটাইছেন একেবারে। মনের কথাগুলোই বলেছেন। দ্যা গ্রেট ব্রিটেন কম্প্লেক্সের মত জুতসই নাম আর হয়না এই কমপ্লেক্সের।
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:২৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বস্।
গুজব শুনলাম, আপনের নাকি জন্মদিন? ... হোক না হোক, শুভ জন্মদিন ;)

৪. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:০৪
সততার আলো বলেছেন: জটিল complex।

জটিলইতো complexটা।

২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:২৬

লেখক বলেছেন: হা হা হা ... ভালো টুইস্ট

৫. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:০৯
বাফড়া বলেছেন: জোস লেখছেন বস... নিজেদের সবকিছু নিয়াই এদের একটু এক্সট্রা লাফালাফির অভ্যাস আছে... আপনের প্যারালাল টানাট ঠিকই আচে..ঐহারানো জমিদারিই... প্রায় কাছাকাছিই একটা কথা কইছিলাম ইমন জুবায়েরের রেসেশান নিয়া দেয়া রিসেন্ট একটা পোস্টে
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:৩৪

লেখক বলেছেন: ইমন জুবায়েরের পোস্টের শিরোনাম কি মনে আছে?

৬. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:১৬
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: এ্যাজ অলওয়েজ ------------ জটিল


আমার অবজার্ভেশনে আগেই ধরা পড়েছিল ব্যাপার গুলো
কিন্তু গরীব গরীব করে আর্তনাদ করতে থাকা অনেকেই বেতনের ব্যাপারটা এড়িয়ে গেছে


কিছু দিন আগে "লরেন্স অফ এ্যারাবিয়া" দেখলাম।
ব্রিটিশদের আচার ব্যবহার আর তুচ্ছ তাচ্ছিল্য যে আমরা এক বারে হাড়ে মজ্জায় নিয়েছি ১০০ ভাগ শিওর হলাম।

স্লামডগে ইন্ডিয়াকে সূক্ষ বাশ যে দেয়া হয়েছে আর অস্কার দেয়ার ছলে এমন ব্যবস্থা করেছে যে .. বাশ নিয়ে তেল মাখা হাসি দিয়ে আনন্দিত হওয়ার ভান করতে হয়।
আমি নিশ্চিত ইন্ডিয়ার সচেতন পাবলিকরা মনে মনে এর চৌদ্দ গুষ্ঠি উদ্ধার করেছে।


আমার ইন্ডিয়ান কলিগের আচরনে এটা পরিস্কার ধরা পড়ে ।

নভেম্বরের দিকে জ্ঞিগেস করলাম .. এটা দেখেছে নাকি ?

বলল নাম ই শোনেনি :)

টরেন্টোতে জম্পেশ প্রিমায়ার করার কারনে যারা সিনামের খোজ খবর রাখেন তারা আগেই জানতেন।

অস্কার পাওয়ার পর জিজ্ঞেস করলাম কি এবার দেখেছো কিনা ।

হাড়ি পানা মুখ করে বলল দেখতে হবে । :D

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

ব্রিটিশদের প্রতি আমাদের আজব একটা শ্রদ্ধাবোধ আছে

এখনো কাউকে সম্মান দিতে সাহেব জুড়ে দেই

আমরা মনে হয় ঠিকমত ঘৃনা করাও শিখতে পারি নাই

অথবা মরচে পরা স্মৃতির কারনে

"সাহেব কইসে শালার ভাই
আনন্দের আর সীমা নাই "
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:৩৫

লেখক বলেছেন: হা হা হা ... জট্টিল কমেন্ট করছেন ...
"সাহেব কইসে শালার ভাই
আনন্দের আর সীমা নাই "
সাহেব শালার ভাই কইলে তো বইনরে বিয়া করনের নিশ্চয়তা দেয়, হেই আনন্দের আর কি ;)

৭. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:১৮
কায়েস মাহমুদ বলেছেন: অস্কার ওয়ালারাও এইছবিগুলোর জন্য এগিয়ে আসে। হায়রে অস্কার!
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:৩৮

লেখক বলেছেন: ছবিটা দেখে আমি কিছুই বুঝিনাই ...
একটা পয়েন্ট, যেমন, একশো ডলারের নোটে বেনজামিন ফ্রাংকলিনের নাম একবার হসুইনাই মনে থাকাটা অস্বাভাবিক ... সেইজন্য জামাল মালিক যে এক্সট্রা অর্ডিনারী মেমরীর অধিকারী সেইটার প্রকাশ জরুরী ছিলো
পরিচালক এখানে প্রেসিডেন্টদের নাম না দেখাইয়া ছবি দেখাইতে পারতেন ... তাতে টাকমাথা বেনজামিনরে দেইখা জামালের মনে পড়ছে সেটিংটা বিশ্বাসযোগ্য হইতো

৮. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:১৯
কায়েস মাহমুদ বলেছেন: ধ্যাত্তেরী ভুইলা গেলাম । এই পোষ্ট পড়েছি কয়েকদিন আগে সচলায়তনে।
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:৩৯

