আমার প্রিয় পোস্ট

সাহিত্যের সাইটhttp://www.samowiki.net। বইয়ের সাইট http://www.boierdokan.com

একটি ব্লগীয় রাউন্ড টেবিল আলোচনার প্রস্তাব

২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৩৬

শেয়ারঃ
0 0 0

সামহোয়ার চালুর প্রায় দুই বছর হতে চললো। ২০০৫ এর ডিসেম্বরে সাইটটি চালু হয়েছিল। এই দীর্ঘ সময়ে এখানে নানা ধরনের ব্লগার নানান রকম ব্লগিং করেছেন। সাহিত্য চর্চার জন্যও অনেকে নতুন এই মাধ্যমটিকে বেছে নিয়েছেন। প্রিন্ট মিডিয়ায় পরিচিত লেখকদের পাশাপাশি এমন অনেককে দেখা গেছে যারা শুধু ব্লগেই সাহিত্য চর্চা অব্যাহত রেখেছেন। ব্লগারদের মধ্যে খ্যাতি অর্জন করেছেন। সামহোয়ারে অন্য ব্লগারদের পাশাপাশি সাহিত্যিক ব্লগাররা সমভাবে অংশ নিয়েছেন। আবার এরই মধ্যে অনলাইন রাইটার্স ফোরাম হিসেবে সাহিত্যিকদের জন্য আলাদা সাইট হিসেবে সচলায়তন তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি আছে সাহিত্যিক-শিল্পীদের যোগাযোগ ও ভাব বিনিময়ের জন্য নানা অনলাইন ভিত্তিক গ্রুপ। ইয়াহু বা গুগল গ্রুপ এর উদাহরণ। আবার অনেকেই আছেন যারা এই ব্লগগুলো আসার আগে থেকেই ইউনিকোড ব্যবহার করে বাংলায় ব্লগিং করছেন। কেউ কেউ ইংরেজি ভাষায় সাহিত্য চর্চার জন্য ব্লগকে বেছে নিয়েছেন। সাহিত্যে সর্বশেষ অনলাইন সংযোজন বিডিনিউজের আর্টস পাতা। সব মিলিয়ে আমাদের আলোচনার প্রস্তাবিত বিষয় :
সাহিত্য চর্চার নতুন মাধ্যম হিসেবে ব্লগ ও অন্যান্য অনলাইন টুল।
এখানকার সাহিত্যের ধারা, বৈশিষ্ট্য, সাহিত্যিকদের প্রবণতা, সফলতা, দুর্বলতা নিয়ে খোলামনে আলোচনা করুন। কাউকে আক্রমণ করবেন না। এই আলোচনাটি আমি যায়যায়দিনের আর্ট অ্যান্ড কালচার পাতায় ছাপতে চাই।
সবাই আমন্ত্রিত। আলোচনাটি সফল করার জন্য বিশেষ কয়েকজনকে নাম ধরে ডেকে আলোচনা করার অনুরোধ জানাচ্ছি। প্রস্তাবতি নাম উঠিয়ে নিলাম। সবাই খোলা মনে আলোচনা করুন। আজকের মধ্যে হলে ভাল হয়।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: ডায়েরি  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:০৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৪৩
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: ফ্লোরা,
আইডিয়া ভাল বুঝলাম। কিন্তু বিষয়টা নিয়া বিস্তারিত বলো।
৩. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৪৩
আরশান খান বলেছেন: কি ধরনের মতামত দিলে আপনি খুশি হবেন মোর্শেদ ভাই ???
৪. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৪৬
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: আরশান খান,
ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ ও তথ্য-উপাত্ত মূলক। দুই এক লাইনে না হলেই ভাল হয়।
