আমার প্রিয় পোস্ট
- গত ৫ বছরে চালের দাম দ্বিগুণ - মারদাঙ্গা
- প্রখ্যাত ব্লগার দিনমজুর ও সোশ্যাল মিডিয়া এক্টিভিস্ট ফিরোজ গ্রেফতার! সোশ্যাল মিডিয়া মুভমেন্ট আপরাইজিং! - কৌশিক
- ক্ষুধার্ত থেকো, বোকা থেকো (কপি-পেস্ট পোস্ট) - বল্টু মিয়া
- জয় হোক বাংলা ভাষার, জয় হোক বাংলা ব্লগের: আলী মাহমেদ - নোটিশবোর্ড
- ভয়ঙ্কর এক সংখ্যার জন্ম, নিষ্ঠুর এক খুনের গল্প (শেষ পর্ব) - ম্যাভেরিক
- লগোদের বির্বতনবাদ - জেরী
- বাপেক্স/পেট্রোবাংলাকে নিয়ে যতসব মিথ ও তার জবাবে .... - দিনমজুর
- গ্যাস উৎপাদন কে করবে? - দিনমজুর
- বাংলাদেশে তেল/গ্যাস অনুসন্দ্ধানের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস এবং গ্যাস সংকটের প্রেক্ষিত। - মনোয়ার আহমদ
- সাগর বক্ষে গ্যাস ব্লক ইজারার উদ্দেশ্য গ্যাস সংকট মোকাবেল না রফতানি? - ভিন্ন চিন্তা
- গ্যাস ব্লক ইজারা: এবার সাগর লুটের লাগলো ধুম - দিনমজুর
- হিরোশিমা দিবস ঃ আধুনিক সভ্যতার এক কলংকজনক অধ্যায়। - ভিন্ন চিন্তা
- সেলিব্রিটি সিনড্রোম - ফারহান দাউদ
- জায়নিস্টদের অবিসংবাদিত নেতা এবং ইসরায়েলের প্রথম রাষ্ঠ্রপতি ডঃ চ্যাইম ওয়াজম্যানের সাথে ইসরাইল প্রতিষ্ঠা বিষয়ে কথোপকথন। - নরাধম
- বাজেটে পিপিপি :পাবলিক-মানি টু প্রাইভেট পকেট?- ১ম কিস্তি - দিনমজুর
- ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত ডিএমসির ছাত্রী নাহিদা মৃত্যুর প্রহর গুনছে - অণৃণ্য
- পুরান আর রূপকথা নিয়ে আরও কিছু কথা... - খারেজি
- বাংলাদেশের মানুষের মন - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- সচলায়তন ব্লগের কয়েকটি ইবুকের সরাসরি ডাউনলোড লিংক - সাদাচোখ
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার রোধে আন্তর্জাতিক চাপ - রেজওয়ান
- ৮০০তম পোষ্টঃ কিছু আবোল-তাবোল কথা - এস্কিমো
- ব্লগ এবং পত্রিকায় পাওয়া প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনাগুলোর সঙ্কলন - আতিকুল হক
- এসো ৭১ এর গল্প শোনাই সবাই মিলে - জ্বিনের বাদশা
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই-১: একটা কমিশন গঠনের কাহিনী - শওকত হোসেন মাসুম
- আর কত মেরে থামবে শিকার, গণচিঠি দিন দেশে দেশে (আপডেটেড) - কাকশালিখচড়াইগাঙচিল
- ইজরায়েলের জবানবন্দী:: তেলআবিবে বিপন্ন মানবতা আর আত্মরক্ষার অধিকার !! - মেহরাব শাহরিয়ার
- চাইনিজ ভেজিটেবল কিভাবে রান্না করবেন। - জরিণা
- কাচ্চি বিরিয়ানী রেসেপি - মাহবুব সুমন
- জনস্বার্থের পোস্ট: ব্লগে আপনার নিজের সেরা লেখা কোনটি? (সবার অংশগ্রহন বাধ্যতামূলক)
- জ্বিনের বাদশা
- একাত্তরের গণহত্যা ও নারী নির্যাতনঃ কিছু সাক্ষীর বয়ান - রাশেদ
- অভিশপ্ত এই খুনীদেরও চিনতে হবে ঘৃণাভরে... - অমি রহমান পিয়াল
- সেই কালোরাতে ইথারে খুনীরা যা বলেছিলো.... - অমি রহমান পিয়াল
- মুক্তিযুদ্ধের কিছু প্রামান্য বইয়ের তালিকা - ফারহান দাউদ
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী (১৯৪৭-৫৬)। উৎসর্গ - সকল ভাষাশহীদকে - মিরাজ
- একটি সত্যিকার [অ]রম্য গল্প: নাটকের বিবর্তন , প্যাকেজ বিপ্লব , এবং একজন বিপ্লব-প্রত্যক্ষদর্শীর জবানবন্দি - মেহরাব শাহরিয়ার
- ফিলিস্তিন সংকটের কারন - এ মাস্ট ওয়াচ ভিডিও - আবূসামীহা
- এক রাত্রির গল্প - রক্তিম
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ৎৎ হবে না কেনো, হবে ... - হাসান মোরশেদ
প্রসঙ্গ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার : মে মাস তো চলে গেলো! দিন যায় কথা থাকে ...
০২ রা জুন, ২০০৯ দুপুর ২:৩৫
১.
কথা ছিলো মে মাসেই আসবে, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে সরকারের নীতিমালা আর দিকনির্দেশনা, সত্যিকারের খাঁটি কিছু আশা। মে মাস শেষ হয়ে গেলো, একত্রিশটি দিন এক এক করে চলে গেলো! তবে কি বসে বসে "দিন যায় কথা থাকে ..." গানের সুরটা ভাজতে হবে এখন?
ফখরুদ্দিন আহমেদের তত্বাবধায়ক সরকারের একের পর এক ব্যতিক্রমধর্মী পদক্ষেপ থেকে উদ্ভুত আশা আর একই সময়ে জামাত-শিবির নেতাদের নির্বিকার স্বাধীনতাবিরোধী বক্তব্য আর মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান করার মতো স্পর্ধা-প্রদর্শন -- এদুয়ের মিলনে গণমানুষের প্রাণে নতুন করে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীটি জেগে উঠেছিলো, এখনও আছে। নির্বাচনের সময় জোরগলায় সেই দাবীর পক্ষে দাঁড়িয়ে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোট ক্ষমতায় এসেছে; যুগপৎ, যুদ্ধাপরাধীতে ভরপুর জামাত শিবিরের সাথে সাথে এর স্যাঙাৎ বিএনপির ঐক্যজোটের চরমতম ভরাডুবিও হয়েছে। তাই নির্বাচনের পর আমরা আশায় বুক বাঁধলাম যে গোলাম আজম, নিজামী, সাঈদী থেকে শুরু করে ৭১ এর গণহত্যার এদেশীয় মূল হোতা বা দালালগুলোকে অন্ততঃ এবার সর্বোচ্চ শাস্তি পেতে দেখবো। কারণ এটা ছিলো মহাজোটের নির্বাচনী ম্যানিফেস্টোর টপ প্রায়োরিটি আইটেম।
২.
এখন দেখা যাক বর্তমান সরকার এসে এপর্যন্ত এ বিষয়ে কি কি করলেন। তারা কি আদতে কিছু করছেন, নাকি আমাদের শুধু কিছু মধুর মধুর কথা শুনিয়ে যাচ্ছেন?
প্রথমে তারা ঘোষনা দিলেন জাতিসংঘে এই বিচারের বিষয়টা তুলবেন। ব্যক্তিগতভাবে আমি একদমই বুঝিনি কেন এই অপ্রয়োজনীয় আয়োজন! এই যুদ্ধাপরাধীরা এদেশের নাগরিক, এরা অপরাধ করেছে এই দেশের মাটিতে, স্বাধীন বাংলাদেশে বসে বিদেশী সেনাবাহিনীর সাথে ষড়যন্ত্রে মেতে গণহত্যাসহ সম্ভব যাবতীয় অপকর্ম চালিয়েছে নয় মাস! এদের শাস্তির জন্য জাতিসংঘের শরণাপন্ন হতে হবে কেন? তাও ভাবলাম, যদি জাতিসংঘের সহযোগিতায়ও বিচারটা হয়ে যায়ই, মন্দ কি? কিন্তু, কিছুদিন পর জানা গেলো, জাতিসংঘে আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হতে পারে শুধু ১৯৯৭ অথবা ১৯৯৮ (ঠিক মনে নেই) সালের পর সংঘটিত অপরাধের বেলায়! অপ্রাসঙ্গিক হলেও বলে রাখি, জাতিসংঘ পৃথিবীতে ন্যায়-প্রতিষ্ঠার জন্য আছে, না কারো এজেন্ডা বাস্তবায়নে ব্যস্ত আছে সেটা আমরা গ্লোবাল জনগণ ভালোই জানি, সেজন্যই শুরুতে সরকারের জাতিসংঘ নিয়ে টানাটানিতে অবাক হয়েছিলাম।
এরপর কিছুদিন ধরে এক ধরনের তামাশা দেখা গেলো পত্রিকাগুলোতে। সম্ভবতঃ জনসাধারণেরই কেউ কেউ "যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবার হবেই হবে" এরকম আশায় বুক বেঁধে নিজ নিজ এলাকার কুখ্যাত কোন কোন রাজাকার/শান্তিকমিটির লোকের নামে মামলা করেছিলেন। এই যে রাজাকার/শান্তিকমিটির লোক-- এরাও ঘৃণিত, ঠিক আছে; কিন্তু শুধু এদের শাস্তি দিলে কি আদতে কোন ক্ষোভ মিটবে? শুধু এজন্য কি জনতার মনে দাবী উঠেছিলো? অথচ পত্রিকাগুলো "যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের পালা শুরু হয়ে গেছে" এমন একটা নিউয়ান্স দেবার চেষ্টা করে তৃপ্তির ঢেকুর তোলার চেষ্টা করলো! পত্রিকাওয়ালারা এটাও খেয়াল করেননি যে এই মামলাগুলো হয়েছে সাধারণ আদালতে, যেটার বিরোধিতা কিনা খোদ সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম (বর্তমান দাবীর মূল প্লাটফর্ম) করে আসছে শুরু থেকেই।
একইসাথে বিডিআর সমস্যা, "খালেদা জিয়া কয়টি রাজপ্রাসাদে থাকবেন টাইপের ফালতু বিতর্ক" -- এরকম নানাবিধ কারণে দেখলাম আমাদের জনগণের মাঝ থেকে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীর বিষয়টা কর্পুরের মতো হাওয়া হতে শুরু করছে। তাও খানিকটা টিকে ছিলো, এখানে ওখানে আলোচনায় আসছিলো। আমি ভাবছিলাম এ কাজে এত সময় নিচ্ছে কেন? কিছুটা চিন্তিত ছিলাম।
সেকারণে গত এপ্রিল মাসে সরকার যখন ঘোষণা দিলেন যে মে মাসের মধ্যেই সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ব্যাপারে কনক্রিট একটা ধারণা আমাদের জনগণকে দিতে যাচ্ছেন, আমরা আশ্বস্ত বোধ করি। আমাদের ধারণা ছিলো 'কারা কারা বিচারের সম্মুখীন হতে যাচ্ছে', 'কোন রূপরেখার ট্রাইবুনালের অধীনে এদের বিচার হবে' -- এসব তথ্য আমরা জানবো। আসল অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে -- এটুকু নিশ্চয়তা না পেলে জনগণেরই বা মন মানবে কেন? কারণ, আমরা নিশ্চয়ই এই প্রহসন দেখতে চাইবোনা যে, নোয়াখলীর কাঁঠালপুর গ্রামের করিমুদ্দিন আর রাজশাহীর কমলাগঞ্জ গ্রামের রহিমুদ্দিন টাইপের শ'খানেক বুড়োকে ধরে ঝুলিয়ে দিয়ে, "যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়ে গেছে" বলে হাত ঝেড়ে ফেলা হয়েছে!