লেখক বলেছেন: ঠিক, আগে সচলায়তনে দিয়েছি ... সচলায়তনে দেয়া পোস্ট ৭২ ঘন্টার মধ্যে অন্য জায়গায় ডুয়াল পোস্টিং করা যায়না

৯. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:২৪
কিউরিয়াস বলেছেন: চমৎকার লেখা! আর দারূণ একটা নাম দিছেন, "দ্য গ্রেট বৃটেন কমপ্লেক্স"! মজা লাগল, একমত না যদিও। :)

সংক্ষেপে বলি, বৃটিশদের সেন্স ওফ হিউমার যথেষ্টই "পরিপক্ব", "মেকিং ফান অফ সামথিং" এই কনসেপ্টটাকে তারা বেশ উচু লেভেলে নিয়ে গেসে, তাদের আর আমেরিকাবাসীদের জনপ্রিয় কমেডি সিরিয়াল গুলো তুলনা করলেই বুঝবেন। তাই তারা কাউকে নিয়ে মজা করলে সেটা সেই সেন্স ওফ হিউমারেরই অংশ বলে মনে হয়, আর ভারতকে ব্যাঙ্গ করার কনসেপ্টটা একটু ফার-ফেচড মনে হইল।

ইদানিং বলিউডের ছবি দেখেন? চরম দারিদ্র আর চরম ভায়োলেন্স কিন্তু এখন বলিউডের ছবির অংশ, এবং সত্যি কথা হল, এইগুলা দিয়েও ভাল ছবি হয়। ব্রাজিলের এইরকমি একটা ছবি আছে "সিটি অফ গডস"(আরো ভায়োলেন্ট আর স্লামডগের মতই দর্শক-সমালোচক নন্দিত ), সেটার পরিচালককে কিন্তু কেউ ব্যাঙ্গ/দেশপ্রেমের অভাবের দায়ে অভিযুক্ত করে নাই...

তবে ঐ সাংবাদিকদের ব্যাপারে আপনার সাথে একমত।

২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:২৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ... আপনার দ্বিমতের পয়েন্টটা বুঝেছি ... আপনার যুক্তি ঠিক আছে

তবে, স্লামডগ ছবির ব্যাপারটা আসলে একেকজন একেকভাবে দেখে ... যেমন ধরেন, সিটি অভ গডের মতো প্লটে যদি বম্বের বস্তিবাসীদের মূল সমস্যাগুলা তুলে ধরে ভারতের এলিটশ্রেনীর সমালোচনাটা ছবির মূল ফোকাস হতো -- আমি আপত্তি করতামনা ... সেটাকে ভারতের একটা অংশ বলে মেনে নেয়া যেত

তাও হয়তো নিজে বাদামী চামড়ার বইলাই আমি একটু বেশী ডিফেন্সিভ ... কিন্তু অনেকদিন ধইরা এইসব "উন্নত" কান্ট্রির লোকদের দেখে এই সূক্ষ্ম কমপ্লেক্সগুলা কিছুটা হলেও টের পাই ... কেমন জানি দারিদ্র্য, অনাচার এইসব ফোকাস করতে হইলেই খাপে খাপ অন্য কালচারের সাথে মিলায়া দেয়

২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:২৭

লেখক বলেছেন: থ্যাংক্যু, ইন্ডি
পড়তে হইবো

১১. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:৫৩
দূরন্ত বলেছেন: দ্য গ্রেট বৃটেন কমপ্লেক্স এখন সত্যিই দেখার বিষয়। দারুণ বলেছেন।
শুভেচ্ছা।
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:২৮

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা আপনাকেও দুরন্ত

১২. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:০৯
মুকুট বলেছেন: অসাধারন বিশ্লেষন জ্বিনের বাদশা ভাই!!!! ধন্যবাদ। ইকেবুকরো মেলা নিয়ে পোষ্ট দিছিলাম, পারলে আমার পোষ্টে ঢু দিয়েন!
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৫০

লেখক বলেছেন: তাই নাকি? দেখতে হবে ... ঐ উইকএন্ড ব্যস্ত ছিলাম খুব ... বলগেই ঢুকিনাই ... :(
মেলায় অবশ্য গিয়েছিলাম

১৩. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:১৬
তর্পন বলেছেন: ব্রিটিশ কিংবা মার্কিন মুলুকের একজন শিক্ষিত স্যুটেডবুটেড মানুষের চেয়ে বাংলাদেশের চায়ের দোকানে আলাপরত স্বল্প শিক্ষিত লোকের কথা অনেক বেশী জ্ঞানগর্ভ।

একটু বেশী বলেছি সত্য, কিন্তু দেখুন তাদের অনেকেই খবরের কাগজের খেলা বা সেলিব্রেটির পাতাটি পড়ে রাজনৈতিক পাতা খুলেও দেখেন না। মানচিত্রে নিজের গন্তব্যে ড্রাইভ করতে যাবার বেশী কিছু ভুলেও দেখেন না। সেজন্য টগবগে পশ্চিমা তরুন তরুণী বলতে পারে না "আইরাক আর আর্কানসাস কি দুটো দেশ না মহাদেশ" । হাজার শিশু লেবাননে রক্তাক্ত হলেও ওরা ফক্সটিভির বাসি "পরিশোধিত" খবরে কিছুই দেখে না।

