ভস্ম হই। মৃত্যুর চুমু আমার কপোল ছুঁয়ে যায়। বেঁচে উঠি আবার। নতুন দিনের আশায়। বেঁচে উঠি বারবার।

জুয়েল ওসমানের লেখা কেমন লাগে? (৬)
২০ শে মে, ২০০৭ সকাল ৮:৪৫
বিভিন্ন লেখকের লেখার ভিন্ন ভিন্ন মাত্রা এক্সপ্লোর করার জন্য এই সিরিজটির যাত্রা। একেকজন হয়ত একই লেখকের লেখায় ভিন্ন ভিন্ন বিষয় খুঁজে পান। অন্যান্য পাঠকরা সেটা জানলে তারাও ব্যাপারগুলো লক্ষ্য করতে পারবেন। অন্যদিকে, লেখকও সচেতন হবেন তার লেখার কোন দিক পাঠক দেখতে পাচ্ছে কোন দিক পাচ্ছে না। লেখনীকে করতে পারবে আরো ক্ষুরধার।
জুয়েল ওসমান খুব নিভৃতচারী কিন্তু ডেডিকেটেড একজন ব্লগার। কম্পিউটার ভিত্তিক বিষয় অসাধারন জ্ঞান তার। তার বক্তব্য হচ্ছে চাইনীজ ভাষায় যদি কম্পিউটার শিক্ষা সম্ভব হয় তাহলে বাংলায় নয় কেন? আমি নিশ্চিত তার লেখাগুলো বাংলায় ডিজিটাল ডিভাইড দূরীকরনে একটা ভুমিকা রাখবে।
কেমন লাগে জুয়েলের লেখা? বেশী টেকনিক্যাল মনে হয়? মনে হয় যে আরেকটু সহজ হলে ভালো হত? কোন বিষয়ের লেখাগুলো বেশী ভালো লাগে? কম্পিউটার বিষয়ে বিপদে পড়লে কি তার কথা মনে হয়? মানুষ হিসেবে কেমন লাগে? জুয়েল যদি কম্পিউটার ছেড়ে অন্য বিষয়ে লেখা শুরু করে তাহলে কতটা অবাক হবেন?
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে মে, ২০০৭ সকাল ৮:৫৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
এস এম মাহবুব মুর্শেদ বলেছেন:
টেকনোলজি নিয়ে লেখা বলেই আমার পড়া হয় না। যেসব টিউটিরিয়াল লেখেন তা আমার তেমন কাজে আসে না। কিন্তু লেখেন ভালো। এই মুর্হুতে তার ইলেক্ট্রনিক্স নিয়ে লেখাগুলোর কথা মনে পড়ছে। তার কাছ থেকে আমি ইনোভেটিভ কিছু লেখা আশা করব, যা আনকোরা এখন পর্যন্ত লেখা হয়নি এমন বিষয়। কম্পিউটার বিষয়ক লেখালেখি ছেড়ে অন্য কিছু শুরু করলে যারপরনাই অবাক হব। ১০০ তে আমি তাকে ৬৫ দিব লেখালেখির জন্য।
জুয়েলের আরো একটি ব্লগ আছে। বুঝা যায় সে হাতে সময় পায় না। পাইলে কিছু সাহিত্যরস সেখানে পাওয়া যেত। লেখালেখিতে আমি তার ভবিষ্যত দেখি না। ট্যাকনিকেল বিষয়াদি নিয়ে লেখালেখি করতে পারে, সেদিকে সে সফল হবে। সাহিত্যরস সৃষ্টিতে সে অতটা সাফল্য অর্জন করতে পারবে নাহ। ঐ বিদঘুটে রস সৃষ্টির জন্য যতটা শব্দ দখলে থাকা উচিৎ ততটা তার নাই
পাঁচমিশালী নিয়মিত পড়ি। যা সে শিখেছে/জানছে তা অবলিলায় সবাইকে শেয়ার করছে। তার ব্লগ কেউ পড়েনা অন্তত কমেন্ট দেখে সেটা মনে হলেও সাইট রেটিং কিন্তু উল্টোটা বলে
মানুষ হিসাবে সে কেমন তা তারে সাইকোরা বলুক। আমি সাইকো নই তবে সব ধরনের ভেজাল সে এড়িয়ে থাকতে চায়। প্রযুক্তিবিষয়ে লেখালেখির জন্য তাকে আমি ১০০ তে ৫৫ দিবো।
এস এম মাহবুব মুর্শেদ বলেছেন:
কি ভাই কেউ সাহায্য পাননি ওনার কাছ থেকে? লেখা পড়েননি ওনার?
