somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... টেস্ট
টেস্ট ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28824900 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28824900 2008-07-28 11:04:28
শুভ জন্মদিন সচলায়তন সচলায়তনের। সুস্থ লেখালেখি আর সুন্দর স্বপ্নের বাস্তবায়ন হবে এমনটাই প্রত্যাশা। সেইসাথে নতুন অলেখক, অল্পলেখক এবং সুলেখক পারস্পরিক আদান প্রদানের মাধ্যমে বাংলা ভাষাকে হৃদয়ে আরো বেশী করে ধারন করবেন সেটাই প্রত্যাশা করি।

কারো বিকল্প হিসেবে নয় বরং সবার সাথে পারস্পরিক সহাবস্থানের মাধ্যমে সচলায়তন বিভিন্ন ধরনের চিন্তা ভাবনার ধারক হয়ে উঠুক সচলায়তনের জন্মলগ্নে এই কামনা রইল।

শুভ জন্মদিন সচলায়তন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28718726 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28718726 2007-07-01 07:45:30
জরুরী: সচলায়তনের বিরোধী কর্মকান্ড থেকে সাবধান
সচলায়তন সর্ম্পকে মানুষের ধারনাকে খারাপ করতে এ ধরনের কুরুচিপূর্ণ কর্মকান্ডের নিন্দা জানাই। এব্যাপারে আপনার সবরকমের সহযোগীতা কামনা করছি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28718464 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28718464 2007-06-29 16:09:12
ত্রিভুজকে ব্লগ থেকে বের করে দেয়া হোক আমি জানিনা আপনারা ব্লগের কর্মকান্ড লক্ষ্য করেন কিনা। আমি আপনাদের দুদিনের সমস্ত ঘটনার বর্ণনা দিয়ে ধৈর্য্যচ্যুতি ঘটাতে চাই না। আমার স্পষ্ট অভিযোগ এবং ততোধিক স্পষ্ট দাবী:

"রাগ ইমন নামক ব্লগারকে কুৎসিত ভাষায় বাজে কথা বলা এবং ক্ষমা না চাইবার জন্য ত্রিভুজ নামক ব্লগার কে সামহোয়্যারইন ব্লগ থেকে আইপি সহ ব্যান করুন।"

ত্রিভুজ অবশ্য স্পষ্টাভাবে ক্ষমা চাইলে এবং রাগ ইমন সেটা গ্রহন করলে দাবী ফিরিয়ে নিতে পারি। আমার এই ব্লগ পোস্টের সাথে রাগ ইমন বা অন্য কোন ব্যাক্তি বা সংস্থার কেউ কোনভাবে জড়িত না।

সামহোয়্যাইনকে বাঁচাতে চাইলে বোধহয় এর চেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত আর হবে না। যারা যারা এই দাবীর পক্ষে নীচে স্পষ্ট-ভাষায় জানিয়ে নাম স্বাক্ষর করুন।

ইতি,
এস এম মাহবুব মুর্শেদ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28717229 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28717229 2007-06-23 12:24:40
স্ক্রীপ্ট চাই আমি ভাই শেল টেল কি জানি না। তবে আজকে এই ভিডিওটার একটা বাংলা ভার্সন করার চেষ্টা করতে পারি। আপনাদের কাছে স্ক্রীপ্ট চাচ্ছি।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28717114 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28717114 2007-06-23 01:32:24
অসহায় কাঁদে চট্টগ্রাম সাথে কাঁদি আমি ।১।
জমিলা সারাটাদিন মানুষের বাসায় কাজ করে বাচ্চা দুটোর মুখে ভাত জোগাতে পারে না। চেয়ে চিন্তে কোন রকমে চলে। বড়টা চার বছর বয়স। ছোটটা এক। চার বছরের বাচ্চাটার কাঁধে ছোটটার দায়িত্ব চাপিয়ে সকালে, দুপুরে আর সন্ধ্যায় তিন জায়গায় কাজ করে।

সেদিন সন্ধ্যায় ঝড় বৃষ্টির মধ্যে ভাত আনতে পারেনি জমিলা। শুকিয়ে যাওয়া স্তন মুখে দিয়ে ছোট বাচ্চাটা অনেকক্ষন ধরে কাঁদছিল। রাত বাড়লে ক্ষিদের যন্ত্রনায় সেই সাথে যোগদিল বড়টাও। কাঁদতে কাঁদতে জমিলা তাই বলছিল, 'মরস না কেন তরা?'

বাচ্চাদুটোকে যখন আর্মির লোকেরা তুলে আনল তখন বিলাপ করতে করতে করতে জমিলা বলছিল, 'বাচ্চা দুইটারে আল্লাহ খালি পেটে নিয়া গ্যালা! আল্লাহ এই তোমার বিচার!! ও আল্লা আল্লা গো!!!'

।২।
মাটিকাটার কাজ করা করিমের পাঁচ সন্তান, মা আর বউ নিয়ে চলতে হিমসিম খেতে হয়। বড় মেয়েটার বয়স দশ। আশেপাশের ছেলেমেয়েদের দেখে মেয়েটা স্কুলে যেতে চায়। কিন্তু করিম কিছুতেই রাজি হতে চায় না। বরং কাজে পাঠালে কিছু আয় হবে।

এমনিতে সারাদিন কাজ করতে পারেনি দূর্যোগে, তার উপর সন্ধ্যায় ঘ্যানর ঘ্যানর করায় বাচ্চাগুলোকে ধরে দিয়েছে বেধড়ক। করিমের মা বাঁচাতে এসেছিল বাচ্চাগুলোকে। ধাক্কা দিতে গিয়ে মাও পড়ে গিয়ে কোমরে ব্যাথা পেল।

পরদিন তাই শোকাহত করিম মিয়া। খালি বুকের ভিতরটা মুচড়ে মুচড়ে উঠছে বারে বার। মা, সন্তানের কথা ভাবে আর কিছু ক্ষন পর আহাহা করে উঠে। চোখের পানি কাদার সাথে মিলেমিশে একাকার। মাটির দিকে চেয়ে বলে, 'মাটিরে তুইই আমার সব নিলিরে, সব নিলি'।

।৩।
দূর্যোগ এসেছে। সাহায্য সংগ্রহ চলছে। সে মিছিলে আমি-আমরা সবাই আছি। অথচ মরেছে কিন্তু দরিদ্ররাই। আবার দুদিন পরে আমরা এসব ভুলে যাব। যে যার পথে চলতে থাকব - একদল আরেক দলের দিকে কাদা ছুঁড়ে বলব, তুই শালা নোংরা।

কিন্তু এই জনগোষ্ঠী এইরকমই থেকে যাবে - দরিদ্রসীমার দুই আঙ্গুল নীচে, যে কোন দূর্যোগে অপ্রস্তুত, গন হারে লাশ হয়ে যাওয়া অচ্ছ্যুত একদল। কান্না কাটি শেষে কেউ কেউ ক্লোজড ফোরামে বলে বসবে, ভালই হয়েছে জনসংখ্যা একটু কমেছে।

আসলেই এরা ভিক্ষারই উপযুক্ত। কি দরকার এদের জন্য আরেকটু নির্ভরযোগ্য আবহাওয়া পূর্বাভাসের ব্যাবস্থা করা? কি দরকার আরেকটু নিরাপদ বাসস্থান সুনিশ্চিত করা? আমরা কিছুদিন পরেই এগুলো ভুলে গিয়ে ধ্বসে পাহাড়ের চুড়ায় গড়ে তুলব আমাদের সুরম্য বাগান বাড়ি। মেয়র সাহেব পকেট ভারি করে বলবেন, 'উন্নয়নের দেকেছেন কি? উন্নয়নের জোয়ারে তো সব ভাসিয়ে দিলাম'। আমরা প্রবাসে দামী বিএমডাব্লিউ হাঁকিয়ে বলব, 'স্টিংকি দেশটা আমাদের মুখটা আর রাখল না'।

শুধু ভিক্ষা আর ত্রানেই ঘুরপাক খেতে থাকব আমরা সারাজীবন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28715816 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28715816 2007-06-13 15:04:57
সৃষ্টিশীল মানুষের চিন্তা ভাবনা - ২ (শেষ) আগের পর্বের পর)