দেশের চায়ের দোকানে বিবিসিতে বিশ্বের খবরাখবর আসে । লোকে শোনে । কিন্তু পশ্চিমার বিনেপয়সার টিভিতে বিদেশী খবর মানেই বিদেশী সেলিব্রেটির রগরগে কাহিনী আর দেশে দেশে মার্কিন সাফল্যের ফাঁকা বুলি।

হীরক রাজার দেশের মত মগজ ধোলাইয়ের কারখানা দিয়ে বিশাল জনগোষ্ঠিকে কর্পোরেট রাজত্ব ভুলিয়ে রেখেছে এমন ভাবে যেন বিশ্বের নাগরিক হিসেবে দায়িত্ববোধের কোন প্রয়োজন নেই। সারা বিশ্ব যেখানে বিদ্যুত জলের অভাবে ত্রাহি ত্রাহি অবস্হা, আফ্রিকার মত মহাদেশে যেখানে রেডিও চালাতে ব্যাটারীও পাওয়া যায় না, সেখানে বিদ্যুতের অপচয় কমাতে আর্থডে পালন করা হয়। যেন আর্থ মানে ব্রিটেন, আমেরিকা কিংবা জাপানের মত ধনী দেশ।

ট্যাবলয়েড গুলো বানানো হয় ডাম্ব পুঁজিবাদের দাসশ্রেনীর মনোরন্জনের জন্য। আপনার একটি কথা ঠিক, গুলশানের প্রাসাদে চাকুরীরত ভৃত্য যেমন গ্রাম থেকে উঠে আসা "তুলনা মুলক স্বাধীন" গার্মেন্টস কর্মী দেখলে নাক সিটকায়। তেমনি সেই পুঁজিবাদের নব্য দাস শ্রেনী গূলোর আনন্দের খোরাক ভিনদেশী দরিদ্র লোককে উপহাস করা। চলচ্চিত্রগুলোগুলোতে চাতুর্য কাহিনী, ডায়লগে থাকে যাতে ভারতের লোকজনের বাজার টা না হারাতে হয়।

আমার কাছে এটা গ্রেট ব্রিটেনের কমপ্লেক্সিটি না হয়ে প্রথম বিশ্বের সাধারণ কমপ্লেক্সিটি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পতাকাটিও তৈরী চীনা শ্রমিকের ঘামে, ওয়ালমার্ট ছাড়া তাদের হাড়ি জ্বলবে না, কিন্তু তাদের কে চিন্ক বলে উপহাস করা দৈনন্দিন ব্যাপার।
--------------------
কেন যেন আশাবাদী ..দিন আসবে একদিন এই দ: এশিয়ায়, এমনকি বাংলাদেশেও সভ্যতার সূর্য উঠবে।সামাজিক কাঠামোটি যা আছে আমাদেরই আছে। পিতামাতার প্রতি শ্রদ্বাবোধ, দেহের উর্ধে মানবিক ভালবাসা, সাহিত্য সব আমাদের অনেক কম ক্ষয় পেয়েছে। ব্রিটিশদের সূর্য ডুবেছে, মার্কিনী প্রতাপ যায় যায়..।

রবীঠাকুরের কবিতাটা খুঁজছি।

...এসেছে সাম্রাজ্য লোভী পাঠানের দল
এসেছে মোগল
বিজয় রথের চাকা উড়ায়েছে ধুলি যার উড়ায়েছে বিজয় পতাকা
শূণ্য পথে চাই আজ তার কোন চিহ্ন নাই।
রক্তমাখা অস্ত্রহাতে যত রক্ত আঁখি
শিশুপাঠ্য কাহিনীতে থাকে মুখ ঢাকি..
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৫৪

লেখক বলেছেন: এই চরম বস্তুবাদী দুনিয়ায় আপনার কথাগুলো অনেকেরই হজম করতে অসুবিধা হবে, তবে রিফিউট করা কঠিন ... আসলেই কর্পোরেট ড্রেনে মানুসকে ছেড়ে দেয়া হচ্ছে, দুইপাশে এত রংবেরঙের মাতামাতি যে মানুষ একটু দুদন্ড ভাবার অবকাশ পায়না, ভাবছে, সুখেই তো আছি ... জাপানেও লোকজনকে দেখলে এমন মনে হয়

অথচ এই জাপানে গত ১১ বছর যাবৎ গড়ে প্রতিদিন ৯০ জনের বেশী আত্মহত্যা করে!!!

১৪. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:১৯
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:

নুশেরা বলেছেন: কয়েকদিন আগে রুবিনার বাবামাকে লোভী আর ধূর্ত মনে হচ্ছিল; গতকালের ঐ খবরের পর আর মনে হচ্ছে না.................!



