এসব আমরা সব জানি কিন্তু তারপর ও আমরা ভুল করছি নিজের অজান্তেই । তাই এই পোস্ট দেয়া ।
এখনকার সময় আর আগের সময় এর মধ্যে অনেক তফাত এখন । আগে সন্তানের দেখভাল করার জন্য মা বা পরিবারের অন্য সদসরা থাকতেন । কিন্তু এখন এ অবস্থার আমুল পরিবর্তন হচ্ছে । এখন বাবা মা ২ জনই বাহিরে থাকেন বলে সন্তানের দেখভাল করার মানুষ নেই বলতে গেলেই । বাড়ির কাজের লোকের উপর সাধারণত মায়েরা বাচ্চাকে রেখে যেতে ভয় পান বিধায় দেখা যাচ্ছ যে বাচ্চারা একা একাই বাসায় থাকছে !! আবার কেউ কেউ কাজের লোকের কাছেই রাখে যাচ্ছেন ।
ছোট পরিবার সুখী পরিবার এই কথায় এখন মেনে চলেই পথ অতিক্রম করছে সবাই । পশ্চিমাদের অনূকরণে আমাদের দেশে এখন চলছে সেপারেশন পদ্ধতি । যৌথ পরিবারের যে চল ছিল আগে , এখন সেটা উঠেই যাচ্ছে । ফলে পারিবারিক বন্ধনটা দৃঢ় হচ্ছে না । সবাই একাকিত্ত অনুভব করছে নিজের মধ্যে । কিন্তু কাউকে কিছু জানাতে পারছে না । বা একটা বাচ্চা পরিবার থেকেই কিছুই শিখছে পারছে না । তার শেখার মাত্রা কমে যাচ্ছে । আর এ ভাবেই হচ্ছে নানা রকম অপ্রিতীকর ঘটনা ।
এবার জেনে নেই সন্তানদের উপর কেমন আর কি কি প্রভাব ফেলে -
• সন্তানদের মানসিক বিকাশ হয় না
• সবসময় একাকিত্তে ভোগে
• পারিবারিক শিক্ষা থেকে বঞ্ছিত হয় প্রতিনিয়ত
• বাবা মায়ের কাছ থেকে যে চিরন্তন শিক্ষা সেটা তেমন একটা পায় না
• ভাল মন্দের বিচার করার প্রবণতা কমে যায় । এর ফলে সে যা মনে চায়
তাই করে
• কার সাথে কেমন আচরণ করতে হবে সে বুজতে পারে না
• অল্প বয়সেই সিগারাট খাওয়ার অভ্যাস
• নানা রকম খারাপ কাজ করা থেকে সে নিজেকে দূরে রাখতে পারে না ।
অথচ বাসায় এ ব্যপারে কেউ কিছু জানতে পারে না ।
• বন্ধু বান্ধবদের অসৎ সঙ্গে থেকে নিজেকে হাড়িয়ে ফেলে
• বাবা মায়ের শাসন তারা মানতে পারে না
• আত্তহত্তার প্রবণতা বেড়ে যায়
• অল্প বয়সেই তার হাতে মোবাইল চলে আসে । বাব মা এই জন্্য দায়ি ।
দেখা যায় যে ১৪/১৫ বছর এর ছেলে / মেয়ে বায়না ধরে তার মা
অথবা বাবা এর কাছে মোবাইল এর জন্য । তারা তখন কিছু না ভেবেই
কিনে দেন ।
• পড়াশোনায় মনযোগ কমে যায় ।
এবার আসুন জেনে নেই কি করা উচিত বাবা আর মায়ের এসব থেকে মুক্তি পেতে চাইলে -
• পরিবারকে সময় দিন
• সপ্তাহে ২ টা দিন অন্তত অন্য কাজে সময় নষ্ট না করে নিজ সন্তানকে
সময় দিন
• তাদের সাথে বন্ধুসুলভ আচরণ করুন ।
• কোন সমস্যা হলেই যেন সন্তান আপনাদের কাছে আসে সেরকম একটি
পরিবেশ তৈরি করুন
• সন্তানের সামনে কখনই ঝগড়া করবেন না । এতে সন্তানের উপর বিরুপ
প্রভাব ফেলে
• আপনার সন্তান কোথায় যায় কি করে কাদের সাথে মিশে খোজ খবর রাখুন ।
• মাঝে মাঝে ঘুড়তে যেতে পারেন সন্তানকে নিয়ে ।
• কোনটা ভাল কোনটা মন্দ সেগুলা সম্পর্কে তাদেরকে অভিহিত করা ।
• পারিবারিক বন্ধন তার মধ্যে জাগিয়ে তোলা
• ধর্মের প্রতি তাকে শ্রদ্ধাশীল করানো
• পড়াশোনা তদারকি করা ।
• একটা সময় পর মাকে যথেষ্ট পরিমান সময় দেয়া তার সন্তানকে ।
আজকে এতটুকুই ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