আইডিয়া তৈরীর প্রথাগত পদ্ধতি
---------------------------
সৃজনশীলতা যে কিছু মানুষের কুক্ষিগত সম্পদ নয় বরং যে কেউ চর্চার করে সেটা আয়ত্ত্ব করতে পারে সেটা আবিষ্কার হয়েছে বেশ অনেকদিন হল। মার্টিন লেইথ নামে এক ভদ্রলোক চমৎকার একটি গবেষনা করেছেন এ বিষয়ে। তার মতে পৃথিবীকে তিনভাবে দেখা যায়: ১। মেশিন হিসেবে: যখন চিন্তা করা হয় অনেক বেশী আইডিয়া তৈরী করতে পারলে তার মধ্যে একটা ভাল আইডিয়া বের হবেই; ২। সিস্টেম হিসেবে: যখন চিন্তা করা হয় ছোট ছোট উন্নতি বড় উন্নতিকে সামগ্রিকভাবে সাহায্য করে; ৩। শক্তি এবং সত্ত্বার একটি ক্ষেত্র: যখন চিন্তা করা হয় সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সঠিক দিকে আগাতে হয়। এখানে পাওয়া পুরো লেখাটা তার নিজের যোগ্যতার পড়বার দাবী রাখে। এছাড়াও উইকিপিডিয়ার এই লেখাটিও এবিষয়ে ভাল একটি লেখা।

আমি সৃষ্টিশীলতার অন্যান্য অনেক দিক নিয়ে আলোচনা না করে বরং আইডিয়া তৈরীর কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করব যেগুলো সাধারন ভাবে আপনাদের লেখালেখি থেকে শুরু করে অন্যান্য কাজে আসবে। আপনাদের কাছে অনুরোধ বড় কোন কাজে কোন পদ্ধতি বেছে নেবার আগে আরেকটু গভীরে পড়াশোনা করতে। এজন্য উপরের লিংকদুটো ব্যবহার করুন - আর গুগলতো রয়েছেই।


ব্রেইনস্টর্মিং
----------
এটা বোধহয় আইডিয়া তৈরীর সবচেয়ে প্রচলিত পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে প্রচুর ভাল এবং খারাপ সমাধান আসে সমস্যার জন্য। কখনও সেটা গ্রহনযোগ্য হয় কখনও হয়না। কিন্তু একদল লোক একসাথে বসে দ্রুত বেশ অনেকগুলো আইডিয়া তৈরী করতে পারেন বলে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে এই পদ্ধতি। এই পদ্ধতির কিছু বেসিক নিয়ম আছে:
১। সংখ্যাধিক্যে জোর দাও: ধরে নেয়া হয় প্রচুর আইডিয়া তৈরী করা হলে একটা না একটা ভাল আইডিয়া বের হবেই। তাই ভালো হোক খারাপ হোক প্রচুর আইডিয়া তৈরী করতে হবে।
২। কোন ক্রিটিসিজম চলবে না: প্রথম নিয়মকে গ্রহনযোগ্য করতে এই নিয়ম পালন করা দরকার।
৩। উদ্ভট আইডিয়া সুস্বাগতম
৪। ছোট আইডিয়া জোড়া লাগিয়ে ভাল আইডিয়া তৈরী করা যাবে

এ পদ্ধতিতে এক সাথে বেশ কয়েকজন বসেন। প্রথমে নেতা জাতীয় কেউ সমস্যাটা বলেন। সমস্যাটা বুঝার জন্য কেউ প্রশ্ন করলে তার আলোচনা করা হয়। তারপর কেউ কারো সাথে কথা না বলে একটা কাগজে নিজ নিজ সমাধানগুলো লিখে ফেলেন। তারপর একে একে সেই সমাধানগুলো আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
বিভিন্ন ধরনের সমস্যার জন্য ব্রেইনস্টর্মিংয়ের বিভিন্ন ধরনের ভার্সন আছে। যেমন প্রোডাক্ট ডিজাইনের ক্ষেত্রে ৬-৩-১ নামের একটা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। যেখানে ছয়জন লোক তিনটি করে আইডিয়া লিখে তার পাশের জনকে একবারের জন্য পড়তে দেন। তারপর সেটা রিভিউ করা হয়। কোলাবোরেটিভ স্কেচ নামে এক পদ্ধতিতে একেকজন একেকটি প্রোডাক্ট আইডিয়া স্কেচের মাধ্যমে প্রকাশ করে পাশের জনকে দেন, তিনি তা ইমপ্রুভ করে তার পাশের জনকে দেন এইভাবে অনেকগুলো আইডিয়ার একটা ইমপ্রুভড ভার্সন পাওয়া যায়।

এভাবে ব্রেইন স্টর্মিং দিয়ে তৈরী করতে পারেন আপনার পরবর্তী লেখার আউটলাইন, কিংবা পরবর্তী নাটকের স্ক্রীপ্ট।


মাইন্ড ম্যাপিং
-------------------
মাইন্ড ম্যাপ হচ্ছে কথা, আইডিয়া এসব ছবির মাধ্যমে একটি কেন্দ্রের চারিদিকে ছড়িয়ে প্রকাশ করার একটি পদ্ধতি। এটা ব্যবহার করে আইডিয়া তৈরী, দৃষ্টিনন্দনভাবে দেখতে, সমস্যাকে ভেঙ্গে টুকরো করতে এবং সিদ্ধান্ত নেয়া যায়। ছবিতে দেখানো পদ্ধতিতে প্রথমে মূল সমস্যাটা লিখুন তারপর তার উপ সমস্যাগুলোকে চারপাশে জুড়ে দিন। এভাবে আস্তে আস্তে ভাঙ্গতে থাকুন যতক্ষন সমাধান না পাওয়া যায়।

মজার ব্যাপার হচ্ছে মাইন্ড ম্যাপ তৈরী করার জন্য এখন ফ্রী সফটওয়্যার পাওয়া যায়। আমার সবচেয়ে পছন্দের হচ্ছে ফ্রি-মাইন্ড নামের একটি সফটওয়্যার।

মাইন্ডম্যাপ এমনকি আপনার নিত্যদিনের চিন্তা ভাবনাকেও অনেক সহজ করতে পারে। যেমন আপনার বাজারের লিস্টিও তৈরী করতে পারেন মাইন্ড ম্যাপ ব্যবহার করে। মূল উদ্দেশ্য বাজার, তার চারপাশে মাংসের দোকান, সবজীর দোকান, মুদি দোকান। তারপর মাংসের দোকানের চারপাশে গরুর গোশ, মুরগী ইত্যাদি। সবজীর দোকানের চারপাশে বাঁধাকপি, আলু ইত্যাদি। এভাবে কাজগুলোকে সহজে সাজিয়ে ফেলা যায়। মাইন্ড ম্যাপিং তাই নোট বুক হিসেবেও ব্যবহার করা যায়।


শেষ কথা
---------
এখানে উল্লেখিত দুটি পদ্ধতি ছাড়াও আরো অনেক পদ্ধতি আছে আইডিয়া তৈরীর এবং সৃষ্টিশীল হবার। বেশীরভাগ পদ্ধতি বিশেষ কিছু কাজের জন্য কাস্টোমাইজ করা বলে অনেক সময় অন্যান্যদের জন্য বুঝতে সমস্যা হতে পারে। আমার লেখার পাঠক গোষ্ঠী মূলত: ব্লগাররা বলে আমি অন্যান্য বিষয় আর টানলামনা এখানে। আশা করব এখান থেকে আপনার সৃষ্টিশীল পদ্ধতি খোঁজার যাত্রা শুরু হবে আর নিজের প্রয়োজনে সঠিক পদ্ধতি খুঁজে বার করে ব্যাবহার করতে পারবেন। সৃষ্টিশীল হবার এ পদযাত্রায় আপনাকে আমার সালাম।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28715806 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28715806 2007-06-13 13:29:18
সুমন চৌধুরীর লেখা কেমন লাগে? (১৬)
সুমন চৌধুরী ওরফে বদ্দা লেখেন একদম শুরু থেকে। জটিল ধরনের অসাধারন ভাবগম্ভীর লেখা লেখেন তিনি। তাতেই নজর কেড়েছেন সবার। সবার পোস্টে তার ছোট্ট হাস্যরসদায়ক মন্তব্যগুলোও মন কাড়ে। অনেকগুলো কবিতার সিরিজ, ফিসফাস আত্মজীবনী মিলিয়ে সুমন চৌধুরী সামহোয়্যারইনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।

কেমন লাগে সুমন চৌধুরীর লেখা? অতিরিক্ত জটিল মনে হয়? কখনও কি ভেবেছেন সরল করতে গেলে কি হারাতে পারে সুমনের লেখা? কোন দিকটা ইমপ্রুভ করতে বলবেন বদ্দাকে? কোন ধরনের লেখা বেশী লিখতে বলবেন? বদ্দার লেখা মিস করেন কি? মানুষ হিসেবে কেমন মনে হয়?