কেমন আছেন?
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৫৪

লেখক বলেছেন: ভালো আছি ভাস্করদা ...
মাঝে মাঝে সুযোগ থাকলে জনির আপডেট দিয়েন পোস্টে

১৫. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:২৪
মাহবুব সুমন বলেছেন: আমজনতার ব্লগে পোস্ট দেয়ার জন্য অন্তরের গভীর থেকে লাল গোলাপের শুভেচ্ছা ;) । পোস্ট বাসী হলেও সুস্বাদু হয়েছে।

কমপ্লেক্সিটি আছে এটা সত্য। এর সাথে আছে প্রতিযোগীতায় হেরে যাবার ভয়। এই জিনিসটা বেশীকাজ করে এংলো স্যাক্সনদের মাঝে, ইউরিপীয়ানদের মাঝে। এর সাথে আছে অন্য জাতিদের হেয় ও নিচভেবে দেখা। রেসিজমও কাজ করে। এরা উপরে অনেক ভদ্র কিন্তু নীচে সেরকম না। এদের সাথে খুব ভালো ভাবে মিশলে এটা বোঝা যায়। ডিনারে এন্ট্রি এগিয়ে দেবে হাসি মুখে কিন্তু যেই মাত্র আপনি মেইনের দিকে হাত বারাবেন দেখবেন ভুড়ু কুচকানী :)

জমিদারের বংশধরদের কথা বলাতে একটা ঘটনা বলতে ইচ্ছে করছে। কিশোরগন্জ শহরে হয়বত নগর বলে একটা পাড়া আছে, সেখানে আছে সাহেব বাড়ী নামে একটা বাড়ি। এরা ঈসা খাঁর বংশধর। বেশীর ভাগেরই খুব খারাপ অবস্থা, কিন্তু ঠাটে বাটে সেরকম। মেয়ে বুড়ো হয়ে যাবে তবুও "ছোট" জাতের কাছে বিয়ে দিতে চাইবে না। এদেরও এক ধারা আছে ঈসা খাঁর আদিবাস জংগকবাড়ীয়ায়। এরা প্রচন্ড গরীব, ধার করে খাবে কিন্তু কৃষিকাজের মতো "ছোট" কাজ করবে না।
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৫৯

লেখক বলেছেন: স্যরি ব্রো, কিন্তু পোস্ট বাসী না করে দিলে তো সচলায়তনে লেখার উপায় নাই ... অথচ সবখানেই চিন্তাধারনা বিশেষ করে যেগুলো নিয়ে নিজের মধ্যেও সন্দেহ/অনিশ্চয়তা আছে, সেটা শেয়ার করতে ইচ্ছা করে

হয়তো আরো ডীপে গেলে এটাকে এ্যাংলো-স্যাক্সন কমপ্লেক্সই বলতে হবে ...

আমি শুনছি, সিরাজউদ্দৌলার বংশধররা নাকি কোলকাতায় খুব গরীবি অবস্থায় আছে ... বসে বসে সম্পদ বেচে খাওয়ার মতো অপচয় আর কিছুতে নেই :(

১৬. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৩১
বৃত্তবন্দী বলেছেন: আবারো ফাটাফাটি লিখেছেন...
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:০২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১৭. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৩৭
অন্যরকম বলেছেন: দ্য গ্রেট বৃটেন কমপ্লেক্স বাই দ্য গ্রেট জ্বিনের বাদশা! ;)
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:০৪

লেখক বলেছেন: ওরে বাবা ... গ্রেট হইলেই তো কমপ্লেক্স ধরবো ;)

ধন্যবাদ অন্যরকম

১৮. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৩৯
শান্তির দেবদূত বলেছেন: "দ্য গ্রেট বৃটেন কমপ্লেক্স" -- পারফেক্ট ! একদম পারফেক্ট ..... আর কিছু বলার নাই .....

সচলায়তনে দেয়া পোস্ট ৭২ ঘন্টার মধ্যে অন্য জায়গায় ডুয়াল পোস্টিং করা যায়না -- একটা চুরামি বুদ্ধি দিতে পারি ;) .... যে কোন লেখা প্রথমে সামুতে পোষ্ট করবেন :D, তার কিছুক্ষণ পর সচুতে পোষ্ট করবেন ..... আর যেহেতু সামুতে এমন কোন রুলস নাই যে, সামুতে লেখা দেওয়ার পর ৭২ ঘন্টার মধ্যে অন্য কোথাও ডুয়াল পোষ্ট করা যাবে না ... তাই সামুর রেসপেক্টে কোন সমস্যা নাই ;) .....

আর নিশ্চয় সচুতে এমন কোন রুলস নাই যে, অন্য কোনখানে প্রকাশিত লেখা ৭২ ঘন্টার মধ্যে সচুতে পোস্ট করা যাবে না ;) .....

