আমার প্রিয় পোস্ট

মাছের নাম "গ্যানগ্যানে "

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৫৭

শেয়ারঃ
0 0

মাছে ভাতে বাঙ্গালী" প্রবাদটি এখন শুধুই প্রবাদ মাত্র। বাস্তবিক অর্থে এর যথার্থতা এখন আর নেই বললে চলে। মাছ-ভাত দূরেথাক, এখন আর ডাল-ভাত ও জোটে না। যাক, সে কথায় না গিয়ে অন্য কথায় আসা যাক। বাংলাদেশে মোট স্বাদু পানির মাছের প্রজাতির সংখ্যা ২৬০ (বিদেশ থেকে আমদানী করা প্রজাতি ব্যতীত)। আজ অনেক প্রজাতি ই বিলুপ্ত কিংবা বিলুপ্তির পথে। আমরা বর্তমানে কমন কিছু মাছের প্রজাতি চিনি বা দেখে থাকি। অথচ এমন অনেক প্রজাতি ই আছে যা আমাদের চোখে সচারাচর পড়ে না কিন্তু সেগুলো আমাদের দেশী মাছ। আমি ধারাবাহিক ভাবে চেষ্টা করব আমাদের দেশী মাছের পরিচিতি তুলে ধরা যে গুলো একটু কম পরিচিত, বিলুপ্ত কিংবা বিলুপ্তির পথে।







এই মাছটি গ্যান-গ্যান করে শব্দ করে বলেই এর নাম গ্যানগ্যানে বা গন গইন্যা। অঞ্চলভেদে এর অন্য নাম চেকবেকা, বা চেকা। মাছটি আগে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দেখা যেত বিশেষ করে হাওর, বিল কিংবা পুকুরে। এখন খুব একটা চোখে পড়ে না।
এর ইংরেজি নাম Squarehead cat fish, বৈজ্ঞানিক নাম Chaca chaca. Chacidae পরিবার এবং Siluriformes বর্গের অর্ন্তভুক্ত এই মাছটির সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্য হয় ২০ সে.মি.। তুন্ড ভোঁতা, গা অমসৃণ, কালো। স্বাদু পানির এই মাছটি সাধারণত খাওয়ার জন্য ব্যবহৃত না হলেও একুরিয়ামে এর ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। তবে হাওর অঞ্চলে মাঝে মাঝে বাজারে বিক্রি হতে দেখা যায়। আবাসস্থল নদী, বিল, খাল এবং পুকুর। পানির তলদেশের সাবস্ট্রেট বসবাসের জন্য পছন্দ। চুপচাপ বসে থাকতে পছন্দ করে, সামান্য স্পর্ষ করলেও অনেক সময় নড়েনা। সম্ভবত কুৎসিত চেহারার জন্য লোকে এটা খায় না।


ছবি- নিজের তোলা, তথ্য সাহায্য- ইন্টারনেট।

 

সর্বশেষ এডিট : ০১ লা এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০৩
সুন্দর সমর বলেছেন: বাংলাদেশের গুড়া মাছ হিসেবে পরিচিত ছোট ছোট মাছগুলো নিয়ে কিছু লিখবেন। সুন্দর পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০৫

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, অবশ্যই ধারাবাহিক ভাবে লিখব।
সুন্দর পরামর্শের জন্য ধন্যবাদ।

২. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০৫
কানা বাবা বলেছেন:
ধন্যবাদ এরকম একটা বিষয় নিয়ে সিরিজ চালু করার জন্য...
সিরিজটার সাথে থাকার ইচ্ছা রইলো...
চালিয়ে যান, ভাই...
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০৬

লেখক বলেছেন: অবশ্যই চেষ্টা করব। ধন্যবাদ আপনাকে।

৩. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:১০
সুন্দর সমর বলেছেন: বাংলাদেশে মোট স্বাদু পানির মাছের প্রজাতির সংখ্যা ২৬০ (বিদেশ থেকে আমদানী করা প্রজাতি ব্যতীত) - এই তথ্যের সুত্র কি জানানো সম্ভব?
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:১৭