৫. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৫১
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন: মোর্শেদ ভাই
সুন্দর আইডিয়া।
৬. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৫২
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: ভাস্কর ভাই,
আপনার কাছ থেকে বিস্তারিত মন্তব্য আশা করছি। সময় করে লিখবেন আশা করি।
৭. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৫৬
ফ্লোরা ফেরদৌসী বলেছেন: আমি সাহিত্য বুঝি না, তবে "সাহিত্য চর্চার নতুন মাধ্যম হিসেবে ব্লগ ও অন্যান্য অনলাইন মাধ্যম" শিরোনাম ব্যবহার করে এভাবে অন্যের মতামত নেয়ার আইডিয়াটা ফাটাফাটি লাগলো। অনেকে অনেক সহজ কাজে অনেক সময় এবং এফোর্ড দেয়,আবার অনেকে সহজেই সে কাজটা তুলে আনে।এই যে কাজের জন্য আধুনিক ও সমসাময়িক অবস্থাকে ঠিক সময়ে নিবার্চন করলা তাই এভাবে বলা
৮. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:০৬
মুকুল বলেছেন: ধন্যবাদ। সত্যি বলতে কি, লেখার এত যে বৈচিত্র্য এটা এই ব্লগে না আসলে বুঝতাম না। পত্রিকায় সম্পাদকের পছন্দ অপছন্দের ওপর নির্ভর করে লেখাটা প্রকাশ পাবে কি না। কিন্তু এটা উন্মু্ক্ত মাধ্যম হওয়াতে আমাদের মত সাধারণ মানুষও যাই লিখি না কেন, (ভালো কিম্বা দূর্বল) প্রকাশ করতে পারছি। পাঠকরা তাদের মতামত দিতে পারছে। এটা অন্যরকমের একটা ভালো লাগার অনুভূতি তৈরি করে। যারা আগ থেকেই লেখালেখি করে বিখ্যাত, যাদের সাথে হয়তো জীবনে কখনো আলাপচারিতার সম্ভাবনাও ছিলো না, এই ব্লগের সুবাদে তাদের সাথে সরাসির যোগাযোগ স্থাপিত হচ্ছে। এটা একটা বড় পাওয়া। আমাদের মত প্রান্তিক মানুষের জন্য এটা অবশ্যই একটা বড় পাওনা।
৯. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:০৬
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: কেউ তো দেখি আলোচনা করে না, মন্তব্য করে সবাই। তাই ভাবলাম কয়জনরে নাম ধরে ডাকি। এখন তো দেখি নাম ধরে ডাকাটাই আলোচনার বিষয়বস্তু হতে চললো। নাম ধরে ডাকা স্রেফ নাম ধরে ডাকাই ইচ্ছা মতো যে কেউ আলোচনা করতে পারেন।
১০. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:০৮
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: মুকুল,
কো-ব্লগারদের সাহিত্য চর্চাকে আপনি কিভাবে দেখছেন? এখানে কি যথেষ্ট ও এক্সপেক্টেড রিডারশিপ আছে?
১১. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:২১
মুকুল বলেছেন: ব্লগার বেড়ে যাওয়াতে পোস্টের পরিমান বেড়ে গেছে। এতে প্রতি পোস্টে পাঠক কম সময় দিতে পারছে। যে কারনে গুরুত্বপূর্ণ পোস্টও হয়তো পাঠক পাচ্ছে না।

