আমার প্রিয় পোস্ট
- মাহবুব মোর্শেদের--`ফেস বাই ফেস' বইটি ভাল লেগেছে...তাই কিছু আলোচনা। - পথিক!!!!!!!
- মাহবুব মোর্শেদের ফেস বাই ফেস-নাগরিক বোলচাল। - সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র
- মাহবুব মোর্শেদের নতুন বাংলা শব্দকোষ - ব্রাত্য রাইসু
- প্রিয়জন হারিয়ে যাওয়ার আগেই আসুন সতর্ক হই - লেখাজোকা শামীম
- সামহয়ারে এসে যে লেখকদের সঙ্গে পরিচয় হলো - মাহবুব মোর্শেদ
- সামহয়ারে আসার আগে আমি যে লেখকদের চিনতাম পরে সামহয়ারেও যারা রেজিস্ট্রেশন করেছেন - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি ব্লগীয় রাউন্ড টেবিল আলোচনার প্রস্তাব - মাহবুব মোর্শেদ
- জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতার কুড়ি বছর - মাহবুব মোর্শেদ
- সামহয়ার কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ # বিষয় : মত প্রকাশের স্বাধীনতা, প্রাইভেসি ও সিকিউরিটি - মাহবুব মোর্শেদ
- ওয়ান্স আপন এ কান্ট্রি, সামহয়ার ইন দ্য ওয়েব - মাহবুব মোর্শেদ
- সেলিম আল দীন : সফল নাট্যকার ও শিক্ষকের বিদায় - মাহবুব মোর্শেদ
- সেলিম আল দীনের সাক্ষাৎকারের বাকী অংশ - মাহবুব মোর্শেদ
- আমার নব্যরাজাকারিতার সন্ধানে - মাহবুব মোর্শেদ
- আমেরিকার নির্বাচনে ভোটার হওয়ার আবেদন - মাহবুব মোর্শেদ
- এক চিত্রনায়কের জন্য আমার শোকগাথা - মাহবুব মোর্শেদ
- জয় বাবা আলুনাথ! - মাহবুব মোর্শেদ
- পাকিস্তান, পারভেজ মোশাররফ, গণতন্ত্র ও প্রগতিশীল আর্মি - মাহবুব মোর্শেদ
- ছোটদের অর্থনীতি অথবা কয়দিন ধরে যা কিছু কথা ভাবতেছি - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি চিঠি... ভাস্করদা ও সুমন ভাইকে - মাহবুব মোর্শেদ
- এখানেও আমরা ব্যর্থ হবো? - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি বাসি বিজ্ঞাপন - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি গল্পের পরীক্ষামূলক উতক্ষেপন : জিসম # মাহবুব মোর্শেদ - মাহবুব মোর্শেদ
- বুনুয়েলের বুর্জোয়া - মাহবুব মোর্শেদ
- এই ছবি আমি তুলেছি - মাহবুব মোর্শেদ
- প্রেমেক্কার শ্বশুর বাড়ি - মাহবুব মোর্শেদ
- তুই ...রে ব...সন্ত সমী...রণ - মাহবুব মোর্শেদ
- ফাদার গাস্তঁ রোবের্জের সাক্ষাৎকার - মাহবুব মোর্শেদ
- তারেক মাসুদের সাক্ষাতকার - মাহবুব মোর্শেদ
- টেগোর ইন দ্য টাইম অব এমার্জেন্সি - মাহবুব মোর্শেদ
- বহুদিন পর আবার হরিদাস পাল - মাহবুব মোর্শেদ
- কবি আল মাহমুদের সাক্ষাতকার - মাহবুব মোর্শেদ
- ব্লগে পোস্টিংয়ের স্লথগতি - মাহবুব মোর্শেদ
- সামহোয়ার, ইলেকট্রনিক মোল্লা, ভার্চুয়াল মুক্তিযুদ্ধ ও লেখক যশোপ্রার্থীদের তড়পানি - মাহবুব মোর্শেদ
- আমার সচলায়তন অভিজ্ঞতা : সে এক কাহিনি বটে! - মাহবুব মোর্শেদ
মেলেনা
০৫ ই আগস্ট, ২০০৬ ভোর ৬:৫৩
ইতালিয়ান পরিচালক গিওসেপে তরনাটেরো 1988 সালে তৈরি করেছেন সিনেমা নিয়ে স্বপ্নময় এক ভালোবাসার ছবি সিনেমা প্যারাদিসো। আর 2000 সালে বানালেন মেলেনা। বয়সন্ধিকালের স্বপ্নময়তার ছবি। এই ছবির মূল চরিত্র সিসিলির 13 বছরের বালক রেনাতো ও বয়স্ক গৃহবধু মেলেনা স্করদিয়া। 14 বছরে পড়ার সময় রেনাতো পায় একটি সারা শহরে টহল দিয়ে বেড়াবার মতো একটি সাইকেল ও মেলেনাকে দেখার চোখ। সে হয়ে পড়ে নিশব্দ আততায়ীর মতো প্রেমিক। অসম বয়সী হলেও রেনাতো পাগলপারা প্রেমে পড়ে শহরের সবচেয়ে সুন্দরী এই মহিলার। মেলেনাকে নিয়ে তার কল্পনার বাধ ভেঙে যায়। সারাক্ষণ মেলেনা মেলোনা করতে থাকে। তাকে ফলো করে। সুমদ্রের তীরে বসে তাকে চিঠি লেখে.... সিনোরিানা মেলেনা...। দ্্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সময় মেলেনার স্বামী যুদ্ধে গিয়ে মারা গেছে বলে খবর রটলে মেলেনার ওপর চোখ পড়ে শহরের ক্ষমতাবানদের। তারা খাদ্য ও নানা অজুহাতে তার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলে। নাজি সৈন্যরা শহর দখল করে নিলে তাদের হাতে পড়ে প্রিয় মেলেনা। যুদ্ধ শেষে গৃহবধুদের সম্মিলিত আক্রমণের মুখে শহর ছেড়ে চলে যায় মেলেনা। এই দীর্ঘ সময়ে তার সঙ্গে ছিল একজনই। ওই কিশোর রেনাতো। যুদ্ধের পর মেলেনার স্বামী ফিরে এসে দেখে মেলেনা শহর ছেড়ে চলে গেছে আর কেউ তার ড়োজ জানে না। রেনাতো তাকে চিঠি লিখে মেলেনার খবর দেয়। মেলেনা সম্পর্কে লোকের কথা প্রসঙ্গে নিজের মত দেয়। একদিন স্বামী তাকে খুঁজে পায় সে ফিরে আসে স্বামীর বাহুলগ্ন হয়ে। রেনাতোর সঙ্গে তার দেখা হয়। শেষ সাক্ষাতের পর রেনাতো ফিরে আসে। তার বয়সন্ধির আইকন মেলেনার কাছ থেকে দূরে। রেনাতো বলে, বহু নারীর সঙ্গ পেয়েছে সে। কিন্তু মেলেনার মতো কেউ না। সারাজীবন আর মেলেনার কথা ভুলেতে পারে না সে। কিন্তু এই মেলেনাই তাকে কোনোদিন ভালোবাসার কথা জিজ্ঞেস করেনি। শুধু রেনাতো কেন অনেকের জীবনেই মেলেনার আবির্ভাব ঘটেছে। এই অসম বয়সের সম্পর্ক নিয়ে তৈরি হয়েছে কিয়েসলোভস্কির ক্ল্যাসিক এ শর্ট ফিল্ম অ্যাবাউট লাভ। ভালোবাসার এটা একটা প্যাটার্ন। কিশোরদের বেড়ে ওঠার ভালোবাসা। স্পর্শকাতর, উইটি আর আনন্দময় এই ছবি। যুদ্ধের ভয়াবহতাও কম নয়। তবু ভাধভাঙা ভালোবাসার কথাই বারবার মনে পড়ে। ইচ্ছা হয় মনিকা বেল্লুচিকে চিঠি লিখি... সিনোরিনা মনিকা.....
প্রকাশ করা হয়েছে: ফিল্মি, ফিল্মি বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই আগস্ট, ২০০৬ ভোর ৬:৫৮
অতিথি বলেছেন:
দেখছি ।
















থ্যাংকস, মনে করিয়ে দিলেন- এবার ছাড়াছাড়ি নাই, দেখেই ছাড়ব!