(যাদের নিয়ে আলোচনা হয়ে গেছে:
১। সাদিক মোহাম্মদ আলম
২। পথিক!!!
৩। শাওন
৩ক। এস এম মাহবুব মুর্শেদ
৪। শেখ জলিল
৫। রাসেল অষ্ট ডটু
৬। জুয়েল ওসমান
৭। অরূপ
৮। অপ বাক
৯। তীরন্দাজ
১০। হযবরল
১১। রাগ ইমন
১২। শাহানা
১৩। ধুসর গোধূলী
১৪। আড্ডাবাজ
১৫। ব্রাত্য রাইসু)
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28715532 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28715532 2007-06-11 12:44:10
মেটামরফসিস অ্যাট বাঙলা কলেজ (৪, শেষ) আগের পর্বের পর...)

বাঙলা কলেজে আমাদের পরপর নাটকের একটা দল বেরিয়ে এসেছিল। তারা কেন যেন আমাদেরকে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখত! তাই আমার ইচ্ছে থাকা স্বত্তেও নাটকে যেতে পারিনি তখন। ওদের একটা প্রযোজনা এসেছিল শেষ পর্যন্ত। কিন্তু তারপর কি হয়েছে সেসব আর জানা নেই।

কলেজে শেষের দিকে এসে হাসানের সাথে পরিচয়। বাঙলা কলেজে সবচেয়ে একটিভ এবং সাকসেসফুল ব্যান্ড গ্রুপ ছিল ওর। ওর সাথে আমি মিশে গীটার শেখার প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠি। এব্যপারে অবশ্য আগেই একটা লেখা লিখেছিলাম

উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার আগে টের পেলাম আমার কিছুই পড়াশোনা হয়নি। তাই সব কিছু থেকে নিজেকে গুটিয়ে তিনমাস দমবন্ধ পড়াশুনা করে জীবনটা বাঁচিয়ে ছিলাম বলে রক্ষা।

এভাবে বাঙলা কলেজ আমার মধ্যে কিছু খারাপ গুন (সিগারেটের নেশা) এবং কিছু ভালো গুন (যে কারো সাথে মিশতে পারা, লেখালেখি, আবৃতি, লীডারশীপ, গীটার) অনুপ্রবেশ করিয়ে দেয়। আমার মেটামরফসিস শেষে আমি হয়ে উঠি সম্পূর্ণ মানুষ।

এখন সময়ের এই প্রান্তে দাঁড়িয়ে আমি ভাবি আসলেই বাঙলা কলেজ ছাড়া আমি হয়ত ‘আমি’ হয়ে উঠতে পারতাম না। ধন্যবাদ বাঙলা কলেজ - ধন্য আমি তোমার ছোঁয়ায়।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28715505 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28715505 2007-06-11 05:37:48
মেটামরফসিস অ্যাট বাঙলা কলেজ (৩) আগের পর্বের পর...)
শুনলাম পঞ্চাশ টাকার মত দিলে ক্লাশ না করার দোষ মউকুফ হয়ে যায়। তার উপর আড্ডা মারার নেশা, কবিতা নিয়ে দিকদারী, সিগারেট। এসবের পাল্লায় পড়ে আস্তে আস্তে আমরা ক্লাশ করা ছেড়ে দিলাম।

গল্প উপন্যাস পড়তাম আগেই। অল্প বিস্তর কবিতাও পড়তাম। এর মধ্যে জানা গেল প্রলয় আবৃত্তি করে। প্রলয়ের দারুন ভরাট কণ্ঠে আবৃতি শুনতাম আমরা বিভিন্ন কবিতার। তার উপর আমরা দুজনেই কবিতা লিখি। তাই প্রচুর কবিতা পড়া হতে লাগল। আস্তে আস্তে আমরা আধুনিক, উত্তর আধুনিক ছাড়িয়ে নাগরিক কবিতার দিকে আগাতে থাকি। সঙ্গে তখন শান্তিনিকেতনীয় কবি কবি ভাবের সাইড ব্যাগ নিয়ে ঘুরতাম।

প্রলয়ের কবিতা গুলো শক্ত হোত। তাই তার পাঠক পাওয়া যেত না। আমি আবার আগ্রহ করে সেগুলো পড়তাম। পড়ে বিজ্ঞের মতো মন্তব্য করতাম। তাই প্রলয়ের সদ্যপ্রসুত কবিতাগুলোর ধাইমা হলাম আমি। প্রসব করতে না করতে আমাকে পড়াত।

এর মাঝে কিভাবে যেন মাথায় ভুত চাপল একটা সংগঠন করা যাক। দুষ্টু বুদ্ধিটা আমার মাথা থেকেই এসেছিল। জয় আর প্রলয়ও রাজি হয়ে গেল। আরেকটা ব্যাপার উল্লেখ করা হয়নি জয়ের বাবা ছিল বাঙলা কলেজের প্রফেসর। তাই আমাদের ধারনা ছিল যে সাংগঠিনক ব্যাপারে কলেজের সার্পোট পাওয়া যাবে।

এভাবে পাগলামী করে শুরু হল আমাদের সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘সৌকারু’। ‘সুন্দর কাজ করতে চায় যারা’ এরকম একটা মানে দাঁড় করিয়ে অভিধানের বাইরে থেকে শব্দ নিয়ে শুরু হল আমাদের সংগঠন। সংগঠনের প্রেসিডেন্ট করা হল আমাকে, অবশ্যও আমারো আপত্তি ছিল না। <img src=" style="border:0;" />

সৌকারু নিয়ে আমাদের উন্মত্ততা কম ছিল না। শুরু হল সদস্য সংগ্রহ। যতদুর মনে পড়ে সস্তায় ফরম ছাড়ার কারনেই হোক আর সংগঠনের আর্কষনেই হোক প্রায় শ-খানেক ফরম বিক্রী হল। মোটামুটি কার্যক্রম শুরু হল আমাদের। প্রথমে অধ্যক্ষা হাজেরা নজরুল (নাম যতদূর মনে পড়ে এটাই ছিল) ম্যাডামের সাথে আলাপ করে ঠিক করা হল আমাদের সাথে বানিজ্য বিভাগের একজন ম্যাডাম ইন্টারভিউ নিতে সাহায্য করবে।

যাদের ফরম বিক্রী করা হয়েছিল তাদে ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাকা হল। সিম্পল কে কি জানে এটা ইভালুয়েট করাই ছিল উদ্দেশ্য। সেখানে বেশ কিছু ভালো পারফর্মার পেলাম আমরা। তারপর শুরু হল বিপুল উৎসাহে কাজকর্ম।

শেষতক আমরা সৌকারু থেকে দেয়াল পত্রিকা, বেশ কয়েকটি আবৃত্তি অনুষ্ঠান আয়োজন করেছিলাম। একবছরের টাইম স্প্যানে এটাকে ভাল সাকসেসই বলতে হবে। সৌকারু থেকে পরে বেরিয়ে এসেছিল বেশ কিছু ভাল ভাল পারফর্মার, যারা আবৃত্তি, নাটক এসবে জড়িত হয়েছিল পরবর্তীতে।

(পরের পর্বে থাকছে শেষাংশ)
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28715504 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28715504 2007-06-11 05:33:54
ব্রাত্য রাইসুর লেখা কেমন লাগে? (১৫)
স্বনাম ধন্য কবি ব্রাত্য রাইসু এখানে লেখালেখি করেন অনেক দিন হল, প্রায় প্রথম থেকেই। নিজের সাহিত্য চর্চা গুলো তুলে দিচ্ছেন আমাদের জন্য। ছোট খাট টুকটাক স্কেচ, গল্প, উপন্যাস। অনেকে তার লেখা দেখে পাজলড হয়, হাসাহাসি করে - ইন্টারনেটে মুখোশের আড়ালে থেকে সহজে আক্রমনও করে বসে। কিন্তু তবু তিনি নিরলস আমাদের দিয়ে যাচ্ছেন একেরপর এক দারুন দারুন সব সাহিত্য রচনা।