অথচ, মে মাসটা এমনি এমনিই চলে গেলো। গত ক'মাসে যা অবসর পাই ব্লগেই ঢুকতাম, পেপারও পড়া হতোনা। এই মাসটুকু আমি প্রথম আলো চেক করেছি প্রতিদিন। এই আশা নিয়ে যে আজ হয়তো দেখবো, সরকার ঘোষনা করেছে ৭১ এ যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্তদের, কোন ধরনের ট্রাইবুনালের মাধ্যমে এদের শাস্তি হবে সেটা প্রকাশ করেছে, সর্বোচ্চ শাস্তি কি হবে তা জানিয়েছে। পাঠক, বিশ্বাস করুন, মে'র ৩১ তারিখেও আমি আশাটুকু জিইয়ে রেখেছিলাম। কিন্তু কিছুই দেখা যাচ্ছেনা, শুধু "দিন যায়, কথা থাকে।"
৩.
ক্ষমতারোহনের পর গত চারমাসে সরকারের পারফরম্যান্স তেমন ভালো না; সন্ত্রাস আর দূর্নীতি ইতোমধ্যেই জেঁকে বসছে, সাথে আছে বিডিআর সমস্যা, বিদ্যুৎ সমস্যা, আরো কত কি! পূর্বের অভিজ্ঞতা থেকে বলা যায় ভবিষ্যতে এই পারফরম্যান্স আরো খারাপের দিকেই যাবে। দানা বাঁধবে নানান সমস্যা, এরমধ্যেই একের পর এক চলে আসছে, বিশেষ করে ভারত সম্পর্কিত ইস্যু যেটা আওয়ামী লীগের জন্য এক ধরনের অস্বস্তি সৃষ্টি করে, যেমন, টিপাইমুখ বাঁধ, এশিয়ান হাইওয়ে, করিডোর, গ্যাসবিক্রী -- এটা সেটা! শুরুটা যে বিশাল জনসমর্থমন নিয়ে মিষ্টিমুখে হয়েছে, সেই হানিমুন হানিমুন ভাবটা কিন্তু আর থাকবেনা, কে জানে, হয়তো চলেই গেছে এরমধ্যে।
এদিকে ধুরন্ধর জামাত শিবিরওয়ালারা কিন্তু তক্কে তক্কেই আছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার যত পেছাবে, এদের ঝামেলা বাঁধাবার উপকরণ তত বাড়বে। সরকারকে যেটা মনে রাখতে হবে তা হলো, আসল গণদাবী যেসব, সেগুলোতে জামাত এসে সাথে জুটলেও কিন্তু জনগণ সেখান থেকে পিছিয়ে আসবেনা; জামাতীরা সুষ্ঠু বিদ্যুৎপ্রবাহ দাবী করলে কিন্তু জনগণ এদের ঘৃণা করে বলে এটা বলবেনা যে "যেহেতু জামাতীরা বিদ্যুৎ দাবী করছে, আমরা তার উল্টোটা করবো, মানে আমাদের বিদ্যুতের দরকার নেই"। বরং লাভের গুড় জামাতের কোলে যেতে পারে, জনগণের দাবীর সাথে গলা মিলিয়ে তারা ক্যামোফ্লেজ নিয়ে ফেলতে পারে। সরকারের কাছে আমাদের প্রশ্ন, জামাতকে সে সুযোগ তারা দেবেন কিনা?
সরকারের স্ট্রাটেজী যদি কপট হয় তাহলে জামাতকে সে সুযোগ দিলে তাদের একটা সুবিধা অবশ্য হয়। যেমন, সরকার এটা ভালোই জানে যে যেহেতু জামাত মহাজোট বিরোধী, তাই সরকারের বিরুদ্ধে যায় এমন সব ইস্যুতেই জামাত আন্দোলন করবে। তখন মানুষের জামাতবিরোধী মনোভাবকে পুঁজি করে সরকারী দল বলবে যে এই আন্দোলনের ইস্যুটা অবান্তর, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীকে ম্লান করতেই জামাত এটা নিয়ে মাতামাতি করছে। কিন্তু যেটা সরকারকে মনে রাখতে হবে সেটা হলো, জনগণ এত বোকা না!
৪.
মে মাস শেষ হয়ে গেছে বলে বিচারের সব আশা শেষ, সেটা আমি মনে করিনা। আমি হতাশ সরকারের এই গা ঢিলা ভাবটা নিয়ে। "করি করি করে আর করা হলোনা" -- এটা আমাদের দেশে প্রকট। আমাদের দেশে নিয়মই এটা, যারাই কর্তৃপক্ষ হয়, তাদেরি গায়ে এক ধরনের দুষ্প্রাপ্য চর্বি গজায়। সেই চর্বির প্রভাবেই তাঁদের নড়নে-চড়নে এক অদ্ভুত রকমের ঢিলেমী চলে আসে। এই অনুশীলনটা আমাদের জাতিগত স্বভাব, সবস্তরেই এটা আমি দেখেছি। তাই আমরা ঘরপোড়া গরুরা, এখন সিঁদুরে মেঘ দেখলেই ভয় পাই। "দিন যায় কথা থাকে" টাইপের ঘটনা আমরা এদেশের বিচারকার্যে দেখে অভ্যস্ত; আমাদের সরকারদেরও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, টিভির স্বায়ত্বশাসন -- এধরনের অনেক প্রসঙ্গেই একই চালে চলতে দেখা গেছে। সেজন্যই ভয় হয়, আমাদের এই দাবীটা যাতে সরকারি খানদানি দীর্ঘসূত্রিতায় পর্যবসিত না হয়।
একটা ঘটনা বলি, ছোটবেলার। তখন সম্ভবতঃ সিক্স-সেভেনে পড়ি, একবার বাসার ফ্যান নষ্ট হয়ে গিয়েছিলো। মামা নতুন একটা ফ্যান এনে লাগালেন, তাও ঘোরেনা! বোঝা গেল সার্কিটে সমস্যা। গেলাম বিদ্যুৎ বিভাগের অভিযোগ গ্রহনের অফিসে। কলোনীর পাশেই ছিলো সেটা। রুলটানা ভারী এক খাতায় কলম ঘষে ঘষে একজন তুলে রাখলেন সমস্যাটা, আশ্বাস দিলেন পরদিনই আসবেন। পরদিন সারাদিন গেলো, গরমে কষ্ট পেলাম বাসার সবাই মিলে, ইলেকট্রিশিয়ান এলেননা। ভাবলাম ভুলে গেছে, পরদিন সকালে স্কুলে যাবার আগে আবার গেলাম ঐ অফিসে। এবারও সেই একই ভদ্রলোক, তাও নতুন করে সব খুলে বলতে হলো। এরপর যখন জানালাম যে অভিযোগটা দুদিন আগেই একবার করে গেছি, ব্যস্ত হয়ে খাতা উল্টে দেখলেন, তারপর ততোধিক ব্যস্ততার সাথে আশ্বাস দিলেন যে সেদিনই মেরামত করতে যাচ্ছেন। ভেবেছিলাম ক্লাস থেকে ফিরেই দেখবো ফ্যান ঘুরছে, অথচ সেদিনও ঘোরেনি। পরদিন আবার গেলাম, একই সময়ে, এবং স্কুল থেকে ফিরে দেখি, ফ্যান ঘুরছেনা। পরদিন আবারও, এবং একই ঘটনা। এটা চলতেই লাগলো, আমার অদৃষ্ট হয়ে গেলো প্রতিদিন স্কুলে যাবার আগে ঐ অফিসে হানা দেয়া।
পাঠক হয়তো বিশ্বাস করবেননা, কিন্তু জীবনের বিষাক্ততম একটা অভিজ্ঞতা হবার কারণে এখনও সংখ্যাটা মনে আছে; মোট বারোদিন যেতে হয়েছিলো আমাদের; আমার পর মামা গেলেন দু'চারদিন, তারপর বাবাও গেলেন, কাজ হয়নি। শেষে একদিন এলাকার নেতাগোছের এক আঙ্কেলকে ধরে নিয়ে গেলাম; করিৎকর্মা লোক এই আঙ্কেল, একেবারে রিয়াল টাইম প্রসেসিংয়ের মতো ইলেকট্রিশিয়ানকে ধরে নিয়ে আসলেন বাসায়, ফ্যান ঠিক করিয়ে তবেই ছাড়লেন।
উপরের উদাহরণের ইলেকট্রিশিয়ান কিন্তু কোন রাগ থেকে বা লোভ থেকে যে ফ্যান ঠিক করতে যাননি তা না, তিনি যাননি শুধুই অবহেলার কারণে। যে মুহূর্তে তিনি বুঝলেন আমরা ফ্যানের বাতাস খেতে তার ওপর নির্ভরশীল, দুষ্প্রাপ্য সেই চর্বি তার শরীরে গজিয়ে গিয়েছিলো। আজ যাবো, কাল যাবো করে আর যাওয়াই হয়না। এই চর্বির একমাত্র ঔষধ হলো "নেতাগোছের আঙ্কেল"।
আমরা সাধারণ মানুষেরা সরকারকে বারবার মনে করিয়ে দিয়ে একসময় যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করিয়েই ছাড়বো -- এই আশাটা এখনও বাঁচিয়ে রাখছে। তবে ভয়টা হলো, যদি এখানেও চর্বি গলাতে একজন নেতাগোছের আঙ্কেল লাগে, তবে সেই আঙ্কেল আমরা পাবো কোথায়?
---------------------------------------------------------------------------------
অফটপিক:
আজ তাজউদ্দিন আহমদের পুত্র সোহেল তাজ পদত্যাগ করেছেন বলে পড়লাম; সোহেল তাজ লোক কেমন জানিনা, শুধু মনে হলো, এটা কি কোন কুলক্ষণ?
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা জুন, ২০০৯ সকাল ১০:৩৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
জুল ভার্ন বলেছেন:
সোহেল তাজ কেমন লোক তা অনেকের মত আমিও জানিনা। তবে টিভি'তে ওনার অনেক ব্জ্র হুংকার শুনেছি(১৪ হাত মাটির নীচ থেকে সন্ত্রাসী খুঁজে বের করবে)। বডি ল্যাংগুয়েজে একটা মাস্তানী ভাব আছে। খুব বেশী কথা বলে-তার চাইতেও বেশী হাত পা এবং মাথা নাড়ায়। কথা বলার সময় নাকের ফুটো দুটো মাইকের মত ছড়িয়ে যায়!