এখানে অনেক বিখ্যাত লেখক আছেন। তারা মনে হয় সাধারণ লেখকদের লেখা খুব একটা পড়েন না। কিম্বা পড়লেও খুব একটা মন্তব্য করেন না। তাঁরা যদি নতুন লেখকদের লেখাগুলোর উপর আলোচনা করতো তাহলে হয়তো নতুনরা তাদেল ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতো।

আরেকটা উপদ্রব তৈরি হয়েছে স্বাধীনতা বিরোধীদের আস্ফালন। তাদের কারনে সৃষ্টিশীল অনেক ব্লগারকে স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিকে ঘায়েল করার জন্য অনেক মূল্যবান মেধা শ্রম ব্যয় করতে হচ্ছে। এতে করে তাদের সৃষ্টিশীল পোস্ট থেকেও আমরা বঞ্চিত হচ্ছি। অনেক সময়েই অনাকাংখিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে।
১৩. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:০৭
সুবিনয় মুস্তফি বলেছেন: এ ব্লগে আমি নুতন। তবে বেশ কিছুদিন ধরে ব্লগারদের লেখা পড়ছি। লেখা পড়ার অনুপ্রেরণা থেকেই মুখ্যত এখানে অংশগ্রহণ করার আগ্রহ জন্মেছে। ব্লগার হিসেবে এখানে অংশগ্রহণ করার শুরু থেকে আমার ভাবনায় সাহিত্যচর্চার মাধ্যম হিসেবে ব্লগের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনার একটা তাগিদ তৈরি হয়েছিল। অনুধাবন করার চেষ্টা করছিলাম, এখানকার সাহিত্যচর্চা ও সাহিত্যিকদের চিন্তার ধারা কেমন ও কোন গতিপথে আবর্তিত হচ্ছে। সন্দেহ করার কোনো অবকাশই নেই যে, ব্লগে যারা অংশগ্রহণ করেন তাদের অধিকাংশই মিডিওকার বা বিলোমিডিওকার। এ মানের ব্লগাররা সবসময় এক ধরনের গিমিক বা আত্মপ্রচারের আবহ তৈরি করে রাখেন। নানা ইস্যু তৈরি করে দল, উপদল গড়ে নিজেদের জন্য যেন তেন একটা প্রচার গড়ে তোলার জন্য ঘাম ঝরান। ব্লগে সবচেয়ে বেশি যা চোখে পড়ে তা হলো মিডিওকারদের গিমিক। মিডিওকারদের বৈশিষ্ট্য হলো তারা দিনানুদিনের অন্য পাঠ অভ্যাসের মতো ব্লগে এসেও তেমন কিছু পড়েন না। নিজেকে জানান দিয়ে চলে যান। মিডিওকারদের চিৎকারে কালেভদ্রে ভাল কোনো সাহিত্যিকের দেখা মিললেও তার পাতে তেমন কিছু পড়বে না এ নিশ্চয় করে বলা যায়।
তারপরও কিছু পুরনো ও ভাল লেখক এবং কিছু নতুন ও সম্ভবনাময় কবি-লেখকের সাক্ষাত মিলছে। সংখ্যায় তারা হয়তো শতে একজন। কিন্তু তাদের উপস্থিতি আমার বিবেচনায় ব্লগকে মহিমান্বিত করছে। ব্লগ মাধ্যম হিসেবে নতুন বৈকি। এর মাধ্যমে একপাক্ষিক যোগাযোগের বদলে দ্বিপাক্ষিক বা বহুপাক্ষিক যোগাযোগও সম্ভব বটে। কিন্তু সেলিব্রেটি লেখকের জন্য এ খুব সুখের পরিস্থিতি নয়। খ্যাতিমান একজন কবি কিংবা লেখক কেন সময় ও শ্রম ব্যয় করে সাধারণের কাতারে নেমে আসবেন যেখানে পাশ্ববর্তী ব্লগাররা তাকে যা ইচ্ছা বলতে পারেন। চাই কি গালিও দিতে পারেন। তবে এটা নিশ্চয় সত্য যে, ব্লগের মাধ্যমে সম্পূর্ণ নতুন ধরনের এক পাঠক গোষ্ঠী প্রস্তুত হচ্ছে। যে তরুণ ও অনতিতরুণরা স্রেফ আড্ডাঘরে বৃথা বাক্য ব্যয় করে সময় কাটাতেন। তাদের কেউ কেউ এখানে এসে বাংলা লেখার কোশেশ করছেন। নতুন ও প্রতিভাবান কারও মনে হয়তো লেখক হওয়ার প্রতীতীও এভাবে জন্মাতে পারে। বাংলা লেখার অভ্যাসটা তো বজায় থাকছে নতুন প্রজন্মের মধ্যে। এ বা কম কিসে?