কেমন লাগে রাইসুর রচনা? ইদানীং লিখেন না তিনি তেমন, মিস করেন কি তার লেখা? কবিতা, গল্প আর উপন্যাস - কোন মাধ্যমে তাক সবচেয়ে সচ্ছন্দ্য মনে হয়? রাইসুর কোন ধরনের রচনা আপনার সবচেয়ে ভালো লাগে? তার কবিতায় যে এলিট শ্রেনীকে তিনি তীব্র বিদ্রুপ করেন তার ব্যাপারে আপনার মনোভাব কি? আরো লেখা আশা করেন তার কাছ থেকে? কোন ধরনের লেখায় বেশী আশা করবেন তার কাছ থেকে? এই মুর্হুতে কোন লেখাটার কথা মনে পড়ছে তার?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28715262 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28715262 2007-06-09 14:36:23
কে কেমন লেখে?
ছবিতে আমি কতগুলো স্কেচ করেছি। আমাদের ব্লগের বিভিন্ন লেখার চিত্রিত উপস্থাপনা। পুরোটাই আমার অবজারভেশন।

মানুষ লেখে কেন? কিভাবে লেখে? একজন লেখক মূলত কিছু ব্যপার উপস্থাপন বা প্রমান করতে চায় লেখায়। কিভাবে এই ব্যাপারগুলো উপস্থাপন করতে চায় সেটারই একটা দূর্বল প্রয়াশ ছবিটিতে আছে। মানুষ যা প্রমান করতে চায় ছবিতে সেটাকে "আসল ব্যাপার" হিসেবে দেখিয়েছি। আর যে সিদ্ধান্তে উপনীত হয় সেটাকে "সিদ্ধান্ত" হিসেবে দেখিয়েছি। বলাই বাহুল্য "সিদ্ধান্ত" আর "আসল ব্যাপার" এর মধ্যে ফারাক থাকেই। আর সেটাই দেখানো হয়েছে সবুজ তীর চিহ্ন দিয়ে।

প্রথমে দেখা যাচ্ছে সরলরৈখিক লেখা। এখানে লেখক এক বা একাধিক যুক্তি দিয়ে বা ঘটনা ব্যাখ্যা করে তার থেকে সরলরেখা টেনে "আসল ব্যাপার" ব্যাখ্যা করতে চান। সাংবাদিকরা এরকম ঘটনা থেকে প্রমানের ব্যাপার বেশী করেন বলে তাদের মাঝে এধরনের স্টাইল দেখা যায়। আরিফ জেবতিক, হাসান মোরশেদ, মাঝে মাঝে আমি এই ধরনের লেখা লেখি।

তারপর দেখা যাচ্ছে সিঁড়ির মত লেখা। যুক্তির সোপান বেয়ে এধরনের লেখা "আসল ব্যাপার" ব্যাখ্যা করতে চায়। কিন্তু কখনো পারে কখনও পারে না। এধরনের লেখা লিখেন সাদিক মোহাম্মদ আলম, আস্তমেয়ে (সন্ধ্যাবাতি), আনোয়ার সাদাত শিমুল, জামল ভাস্কর, মাঝে মাঝে কৌশিক, আমি এবং আরো অনেকে।

তৃতীয় ধরন হচ্ছে প‌্যাঁচানো লেখা। প‌্যাঁচের ঠেলায় যুক্তি, সিদ্ধান্ত আসল ব্যাপার সব ভজঘট পাকিয়ে চায়। পাঠক কনফিজউড হয়ে পাছা চুলকাতে চুলকাতে চলে যায়। এধরনের লেখা লেখেন সুমন চৌধুরী, জামাল ভাস্কর, মাঝে মাঝে শমিত এবং আরো কেউ কেউ।

চর্তুথ ধরনের লেখা হচ্ছে ছড়ানো ছিটানো। কখনো কখনো সেক্সের মিশেল বা গালাগালি ভরে দেয়া থাকে দৃষ্টিআর্কষনের জন্য। নতুন নতুন ব্লগাররা এধরনের লেখা লেখে লিখতে জানেনা বলে। আর যারা ইচ্ছে করে এধরনের লেখা লেখেন, জাস্ট ফর ফান হয়ত তারা হলেন, কৌশিক, রাগ ইমন ইত্যাদি। (দিদি বিড়ালের লেজে পাড়া পড়ার পর যেমন করে তেমন ফ্যাঁচ করে উঠবেন না প্লীজ)

পঞ্চম ধরনের লেখা লেখা হচ্ছে পাহাড় বেয়ে উঠা লেখা। এধরনের লেখা সাধারন লম্বা হয়, পড়তে গেলে স্মুথলী আগানো যায়। মুহম্মদ জুবায়ের, আনোয়ার সাদাত শিমুল, অমিত আহমেদ এধরনের লেখা লেখেন।

আর কতগুলো লেখা হয় নদীর মতো কলকল ছলছল, ভাসিয়ে নিয়ে যায়। মূল কোন ব্যাপার প্রমানের তাগিদ নেই। জাস্ট এনজয়। বিভিন্ন কবিরা, ভালোবাসার গল্প এভাবে লেখা। কনফুসিয়াস, শমিত এরা এরকম। কিন্তু হিমু মুখফোড়কেও এদলে ফেলে দেয়া যায় রম্যনদীতে ভাসানোর জন্য।

কষ্ট করে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28715255 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28715255 2007-06-09 13:15:27
৩০০ তম পোস্ট: কেন আটকে গিয়েছিলাম, কেন ছেড়ে যেতে চাই
মানুষ হিসেবে আমি আক্রমনাত্মক কখনোই ছিলাম না। টুকটাক লেখালেখি করতাম। বাংলা লেখা যায়, আবার ঠুসঠাস কমেন্টও পড়ে দেখে সাহস করে শুরু করে ফেললাম। তখন হীরক লস্কর, সুমন চৌধুরী, অমি রহমানের যুগ। তো হীরক লস্কর ছিলেন আমার প্রথম পোস্টের প্রথম কমেন্ট দাতা। বেশ উৎসাহিত হলাম।

ধর্ম নিয়ে মাথার মধ্যে কিছু বিষয় ঘুরত। ধরে নিতাম আমার চিন্তা ভাবনায় ভুল আছে। কিন্তু এখানে এসে দেখলাম আমার মত চিন্তা ভাবনা করে এরকম প্রচুর লোক আছে। মানুষের চোখের দিকে তাকিয়ে যেসব কথা বলা কঠিন সেগুলো ভার্চুয়াল মাস্কের আড়ালে সহজে বলা যায়। আরো মজা পেয়ে গেলাম।

সামহোয়্যারইনের যেসমস্ত দিক গুলো খারাপ লাগত সেগুলো অনেকটা ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখতাম আমি। ফ্রি ব্লগ, অ্যামেচার ডেভলপার, একমাত্র বাংলা ব্লগ এসমস্ত বিশেষনের কারনে প্রতিবার ক্ষমা করে দিতাম। কিন্তু যুঞ্চিক্তের পোস্ট নিয়ে দু-দুবার যে ঘটনা ঘটাল তা দেখে আর সহ্য করতে পারলাম না। এরকম ঘটনা আগেও ঘটেছিল মাসুদা ভাট্টির সাথে, মহুয়া মঞ্জুরীর সাথে (একটু ভিন্ন)। সবার অলক্ষ্যে ভাল ভাল ব্লগার কিন্তু ঝরে পড়ছিল কিন্ত কর্তৃপক্ষ মোরগ লড়াই দেখতেই ব্যাস্ত।

আমার প্রথম খারাপ লাগা শুরু হয় এধরনের বায়াসড মডারেশন দেখে। মাসুদা ভাট্টি, মানবিক, এদের লেখা সরিয়ে ফেলা হত ইসলামের দোহাই দিয়ে অথচ এদের বিরুদ্ধে অজানা নিক নিয়ে যখন আক্রমন হত তখন মডারেটরদের পাওয়া যেত না। এর সাম্প্রতিকতম উদাহরন হল যুঞ্চিক্তের পোস্ট মোছা। প্রথম পেজ থেকে সরাতে পারত, অশ্লীল কিছুতো ছিল। তেমন আহমরি টাইপের যুক্তিও ছিল না যে কেউ ডিফেন্ড করতে পারবে না। তবু ব্লগার স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করে মুছে ফেলা হল। আমার তারপর থেকে শুরু হল ইনসিকিওর ফিল করা।