লেখক বলেছেন: হা হা হা ... চমৎকার বর্ণনা দিলেন ... কিন্তু কি নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি হলো?
নিরক্ষর বলেছেন:
সবই রাজনীতি! এত তাড়াতাড়ি এই হট ইস্যু শেষ হলে তারপর? এক মেয়াদে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্ভব নয়। অতএব আরেকবার সুযোগ দেয়া হোক। আগামী নির্বাচনের সময় এ দাবী শুনতে পেলে অবাক হবেন না আশা করি।
লেখক বলেছেন: একমত নই ... রাজনীতি এটা না ... বিচারটা হবেই ...
তবে আমাদের জনগণের তাগাদা দিয়ে যেতে হবে ... আমি হতাশ সেটা ভেবে, আমার ধারণা ছিলো,এমরা হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকলেও চলবে ... এখন মনে হচ্ছে তা না
ফেরারী পাখি বলেছেন:
রবীন্দ্রনাথের একটা লেখা পড়েছিলাম, তিনি এক জায়গায় লিখেছেন- আমরা উন্নয়নের পালে যতটা ফুঁ দিতেছি তাতে গাল যতটা ফুলিতেছে পাল ততটা ফুলিতেছে না।যদিও কথাটা আপনার লেখাটার সাথে ততটা প্রাসঙ্গিক না তবুও বল্লাম এই কারণে যে, আমাদের দেশের যে কোন সরকার যে কোন বিষয়ে গাল ফুলিয়ে যতটা বলেন--- তার কণা মাত্র করতে পারেন না।
আপনি আমি আমজনতা যা বুঝি, যা খালি চোখে পরিস্কার দেখি------------ আমাদের নেতা নেত্রী আন্কলরা তা কোনভাবেই দেখতে পান না।
লেখাটা যথারীতি যথেষ্ট ভালো লেগেছে মানে আবেদন রেখেছে।
যুদ্ধাপরাধীধের দ্রুত বিচার চাই---একটাই চাওয়া।
লেখক বলেছেন: "আমরা উন্নয়নের পালে যতটা ফুঁ দিতেছি তাতে গাল যতটা ফুলিতেছে পাল ততটা ফুলিতেছে না" -- বাহ এত ইনিয়ে বিনিয়ে যা বোঝাতে চাইলাম গুরুদেব এক কথাতেই সেটা সেরে ফেললেন!!
ধন্যবাদ ফেরারী পাখি
শিকস্তি বলেছেন:
গলাবাজি করেই দেশ চালাতে চায় বোধ হয় এবার । অন্তত, হম্বিতম্বি দেখে তাই মনে হচ্ছে । বিচার হবেনা - এটা লিখে রাখেন । যে নিজের বাবার হত্যার বিষয়টা ভোটের রাজনীতিতে ব্যবহার করে, সে যে এখান থেকেও ফায়দা নিতে চাইবে এ আর এমন কি ?তবু বলি বিচার হোক । পরবর্তি প্রজন্মের কাছে যেন আমাদের মাথা নীচু হয়ে না যায় ।
লেখক বলেছেন: দেখা যাক ... আমাদের জনগণের পুশ করে যেতেই হবে
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
শুনলাম, ক্রসফায়ার নিয়ে মত দ্বৈততা থাকার কারণেই নাকি পদত্যাগ করেছেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।
লেখক বলেছেন: তাই?
বাংলাদেশের প্যাটার্ণে অবশ্য এটাই স্বাভাবিক ... দোষ করে কোনদিন কোন মন্ত্রী পদত্যাগ করে নাই ... যারা করেছে দেখা গেছে আপোষহীনতার কারণে ![]()
আমি হনুমান বলেছেন:
যু অ হল আমরিকার লাদেন, পাকি র তালেবান, আর বাঙলাদেশের জঙলি সুতরাঙ এর কোন মৃত্যু নাই
এত বড় লেখা..... সময় নাই
লেখক বলেছেন: বাংলাদেশের জঙ্গী বলটে চাইলেন নাকি... হেরা আলাদা হিসাব
আগে ৭১ এর হিসাবটা চুকে যেতে দিন
মাহবুব সুমন বলেছেন:
আইওয়াশ ছাড়া কাজের কাজ কিছুই করা হবে না, পরবর্তি নির্বাচনী ইস্তেহারের জন্য ঝুলিয়ে রাখা হবে। এ ব্যাপারে আমি আশাবাদি নই। তবে হাঁক ডাক অনেক দেখা যাবে, এটা ঠিক। ( অনেক দিন জ্বিনের বাদশা মানুষের রুপ নিয়েছেন
লেখক বলেছেন: এটাকে যদি পরের নির্বাচনের ইস্তেহারের জন্য ঝুলায়া রাখে তাইলে সেইটা "মস্থহাড়" হইয়া গলায় আটকানোর সম্ভাবনাই বেশী ...
(জ্বিনত্ব শেষ হইয়া গেছে
... )
বাঙ্গাল বলেছেন:
ইলেকশনের সময় ফেসবুকে একটা নোট লেখছিলাম "ভোটের ভাত কুত্তায় খায়!"। সেখান থিকা ২ লাইন কুট করলাম "শহীদ জননী জাহানারা ইমামের পর রাজাকার বিরোধী সংগঠনগুলান কি আসলেই রাজাকারদের বিচার চাইছিলো? নাকি এরা আমাগো sentiment রে cash কইরা ক্ষমতায় যাইতে চায়।এইটারে ভোটের issue বানায়া...বাচায়া রাখতে চায়? যেমন জুতাখোর বূশ চায় লাদেনরে বাচায়া রাখতে...জেরী না থাকিলে, টম কাহার পিছনে দৌড়াইবে?"
লেখক বলেছেন: বুঝলাম ... তয় বেশীদিন ধইরা জেরীর পিছে টম দৌড়ালে যে টম আর কোনদিন জেরীরে ধরতে পারবোনা সেইটাও মানুষ বুঝে ... কাজেই এবার হিসাব এত সহজ হবেনা ... নতুন প্রজন্ম বইলা কথা
সরকার সেলিম বলেছেন:
পোষ্টে+ দিলাম। তবে একটু আলোচনা করতে হবে আর কি: কিছু দিন আগে কোন এক বড় মাপের সাবেক শিবির নেতা আর বর্তমানে জামাত নেতা, সম্পর্কে আমার বন্ধু মানুষ, কথা হচ্ছিল তার সাথে আর প্রসন্গ ছিল যুদ্ধাপরাধীদের বিচার। তাদের বিশ্বাস হলো: যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সরকার করুক বা না করুক, দুইটাই সরকারের জন্য হিতে বিপরিত হবে। আর এই ২ ক্ষেত্র থেকেই জামাত তার রাজনৈতিক ফায়দা নিবে। প্রথমত: জামাতের বিশ্বাস, নিরপেক্ষ বিচার হলে জামাতের তথাকথিত অভিযুক্ত নেতারা ছাড়া পাবে আর সেই ক্ষেত্রে জামাতের জন্য এইটা সাপে বর হবে। ২য়ত: আর যদি বিচার নিয়ে সরকার টালবাহনা করে সেটাও তাদের জন্য ভালো। জনগনকে তারা তাদের কথা বলবে, ছিল তাদের নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ।
তারপর জামাতের বিদেশ লবিং তো আছেই।অনেক সময় দেখা যায়, অয়ামলীগ এর চেয়েও সম্পর্ক টা জামাতের সাথে ভালো। বিশেষ করে বাংলাদেশ যাদের উপর নির্ভর করে সেই সমস্ত দেশ। যেমন-মিডল ইষ্ট, মালেশিয়াও আমেরিকার ক্ষেত্রে। আর পাকিস্হান তো ইতিমধ্য আমেরিকার উপর চাপ শুরু করেছে তা তো সংবাদ মাধ্যমেই প্রকাশ।এতসব আর কি?
তবে যাই হক আমার বিশ্বাস, সরকার এই ইস্যুটা ঝুলে রাখবে পরবর্তি নির্বাচনের জন্য। যেমন বংগবন্ধু হত্যা মামলা। আর আওয়ামলীগ রাজনীতি করে ইস্যু পুজা করে, ইস্যু তৈরি করে, ইস্যু জমিয়ে। সেই টা বলার অপেক্ষা রাখেনা!! ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: সৌদি আরবের লবিং থাকলে ঝামেলা হবে হয়তো ... তবে সেক্ষেত্রে আমরা দাবী করবো যে সেটা জনসমক্ষে প্রকাশ করা হোক ... কিন্তু সৌদিরে এত ভয় পাওয়ারও কোন কারণ নাই ... আমাদের শ্রমিকদের ছাড়াও ওদের দেশ অচল
এনটিভি তে সোহেল তাজের একটা সাক্ষাৎকার দেখেছিলাম ৮/৯ দিন আগে । সুপন রায়ের একটা প্রশ্নের উত্তরেও অ্যালাইনমেন্ট ঠিক রেখে উত্তর দেননি । প্রশ্ন যাই হোক উত্তর ছিল একটা ......."কুমির একটি উভচর প্রাণী , কুমির ভয়ঙ্কর" । স্টাইলিশ ভঙ্গিতে দেয়া পুরো ৩০ মিনিটের সাক্ষাৎকার দেখে আমি হতাশ , হতোদ্যম , দুর্বল বোধ করছিলাম । সুপন রায়ের অবস্থা কি হয়েছিল , তিনিই ভাল বলতে পারবেন ।
লেখক বলেছেন: হুমম বর্ণনা শুনে বুঝলাম উনি বেশ রাফ টাইপের লোক ... কিন্তু আমারব্লগে একজন বললেন ক্রসফায়ার নিয়ে মতানৈক্যে পদত্যাগ করেছেন ... আমারও ধারনা কোন সমস্যা থেকেই এই পদত্যাগ ... আরেকটু ভেঙে বললে সরকারের উপর আর্মির প্রভাবের ব্যাপারটা হয়তো এখানে জড়িত
বিছাড় অইলেই তো যামাইট্যারা পাক-পবিত্র হয়া যাবো।
অগো বিচার করার কি আচে।
ফায়ারিং সকুয়াডে ফেলাইলেইতো অয়।
লেখক বলেছেন: ফায়ারিং স্কোয়াডে তো খারাপ হয়না ... যেমন কুকুর তেমন মুগুর ![]()
সুহেল ভাই এর বেশ কয়েকজুন ওয়াইফ আচে।
আমরিকাতেনো একজুন আচে।
আর গাজিপুরের কাপাচিয়াতে উনি মন্তি অওনের আগে সয়ং তেরাস চেলেন মাইনেক, সন্তরাসী
লেখক বলেছেন: বাপরে!!! ![]()
ওরাকল বলেছেন:
এক টার্মেই শেষ দেখতে চান ? তা হলে আপনাদেরকে হতাশ হতে হবে। এত বড় একটা ইশু এক টার্মেই শেষ হইয়া গেলে ত আওয়ামিলীগের রাজনীতি গোল্লায় যাবে !নূন্যতম দুই তার্ম তো লাগবেই .............. তার পরেও বিচার হোক .. একেবারে না হবার চেয়ে দেবিতে হওয়া ও ভাল।
এত মন খারাপ করার কোন কারন নেই .. এই মে তে হয় নাই তো কী হয়েছে .. আগামী মে ২০১১ তে নিশ্বই হবে ইনশাল্লাহ
লেখক বলেছেন: ঠিক কথা বিচার হইলেই হইবো ... তবে সময়ের সাথে সাথে কইলাম জটিলতা বাড়বো
আকাশ অম্বর বলেছেন:
...."করি করি করে আর করা হলোনা" -- এটা আমাদের দেশে প্রকট। আমাদের দেশে নিয়মই এটা, যারাই কর্তৃপক্ষ হয়, তাদেরি গায়ে এক ধরনের দুষ্প্রাপ্য চর্বি গজায়।....
