আমার প্রিয় পোস্ট
- সামহয়ারে আসার আগে আমি যে লেখকদের চিনতাম পরে সামহয়ারেও যারা রেজিস্ট্রেশন করেছেন - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি ব্লগীয় রাউন্ড টেবিল আলোচনার প্রস্তাব - মাহবুব মোর্শেদ
- জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতার কুড়ি বছর - মাহবুব মোর্শেদ
- সামহয়ার কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ # বিষয় : মত প্রকাশের স্বাধীনতা, প্রাইভেসি ও সিকিউরিটি - মাহবুব মোর্শেদ
- ওয়ান্স আপন এ কান্ট্রি, সামহয়ার ইন দ্য ওয়েব - মাহবুব মোর্শেদ
- সেলিম আল দীন : সফল নাট্যকার ও শিক্ষকের বিদায় - মাহবুব মোর্শেদ
- সেলিম আল দীনের সাক্ষাৎকারের বাকী অংশ - মাহবুব মোর্শেদ
- আমার নব্যরাজাকারিতার সন্ধানে - মাহবুব মোর্শেদ
- আমেরিকার নির্বাচনে ভোটার হওয়ার আবেদন - মাহবুব মোর্শেদ
- এক চিত্রনায়কের জন্য আমার শোকগাথা - মাহবুব মোর্শেদ
- জয় বাবা আলুনাথ! - মাহবুব মোর্শেদ
- পাকিস্তান, পারভেজ মোশাররফ, গণতন্ত্র ও প্রগতিশীল আর্মি - মাহবুব মোর্শেদ
- ছোটদের অর্থনীতি অথবা কয়দিন ধরে যা কিছু কথা ভাবতেছি - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি চিঠি... ভাস্করদা ও সুমন ভাইকে - মাহবুব মোর্শেদ
- এখানেও আমরা ব্যর্থ হবো? - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি বাসি বিজ্ঞাপন - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি গল্পের পরীক্ষামূলক উতক্ষেপন : জিসম # মাহবুব মোর্শেদ - মাহবুব মোর্শেদ
- বুনুয়েলের বুর্জোয়া - মাহবুব মোর্শেদ
- এই ছবি আমি তুলেছি - মাহবুব মোর্শেদ
- প্রেমেক্কার শ্বশুর বাড়ি - মাহবুব মোর্শেদ
- তুই ...রে ব...সন্ত সমী...রণ - মাহবুব মোর্শেদ
- ফাদার গাস্তঁ রোবের্জের সাক্ষাৎকার - মাহবুব মোর্শেদ
- তারেক মাসুদের সাক্ষাতকার - মাহবুব মোর্শেদ
- টেগোর ইন দ্য টাইম অব এমার্জেন্সি - মাহবুব মোর্শেদ
- বহুদিন পর আবার হরিদাস পাল - মাহবুব মোর্শেদ
- কবি আল মাহমুদের সাক্ষাতকার - মাহবুব মোর্শেদ
- ব্লগে পোস্টিংয়ের স্লথগতি - মাহবুব মোর্শেদ
- সামহোয়ার, ইলেকট্রনিক মোল্লা, ভার্চুয়াল মুক্তিযুদ্ধ ও লেখক যশোপ্রার্থীদের তড়পানি - মাহবুব মোর্শেদ
- আমার সচলায়তন অভিজ্ঞতা : সে এক কাহিনি বটে! - মাহবুব মোর্শেদ
সামহোয়ার, ইলেকট্রনিক মোল্লা, ভার্চুয়াল মুক্তিযুদ্ধ ও লেখক যশোপ্রার্থীদের তড়পানি
২৮ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ৯:২৮
১.
সামহোয়ারে ব্লগিং শুরু করার আগে আমাদের প্রজন্মের মানুষদের সম্পর্কে আমার ধারণা অস্পষ্ট ছিল। অনেক কিছু জানা বাকি ছিল। সামহোয়ারে যোগদানের পর বাংলাদেশের প্রযুক্তি বিদ্যন, উচ্চ শিক্ষিত, কোনো কোনো ক্ষেত্রে জ্ঞানী তরুণদের জানার একটা সৌভাগ্য লাভ করি। সে সৌভাগ্য, বলাবাহুল্য, অল্পদিনেই দুর্ভাগ্যে পরিণত হয়। এই তথাকথিত উচ্চশিক্ষিতরা ব্লগের মতো সীমিত একটি পরিসরে নিজের নাম ফোটানোর জন্য কি ধরনের নোংরা দলাদলি করতে পারেন, ব্লক, গ্রুপ ও সংঘ তৈরি করে কিভাবে নিজেদের পসার বৃদ্ধির তদবিরে লিপ্ত হতে পারেন তার জুড়ি মেলা ভার। শুরু থেকে এখানে দেখেছি, একজনের পেছনে দশজন, দশজনের পেছনে দশজন লেগে আছে। কোথাও কাউকে তাড়ানোর আয়োজন চলছে। কোথাও কারো সঙ্গে জোট বাধার আয়োজন চলছে। কোথাও কাউকে পচানোর আয়োজন চলছে। আবার কাউকে ওঠানোর জন্য বা বিখ্যাত করার জন্য স্বজনদের মধ্যে তীব্র চেষ্টা চলছে।
কেউ কোনো নতুন কাজ করলেই তার পেছনে লাগো। তাকে বাধা দাও। নতুনদের কণ্ঠস্বর রোধ করো। কচু বনে শেয়াল রাজা হয়ে থাকো। ব্যস। এ নীতি ছিল অনেকের।
প্রথম তিন/চার মাসের মাথায় শুনি পুরাতন ব্লগার তত্ত্ব। এটা শুনে মনে পড়েছিল, দুই দিনের যোগী ভাতরে বলে অন্ন প্রবাদটি।
প্রথম প্রথম মনে হয়েছিল ব্লগের মাধ্যমে ব্যক্তিগত যোগাযোগও সম্ভব। ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে বাস্তবের মেলবন্ধন হোক, ক্ষতি কী? কিন্তু কালক্রমে দেখা গেল এখান থেকে তৈরি হচ্ছে ছোট ছোট উপদল। ব্লগবহির্ভূত যোগাযোগের আছর পড়ছে ব্লগে। এইসব যোগাযোগ নিয়ে বলার কিছু নাই। যার ইচ্ছা যোগাযোগ করবে, যার ইচ্ছা করবে না। আমার বলার কী থাকতে পারে? আমি শুধু উপদল গঠনের নানা প্রবণতাকে চিহ্নিত করতে প্রসঙ্গটার উল্লেখ করছি।
এই যোগাযোগের আরেকটা রূপ হলো, ব্লগের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ব্লগারদের ব্যক্তিগত যোগাযোগ। অনেক সময় দেখেছি ব্লগ পরিচালনা ও নীতিনির্ধারণে এ প্রভাব পড়েছে। কখনো দেখা গেছে কোনো কোনো ব্লগার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার সুবাদে অন্য ব্লগারদের সমীহ আদায় করছেন। গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠার চেষ্টা করেছেন। আর এর মাশুল কর্তৃপক্ষকে পুরোটাই গুনতে হয়েছে পরবর্তীকালে। এই সময়ের ব্যক্তিগত যোগাযোগের মাশুল আবার ভবিষ্যতে গুনতে হবে নতুন করে।
এই প্রাথমিক উপসর্গ থেকে আমার মনে প্রশ্ন জেগেছিল, কী করতে এই ব্লগে সমবেত হয়েছেন আমাদের বন্ধুরা? দলবাজি নাকি লেখালেখি? দলবাজির মাধ্যমে লেখক খ্যাতি অর্জন করতে চাইছেন তারা? বাহ! সেটাও কি সম্ভব?
২.
ব্লগে এসে আমাদের প্রজন্মের সম্পর্কে আরেকটি স্পষ্ট ধারণা জন্মালো। নারীদের ব্যাপারে নিপীড়ন মূলক দৃষ্টিভঙ্গি লালন পালনে আমরা পূর্ববর্তী যে কোনো প্রজন্মের চাইতে আমরা বেশ আগানো। এখানে খুব কম নারীই স্বনামে, স্বচিত্রে আবির্ভূত হয়ে লেখা চালাতে পেরেছেন অথবা তাদের মত স্বাধীনভাবে প্রকাশ করতে পেরেছেন। আমরা সহব্লগাররা হয় তাদের পেছনে ছোক ছোক করেছি নয়তো তাদের বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লেগেছি। নারীদের জন্য সামহোয়ার খুব বৈরি একটা প্লাটফর্ম। এ পরিস্থিতি তৈরি করতে এখানে ব্লগিংরত দু একজন নারীর কিছু ভুলও দায়ী। বিশেষভাবে দায়ী নারী নিকধারী পুরুষ ব্লগাররা।
৩.
এই ব্লগের আরেকটি গুরুতর সমস্যা অবশ্যই অ্যানোনিমিটি, বেনামী ব্লগার। এখানকার বহু ব্লগার নিক নেমে ভাল লেখা লিখেছেন। তাদের প্রতি অবশ্যই আমার শ্রদ্ধা আছে। কিন্তু নিকগুলো কাজে লেগেছে অন্যকে বিরক্ত করার কাজে। নিজের পোস্টে মন্তব্য বাড়ানোর কাজে। নিজের এবং দলীয় বন্ধুদের পোস্টের রেটিং বাড়ানোর কাজে। কর্তৃপক্ষ নিক সমস্যা সমাধানে খুব বেশি পারদর্শিতা কখনোই দেখাতে পারেননি।
৪.
দলবাজী, গ্রুপবাজী, ব্লকবাজী মহত রূপ পায় যদি তাতে একটি মতাদর্শিক কোটিং থাকে। কোনো একটা মতাদর্শের অধীনে এনে নিজেদের অপকর্মকে জায়েজ করা যায়। শুরু থেকে লক্ষ করছি এখানকার মুক্তিযোদ্ধারা নিজেদের গ্রুপবাজীকে বৈধতা দেয়ার জন্যই মুক্তিযুদ্ধের প্লাটফর্ম ব্যবহার করছেন। কাজের সুবিধার জন্য তারা একের পর একজনকে রাজাকার বানিয়ে ব্লগটিকে একাত্তরের রণাঙ্গনের মতো মহত্ব দেয়ার চেষ্টা করেছেন। অন্যের মতামতের বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে তারা ফ্যাসিস্টদের মতো আচরণ করেছেন।
এই যদি হয় মুক্তিযোদ্ধাদের অবস্থা তবে প্রতিক্রিয়াশীলদের অবস্থা কী, তা সহজেই অনুমেয়। এরা নিজেদের দলবাজীর জন্য ইসলামকে ব্যবহার করেছেন। ব্লগে আমদানী করেছেন ইলেকট্রনিক মোল্লাতন্ত্র। ধর্মীয় পুলিশিং করার জন্য তারা হেন কোনো প্রতিক্রিয়াশীল আচরণ নাই যা করেননি।
ব্লগে এই ভার্চুয়াল মুক্তিযোদ্ধা আর ইলেকট্রনিক মোল্লারা এতই সরব যে কখনো কখনো মনে হয় এরাই সব। এরাই সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করছে। অধিকাংশ ব্লগার যে এর বাইরে তা নিয়ে কর্তৃপক্ষও অনেক সময় বিভ্রান্তিতে থাকেন। হয়তো, তাদের অনেক নিক আর গুয়ার্তুমিই এজন্য বিশেষ ভূমিকা পালন করে। কর্তৃপক্ষ কোন মতের তা আমরা কখনোই জানতে চাইনি। কিন্তু কর্তৃপক্ষ যখন একটি মতের পাশে বা অন্যটির পাশে দাঁড়ায় তখন তা সত্যিই চিন্তার বিষয়। কারণ বহুমত থাকবে, বহুমতের বিকাশ ঘটবে এটাই ব্লগের নীতি হওয়া উচিত। অন্যথায়, কর্তৃপক্ষেরও উচিত তাদের সমমনা ব্লগারদের সঙ্গে নিয়ে সাইবেরিয়া চলে যাওয়া।
৫.
সত্যি কথা বলতে, এই ভার্চুয়াল মুক্তিযোদ্ধা আর ইলেকট্রনিক মোল্লা কারো জন্য কোনো সহানুভূতি আমার মনে কাজ করে না। এরা নিজেদের উগ্র, অসহনশীল ও ফ্যাসিস্ট অনুভূতি প্রকাশের জন্য কখনো মুক্তিযুদ্ধ কখনো ইসলাম, গালিগালাজ কখনো ব্যক্তিগত আক্রমণকে ব্যবহার করে। এবং এদের জ্বালায়, এদের তড়পানিতে ব্লগিং করা অসুবিধাজনক হয়ে উঠেছে। সবচেয়ে দুঃখের বিষয় দলবাজদের দ্বারা অনেক ভাল ব্লগারও প্রভাবিত হচ্ছেন। সার্বিকভাবে চরম হতাশাজনক হয়ে পড়ছে ব্লগের ফ্রন্টপেজ। কয়দিন আগে হঠাত ব্লগটাকে মনে হলো, দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর ওয়াজের ময়দান। এই না হলে তরুণ সমাজের অগ্রসর চিন্তাভাবনার নেটওয়ার্ক!
৬.
সামহোয়ার কর্তৃপক্ষের দৃশ্যমান অনেক সাধ্য সাধনার পরও এই ব্লগ সাইটটি এখন ব্যবহারের প্রায় অনুপযুক্ত হয়ে পড়ছে। কিন্তু তারপরও বাংলা ব্লগ সাইটগুলোর মধ্যে এটা সবচেয়ে অগ্রসর। প্রযুক্তিগতভাবে সামহোয়ারকে অস্বীকার করার কোনো যুক্তিসংগত কারণ এখনও ঘটেনি। এটা ব্যবহারে আমি অভ্যস্ত বোধ করি। এখানে কোনো লেখা শেয়ার করার মধ্যে কিছুটা আনন্দ এখনও অবশিষ্ট আছে। আর আছে আশা। হয়তো পরস্পরের প্রতি অসস্মান ও কাদাছোড়াছুড়ি বাদ দিয়ে ব্লগিং করবেন এখানকার সহকর্মীরা। নিজেদের জিঘাংসা আর অচরিতার্থতা তৃপ্ত করার রাস্তা ভেবে এটাকে কোপাতে থাকবেন না।
৭.
কর্তৃপক্ষ বিশাল নিয়ম-কানুনের ফিরিস্তি তৈরি করেছেন। নিয়ম তৈরি করা আর প্রয়োগ করার মধ্যে বিশাল ফারাক আমাদের দেশের সব ক্ষেত্রেই আছে। আর যথাযথভাবে নিয়ম প্রয়োগের উদাহরণ তো এ দেশে কোথাও দেখা যায় না। ফলে কানুনের ফিরিস্তি দেখে আশা জাগেনি আমার। আমার ধারণা, এইসব নিয়ম দিয়ে কিছু হবে না। যা কিছু ব্লগের জন্য পজিটিভ তার পক্ষে যদি কর্তৃপক্ষ দাঁড়াতে পারে তবে সেটাই হয়তো এই অবস্থা থেকে বের হওয়ার একটা রাস্তা তৈরি করতে পারে।
কথায় কথায় ব্লগারদের ব্যান না করে কিভাবে সহনশীল ও মৌলিক চিন্তা, ভাবনা, আইডিয়া ও মতগুলোকে প্রমোট করা যায় সে চিন্তা এখন কর্তৃপক্ষকে করতে হবে।
৮.
হয়তো এই লেখাটা অরণ্যে রোদন। কিন্তু তারপরও লিখলাম। এন্ট্রি থাকলো।
প্রকাশ করা হয়েছে: ডায়েরি বিভাগে ।
সোনার বাংলা বলেছেন:
ভালো পোষ্ট।৫
অবাক বলেছেন:
সুশীল সমাজের বিবৃতি হিসাবে লেখা ঠিক আছে।"এই ব্লগ সাইটটি এখন ব্যবহারের প্রায় অনুপযুক্ত হয়ে পড়ছে।"- ১মত।
বন্ধনহীন বলেছেন:
মডুদের মধ্যে যদি আপনার মতো একটা লোক থাকতো, সামহোয়্যার অন্যরকম থাকতো। এখানে আসি, আপনাদের মতো লেখকদের লেখা পড়তে, কারো রাজনৈতিক এজেন্ডা জানতে নয়।রাসুল্লাহ্ আমার সবচেয়ে প্রিয় ব্যক্তিত্ব। ইসলামকে যখন জামাত-শিবির-রাজাকারী কাজকারবারের সাথে এক করে ফেলে তখন আর বসে থাকতে পারি না, তখনই আমার কী-বোর্ডকে এ-কে-৪৭ মনে হয়। আমাদের বাংলাদেশীদের অল্প কিছু আছে অহংকার করার মতো, কেউ তাতে হাত দিলে, মাথা ঠিক থাকে না।
সাধক শঙ্কু বলেছেন:
পোমোস্টাইলে দালালি তো ভালই শিখছো দেখা যায়। কায়দা কইরা টেকমোল্লাগো দৃষ্টিতে ভালোমানুষ সাজার তাল। শফিক রেহমান পারছে তোমারে শেষ পর্যন্ত কিছু শিখাইতে।
অবাক বলেছেন:
ব্লগকরনানের জন্য জনপ্রিয়ধারার লেখা।@সাধক
অবেলা বলেছেন:
মাহবুব, ভালো লিখেছেন। আচ্ছা, ওইদিন কে যেন বললো, আপনিও সা.ইনের হর্তাকর্তাদের একজন। কথা কতদূর সত্য?
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
ভাল।
অবেলা বলেছেন:
মাহবুব ভাই, আপনি সামহোয়্যারইনের সাথে কিভাবে জড়িত? (ব্লগার সম্পর্ক বাদে)
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
আপনার সঙ্গে যেভাবে জড়িত ঠিক সেইভাবে।
অবেলা বলেছেন:
ভাই, হেয়ালি কইরেন না। সেদিন কে যেন বললো, কোন সমস্যার কথা আরিল এবং মাহবুব মোর্শেদ ভাইকে জানিয়েছে। ওরা ব্যবস্থা নিবে। - এজন্য জিজ্ঞেস করছি। আপনি আসলে কিভাবে জড়িত? মডারেটর, না শেয়ার হোলডার? নাকি ব্লগার সম্পর্ক ছাড়া আর কোনো সম্পর্ক নেই?
কৌতুহল থেকে জিজ্ঞাস করলাম। কিছু মনে কইরেন না। স্পষ্ট উত্তর না পেলে সাধকশঙ্কুর কথাটাই ঠিক এরকম একটা খচখঁচানি থেকে যাবে।
সাইমুম বলেছেন:
তোফা মন্তব্য, তোফা বিশ্লেষণ। এক্কেবারে সাড়ে বাইশ রেটিং!
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
সাধক শঙ্কুকে আমি চিনি। ওর লগে বিতর্ক ও গালিগালাজ আগে হয়ে গেছে। আর উতসাহ নাই।আপনারে নতুন মনে হলো তাই কথা বলছি।
অবেলা বলেছেন:
মাহবুব ভাই, যুক্তিটুক্তি আসছে না রে ভাই। আমি শুধু জানতে চাইছিলাম, আপনি সামহোয়্যারইনের সাথে ব্লগার ভিন্ন অন্য কোনো সম্পর্কে জড়িত কি না। হ্যা অথবা না তেই উত্তর দিতে পারেন। জড়িত হলেও সমস্যা নাই, নাহলেও আমার কোনো সমস্যা নাই। অবশ্য এ প্রশ্নের উত্তর দেবেন না, এটাও বলতে পারেন। আপনি বিরক্ত হলে দুঃখিত।
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
আমি সামহোয়ারের কেউ না। ব্লগার ছাড়া।
এস্কিমো বলেছেন:
বেশ ভাল ...ব্যালেন্সড!
অবেলা বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ। বুঝাই যায়, আপনি মানুষটা ভালো।
ফারহান দাউদ বলেছেন:
সত্যি কথাগুলি সাহস করে লিখেছেন,ভালো। তবে ফলাফল দেখতেই পাচ্ছেন,মুক্তিযুদ্ধকে ইজারা নেয়া পার্টি এসে সুবিধাবাদী দালাল বলে গেলো,একটু পরে নব্য রাজাকার পার্টি এসে ইসলামের শত্রু বলে যাবে,সাইটটা তো এই দুই দলের বাপ-দাদার,চোরেরে আর ধর্মের কাহিনী শুনিয়ে কি হবে? চোরে তাও শুনতে পারে,এরা শুনবে না। তারপরেও,শুধু শিরোনামটার জন্যই ৫,বাকি লেখার জন্য জমা থাকলো।
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
এই নির্দোষ কথাগুলোও কিন্তু অনেকের ভাল লাগছেনা ! এ-ই হচ্ছে সামহ্যোয়ার ইন... !
অবেলা বলেছেন:
ফাদা ও আরাশির সাথে একমত। মানুষ ভালো কথা বললে এসে বাগড়া দিবেই। সাদিক ভাই মনে হয় আমেরিকার ভিসার কাজে ব্যস্ত, ব্লগে দেখি না। তারপরেও আপনি আছেন, সে সাহসে ব্লগে আসি।
ফারহান দাউদ বলেছেন:
স্বার্থে আঘাত পড়েছে শিপন ভাই,ভালো কি লাগার কথা তেনাদের?(নাম নেই না,কি না কি অন্যায় হয়ে যায়,মহাপুরুষ তো একেকজন)
বাতায়ন বলেছেন:
ভাল লেখা। প্রায় সহমত।তবে, আমি ব্যাক্তিগত ভাবে মনে করি না যে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে বলাকে এত সহজেই জামাতি প্রচারণার সাথে এক কাতারে ফেলে দেওয়া উচিত। ধর্ম নিয়ে রাজনীতিকে আমরা অনেক বছর ধরে অনেক বেশি প্রস্রয় দিয়েছি। সেই উদারতার চূড়ান্ত অ্যাবিউজ আমরা দেখেছি, দেখছি। নব্য রাজাকারদের তৎপরতা আর তাদের থামাতে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোকেদের তৎপরতা একই পাল্লায় মাপাটা কিন্তু ধর্মব্যবসায়ীদেরই অহেতুক পুরষ্কৃত করা।
দেশের ৮৫% মানুষ মুসলমান, আর জামাত ভোট পায় মাত্র ৮% মত। অর্থাৎ, ৯২% মানুষ জামাতবিরোধী। মহানবী(স)-কে অজুহাত হিসেবে ব্যাবহার করার সময় সংখ্যাগরিষ্ঠের আবেগের দোহাই তোলা হল, অথচ জামাতিদের কাজকারবারের বেলায় নিশ্চুপ কর্তৃপক্ষ। এগুলো কি বাড়াবাড়ি না? এস্টাবলিশমেন্ট যদি জামাতি-ভাবাপন্ন হয়, তাহলে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের ব্লগাররা কী করবেন? বর্ষা-বন্যা-ঋতুবৈচিত্র্য নিয়ে লিখে যাবেন শুধু?
আমি এই অবস্থার জন্য শুধু এবং শুধুই কর্তৃপক্ষকে দায়ী করবো। তারা তাদের কাজে ব্যার্থ। যাদের নিয়ে এত কথা, তারা অনেক ভাল লেখা দিয়েছেন, দিচ্ছিলেন। কিন্তু কর্তৃপক্ষ যদি নব্য-জামাতি প্রচারণার ব্যাপারে উদাসীন না হতেন, তাহলে ভাল লেখার ধারাটিই চলতো আজও।
শরীফ আবদুল্লাহ বলেছেন:
লেখাটি পড়ে খুবই ভাল লাগল।
বইপাগল বলেছেন:
"হয়তো এই লেখাটা অরণ্যে রোদন। কিন্তু তারপরও লিখলাম। এন্ট্রি থাকলো।" ভালো লিখেছেন। কর্তৃপক্ষের এরপর যদি টনক নড়তো !!! ৫
ফারহান দাউদ বলেছেন:
বাতায়ন,রাজাকার কি ধর্মান্ধদের আটকানোর জন্য লিখতে কে মানা করে? সমস্যা হলো,সেই উগ্রপন্থা নিয়ে। এমনভাবে অনেক নিরীহ ব্লগারকেও অ্যাবিয়ুজ করা হয় যে তখন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোকজন বলে যারা নিজেদের দাবী করে তারা মুক্তিযুদ্ধটাকেই খেলো করে ফেলে।প্রতিবাদের অনেক রাস্তা আছে,প্রতিবাদ আর অসভ্যতা এক জিনিস না,সেটা বুঝা দরকার।
অবেলা বলেছেন:
বাতায়নের কথায়ও অনেক চিন্তার খোরাক আছে।ফারহান দাউদও একটি চমৎকার মন্তব্য করেছেন। রাজাকারদের প্রতিবাদের/প্রতিরোধের অনেক রাস্তা আছে। যেমন ধরেন, তারা মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নোংরা কথা বললে, তাদের দিকে তেড়ে যেতেই হবে, এমন কথা নেই। তাদেরকে বুকে জড়িয়ে ধরে ভালোবেসে আদর করে বুঝানো যেতে পারে, এভাবে বলে না প্লিজ। তারা যতবারই আপনার ভালোবাসা পাত্তা না দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে অপমানজনক কথা বলবে, আপনি ততোই ভালোবাসার ডালি নিয়ে লাগে রহো মুন্না ভাই হয়ে যাবেন। সমস্যা হলো সবাই ফারহান দাউদের মত এত প্যাচঘোচে না গিয়ে দেশের স্বাধীনতা বিরোধীদেরকে সরাসরি দৌড়ানি দেয়। তাতে আমরা সুধীসমাজ শান্তিনষ্ট বলে চিৎকার করতেই পারি।
ফারহান দাউদ বলেছেন:
হ,মা-বাপ তুইলা গালি দিয়া পাবলিকের কাসে রাজাকারের ছাওগুলারে ভালোমানুষ সাজার সুযোগ দেন অবেলা,এমনেই আপনেরা মুক্তিযুদ্ধের ১২টা বাজায়া যান।
অলৌকীক বলেছেন:
ব্যালেন্সড লেখা। কর্তৃপক্ষের নজরে পড়ার জন্য গুড পোস্ট।
অবেলা বলেছেন:
ফারহান দাউদ, আমি একবচন রে ভাই। খামোখা কেন অধমকে লজ্জা দেন।আর আমি রাজাকারের ছাওয়ালগুলারে কিছু বলি না রে ভাই। নিরীহ মানুষ। আর সবাই আশরাফুল মাখলুকাত। সামহোয়্যারইনে ওরা আবার একটু বেশি আশরাফ। আইচ্চা, আপনার বহুবচনে আর কে কে আছে?দেখেন, আমি কিন্তু আপনার মহানুভবতার প্রশংসা করেছি। কেউ স্বাধীনতা নিয়া বাজে কথা বললেও আপনি মাথা ঠান্ডা রাখবেন, তার দিকে তেড়ে না গিয়ে বরং ভালোবাসা দিয়ে বোঝাবেন। এটা সবাই পারে না রে ভাই। আমি সামান্য মানুষ, দর্শক টাইপ। শুধু দেখে যাই!
ফারহান দাউদ বলেছেন:
অবেলা,আপনার মত বীরযোদ্ধাদের সালাম,দেশবাসী আপনাদের মনে রাখবে,আমাদের মত দুর্বল লোকজনরে একটু ক্ষমাসুন্দর চোখে দেখেন,কি করমু,বুকে এতো সাহস নাই যে অন্যের ১৪ গুষ্ঠি তুলে গালি দিবো,আপনারাই এই মহান কর্তব্য করেন।
বড় ভাবী বলেছেন:
হুম।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
সুন্দর বিশ্লেষন , একমত পোষন করছি
ঢালী! বলেছেন:
নিরপরাধ বলেছেন:
এটা খুবই ভালো লক্ষণ যে অনেকেই এখন ভার্চুয়াল মুক্তিযোদ্ধাদের সনাক্ত করতে পারছেন এবং এটা বুঝতে পারছেন যে এইসব চ্যাটের বাল ভার্চুয়াল মুক্তিযোদ্ধারা ইলেক্ট্রনিক মোল্লাদের মতই সমান বিপদজনক এবং বিরক্তিকর।তবে সমস্যা হলো যখন একটা গণ্ডগোল বাধে তখন নিজেকে "মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের" অথবা "সাচ্চা মুসলমান" প্রমানের জন্য সবাই একটা পক্ষ নিয়ে নেন। অনেকেই তখন মাহবুব মোর্শেদ, মদন, ফারহান দাউদ এবং আরো অনেকের মতো মোহমুক্ত হয়ে ভার্চুয়াল মুক্তিযোদ্ধাদের আসল রূপটা প্রকাশ করে দিতে অস্বত্বি বোধ করেন ... পাছে ওদের রোষাণলে পড়তে হয় এই ভেবে। সাদিকের উদাহরণতো এখনও সবার মনে আছে। তবে এই অস্বস্তি কেটে যাচ্ছে। এই লেখাই তার প্রমাণ।
ডাক্তার আইজউদ্দিন বলেছেন:
বিদ্রোহী নিকের কি হইসিল নিরপরাধ ?
নিস্পাপ শয়তান বলেছেন:
ঠিকই কহেছেন বাহে ।কেহ গোলাম আজম আর মইত্যা রাজাকারের ছবি দিয়া হেগোরে মহান নেতা কইলে তাগো দোষ হয় না, দোষ হয় যারা গোলাম আর মইত্যা রে গালি দেয় ।
গোলাম আর মইত্যা'র পোলাপানরে চেজ করা ৭১ এ ও দোষ আছিলো ।
হেই দিন ও আপনের মতো ছুছিল লেখকেরা মুক্তিগো খুনখারাবীর নিন্দা জানাইয়া বিবৃতি দিছিল । হেইদিন আপনে থাকলে আপনে ও দিতেন ।
মাশাল্লাহ, স্বাস্থ্যবতী হউন আরো
ডাক্তার আইজউদ্দিন বলেছেন:
অবেলা বলেছেন :২০০৭-০৭-২৯ ০১:৫২:২৮
বাতায়নের কথায়ও অনেক চিন্তার খোরাক আছে।
ফারহান দাউদও একটি চমৎকার মন্তব্য করেছেন। রাজাকারদের প্রতিবাদের/প্রতিরোধের অনেক রাস্তা আছে। যেমন ধরেন, তারা মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নোংরা কথা বললে, তাদের দিকে তেড়ে যেতেই হবে, এমন কথা নেই। তাদেরকে বুকে জড়িয়ে ধরে ভালোবেসে আদর করে বুঝানো যেতে পারে, এভাবে বলে না প্লিজ। তারা যতবারই আপনার ভালোবাসা পাত্তা না দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে অপমানজনক কথা বলবে, আপনি ততোই ভালোবাসার ডালি নিয়ে লাগে রহো মুন্না ভাই হয়ে যাবেন। সমস্যা হলো সবাই ফারহান দাউদের মত এত প্যাচঘোচে না গিয়ে দেশের স্বাধীনতা বিরোধীদেরকে সরাসরি দৌড়ানি দেয়। তাতে আমরা সুধীসমাজ শান্তিনষ্ট বলে চিৎকার করতেই পারি।
মুকুল বলেছেন:
হু ম ম। ভেবে দেখার মত লেখা। ৫
বিপ্লব রহমান বলেছেন:
মাহবুব মোর্শেদ@ভাল লিখেছেন। একমত।...
রাসেল ( ........) বলেছেন:
আইচ্ছা যারা এখনই প্রতিষ্ঠিত লেখক( ব্লগার না পুথি পুস্তক রচয়িতা) তাদের তড়পানিটা কি নিয়ে?আর টেক মোল্লা আর ভর্চুয়াল মুক্তিযোদ্ধা কথাটার ভিতরে একটা বাড়তি স্মার্টনেস থাকা সত্ত্বেও লেখাটাকে ইরোটিক মনে হইলো- যাউকটা এই ইরোটিকা অনেকর ভালো লাগছে- এইটাই সবচেয়ে বড় দিক লেখাটার।
তারপরেও বলব আপনার লেখার হাত ভাল।
আমার এই মন্তব্যে যদি কষ্ট পান তাহলে আগাম
স্যরি এবং এই কমেন্ট মুছে দিবেন।
ভাল থাকবেন ।
বিদায়।
বীথিলতা বলেছেন:
কি কান্ড করেছেন মাহবুব মোর্শেদ! এখানে তো রীতিমতো চতুর্থ পানিপথের যুদ্ধ লাগার উপক্রম!...আর বিষয়টা কি? নতুন আরেকখানা দল তৈরীর অভিপ্রায়...?!
হোসেইন-দ্য এ টিম বলেছেন:
মাহবুব মোর্শেদ,আপনের লেখাটি ভালো লাগছে।আপনে আর সাদিক ভাই একই মতবাদে লিখেছেন।ধন্যবাদ।তয়,একটা কথা:
আপনে অনেকগুলা সমস্যার কথা সুন্দর কইরা কইছেন ঠিকই,কিন্তু একচোখা মডারেশনই যে মূল সমস্যা সেইডা হয়তো ধরতে পারেন নাই।
বিভিন্ন উপদল তৈরী হইতাছে,এইডা সত্য পর্যবেক্ষন।
কিন্তু এইডা থামানোর উপায় নাই যতোক্ষন না আপনে মানুষকে আক্রান্ত হওয়া থাইকা বাচাঁইতে পারবেন।
ব্যক্তিগত যোগাযোগ একধরনের উপদল তৈরী করছে এইডা বোধহয় সবসময় ঠিক না।তবু আমি নিজে এই ধরনের যোগাযোগের পক্ষে না,যোগাযোগে আগ্রহীও না।
বীথিলতা বলেছেন:
দুঃখিত, 'পানিপথ' নয় ওটা 'পাণিপথ' হবে....
মানবী বলেছেন:
এই সাইটে প্রথম পোস্টের পর শুনেছি, আমাকে কেউ কেউ চিনতে পেরেছেন। আমার প্রথম পোস্টটি দুজন মানুষের ব্যক্তিগত কাহিনী ছিলো। আমি ভেবেছিলাম সত্যি তাঁদের চিনতে পেরেছে, প্রাইভেসি রক্ষায় পোস্ট সরিয়েছি। তৃতীয় পোস্টে জানলাম, আমি এই ব্লগের আরেকজন নারী ব্লগার, তবে যিনি সন্দেহ করেছিলেন পরে নিজের ভুল বুঝতে পেরে"সরি" বলে ভদ্রতা দেখাবার মত ভালো কাজটি করেছেন। এভাবে বেশ কয়েকজনের পর শেষ শুনেছি, আমি রাগিব আর তিনি না হলেও তাঁর ঘনিষ্ঠ কেউ(বেচারা রাগিব)।কারো কারো প্যারানয়া দেখলে অবাক হয়ে যাই, পুরনো কারো ছায়া না হয়ে নতুন কেউ লিখতে পারেনা এমন তাদের কল্পনার বাইরে!
আপনার পোস্টের সাথে প্রাসঙ্গিক নয়, তবু বলতে ইচ্ছে হলো। ধন্যবাদ মাহবুব মোর্শেদ।
মানবী বলেছেন:
ওহ্, যিনি আমাকে রাগিব মনে করেছেন তিনিও "সরি" বলেছেন এবং অত্যন্ত ভদ্র একজন মানুষ। প্যারানয়ার কথায় ওনাকে মিন করিনি।এই কথাটি উল্লেখ না করলে অন্যায় হতো।
হোসেইন-দ্য এ টিম বলেছেন:
মানবী,আপনে আসলে হোসেইনের সিস্টার।আম্রিকা থাইকা ব্লগান।
ত্রিভুজ বলেছেন:
গুডিশ পোষ্ট... মুর্শেদ ভাই। শোকেসে যুক্ত করলাম! (তাতে যদি কতৃপক্ষের চোখে পড়ে)
ত্রিভুজ বলেছেন:
"অন্যথায়, কর্তৃপক্ষেরও উচিত তাদের সমমনা ব্লগারদের সঙ্গে নিয়ে সাইবেরিয়া চলে যাওয়া।"এই সমমনা ব্যপাটায় অবশ্য আপনি একটু ভুল বুঝেছেন.. কারন এখানে কোন বিশেষ মতকে কতৃপক্ষ লাই দিচ্ছেন না। তারা শুধু সুস্থধারার ব্লগিং এর জন্য অসুস্থদের ব্যান করে দিচ্ছেন। গালাগালিগুলোর জবাবে কাউকে ব্যান না করাটা নিশ্চয় ভাল কাজ নয়।
আরেকটা বিষয় হলো ব্লগে মোল্লাতন্ত্র চরমপন্থী আচরনের বেশীর ভাগ নিকগুলো দেখবেন নতুন এসে শুরু করে। পাহাড়, ইসলামীশাসন ইত্যাদি নিকগুলো সক পাপেটিং ছাড়া আর কিছুই নয়।
কতৃপক্ষের মূল সমস্যাটা হলো তারা হটাৎ হটাৎ মনিটর করেন সাইটটা। সাইটের ভেতরে আসলে কি হচ্ছে তা তারা জানেন বলে মনে হয় না। হটাৎ চোখে পড়লো তো ব্যবস্থা গ্রহন করে ফেললেন... এটার পরিবর্তন দরকার আসলে।
যাই হোক.... পোষ্টের সাথে একমত.. গ্রুপিং বন্ধ হোক, দলাদলি বন্ধ হোক, সুস্থ ও গঠনমূলক চিন্তার বিকাশ ঘটুক...
৫/৫
হোসেইন-দ্য এ টিম বলেছেন:
মুর্শেদ সাহেবের আর চিন্তা নাই।ত্রিভুজ ভাইয়ের শোকেসে থাকলে নিশ্চয়ই সেইডা কর্তৃপক্ষের চোখে পড়বে।( কর্তৃপক্ষ বুঝি নিয়মিত ত্রিভুজ ভাইয়ের শোকেস চেক করেন?)


















ধন্যবাদ