চোর বলেছেন:
দরকারী লিখাসমৃদ্ধ ব্লগ উনার।সব লিখা পড়িনি। যা পড়েছি, অনেক কাজের কথা সহজভাবে উপস্থাপন করাতে মুগ্ধ হয়েছি। সাথে অগোছালো বাগাড়ম্বরপূর্ণ হিজিবিজি আইটি বিশারদদের জন্য করুণা অনুভব করেছি।
উনার লিখায় ১০০ তে ১০০।
শমশেরআলম বলেছেন:
উনি কি মডারেটর অখন? তাইলে ১০০/১০০
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
আমি তো চিন্তা করে পাই না,এই জুয়েলটা কে?আমি তো এর আগে তার নামতক শুনিনি ব্লগে।এখন বুঝলাম তার নিক হচ্ছে অন্য।
ওয়েল কম্পুকানা হিসেবে তার ব্লগ এড়িয়ে চলি,তবে তার লেখার বিষয়গুলো ভালো।
হুম...৮৪.৭৫২ দিলাম।
সুমন চৌধুরী বলেছেন:
জুয়েল অনেকদিন লেখে না। আমি নিয়মিত পড়তাম।
ফরিদ বলেছেন:
যেমনটি আমি নিজে লিখতে চাই, কিন্তু ফোকাস ডাইভার্সিফাই হয়ে যায়। ৮৫ দিব ১০০ তে
জুয়েলের লেখার জন্য ১০০ তে ৯০
ব্যাক্তিক্ত্বের জন্য ১০০ তে ৯৫
পরোপকারের জন্য ১০০ তে ১০০
জুয়েল ভাইকে নিয়ে লেখার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
অনুভূতি শূন্য কেউ একজন বলেছেন:
হুমম.. নন-টেকি মানুষদের কাছে জুয়েল টেক কে তুলে ধরেন নিজের মতো করে ।
টেকনিক্যাল ছাড়া অন্য কোন লেখা কখনো দেখিনি ।
ব্লগীয় ক্যাঁচাল এর সাতে-পাঁচে থাকেন না ।
ইদানিং সামহোয়্যার এ লেখেন না - ওয়ার্ডপ্রেস এ লেখেন - সামহোয়্যার এ খুব একটা সাড়া পান না বলে বোধহয় (কোনও একটা লেখায় লিখেছিলেন ব্যাপারটা সম্ভবত)
জুয়েল কে ১০০ তে ৭৫ দেয়া যায় - সব মিলিয়েই ।
দ্রোহী বলেছেন:
জুয়েল সাহেবের লেখা প্রায়ই উঁকি দেই। কি লিখেছেন দেখার জন্য। যদি দেখি ব্যাপারটা নতুন তাহলে পড়ি, ধন্যবাদ দেই। --ইদানিং তিনি ওয়ার্ডপ্রেসে ব্লগান। ওখানে কমই উঁকি দেয়া হয়।
jewelosman বলেছেন:
ধন্যবাদ এস এম মাহবুব মুর্শেদ ভাইকে আমার সম্পর্কে তার মূল্যায়ন উপস্থাপন এবং অন্যদেরকেও উদ্ভুদ্ধ করার জন্য। আমার সম্পর্কে আমার নিজের মূল্যায়ন হচ্ছে.....ছোট বেলা থেকে মিডিয়াম ক্লাস স্টুডেন্ট এবং নিম্ন-মধ্যবিত্ব ঘরের সন্তান ছিলাম বলে বেশি ভাল কোন স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারিনি। প্রচন্ড আগ্রহ থাকা সত্বেও কম্পিউটার বিজ্ঞান নিয়ে পড়তে পারিনি। তাই সবসময় চেষ্টা করেছি নিজে নিজে শেখার জন্য। কোন ট্রেনিং সেন্টারে ভর্তি নাহয়ে বই-পত্র পড়ে, বিভিন্ন কম্পিউটার ফার্মে বিনামূল্যে কাজ করে, এই বিষয়ে অভিজ্ঞ বিভিন্ন লোকজনের সাথে যোগাযোগ রেখে একে একে আমি পাস করেছি A+, MCSA, CCNA। এখন ও শিখে যাচ্ছি। আমার এই শেখার পথটা খুব একটা মসৃন ছিলনা। অভিজ্ঞ অনেকের কাছে ছোটখাট অনেক বিষয় জানার জন্য গেছি কিন্তু ব্যর্থ হয়ে ফিরে এসেছি। অনেকেই শেখানোটাকে মনে করত আমি তার প্রতিদ্বন্দি হয়ে যাব। এইসব কিছু থেকে আমি মনে মনে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম নিজে যা শিখব তা অন্যকে ও শেখাব। যার ফলশ্রুতিতে আমার ব্লগ লেখা শুরু। আমি যা জানি, যা কিছু নতুন শিখি সব কিছুই ব্লগে লিখে যাই। যাতে আমার মত আরো অনেক জুয়েল যারা বাংলাদেশের বিভিন্ন যায়গায় ছড়িয়ে আছে তাদের আমার মত অন্যের দরজা থেকে ব্যার্থ হয়ে ফিরে আসতে না হয়। আমার লেখাগুলো পড়ে কেউ সামান্যতম উপকৃত হলে ও আমি নিজেকে ধন্য মনে করব।
এস এম মাহবুব মুর্শেদ বলেছেন:
ধন্যবাদ জুয়েল বস মন্তব্যের জন্য। এরকম লোক আমিও প্রচুর দেখেছি।
এস এম মাহবুব মুর্শেদ বলেছেন:
জুয়েলে কথা কটি খুব ছুঁয়ে গেছে। তাই লেখাটিকে তুলে দিলাম মন্তব্যের কলামে।
ফাঁকতালে জুয়েলকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে গেলাম, সেই সাথে শুভেচ্ছা ।
(আপনি কি চিটাগাং এর? অর্নব, মুনীর, মুর্শেদ এদের চিনেন? অল টেক পার্সোন্স । কেডিএস এ ছিলো । অর্নবের নিজের সফটোয়ার ফার্ম করেছিল পরে)
ইলেক্ট্রনিক সার্কিটের উপর খুবই ইনোভেটিভ কিছু পোস্ট আছে তার ... আমি রীতিমতো ইমপ্রেসড!!
তবে নন-টেকদের মন কাড়তে হলে তাকে আরেকটু গল্পচ্ছলে লিখতে হবে

১০০ তে ৯৫ দিব জুয়েলকে
জুয়েলের ব্যাপারে কি বলবো... আমি নিজেও অনেক তারই মত, শিখে যাচ্ছি। অসংখ্য ধন্যবাদ জুয়েল
ম. রহমান বলেছেন:
জুয়েল ভাইয়ের লেখা খুবই উপকারী...আশা করি উনার কাছ হতে আরো বেশী বেশী লিখা পাবো লিনাক্স সম্পকে...
এ. আহমেদ বলেছেন:
জুয়েল ভাইয়ার লেখাটা আমার মন ছুয়ে গেল। নিজের কথাই ভাবি না কেন। সাধারণ হয়ে জন্ম নেয়ার অনেক ঝামেলা। জীবনে অনেক কিছু করার বা শিখার ইচ্ছা থাকলেও করা হয়ে উঠে না। প্রযুক্তির ব্যপারে আমার প্রচণ্ড আগ্রহ। কোন ইউনির্ভাসিটিতে বড় ডিগ্রী নেয়া আমার পক্ষে প্রায় অসম্ভব। তাই দারস্থ হই বই, সিডি, ইন্টারনেট। এই তিনটা আমাকে কখনো হতাশ করে না। কিন্তু অভিজ্ঞজনের কাছে পরামর্শ চাইতে গেলেই.....উনারা এমন ভাব দেখায় যেন নিজেই একজন বিল গেটস। জুয়েল ভাইয়ার সাথে আমার কয়েকবার কথা হয়েছে। গত বইমেলায় আমি, সাকিব আর জুয়েল ভাইয়া বই মেলায় দেখা করার কথা ছিল। উনি গুলশানে একটা ব্যক্তিগত কাজে এসেছিলেন। সেদিনই এনটিভি ভবনে আগুন লাগল। রাস্তার অবস্থা ভাল না দেখে উনি চট্টগ্রামেই ফিরে গেলন। আমাদের আর দেখা হল না।
জুয়েল ভাইয়াকে ভাল লাগে। কিছু সমস্যার জন্য আমি উনার কাছে মাঝে মাঝে চ্যাট করি বা ফোন করি। খুব আন্তরিকতার সাথে উনি সমস্যার সমাধান করে দেন।
ব্যক্তিত্বের জন্য আমি উনাকে ১০০ তে ৯৫ দিব। আর উনার প্রয়োজনীয় ব্লগের জন্য উনাকে আমি ১০০ তে ৮৫ দিব।
ভাল থাকুন আমার প্রিয় জুয়েল ভাইয়া।
তারেক রহিম বলেছেন:
আমার ভাল লাগলেই একশ। ভাল না লাগলে শূণ্য। সে হিসেবে জুয়েল ভাইকে ১০০। অনেক মজার টিপস জেনেছি উনার ব্লগ পড়ে।
মিয়া মোহাম্মদ হুসাইনুজ্জামান বলেছেন:
জুয়েলের লেখা দেখি সবসময়ই। বিশেষত উবুন্টু প্রথমবার ইনস্টল করার সময় থেকেই উনার লিনাক্স বিষয়ক ব্লগগুলো দেখি (সাথে অমি আজাদ, ইশতিয়াক ফয়সাল/ডার্কলর্ড) ... তবে সেটা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ওনার ওয়র্ডপ্রেস ব্লগ থেকে পড়ি।.
লেখালেখির জন্য ওনাকে A+ দিব (বহুদিন নিউমারিক গ্রেডিং থেকে দুরে...
)।
হ্যা এ কথা সত্য যে বাংলাদেশে অনেক মেধাবি লোখ আছে যারা একটু সুযোগ পেলেই নিজের মেধাকে বিকশিত করতে পারবে।
জুয়েল ভাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি মুর্শেদ ভাই এর এই পোষ্ট এর মাধ্যমে।
কনফুসিয়াস বলেছেন:
একসময় নিয়মিত পড়তাম। এখনো দরকার হলেই ঢুঁ মারি। আমার ব্রাউজারে বুকমার্ক করে রাখা সামহোয়্যারের শুরু থেকেই।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...