দারুন কথা।
....কিন্তু সেই আঙ্কেল আমরা পাবো কোথায়?....
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার একটা প্রহেলিকা। স্বাধীনতা পরবর্তী প্রজন্ম হিসেবে জন্মের পর থেকেই তো কথাটা শুনে শুনে 'রূপকথা'র রূপ নিয়েছে। এই রূপকথা যদি বাস্তব জীবনে আসে, তখন শুধু অবাক হব মাত্র। বিস্ময়ে মাথা নুয়ে আসবে। বিশ্বাস করতে শিখবো অনেক কিছু।
আপাতত এই ব্যাপারে একজন সাধারণ নাস্তিক।
তবে কখনও হাল ছাড়বো না। রূপকথা শোনা বন্ধ করবো না।
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: আপনার শোনা রূপকথা সত্য হোক ... মন্তব্যটা ছুঁয়ে গেল
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাস্কর দা ... এই প্রথম ছবি দেখলেন?
আপনি ফেইসবুকে আছেন?
অচেনা সৈকত বলেছেন:
আওয়ামী লীগের কর্মকান্ডে আমি প্রচন্ডভাবে হতাশ। দলটি নিজেই নিজের কবর রচনা করছে।
লেখক বলেছেন: মোটের উপর আমি কখনই আশা করিনা আমাদের ক্ষমতাসীন দল অনেক কিছু করে উল্টাইয়া ফেলবে ... তবে এবার অন্ততঃ এই বিচারটা ঠিকমতো হোক এটা চাই
সরকার সেলিম বলেছেন:
শুভ জন্মদিন। Click This Link
জন্মদিন উপলক্ষেই কি ছবিটা লাগানো?
তবে যাই হোক, ছবিতে আপনাকে কিন্তূ গনিতের মাষ্টার মশাই বলেই মনে হচ্ছে।
আবারো শুভ জন্মদিন বাদশা ভাই।
লেখক বলেছেন: অসংখ্যা ধন্যবাদ আপনাকে সেলিম ভাই ... চমৎকার একটা ভিডিও
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ...
লেখক বলেছেন: "সাধারণ আদালতের মামলায় মনে হয় নিজামী আর মুজাহিদ সটকে পড়েছে" ... মানে বুঝলামনা ![]()
তবে এই ইস্যুকে আর ইউজ করে ভোট পাওয়া যাবেনা এইটা লীগের বোঝার কথা ... বরং বিচারটা ঠিকঠাক ভাবে করলে পরেরবার সেই ক্রেডিটটা ভালো একটা ইস্যু হবে
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
কি আর বলবো....দেখি কি হয়....
লেখক বলেছেন: শামীম, আপনার লেখাগুলো চালু রাখেন
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
অনেক আশা নিয়া এখনও তাকাইয়া আছি, দেখি শেষ পর্যন্ত কি হয় .....
লেখক বলেছেন: আশা আর পুশ দুইটাই লাগবে মনে হচ্ছে
আবু তাশফীন বলেছেন:
একমত। সরকারকে ফেল মারলে চলবে না।
লেখক বলেছেন: এখনও এইটা নিয়া হতাশ হইনাই ... তবে সরকারের কাছ থেকে এই কাজে আরো আগ্রহ আশা করছিলাম এইটা ঠিক বস্ ...
রোবোট বলেছেন:
যতটুকু স্বপ্ন ততটুকুই স্বপ্নভংগ। আমার ধারণা, মিডিয়ায় কড়া চাপে রাখতে হবে। ইদানিং ব্লগও একটু ঝিমিয়ে পড়েছে এ ইস্যুতে।
লেখক বলেছেন: ঠিক, মিডিয়ার ভূমিকাটা জরূরী ... তত্বাবধায়কের আমলে মিডিয়া যেভাবে ব্যাপারটা ফোকাসে আনছিলো, এখনও সেই কন্টিনিউয়েশনটা জরূরী
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের বিচার এই দুইটার কোনটাই তো হইতেছে না।
তাহলে কি এই গুলো আন্দোলনের ইস্যু ছিল???
বিবেক হীন বলেছেন:
অধিকাংশের সাথে আমিও এক মত, বাল শেখ মুজিব হত্যার বিচার এবং যুদ্ধাপরাধীর বিচার, এই দুইটা কোনদিনই শেষ করবেনা।
আলাউদ্দীন বলেছেন:
আমরা বিশাল একটা জনসমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় এসেছি তাই আমাদের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কনসেপটাও হতে হবে বিশাল।আর বিশাল একটা কনসেপট তৈরি করতে সময়তো কয়েক যুগ লাগবেই।
লেখক বলেছেন: সারকাজমটা ভালো হইছে ... তবে আমার মনে হয়না এইটা সময় লাগার মতো ব্যাপার ... আইন আছে, প্রমাণ আছে ... আর কি চাই?
তাসনীম বলেছেন:
শুভ জন্মদিন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তাসনীম
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন:
@বাঙ্গাল সহমত।
চাণক্য বলেছেন:
বালক অমি রহমান পিয়াল অবশ্যই এই ব্যাপারে ব্লগারদিগকে দ্রুতই কিছু সুখবর জানাইবে। হাজারহোক ভার্চুয়াল মুক্তিযোদধা বলিয়া কথা।
লেখক বলেছেন: মহান চাণক্যর কাছে কি কোন সংবাদ নাই?
আপ্নারে লেট হেফি বাড্ডে বাদশা ভাই.....
কেককুক কি শ্যাষ?
লেখক বলেছেন: থেংকিউ থেংকিউ পান্না ভাই
হ, সেইটাই, কপালে শনি রবি সব আছড়াইয়া পড়বো এবার ঘাপলা করলে
প্রজন্ম একুশ বলেছেন:
সরকার আসলে মানিক-চাপে পড়িয়াছে। কিন্তু সে বারংবার ভুল কাজ করিতেছে। সইদী বাদশায় নাকি বিচারের কথা শুনিয়া গোস্বা করিয়াছেন। অতএব ক্ষ্যামা দ্যাও। এদিকে হালায় পাবলিক।
আমাগো নেতারা তো আর মাহাথির টাইপ না। ইনারা ইশারাতেই ডরান।
লেখক বলেছেন: সৌদি বাদশারে এত দাম না দিলেও হবে ... কম বেতনের বাঙালী শ্রমিক তাগোর এমনেই লাগবে
সুনাগরিক বলেছেন:
যারা ঘাদানি সৃষ্টি করেছিল তারা এখন কিসের তৃপ্তির ঢেকুর তোলে? আ.লীগের ক্ষমতায়নে নাকি ঘাদা দের বিচার হবে সেই আশায়? এই সরকার বিচার আদৌ করবে বলে আমার বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়। তবুও আশায় বুক বাঁধি। খালেদার ইস্যুটাকে জিইয়ে রাখবে তাতে সন্দেহ নেই। টিপাইমুখ আর হাইওয়ে নিয়েও একই লক্ষ্য, যার মূল উদ্দেশ্য হলো ঘাদাদের বিচার প্রক্রিয়া যাতে দেরী হয়। কুমিরের বাচ্চা একটাতে তো রাখতে হবে? সবগুলো শেষ হয়ে গেলে জনগনকে দেখানোর মত আর মূলা থাকবেনা তো।
লেখক বলেছেন: তৃপ্তির ঢেকুর তোলা তো দূরের কথা এখনও এ্যাপেটাইজারই সার্ভ হয়নাই
কক বলেছেন:
এসব কথা কেউ রাখে নারে ভাই, এজন্যইতো আমাডের এই অবস্হা। দেখেন না.....কে জানি মাইনাস দিয়া গেসে।
লেখক বলেছেন: ব্লগে এখনও ক্যামোফ্লাজে ড়াজাকাররা আছে ... তারাই কেউ দিবে হয়তো
চাচামিঞা বলেছেন:
মাঝে মাঝে কাঁদতে মনে চায়.....কি পাপ করে ছিলাম.....৩০ লক্ষ জীবনের বিনিময়েও রাজাকার মুক্ত দেশ পেলাম না......আমার রাজাকারেরাই উচু গলায় আজকে কথা বলে.....====================================
শুভ জন্মদিন আপনাকে।
লেখক বলেছেন: সেইটাই ...
ধন্যবাদ আপনাকে
ড়ৎশড় বলেছেন:
শুভ জন্মদিন ভাইয়া।আছেন কেমন?আপনাকে চেনা চেনা লাগে।স্কুলে দেখছি হয়তো!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ... আপনি তো দেখছি আইডিয়াল স্কুলের ... কোন ব্যাচ?
লেখক বলেছেন: আমার মনে হয়না অসম্ভব ... জামাতীরা আরব সরকারগুলাকে কিনে নেয়নাই ... তারা লবিং করতেছে ... এই সাইড থেকেও লবিং করে বুঝাইতে হবে যে এগুলারে ঝুলাইলে কারো কোন স্বার্থে আঘাত হচ্ছেনা
আবু তাশফীন বলেছেন:
But I think AL will not complete this task in this term for ots own sake as Sk. Mujib did. It will prolong this issue so that it can always get political benefit. Otherwise, it would be hard for them to come back power.
লেখক বলেছেন: এই টার্ম পুরোটা এই ইস্যু পাললে এমনেই এই "আম" পঁচে যাবে ... তখন সরকারের আম ছালা দুইই যাবে ... এটা বোঝার মতো বুদ্ধিমান নিশ্চয়ই সরকারে আছে
আমাদের জনগণের কাজ হচ্ছে হতাশ না হয়ে পুশ করে যাওয়া ...
লেখক বলেছেন: আরে!! তাইতো!!
এটা তো জন্মদিনের বিরাট একটা গিফট হয়ে গেলো ...