ব্লগে সাহিত্য চর্চা হচ্ছে, জঙ্গলে বানর কি হরিণ ছানার যদৃচ্ছা বেড়ে ওঠার মতো। সাহিত্য পদবাচ্য হতে হলে যে প্রস্তুতি প্রয়োজন, যে অধ্যবসায় ও চর্চা প্রয়োজন তার কোনোটাই এই ছানাপোনাদের মধ্যে নেই। সম্ভাবনাময় ব্লগারদের উৎসাহ দেয়ার জন্য সাহিত্যিক ব্লগারদের এগিয়ে আসতে হবে। আপনারা অন্তত এটুকু বলুন কী পড়তে হবে, লেখালেখি শেখার উপায় কী, ব্যকরণ, বাক্যগঠন, বানান কোথায় শেখা সম্ভব। ভাল কিছু লেখকের নাম বলুন, ভাল কিছু বইয়ের নাম বলুন। নইলে পুরোটাই গিমিকের স্রোতে ভেসে যেতে চললো।
১৪. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:১৫
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: সুবিনয় মুস্তফি,
থ্যাংকস এ লট। লেখকদের লেখার পাশাপাশি এখন কি গরুগিরিও শুরু করার প্রস্তাব দিচ্ছেন নাকি আপনি?
১৫. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৩০
কেএসআমীন বলেছেন: ব্লগে সাহিত্য চর্চা হচ্ছে, জঙ্গলে বানর কি হরিণ ছানার যদৃচ্ছা বেড়ে ওঠার মতো। সাহিত্য পদবাচ্য হতে হলে যে প্রস্তুতি প্রয়োজন, যে অধ্যবসায় ও চর্চা প্রয়োজন তার কোনোটাই এই ছানাপোনাদের মধ্যে নেই। ----- যথার্থই মুস্তফি ভাই বলেছেন।
ব্লগ কেবল সাহিত্যিকদের পদচারণার স্থান নয়। যেকোন সৃষ্টিশীল ও কম্পিউটার লিটারেট মানুষ এখানে আসতে পারেন.....
তাদের মতামত ব্যক্ত করতে পারেন, সমাজের নানা অসংগতি, অসামঞ্জস্য, সমস্যা, সম্ভাবনা অতি সহজে আঙুলের কিছু ক্লিকের মাধ্যমে তাত্তখনিক ভাবে সেন্সর ছাড়াই ব্লগে প্রকাশ করতে পারেন...
১৬. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৩২
কেএসআমীন বলেছেন: ব্লগকে এক্সিলারেটেড লিটারেচার বলা যেতে পারে। বিশুদ্ধ সাহিত্য এখানে ১০% থেকে ১৫% জায়গা দখল করে রাখতে পারে...
১৮. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৩৬
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: কে এস আমীন,
বাকী সব বিষয়ে আপনার মত কী? বিশেষ করে রিডারশিপ বিষয়ে?
১৯. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:২১
জামাল ভাস্কর বলেছেন: সুবিনয় মুস্তফির আলোচনা ধইরা আগাইতে হইলে আসলে আমার একটু সমস্যাই বোধ হইতেছে...তিনি অনেক পরিমাপক দিলেন এই অঞ্চলের লেখকগো লইয়া...মিডিওক্রিসি ঠিক করলেন...মিডিওকারগো গিমিক বইলা কোন একটা কিছুরে অভীধা দিলেন...ভালো লেখা আর খারাপ লেখা বিষয়ে জাজমেন্ট দিলেন...সেলিব্রিটি লেখকগো সীমাবদ্ধ প্রচারণার কথা কইলেন...সবশেষে ব্লগীয় লেখকগো বান্দরও কইলেন...যাগো মাস্টারীতে ডাক দিলেন মা.মোগো মতোন শিক্ষিত সাহিত্যিকগো...আমার কাছে এতো সরলীকৃত বিষয় মনে হয় নাই মাহবুব মের্শেদের এই প্রস্তাবনা। ব্লগ আর অন্যান্য অনলাইন মাধ্যমগুলিরে সাহিত্য চর্চার প্ল্যাটফর্ম হিসাবে ব্যবহার করা যাইবো কিনা তার একটা আর্কেটাইপ ভাবনের চেষ্টা'ই মনে হইলো আমার এই প্রস্তাবনারে...সেই হিসাবে এইখানে ভালো লেখকেরা কেরম আছেন মন্দ লেখকেরা কি লিখেন সেই বিবেচনা অনেক পরের চিন্তা...লেখার উন্মুক্ত পরিসর আর তার লগে ইন্টার
২০. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৫২
