somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ভাইবেরাদারের ”খসরু + ময়না”, মিডিয়ার পাপ এবং ইভটিজিং কারখানা

১২ ই নভেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ইভটিজিং নিয়া মিডিয়ার সাম্প্রতিক ভূমিকারে কেউ যদি মিডিয়ার আপন পাপ ঢাকার তৎপরতা বইলা চিহ্নিত করে তাইলে কি তারে দোষ দেয়া যাইবো? অফেন্স ইজ দ্য বেষ্ট ডিফেন্স এর সূত্র ধইরা প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া ইভটিজিং এর পেছনে নিজেদের দায় এড়ানো এবং সেই সাথে সমাজ সচেতন/সমাজ সংস্কারক/দিন বদলের এজেন্সি হিসেবে নিজেগো ভাবমূর্তি তৈরী করণের খাসলতেই মিডিয়ার এই কারবার। না, আমি কইতে চাইতেছি না যে ইভটিজিং এর জন্য একমাত্র মিডিয়াই দায়ী। ইভটিজিং, নারী-উৎপীড়ন, নারীর উপর যৌন নিপীড়ন যাই বলেন, এইটার বর্তমান রুপের ভিত্তি কিংবা ব্রিডিং গ্রাউন্ড হইলো পুরুষতান্ত্রিক পুজিবাদী সমাজব্যাবস্থা। সামন্ততান্ত্রিক সমাজেও পুরুষ ও সামন্তপ্রভুর দ্বারা যৌন নিপীড়ন ছিল। সামন্ততান্ত্রিক সমাজ করছে ঘরের ভিতরে রাইখা আর পুজিবাদী সমাজ সেইটা করতাছে ঘরের বাইরে আইনা, অবশ্য ঘরের ভিতরে রাইখা করা নিপীড়নের মডেলটাও মোটামুটি অক্ষত আছে। পুজিবাদী সমাজে মিডিয়া সা¤প্রতিক রুপে আবির্ভূত হওয়ার বহুত আগে থেইকাই নারীর উপর যৌন নিপীড়ন সহ নানান ধরণের নিপীড়ন জারি আছে সমাজে। পুরুষতান্ত্রিক পুজিবাদী সমাজে ব্যাক্তিগত ভূ-সম্পত্তির মতই নারীর উপর পুরুষের সম্পত্তিগত অধিকার, নারী হইল জামি-জিরাত, সোনা দানার মতই দখলের বস্তু, যেই বস্তুর কাজ কেবল সন্তান উৎপাদন আর পুরুষের মনোরঞ্জন। কইতে পারেন, ক্যান, নারীগণ তো কলকারখানা, অফিস আদালতেও গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতেছে। হ্যা, পুজিবাদী সমাজে মালিকের প্রয়োজনে পুরুষের মতোই নারীকেও টিকে থাকার জন্য শ্রম বিক্রি করতে হয়, শোষিত হতে হয়। কিন্তু তাতে তার মনোরঞ্জণকারী ভূমিকা স্থগিত হইয়া যায়না। গার্মেন্টস কারখানায় ফোরমান/সুপারাভাইজার/ম্যানেজার থেইকা শুরু কইরা কর্পোরেট কম্পানির ডিরেক্টর/ম্যানেজার সবারই অবদমিত কামের শিকার নারী। বাড়ির ভেতরে যে চাচা-মামা-দুলাভাইদের লোলুপতার শিকার, বাড়ির বাইরে সে রাস্তাঘাট-বাস-মার্কেট-পুজা-মেলা’র ভিড়ে অপরিচিত নোংরা হাত কিংবা মুখের নোংরামির শিকার। এইগুলারে নতুন কইরা ইভটিজিং কইলেও এই যৌন নিপীড়ন নারীর জন্য নতুন না। নতুন যা তা হইল এর সাম্প্রতিক প্রকাশ্য, আগ্রাসি, সর্বব্যাপি চরিত্র যেখানে মূলত তরুণ পুরুষের যৌন আগ্রাসনের শিকার হইতাছে কিশোরী/তরুণী/মধ্যবয়স্কা নারীরা। নারীর উপরে যৌন আগ্রাসনের পুরুষতান্ত্রিক পুজিবাদী সমাজের সাবেকী মডেলের সাথে এই নয়া যে মডেলটি যুক্ত হইয়া নারীর এমনিতেই বিপর্যস্ত জীবনকে দুর্বিসহ করে তাকে একেবারে আত্মহত্যায় বাধ্য করতাছে, সেই খানে আমি সা¤প্রতিক কালে মিডিয়ার পাপের ভূমিকা দেখতে পাইতাছি। মিডিয়ায় নাটক/বিজ্ঞাপন/রিয়েলিটি শো/পত্রিকার ফ্যাশন পাতা/সেলিব্রিটি গসিপ সর্বত্রই ছাড়নো থাকে ইভটিজিং কিংবা যৌন আগ্রাসনের সবল আশকারা। আমার বক্তব্য পরিস্কার করার লাইগা প্রথমে একটা ডাইরেক্ট উদাহরণ দেই, এরপর কিছু ইনডাইরেক্ট আশকারা নিয়া কথা কমু।