আবারও থ্যাংক্যু সামুরে ![]()
লেখক বলেছেন: খুঁজে দেখব ... ধন্যবাদ
রোহান বলেছেন:
চমৎকার কিছু পয়েন্ট তুলে ধরেছেন... জামাত শিবির এখন এমন কিছু সংবেদনশীল ইস্যু নিয়ে আন্দোলনে যাবে যার সাথে জনগন একাত্ম না হয়ে পারবে না... এসব ইস্যুইতেই বর্তমান সরকারের যেমন কোনো হাত নেই তেমনি খুব দ্রুত কোনো সমাধানও সম্ভব নয়.. যেমন টিপাইমুখ, বিদ্যুৎ, পানি... তবে যুদ্ধাপরাধের বিচারপ্রক্রিয়া শুরু করতে কিছু সময় তো লাগেই, তাই আমি ব্যক্তিগতভাবে সরকারকে আরও তিন চার মাস সময় দেবার পক্ষপাতি... তবে সরকারের মন্ত্রীদের বড় বড় কথা না বলাই ভালো, যেমন ঠাস করে একজন বলে ফেললো বিডিআর ঘটনার রিপোর্ট এক সপ্তাহের মাঝে দিবে... এখন এই এতো দিন পরে কি একটা রিপোর্ট দিলো তাও অসচ্ছ... এখন আবার বলে এই মাসের মাঝেই যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরু করে ফেলবে, পরে মে মাস চলে গেলো কাজের কাজ কিছুই হলো না...চিন্হিত দেশীয় যুদ্ধাপরাধী কারা সেটা সবাই জানে... এদের খুব শর্ট ট্রাইবুনালে যদি ফায়ারিং স্কোয়াডে নেওয়া হয় তবে দু'চারজন মানবাধিকার কর্মী (তথাকথিত সুশীল সমাজ !!) আর কয়েক লাখ জামাত শিবির কর্মী ছাড়া মনে হয় না কেউ আর ঝামেলা করবে... কোটি কোটি মানুষের এই দেশে লাখ কয়েক লোক কে যদি একটু শক্ত হাতে দমন করে হলেও এরকম একটা কলন্কমুক্ত করা যায় তাতে দোষের কি???
@ সরকার সেলিম: পিএইচডি শিবির রা সবসময়ই এই সৌদি সৌদি ধুয়া তুলে.... সস্তা শ্রম কেনা আর দেশের কিছু মাদ্রাসায় বিনিয়োগ ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের খুব একটা অবদান কি আছে আমাদের দেশে? এই বিনিয়োগের ফসল হলো একদম ছোটো থেকে নার্সিং করে আনা কিছু উচ্চশিক্ষিত শিবির কর্মী যারা ধুয়ে ফেলা একটা মস্তিস্কের কারনে তাদের মেধা মনন দেশের স্বার্ভোভৌমত্বের বিরুদ্ধে কাজে লাগিয়ে আসছে এই এতো বছর ধরে... এসব দূর্জন বিদ্বান হইলেও পরিত্যাজ্য...।
লেখক বলেছেন: সময় লাগলে সময় কেন লাগবে, প্লাস আনুমানিক কি পরিমাণ সময় লাগবে সে সম্পর্কে জনগণকে একটা আইডিয়া দেয়া উচিত ... বিচার সংক্রান্ত এক্সক্লুসিভ টাস্ক ফোর্স হবার কথা সেটা কি গঠিত হয়েছে?
টেরাকোটা বলেছেন:
আমার কিছু বলার নাই আপনারা যথেষ্ট লিখিয়াছেন । সচেতন থাকুন বিচার না হলে পরের বার জামাতিরা বিচার করতে চাইলে অবাক হবেন না , বরং তাদের তরে একটা ভোট চেয়ে রাখলাম । ( স্বাধীনতার স্বপক্ষ শক্তি যদি দেশ আর রাজনীতি এক করে দেখে তা হলে কি আর করার থাকে) বাজাই জিন্দাবাদ!!!!!!!
লেখক বলেছেন: জামাতীরা এমনেই আউট ... আপনাদের আর এইসব পোস্টে আইসা চান্স না নিলেও চলবে ... এখানে অন্য লাইনে কথা হইতেছে
আলঝেইমার ক্রিস্টোসান বলেছেন:
বিচার কখনো হবে বলে মনে হয় না। এটা শুধুমাত্র একটা রাজনৈতিক ইস্যু, ঐসব বিবেকহীন লোকগুলোর কাছে যারা এইদেশের জনগনের চোখে ঠুলি আর মুখে লাগাম পরিয়ে ইচ্ছেমত দেশটাকে চালাচ্ছে।৯ নং মন্তব্যে সরকার সেলিম বলেছেন: তারপর জামাতের বিদেশ লবিং তো আছেই।অনেক সময় দেখা যায়, অয়ামলীগ এর চেয়েও সম্পর্ক টা জামাতের সাথে ভালো। বিশেষ করে বাংলাদেশ যাদের উপর নির্ভর করে সেই সমস্ত দেশ। যেমন-মিডল ইষ্ট, মালেশিয়াও আমেরিকার ক্ষেত্রে।
ডাইরেক্ট অ্যাকশান বলেছেন:
অফটপিক: আজ তাজউদ্দিন আহমদের পুত্র সোহেল তাজ পদত্যাগ করেছেন বলে পড়লাম; সোহেল তাজ লোক কেমন জানিনা, শুধু মনে হলো, এটা কি কোন কুলক্ষণ?
১০ ট্রাক অস্র ? মনে হয়?
লেখক বলেছেন: ১০ ট্রাক অস্ত্র নিয়া মতানৈক্য? সেটা কিভাবে? ... কেউ একজন বলেছেন র্যাব সংক্রান্ত ... হতে পারে ... বর্তমান সরকারের উপর আর্মি ভালোই ছড়ি ঘোরাচ্ছে বলে মনে হয়
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ দেশী ... হ, কথাটা যে টিকা আছে, মানুষ যে ভুলটেছেনা, সেইটাই শেষ ভরসা
পরবর্তী ২০১৩ সালের নির্বাচনের সময় এজেন্ডা সংকট দেখা দেবে যে!
লেখক বলেছেন: হে হে হে ... সরকারী দলের ভোট এজেন্ডায় হয়না ... আমলনামায় হয় ... খেয়াল কইরা ![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
যীশূ বলেছেন:
অফটপিক: শুভ জন্মদিন।
লেখক বলেছেন: থ্যাংক্যু যীশূজী ![]()
অন্যআনন বলেছেন:
কয়েকদিন ধরেই ভাবছিলাম বিষয়টি, জ্বি-বা পোস্টে বিষয়টি নিয়ে এলেন। আমি একবার ভেবেছিলাম কিছু লিখি আবার ভাবলাম কি লিখবো? লেখা তো হলো, আবার হয়তো কোনো একদিন ভাববো, লিখতে চাইবো, লিখবো না। অন্য কেউ লিখবে!
লেখক বলেছেন: আমাদেরকেই মনে রেখে যেতে হবে ... কেউ না কেউ লিখবেই
বিপ্লব খান বলেছেন:
হুম...!!!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নারু ...
লেখক বলেছেন: হে হে হে ... তাও ভালো ওভাল ক্রিকেট গ্রাউন্ড মনে হয় নাই ![]()
চন্দন বলেছেন:
বিচার যদি হয়েই যায় তাহলে সেক্সট ইলেকশনে আওয়ামীলীগ কোন পন্য দিয়ে জনগনের সহানুভুতি আদায় করবে ?
লেখক বলেছেন: এই ধারনাটা ভুল ... নেক্সট ভোটে এটাকে লীগ ইস্যু করতে পারবেনা ... এটাকে ইস্যু করার চেষ্টা করবে জামাতীরা ... সেটার নৈতিক দায় পড়বে লীগ সরকারের ঘাড়ে
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন:
+। মূল যুদ্ধাপরাধী তথা হুকুমের আসামী জেনারেল ইয়াহিয়া ও অভিযূক্ত পাকি সৈন্যদের ছেড়ে দিয়ে গোটা যুদ্ধাপরাধের বিচারকে একেবারেই র্দূবল করে দেওয়া হয়েছে। তারা মূল আসামী এর প্রমাণ নিম্নের লিংক;http://www.shodalap.com/Zia_genoside_in_BD.htm
মুজিব তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু ভুট্টোর তথা পাকিস্তানে সামরিক শাসন যাতে না আসে সে জন্য যুদ্ধাপরাধী সহ সকল পাকি সৈন্যদের কে এমনি এমনি ছেড়ে দেন;
Click This Link
তারপর ১৯৭২ সাল হতে ১৯৭৫ এর ১৫ই আগষ্ট পূর্ব পর্যন্ত চিকন আলী সহ যে কয়জনের মৃত্যুদন্ডাদেশ হয়েছিল পরে তাদের যাবজ্জীবন এবং আরো কিছুদিন পর তাদের কে মাফ করে মুক্তি দেওয়া হয়। ঐ ৩ বছর শুধু মামলাই ঝুলে ছিল ৩৭ হাজারের কিছু বেশী যা পরে ২৬ হাজার মামলা সরকারী ভাবে প্রত্যাহার করা হয়। ঐ সময়ে মুজিবের সরকার প্রকৃতপক্ষে আন্তরিকতার সাথে যে এ দেশীয় যুদ্ধাপরাধী বা পাকিদের সহযোগীদের বিচারের ব্যাপারে আগ্রহী ছিল না তা বদরুদ্দী উমর সাহেবের দৈনিক সমকালে লেখা আর্টিকেল হতে প্রমাণ হয়;
http://www.shamokal.com/details.php?nid=78774
১৫ই আগষ্ট ১৯৭৫ এর পরে জিয়াউর রহমান মুজিব আমলের এ সমস্ত ঘটনা পর্যবেক্ষণ এবং মধ্যপ্রাচ্যে হতে বাংলাদেশের ব্যাপক অর্থনৈতিক সাহায্যের জন্য দালাল আইন রহিত করন সহ গো. আযম, নিজামী, সাকা সহ অন্যান্য যুদ্ধাপরাধীদের বাংলাদেশে আসার অনুমতি দেন। আজকে সৌদি, কুয়েত, আমিরাত সহ মধ্যপ্রাচ্যে প্রায় ৩০ লক্ষের অধিক যে বাংলাদেশী লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে তার সূচনা জিয়ার সময়ই শুরু হয়। কিন্তু জিয়া এতে করে নিজের জন্য দুই আনাও নেন নি কারণ তিনি একজন সৎ রাষ্ট্র নায়ক ছিলেন। তাই দেখা যায় মুজিব সরকারের যুদ্ধাপরাধের বিচারে অনীহা এবং বাংলাদেশের অর্থনীতির পূর্নঃগঠনের জন্যই জিয়া পুরো প্রক্রিয়াটাকেই শেষ করে দেন। বস্তত এরপর যুদ্ধাপরাধের বিচারের কোন শক্তিশালী ভিত্তি আছে বলে আমি মনে করি না।