বলা হয় কোন সর্ম্পক যখন ভেঙ্গে যেতে থাকে তখন দুজনার খারাপ দিকগুলো হঠাৎ সামনে চলে আসে। তেমনি করে আমার সামনেও এই ব্লগের খারাপ দিকগুলো সামনে আসা শুরু হল। সেই সাথে মনে হতে লাগল আমি, আমরা যারা পরিচ্ছন্ন দৃষ্টিতে সব কিছু দেখি, যুক্তির মাপকাঠিতে বিচার করতে চাই তারা বড় অচ্ছ্যুত এখানে।

এই অনুভুতি চলে যাবার তাগাদা একদিন হয়নি। তাই অনেকদিন থেকে আমরা ক'জন একটা ডোমেইন কিনে রেখেছিলাম। আমি আর অরূপ বাংলা টাইপ আর কনর্ভাসনের স্ক্রীপ্টটা লেখে ফেললাম। টুকটাক আগাচ্ছিলামও কাজ কর্ম। তবে এই সাইট ছেড়ে দেব কখনই ভাবিনি।

যাইহোক যা হবার তা হবে। তবু ছাড়ছি না আপাতত। তবে খুব ধীরে ধীরে ফেইজ আউট হবো। সেটা সত্যি। সে সময়টুকুতে কাটুক ভালোয় সেই আশাতে...

ভালো থাকুন সবাই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28715250 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28715250 2007-06-09 12:52:23
আড্ডাবাজের লেখা কেমন লাগে? (১৪)
আড্ডাবাজের ব্লগের বিষয়বস্তু হিসেবে লেখা: বাংলাদেশ নিয়ে ভাবনা, প্রত্যাশা ও সম্ভাবনার সংগ্রহমালা। তার ব্লগে তাই দেখি রাজনীতি, সমাজ, মুক্তিযুদ্ধ, কখনও কখনও ধর্ম এর নিয়ে লেখালেখি। আড্ডাবাজ ব্যাক্তিগত জীবনে কি তা জানিনা তবে আন্দাজ করি ব্লগ লিখতে শুরু করে তিনি অনেকের মন ছুঁয়েছেন। আস্তে আস্তে প্রসারিত করেছেন নিজেকে বিভিন্ন মাধ্যমে।

আড্ডাবাজের লেখা কেন ভাল লাগে? আড্ডাবাজকে গল্প কবিতায় আসতে দেখলে কেমন অনুভব করবেন? কোন বিষয়ে তিনি আরো মনো:নিবেশ করলে ভালো লাগবে আপনার? তার কোন লেখাটা আপনার নজর কেড়েছে? অনুভুতির খেলা নয় বরং ধারালো ছুরিতে চাছাছোলা বক্তব্য - আড্ডাবাজের সম্বন্ধ্যে এই বক্তব্যকে সমর্থন করেন কি? করলে বা না করলে কেন? এই ব্লগারের ব্যাপারে প্রত্যাশা কতদূর? কিভাবে দেখতে চান আজ থেকে এক বছর পর? মানুষ হিসেবে কেমন বলে মনে করেন?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28714853 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28714853 2007-06-06 14:39:05
মেটামরফসিস অ্যাট বাঙলা কলেজ (২) আগের পর্বের পর...)

রেজাল্ট হবার কিছুদিন পরের ঘটনা। আমি তখন ঢাকায়। আব্বা, আম্মা আর ছোট ভাই তখনও চিটাগাংয়ে। মেট্রিক পরীক্ষার মার্কশীট এসেছে। স্কুল থেকে আব্বার সেটা তুলে নিয়ে আসবার কথা। সেদিন দুপুরে আব্বা ফোন করে জানালেন মার্কশীট আনতে গেলে তাকে স্কুলের যে লোক দায়িত্বে ছিলেন তিনি কথা শুনিয়েছেন। কি বলেছেন সেটা আর নাই টানি, কিন্তু আব্বা আমাকে দায়ী করে বললেন, ‘তোমার জন্য আজকে কথা শুনতে হল!’

বাঙলা কলেজে ভর্তি হবার পর সবার ভাব ভঙ্গী পাল্টে গেল আমার সাথে। যে যেমন পারে উপদেশ দিতো। আমার আম্মা এমনিতে খুব ঠান্ডা মানুষ। সেই আম্মাও একদিন আমাকে শুনিয়ে দিলেন যে আমাকে দিয়ে কিছু হবে না।

আজ যখন এত বছর পর সেগুলো নিয়ে ভাবছি তখন কতগুলো ব্যাপার আবিষ্কার করছি। তখন এই বাস্তবতার উপলব্ধি আমাকে ভাবতে বাধ্য করেছিল যে পৃথিবীতে আসলে সব কিছু অর্জন করে নিতে হয়। মেধা জিনিসটা চর্চার একটা জিনিস। আপনা আপনি খুব কমই সেটা আয়ত্বে আসে – তাকে আয়ত্বে আনতে হয়।

আরেকটা উপকার হয়েছিল আমার। ভাল স্কুল আর ভাল কলেজে বেশীর ভাগ ছেলে পড়াশুনা ছাড়া আর কিছু বোঝে না। স্কুলে একটাও ছেলে দেখিনি যে পড়াশোনার বাইরে কিছু করত। ওয়েল করত: যেমন স্কাউটিং বা বইপড়া এসব। কিন্তু একেবারে আউট-অফ-দ্যা-বক্স কিছু কেউ করত না। বাংলা কলেজে ঢুকে দেখলাম পড়ালেখায় সেখানে সবাই সাধারন মানের। কিন্তু তাদের অনেকেরই অনেক বিষয়ে পারদর্শীতা আছে। আমি এদের সাথে মিশে মিশে বিভিন্ন বিষয়ে আগ্রহী হয়ে উঠলাম।

প্রথম বন্ধু পাই প্রলয়কে। একটা বির্তক প্রতিযোগীতার বাছাই পর্বে দেখা প্রলয়ের সাথে। আমার বির্তক খুবই বাজে হয়েছিল। কিন্তু প্রলয়েরটা অসাধারন, অসাধারন ছিল। ছেলেটা গলা কাপিয়ে টুকরো কবিতা আবৃত্তি করে এমন একটা বির্তক দিল যে আমরা মুগ্ধ। তারপরের দিন দেখি ব্যাটা মাঠের ধারে বসে আছে। আমি গিয়ে কথা বললাম। সে থেকেই বন্ধুত্ব শুরু। পরে আমরা দুজন আবৃত্তি নিয়ে বহুদুর গিয়েছি। সেটা আরেকটু পরে আসবে।

প্রথম বর্ষের শুরুর দিকে ইন্টারমিডিয়েটের জন্য রেজিষ্ট্রেশন করতে হয়। রেজিষ্ট্রেশন করছি, দেখি আমার পাশের ছেলেটা আমার জন্মতারিখ দেখে দেখে বসাচ্ছে। মেজাজ গেল খারাপ হয়ে। বললাম, কি আশ্চর্য আমার জন্ম তারিখ তুমি লিখছ কেন? সেও মহা বিরক্ত হয়ে আমাকে বলে, তোমারটা আমি লিখব কেন? পরক্ষনে দুজনের জন্মদিন যে একই দিনে সেটা বুঝতে হো হো করে হেসে উঠলাম। পরিচয় হল জয়ের সাথে।

পরিচয়ের পরই টের পেলাম অতিরিক্ত কথা বলা এবং নিজেকে বিরাট বড় করে দেখা একটা চরিত্র হচ্ছে জয়। অনেকে তার দুটো স্বভাবের জন্য তেমন পছন্দ করে না। তবে যখন জানলাম এই ছেলে কিশোর পত্রিকায় লেখে তখন ভাবলাম নাহ এই ছেলের সাথে যোগাযোগ রাখতে হবে যদি লাইন ঘাট করে কিছু পাবলিশ করা যায়।

