আমার প্রিয় পোস্ট

চাকরির বাজার এবং আমাদের চাকরি দাতারা

২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:৪৬

শেয়ারঃ
0 0 0

চাকরির বাজার এবং আমাদের চাকরি দাতারা

বর্তমান এ দেশে নাকি সব মিলায়ে ২ কোটির উপর বেকার রয়েছে, যদিও আমার মনে হয় এইটা অন্তত আরো ১/২ কোটি বেশি। এবং আমাদের এই চাকরির বাজার নিয়ে আমাদের চাকরিদাতারা যে ছিনিমিনি খেলা শুরু করেছে, তাতে আমার ভয় হয়, কোন দিন দেখা যাবে আমাদের এইসব শিক্ষিত বেকাররা দেশের সবচেয়ে বড সন্ত্রাসীতে পরিনত হবে।

১। খুব খারাপ লাগে যখন দেখি ইচ্ছা মত সবাই ১ম, ২য় শ্রেনী ঠিক করে। আজকাল বিভিন্ন ব্যাংক, ভালো ভালো জায়গায় নিজেদের ইচ্ছা মতো যা খুশি তাই করছে। আমি প্রথম থেকে জানি যে ২.৫০ এর নিচে ৩য় বিভাগ, ২.৫০-৩.০০ হলো ২য় বিভাগ এবং ৩.০০ এর উপর হচ্ছে ১ম বিভাগ যদি সেই গ্রেডিং সিজিপিএ ৪.০০ এর মাঝে হয়। কিন্তু অনেক জায়গায় দেখা যায় ২.৭৫ কে ৩য় বিভাগ ধরা হয়, কথাও আবার ৩.৩০ কে প্রথম বিভাগ ধরে বলা হয়, ৩টা ১ম শ্রেনী প্রাপ্তরাই আবেদন করতে পারবে। তার মানে সারা দুনিয়ায় এক নিয়ম এবং আমাদের দেশে অন্ন নিয়ম ???

২। আমাদের দেশে পাবলিক এবং প্রাইভেট ২ ধরনের ভার্সিটি আছে। এর মাঝে পাবলিক ভার্সিটিতে ৪.০০ এর মাঝে ৩.০০ সিজিপিএ পাওয়া খুব সোজা না। আবার প্রাইভেট এর মাঝে ৩ প্রকার ভার্সিটি আছে। ৫/৬ টা ভালো মানের, ৬/৭ টা মাঝারি মানের এবং বাকি সব কেমন আমরা কম বেশি সবাই জানি। এবং কিছু প্রাইভেট এ ৩.৫০ সিজিপিএ (৪.০০ এর মাঝে) পাওয়া খুব সোজা এবং কিছু কিছু জায়গায় ৩.০০ এর উপর পাওয়া মানে অনেক বড বাপার। কিন্ত চাকরির বাজারে এইভাবে জিপিএ ধরে যখন ডাকা হয়, তখন নরমালি ভালো ভালো ভার্সিটির ছাত্ররাই বেশি হতাশ হয়। কারন কিছু কিছু ভার্সিটির ছাত্রদের জন্য ৩.০০ সিজিপিএ বাপার না হলেও অনেক জায়গায় খুব কঠিন। এবং যার ফলে অনেকে আবেদনও করতে পারে না।

৩। এস এস সি এবং এইচ এস সি এর খেত্রেও বলতে চাই যে, এখন যেমন গণহারে সব জিপিএ ৫.০০ পায়, ২০০২-২০০৪ পর্যন্ত কিন্তু এত্ত পেতো না। প্রথমবার যখন জিপিএ পদ্ধতি বার হলো, আমার জানামতে সেবার ১০০ জন এর কম ৫.০০ জিপিএ পেয়েছিল এবং এখন তো কত পায় আল্লাহ জানে। আমি জানতাম যে ৪.০০ এর উপর পেলে ১ম বিভাগ, কিন্তু ইদানিং খেয়াল করলাম কিছু কিছু জায়গায়/বাংকে ৪.৫০ কে ১ম, ৪.২৫-৪.৫০ পর্যন্ত ২য় এবং ৪.২৫ এর নিচে জিপিএ পেলে সেটাকে ৩য় বিভাগ বানায়ে অনেক প্রতিষ্ঠান আবেদন করতে বলতেছে। এইটা যেন মামাবাডির আবদার !!!!