কিন্তু মতলববাজি ও অসৎ রাজনীতি বলে কথা। জিয়ার সময়, এরশাদের সময় ১৯৮৬ সালে এবং প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকার শাহবুদ্দিনের সময় ১৯৯১ সালে আলীগ কিন্তু ঠিকই জামাতের সাথে নির্বাচন করল। তখন দেখিনি যে জামাত যুদ্ধাপরাধী বা তার সহ অন্যান্যদের যুদ্ধাপরাধের বিচার দ্বাবী করে। উল্টো ১৯৮৬ সালে নির্বাচন নিয়ে আলীগ ও জামাত দফায় দফায় নিজেরা বৈঠক করে। সবই ভাল ছিল কিন্তু যেই ১৯৯১ সালে জামাত বিএনপি কে সরকার গঠনের জন্য তাদের প্রাপ্ত ১৮ আসন দিয়ে সমর্থন দিল তখনই আবার দীর্ঘ সময়ের পর যুদ্ধাপরাধের বিচারের রব উঠল। মজার ব্যাপার হল ১৯৯৫-৯৬ সালে জামাত আলীগ ও জাপার সাথে সংসদ থেকে পদত্যাগ করলে হাসিনা ও নিজামী পাশাপাশি বসে সহাস্যে সাংবাদিক সম্মেলন করে। এরপর ১২ই জুন ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর হতে পুরো মেয়াদ ২০০১ পর্যন্ত আলীগ এ ব্যাপারে টু শব্দটিও করেনি। তাই দেখা যায় জামাত যখনই বিএনপি কে সরকার গঠনে সমর্থন বা সহায়তা করে তখনই যুদ্ধাপরাধের বিচারের জন্য হুল উঠায়। এমন কি সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামও আলীগের ক্রীড়ানক। বর্তমানে তারা মুখে কুলুপ এটে বসে আছে। অথচ ১৯৭২ সালে তারা পাকিদের যুদ্ধাপরাধের বিচারের জন্য মুজিব কে অনুরোধ করেছে বলে আমার জানা নেই। উপরোক্ত বিষয় গুলি বিশ্লেষণ করলে বুঝা যায় এটা হল আলীগের নির্বাচনে জিতে ক্ষমতায় আসার নোংরা কৌশল। এতই যদি দরদ থাকে কেন বর্তমান মহাজোট সরকার আমেরিকার কাছে ধর্ণা দেয় না যে জীবিত যুদ্ধাপরাধী পাকি সৈন্যদের কে বাংলাদেশে পাঠানো হৌক যাতে বাংলাদেশে সুষ্ঠ ভাবে যুদ্ধাপরাধের বিচার করা যায়। কারণ আমেরিকা ছাড়া কেউই পাকিস্তান কে চাপ দিয়ে এই কাজ করাতে পারবে না।
লেখক বলেছেন: আপনার মতটা জানতে ইচ্ছা করতেছে ... জামাতের ক্রিমিনালগুলার কি বিচার হওয়া উচিত কি উচিত না, সেইটা আগে বলেন।
কথা হলো আওয়ামী লীগ রাজনীতিতে জামাতকে ব্যবহার করছে, জামাতের যুদ্ধাপরাধ ইস্যুকে ভোটে কাজে লাগাইছে ... বিএনপি জামাতের সাথে ঘর বেঁধে সরকার চালাইছে -- এই সবই সত্য
সেইটা আমাদের পুয়েন্ট না ... আমাদের পয়েন্ট হলো পূর্বে যে যাই করুক, একটা ক্ষত আমাদের জাতির গায়ে লেগে আছে, সেটা এই দালাল গোলাম আজম/নিজামী গংয়ের শাস্তি ছাড়া শুকাবেনা ... প্লাস এই সরকারের আমলে সেটা শুকানোর একটা সম্ভাবনা দেখা দিছে, সরকারও কথা দিছে ... সো, আমরা এখন বিচার দেখতে চাই
বঙ্গবন্ধু কি করছিলেন বা কি ভাবছিলেন সেটা তো এখন আলোচনার বিষয় না ... উনার সময়ে কি কারণে বিচারটা হইটে পারেনাই সেটা আলাদা আলোচনার বিষয় হইতে পারে ... তবে সে নিয়া রেজওয়ান ভাইর একটা ভালো পোস্ট আছে ... আন্তর্জাতিক প্রেসার যার মূল পয়েন্ট
আরি০০৯ বলেছেন:
স্লামালেকুম ......জ্বিনের বাদশা! ......মহারাজ!!আপনার ব্লগ পড়ে চোখে পানি এসে গ্যালো......আহা!! আপনার মত কত মানুশ যে আশায় বুক বেধেছিল.........কিন্তু, বিচার কি উনারা করবেন??
ধরেন বিচার হইল, জামাতি গো কুড়ি বাইশটা ধইরা ফায়ারিং স্কোয়াডেই দ্যান আর ফাসিই দ্যান......দিলেন, ল্যাঠা শ্যাশ!!
বাকি থাকল জামাতি গো আন্ডা বাচ্চা.........হেগরেও পারলামেন্টে আইন কইরা জিন্দিগীর মত রাজনীতি থেকে ব্যান্ড......খতম।
এবার আসেন লাভ ক্ষতির হিশাব টা করি......দেশের ও সরকারের......
জাতি হিসাবে বাংলাদেশীদের এটা শ্রেশঠ পাওনা, যার কনো তুলনা নাই......। জাতি স্বাধীনতাবিরধী, যুদ্ধাপরাধী, রাজাকার মুক্ত হল.........
কিন্তু, মুক্ত হল না খুন,সন্ত্রাসী, চাদাবাজ, মস্তানী,ছিনতাইকারী,বেকার সমস্যা,লোডশেডিং, দ্রব্যমুল্যের উধ্রগতি, ঘুষখোর জুলুমবাজি,অরধাহার, অনাহার সহ হাজারও সমস্যা থেকে।
প্লিজ ভাই এখনি আমাকে রাজাকার উপাধি দিয়ে বসেন না .........দিতে চান দিয়েন .........আগে বাকি টুকু শুনে নেন...
হ্যা, যা বলছিলাম, দেশ মুক্ত হল একটা শত্রু থেকে, কিন্তু হাজারো দুশমন বা সমস্যা থেকেই গ্যালো। বলতে পারেন স্বাধীনতাবিরধী, যুদ্ধাপরাধীর বিচারের সাথে এগুলোর সম্প্রক টা কি ?
আছে ভাই আছে , ঐ যে লাভ ক্ষতির হিশাব কষছিলাম না???
আমাদের সরকার বাহাদুর দেশের এ লাখো সমস্যা ঢেকে রেখেছেন ঐ একটা মাত্র জুজু দিয়ে......"স্বাধীনতাবিরধী, যুদ্ধাপরাধীরাই সব নশ্তের গোড়া, তাই একটু সবুর করেন আগে এদের বিচার করে নেই, দেখবেন বাকি সব সমস্যা আপনা আপনিই মিলিয়ে গ্যাছে, যেতে হবে, কারন সকল সমস্যার মূল হল এই রাজাকার,স্বাধীনতাবিরধী, যুদ্ধাপরাধীরাই"।
একটু খোলাশা করি ব্যপারটা......সকল সমস্যার মূল এই রাজাকার,স্বাধীনতাবিরধী, যুদ্ধাপরাধীরা ক্যামনে হয়?
উত্তর খুব সোজা.........
ধরুন লোডশেডিং; রাজাকার,যুদ্ধাপরাধীরা নামাজ পরে জায়নামাজে বসে দোয়া দরুদ পরে পাওয়ার হাউজ গুলোর দিকে দেয় একটা ফু ......ব্যাস, পাওয়ার অফ, হারামীর বাচ্চারা কি চিজ !!
খুন,সন্ত্রাসী, চাদাবাজ, মস্তানী,ছিনতাইকারী???
এগুলোও ঐ রাজাকাররাই করে, কিন্তু কিছু বেয়ারা পত্রিকা ও মিডিয়া ঐ রাজাকারদের ছবি টবি পালটিয়ে ছাত্রলীগ বানিয়ে দেয়। ত রাজাকার খতম মানে বাংলাদেশ থেকে খুন রাহাজানী যিন্দেগীর মত ফিনিশ, আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্ম কে খুনী,সন্ত্রাসী, চাদাবাজ, মস্তান,ছিনতাইকারী দেখতে জাতীয় জাদুঘড়ে যেতে হবে!!
দ্রব্যমুল্যের উধ্রগতি???
সেটাও ঐ রাজাকার,যুদ্ধাপরাধী। সালারা সব জিনিস গোপনে পাকিস্তানে পাচার করে তাই এত দাম!!
ফসলের উত্তপাদন কম??
ঐ রাজাকার,যুদ্ধাপরাধীরা ইদুর, পোকামাকড় হয়ে সব খেয়ে শেষ করে দেয়!!
আরো কত কিসিমের সমস্যা......সবি রাজাকারদের জন্য!!!
তাহলে বোঝা গ্যালো "সমস্যার মূল=রাজাকার" বা "রাজাকারদের উপ্সথিতি=সমস্যা"। সমীকরন টা যদি ভালো করে বুঝে থাকেন তাহলে এবার হিসাব টা পানির মত ক্লিয়ার হয়ে যাবে।
রাজাকারদের বিচার করার পরও যদি এই সব সমস্যা থেকে যায়, আর তা যে থাকবে সেটা দুয়ে দুয়ে চারের মত সত্য,(যেটা আপনিও অস্বকার করতে পারবেন না, যদি না এক বিশেষ শ্রেনীর বুদধীজিবী হন ) তবে সরকার বাকি সারে চার বছর ক্ষমতায় থাকবে কি ভাবে ????????????????????????
আর নেক্সট ইলেকশন??????????????
কন জুজুর ভয় দেখিয়ে পার হবে ইলেকশনের নৌকা ???????
জনগনের সাবাই ত আর মগজ শুন্য না?
তাই বলি, মহারাজ!!, বিচার এরা কোন দিনও করবে না, কক্ষনো না।
এখন ভরষা আপনি, জ্বিনের বাদশা! , রাজাধীরাজ!!!!!
দেখেন ত আপনার সগত্রিয় (জ্বিন) দের দিয়ে পারেন কিনা ?
না হলে যে আমাদের শেষ আশাটাও মিলিয়ে যায়.....................
লেখক বলেছেন: ভাই, মানতেছি এই দেশ একটানে সোনার বাংলা হয়ে যাবেনা ... সমস্যা একটানে সব দূরঘবেনা ,... একটা একটা করে হবে ...
এখন আপনি আমারে বলেন আওয়ামী লীগ সরকারের কাছে আমরা কোনটা বেশী আশা করতে পারি ... বা আশার প্রায়োরিটি লিস্টটা কিরকম হবে? ... তখন কি ৩৮ বছর ধরে ঝুলে থাকা এই রাজাকার-দালালদের বিচারটা সবার আগে আসেনা?
এটার সাথে সমান্তরালে অন্যান্য দাবী চলতে তো সমস্যা নাই ... তবে আপাততঃ ফোকাস একটাতে একটাতে করে পড়ুক
Click This Link
ড়ৎশড় বলেছেন:
০২ ব্যাচ ভাইয়া।আপনি কি দেশে আছেন নাকি জাপানে?আর আমাকে আপনি বলেন কেন?মাইন্ড করছি।আমি আপনার ছোট ভাই।
আপনার লিখাটি নিয়ে একটা কথা ভাইয়া।আপনি অনেক আশাবাদী বুঝতে পারছি।কিন্তু যেই দলে হাজী সেলিম,নানকের মত ক্রিমিনাল থাকে,যেই দলের মহান নেত্রী তার মেয়ের বিয়ে দেয় রাজাকারের ঘরে,আন্দোলন করে জামাতের সাথে নিজের স্বার্থের সময়(এরশাদকে গদিচ্যুত আন্দোলন) সেই দলের কাছে বিচারের আশা কিভাবে করেন বলেন তো?আপনার মত আমরা সবাই আশাবাদী যে বিচার হবে।কিন্তু এই দেশোপরাধীদের দিয়ে তো যুদ্ধপরাধীদের বিচার হবেনা।
আপনার এলাকার নেতার মত আমাদের কোন নেতা নাই।এই দেশে কি কম অনাচার হয়?কেউ কি ইছু করতে পারে।সবাই সবাইকে শোষণ করে চলেছে।সাধারণ মানুষ আমরা নিরুপায়।তাই আমার একটাই এখন প্রশ্নঃ নেতা তুমি কোথায়?
