গত ২০/৮/২০০৯ তারিখে যোগাযোগ মন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগের প্রতিনিধি, মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত দপ্তর/সংস্থাসমূহের কর্মকর্তাবৃন্দ সভায় উপস্থিত ছিলেন। সভায় নিম্নলিখিত সিদ্ধান্তসমূহ গৃহীত হয়।
দেখুন তো আপনার চারপাশে এসব সিদ্ধান্ত কতটুকু বাস্তবায়িত হচ্ছে?
সিদ্ধান্তসমূহঃ
১। মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য ২০ জন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের জন্য সংস্থাপন মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করা।
২। শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ১লা রমযান থেকে স্কুল বন্ধ রাখার অনুরোধ করা।
৩। অবৈধ রিক্সা ও লাইসেন্সবিহীন গাড়ী বন্ধ করা। ঢাকায় বিভিন্ন চেক পয়েন্ট স্থাপন করার ব্যবস্থা করা।
৪। রাস্তা ও ফুটপাতে বিভিন্ন দখলদারী বন্ধ করা।
৫। অপ্রয়োজনীয় ক্রসিংগুলো বন্ধ করে দেয়া রমজান উপলক্ষ্যে।
৬। বিআরটিসি এবং বাংলাদেশ রেলওয়ে ব্যাপক প্রচারের মাধ্যমে গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ এবং ঢাকার জনগণকে জানিয়ে বাস ও রেল চলাচলের ব্যবস্থা করা।
৭। অবৈধ গাড়ী পার্কিং কঠোরভাবে বন্ধ করণ।
৮। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক ঢাকা মহানগরীকে বিভিন্ন জোনে বিভক্ত করে প্রত্যেক জোনে ১ জন ম্যাজিস্ট্রেট এর নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার ব্যবস্থা নেয়া এবং উক্ত মোবাইল কোর্ট অবৈধ পার্কিং রোধ এবং বাস-বে/বাস স্টপেজে বাস দাড়ানো ও অবস্থান সীমিত করা, রাস্তার উপরে রক্ষিত নির্মাণ সামগ্রী, ব্যবসার উপকরণ অপসারণ এবং ফুটপাতে ইফতার স্টল অপসারণের উদ্যোগ গ্রহণ করা। আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
৯। অবৈধ পার্কিং অথবা বাস স্টপেজ ব্যতিত অন্য জায়গায় গাড়ী পার্কিং বা থামানো হলে রেকার দিয়ে গাড়ী পুলিশ হেফাজতে নেয়া।
১০। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক রাস্তা দখল করে হকার ও ফেরীওয়ালাদের ব্যবসা বন্ধ, অবৈধ পার্কিং রোধকল্পে ডিএমপি, মোবাইল ট্রাফিক সার্জেন্ট ও টহল পুলিশের তৎপরতা বৃদ্ধি করা এবং তত্ত্বাবধান জোরদার করা।
১১। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে সভা করে নির্মাণ সামগ্রী/ব্যবসা সামগ্রী রাস্তার উপর থেকে অপসারণের ব্যবস্থা নেয়া। বিশেষতঃ দোকান মালিক সমিতির সাথে আলাপ করে শপিংমলের নিজস্ব নিরাপত্তা বাহিনীর সহায়তারয় শপিংমল-এর সামনে অবৈধ পার্কিং রোধের উদ্যোগ নেয়া এবং অতিরিক্ত পুলিশ ও আনসার বাহিনী নিয়োগের মাধ্যমে পথচারীদের ফুটপাত, ফুটওভার ব্রীজ ও আন্ডারপাস ব্যবহার নিশ্চিত করা।
১২। ৪ লেন বিশিষ্ট রাস্তার উভয় দিকের সর্ববামের লেন বাস/মিনিবাসের চলাচলের জন্য ডেডিকেটেড করা। মোবাইল কোর্ট, মোবাইল সার্জেন্ট এবং টহল পুলিশ তৎপরতার মাধ্যমে উক্ত ডেডিকেটেড লেনে বাস/মিনিবাস চলাচল নিশ্চিত করা। এ জন্য হ্যন্ড মাইকে প্রচারের ব্যবস্থা নেয়া।