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন: "ব্লগার বেড়ে যাওয়াতে পোস্টের পরিমান বেড়ে গেছে। এতে প্রতি পোস্টে পাঠক কম সময় দিতে পারছে। যে কারনে গুরুত্বপূর্ণ পোস্টও হয়তো পাঠক পাচ্ছে না"- কিছুটা একমত।
অনেকের ক্ষেত্রেই ব্যাপারটি ঘটছে। তবে সময়ের অভাবে অনেকেই নিজেদের প্রিয় ব্লগারদের পোস্ট পড়ছে শুধু।
সাহিত্য চর্চার মাধ্যম হিসেবে ব্লগ এখন অনেক জনপ্রিয়। ব্লগের প্রকাশিত লেখাগুলো যতই ভাল হোক না কেন, এখানে স্বীকৃতি'র একটি সমস্যা রয়েছে।যেমন: বিহংগ বা নির্বাসিত, দু'জনের লেখা গল্প বা স্মৃতিকথাগুলো যেকোন ভাল জায়গায় ছাপা হওয়ার যোগ্যতা রাখে। কিন্তু তারা তা না ছাপিয়ে ব্লগে দিচ্ছেন। এটি কিন্তু তারা তাদের বায়োগ্রাফিতে লিখতে পারবেন না,কিন্তু বিডিনিউজ২৪ এর মত কোথাও প্রকাশিত হলে কিন্তু লেখা যেত। এটি একটি ব্যাপার।
অন্যভাবে দেখলে আবার বলতে হয় যে, অনেক লেখাই হয়ত ছাপানো হত না, কিন্তু ব্লগের বদৌলতে আমরা সেগুলো পড়তে পারছি।
তবে ব্লগে সাহিত্য চর্চার ক্ষেত্রে নিজের একটি স্বাধীনতা রয়েছে। ব্লগেই জন্ম দিচ্ছে অনেক ভাল লেখকের। কিন্তু যেভাবে লেখকের জন্ম হচ্ছে সেভাবে ভাল পাঠক দেখা যাচ্ছে না। ব্লগে যেকোন লেখার ক্ষেত্রে বিভিন্ন দল একটি বড় ব্যাপার। ভার্চুয়াল দলাদলি,লিংগ বিশেষে বৈষম্যতা'র কারনে অনেক ভাল লেখাই জনপ্রিয় হচ্ছে না।ব্লগের লেখক সমাজ যতটা পরিপক্ক, পাঠক সমাজ ততটা নন। আর যেকোন লেখার গঠনমূলক মন্তব্য/আলোচনা/সমালোচনা-খুব কম হচ্ছে।
আর ইন্টারনেট আমাদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ঢুকে গেছে। সাহিত্য এর থেকে বাদ যাবে কেন? বরং অনলাইন মাধ্যমের যে কোন কিছু আপনি নিজের কাছে খুব সহজেই রাখতে পারছেন, এটিও একটি পজেটিভ দিক।
২১. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:২৯
কাল্‌বেলা বলেছেন: আলোচনার বিষয়বস্তু খুবই লোভনীয়। তাই আলোচনাকারীদের আপাতঃ লিস্ট অনুযায়ী অযাচিত হয়েও দু-একটি কথা বলছি।
প্রথমেই দৃষ্টি দেই- "ব্লগ" ধারনাটি যখন প্রথম ইন্টারনেট জগতে আসে তখন এটির রুপ কেমন ছিল সেদিকে।
আমার যতদুর মনে পড়ে এটি ছিল অনলাইনে অতিব নিজস্ব একটি জায়গা বা একাউন্ট যেখানে, যেকোন ব্যাক্তি নিজের ইচ্ছা
মত করে যেকোন কিছু, লিখিত আকারে সংরক্ষন করতে পারতেন এবং কে কে তার লেখাগুলো পড়বে বা পড়বে না কিংবা সবার জন্যই
উন্মুক্ত থাকবে কিনা সেটা নির্ধারন করে দিতেন। সেখানে সাহিত্য বিষয়ক লেখা-লেখিই যে থাকতে হবে বা তার লেখা যে খুব মান সম্পন্ন
হতে হবে এমন কোন প্রচেষ্টা বোধহয় তারা করে ফিরত না। কোন ব্যাপারে নিজের মত, ভাবনা এমনকি নিজের ডায়রিও ব্লগের উপাত্ত
হতে পারত।
সামহোয়ার ইনের ব্যাপারে যেটা ঘটছে সেটা এই ধারনা থেকে বোধহয় একটু ভিন্ন-ই বলতে হবে। এখানে যা কিছু
প্রকাশিত হচ্ছে বা ব্লগার রা করছেন তার সবটাই প্রথম থেকেই উন্মুক্ত- সবার জন্য। এখানে কে পড়বে কে পড়বে না এটা নির্ধারন
করার একটা সিস্টেম যদিও আছে তবে সেটা মনেহয় নেগেটিভলি ইউজ করার জন্যই রাখা। এখানে সবার জন্য উন্মুক্ত করাতেই আনন্দ।