লেখক বলেছেন: আসলে রাজনীতি অনেক জটিল ব্যাপার ... আমরা তো আর ১০০ ভাগ পিওর কিছউ এখানে আশা করতে পারিনা ... আমাদের দেখা উচিত যে এই আওয়ামী লীগ সরকার (এরা অবশ্যই ধোয়া তুলসী পাতা না) যে আছে এখন, এদের কাছ থেকে আমরা নিজেদের চাওয়াগুলোর কোনটা কোনটা আদায় করে নিতে পারি ... সেই লিস্টে ওয়ার ক্রিমিনালদের বিচারটা সবচেয়ে টপে আছে বলে আমি মনে করি ... অন্ততঃ এই পাঁচ বছরে এই জিনিসটা আদায় করে নিতে পারলেও অনেক ...
অফটপিক: শেখ হাসিনার বেয়াই কি আসলেই রাজাকার? নাকি এটা গুজব? দুই ধরনের বক্তব্য পাওয়া যায় ...
অদ্রোহ বলেছেন:
পুরোপুরি সহমত।
নির্ঝরিনী বলেছেন:
এখনও আশায় আছি...দেখি কি হয় শেষ পর্যন্ত...
জানজাবিদ বলেছেন:
বিচার হোক..........তাড়াতাড়িই হোক। বিচার করে ফেললে এর জন্যই আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় আসবে।
লেখক বলেছেন: ঠিক ... বিচারটা করলে আওয়ামী লীগ নতুন প্রজন্মের কাছ থেকে একটা বিরাট সাপোর্ট পাবে ... ৮৬ তে ভোট না করে বিএনপি যেটা পেয়েছিলো তার চেয়েও বড়
লেখক বলেছেন: আরেকটু ভেঙে বলুন ...
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন:
হায় হায় রাজাকারের বিচার আর মুজিব হত্যার বিচার শেষ করে ফেললে আওয়ামিলীগ রাজনিতীর ব্যাবসা করবো কি লইয়া...??লুটা-বাটি ধইরা টান দিছেন ভাই...!!!
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন:
নিশ্চিন্তে থাকেন। পোস্টটা রাইখা দেন। আগামি মে মাসে আবার কপি পেস্ট করতে পারবেন।
লেখক বলেছেন: বস্, সরকার কি আগেরবারের মতো আবারও ঘোষনা দিছে নাকি যে জুনের মধ্যে কাজ শুরু করবে? তাইলে কপিপেস্টের জন্য রাইখা দিবো
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন:
(অ.ট.-আপনার চেহারা দেখি মানুষের মতো। জ্বিনের মতো লাগতাছে না)
লেখক বলেছেন: এখনতো মানুষের রূপ ধারন করলা, তাই ![]()
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: নিশ্চিন্তে থাকেন। পোস্টটা রাইখা দেন। আগামি মে মাসে আবার কপি পেস্ট করতে পারবেন।
রাগ ইমন বলেছেন:
সাধারন মানুষের স্বার্থ টা আগে দেখলে তাদের সমর্থন পাওয়া যায় । সেই সমর্থনটা যথেষ্ট জোরালো হলে সরকারের একটা মেরুদন্ড গজায় । তারপর আন্তর্জাতিক চাপ উপেক্ষা করে যুদ্ধাপরাধের বিচার করা যায় । আওয়ামী লীগ সেই পথেই গেলো না । ওরা ধরেই নিয়েছে , আর ক্ষমতায় না আসলেও কিছু যায় আসে না । বিকল্প নাই বলে আবার চলেও আসতে পারে । সুতরাং , নিজে খাও আর শশুরকে খাওয়াও ।
সবই শেষ পর্যন্ত টাকার খেলা এখন। যুদ্ধটাও । অপরাধটাও । বিচারটাও । শাস্তিটাও । কি বলবো , বুঝতে পারছি না । শুধু এইটুকু বুঝি , আমরা সাধারন মানুষ , প্রচন্ড চাপের মুখে না রাখলে কিছুই হবে না ।
বিচার চাই ১০ বছর পরে হোক, কিন্তু চাপ বাড়ানো ও চাপ জারি রাখা জরুরী ।
সবাই মনে রাখবেন , স্বাধীনতার মতই যুদ্ধাপরাধের বিচারটাও আদায়ের বিষয়, পাওয়ার বিষয় নয় ।
জ্বিন ভাইজান , এইখানে আঙ্কেল হইলো " সচেতন মানুষের বিরতীহীন লড়াই।"
লেখক বলেছেন: "চাপ বাড়ানো ও চাপ জারি রাখা জরুরী"
সেইটাই ...
প্লাস ... আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এখন সৌদি আরব আর তেমন বিগ ডীল না ... ইন্ডিয়াকে ধরলেই সৌদিরে ঠান্ডা করে দিতে পারবে ... এখন দরকার সৎসাহস
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন:
মিঃ জ্বিনের বাদশা, হাতি ঘোড়া গেল তল,
রিজওয়ান বলে কত জল?
যদি মাত্র ১৪টি দেশের সমর্থনে ১৯৭১ সালে গোটা বিশ্বের বিরুদ্ধে যেয়ে আমরা মুক্তিযুদ্ধ করে বাংলাদেশ কে স্বাধীন করতে পারি তো যুদ্ধাপরাধী পাকি সৈন্যদের বিচারও অসম্ভব ছিল না। আপনি যদি পারেন তো ভারতীয় সাবে পররাষ্ট্র সচীব জে. এন দিক্ষীতের Liberation and beyond ব্ইটি পড়বেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন যে ভারত সরকার চেয়েছিল যে পাকি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বাংলাদেশ করে। কিন্তু মুজিব সরকার এ ব্যাপারে কোনই আগ্রহ দেখায় নি। আর বদরুদ্দিন উমরের লেখা টি কি পড়েছেন? যদি পড়ে থাকেন তো তার সত্য লেখার কাছে রিজওয়ানের লেখাটি কিছুই না। স্রেফ বিভ্রান্তির সৃষ্টি করা।
জামাতই হৌক আর অন্য দলই হৌক যুদ্ধাপরাধ ঘৃণিত বিষয় এবং অবশ্যই বিচার হওয়া উচিত। কিন্তু আবারও মূল আসামীর বিষয় এসে যায়। আপনি কি পারবেন জীবিত পাকি সৈন্যদের ধরে আনতে যারা ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধের সাথে জড়িত? সিমলা চুক্তির পর এরা নিজ দেশে ফিরে সৌদি আরব, কুয়েত, আমিরাত সহ বিভিন্ন দেশে নিরাপত্তা সহ নানান পেশায় যোগদান করে। মনে রাখবেন অপরাধের বিচার গোড়া থেকেই করতে হয়। যেমন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাৎসী জার্মানদের নুরেমবূর্গ বিচার হয়েছিল তথা মূল অপরাধী যাদের ধরা সম্ভব হয়েছে। এখনও হচ্ছে তা এ কারণে যে সময় মত প্রক্রিয়া টি শুরু হতে পেরেছিল। একটি ভাল বিষয়ে বা ভাল কাজের জন্য হাজার বার পুরস্কার দেওয়া যায় কিন্তু কোন অপরাধের জন্য কারো শাস্তি প্রদানের লক্ষ্যে বিচার করব তা না করে ছেড়ে দিলাম এবং আবার অনেক বছর পর মন চাইল বিচার করার উদ্যোগী হলাম, সেটা কি চাইলেই সম্ভব? সেটা কি মতলববাজি রাজনীতি হল না? গোটা বিষয়টিই হল আলীগ কে ক্ষমতায় আনার বাহানা মাত্র।
পত্রিকায় দেখলাম যুদ্ধাপারধের বিচারের ব্যাপারে বর্তমান মার্কিন সরকার আগ্রহী। তাই আমার প্রশ্ন এই মহাজোট সরকারের কি উচিত নয় বিষয়টি কে গুরুত্ব দিয়ে তাদের কে বিশেষ অনুরোধ করা যে জীবিত যুদ্ধাপরাধী পাকি সৈন্যদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা? জবাব দিবেন কি?
লেখক বলেছেন: শুধু কি পাকিস্তানী জেনারেলরাই মূল আসামী কইতে চান? ... বাংলাদেশী যেই জামাতী দালালগুলা পাকিগোরে নয়টা মাস সঙ্গ দিলো যাবতীয় অপকর্মে তারা আসামী না?
পাকিগুলাকে যদি বিচারের আওতায় আনা যায় সেটা তো অবশ্যই ভালো ... তবে সেটা করার আগে দেশীগুলারে বিচারের আওতায় আনা, যেটা কিনা বেশী ফিজিবল, সেই কাজটা করতে তো কোন বাঁধা নাই, তাইনা?
আহছানউল্লাহ বলেছেন:
বাংলাদেশ জিন্দাবাদের সাথে সহমত।তবে একটু বলতে চাই তা হলো আসলে কি আওয়ামীলীগ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবে?সন্দেহের কারন বেয়াই(প্রধানমন্ত্রীর)মোশারফের ব্যাপারে কি হবে?বাই দি বাম আগামী দিনে যদি বিএনপি ক্ষমতায়(জামাত ছাড়া)আওয়ামীলীগ ও জামাত বিরোধী দলে তা হলে৯৬ এর মত একসাথে বিএনপি'র বিরুদ্ধে কে আন্দোলন করবে?বিশেষ করে আওয়ামীলীগের রাজনীতির অন্যতম হাতিয়ার এই যুদ্ধাপরাধ ইস্যু।যদি বিচার হয়ে যায় তাহলে ভবিষৎ রাজনীতির ইস্যু কি হবে?সব মিলিয়ে মনে করা যায় আর হচ্ছে না..............
...."করি করি করে আর করা হলোনা" -- এটা আমাদের দেশে প্রকট। আমাদের দেশে নিয়মই এটা, যারাই কর্তৃপক্ষ হয়, তাদেরি গায়ে এক ধরনের দুষ্প্রাপ্য চর্বি গজায়।....
দারুন কথা।
....কিন্তু সেই আঙ্কেল আমরা পাবো কোথায়?....