তখন অবশ্য আমি আর প্রলয় দুজনেই কবিতা লেখতাম। আর আমাদের কবিতার একমাত্র পাঠক ছিল জয়। জয় খুব আশ্বাস দিত খুব ভালো হচ্ছে। পরে জয়ের পরামর্শে একটা লিডিং নিউজ পেপারে (এখন নাম মনে পড়ছে না, সম্ভবত আজকের কাগজ হবে) যাই লেখা জমা দিতে। এ ব্যাপারে পরে আরো আসবে।

একদিন ঠিক করে লেখা জমা দিতে তিনজন মিলে চলে গেলাম মতিঝিল সেই পত্রিকা অফিসে। বাসে ঝুলে হাত পা ছুঁড়তে ছুঁড়তে আনন্দ করে গেলাম আমরা। তখন প্রলয় হাল্কা এমেচারিস সিগারেট ফুঁকত। আর আমি এক দুইটা খেয়েছি – কিন্তু এমেচারিস ও হয়ে উঠতে পারিনি। তো আমি পাকনামী করে সিগারেট কিনে ধরালাম। সঙ্গে সঙ্গে জয় আর প্রলয়ও।

এখন সেসব কথা ভাবলেই খুব অনুপ্রানিত বোধ করি। সদ্য কৈশোর পেরোনো তারুন্যের অনুভুতিটা জেগে ওঠে।

এভাবেই শুরু হয় আমার মেটামরফসিস।

(পরের পর্বে থাকবে আবৃত্তি সংগঠন নিয়ে কাজ কর্ম্ম আর আমার আরো পরিবর্তন)
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28714845 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28714845 2007-06-06 14:00:37
যুঞ্চিক্তের পোস্ট এবং অচলায়তন ভাঙ্গা
কিন্তু আর নয়। অচলায়তন ভাঙ্গতে আসছে নতুন বাংলা ব্লগ। চিত্ত যেথা ভয়শূণ্য উচ্চ যেথা শির।

আসছে শীঘ্রই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28714113 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28714113 2007-06-03 12:26:18
দারুন ছবি : দ্যা নেইমসেইক http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28714086 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28714086 2007-06-03 09:09:02 মেটামরফসিস অ্যাট বাঙলা কলেজ (১)
সরকারী বাঙলা কলেজে আমার সবচেয়ে বেশী পরিবর্তন হয়েছে। স্কুলে আমি ছিলাম নার্ডি পড়ুয়া টাইপের বোকাসোকা একটা ছেলে। কলেজে উঠে সেই খোলশটা ছাড়ানোর সুযোগ পেলাম।

মেটমরফসিস বোঝাতে আগের কিছু কথা বলা দরকার। ব্যাপারটা নিজের ঢোল নিজে পেটানোর মত শোনাবে। অসহনশীল মানুষকে ঠিক এ জায়গা থেকে বিদায় নিতে অনুরোধ জানাচ্ছি। তবু ঘটনার প্রয়োজনে বলি।

আমার নার্ডি রূপটা আসলে দশম শ্রেণীতে প্রেমের পড়ার আগ পর্যন্ত বহাল ছিল। চিটাগাং কলেজিয়েট স্কুলে ঢুকি নবম শ্রেনীতে। তো আমার পরিচিত জনের কাছে আমি ছিলাম এক আইডল ধরনের। আশেপাশের পোলাপাইন আমার কাছে আসত পরামর্শ টর্শ চাইতে। স্বভাবতই এট্টু ভাবে থাকতাম।

তখন প্রচুর প্রচুর বই পড়তাম। আমার পড়ার গতি ছিল ভয়াবহ। তাই গোগ্রাসে গিলতাম সব কিছু। আমার বন্ধু বান্ধব ছিল সেই ধরনের, নার্ডি টাইপের।

দশম (কিংবা নবম) শ্রেনীতে প্রেমে পড়ার পর টের পেলাম আই এম নো গুড এস এ ড্যাশিং লাভার। সেই থেকে পড়া লেখা ছেড়ে ড্যাশিং হিরো হবার চেষ্টা। এইটাকে আমার পরিবর্তন না বলে একটা চেষ্টা বলা যেতে পারে। বলা বাহুল্য কৈশোরের সে প্রেম কখনই সফল হয়নাই।

টেস্ট পরীক্ষার আগে আগে সর্তক হয়ে গেলাম। টেস্টে আমাদের সেকশনে প্রথম হলাম এবং অন্যান্য সেকশনের মধ্যেও ভাল স্থানেই ছিলাম। তার আগের ব্যাচেই আঠারো জন স্ট্যান্ড করেছিল বলে আমাদের উপর অগাধ আশা ছিল তাদের।

কলেজিয়েট স্কুলে বরাবরই ছাত্রদের বেসিকের উপর জোর দেয়। আমার বাবা ছিলেন আরেক কাঠি উপর। তাই আমার বেসিক স্ট্রং করার প্রচুর চেষ্টা করা হলেও আমার কখনই ৫০০ প্রশ্ন ব্যাঙ্ক মুখস্ত থাকত না। নিজেকে জ্ঞানী ভেবে কখনও চেষ্টাও করি নাই।

ফলাফল যা হবার তাই হল- প্রতিটা অবজেকটিভে আমার ৩০-৩৫ এর বেশী নম্বর ছিল না। প্রশ্ন ব্যাঙ্কের সেই শেষ স্বর্ণালী বছরে আমি নম্বর খরায় আক্রান্ত হয়ে মেট্রিক পাস করলাম - স্ট্যান্ড তো দুরের ব্যাপার। এছাড়া অবশ্য অন্যান্য ছোটখাট কারনও ছিল - কিন্তু সেগুলো উল্লেখ করে গল্পের মূল পয়েন্টটা নষ্ট করতে চাই না।

যেটা ঘটল সেটার জন্য আমি মোটেই প্রস্তুত ছিলাম না। কলেজ ভর্তি গুলো হল সব নাম্বারের ভিত্তিতে। তাই আমার পছন্দ লিমিটেড হয়ে পড়ল। আমার বাবা কার সাথে যেন কথা বলে দেখলেন এক সরকারী কলেজে পড়লে ট্রান্সফার করা সম্ভব হয় আরেক সরকারী কলেজে। সে লোক কি কি সব আশ্বাসও দিল আব্বাকে। তাই আমি ভর্তি হলাম বাঙলা কলেজে। বলা বাহুল্য সেই লোক কখনও তার আশ্বাস রাখেননি।



(পরের পর্বে থাকবে আমার প্রতি সবার দৃষ্টিভঙ্গীর পরিবর্তন এবং আমার উপলব্ধি)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28714083 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28714083 2007-06-03 07:14:46
ধুসর গোধূলীর লেখা কেমন লাগে? (১৩)
সামহোয়্যার ইন লেখালেখির দিক দিয়ে জার্মান প্রবাসীদের কাছে অনেক ঋনী। জার্মান প্রবাসী ধুসর গোধূলী তাদের একজন। তার আরেকটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে সবার শালীর দিকে লোলুপ দৃষ্টি বাড়িয়ে দেয়া। ঠাট্টা বাদ দিয়ে যদি বলি, তাহলে তার লেখার প্রশংসা করতেই হয়। আমাদের প্রচুর দিয়েছেন তিনি। এর মাঝে হাজার দুয়ারীর সাথে যুক্ত হয়ে বাংলা লেখালেখি জগতে আরেকটি মাত্রা এনেছেন।

কেমন লাগে ধুসর গোধূলীর লেখা? কোন লেখাটি পড়ে হাসতে হাসতে গড়াগড়ি দিয়েছেন? বেশী শালী শালী করে বলে মনে হয়? আর কোন দিকে তিনি লেখার হাত বাড়াতে পারেন বলে মনে করেন? হিউমারের মোড়কে চমক পেয়েছেন কখনও? ভবিষ্যতে কি করতে পারবেন বলে মনে করেন?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28713990 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28713990 2007-06-02 15:11:45
নতন নয়ম এ বংলা দশশহস আময় নতন নয়ম এ বংলা শখয়ছন। এখন থক এভবই লখব চন্তা করছ। সব অপরয়জনয় অখখর আর কার বদ। বঝলন কনআ কন?