৪। এইবার আসি নিজের আশেপাশের কিছু মানুষ এর সিজিপিএ’র ঘটনা নিয়ে। South East University থেকে ২০০৬ এ ৩.৭৩ সিজিপিএ নিয়ে পাশ করে আমার এক মামাতো ভাই North South University তে ভর্তি হলো MBA তে। সে MBA শেষ করলো ৩.০১ সিজিপিএ নিয়ে এবং সে ফুল টাইম ছাত্রই ছিলো। আমার আরেক বন্ধু North South University থেকে বিবিএ শেষ করে (সিজিপিএ ৩.৫৫) Dhaka University থেকে MBA শেষ করলো ৩.০২ সিজিপিএ নিয়ে (সেও ফুল টাইম ছাত্র ছিলো)। আমার এলাকার এক ছেলে East West University থেকে ৩.৬২ সিজিপিএ নিয়ে পাশ করার পরে মার্কেন্টাইম ব্যাংক এ আবেদন করলো এবং গত সপ্তাহে পরীক্ষাও দিয়ে আসলো, কিন্তু MBA সহ ৩টা ১ম বিভাগ থাকার পরেও আমার এক বন্ধু আবেদন এ করতে পারলো না কারন তার বিবিএ সিজিপিএ হচ্ছে ২.৮৮ (MBA সিজিপিএ ৩.৪০ এবং সে ঢাকা ভার্সিটির ছাত্র) এবং মার্কেন্টাইম ব্যাংক এর নিয়ম মতে ৩.০০ এর নিচে মানে ৩য় বিভাগ এবং ৩.৩০ এর উপর ১ম বিভাগ।
আমার খুব জানতে ইচ্ছা করে, অই ব্যাংক এ যারা ৪/৫ বছর আগে জয়েন করছে এবং এখন HR এ আছে , তাদের কয়জনের সিজিপিএ ৩.৩০ এর উপরে ?? এবং মামা-চাচা ধরে যারা ঢুকে তাদের কয়জনের সিজিপিএ ৩.৩০ এর উপর ??

৫। কিছুদিন আগের কথা, আমি এক ভার্সিটিতে গেলাম, অইখানে BRAC BANK এর ROAD SHOW হচ্ছিলো, এবং তাদের ঠিক করা যোজ্ঞতা হলো কমপক্ষে ৩টা প্রথম বিভাগ থাকতে হবে এবং Graduation করা থাকলেই আবেদন করতে পারবে (কিন্তু ১টাও ২য় বিভাগ থাকতে পারবে না)। আমি তখন BRAC BANK এর HR Head (তিনি একজন মহিলা এবং তিনি MBA করেছেন South East University থেকে !!) কে ধরলাম একটা বিষয় নিয়ে। আমি তাকে সামনা সামনি ১টা প্রস্ন করলামঃ

>>. যদি কেও শুধু বিবিএ করে যে কোন ভার্সিটি থেকে (অগা-মগা যে কোন) এবং তার ৩.০০ জিপিএ থাকে তাহলে সে যদি আবেদন করতে পারে, তাহলে ভালো ভার্সিটি থেকে MBA করেও কেন কেও আবেদন করতে পারবে না, যদি তার বিবিএ তে সিজিপিএ ৩.০০ এর নিচে থাকে, কিন্তু MBA তে সিজিপিএ ৩.০০ এর উপর থাকে??? (আসলে আমার এক ভাই ঢাকা ভার্সিটিতে পরতো এবং তার ৩টা প্রথম বিভাগ থাকলেও বিবিএ তে সিজিপিএ ৩.০০ এর নিচে ছিলো, কিন্তু MBA তে সিজিপিএ ৩.৬৯ এবং আমি তার কথা মাথায় রেখেই কথা বলছিলাম) কারন তারো ৩টাই ১ম বিভাগ এবং বাস্তবতা চিন্তা করলে সে ১ম আবেদনকারীর চেয়ে বেশি Qualified কারন তার MBA করা আছে এবং তার রেজাল্টও ১ম বাক্তির চেয়ে ভালো। এবং সবচেয়ে বড কথা হচ্ছে সে বেশি ভালো ভার্সিটি থেকে আসছে, কারন ঢাকা ভার্সিটির সিজিপিএ ৩.০০ এবং অন্ন ভার্সিটির সিজিপিএ ৩.০০ এর মাঝে অনেক পার্থক্ক।

আমার কথা শুনে সেই মহিলা বললেন যে, এখন নাকি সবাই সিজিপিএ ৩.০০ এর উপরেই পায় এবং ৩.৫০ এখন পান্তাভাত (আমিও Agree করি), কিন্তু আমি এই কথাই Agree করতে পারি না, যে সব ভার্সিটির ছাত্রদের Quality সমান। আমি তখন অই মহিলাকে প্রশ্ন করলাম যে, আপনি কি মনে করেন যে, South East University এবং ঢাকা ভার্সিটির ৩.০০ সমান (এইটা বলি নাই যে, আমি জানি সে কোথা থেকে MBA করছে, হাহা হাহা) ??? তখন সেই মহিলা কথা না বলে অন্নদিকে, অন্ন আরেকজনের সাথে কথা বলা শুরু করলেন।