মোস্তফা সরওয়ার ফারুকীর প্রযোজনায় ভাইবেরাদর গ্রুপের কচি খন্দকারের পরিচালনায় ”খসরু + ময়না” নাটকটারে বলা যাইতে পারে ইভটিজিং এর একেবারে নির্বিষ উপস্থাপনা, ছোট বাচ্চাদের দুষ্টুমি যেরকম নির্দোষ, তেমন নির্দোষ ও নির্বিষ আকারে এই নাটকে ইভটিজিং এর উপস্থাপনা। এই নাটকে, খসরু (মারজুক রাসেল) বার বার ফেল করে। সে ৫ বার ফেলকরার পর ৬ষ্ঠ বারের মতো পরীক্ষা দিয়া ২য় বিভাগে পাশ কইরা ভীষণ খুশি কারণ সে তার পছন্দের মেয়ে ময়নার(তিশা) সাথে একই বছরে পাশ করছে অর্থাৎ তাকে ময়নার জুনিয়র হইতে হয়নাই। ময়নাকে জয় করার লাইগা খসরু ময়নার বাসার জানালার সামনে খাড়ায়া থাকে। বন্ধুর পরামর্শে তাকে মুগ্ধ করার লাইগা তাকে দেখলে চোখ টিপ মারে। ময়নার নামের প্রথম অক্ষর ”এম” দিয়া গলার লকেট বানায়। নড়াইলের মতো একটি মফস্বল শহরে যে কোন কিশোরীর জন্য তার প্রেম প্রার্থী যুবকের এই সব কর্মকান্ড ভীষণ বিড়ম্বনার পরিস্থিতি তৈরী করাই স্বাভাবিক। কিন্তু নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্র খসরুর পয়েন্ট অব ভিউ এর প্রাধান্যে ময়নার সেই বিড়ম্বনার কোন ছায়াই নাটকে নাই। মনে হয় এইসবে ময়নার কিছুই যায় আসে না। ময়নাকে উপলক্ষ করে খসরু ”দুটি মন দুটি আশা” নামের নাটক মঞ্চস্থ করলে কিংবা ”ময়না গো তোর বিহনে আমি একেলা” জাতীয় গান বাজাইলেও ময়নার দুই একবার ক্ষোভ প্রকাশ ছাড়া অন্য কোন সামাজিক বিড়ম্বনার দেখা আমরা পাই না। বরং ”দুটি মন দুটি আশা” নাটকের প্রচারণার জন্য দেয়াল চিত্র আকার সময় খসরুর চেহারায় দাড়ি যুক্ত করা নিয়া ময়নার রঙ্গ তামাশা দেখলে মনে হইতে পারে ময়না যেন এসব উপভোগই করতাছে। সেই নাটক খসরু নিজে রচনা করলেও শুরুতে সে গেছিল এক নাট্য ব্যাক্তিত্বের কাছে কিন্তু ঐ ব্যাক্তি কেবল ”ঘুনে ধরা সমাজ” জাতীয় নাটক করতে চায়, কিন্তু খসরুর মতো ”ছেলে পেলেরা” চায় প্রেম ভালোবাসার নাটক। ফলে সেই সিরিয়াস নাট্য ব্যাক্তিত্বকে দিয়া নাটক লেখানো আর হয় না। একই ভাবে গ্র“প থিয়েটার আন্দোলনের সাথে যুক্ত নাট্য ব্যাক্তিত্বকেও দেখা যায় প্রেম ভালোবাসার প্রতি বিরূপ কারণ তিনি মনে করেন সমাজের এই পরিস্থিতিতে তরুণদের প্রেম ভালোবাসা নিয়ে ব্যাস্ত থাকা উচিত নয়। ফলে খসরুকে নিজেই নাটক লেখার কাজে হাত দিতে হয়। এর মধ্যে দিয়া কচি খন্দকার কিংবা ভাই বেরাদর গ্র“পের সমাজ সচেতনা মূলক নাটক সম্পর্কে তাদের একটা পরিস্কার বক্তব্য পাওয়া যায়। তারা স্পষ্টতই ”ঘুনে ধরা সমাজ” জাতীয় নাটককে প্রেম ভালোবাসার নাটকের সাথে বিরোধাত্মক জায়গায় খাড়া করায়া দিয়া তাগো মনের মতো কইরে বানানো প্রেম-ভালোবাসার নাটকের প্রতি তাগো পক্ষপাতকে প্রকাশ করলেন বইলাই মনে হয়।

তো এই প্রেম ভালোবাসার যে রিপ্রেজেন্টেশান আমরা দেখি তাতে দেখা যায়, খসরুর আহবানে সাড়া না দিলেও পাশের বাড়িতে বেড়াতে আসা যুবক রাঙা কর্তৃক ময়নার জানালার নীচে দাড়ায়া ”এঙগেজ না ফ্রি” জাতীয় আওয়াজে ময়না পজেটিভ সাড়া দেয়, ময়না সেই যুবকের মাথায় পানি ঢাইলা দেয়, রিকশায় করে ঘুরতে বাইর হয় ইত্যাদি। পরে দেখা যায় মেয়েটি খসরু কিংবা রাঙা কারো সাথেই সম্পর্ক করে নি, করছে দিনাজপুরের কোন একজনের সাথে। ভাই বেরাদরদের অন্যান্য নাটকের মতোই এ নাটকেও নারী চারিত্রের নির্মাণটি খেয়াল করার মতো। নাটকের শেষে দেখা যায়, ইভটিজিং কারী খসরু একজন নাট্যকারে পরিণত হয়েছে, ময়নার যে বান্ধবীকে দিয়ে ময়নার কাছে প্রস্তাব পাঠাইতো তাকেই বিয়ে কইরা থিতু হইছে কিন্তু তারপরও অনেকটা দেবদাস সুলভ মনোভাব নিয়া ময়নাকে চিঠি লিখতাছে।

এ ঘটনাটাকে ভাইবেরাদরদের নাট্যব্যাক্তিত্বে রূপান্তরিত হওয়ার ইতিহাস কওয়া যাইবো কি-না জানি না! তবে সমস্ত ইভটিজিংকারী/ গলির মোড়ে/ বাসার সামনে/ স্কুলের সামনে দাড়িয়ে থাকা ইভটিজিংকারীদের যদি এমন রূপান্তর ঘটতো যে তারা একেবারে সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব, নাট্যকার বা এক একটা দেবদাসে পরিণত হইয়া যায় তাইলে বোধ হয় ময়নাদের আত্মহত্যার খবর দুইদিন পরপর পত্রিকার পাতায় ছাপা হইতো না।