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ অবশ্যই। এটা যে কতবার পড়েছি তার ঠিক নেই। তবে আপনি তথ্য দেখতে পারেন, মৎস্য অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত "দেশীয় প্রজাতির মৎস্য সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণ অভিযান ২০০৭" এর পৃষ্ঠা নং ৫৪, নিবন্ধ "আমাদের দেশীয় প্রজাতির মাছের বর্তমান ও ভবিষ্যত" -এম এ খালেক, মোঃ ইউসুফ খান (মৎস্য অধিদপ্তর)।

ধন্যবাদ আপনাকে।

৪. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:১১
তাসমান বলেছেন: কানা বাবা বলেছেন:
ধন্যবাদ এরকম একটা বিষয় নিয়ে সিরিজ চালু করার জন্য...
সিরিজটার সাথে থাকার ইচ্ছা রইলো...
চালিয়ে যান, ভাই... একমত
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:১৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সাথে থাকার আশ্বাস দেওয়ার জন্য।

৫. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:২১
সুন্দর সমর বলেছেন: মৎস্য অধিদপ্তর এর তথ্য বিশ্বাস যোগ্য নয়। কারণ তারাই এ দেশে মৎস্য ধ্বংসের জন্য দায়ী। আমার মনে হয় প্রজাতি সংখ্যা আরো বেশি হবে। মৎস্য গবেষণার সাথে যদি আপনার সংযোগ থাকে তবে নিজ এলকায় ছোট একটা জরীপ চালিয়ে দেখতে পারেন। তারপর সে তথ্য মৎস্য (ধ্বংস)অধিদপ্তরের তথ্যের সাথে মিলিয়ে দেখুন।
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৩৭

লেখক বলেছেন: আসলে এই তথ্যটির বাইরে কিন্তু অন্যকোন তথ্য নেই। ২৬০ প্রজাতি কিন্তু শুধু মাত্র স্বাদু পানির মাছ। তবে এখন কিন্তু আরো কম। সামুদ্রিক প্রজাতি সহ বাংলাদেশে প্রায় ৪৭৫ প্রজাতির মাছ রয়েছে। সরকারি তথ্যের অবস্থা তো আমরা সবাই জানি । আর মৎস্য সম্পদ ধ্বংশের জন্য অনেকেই দায়ী। তবে মৎস্য সম্পদ রক্ষার জন্য যেসব আইন-কানুন রয়েছে তার প্রয়োগ হয় খুবই কম।

৬. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:২৪
পলাশমিঞা বলেছেন: ফুটকোনার আসল নাম কিতা?

ভালা আছইন্নী?
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৩৯

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ ভালো আছি। আপনি কেমন আছেন?
ধারাবাহিক ভাবে সব কিছু জানতে পারবেন। তবুও বলছি "ফুটকানা" এর আসল নাম পটকা। অন্য নাম টেপা।

৭. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৪২
হৃদয়হীনা বলেছেন: দীর্ঘ প্রায় ১ মাস পর ব্লগে আগমন। ব্যস্ততার কারনে নেটে আর বসা হয় না। না বাসায় না অফিসে। আপনার পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ। ছোট বেলা এই মাছটির কথা অনেক শুনেছি। পুকুরেও নাকি পাওয়া যেত। মানুষের শরীরে ঘা দিলে নাকি সেখান থেকে পঁচন শুরু হত। ভয়ে পুকুরে নামতাম না। কিন্তু এই মাছটিকে কোন দিন স্বচক্ষে দেখা হয় নাই। আজ দেখলাম এটার ছবি। আমার এলকায় এই মাছটিকে চেকবেকা বলা হয়ে থাকে। এখন মনে হয় বরিশাল অঞ্চল থেকে এই মাছটি বিলুপ্ত হয়ে গেছে (বিশেষ করে সদর অঞ্চল থেকে) কারন এই মাছটির এখন নামও শুনা যায় না। ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে যান। সাথে রইলাম.........
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৪৯

