i'm lost and alone and i'm fair and i'm free you am what you is and i are who i be what i'm lacking in strength i make up for in smarts you keep your stability i'll keep my heart

দ্যা হোয়াইট টাইগার

২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৫১

শেয়ারঃ
0 0 0

২০০৮ এ আমি খুব বেশী বই পড়ি নাই। তার মধ্যেও কি কি পড়েছি বেশীর ভাগই মনে নাই। আমার স্বভাব হলো একবার লাইব্রেরীতে গেলে যে বইয়ের মলাট দেখতে ভালো লাগে সব ধরে নিয়ে আসি। I was always one to judge a book by it's cover. একগাদা বই নিয়ে নাড়তে চাড়তে অনেক ভালো লাগে। পড়ি হয়তো এখান থেকে একটু, সেখান থেকে আরেকটু আর তারপর না পড়া অবস্থাতেই বেশীর ভাগ ফেরত দিতে হয়।

কোন কোন বই শুধু নামের জন্যই পড়তে আগ্রহ হয়েছে। আর কিছু কিছু নামের কারণে পড়তে দেরী করেছি। The White Tiger দেরী করাদের দলে। আমি সাধারণত ম্যান বুকার প্রাইজের ওয়েব সাইটটা দেখি প্রায়ই। এখন তো শুরু থেকেই ধারা বিবরণী চলতে থাকে, আবার প্রতি বছর জাজরা ব্লগও লিখেন। ওইভাবে অনেক বইয়ের নামও জানা যায়। এর নামও জেনেছি আগেই অনেক । কিন্তু ভেবেছিলাম, বাঘ ভাল্লুক নিয়ে বই এখনই পড়বোনা। শেষমেষ যখন লঙ লিস্টে চলে এলো, ভাবলাম দেখি।

অনেকদিন পর আমি সারারাত ধরে এই বইটা পড়েছি। এবং শেষ হওয়ার সাথে সাথে আবার শুরু করেছি। প্রথম লাইন পড়েই মুগ্ধ হয়েছিলাম আর সেটা ধাপে ধাপে বেড়েছে - Neither you nor I speak English, but somethings can be said only in English. এই ছিল প্রথম বাক্য।

বইটাতে এক ড্রাইভার যে পরবর্তীতে একটা ট্যাক্সি কোম্পানির মালিক হয়েছে, চিঠি লিখছে চায়নার প্রিমিয়ার ওয়েন জিয়াবাও কে। সাত রাত ধরে সাতটা চিঠিই হলো বইটা। সবাইকে ছেড়ে হঠাৎ জিয়াবাও কে চিঠি কেন? কারণ খবরের কাগজে এসেছিল চৈনিক প্রিমিয়ার ভারতে আসছেন Entrepreneurship সম্পর্কে জানতে আর বইয়ের Protagonist এর মনে হয়েছে এ সম্পর্কে কেউ যদি কিছু জেনে থাকে তাহলে সে নিজে।

চিঠিগুলির মাধ্যমেই সে তার জীবনের কথা বলে। বাবা ছিল রিকসাওয়ালা, ভাই একটা চায়ের দোকানে কাজ করে। তারও এরকম একটা গন্ডীতেই থাকার কথা ছিল কিন্তু সবকিছুর পর সে একটা বিশাল ঝাড়বাতিওয়ালা অফিস ঘরে টেবিলের উপর চিৎ হয়ে শুয়ে শুয়ে জিয়াবাওকে চিঠির লেখার কথা ভাবছে - তার এই সফর নিয়েই গল্পটা।

বেশী কিছু বলে দেবনা। তাহলে কেউ যদি পড়তে চান সেই রকম ভাবে অবাক হবেন না। কিন্তু কিছু কিছু ডায়ালগ একদম মনে গেঁথে যাওয়ার মতন, যেমন এক জায়গায় আছে -

Like eunuches discussing the kamasutra, voters discuss the elections in Laxmangarh.

এরকম আরো অনেক খুব অন্যরকম বাক্য আছে। আরেকটা খুব মনে করার চেষ্টা করছি, মনে পড়ছেনা। যাই হোক নিজেরাই পড়ে নিয়েন। বলতে পারি যে একই সাথে এমন হাসির. দুঃখের এবং রাগের বই আমি আর পড়ি নাই।

পুনশ্চ ১: White Tiger কয়েক পুরুষে একবার জন্ম নেয়। অনেকটা লেজেন্ড এর মতোন। এই জন্যই বলরাম হালুইকর (protagonist) নিজের এই নাম দিয়েছিল।