এমন ভালো ভালো লেখা ৭২ ঘন্টা পরে পাইলে কেমন লাগে X( .....
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:০৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, দেবদূত ভাই

বুদ্ধি ভালো দিছেন, তবে আরেকটা রুলস আছে যে অন্যখানে আগে প্রকাশিত (পত্রিকা/ম্যাগাজিনের কলাম টাইপের লেখা ছাড়া) লেখা প্রকাশ করা যাবেনা

১৯. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:০৯
অন্যরকম বলেছেন: জ্বীন ভুতরেও আবার কমপ্লেকস ধরে নি???? ঝানতামনা!!! ;)
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:৪৩

লেখক বলেছেন: হে হে হে ;)

২০. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:১১
শান্তির দেবদূত বলেছেন: অন্যখানে আগে প্রকাশিত (পত্রিকা/ম্যাগাজিনের কলাম টাইপের লেখা ছাড়া) লেখা প্রকাশ করা যাবেনা -- সচুরে মাইনাস X( ....
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:৪৩

লেখক বলেছেন: ;)

২১. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:০৫
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: নতুন করে চিন্তার খোরাক পেলাম।
ধন্যবাদ।
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:২০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও

২২. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:২৪
নুশেরা বলেছেন: রুবিনার বাবামায়ের ব্যাপারটা ক্ল্যারিফাই করি। অস্কাররজনীর কয়েক দিনের মধ্যেই তারা সংবাদ সম্মেলন করে কে কে কী দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েও তখন পর্যন্ত দেয়নি তার তালিকা পেশ করে। কথাবার্তা যা কোট করে সংবাদমাধ্যম, তাতেও বড় বেশী বাণিজ্যমনস্কতা ছিল বলে মনে হয়েছে। ব্যাপারটা খুব খারাপ লাগে তখন।

অবশ্য এটাই স্বাভাবিক। আমাদের দেশে লিটল স্টার নামে খ্যাত দীঘিকে চিনতে পারছেন তো? গ্রামীন ফোন ভয়েস মেসেজের সেই ময়না-পাখী শিশু! তাকে তো স্কুল থেকে ছাড়িয়ে নিয়েছে বাবামা। চুটিয়ে অভিনয় করাচ্ছে সিনেমায়, করাচ্ছে মডেলিং। "শিশুত্ব" ফুরিয়ে যাবার আগেই যা কামাই করা যায়! এরপর দুতিনবছর ব্রেক দিয়ে ফুল-নায়িকা হয়ে যাবে। বম্বেতে এক গাইনি স্পেশ্যালিস্ট তার নিজের মেয়েকে সার্জারি করিয়ে শিশু চরিত্র থেকে হটিয়ে হাজির করেছেন নায়িকা চরিত্রে। হান্সিকা নাম। হৃতিক রোশানের কোয়ি মিল গায়া-তে শিশুশিল্পী ছিল; দুবছর পরেই হিমেশ রেশামিয়ার নায়িকা হয়েছিল।
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:৪১

লেখক বলেছেন: ওহহো ... আমি তো তাইলে ভুল বুঝেছি ... আমি ভাবছি বৃটিশ ট্যাবলয়েডের প্রস্তাবে রাজী হয়ে যাওয়ায় "লোভী আর ধূর্ত" মনে করেছেন ...

আমি তো এসব খবরই জানতামনা ... ঐদিন টিভিতে ট্যাবলয়েডের বোকা-বানানোর খবর শুনে মেজাজ গরম হইছিলো ;)


তবে আপনি যেই প্রসঙ্গটা তুললেন, সেটা সেটা আলাদাভাবে ইম্পর্টেন্ট ... দীঘি মেয়েটাকে নিয়ে চলচ্চিত্রে যেরকম টানাটানি শুরু করেছে, দেখে একদম মনটাই বিষিয়ে গেছে ... আসলে পুঁজির স্রোতের সামনে মানুষ তাল সামলাতে পারেনা ... কোথায় থামা দরকার বোঝাটা যদিও খুব দরকারী ... রুবিনার বাবা-মা ট্যাবলয়েডের ফাজলামোটা থেকে সাইনটা বুঝতে পারলেই মেয়েটার জন্য সবচেয়ে ভালো হবে

জাপানের মিডিয়াতেও এসব দেখি ... ১৩ নং কমেন্টে তর;পন যা বলেছেন, পুঁজিবাদী পৃথিবী নিয়ে, খুবই মনোযোগ দেয়া উচিত এমন কিছু কথা

২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:৫২

লেখক বলেছেন: খালিই হুম? ;)

২৪. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৫
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: সচলায়তনে আগেই পড়েছি একটা মন্তব্য মতো করছিলাম; কোথায় যে গেলো!

তবে সুবিনয় মুস্তফীর জবাবটা মনে ধরেছে।সুবিনয়দার প্রতি আপনার কাউন্টার রিপ্লাইটা ভালো হয়েছে।

এই মনোবৃত্তিকে আপনি দ্যা গ্রেট বৃটেন কমপ্লেক্স বললে এই রকম কোন কিছু হলেও এই অন্চলের মধ্যবিত্তের যে গাত্রদাহ শুরু হয়ে যায় সেটা কমপ্লেক্স না হলেও অবশ্যই একটা লিমিটেশান।

ব্যাপারটা এমন আমার পরিবারে ঝগড়া-কাজিয়া-ফ্যাসাদ যাই হোকনা কেন, আমি প্রতিবাদ করি কিংবা না করি অন্যকেউ ব্যাপারটাকে তুলে ধরলেও মধ্যবিত্তীয় মননে ইগো ইস্যুটা বড় ধাক্কা খায়।

স্লামডগ মিলিওনার নিয়ে আমার তেমন উচ্চবাচ্য নাই।বংর সবচে বড় আপত্তির জায়গা হলো এর সমাপ্তি।জনৈক ব্লগার এইটার নাম দিয়েছেন "পুঁজিবাদের ভাগ্য অস্ত্র"।