জয় গর।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28713926 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28713926 2007-06-02 04:17:58
কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আর্কষন: নাম বদলানোর সুযোগ এবং সার্চ ক্ষমতা চাই
২। সার্চ ব্যবস্থা দেয়া হোক। খুবই জরুরী এটা।

৩। সবপোস্টের আরএসএস দেয়া হোক। ব্যাকআপ করতে ভীষন সুবিধা হবে তাহলে।

৪। এখানে কিছু সাজেশন ছিল]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28713659 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28713659 2007-05-31 12:56:23
শাহানার লেখা কেমন লাগে? (১২)
শাহানা খুব বিখ্যাত তার ছোট্ট ছোট্ট মন কাড়া থটফুল লেখা আর লেখার সাথে উপযুক্ত বেড়ালের ছবির জন্য। সামহোয়্যারইনে চাকুরী করেন বলে একসময় শাহানা আর সামহোয়্যারইনকে গুলিয়ে ফেলত সবাই। শাহানা পরিষ্কার বুঝিয়ে দিয়েছেন যে তার ব্লগিং আর অফিস জীবন একেবারে ভিন্ন। পরিচ্ছন্ন প্রফেশনাল এটিচ্যুড।

কেমন লাগে শাহানার লেখা? তার লেখাগুলোকে ছোট্ট কিন্তু মজাদার পেয়াজু নাকি ছোট্ট কিন্তু শক্তিশালী বুলেট কোনভাবে বর্ণনা করবেন? কেন? ভ্রমন থেকে শুরু করে দৈনন্দিন জীবন, প্রতিদিনের ঢাকা - এই বিষয় দেখেছি আমরা - আর কি দেখতে চানা আপনি? তার কোন ধরনের লেখায় মনোনিবেশ বেশী করা উচিৎ বলে মনে করেন? মানুষ হিসেবে কেমন বলে মনে করেন? বিড়ালের ছবি তার লোগো হলেও তিনি কেন বেড়াল তেমন পছন্দ করেন না বা পোষেন না বলে মনে করেন? বেড়াল আইকন থেকে বেরিয়ে আসতে দেখতে চান নাকি মন্দ লাগে না এটা?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28713656 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28713656 2007-05-31 12:38:54
রাগ ইমনের লেখা কেমন লাগে? (১১)
তুলনামূলক ভাবে একটু দেরী করে শুরু করলেও অনেকের চেয়ে প্রবীণ ব্লগার রাগ ইমন। প্রায়ই তাকে প্রচন্ড আক্রমনের শিকার হতে দেখা গেছে। দেখা গেছে বিতর্কীত বিষয় নিয়ে ব্লগ তোলপাড় করতে। বৃষ্টির মতো লেখা নামিয়েছেন তিনি একসময়। আবার সব মুছেও ফেলেছেন কোন এক যন্ত্রনায়। প্রতিদিন ব্লগ পাতা খুললে যাদের লেখা আশা করা যায় তাদের মধ্যে রাগ ইমন একজন।

কেমন লাগে রাগ ইমনের লেখা? তার কোন লেখা দেখে বিরক্ত হয়েছেন কখনও? হয়ে থাকলে কেন হয়েছেন? অনেকে যা দাবী করেন যে তিনি মনোযোগ আর্কষনে ব্যস্ত - আপনি কি তাই মনে করেন? নাকি মনে করেন নারী ব্লগার বলে তিনি আক্রমনের শিকার? ব্লগের বাইরে ব্লগের লোকদের মাঝে সাংগঠনিক কাজে দেখে তাকে কি মনে হয়? তার কোন ধরনের লেখা বেশী লেখা উচিৎ বলে মনে করেন? মানুষ হিসেবে তাকে কেমন মনে হয়?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28713414 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28713414 2007-05-30 13:57:21
ভিডিও ব্লগিং: নায়াগ্রা ফলস এবং ভারতীয় উচ্চারনে বর্ণনা <img src='http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_25.gif' />



পরেরদিন রোববার গেলাম নায়াগ্রা ফলসের আমেরিকান সাইডে যেটা আমেরিকান ফলস নামেও পরিচিত। এখানে সেটা বর্ণনার ক্ষুদ্র প্রয়াস।



এখানটায় এসে হঠাৎ মাথায় দুষ্টুমী চাপল। ইন্ডিয়ান একসেন্টে বর্ণনা শুরু করলাম।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28713412 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28713412 2007-05-30 13:44:11
হযবরলর লেখা কেমন লাগে? (১০)
হযবরল ব্লগের হিসাবে মাঝবয়সী। তুলনামুলক ভাবে অল্প দিনে যারা সবার মন জয় করেছেন তাদের মধ্যে হযবরল অন্যতম। মারত্মক ছুরি চাকুর খেলা চলে চট্টগ্রামের এই প্রবাসীর লেখায়। ব্লগে যেমন তিনি সিরিয়াস পোস্ট করেন সেরকম রাশভারী পোস্টও করেন। নিজের পলিটিক্যাল ভাবমুর্তী ঠিক রেখেও তিনি সবার মন জয় করেছেন।

কেমন লাগে হযবরলর লেখা? তার আজাইরা পোস্টগুলো বেশী ভাল লাগে নাকি রাশভারী লেখা গুলো? এই মুহুর্তে চট করে কোন লেখাটার কথা মনে পড়ে তার? তার পোস্ট দেখে ক্লিক করতে মন চায়নি এমনটা হয়েছে কখনও? তার কাছ থেকে আরো বেশী লেখা আশা করবেন কি? কোন ধরনের লেখায় তাকে মনো:নিবেশ করতে বলবেন ভবিষ্যতে?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28713239 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28713239 2007-05-29 12:18:43
ইন্টারফেস নিয়ে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আর্কষণ
সাজেশন ২। ডান দিকে কলামগুলো অনেক লম্বা হয়ে গেছে। কিছু কিছু কলামকে বাম দিকে নিয়ে আসা যায় না? ছবি ২ দ্রষ্টব্য

সাজেশন ৩। অনেক রেজুলেশনে ছবি ৩ এর মতো দেখায়। কিছু করা যায় না?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28713237 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28713237 2007-05-29 11:54:25
দেখা হল না অমিত আহমেদ...
একটু দেরী করে ঘুম ভাঙ্গায় বেলা করে পৌছালাম নায়াগ্রা ফলসের কানাডিয়ান পাশে। ফলসটা দেখে ফোন করলাম অমিত আহমেদকে বেলা তিনটা কি চারটা নাগাদ। ফোন ধরছেন না দেখে মেসেজ ছাড়লাম একটা। বিকেল ছয়টা নাগাদ টরেন্টো শহরে পৌছলাম।

হঠাৎ সাড়ে ছয়টায় অমিতের ফোন। দারুন কণ্ঠের অধিকারী অমিত জানালেন যে তিনি একটু দূরের শহরে থাকেন, আসতে ঘন্টা খানেক লাগলেও আসবেন তিনি। আমিও রাজি হলাম প্রতীক্ষা করতে।

কিন্তু টরেন্টোর সিএন টাওয়ার ছাড়া আর কি দেখার আছে সেটা জানা না থাকায় আমার সঙ্গীরা ব্যাস্ত হয়ে পড়ল ফিরে যাবার জন্য। উপরন্তু রাতে আলোকিত নায়াগ্রা দেখতে হবে সেটারও একটা তাড়া ছিল।

তাই দেখা হলোনা অমিতের সাথে। মনের মধ্যে খচখচি নিয়েই ফিরে এলাম টরেন্টো থেকে। বেঁচে থাকলে দেখা হবে সুহৃদ, দেখা হবে নিশ্চয়ই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28713233 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28713233 2007-05-29 11:37:45
তীরন্দাজের লেখা কেমন লাগে? (৯)
তীরন্দাজ ব্লগের একজন প্রাচীন পাবলিক। তার ব্লগ শিরোনামে যদিও দেখা যায় তিনি দলাদলি করবেন না, তবুও সত্য কথনের জন্য তাকে একটি বিশেষ দলের আক্রমনের মুখোমুখি হতে হয়েছে বেশ কয়েকবার। বেশ কিছু জামার্নীর ভ্রমন কাহিনী প্রকাশ করেছিলেন একসময়। পড়ে প্রায়ই লোভ হত জার্মানী চলে যেতে। এছাড়া শুরু করেছিলেন জামার্নী সাহিত্যের অনুবাদ। ভাল কিছু লেখা, অথচ পাঠক টানেনি তেমন।

কেমন লাগে তীরন্দাজের লেখা? বোরিং লাগে পড়তে পড়তে? প্রতিদিন ব্লগ খুলে যাদের লেখা আশা করেন তীরন্দাজ কি তাদের একজন? তার কোন ধরনের লেখাগুলো ভালো লাগে? তাকে আর কোন ধরনের লেখায় মনোনিবেশ করতে বলবেন? মানুষ হিসেবে কেমন মনে হয়?

শুরু করুন তাহলে তীরন্দাজের দিকে তীর ছোঁড়া।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28712341 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28712341 2007-05-24 13:54:11
একটি নতুন ফিচার রিকোয়েস্ট: কমেন্ট নোটিফিকশন
এই ফিচার রিকোয়েস্টটা কমেন্ট নোটিফিকেশন সংক্রান্ত। আগের ব্লগে একটা ফীচার ছিল যে কেউ কমেন্ট করলে সঙ্গে সঙ্গে ইমেইল চলে যেত। এখন ব্লগে একটা ফীচার আছে যে কেউ কমেন্ট করলে ডানদিকের একটা লিস্টে দেখায়।

ইমেইল নোটিফিকেশন দরকার ছিল পুরোনো পোস্টে কেউ কমেন্ট করল কিনা সেটা জানার জন্য। কিন্তু নতুন পোস্টের পনের বিশটা কমেন্টের সাথে মিলেমিশে সেটা একাকার হয়ে যেত এবং আর খুঁজে বের করা যেত না। তাই সেটা তেমন উপকারে আসত না।

এখনকার শেষ কমেন্টকারীর লিস্টটা ভালো। কিন্তু অনেকগুলো লিস্ট এতো লম্বা হয়ে যায় যে বেরাছেরা লেগে যায়।

আমি ভাবছিলাম এমন কিছু করলে কেমন হয়। নতুন পোস্ট করলে এবং সেটাতে মন্তব্য করলে ব্লগেরই শেষ কমেন্টকারীর লিস্টে দেখাবে পোস্ট করার একসপ্তাহ পর্যন্ত। একসপ্তাহ পর সেটা চলে যাবে ইমেইল নোটিফিকেশন লিস্টে। তারপরে কোন কমেন্ট পড়লে ইমেইল যাবে ব্লগারের কাছে।

এই একসপ্তাহ টাইম টা ব্লগার সেট করতে পারবে নিজের পছন্দ মতে। ০ দিন মানে শুধু ইমেইল নোটিফিকেশন, ৯৯৯৯ দিন মানে আজীবন ব্লগের লিস্টে দেখাবে ইমেইল যাবে না।

কেমন মনে হয় আইডিয়াটা?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28712326 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28712326 2007-05-24 13:23:12
গন্তব্য আমেরিকা ------
আমার পাকি প্রফেসর নিতান্তই পাজি। প্রথম প্রথম যখন আমি তার রিসার্চ এসিসটেন্টশীপ নেইনি, তখন আমাকে ভুলানোর জন্য কি ভাল ব্যবহার! এখন ভুরু কুঁচকে ছাড়া কথা বলে না। দু বছরের মাস্টার্স করতে আড়াই বছর কাটিয়ে দিলাম প্রায় কিন্তু এখন ডিফেন্সের নাম মুখেই আনছে না শালা।

আজকে দুপুরে আমি ও গৌরভ ল্যাবে কাজ করছি তো সে এসে খুব মিষ্টি কথা শুরু করল। তারপর একফাঁকে টুক করে জানাল যে তার ছাত্র দরকার আমরা যেন আমাদের পরিচিত কেউ থাকলে জানাই। তার যে ছাত্র দরকার তা আমরা জানি। কেননা সব ছাত্র এসে পালিয়ে যায় তার কান্ড কারখানা শুনে। গত আড়াই বছরে আমিই এক মাত্র বলদ জুটেছে তার কপালে।

তবু মুখ ফুটে যখন আমাদের কাছে জানিয়েছে তাই আমি তার এই ফ্যাক্টগুলো লিখে সঙ্গে দুইটা ভালো (!) গুনও - ১। বেশ কিছু পেপার পাবলিশ হবে হয়ত ২। ফান্ডিং নিয়ে সমস্যা হবে না - জানালাম আমার বন্ধুদের গ্রুপে।

আমি ভেবেছিলাম কেউ হয়ত রাজি হবে না। বা হলেও সে আমাদের বন্ধুর বন্ধু জাতীয় দূরের কেউ হবে। অথচ আমাকে অবাক করে দিয়ে আমার বেশ পরিচিত দুজন এক্সক্লাসমেট আধা ঘন্টার মধ্যে সিভি সহ মেইল করেছে! আমি এতটাই অবাক হয়েছি যে কি বলব!

আমার ল্যাবমেট ইন্ডিয়ান ছেলে গৌরভকে বললাম। গৌরভ হেসে বলে, 'মানুষ সবসময় নিজের বর্তমান অবস্থাকে সবচেয়ে খারাপ মনে করে। তার মনে হয় আমি খুব কষ্ট করে হলেও সব কাজ করে ফেলব, সবার চেয়ে সেরা হয়ে দেখাব - তাহলে আর আমাকে আটকে রাখবে না।'

আমি ঘরে ফিরতে ফিরতে ভাবছিলাম, তাহলে সবার শেষ গন্তব্য কি আমেরিকা?


ঘটনা ২
------
আরো কয়েক মাস আগে ফিরে যাই। এক ছেলে ইমেইল করেছে ইন্ডিয়া থেকে। সে আইবিএম ইন্ডিয়াতে চাকুরী করছে। এখন আমাদের ইউনিভার্সিটিতে আসতে চায় মাস্টার্স করতে। আমার কি যে মেজাজ খারাপ হল! ছাগল নাকি!

সবার শেষ গন্তব্য কি তাহলে আমেরিকা?


ঘটনা ৩
-------
বছর খানেক পিছে ফিরে যাই। আমার আম্মার স্কুল বান্ধবী সোনালী ব্যাঙ্কে কর্মকর্তা পদে চাকুরী করেন। স্বামীও কিসে যেন ভালো চাকুরী করেন। বড় মেয়ে ডাক্তারী পড়ছে। ছোট মেয়েও ভালো রেজাল্ট করছে। সবকিছু ছিমছাম।

তারপর কি মনে করে তারা ডিভি ফরম পূরণ করলেন। এবং ভাগ্যবশত (!) লটারী জুটে গেল তাদের। ৩০/৪০ বছরের শেকড় ছিঁড়ে চলে এলেন আমেরিকা। মেয়েটার ডাক্তারী পড়া শেষ হয়েছে কিনা জানি না। এতটুকু হলফ করে বলতে সামাজিক মর্যাদা আগের মত পাচ্ছেন না।

তাহলে সবার শেষ গন্তব্য কি আমেরিকা?

ঘটনা ৪
-------
আরেকটু পিছনে থাকালাম। আড়াই বছর আগের কথা। আমি পাশ করে ফেলেছি। ভাবছিলাম বুয়েটেই ঝাড়ু দেয়ার চাকরী পেয়ে যাবো। ভাগ্যের ফেরে আটকে গেলাম।

শুরু করলাম চাকুরী খোঁজা। যেখানে কম্পিউটার সায়েন্স থেকে ডিগ্রী নিয়ে বিশ হাজারে চাকুরী শুরু করে সেখানে আজিজ টেক্সটাইল অফার করল আট হাজার। আজিজ সাহেব দ্বিতীয় ইন্টারভিউয়ে বলল, 'ফুলাটারে দেখে তো বদ্রই মনে অয়। তো দিয়ে দাও যা চায়। কাম কিন্তু বাল করে করবা।' দশ হাজারের সে অফার নিয়ে মানিকগঞ্জে যাইনি আর।

শেষে ঢাকায় প্রোগ্রামার হিসেবে চাকরী করতে করতে কোন রকম জিআরই। ফলশ্রুতিতে এডমিশন হল কিন্তু ফান্ডিং হল না। ডেসপারেট আমি হাতের কাছে যে প্রফেসর পেলাম তাকে আঁকড়ে ধরে একবুক স্বপ্ন পাঁজা করে স্কাই হারবার এয়ারপোর্টে নামলাম।


সেই স্বপ্নের ধর্ষন দেখি প্রতিদিন। তবু চুপ করে থাকি। পার করতে থাকি দিনগুলি। কেননা আমি জানি, সবারই শেষ গন্তব্য এই আমেরিকা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28712319 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog/28712319 2007-05-24 12:57:21