১৩। রিক্সমুক্ত প্রধান সড়কের উপর দিয়ে যান্ত্রিক ও অযান্ত্রিক যানবাহনের ক্রসিং সংখ্যা সীমিত করা। সেই সাথে যে সকল সড়ক রিক্সমুক্ত/গাড়ীমুক্ত করা সম্ভব তা চিহ্নিত করে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া।
১৪। বিআরটিএ এবং ডিএমপি কর্তৃক বাস মালিক সমিতি, শ্রমিক মালিক সমিতি, ড্রাইভার সমিতির সাথে সভা করে বৈধ কাগজপত্রবিহীন যান চলাচল বন্ধ করার পদক্ষেপ নেয়া এবং এক রুটের গাড়ী অন্য রুটে চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা।
১৫। ঢাকা সিটি কর্পোরেশন, বিআরটিএ, ডিএমপি এবং বাস মালিক সমিতি যৌথ সভা করে অবৈধ রিক্সা এবং মিনিবাসের অনুপ্রবেশ প্রতিরোধের উদ্যোগ গ্রহণ। রাত ১০টার পূর্বে ঢাকা শহরে ট্রাকের প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ করা।
১৬। ডিসিসি কর্তৃক গ্রীণরোডসহ প্রধান সড়কগুলোর ডাস্টবিনসমূহ অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার ব্যবস্থা করা।
১৭। ট্রেনে অতিরিক্ত বগির ব্যবস্থা করা...।
১৮। অফিস সময়ের সাথে স্কুলের সময়ের ভিন্নতা আনার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারী করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করা।
১৯। বিআরটিসি কর্তৃক সায়েদাবাদ থেকে রামপুরা-বাড্ডা হয়ে এয়ারপোর্ট এবং ঢাকা সার্কুলার রোড থেকে পর্যন্ত পৃথক দু'টি রুটে নতুন বাস সার্ভিস চালুর ব্যবস্থা করা।
২০। পবিত্র রমযান মাসে ঢাকা মহানগরীর যানজট নিরসনকল্পে নিয়োজিত ভ্রাম্যমাণ আদালতসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থার কার্যক্রম মনিটরিং ও সমন্বয় সাধনের নিমিত্ত নিম্নরূপ একটি কমিটি গঠন করা হলোঃ
ক) অতিরিক্ত সচিব, সড়ক ও রেলপথ বিভাগ, যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ঃ আহ্বায়ক
খ) অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক), ঢাকা বিভাগ, সদস্য
গ) উপ-সচিব (পুলিশ), স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সদস্য
ঘ) তত্ত্বাবধায় প্রকৌশলী, সওজ, ঢাকা সড়ক সার্কেল, সদস্য
ঙ) পরিচালক (এনফোর্সমেন্ট), বিআরটিএ, সদস্য
চ) যুগ্ম-কমিশনার (ট্রাফিক), ডিএমপি, সদস্য
ছ) সিনিয়র এনফোর্সমেন্ট অফিসার, ডিটিসিবি, সদস্য
জ) পরিচালক (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ), রাজউক, সদস্য
ঝ) অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), ঢাকা, সদস্য
ঞ) তত্ত্বাবধায় প্রকৌশলী, ঢাকা সিটি কর্পোরেশন, সদস্য
ট) পরিচালক (ট্রাফিক), বাংলাদেশ রেলওয়ে, সদস্য
ঠ) উপ-সচিব (পরিবহন-১), সড়ক ও রেলপথ বিভাগ, যোগাযোগ মন্ত্রণালয়, সদস্য-সচিব
কমিটি সরেজমিনে অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে এ বিষয়ে সরকারের নিকট সুপারিশ/প্রতিবেদন পেশ করবে।
স্বাক্ষরিত/-
২০/৮/০৯
(সৈয়দ আবুল হোসেন)
যোগাযোগমন্ত্রী
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৫০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