২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৭

লেখক বলেছেন: কমেন্ট করছিলেন নাকি? মডারেশনে পড়ছে কিনা জানিনা।

হুঁ, স্লামডগের ইন্ডিয়া রিপ্রেজেন্টেশনের ব্যাপারটায় বিব্রতবোধ করাটা আবার উঠতি বড়লোকের কমপ্লেক্স হিসাবেও নেয়া যায় ... লিমিটেশান অবশ্যই আছে ... তবে অন্য সাইডে যে কিছু নাই সেটাও গ্যারান্টি দিয়া বলা যায়না

বিশেষ করে গরীব শিশু অভিনেতাদের প্রতি যে বেতন সংক্রান্ত যে আচরণ, সেটাতে উন্নাসিকতা যে তাদের নাই তা বলা যায়না আর ... আমি নিশ্চিত শুধু টাকা বাঁচানোর জন্য ড্যানি বয়েলরা এই কম পারিশ্রমিক দেয় নাই ... "গরীব মানুষদের এত টাকা না দেয়াই ভালো" -- সেই মানসিকতাটা ছিলো ... এই প্রতি পদে পদে ধনী-গরীব বিভেদের চিন্তার আমদানীটাই হয়তো কমপ্লেক্সের জন্ম দেয়

২৫. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:০৭
মাহবুব সুমন বলেছেন: (১৮+ কমেন্ট)
এক লোকে লোক ২ বিয়া করেছে। কথায় কথায় বলে যে সে দুইজনকেই সমান ভালোবাসে ;), সমান সুযোগ দেয় ;) কিন্তু রাতের বিশেষ সময়টুকু ;) কাটায় তুলনামুলক ভাবে কমবয়সী তরুনী বউয়ের কাছে। সব শেষে বড় বউয়ের কাছে ফেরত আসে তবে সেই বিশেষ কাজ করার পর শরীর ক্লান্ত থাকায় হাতের কাজ শেষ করেই ঘুমিয়ে পরে ;)
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৪

লেখক বলেছেন: খাইছে!!!! ;)

২৬. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:২১
রাসেল ( ........) বলেছেন: লেখা চমৎকার হয়েছে, তবে সচলের নিয়ম বোধ হয় একটু আলাদা।

অন্য কোথাও প্রকাশিত লেখা ৭২ ঘন্টার ভেতরে সচলে দেওয়া যাবে না জাতীয় নিয়মটা শুধুমাত্র সামহোয়্যার এবং আমারব্লগের জন্য প্রযোজ্য মনে হয়।

গৌতমের প্রথম আলোতে প্রকাশিত লেখাও প্রকাশ হওয়ার ৭২ ঘন্টার আগে প্রথম আলো পত্রিকাতে ছাপা হয়েছে, কনফুসিয়াসের গল্পটাও গুরুচন্ডালীতে প্রকাশিত হওয়ার পরে সচলে এসেছে,

যাই হোক, এটা নিয়ে বিবাদ নেই, উদাম করে নিয়মের নীতিকথা শুনতে ভালো লাগে না।

চমৎকার লেগেছে লেখাটা-
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, আপনাকে ...

গৌতমদা বলে ফেলেছেন যদিও ... প্রিন্ট মিডিয়ায় পূর্ব-প্রকাশিত লেখা সচলে দেয়া যায় ... যেমন ফারুক ওয়াসিফের প;রথম আলোর কলামও সচলে দেয়া থাকে

২৭. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:৪২
গৌতম রায় বলেছেন: রাসেল ভাই, আমি যদ্দুর জানি, প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রকাশিত লেখা সচলে সাথে সাথেই পোস্টানো যায়। কিন্তু অনলাইনে বিশেষত অন্য কোনো ব্লগে লেখা পোস্টানোর ৭২ ঘণ্টা পার না হলে সেটা সচলে দেওয়া যায় না।
২৮. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:০৪
রাতমজুর বলেছেন:
আমিরখাঁ কমপ্লেক্স নিয়া কিছু লিখেন বস।
ভাবেসাবে মনে লয় এইবারে পাকিস্তান টার্গেট।
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:৫৩

লেখক বলেছেন: আমির খাঁ কমপ্লেক্স? আমি কি কিছু মিস করতেছি নাকি বস্?

২৯. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২২
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: ব্রিটিশরা জাতি হিসাবেই কূটনামীতে পারদর্শী। যখনই লাত্থি খাইয়া ভাগার টাইম হইছে, দিছে গিট্টু লাগায়। ওই গিট্টুতে ধর্ম ইস্যুতে উপমহাদেশ তিন ভাগে ভাগ হইলো। যেখানেই ব্রিটীশ গেছে, গিট্টু পাকায় আসছে। শুধু মাত্র আমেরিকানরাই সাদা-কালো ইস্যু ভুইলা গিট্টু মুক্ত হইয়া এক থাকতে পারছে। এখন আমেরিকার পুডল হইয়া ল্যাঞ্জা নাড়াতে নাড়াতে ব্রিটিশদের দম শেষ!
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:৫৫