লেখক বলেছেন: চেকবেকা কিন্তু ক্ষতিকারক কোন মাছ নয়, অর্থাৎ এটা কিন্তু আক্রমণ করে না। খুব শান্ত স্বভাবের এরা। আপনি যেটা শুনেছেন সেটা স্রেফ গুজব।

ধন্যবাদ আপনাকে।

৮. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৪৬
বন্ধনহীন বলেছেন:
খুব ভালো পোস্ট।
আশা করি, এই সিরিস কন্‌টিনিউ করবেন।

পরিচিতির সাথে সাথে কোথায় এর পোনা পাওয়া (যদি সম্ভব ঠিকানাসন) যেতে পারে? বাংলাদেশের কোন অঞ্চলগুলোতে (জেলা বা উপজেলাভিত্তিক) পাওয়া যায়? এধরণের তথ্যগুলো অনেকের কাজে আসবে। হয়ত এমন অনেক ব্লগার পাওয়া যাবে, যাদের সামন্য উদ্যোগ এসব মাছকে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করতে পারে।

আশা করি যত বেশী তথ্য ও ছবি দেয়া সম্ভব, দিবেন।

অসংখ্য ধন্যবাদ এই পোস্টের জন্য।
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৫৮

লেখক বলেছেন: আমাদের দেশী প্রজাতির মাছ গুলো বিশেষ করে যেগুলো ছোটমাছ, বাণিজ্যিকভাবে কিন্তু এদের পোনা উৎপাদন বা চাষ হয় না। কিছু প্রজাতি যেমন, মাগুর, কই, পাবদা, গুলসা ইত্যাদির পোনা উৎপাদন স্বল্প আকারে কোথাও কোথাও উৎপাদন/চাষ হয়। আর এইসব মাছ আগে প্রায় বাংলাদেশের সব অঞ্চলেই ছিল। এখন শুধুমাত্র যেসব এলাকায় হাওর-বিল-খাল আছে সেইসব অঞ্চলে এরা কোনমতে টিকে আছে।

আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ।

৯. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৪৭
বন্ধনহীন বলেছেন: ঠিকানাসন = ঠিকানাসহ
১০. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৫২
বন্ধনহীন বলেছেন:
গ্যানগ্যানে কি প্রিডেটর টাইপের (অন্য মাছ খায় কিনা) মাছ? আমি যা জানতে চাইছিলাম, তা হচ্ছে এরা এদের স্বাভাবিক পরিবেশে কি খায়?
১১. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৫৬
মনুমনু বলেছেন: তাসমান বলেছেন: কানা বাবা বলেছেন:
ধন্যবাদ এরকম একটা বিষয় নিয়ে সিরিজ চালু করার জন্য...
সিরিজটার সাথে থাকার ইচ্ছা রইলো...
চালিয়ে যান, ভাই... একমত

সুন্দর সমর বলেছেন: মৎস্য অধিদপ্তর এর তথ্য বিশ্বাস যোগ্য নয়। কারণ তারাই এ দেশে মৎস্য ধ্বংসের জন্য দায়ী। আমার মনে হয় প্রজাতি সংখ্যা আরো বেশি হবে। মৎস্য গবেষণার সাথে যদি আপনার সংযোগ থাকে তবে নিজ এলকায় ছোট একটা জরীপ চালিয়ে দেখতে পারেন।

একমত

+
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:১৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

১২. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৫৬
বন্ধনহীন বলেছেন:
প্রিডেটর টাইপের মাছকে বাংলায় কি বলে? আর সেসব মাছ শামুক বা অন্য উদ্ভিদজাতীয় খাদ্য খায় - ওদের বাংলায় কি বলা হয়?