এতো গেল ইভটিজিং এর ডাইরেক্ট অনুপ্রেরণার কথা। কইতে পারেন এই ধরণের ডাইরেক্ট অনুপ্রেরণা আর কয়টা নাটকে দেখা যায়। ঠিক কথা। ডাইরেক্ট এর চেয়ে ইনডাইরেক্ট অনুপ্রেরণা/আশকারাই বেশি এবং সবমিলিয়ে এই আশকারা ডাইরেক্ট একটা দুইটা নাটকের চেয়েও ভয়ংকর। নাটক সিনেমায় বিষয় বস্ত একটাই- প্রেম। তা নারী পুরুষের মধ্যে প্রেম তো হইবই। আর সেইটা নিয়া নাটক হইলেই বা সমস্যা কি? এমনিতে সমস্য নাই, কিন্তু বিষয় বস্তু যদি এইরকম হয় যে নাটকগুলা দেখলে মনে হবে ----

ক) নারী পুরুষের সম্পর্ক মাত্রই হইলো প্রেমের সম্পর্ক/ যৌনতা তাড়িত সম্পর্ক

খ) পুরুষের একমাত্র কাজ হইল প্রেম করা/প্রেমের চেষ্টা করা/একটা ছাইড়া আরেকটা প্রেম করা/গলির মোড়ে খাড়ায়া থাকা/ ভাইঙা যাওয়া সম্পর্কের লাইগা হা হুতাশ করা/প্রতিশোধ লওয়া ইত্যাদি। এর ফলে একজন তরুণের মনে হওয়া অস্বাভাবিক না যে,প্রেম ছাড়া জীবনে কিছুই নাই। ফলে একটা প্রেম না করলে জীবন ব্যার্থ। ফলে নারী-পুরুষের পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে যদি প্রেম করার কোন সুযোগ সেই তরুণটির না থাকে, তাইলে সে উইঠা পইড়া লাগে জোর কইরা সম্মতি আদায় করতে।

গ) আর নারীর একমাত্র কাজ হইলো প্রেম করা/অতি সহজেই হুটহাট প্রেমে পড়া/একটা ছাইড়া আরেকটা প্রেম করা/ চাইনিজ ,গিফট, ফ্লেক্সি লোডের মাধ্যমে পুরুষের মানিব্যাগ খালি করা/ সাজগোজ করা/ ডেটিং/মোবাইল টকিং ইত্যাদি। এইসবের মধ্যে দিয়া মিডিয়ার নাটক/সিনেমা/বিজ্ঞাপণ/রিয়েলিটি শো’তে নারীর যে চেহারা ফুইটা উঠে তাতে নারী যে একজন অনুভূতিশীল মানুষ, তার যে আত্মমর্যাদা বোধ বলে কোন বিষয় আছে, নারী যে কেবল পুরুষের ভোগের বস্তু নয়--- এইটা বোঝার কোন উপায় নাই। ফলে মিডিয়া নারীর প্রতি কেবল অশ্রদ্ধাই উৎপাদন করে।

এইভাবে, একদিকে নির্বিচার ভোগের বস্তু হিসেবে নারীর ভাবমূর্তি নির্মাণ আর আরেকদিকে সেই বস্তুটিকে ভোগ করার উপযুক্ত ভোক্তা হিসেবে তরুণদেরকে তৈরী--- এই দুইটা কাজই মিডিয়া সফল ভাবে করতাছে, যে সাফল্যের ছাপ সাম্প্রতিক মডেলের যৌন নিপীড়ণের মধ্যে সুস্পষ্ট ভাবে ফুইটা উঠছে। সেই ছাপ ঢাকার জন্য মিডিয়া ইভটিজিং বিরোধী প্রচারণা করবো, ইভটিজিং বিরোধী সামাজিক আন্দোলণ করতে জনগণতে নসিহত করবো আর অন্যদিকে ইভটিজিং বা নারীর প্রতি যৌন আগ্রাসনের সকল ধরণের বাস্তব ভিত্তি উৎপাদন/পুরুৎপাদনের বাণিজ্যিক কারখানাটি চালু রাইখা দিবো তা মাইনা নেয়া মোটেই বুদ্ধিমানের কাজ হইব না বইলাই মনে হয়।


সর্বশেষ এডিট : ১২ ই নভেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৪
২৬টি মন্তব্য ২২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×