লেখক বলেছেন: পুরা বৃটিশ জাতিকে দোষ দেওয়া যায়না, তবে পলিসিমেকারগুলা আসলেই বদ ;) ... তবে বস্, এখনকার আমেরিকাকে বাইরে থেকে দেখে যত "এক" মনে হয়, আসলে তা না মনে হয় ... একটা ওয়াল আছে ... আমেরিকার ব্রাজিল হইতে এখনও সময় লাগবো

৩০. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:২৬
নরাধম বলেছেন:
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বস্।
গুজব শুনলাম, আপনের নাকি জন্মদিন? ... হোক না হোক, শুভ জন্মদিন


না হইলেও শুভ জন্মদিন দিলেন ভাইজান???!! হাহহাহাহ.......থ্যাংকু। জন্মদিন ঐদিন ছিলনা অবশ্য।

সচু কমপ্লেক্স নিয়ে কিছু লিখেন এবার। এরা এরকম এলিটিস্ট মেন্টালিটি নিয়ে থাকে কেন? আবার এরাই আর্মী বা অন্যদের এলিটিস্ট মেন্টালিটি নিয়ে লেখালেখি করে। সামু'র জন্য এক নিয়ম, গুরুচন্ডাল নিয়ে অন্য নিয়ম কেন?

২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:৫১

লেখক বলেছেন: আমি তো আসলে সচলায়তনের নীতিনির্ধারক না ... নীতির ব্যাপারে হয়তো সচলের মডুরা ভালো বলতে পারবেন

তবে সচলায়তনের নীতিকে আমার কাছে কমপ্লেক্স মনে হয়না ... আমার ধারনা (পুরোটাই আমার ব্যক্তিগত ধারনা), কোনভাবেই যেন ট্রোলিংয়ের শিকার না হয়, সেজন্যই সচলায়তনের সদস্যপদ পাওয়া এত কঠিন আর সময়সাপেক্ষ, যাতে কেউ বহুকষ্টে লব্ধ সদস্যপদটিকে উল্টাপাল্টা কাজ করে নষ্ট না করে দেয় ... ;)

৩১. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:৫২
বাঙ্গাল বলেছেন: একটা সিনে আছে...আমেরিকান দম্পতি স্লামডগ পিচ্চি হিরোকে(মার খাবার পর) ১০০ডলারের নোট দেয়। সেখানে ডায়ালগটা শিল এরকম"শো হিম আমেরিকা"---এমন একটা ভাব তেনারা সারা দুনিয়ায় ন্যায় শাসন আনছেন...বাকিরা সব জালিম।
---------------------------------------
হস্তীভক্ষন ও বিদ্যুৎখাতের স্টিকী পোষ্টঃ ডিবাংক
২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:৫২

লেখক বলেছেন: ভালো জায়গায় পয়েন্ট করছেন ... এখন মনে করে দেখলাম, আসলেই হামবড়া ডায়লগ

৩২. ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:৫৫
রাতমজুর বলেছেন:
আমির খাঁ = আম্রিকা ;)
২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:০৫

লেখক বলেছেন: হা হা হা হা ... পেট ফাইটা যাচ্ছে ... হা হা হা

৩৩. ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:১২
মেহবুবা বলেছেন: শিরোনাম যথার্থ , লেখাকে মূল্যায়ন করা গেল সহজে । ধন্যবাদ ।
২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:২৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৩৪. ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:১৩
ফারহান দাউদ বলেছেন: "কোনভাবেই যেন ট্রোলিংয়ের শিকার না হয়, সেজন্যই সচলায়তনের সদস্যপদ পাওয়া এত কঠিন আর সময়সাপেক্ষ, যাতে কেউ বহুকষ্টে লব্ধ সদস্যপদটিকে উল্টাপাল্টা কাজ করে নষ্ট না করে দেয় "--
বস্,এইটা তো তাইলে হিটলারি মনোভাব হইলো,অনার্যরা আইসা যাতে আর্য রক্তরে দূষিত না করে।
২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:২০

লেখক বলেছেন: ঠিক আর্য-অনার্য ফাইট তো এইটানা ... ট্রোলিং ঠেকাতে একেকজনের একেক স্ট্রাটেজী থাকতেই পারে ...

৩৫. ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:২০
হাসান বায়েজীদ বলেছেন: "২." থেকে এক নি:শ্বাসে পড়লাম...লা-জওয়াব+++
২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:৪২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ... "১" এর পর কি দম নিতে হয়েছিলো?

