আমার প্রিয় পোস্ট

http://www.samowiki.com

হোয়াইট বেলুন

১৫ ই জুন, ২০০৬ সকাল ৯:২৮

শেয়ার করুন:                   Facebook

হোয়াইট বেলুন ইরানি ছবি। পরিচালক জাফর পানাহি। ছবিটি তৈরি হয়েছিল 1995 সালে। এর চিত্রনাট্য লিখেছেন আরেক বিখ্যাত ইরানি ফিল্মমেকার আব্বাস কিয়োরোস্তামি। হোয়াইট বেলুন দারুন ছবি। সবচেয়ে মজার বিষয় এই ছবির সাদা বেলুন অলা এক বালকের উপস্থিতি।
নতুন বছরের আগের দিনের ঘটনা। কিছুক্ষণের মধ্যে দোকান-পাট সব বন্ধ হয়ে যাবে। কিন্তুতার আগেই রেজিয়া নামের ছোট বাচ্চা মেয়েটি চায় তাকে গোলড ফিশ রাখা ছোট একুরিয়াম কিনে দেওয়া হোক। অনেক চেষ্টা-চরিত্র করে সে অভিভাবকদের কাছ থেকে টাকা আদায় করে বটে কিন্তু ততক্ষণে দোকান খোলার সময় প্রায় শেষ হয়ে এসেছে। ছুটতে থাকে রেজিয়া। কিন্তু হাত থেকে টাকা পড়ে যায় ড্রেনে। অনেক সময় ধরে চেষ্টা করেও যখন উদ্ধার করা যাচ্ছে না তখন তার সাহায্যে এগিয়ে আসে বেলুন বিক্রেতা একটি ছেলে। বেলুন বাধা লাঠি দিয়ে রেজিয়ার টাকা উদ্ধার করে দেয়। রেজিয়া দৌড়ে গিয়ে শেষ পর্যন্ত পৌছাতে পারে গোলড ফিশের দোকানে। আনন্দিত মনে ফিরতে থাকে। আর বেলুন বিক্রেতা ছেলেটি একা বসে থাকে দোকানের সিঁড়েতে। রেজিয়া ফিরেও তাকায় না।
চাইলড সাইকোলজি নিয়ে দারুণ ডিল করেছেন জাফর পানাহি।
টান টান উত্তেজনার ছবি।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: ফিল্মি, ফিল্মি  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

 

১. ১৫ ই জুন, ২০০৬ বিকাল ৫:০৬
অতিথি বলেছেন: সব সুন্দর যেন সবাই দেখতে পায় না ?
কেন ?
২. ১৫ ই জুন, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:০৬
শমিত বলেছেন: ভুল হলো , আবার লিখি । :)

'মিরর'-এর কেন্দ্রবিন্দুও একটি বাচ্চা মেয়ে আর মনন ক্রিয়া । তবে কিয়েরোস্তামি থেকে ইরানীয়ান সিনেমার যে বিশেষ বৈশিষ্ট্যটি দানা বাঁধতে থাকে , মানে এই যে রিয়ালিটি আর সিনেম্যাটিক রিয়ালিটির পার্থক্য চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেওয়ার এই যে প্রবণতা , এইটা যেনো 'মিররে' বেশী পষ্ট হ'য়ে ওঠে ।
৩. ১৫ ই জুন, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:০৬
শমিত বলেছেন: পানাহির 'মিরর'টাও দেখে নিতে পারেন! আমার 'মিরর' বেশী মজার লেগেছিলো 'হোয়াইট বেলুনের" থেকে । কেন্দ্রবিন্দু এখানেও একটি বাচ্চা মেয়ে , তবে কিয়েরোস্তামি থেকে িরানীয়ান সিনেমার বিশেষ বৈশিষ্ট্যটি দানা বাঁধতে থাকে , রিয়ালিটি আর সিনেমাটিক রিয়ালিটির পার্থক্য চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেওয়া, এইটা যেন 'মিররে' বেশি পষ্ট হ'য়ে ওঠে ।
৪. ১৫ ই জুন, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:০৬
শমিত বলেছেন: তবু ভাগ্যিস সুমেরু নেই । তাই সাহস করে এতগুলো কথা ব'লে ফেললুম! :)
৫. ১৫ ই জুন, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:০৬
শমিত বলেছেন: ধুসস্ , মন্তব্যে এডিটিং-এর ক্ষমতা দরকার !!! :(
৬. ১৫ ই জুন, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:০৬
অতিথি বলেছেন: ছবি টা দেখার লোভ হচ্ছে.......ছবি টা মনে হচ্ছে সুন্দর .....আপনার বর্ননা ও সুন্দর হয়েছে
৭. ১৭ ই জুন, ২০০৬ বিকাল ৩:০৬
অতিথি বলেছেন: শমিত,
মিররটা দেখি নাই। মানে পাই নাই এখনও। আপনার মন্তব্যে আমার দেখার লিস্ট বাড়ছে। ধন্যবাদ।
থ্যাঙ্কস টু মিয়া ও সাবি্বর।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৩৫৭৪ সেকেন্ড

 

© somewhere in net ltd | terms of use | privacy policy
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