পুনশ্চ ২: অরবিন্দ আদিগার কিছু সাক্ষাৎকার পড়ছিলাম। এক জায়গায় বলেছেন। এই বইটা নাকি অনেক আগে একদম অন্য একটা স্টাইলে লেখা ছিল। এবং তার মনে হয়েছিল এই পান্ডুলিপি দিয়ে কিছুই হবেনা। তাই ফেলে রাখা ছিল। অনেক বছর পরে অস্ট্রেলিয়া থেকে ভারত ফিরে এক দেড় মাসের মত সময় তার হাতে কোন কাজ ছিল না। ওই সময়টুকুতে বইটা আবার লিখেছেন

পুনশ্চ ৩: বুকার জেতার পরে আদিগাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল 'টাকাটা দিয়ে কি করবেন?" তাঁর জবাব ছিল 'প্রথমে একটা ব্যঙ্ক খুঁজে বের করে টাকাটা জমা দিব!'

পুনশ্চ ৪: আদিগার জন্মদিন অক্টোবারের ২৩ তারিখ, আর আমার জন্মদিন অক্টোবারের ২৪, আমি তাই মহা খুশী হইছি।

পুনশ্চ ৫: পুনশ্চ লেখার এই কায়দা আমি অনাহুত আগন্তুকের থেকে নকল করেছি।

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৮
গুপী গায়েন বলেছেন: কোন বইয়ের মলাটে লেখা দেখেন নাই, "Do not read this book" ?
২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:২২

লেখক বলেছেন: না তা দেখি নাই । তবে ভাবতেছি আমি কোন বই লিখলে এই নাম দিব। মানুষ সব সময় যা করতে না করা হয় তাই করে! আশা করা যায় এইরকম বইয়ের বিক্রী খুব ভালো হবে।

২. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:০৩
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন: ধন্যবাদ।

আমি বইটা খুঁজে পাই নি।

সহযোগীতা করতে পারেন।
২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:২৬

লেখক বলেছেন: আপনি কি নেটে খুঁজছেন বইটা? রিভিউ পাবেন। আমি লিঙ্ক দিচ্ছি কিছু।

Click This Link (গার্ডিয়ানে আর্টিকেল)

Click This Link (বইয়ের প্রথম পাতা)

৩. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:২১
লুনা রুশদী বলেছেন: ওহ যে কথাটা তখন মনে পড়ছিলনা। এখন খুঁজে পেলাম - Servants need to abuse other servants. It’s been bred into us, the way Alsatian dogs are bred to attack strangers. We attack anyone who’s familiar.
৪. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:২৮
হাসিব বলেছেন:

বৈ চয়েস করার দুইটা ক্রাইটেরিয়া জানলাম ।

- মলাট কেমন দেক্তে হৈছে ।
- পুরুস্কার দেওনের ওয়েপ্সাইটে কার কার নাম নেয়া হৈছে ।

ভালো ।
২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৩০

লেখক বলেছেন: হা হা! না এর মধ্যে একটাও ভালো না। এইসব দেখে আসলে বই পড়া ঠিক না। কিন্তু আমি ফাঁকিবাজতো আর অতো কিছু জানিনা, তাই এই কাজ করি।

৫. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৪
গুপী গায়েন বলেছেন: এইতো বুঝছেন আসল পলিসি। :)
৬. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৭
খলিল মাহমুদ বলেছেন: আপনার নাম দেখেই আপনার ব্লগে ঢুকলাম (ছবিটবি জাতীয় কিছু নেইও)। প্রথম মনে হয়েছিল চেনা-বিখ্যাত নামে অনেকেই নিক নিয়ে থাকেন- যেমন সক্রেটিস... ইত্যাদি, তেমনি লুনা রুশদী নামেও হয়তো কেউ। লেখাটা পড়ে মনে হলো নিকের ভেতর আপনিই লুনা রুশদী। যদ্দূর মনে পড়ে লিভিং ইন নিউজিল্যান্ড, যদিও আমার ভুলও হতে পারে।

পত্রিকায় আপনার লেখা যতোটুকু, যেমন পড়েছি... এই ছোট লেখাটাও রহস্য আর আকর্ষণে সুন্দর।

গোপী গায়েনের প্রশ্নটা ভালো লেগেছে।

মলাট দেখে বই কেনা ভালো কথা। অনেকে হয়তো রং দেখে গাড়ি কেনেন। ছাপা দেখে শাড়ি কেনেন। এগুলো সবই মনে হয় ব্যক্তিগত পছন্দাপছন্দ।
২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫০

লেখক বলেছেন: খলিল এই লেখাটা পড়ার জন্য্ও ধন্যবাদ। একদম সক্রেটিস বানায়ে দিলেন? আমি যে বিখ্যাত এটা শুনে অনেক আনন্দ পাচ্ছি। কোন লেখাটা পড়লেন পত্রিকাতে?

৭. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১০
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: যদিও আমি মলাট দেখে বই কিনি না ... অনেকগুলি বই নিয়ে পড়তে ভালো লাগে ..
খেতে খেতে বই পড়ার অদ্ভুত অভ্যাস আর কারো আছে ?

পুরস্কার পাওয়া সব বইও ভালো লাগে না ...

পোষ্ট ভাল লেগেছে - বইটা খুজে পড়ব
২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫৯

লেখক বলেছেন: আরে আমি ভাবছিলাম এই কাজ আমিই একা একা করি। এই কারণে বাপ মার বকাও শুনছি অনেক। এখনও বই পড়ি খাওয়ার সময়!

পুরস্কার পাওযা সব গান আমারও ভালো লাগে না। আর অনেক নাম করা লেখকের বই মাথার উপর দিয়ে যায়। যেমন সালমান রুশদীর বই আমি কিছুই বুঝিনা কোনদিন!

বইটা পড়ার পড় বলবেন কেমন লাগলো।

৮. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:১৪
মেঘ বলেছেন: আপনরা কবিতা পড়েছি প্রথম আলোতে। নাগিব চৌধুরী পিয়াল, যে আগে মালয়েশিয়াতে থাকতো, এখন সৌদি আরব থাকে সে আমাকে আপনার কিছু কবিতা পাঠিয়েছিলো। সেভাবে আপনার লিখাকে চিনি।

Click This Link

আমার ব্লগে নেমন্তন্ন থাকলো, যেহেতু আমি এখন "ওয়াচ" স্ট্যাটাসে আছি:)

হোয়াইট টাইগার বাংলায় অনুবাদ করে ফেলুন না!! আমি ইংরেজি বই পড়ে একদম মজা পাই না, শিক্ষার মান খারাপ হলে যা হয় আর কি! অন্য ভাষার সাহিত্য বুঝবার মতো ভাষার দখল আমার নেই:(
২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৫৫

লেখক বলেছেন: মেঘ আপনার ব্লগ দেখবো অবশ্যই। নাগিব চৌধুরী পিয়াল? চিনতে পারছি না! :( আমি কি তাঁকে কবিতা পাঠিয়েছিলাম? তাও মনে পড়ছে না।

বাংলায় অনুবাদ? এত বড় বই অনুবাদ করার ধৈর্য্য যদি থাকতো আমার, নিজেই লিখে ফেলতাম একটা! অন্য ভাষার সাহিত্য তো কেউ জন্ম থেকেই জানেনা, পড়তে পড়তেই ধারণা আসে। আল্লাহর নাম নিয়ে শুরু করে ফেলেন!

৯. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০৮
পিয়াল বলেছেন: অনেকদিন পর আপনার লেখা পড়লাম। ভালো লাগলো।
২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৫৬

লেখক বলেছেন: আমিও অনেকদিন পরে লিখলাম। আমারও ভালো লাগলো!

১০. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:০১
নাজিম উদদীন বলেছেন: আমার এক রুমমেট ছিল সে বইটই তেমন পড়ে না। একদিন দেখলাম বইমেলা থেকে মিলনের একটা বই কিনে এনেছে। পরে জানলাম মলাট পছন্দ হওয়ায় সে না কিনে থাকতে পারেনি।

আপনি আমার জানা দ্বিতীয় ব্যক্তি যে প্রচ্ছদ দেখে বই পছন্দ করে।

সময় পেলে পড়ব।
২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:১৯

লেখক বলেছেন: হা হা। ইমদাদুল হক মিলনের বই অবশ্য আমি মলাটে মাস্টারপিস থাকলেও কিনবো না! সময় না পেলেও পড়বেন। এটা অনেক পড়ার মতন বই! তবে এই বইয়ের মলাট দেখে পড়ি নাই।

১১. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:০৬
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: মাথার উপরে দিয়ে যাওয়া বই অনেক -- গুন্টার গ্রাস/ মিলান কুন্ডেরা পড়ার চেষ্টা করেছিলাম বেশ কয়েকবার ... অনুবাদ অবশ্য ...

অনুবাদকের দোষ ও হতে পারে .. আমার দোষের কথা নাইবা বললাম :)
২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:২৯

লেখক বলেছেন: গুন্টার গ্রাস ভালো আছে। আমি ইংলিশ পড়েছি। মিলান কুন্ডেরা পড়ি নাই। হ্যাঁ আমাদের অনেক বুদ্ধি, তাই মাথার উপর দিয়ে গেলে দোষ কখনোই আমাদের না!

এখন একটা বই পড়ছি, নাম হোল - A Fraction of the Whole এইটাও খুবই ভালো লাগছে। তবে কবে পড়ে শেষ করবো জানি না! বিশাল বই!