৩৬. ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:২৮
ফারহান দাউদ বলেছেন: একটা দেশে হাজার রকমের মানুষ থাকতে পারে,তার মানে তো এই না যে দেশে খালি পরীক্ষা দেয়া মানুষ ছাড়া বাকি সবার জন্য দরজা বন্ধ করে দেয়া লাগবে। আপনি তো বাংলাদেশের নাগরিক,আপনি কয়টা পরীক্ষা দিয়ে এই নাগরিকত্বের সার্টিফিকেট নিয়েছেন? মুক্তচিন্তাকে রুদ্ধ করার জন্য এরচেয়ে এলিটিস্ট স্ট্র্যাটেজি আর ২টা দেখি না।
"দ্বার বন্ধ করে দিয়ে ভ্রমটাকে রুখি,
সত্য বলে,আমি তবে কোথা দিয়ে ঢুকি?" :)
২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:৪৮

লেখক বলেছেন: সচলায়তন তো দেশ না ... অবশ্যই এই কঠিন সদস্যপদ সিস্টেমের কারণে সচলায়তনকে কিছু ছাড়ও দিতে হচ্ছে ... যেমন ভালো ভালো অনেক লেখকই হয়তো সেজন্য সচলায়তনে লিখছেননা ... সেটার বিনিময়ে পরিবেশ সংরক্ষণকে তারা প্রায়োরিটি দিচ্ছে
সামহোয়ার ভালো লেখক থেকে নিজেদের বঞ্চিত করার পদক্ষেপ নিচ্ছেনা ... বিনিময়ে পরিবেশ নষ্ট হওয়াকে কিছুটা মেনে নিয়েছে

সবই ট্রেড অফের ব্যাপার ... সময়ই হ্যতো বলে দেবে কম্যুনিটি ব্লগিংয়ের জন্য কোন তরীকাটা বেটার ;)

৩৭. ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:৫৮
হাসান বায়েজীদ বলেছেন: 'না', তয় স্কিড কৈরা পর্ছি;)
২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:২৬

লেখক বলেছেন: ভালো নাম দিছেন তো ... স্কিড কইরা পড়া!!

৩৮. ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:০৯
ফারহান দাউদ বলেছেন: সচলায়তন,যতদূর জানি,প্রথম ঘোষণায় নিজেদের "রাইটার্স ফোরাম" দাবী করসিলো,সেই ক্ষেত্রে এই এলিটিজমের একটা ব্যাখ্যা পাওয়া যায়,এখন তারা নিজেদের কম্যুনিটি ব্লগ বলে দাবী করে কিনা জানি না(যেহেতু নিয়মিত পড়লেও দলে ভেড়ার চেষ্টা করি নাই ভয়ে,ওখানে সবাই ভালো লেখে।)। কম্যুনিটি বললেই কিন্তু আপনার ঐ দেশের ব্যাপারটাও চলে আসে,শুধু সুশীল বা জ্ঞানী না,সমাজে ম্যালা আমজনতা এমনকি চোরবাটপাড়ও থাকে।
২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:২৭

লেখক বলেছেন: যতদূর জানি এখনও রাইটার্স ফোরামই বলা হয় ...

৩৯. ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:১০
ফারহান দাউদ বলেছেন: এই যে ট্রোলিং আটকানোর নামে কঠোর যাচাই পদ্ধতি,এটাকেও "দ্য গ্রেট সচলায়তন কমপ্লেক্স" নাম দেয়া যায়,কি বলেন? :)
২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:২৮

লেখক বলেছেন: নাহ, কমপ্লেক্স মনে হয়না ... স্ট্র্যাটেজী বলতে পারেন

৪০. ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:২৪
ফারহান দাউদ বলেছেন: অফ টপিক: বাংলাদেশ হারসে,২-১ গোলে :(
২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:২৯

লেখক বলেছেন: আহহা!!! :(

৪১. ০৬ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১২:৫২
ফেরারী পাখি বলেছেন: আমার এক বৃটিশ কলীগ ছিল, এইটা ঠিক আপনার বর্ণিত মুরুব্বীর মত ছিল। কথায় কথায় দিনের মধ্যে পঞ্চাশবার মনে করায় দিত সে বৃটিশ।

তখন ভেবেছিলাম, একজন দুজন এরকম হতেই পারে------------- কিন্তু আজ আপনার বক্তব্য থেকে নয় শুধু, যে দিন মানুষের জোয়ার দেখলাম এই ব্লগেই--"স্লামডগ না দেখলে জীবনই বৃথা টাইপের অবস্থা" সেদিন নিজে দেখতে বসে পুরোটা দেখতে পারি নাই।

কারণ নাম নিয়ে তো আপত্তি ছিল, আপত্তি ছিল আরও অনেক কিছুতেই।
যাহোক, আপনার এই সামগ্রিক লেখায় যে বিষয়টাতে দৃষ্টিপাত করেছেন---তা অস্বীকার করার কোন উপায়ই নেই।
ওরা বেনিয়ার জাত।
০৬ ই মে, ২০০৯ দুপুর ২:৪৭

লেখক বলেছেন: বেনিয়ার জাত বা পুরো বৃটিশ জাতি এরকম একটা রোগে ভুগছে -- সেটা আমি বলছিনা, বা একমতও নই। এসব নিয়ে মাথা ঘামায়না এমন বৃটিশও আছে। কথা হলো, ব্যক্তি বা সংগঠন পর্যায়ে বৃটিশদের দ্বারা যখন অন্য উঠতি জাতিদের হেয় করার প্রবণতাটা দেখা যায়, তখন সেখানে একটা কমপ্লেক্সের সন্ধান পাওয়া যায় কিনা -- সেই আলোচনাতেই এটাকে সীমাবদ্ধ রেখেছি।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০১৪৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
কি করার কথা কি করছি,
কি লেখার কথা কি লিখছি!
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