৬। যাই হোক, আমি শুধু এইটাই বলতে চাই যে, আমাদের দেশে শিক্ষা বাবস্থা নিয়ে একটা “হ জ ব র ল” অবস্থা তৈরী হয়েছে এবং যার বলে আমাদের অনেক ভালো ছাত্র অনেক ভোগান্তিতে পরছে। অন্ন দিকে অনেকে খারাপ জায়গায় পরেও পার পেয়ে যাচ্ছে। হতাশা তৈরী হচ্ছে আমাদের অনেক ভালো ছাত্র এর মাঝে। অনেকে বিপথে চলে যাচ্ছে। কিন্তু আমাদের চাকরিদাতারা অনেক মজায় আছেন। তাদের নিজেদের কয়জনের ৩/৪টা প্রথম বিভাগ আছে জানি না, কিন্তু নিজেরাই জিপিএ এবং বিভাগ ঠিক করার মতো মহান কাজ করে দেশের অনেক বেকার এর মনে আরো বেশি করে হতাশা তৈরী করছেন, যা মোটেও যোক্তিক না।

৭। আমি কাওকে ছোট করতে বা কোন ভার্সিটিকে ছোট করছি না, কিন্তু বাস্তবতা বলতে বাধহ হলাম. এবং এইটাও বলতে চাই যে আমাদের দেশের বিভিন্ন ব্যাংক, অন্ন সব প্রতিস্টান এর বড কর্মকর্তা / HR লোকজনের উচিত নিজেদের খেয়াল খুশিমতো সিজিপিএ / বিভাগ ঠিক না করে (যেমন ৩.৩০ কে প্রথম বিভাগ অথবা ৩.০০ এর নিচে সিজিপিএ হলে সেটাকে ৩য় বিভাগ বানানো), যেটা Standard সিজিপিএ এর সিস্টেম, অইটাকে ফলো করা।


ভালো থাকুন সবাই

 

সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ২:৩৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:৫৪
~~~~~নিশ্চুপ নিরবতা~~~~~~ বলেছেন: আমার পরিচিত একজন লোক আছেন,উনি ১৯৮২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ থেকে এমবিএ তে সিজিপিএ পেয়েছেন ৩.০০।উনার রেজাল্ট কি ভাল???আমার এ ব্যাপারে ধারণা নাই।আর আপনাকে প্লাস
২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:৪৭

লেখক বলেছেন: এখনকার দিনের সিজিপিএ ৩.৫০ যারা পায় অথবা এর চেয়েও বেশি যারা পায়, তাদের থেকেও আপনার পরিচিত সেইজন অনেক অনেক অনেক বেশি ভাল ছাত্র।

২. ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:৫৫
ফারহান দাউদ বলেছেন: এই এইচআর গুলারে ধইরা মাঝে মাঝে জুতাইতে ইচ্ছা করে,প্রাইভেট থাইকা বিবিএ করা এইচআর যখন পাবলিকের টেকনিক্যাল পার্সনদের জিপিএ নিয়া কথা কয় ইচ্ছা করে থাবড়ায়া দাঁত সব কয়টা ফালায়া দেই।
৩. ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:৫৯
যুগান্তকারী বলেছেন: একডম খাসা পোস্ট।শেখ সাদী আর ছাগের লাদি কখনো এক হয় না।
৪. ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:০১
যুগান্তকারী বলেছেন: আরে দেখি পোস্টাইতে না পোস্টাইতেই একখান মাইনাস দিছে(১০০% বে-সরকারী ইউনির পোলা)।
৫. ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:৪৫
আকাশ_পাগলা বলেছেন: +, তবে বড়োমাপের একটা ভুল করছেন। ভার্সিটিতে জিপিএ না, সিজিপিএ হয়।এডিট করে দেন।


যুগান্তকারী বলেছেন: আরে দেখি পোস্টাইতে না পোস্টাইতেই একখান মাইনাস দিছে(১০০% বে-সরকারী ইউনির পোলা)

এইটা কী ধরণের কথা হল???
জ্ঞানের বহর এরকম হলে ত সমস্যা।
আমি প্লাস দিছি এবং প্রাইভেটে পড়ি।

আমাদের শিক্ষা ব্যাবস্থা একটা হযবরল অবস্থায় পড়ে গেছে। শুরু থেকেই। বাংলা মিডিয়াম, ইংলিশ মিডিয়াম, মাদ্রাসা !!!!
এখন আবার পাবলিক,প্রাইভেট।

সবার কমন পরীক্ষার সিস্টেম করা যায় না???
অনেক প্রাইভেটে সিলেবাস অনেক কম থাকে।
আবার, আজকেই একজনের পোস্টে দেখলাম পাবলিকের কতিপয় শিক্ষম নাকি দল দেখে মেধা তালিকা বানাচ্ছেন।
আজব দেশ।
যাই হোক, ঢাবি আর যে কোন প্রাইভেটের সিজিপিএ যে এক সমান হবে না, সেটা সবার বোঝা উচিত, স্বীকারও করা উচিত।
২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:২৯

লেখক বলেছেন: আসলে আপনার কথা ঠিক, কিন্তু আমরা যখন কথা বলি শর্টকাট হিসেবে তো জিপিএ বলি, যদিও আসলে হওয়া উচিত সিজিপিএ... আমি জিপিএ বলতে অই সিজিপিএ কেই বুঝাইসি। শর্টকাট বলতে বলতে অভভাস হয়ে গেছে।

৬. ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:৩৬
মেঘলা মানুষ বলেছেন: ঠিক কথা।

বিভিন্ন ভার্সিটির গ্রেডিং একই মানের নয়।

সবচেয়ে খারাপ লাগে তখন যখন শুনি পাবলিক ভার্সিটির টিচার যিনি খুব কম কম করে মার্ক দেন, তিনিই যখন (কিছু) প্রাইভেট ভার্সিটিতে উদার হাতে মার্ক দেন। :(
২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:৫১

লেখক বলেছেন: এইজন্নই তো বললাম যে, ৩.০০ সিজিপিএ কে প্রথম বিভাগ এবং ২.৫০ এর নিচে ৩য় বিভাগ বলে যে সিস্টেম চালু আছে, অইটাই সব জায়গায় ফলো করা উচিত।

কিছু কিছু জায়গায় HR পাবলিকরা নিজেদের কি ভাবে জানি না, নিজেদের ইচ্ছামতো বিভাগ ঠিক করে।

৭. ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:৪৪
রিয়াজুল ইসলাম বলেছেন: যদিও অনেক অনেক কারণ আছে তবে তার মধ্যে যেটি অন্যতমে তা হলো: শিক্ষাকে বাণিজ্যকরন করার ফসল-ই হলো এই জিপিএ তারতম্যতা........................................তবে চাকুরিতে এইচ আর বিভাগকে তাদের ইনটুইশন কাজে লাগাতে হবে.............
৮. ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৫২
ক-খ-গ বলেছেন: ভয়াবহ থিসিস পেপার :)
৯. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৬
শিবলী বলেছেন: এস এস সি ২০০১ তে জিপিএ৫ পেয়েছিল ৭২ জন। বেশিরভাগ-ই ঢাকা-র। যশোর -চিটাগাং-বোর্ড কেউ জিপিএ৫ পায়নি। (অন্যগুলার কথা মনে নাই)
যশোর বোর্ড এ ৪.৫ থেকে এর উপরে পেয়েছিল ২০২ জন...


হা হা হা হা হা, এখন এই টা শনলে যে কেউ হাসবে। আমরা যারা ভুক্তোভোগী , তারা- শুধু ঠ্যালা বুজতেছি।
----

আর ব্যাংক- বা চাকরীদাতা রা , আসলে কি যে চায় সেটা বুজতে হলে মনে হয় একটা পিএইচডি করতে হবে...
:(
৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১২:৪৫

লেখক বলেছেন: ৩/৪ টা প্রথম বিভাগ (MBA সহ) (তাও ভার্সিটিতে ৩.০০ সিজিপিএ হলে চলবে না, ৩.৫০+), তারপর কপাল ভালো থাকলে লিখিত পরীক্ষায় ডাকবে, কপাল আরো ভাল হলে/ অনেক বেশি যোজ্ঞতা থাকলে ভাইভাতে যাবেন, তাও একটা না, ২ টা ভাইভা। তারপরে আপনার মেডিকাল এবং তারপর জয়েন করবেন (এইটাও মাথায় রাখবেন যে, ৪০ জন নিলে ১৫ জন মামা-চাচা ধরে ঢুকবে এবং তাই আপনাকে অনেক কিছুই প্রমান করতে হবে)।

তাও আমার মনে হয় বাংকে ঢুকতে হলে আগে পিএইচডি করে আসা উচিত। কয়দিন পরে পিএইচডি যে চাইবে, সন্দেহ নাই।

১০. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৪০
পরিবর্তনবাংলা বলেছেন: পরাপুরি একমত। শিক্ষা ব্যবস্থার এই বৈষম্য দুর হোক ।

আমারটা পড়ুনঃ
Click This Link

 

মোট সময় লেগেছে ১.১২৮৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
একজন সাধারন মানুষ.. যে সাধারণ কথা বলে.. সত্য কথা বলে.. যদিও সত্য কথা বলা মহাপাপ...তাইতো আমি ব্লগের একজন নিন্দিত...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই