ভস্ম হই। মৃত্যুর চুমু আমার কপোল ছুঁয়ে যায়। বেঁচে উঠি আবার। নতুন দিনের আশায়। বেঁচে উঠি বারবার।

ভিডিও ব্লগিং: নায়াগ্রা ফলস এবং ভারতীয় উচ্চারনে বর্ণনা 
৩০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:৪৪
গত শনিবার নায়াগ্রা ফলসের কানাডা সাইডে গিয়েছিলাম। নৌকায় চেপে ফলসের একেবার কাছে গিয়ে ভিডিও করলাম। ফলসতো আগেই বহু জায়গায় দেখেছেন। এবার আমাদের দেখেন।
পরেরদিন রোববার গেলাম নায়াগ্রা ফলসের আমেরিকান সাইডে যেটা আমেরিকান ফলস নামেও পরিচিত। এখানে সেটা বর্ণনার ক্ষুদ্র প্রয়াস।
...
- ১৮টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ৩৫৯বার পঠিত
দেখে এলেম বিরাট কানা
১৮ ই মার্চ, ২০০৭ রাত ২:০১
বুয়েটের হলে এক ছেলে ছিল। যশোরের ওইদিককার। মাঝে মাঝে দৌড়ে আসত, হাতে একসেট কাগজের কর্ণারটা ধরা। কাগজগুলো চেপে ধরে আগিয়ে দিয়ে বলত, দোস দোস একটু কানা করে দেতো। প্রথম প্রথম পোলাপান একটু থতমত খেয়ে তাকিয়ে থাকত। বেশ খানিকক্ষন গবেষনার পর উদ্ধার করত যে 'কানা' মানে ছিদ্র বা গর্ত, অর্থাৎ সে...
- ১০টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ৩১৬বার পঠিত
বিসবি আর টুম্বস্টোন শহরে একদিন
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৪:০৫
কথায় আছে মক্কার লোক হজ্জ্ব পায় না। আমাদের হয়েছে সেই অবস্থা। এতোদিন অ্যারিজোনায় থাকলাম অথচ এখানকার সুন্দর সুন্দর জায়গাগুলোই দেখা হয়নি। তবু সেমিস্টারের প্রেশারের মধ্যে যখন আমার স্ত্রীর আমেরিকান প্রফেসর দক্ষিনের একটা শহরে ঘুরতে নিয়ে যেতে চাইল তখন চট করে রাজি হতে পারিনি। এশিয়ান প্রফেসররা এতো ভাল হয়না। সেই প্রফেসর...
- ১৮টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ৩৯৯বার পঠিত
মানব ঘুড়ি হয়্যা লেক টাহোতে
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৪:৫৪
ছুটি পাইলে ঘরে থাকতে মন চায়না। রবীন্দ্রনাথের দইওয়ালারে ডাইক্যা খালি জিগাই, আমারে লগে লইবা। তো গত সপ্তাহে ছুটি পাইয়া ফুরুৎ কইর্যা উড়াল দিলাম আবার। গন্তব্য ক্যালিফোর্নিয়ার, সান ফ্রানসিসকো, আবার। এইবার সদ্য চাকরী পাওয়া শিখ বন্ধু গাগান আছে সেখানে। 12/13 ঘন্টার ড্রাইভিং এড়াইতে উড়াল দিলাম এইবার।
প্রথম গন্তব্য আছিল লেক টাহো। আমাগো...
- ২৮টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ৫০২বার পঠিত
সেইন্ট লুইস শহরে কিছুদিন
২৯ শে জুলাই, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:১৯
মিজৌরীর সেইন্ট লুইস নামের শহরে কিছুদিন ছিলাম এক কনফারেনসের প্রয়োজনে। বেশীরভাগ সময়টা ব্যস্ত ছিলাম কনফারেনসের বিভিন্ন ইভেন্টে। তাই শহরটা আর ঘুরে দেখা হয়নি।
শহরটার ঐতিহাসিক তাৎপর্য রয়েছে বেশ। এই শহরের বুকের উপর দিয়ে বয়ে চলেছে মিসিসিপি নদী। আমেরিকার প্রথম গোড়াপত্তনের দিকটায় এই শহর বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে। তখন বিখ্যাত এক্সপ্লোরার লুই...
- ৬টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ৪৫৬বার পঠিত
সাগরকন্যা ক্যালিফোর্নিয়া - 3 (স্যান ফ্র্যানসিসকো, শেষ)
১৪ ই জুলাই, ২০০৬ বিকাল ৪:২৪
ইউনিভার্সাল স্টুডিও থেকে বের হয়ে আমরা খুঁজে বের করলাম আলাদীন নামে একটি বাংলাদেশী রেস্টুরেন্ট। শুটকী চিংড়ীর চচ্চড়ী, উস্তা ভাজি দিয়ে, শর্ষে ইলিশ দিয়ে গরম গরম ভাত কতদিন পরে যে খেলাম!
এরপর আমরা গেলাম লস এঞ্জেলসের হলিউড বুলেভার্ড নামের একটা রাস্তায়। এখানে কিছু শপিং মল, বিভিন্ন রকম স্টুডিও রয়েছে। কথিত আছে হলিউড...
- ২টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ৪৩৩বার পঠিত
সাগরকন্যা ক্যালিফোর্নিয়া - 2 (লস অ্যাঞ্জেলস)
১১ ই জুলাই, ২০০৬ রাত ২:৩৩
সকাল বেলা ঘুম ভেঙ্গে রেডি হয়ে বেরিয়ে পড়লাম। লস অ্যাঞ্জেলসে কিন্তু প্রচুর বাঙালী থাকে। বাঙালী খাবার দোকানগুলোর অবস্থান কোথায় হতে পারে এটা এক পরিচিত বাঙালীর কাছে জেনে নিয়ে সেই রাস্তা বরাবর কিছুক্ষন ড্রাইভ করতেই দেশী নামের একটা রেস্টুরেন্ট পাওয়া গেল। গরম গরম পরোটা, খাসির ঝোল, আলু ভাজি দিতে আহা উহু...
- ১টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ৪৫২বার পঠিত
সাগরকন্যা ক্যালিফোর্নিয়া - 1 (স্যান দিয়েগো)
০৯ ই জুলাই, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:৫৩
গত সপ্তাহের উইকএন্ডে ছিল সামারের দ্্বিতীয় লম্বা ছুটি, পাক্কা চার দিনের। আমরা কয়েকজন বাংলাদেশী মিলে ঠিক করলাম লম্বা একটা টু্যর দিয়ে পুরো ক্যালিফোর্নিয়াটা চষে বেড়াব। স্যান দিয়েগো থেকে লস এঞ্জেলস হয়ে স্যান ফ্র্যানসিসকো, তারপর স্যান্টা ক্ল্যারা হয়ে ফিরব ঘরে। সঙ্গী পাঁচ জন - আমি, আমার স্ত্রী মৌটুসী, ইলেক্ট্রিক্যালে পিএইচডির ছাত্র...
- ৭টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ৪৭৪বার পঠিত
নেমন্তন্ন
৩০ শে জুন, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:১৭
হুট করে একটা প্ল্যান হয়ে গেল ঘুরতে যাবার। মিনি ভ্যান - অর্থাৎ মাইক্রোবাস নিচ্ছি একটা অথচ যাচ্ছি 5 জন। আরো দুএকজন দরকার। আপনাদের কেউ রাজি থাকলে সঙ্গী করে নিতে পারি। 
প্ল্যান হচ্ছে টেম্পি (আমাদের বাসা) থেকে স্যান ডিয়েগো (চিড়িয়াখানা), তারপর লস এঞ্জেলস (হলিউড), স্যান ফ্র্যানসিসকো (গ্লোডেন ব্রীজ) হয়ে আবার বাড়ি।...
- ১টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ৩৮৪বার পঠিত
লাস ভেগাস ও ইয়োসেমিটি ন্যাশনাল পার্ক - 3
২৯ শে জুন, ২০০৬ রাত ৯:৫৭
[অনেক পুরোনো ভ্রমন কাহিনীর ধারবাহিকতায়]
ইয়োসিমিটি ন্যাশনাল পার্ক নেভাডাতেই অবস্থিত। লাস ভেগাস শহরটা থেকে বেরিয়ে আমরা রওনা দিলাম ইয়োসিমিটি ন্যাশনাল পার্কের উদ্দেশ্যে।
ভীষন লম্বা পথ। পথের মাঝখানে পড়ল ডেথ ভ্যালী নামে একটা জায়গা। চারপাশের পাহাড় ঘিরে একটা চুল্লীর মতন একটা জায়গা তৈরী করেছে। রোদের তাপ এখানে চারিদিকে প্রতিফলিত হয়ে আগুন গরম করে...
- ০টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ৪৮৩বার পঠিত




