i'm lost and alone and i'm fair and i'm free you am what you is and i are who i be what i'm lacking in strength i make up for in smarts you keep your stability i'll keep my heart

উৎপল কুমার বসুর কবিতা ও আমার আলোচনা

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৩৩

শেয়ারঃ
0 0 0

উৎপল কুমার বসু কয়েকটি সামপ্রতিক কবিতা

1.

গাছে উঠে বসে থাকি। ফল খাই। ব্যক্তিমানুষের দিকে
আটি ছুঁড়ে মারি। নিচে হাহাকার পড়ে যায়। বেশ লাগে।
মাঝে মাঝে ধ্রুপদী সংগীত গাই। ওরা শোনে। বাদ্যযন্ত্র
নিয়ে আসে। তাল দেয়। বোধ হয় ছবিও তুলেছে। সেদিন
এক গবেষক বাণী চাইল। ভাবলাম বলি : আমার জীবনই
আমার বাণী। কিন্তু এটিও নাকি বলা হয়ে গেছে। অতএব
নিজস্ব ভঙ্গিতে, কিছুটা বিকৃত ভাবে, বিড় বিড় করি-
"দেখেছি পাহাড়। দেখে জটিল হয়েছি।"



2.

চলো মর্মরসাথী, চলো ভ্রমণে, কান্তারে,
চলো বিদেশীর বেশে কেউ যেন কাউকে না চিনি-

ফলিত জ্যোতিষরূপী, তুমি গানের দেবতা, তুমি জানো
আমার লেখার খাতা অজ্ঞান অনিশ্চয়তায় ভরে গেছে,
এসো নতুন প্রজন্ম হয়ে, এই ভুলভ্রান্তিময়
লেখাগুলি পাঠ করো, অর্থ করো, পর্বতবাসীদের মতো
বিশাল প্রান্তর প্রথম দেখায় অভিভূত হও।
এ-অববাহিকা, বস্তুত জমির ঢাল, ধীরে ধীরে নদীতে নেমেছে।




3.

ভোরবেলা পার্কে বেড়াতে গিয়ে কী দেখব কে জানে, এই ভয়ে
রাত থেকে কাঁপি, ভুল পায়ে জুতো পরি, ছাতা নিতে মনেই
থাকে না, হায় সেই দুর্ঘটনার জীপ-গাড়ি থানার সামনে তেমি্নই
পড়ে আছে, মরচে ধরেছে, চাকায় বাতাস নেই, গাছ থেকে
ঝুলন্ত দড়িটা ওখানে কীভাবে এল, ফাঁস নাকি, লকআপ-য়ের
জানলা থেকে উড়ে আসে দুটো পাখি, ভাঙাচোরা এঞ্জিনে ওদের
বাসা, আপাতত ডিমহীন, নীড়ে শাবক আসে নি, আজ ঝড়ের
আঁধার মেঘে দিন শুরু, এলোমেলো বৃষ্টি নামছে।



4.

চলো নামি দুর্গের বাগানে, খেলা করি। সূর্য
বসে পাটে। বিকেলের ভ্রমণকারীরা অস্তলীন।
ঐখানে অবিনাশী পাথর রয়েছে-মূর্তি আছে
যোদ্ধাদের এবং অনেক ঝুলে-থাকা টায়ার-দোলনা।
ফিরে আসছে ঝাঁকে ঝাঁকে বনটিয়া শহরের দিক থেকে।
আরো নিচে বধ্যভূমি, ফাঁসিকাঠ, লোহার কয়েদ।
শুনি আর্তনাদ-হাহাকার-পাখির উল্লাস। ঐখানে আজ
আমাদের খেলা ও খেলার গান। আমাদের খেলার লড়াই।



5.