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার একটা প্রহেলিকা। স্বাধীনতা পরবর্তী প্রজন্ম হিসেবে জন্মের পর থেকেই তো কথাটা শুনে শুনে 'রূপকথা'র রূপ নিয়েছে। এই রূপকথা যদি বাস্তব জীবনে আসে, তখন শুধু অবাক হব মাত্র। বিস্ময়ে মাথা নুয়ে আসবে। বিশ্বাস করতে শিখবো অনেক কিছু।
আপাতত এই ব্যাপারে একজন সাধারণ নাস্তিক।
তবে কখনও হাল ছাড়বো না। রূপকথা শোনা বন্ধ করবো না।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: নিশ্চিন্তে থাকেন। পোস্টটা রাইখা দেন। আগামি মে মাসে আবার কপি পেস্ট করতে পারবেন।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
আমার মনে হয় আওয়ামী লীগ সত্যিই চায় বিচার করতে ।
ইস্যু তৈরী করে করে আর কতদিন ।
ব্যাপারটা মনে হয় -- বিচার করার চে আরো অনেক প্রাওরিটিওলা কাজ কামের ফয়সালা করার জন্য আটকে গেছে ।
যেমন -- জেলায় জেলায় পলায়নকারী নেতা পূর্নবাসন ।
তাছাড়া যুদ্ধপরাধী চিন্হিত করন বেশ ঝামেলার ব্যাপার।
বিশেষ করে তাদের যদি অনেক উপরে কানেকশন থাকে ।
তারপরও আশাবাদী আমি।
বিচার হলে অনেক দিনের জ্ঞন্জাল দূর হয় দেশ থেকে।
তবে সাধারন মানুষের দাবী আর সরকার মহাশয়ের চিন্তা সবসময় বিপরীত মেরুতে অবস্থান করে।
ভেজালটা সেখানেই
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ বিচার শুরু হলে সেটা শেষ হবার প্রক্রিয়া অনেক দীর্ঘসময় লাগতে পারে ...
কিন্তু আমরা এখন যে বিচারটা চাই তাতো মূলতঃ নীলনক্সাকারী ঘাতক দালালদের ... বিশ পঁচিশ হাজার রাজাকার/শা.ক. ছিলো সম্ভবতঃ, এদের সবাইকে হয়তো এখন শাস্তি দেয়াটা বাস্তবতার নিরিখে কঠিন ... কিন্তু মূল দালালগুলোর বিচার হলেই যথেষ্ট ... বিশ্বের অন্যান্য জায়াগাতেও দেখবেন হোতাগুলোকে ওয়ার ক্রাইমের জন্য বিচারে দাঁড় করায় ... তারা সশরীরে খুন করছে কি করেনাই সেটা ইম্পর্টেন্ট না ... তারা সব আয়োজন করছে, গণহত্যার নেপথ্যের অপশক্তি তারা ... এদের কয়েকশোর লিস্ট, কে কোথায় আছে -- সবই এখন নথিভুক্ত আছে
হোরাস্ বলেছেন:
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: নিশ্চিন্তে থাকেন। পোস্টটা রাইখা দেন। আগামি মে মাসে আবার কপি পেস্ট করতে পারবেন।অ.টঃ আপনি অনেক দিন আগে আমার এই পোস্টটিতে একটা কমেন্ট করেছিলেন। কোন কারণে উত্তর দেয়া হয়নি। এখন দিয়েছি। সময় থাকলে দেখে আসবেন।
Click This Link
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন:
সরকারের আগ্রহ নিয়া আমার সন্দেহ কম। তবে সরকার বা আওয়ামী লীগ যতটা সহজ মনে করেছিল বিষয়টা যে তা না এইটা তারা এখন বুঝতে পারছে। আর বিষয়টার জন্য সময় ঠিখ করে দেওয়াটা সরকারের ভুল হইছে। অনেক ধরণের জটিলতা এখানে আছে। কেননা, বিচার প্রক্রিয়া এবং আইন হতে হবে আন্তর্জাতিক মানের। সেটা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত বা আন্তর্জাতিক মহল থেকে সেই সার্টিফিকেট না দেওয়া পর্যন্ত বিচার শুরু করা মুশকিল। তাই বলছি যে, বিচার করতে পারলেও দ্রুত করতে পারবে না। ৫ বছর না হলে কিছু লম্বা সময় লাগবে।
লেখক বলেছেন: আইন প্রণয়ন নিয়ে কিন্তু দুধরনের মতবাদ প্রচলিত ... অনেকেই মনে করছেন বঙ্গবন্ধুর আমলে প্রণীত কয়েকটি আইনের মাধ্যমেই বিচার সম্ভব ... কথা হলো এব্যাপারটায় আমরা জনগণ এখন অন্ধকারে ...এটার ক্লারিফিকেশন দরকার
আর সময়সাপেক্ষ ব্যাপার বলেই কাজ শুরু করা উচিত ... কেমন যেন মনে হচ্ছে যে মোমেন্টাম নিয়ে ২০০৮ এর শুরুতে আন্দোলনটা শুরু হয়েছিলো সেটা মরে যাচ্ছে -- এখানেই আমার আপত্তি
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
আমার ঠিক উপরেই মাসুম ভাই বলে গেছেন, সরকারের আগ্রহ নিয়া উনার সন্দেহ কম । সাংবাদিক মানুষ হিসাবে নানান স্তরের মানুষের সঙ্গে উনাদের যোগাযোগ হয়, তবে সাধারণের স্তরে দাঁড়ায়া, ঠিক এই মুহূর্তে আমার মনে হইতেছে,সরকার গড়িমসি করা শুরু করছে,এবং এইটা চালায়া নিয়া যাবে আগামী নির্বাচন পর্যন্ত, আবার এইটারে ইস্যু বানাবে । তবে সেক্ষেত্রে সরকার নির্বাচনের আগে আগে হয়তো বিচার প্রক্রিয়া শুরু করবে আর জনগণের নাকের সামনে মুলা ঝুলায়া বলবে, এইতো আমরাই করছি.. !
মূল কথা, আওয়ামীলীগ এইটারে ইস্যু হিসেবে জিইয়ে রাখবে, দিনে দিনে এই ধারণা বদ্ধমূল হচ্ছে আমার । অথচ, নির্বাচনের আগেও মনে করছিলাম, করলে কাজটা এরাই করবে , এরাই পারবে । এখন নিদারুণ হতাশ ।
লেখক বলেছেন: আমার এখনও মনে হয়না আওয়ামী লীগ বিচার করবেনা... কিন্তু মনে হচ্ছে যে সেই "বিচার করবোই করবো" জোশটা নাই ... বঙ্গবন্ধুর খুনীগুলারও তো কোন রফা হচ্ছেনা!
এরা কার ভয়ে ভীত?
নেতাজী বলেছেন:
দিন তো যাবেই, হয়ত একদিন কথাও থাকবে না !
ঋভু অনিকেত বলেছেন:
আওয়ামী লীগ যদি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার না করে তাহলে খবর আছে....! দেশের ইতিহাস থেকে যদি শিক্ষা না নেয় তাহলে মহাভুল করবে। বিএনপি এবার ২৯ আসন পেয়েছে, এ আচরণ আর কার্যক্রম যদি বহাল থাকে আগামী নির্বাচনে আ লীগ এর আসন ১০টিতে নেমে আসবে। আমরা যারা প্রত্যক্ষভাবে কোন রাজনৈতিক দল করি না, তারা আ লীগকে সমর্থন করি শুধুমাত্র মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী এবং মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের দল হিসেবে।কেননা বিএনপি নিজেদেরকে স্বাধীনতার ঘোষকের দল বললেও দলের নেতাদের কথাবার্তায়, আচার আচরণে (জামাত সংশ্লিষ্টতা বাদ দিলেও) মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তি বলে হয় না। তাই আওয়ামী নেতা সমর্থকদের বলছি......... যুদ্ধাপরাধীদের বিচার না করলে আপনাদের পরিনাম হবে খারাপ। অতীতে জনগণ আপনাদের মাথা থেকে মাটিতে নামিয়েছে, এবার একেবারে বঙ্গোপসাগরে ফেলে দেবে।
লেখক বলেছেন: ঠিক ... এই ইস্যু জিইয়ে রাখতে গেলে ব্যাকফায়ার হবে
রোবোট বলেছেন:
এ পোস্ট টা ড্রাফট করে ফেলেন। তাতে যদি নাহিদাকে নিয়ে পোস্ট স্টিকি হয়।
লেখক বলেছেন: তাইতো! ড্রাফট করাও একটা পথ ... ড্রাফট করলে কি কমেন্ট মুছে যায়? কখনও করিনি আগে
আসুন, আমরা বরং নাহিদার জন্য আশা তৈরী করতে চেষ্টা করি
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন:
আন্তর্জাতিক মান-এইটাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দেশের আইনজীবীরা বললেই কিন্তু হচ্ছে না। আমি যতদূর জানি ঝামেলাটা এখন এখানেই।
লেখক বলেছেন: আন্তর্জাতিক মান নিয়ে টানাপোড়েনের এই ব্যপারটা জানা ছিলোনা ... এর আগে একরামুল হক শামীমের বেশ কয়েকটা পোস্ট, প্রথম আলোর বেশ কয়েকটা কলাম পড়ে আমার ধারণা ছিলো আইন নিয়ে সমস্যা হবেনা ... কোলাবরেটর এনলিস্টিংয়ে হয়তো সময় লাগতেছে ... এখন কৌতুহল জাগতেছে বঙ্গবন্ধুর সময়ের প্রণীত আইনগুলোর আন্তর্জাতিক মান নিয়ে কি কি সংশয় থাকতে পারে
এব্যাপারে কোন লেখা (পত্রিকার কলাম) থাকলে লিংকটা দিয়েন বস্
অথবা এটা নিয়ে আপনি সহজ করে একটা পোস্ট দিয়ে ফেলেন
আবু সালেহ বলেছেন:
আরে !!!!!!!!! জিনের বাদশার ফটুক.....যাক ফটুক দেখা গলো...
দেরীতে জন্মদিনের শুভেচ্ছা...............
লেখক বলেছেন: হে হে হে ... ধন্যবাদ, ধন্যবাদ
বিপ্লব রহমান বলেছেন:
স্বার্থে ঘা লাগলেও আওয়ামী লীগ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবে; আর যা-ই হোক, আমি এটা বিশ্বাস করি না।...লক্ষ্যনীয় পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকলেও তারা বিশেষ ট্রাইব্যুনালে বঙ্গবন্ধুর বিচারই কার্যকর করতে পারে নি।...লক্ষন বিচারে মনে হয়, আওয়ামী লীগ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের পাঁয়তারা কষেই এই পাঁচ বছর পার করে দেবে। আর এটি পুরোপুরি কার্যকর বিষয়টি তারা মূলো হিসেবে ঝুলিয়ে রাখবে আগামী ভোটবাজীর রাজনীতির জন্য।
লেখায়+
লেখক বলেছেন: বলেন কি বিপ্লবদা!!
তবে আমার মতে এই ইস্যুকে আর ভোটবাজীতে ব্যবহার করা যাবেনা ... এবার না পারলে লোকে ধরেই নেবে আওয়ামী লীগ কোনদিন এই বিচার করবেনা ...শেষে এটা গলার কাঁটা হয়ে উঠবে
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...






















