আমার প্রিয় পোস্ট

ভস্ম হই। মৃত্যুর চুমু আমার কপোল ছুঁয়ে যায়। বেঁচে উঠি আবার। নতুন দিনের আশায়। বেঁচে উঠি বারবার।

এলিস আইল্যান্ড

১৬ ই জুন, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:২২

শেয়ার করুন:                   Facebook

হাডসন নদী এবং নিউইর্য়ক হারবারে ঢোকবার পথে এলিস আইল্যান্ড নামে ছোট্ট একটা দ্্বীপ আছে। উনবিংশ শতকের শেষ থেকে বিংশ শতকের গোঁড়ার দিক পর্যন্ত এই দ্্বীপের একটা বড় ভূমিকা ছিল ইমিগ্রেশন পোর্ট হিসেবে।

বিভিন্ন দেশ থেকে মানুষ আসত এখানে আর তাদের পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখা হত তাদের শরীর স্বাস্থ্য ভাল কিনা। রোগী হলে তাকে সেখান থেকেই বিদায় নিতে হতো।

সেই প্রথা আর নেই এখন। অসুখ-বিসুখের বিরুদ্ধে যুদ্ধে মানুষ এখন অনেকাংশে জয়ী। এলিস আইল্যান্ডে অবস্থিত সেই ইমিগ্রেশন অফিস এখন একটা মিউজিয়াম মাত্র।

বর্তমানে আমেরিকার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন দেশ থেকে ভাল ভাল ছাত্ররা পড়তে আসে। এখানে তাদেরকে প্রমান করতে হয় তারা কতটুকু যোগ্য। মানসিক স্বাস্থ্য ভাল হলে তবেই তারা পায় বিভিন্ন রকম কাজ, স্কলারশীপ আর পড়াশুনা করে এগিয়ে যাবার সুযোগ। আর ইমিগ্রেশন অফিসারের ভুমিকায় অভিনয় করেন প্রফেসররা। যে টিকবে না তার জন্য সোজা দেশ।

প্রতিটি আমেরিকান ইউনিভার্সিটি যেন এক একটি এলিস আইল্যান্ড।

http://en.wikipedia.org/wiki/Ellis_Island

 

প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরিআমেরিকা  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

 

  • ৩ টি মন্তব্য
  • ৫১৯ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৭ ই জুন, ২০০৬ রাত ১:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: হুম, ভালো তত্ত্ব।
২. ১৭ ই জুন, ২০০৬ ভোর ৫:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: জানা হলো, তথ্যমূলক পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ।
৩. ১৭ ই জুন, ২০০৬ সকাল ৭:০৬
comment by: হযবরল বলেছেন: আবার একটি ভিন্ন স্বাদের পোস্ট, মজা পাইলাম ।

 

 


আমার কোন লেখা কোথাও পুন: প্রকাশ করার আগে দয়াকরে যোগাযোগ করবেন। (মুর্শেদ@জিমেইল)
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