কত-না রুদ্ধ ক্রোধ বাক্সে লুকানো থাকে, বাঁধা থাকে বিছানায়।
চেকিঙে পড়েনি ধরা, বৈদু্যতিন কৌশল এড়িয়ে গিয়েছে,
বিমানবন্দর তারা অকাতরে পার হয়, এমনকি দেহরক্ষীদের
বেষ্টনী এড়িয়ে বহু হতবাক প্রেসিডেন্ট-মুখ্যমন্ত্রী-নগরপালের
সামনে দাঁড়িয়ে পড়ে, বলে-'অ্যাই, তোরা ভেবেছিসটা কী?'
সৈন্যরা বৃথাই বন্দুক ছোঁড়ে, কৃপাণ নিজেরা লড়াই করে।
ক্রোধ অদৃশ্যই থেকে যায়।

../../4
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
উৎপলকুমার বসু : জন্ম. কলিকাতা 3 আগস্ট 1937; কলিকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ইন্ডিয়া
.........
কবিতা সঞ্চালন উদযোগ: কিস্তি3: 12 নভেম্বর 2004
-------------------------------------

উৎপল কুমার বসুর কবিতা

এই কবিতাগুলাতে রাজনৈতিক অসহায়তার কথা আছে মনে হয় । কবিতার নাম 'কয়েকটি সামপ্রতিক কবিতা' হওয়ার ফলে পড়ার সময় সামপ্রতিক পৃথিবীতে ঘটতে থাকা ঘটনা মনে আসে । যেমন প্রথম কবিতাতে আছে :

গাছে উঠে বসে থাকি। ফল খাই। ব্যক্তিমানুষের দিকে আঁটি ছুঁড়ে মারি। নিচে হাহাকার পড়ে যায়। বেশ লাগে।

প্রথমেই মনে আসে আমেরিকার 'ওয়ার এগেইনস্ট টেররিজম'-এর কথা । বিশেষ করে 'ব্যক্তিমানুষ' আর 'হাহাকার' শব্দগুলা যুৎসই। এই অংশে ছোট ছোট শব্দের ছোট ছোট বাক্য থাকার ফলে একটা দৃঢ়তা প্রকাশ পায়-যা ক্ষমতার সাথে সমপর্কিত। মনে হয় নিচের সমস্ত কার্যকলাপ গাছের উপরে আসীন ব্যক্তির কর্মকান্ডের ওপর নির্ভরশীল। এই জন্য সে যখন আঁটি ছুঁড়ে মারে যে কোনো এক ব্যক্তির নাম করে, নিচে ওই নিয়েই হাহাকার পরে। সে ধ্রুপদী সংগীত গাইলে অন্যদের শোনা ছাড়া উপায় নাই, তাই শোনে। কেউ কেউ আরেকটু কৃপা দৃষ্টি প্রার্থনা করার কারণে বাদ্যযন্ত্র সাথে এনে তাল দেয়। গাছের উপরে থাকলে এই সবই উপভোগের বিষয়। আবার 'গাছে উঠে বসে থাকি' কথাটার মধ্যে একটা কৌতুক আছে। বানরের কথা মনে আসে।

1 থেকে 5 নাম্বার কবিতায় পৌঁছাতে পৌঁছাতে আরেকটা ব্যাপার দেখলাম। প্রত্যেক স্তরে স্তরে স্বর পরিবর্তিত হয়েছে। প্রথম কবিতার কর্তৃত্বের স্বর দ্বিতীয়টাতে বদল হয়ে হয় আহ্বানের, অপেক্ষার। প্রথম লাইন :

চলো মর্মরসাথী, চলো ভ্রমণে, কান্তারে, চলো বিদেশীর বেশে কেউ যেন কাউকে না চিনি-

এইখানে মর্মর শব্দটার কারণে একটা বাদশাহী সময়ের কথা মনে আসে। মনে আসে মর্মর প্রাসাদ, মর্মর মূর্তি। অতীত থেকে উঠে আসা সুখী আর অভিজাত অনুভূতি। বর্তমানে যার সমৃতিটুকুই অবশিষ্ট আছে কেবল। বর্তমান-যা অনিশ্চয়তা এবং ভুলভ্রান্তিতে ভরা, যে অপেক্ষা করে নতুন প্রজন্মের জন্য। আবার দ্বিতীয় বাক্যের কারণে একটা কুয়াশা বা ধুলার আস্তরণের মতন অসপষ্টতা আসে। মনে হয় পূর্বজন্মের কোনো সমৃতি মনে আসতে আসতেও আসছে না। অথচ এই আধাআধি মনে হওয়ার কারণে অচেনা সময় ও চেনা চেনা লাগে আবার চেনাও কেমন অচেনা। সব মিলিয়ে নষ্টালজিক। কবিতার শেষ বাক্য :

এ-অববাহিকা, বস্তুত জমির ঢাল, ধীরে ধীরে নদীতে নেমেছে।

সময় এবং যে কোন অবস্থানের ক্ষণস্থায়িত্বের কথা মনে করায়। এই লাইনটা পড়তে পড়তে একটা নজরুলগীতি মনে পরছিল আমার 'চিরদিন কাহারো সমান নাহি যায়...'

তৃতীয় কবিতার স্বর ব্যক্তিগত। পুরা কবিতায় একটাই বাক্য আর মাঝে মাঝে কমা থাকার কারণে মনে হয় একজন কেউ আস্তে আস্তে চোখ খুলতে খুলতে পারিপার্শি্বক বোঝার চেষ্টা করছে।

হায় সেই দুর্ঘটনার জীপ-গাড়ি থানার সামনে তেম্নিই পড়ে আছে, মরচে ধরেছে, চাকায় বাতাস নেই,

এই কথাগুলাতে একটা উদাসীন স্থবিরতা সপষ্ট । 'হায়' শব্দটার কারণে বোঝা যায় এই সহবিরতা কষ্টের-ব্যক্তিমানুষের কাছে ।

চতুর্থ কবিতার স্বর সমালোচকের, পর্যবেকের। যদিও প্রথম লাইনে বলা হয়েছে :

চলো নামি দুর্গের বাগানে, খেলা করি।

'চলো' শব্দে আহ্বান আছে। 'খেলা করি'-তে ক্রিয়া। তবু 'দুর্গ' শব্দটার কারণে একটা নিরাপত্তার ভাবও আসে। দুর্গের বাগানে খেলা করাকে তাই সক্রিয় অংশগ্রহণ বলে মনে হয় না। মনে হয় এই আহ্বানে গোষ্ঠিবদ্ধ পর্যবেক্ষণের কথা আছে।

আরো নিচে বধ্যভূমি, ফাঁসিকাঠ, লোহার কয়েদ। শুনি আর্তনাদ-হাহাকার-পাখির উল্লাস।

এই বাক্যগুলিতে কোনো অনুভূতির প্রকাশ নাই। শুধু যা আছে আর যা হচ্ছে তার খতিয়ান-বাইরে থেকে ।

শেষ কবিতায় প্রথম কবিতার একদম উল্টা অনুভূতি। প্রথম কবিতার স্বর কর্তৃত্বের, এইখানে গ্রহিতার। যা কিছু অন্য কেউ ঘটাচ্ছে, যে ঘটনার উপর গ্রহিতার কোনো হাতই নাই, তারই ফলশ্রুতিতে মেনে নিতে হয় বিমানবন্দরের কড়াকড়ি, সন্দিহান দৃষ্টি। আর তাই, বাক্সে এবং বিছানায় বাঁধা লুকানো রূদ্ধ ক্রোধ।

সৈন্যরা বৃথাই বন্দুক ছোঁড়ে, কৃপাণ নিজেরা লড়াই করে। ক্রোধ অদৃশ্যই থেকে যায়।

শেষের এই কথাগুলার ভেতরে কবিতার অদৃশ্য ক্রোধের আড়ালে লুকানো অসহায়তা, হতাশা এবং কষ্ট সপষ্টতা পায়।

লুনা রুশদী
অকল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, 23/1/5
কবিসভা

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৩৫
লুনা রুশদী বলেছেন: বানান ভুল থাকলো অনেক। কিছু করার নাই, দেরী হয়ে যাচ্ছে অফিসে। পরে ঠিক করবো।
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪৪

লেখক বলেছেন: পড়েন! আমি বিদায় হই। অফিস থেকে মন্তব্য দেখবো! মতামত দিয়েন কিন্তু।

৩. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২২
যশোর০০৭ বলেছেন: লেখা গুলো নিয়ে আরো দীর্ঘ আলোচনা হতে পারতো!
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪০

লেখক বলেছেন: পারতো হয়তো। আমি তো এইটুকুই পারলাম! বাকি টা আপনি করেন, আমি পড়ি।

৪. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৩
মেহবুব রেহমান খান বলেছেন: খুবই অদ্ভুত এক আলোচনা। তবে শিরোনামে 'আমার' শব্দটি থাকায় তা মেনে নেয়া যায় বটে। কবিতা এক ধরনের উৎকেন্দ্রিক শিল্প। উৎপল কুমার বসু বোধ করি এমনতর বিরল একজন কবি যিনি এই উৎকেন্দ্রিকতা-কে বুঝতে দেন না, যা কষ্টে বুঝে নিতে হয়। আপনি যেমনভাবে এই 'আমার আলোচনা' করলেন, তাতে মনে হলো, তিনি লেপ তোষকের মত কোনো কবি, বিছনায় শুয়ে বিড়বিড় করাই যার প্রাত্যহিক কাজ।
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪১

লেখক বলেছেন: এই জন্যই 'আমার' আলোচনা করেছি। আমি তো কবিতা বুঝি কম। যা বুঝি তাই বলেছি। বিছনায় শুয়ে বিড়বিড় করা খারাপ কি?

৫. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪৪
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: হমমম হমমম হমমম .........
কত কিছুই না আছে জানার ~
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪৬

লেখক বলেছেন: এতো বার হমমম করলো অচিরেই বাঘ হয়ে যাবেন! ওম শান্তি!

৬. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৪৬
শব্দ স্বনন বলেছেন: মন দিয়ে পড়তে পারি নি। খুব ঘুম পাচ্ছে। কাল আবার পড়ব। কিন্তু তথাকথিত আলোচনার অতিআলঙ্করিক (!) পাণ্ডিত্যপূর্ণ দমবন্ধতা-টা পাই নি। সত্যি সত্যি আলোচনা লেগেছে। 'আপনার' আলোচনা লেগেছে। এমন সহজ স্বাভাবিক জিনিসই ভালো লাগে আমার। কবিতা বুঝি না। কিন্তু মিথ্যে গাম্ভীর্য বুঝতেও চাই না। সরলতাটা পেয়েছি ঝাপসা চোখে চোখ বুলিয়ে যাওয়ায়।
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:০৩

লেখক বলেছেন: সেইটাই চেয়েছি। মানে আমার মতো করে বুঝতে। পন্ডিতি করার জন্য তো পন্ডিতরা আছেন, কিন্তু আমার মতোন করে দেখার মতোন আরেকজন 'আমি' তো নাই। তাই ওইটাই বেশী জরুরী মনে হয় আমার কাছে। আপনার মন্তব্য পড়ে মন ভালো হয়ে গেল।

৭. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:২১
অরণ্য আনাম বলেছেন: এতো বড় লেখা পড়তে গেলে আমার চোখের অবস্থা খারাপ হয় :(
৮. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৪৭
শব্দ স্বনন বলেছেন: "সেদিন
এক গবেষক বাণী চাইল। ভাবলাম বলি : আমার জীবনই
আমার বাণী। কিন্তু এটিও নাকি বলা হয়ে গেছে।"

চমৎকার লাগল!

এই লাইনের আগ পর্যন্ত ক্ষমতা আর কৌতুকের ব্যাপারটা ঠিক ছিল মনে হয়। কিন্তু এই লাইনগুলো চলে আসার পরই আবারও একটা কবিসত্তা চলে এল না? কিংবা একটা দার্শনিকতা? মজা করে বললে "ভাব"।

"আমাদের খেলার লড়াই।" আরেকটু গুরুত্ব পেতে পারত।

আলোচনা ভালো লাগল। আপনি অনেক জানেন, এজন্যই আপনার বাড়তি পণ্ডিতির দরকার নেই। সহজ কথা অনেক বেশি সুন্দর।
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:০৭

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ ওই লাইন টা আমারও অনেক ভালো লাগে।

আমি অনেক জানি না। তবে যেটুকু জানি তার চেয়ে বেশী জানি এইরকম মনে করতে চাই না :)

৯. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:২৫
শব্দ স্বনন বলেছেন: ইমোটিকন নিয়ে আমার পোস্টে আপনার মন্তব্যের জবাব দিলাম, আর এখানে এসেই দেখি আপনি একটা দিয়ে বসে আছেন!!!
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: হা হা! আমি তো আরো ভাবলাম এটা দেখেই ওইখানে বললেন!

১১. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৩৮
আন্দালীব বলেছেন: খুবি কাজের জিনিস দিয়েছেন। আপনার ডিটেইলিং এর বিষয়টাও পড়ছি....

সময় নিয়ে আরো অনেকবার পড়া দরকার।
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৪২

লেখক বলেছেন: কি রকম ডিটেইলিং?

১২. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৩৮
খলিল মাহমুদ বলেছেন: আপনার সমালোচনা খুব ভালো লাগছে।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৫৯

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে!

১৩. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:১১
মুক্তি মণ্ডল বলেছেন: আমার চোখ এড়িয়ে গিয়েছিল। পড়ছি..
১৪. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৫৯
অনাহুত আগন্তুক বলেছেন: আমি শুধু প্রথম কবিতাটাই একটু বুঝতে পেরেছি.. খিক খিক.. তাও আমার মতো করে। কালকে বইমেলায় একটা বই দেখলাম, ওটার নাম ছিল, "একজন বুদ্ধিজীবির জবানবন্দি" কিংবা "একজন বুদ্ধিজীবির আস্ফালন" কিংবা "একজন বুদ্ধিজীবির দোষ স্বীকার" - এই ধরণের কিছু একটা।

প্রথম কবিতাটা পড়ে "একজন বুদ্ধিজীবি"র কথা মনে হলো। :)
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৪৪

লেখক বলেছেন: আমিও কবিতা আসলে আমার মতনই বুঝি। এখানেই দেখছো না, আমার আলাপটা যে একদম খুব বোদ্ধা মানুষের মতন হয় নাই অনেকেই বলেছেন সেটা। কিন্তু কি করবো জ্ঞান কম তো!

ইস কি মজা বইমেলাতে ঘুরছো! আমি শেষবার বইমেলা দেখেছি ২০০০ সালে। এখন কেমন? দাঁড়াও নিশ্চয়ই ব্লগে লিখবা এই নিয়ে। দেখি কি লিখলা।

১৫. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৫০
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন: আরো সমালোচনা হতে পারতো বোধহয়-আরো কিছুক্ষণ-আরো কিছু ব্যপ্তি নিয়ে। তুলে রাখছি। পরে আবার পড়বো।

 

মোট সময় লেগেছে ০.০৩৬৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি অনেক হাসি। আমার বই পড়তে, কবিতা পড়তে, আড্ডা দিতে, গান শুনতে, সিনামা দেখতে, ঝগড়া করতে, তর্ক করতে,...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