১২. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৫৫
অনাহুত আগন্তুক বলেছেন: এই বইটার ইংরেজি আমি প্রথম দিকে হজম করতে পারছিলাম না। তারপর যখন বুঝতে পারলাম কেন এভাবে লেখা, তখন খুব অবাক লাগলো। আর বুঝতে পারলাম ব্যাপারটা কত অসাধারণ - এইরকম খ্যাত খ্যাত স্টাইলেও একটা বই লেখার জন্য সাহস লাগে।

ভালো কথা, আপনি কি ডেইলি স্টারে লিখতেন, স্টার ম্যাগাজিনে? আমারও আপনার নামটা খুব বেশি চেনা চেনা লাগছিলো একদম প্রথম থেকেই।
২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:০৭

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ আসলেই অসাধারণ বই! আরেকটা বই একবার বুকার পেয়েছিল। ওইটাও একদম প্রথম বই ছিল লেখকের। বইয়ের নাম ভারনন গড লিটল, আর লেখকের নাম হলো
ডি.বি.সি পিয়ার (ডার্টি বাট ক্লিন!) । এখানে ভাষাটা এসেছে একদম স্ট্রিট কিডসদের মতো, এটাও অনেক কন্ট্রোভারসিয়াল ছিল।

হ্যাঁ, ডেইলি ষ্টারে লিখেছি কিছূ। খুব বেশী না অবশ্য। আর প্রথম আলো, সমকাল এবং দেশ পত্রিকাতে। আমার নাম চেনা লাগার আরেকটা কারণ হতে পারে, আপনি যখন প্রথম ব্লগে আসা শুরু করেছেন, তখন আমিও আসতাম। আর আপনার একদম প্রথম ব্লগে বোধহয় আমি কমেন্ট করেছিলাম। আমার কাছে কিউট লাগছিল লেখাটা।

১৩. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৫৯
অনাহুত আগন্তুক বলেছেন: মিলেন কুন্ডেরার একটা দারুন বই আছে - "আ জোক" বা "দা জোক"। ওহ আর আপনার কবিতা উইকিপিডিয়াতে পাওয়া যায়! ;)

http://en.wikipedia.org/wiki/Jibanananda_Das
২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:০৮

লেখক বলেছেন: পড়ি নাই তো! পড়ে দেখবো। কি নিয়ে বই টা?

বাহ! আমি জানতাম না যে উইকিতে আমার নাম আছে! দেখছি! লিঙ্কটার জন্য অনেক থ্যাঙ্কস!

২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:১১

লেখক বলেছেন: আরে দারুন জোস। এই কবিতাটা যে আমি অনুবাদ করেছিলাম মনে ছিল না। আর বইটার কোন কপিও নাই আমার কাছে। ভালোই হইছে! অনেকদিন পর নিজের লেখা দেখতে মজা লাগে।

১৪. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:২৮
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: জীবনানন্দের আপনার প্রিয় কবিতা কোনটা ? অনুবাদ ভাল হয়ছে :)
২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৭

লেখক বলেছেন: জীবনানন্দের অনেক কবিতা খুব প্রিয়। আমার আগের একটা ব্লগে দেখবেন কবিতা আছে একটা। সেখানে অনেকগুলি কবিতার নাম আছে। দাঁড়ান লিংক দিচ্ছি।

১৫. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৬
তানজিল আহমেদ বলেছেন: আহা , কিছু কইলাম না থাক ;)
২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৮

লেখক বলেছেন: কি কইবেন?

১৬. ২৯ শে জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:৩৮
পথিক!!!!!!! বলেছেন: কেমন আছেন আপু...

বইটি মনে হয় ভালই ..
অনুবাদ করে ফেলেন
২৯ শে জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:৩৫

লেখক বলেছেন: সব ভালো বই যদি অনুবাদ করতে হয়! এক জীবনে কয়টা করবো? পড়ছি যে এই কত! আপনি করেন অনুবাদ।

১৭. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:১৬
জটিল বলেছেন: বইটা দেখে এসেছি :) ছোট্ট কিন্তু ভেতরের খবর জেনে ভাল লাগল
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:০৫

লেখক বলেছেন: শুধু দেখলেন? পড়ে ফেলেন!

১৮. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:২২
শব্দ স্বনন বলেছেন: পোস্টের জন্য ধন্যবাদ। বইটা পড়ব।
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:০৫

লেখক বলেছেন: আপনি পড়লেন, আপনাকেও ধন্যবাদ।

১৯. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২২
েফরারী মন বলেছেন: লুনা তুমি অনেক ভালো অনুবাদক

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯২৩৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি অনেক হাসি। আমার বই পড়তে, কবিতা পড়তে, আড্ডা দিতে, গান শুনতে, সিনামা দেখতে, ঝগড়া করতে, তর্ক করতে,...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