যাই হোক এখানে যে ভাবে লেখা গুলো প্রকাশিত হচ্ছে বা ব্লগার রা ব্লগিং করছেন এই স্টাইলটাও খারাপ না,
বরং ভালই বলতে হবে। তবে এই ভিন্ন স্টাইলটার অন্য একটি ভিন্ন নামকরন হলে বোধহয় ভালো হত। তাতে লেখকের কাছে পাঠকদের
প্রত্যাশাটুকু নিয়ন্ত্রিত হত বলে আমার ধারনা। আর একটু সহজ করে বললে বলতে হয় যে, অনেকেই এখানে এসে বোধহয় ব্লগিং এবং
সাহিত্যচর্চা তদসংগে সাংবাদিকতা, কলাম, এবং কোন কোন ক্ষেত্রে দৈনিকপত্রিকাসুলভ ব্যাপারগুলো গুলিয়ে ফেলছেন।
উদাহরন স্বরুপ যিনি ব্লগিং করতে এসেছেন তিনি কিন্তু তার লেখার সাহিত্যগুন বিচার না করেই যা মনে এসেছে পটাপট লিখে
পোস্ট করে দেন। তিনি তার লেখার সাহিত্যগুন বা মান নিয়ে কদাচিৎই চিন্তিত থাকেন। অপরদিকে যিনি সাহিত্যের জন্যই আসেন
তিনি হয়তবা সেই লেখা পড়ে খানিকটা বরক্তও হতে পারেন, তার মান ভাল নয় ভেবে। ঠিক এভাবে সাংবাদিক, কলামিস্ট তাদের
যার যার দৃষ্টিকোণ থেকে লেখা পোস্ট করেন এবং আশাকরেন যে সকলেই তার লেখাটা পড়ুক, তার মত করে ভাবুক এবং যথাসম্ভব
মন্তব্য করুক। তাই বলছিলাম, যে এখানে সনাতন ব্লগিং এর ধারাটা বোধহয় নেই বরং এটি 'আধুনিক ব্লগিং'
বলে পরিচিতি পেতে পারে যেখানে নিজের কথাগুলো তো নিজের একাউন্টে জমা থাকলই উপরন্তু জানা/অজানা, জ্ঞানী-গুনী কতজনের
কত অমুল্য মন্তব্যও পাওয়া গেল।
সনাতন ব্লগিং-এ আছে কেবল চেনা গন্ডির ভিতর জানানোর বা ভাগাভাগির আনন্দ আর সাঃইনের ব্লগিং এ আছে
সারা বিশ্বের সমভাষীদের কাছে 'কেমন হয়েছে বা কেমন লাগল' জানার আকাঙ্ক্ষা। আশাকরি সনাতন ব্লগিং এবং সাঃইনের আধুনিক ব্লগিং
(একান্ত আমার দেয়া নাম)এর পার্থক্যটা পরিষ্কার।