মনে হচ্ছে, আপনি মাছ সম্পর্কে ভালই জানেন, তাই প্রশ্নগুলো করলাম।
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:১৩

লেখক বলেছেন: প্রিডেটর মাছকে সাধারণত রাক্ষুসে মাছ বলা হয়। তবে গ্যানগ্যানে মাছ রাক্ষুসে নয়। যেসব মাছ প্লাংকটন (ক্ষুদ্র উদ্ভিদ ও প্রাণী কনা) খায় তাদের বলা হয় প্লাংকটিভোরাস। শুধু যারা ঘাস খায় তাদের বলে হার্বিভোরাস। যারা ছোটমাছ/প্রাণী খায় তাদের কার্নিভোরাস ও বলে।

ধন্যবাদ আপনাকে।

১৩. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৫৭
ডালটন বলেছেন: দেশী মাছ আমার খুবই প্রিয় (বিশেষত নদীর মাছ)। বাজারে গেলে পারতপক্ষে দেশী মাছ ই কিনি আর আমার এখানে তা মোটামুটি ভালই পাওয়া যায়(আজও বাচা মাছ কিনেছি, একদম ফ্রেস)।

একসময়,৭-৮ বৎসর আগেও, আমাদের মহল্লায় কমসে কম ১০-১২ টা বড় পুকুর ছিল। আজ ১ টাও নেই। :(। কদিন পরে এ দেশের বাচ্চারা মাছ না খেয়ে ছবি দেখেই কাটাবে বোধহয়।
আপনার পোষ্ট চালিয়ে যান। অপেক্ষায় থাকলাম।
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:১৮

লেখক বলেছেন: ছোটমাছের পুষ্টিগুন বড় মাছের চেয়ে অনেক বেশী।

একদম সত্যি কথা বলেছেন। এখন পুকুর তো বলতে গেরে নাই ই। খাল-বিল ও ভরাট হয়ে যাচ্ছে। আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম এইসব মাছ দেখতেও পারবেনা খাওয়া তো দুরের কথা।

ধন্যবাদ আপনাকে।

১৪. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:২৯
বন্ধনহীন বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ।

প্লাংকটিভোরাস-হার্বিভোরাসকে বাংলায় কি বলে? ঠিক যেরকম প্রিডেটর মাছকে রাক্ষুসে মাছ বলা হয়, নন-প্রিডেটর মাছের কি কোন প্রচলিত বাংলা শব্দ আছে?
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৪৪

লেখক বলেছেন: আসলে টেকনিক্যাল শব্দগুলোর বাংলা প্রচলন খুবই কম। তবে প্লাংটিভোরাস অর্থ উদ্ভিদকনা/প্রাণীকনা ভোজী, হার্বিভোরাস অর্থ তৃণভোজী। নন-প্রিডেটর মাছের ওরকম কোন বাংলা শব্দ নেই। সাধারণভাবে রাক্ষুসে কিংবা রাক্ষুসে নয় এভাবে বলাহয়ে থাকে।

১৫. ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৩৫
দ্রগবা বলেছেন: সুন্দর এই লেখাটির জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

"গ্যানগ্যানে মাছ রাক্ষুসে নয়" কথাটি সঠিক নয়।

প্রায় সকল ক্যাট ফিশই রাক্ষুসে প্রকৃতির হয়ে থাকে। তবে কিছু কিছু ক্যাট ফিশ আছে যারা মৃতভোজী (পানির তলদেশের মৃত জীবজন্তুর অবশিষ্টাংশ খেয়ে বাঁচে)।
২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৪২

লেখক বলেছেন: সহমত আপনার সাথে। আমি আসলে বুঝাতে চেয়েছিলাম, ওটা অতটা রাক্ষুসে নয়। তবে এরা অন্য মাছ ও খায়। ধন্যবাদ আপনাকে।

 

মোট সময় লেগেছে ২.৯৬৩৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
এ মাটি ছিনিয়ে নিতে
কত বার ঝড় উঠেছে
এ মাটি ভাসিয়ে দিতে
কত বার বান ডেকেছে
কত যে বুকের পাজর
আড়াল করে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই