আমার প্রিয় পোস্ট

http://www.samowiki.com

স্ট্যানলি কুব্রিকের আইজ ওয়াইড শাট

১০ ই আগস্ট, ২০০৬ ভোর ৫:১৯

শেয়ার করুন:                   Facebook

1999 সালে রিলিজ হয় আইজ ওয়াইড শাট। ওই বছরের 7 মার্চ মারা যান তিনি। ছবিটার এডিটিং খানিকটা আগালেও শেষ করেননি কুব্রিক নিজে। কিন্তু ওয়ার্নার ব্রাদার্স ছবিটা কুব্রিক শেষ করেছেন বলে বাজারজাত করে। সমালোচকরা বলেন, কুব্রিক বেঁচে থাকলে আরও কিছু পরিবর্তন করতেন। আইজ ওয়াইড শাট কী? কেউ বলেন সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার, কেউ বলেন ড্রিম কেউ বলেন ট্রমা। আর্থার সি্নটজলারের উপন্যাস ট্রমনোভেলে থেকে আডাপ্ট করা হয়েছে এর কাহিনী। অনেক দিন আগে অনুবাদে বার্ট্রান্ড রাসেলের একটা গল্পের বই পড়েছিলাম। বইটার নাম শহরতলীর শয়তান। বইয়ের শহরতলীর শয়তান গল্পটিকে নায়ক একদিন রাস্তায় একটা সাইনবোর্ড দেখতে পায় যাতে লেখা এখানে বিভীষিকা উৎপাদন করা হয়। আইজ ওয়াইড শাট দেখে সেই বিভীষিকার গল্প আবার মনে পড়লো। এই সিনেমা মনে করিয়ে দেয়, আমাদের সিকিউরড জীবনের সঙ্গে ননসিকিউরড জীবনের দূরত্ব এক সুতারও কম। সুখি ও সচ্ছল দম্পতি টম ক্রুজ ও নিকোল কিডম্যান একটি ক্রিসমাস পার্টিতে গেলে টমের পেছনে লাগে দুই মডেল গার্ল। আর সুন্দরী নিকোলের পেছেনে লাগে বয়স্ক এক ব্যক্তি। নিকোলকে পটানোর চেষ্টা করলে সে পটে না। কারণ, তার ভাষায় সে বিবাহিত। কিন্তু বাসায় ফিরে গঞ্জিকাতে দম দেওয়ার পর সে স্বামীকে তার অদ্ভূত আকাঙা ও অন্যপুরুষের প্রতি আকর্ষণের কথা বলে। টম ক্রুজের সামনে খুলে যায় বিভীষিকাময় প্যান্ডোরার বাক্স। সেই রাতেই এক বুর্জোয়া ফ্যামিলির একজন মারা গেলে কল পায় পেশায় ডাক্তার ক্রুজ। রাস্তায় পথচারী এক নারী তাকে ডেকে নিয়ে যায় ঘরে। পুরোনো এক বন্ধুর মাধ্যমে সে খোঁজ পায় বুর্জোয়াদের গোপন যৌন সংঘের। আরও অসংখ্য বেদনাদায়ক যৌনতার ঘটনা দেখে সে ওই রাতেই। আর সবার মতো মুখোশ পরে গোপন সংঘে গিয়ে ধরা খায়। তার জীবন হুমকির মুখে পড়ে। অন্তরালের আরেক সমাজ বেরিয়ে আসে টম ক্রুজের সমানে। ছবিতে কু্রজের নাম ড. উইলিয়াম বিল হারফোর্ড নিকোলের নাম : এলিস হারফোর্ড। এদের একটা বাচ্চাও আছে। প্রথমবার পোস্টে গণ্ডগোল হওয়ায় আবার পোস্ট করলাম।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: ফিল্মি, ফিল্মি  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১২ ই আগস্ট, ২০০৬ সকাল ৭:২৭

 

১. ১০ ই আগস্ট, ২০০৬ সকাল ১১:৩০
অতিথি বলেছেন: এর আগের বারের পোস্টে মন্তব্য করেছিলেন সুমন চৌধুরী ও তীতুমীর।
সুমন চৌধুরী বলেছিলেন দেখছি।
তীতুমীর বলেছিলেন দেখেছি ও ভালো লেগেছে।
৪. ১০ ই আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ১:১০
অতিথি বলেছেন: শুরুতে গাঞ্জা খাওয়ার দৃশ্যটা ভাল্লাগছে ।
৫. ২০ শে আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ১:০৩
অতিথি বলেছেন: নারী পুরুষ সম্পর্কের যে উত্তরাধুনিক প্রশ্ন সেটিকে ডিল করতে যেয়ে সিনেমাটা এগিয়েছে........একটা সম্ভাব্য সমাধান আমরা দেখি...বিশ্বস্ততা ও বিশ্বাস নিয়ে .......কিন্তু একইসাথে দেখি সবকিছু ভেঙ্গে পড়ার চিৎকার।
৬. ২০ শে আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ১:২৪
রাগ ইমন বলেছেন: যতদূর মনে পড়ে, এলিস কি শুধুই কল্পনা করার কথা বলেছিলো ? নাকি এক হোটেলে একবার, মাত্র একবার স্খলনের কথাও বলেছিল? মনে নাই। তবে বিল বিরাট একটা ধাককা খায়!!! আর তারপর অনেকটা ঐ নতুন অনুভূতিকে , জেদ থেকে তার রাত্রি অন্বেষন.........সবশেষে এসে এলিসের কথা গুলো বিশেষ তাৎপর্য পূর্ণ ।

এরকম একটা রাত সবার জীবনেই আসতে পারে.........কিন্তু পরস্পরের কাছে ফিরে আসাটাই কি ভালবাসা ? সততা?
নাকি সুযোগের অভাবে ফ্যান্টাসিতে বসবাস?
নাকি সুযোগ পেয়েও বার বার প্রত্যাখান, " আই গেট টেম্পড বাট আই চুজ ইউ এভরি টাইম"...........

নারী পুরুষের সম্পর্কের উপর অসাধারন একটা ছবি।
মুখোশ খুলে দেওয়ারও ছবি।
ভাবায়...............
৭. ২০ শে আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ২:৪৬
অতিথি বলেছেন: ছবিটা প্রথমবার দেখে তেমন বুঝিনি । তবে অসাধারন চিত্রায়ন । বুর্জোয়াদের যৌনসংঘের দৃশ্যটা বেশ ভিভিড । আসলেই একটি সময় প্রচলিত ধারনা, বিশ্বাস সবকিছু ভেঙে দেয় । আবার দেখার ইচ্ছা আছে ।
৮. ২২ শে জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১:৩৭
বীথিলতা বলেছেন: অতিথি,
আপনি নিশ্চয়ই এতোদিনে জেনে গেছেন যে, 'আইজ ওয়াইড শাট' এর ঐ গোপন সংঘটিই হচ্ছে ' দ্য দা ভিঞ্চি কোড' এর 'প্রাইয়োরি অফ সাইয়ন'....আইজ ওয়াইড এ যা দেখানো হয়েছে সেটি প্রাইয়োরি অফ সাইয়ন এর একটি 'রিচুয়াল'....অবশ্য ভিঞ্চি কোড এ বলা হয়েছে যে, আইজ ওয়াইড এ বিষয়টি একটু বিকৃত ভাবে উপস্থাপিত হয়েছে।
৯. ২২ শে জুলাই, ২০০৭ বিকাল ৩:১৮
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: এটা আমারও জানা আছিল না।

 

মোট সময় লেগেছে ০.০৪৭৯ সেকেন্ড

 

© somewhere in net ltd | terms of use | privacy policy
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