যদি পরিষ্কার হয়েই থাকে তাহলে বোধহয় সাঃইনে লেখার মান নিয়ে কাউকেই মূলতঃ দোষারোপ করা যায় না। অন্ততঃপক্ষে
যতদিন না এটা সনাতন ব্লগিং থেকে আলাদ কোন নাম বা প্লাটফরম নিয়ে আত্নপ্রকাশ না করে।

২২. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৪১
ফাহমিদুল হক বলেছেন: ব্লগের সবচেয়ে বড়ো দিক হলো এর ইন্টারএকটিভ বা মিথস্ক্রিয়ামূলক প্রকৃতি। আগ্রহী ব্লগারদের সম্মিলিত আলোচনায় একটি ইস্যু পূর্ণাঙ্গ চেহারা পেতে পারে। এযেন নিরন্তর গোলটেবিল বৈঠক হয়ে চলেছে, কোনো ইভেন্ট-ম্যানেজার ছাড়াই।

পরের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো যেকউ এখানে লেখক হতে পারেন। প্রথাগত মুদ্রণ-মাধ্যমে একাধিক গেট-কিপার বসে থাকেন, হয় আপনাকে ঢুকতে দেয়া হবে না, নয়তো কাঁচিয়ে চালিয়ে লেখার মেদ-মজ্জা স্লিম করা হবে। মতপ্রকাশের এই যে আলটিমেট স্বাধীনতা, এটার জন্যই মানুষ বেঁচে থাকতে চায়। পদে পদে শৃঙ্খলিত মানুষ যদি এক জায়গাতেও স্বাধীনতা পায়, কম কী? ব্লগের মাধ্যমে নতুন অনেক লেখককে পাচ্ছি, যারা সনাতন মাধ্যমে লেখা প্রকাশের ব্যাপারে মোটেও ভাবিত না।

আবার সনাতন মাধ্যমের অনেক প্রতিষ্ঠিত লেখক ব্লগের বিশাল ভূবনের পাঠকের সঙ্গে তার লেখাকে শেয়ার করার জন্য নিজেই ব্লগাররূপে আবির্ভূত হচ্ছেন।

জরুরি অবস্থায় যখন অনেক জরুরি কথা বলা যায়না, তখন ব্লগ সেই ব্যবস্থা করে দেয়। এখানে সেন্সর হবার, গ্রেফতার হবার, আইনী মারপ্যাঁচে পড়বার ভয় নেই। ছদ্মনাম বা নিক ব্লগারকে এসব থেকে বাঁচিয়ে দেয়।

তবে এই আলটিমেট স্বাধীনতা অনেক অনাচারের জন্ম দেবে সেটা অনুমেয়। নিকের আড়ালে দলাদলি, গালাগালি, টপ-রেটেড হবার ইঁদুর-দৌড় এসব আছে, বিরক্তিকর মাত্রায় আছে। এই মাত্রা মাঝে মাঝে ব্লগের মূল উদ্দেশ্যকে ছাপিয়ে ওঠে, হতাশ হয়ে অনেক 'ভদ্রলোক' এই অভয়ারণ্য ছাড়তে বাধ্য হন।

এসব কুলক্ষণ এড়াতে পারলে ভবিষ্যতের বাংলা ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি, জ্ঞানের গতি, এক্টিভিজম ব্লগকে ঘিরে বেড়ে উঠবে একথা নিঃসন্দেহে বলা যায়।
২৩. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৫২
মামু বলেছেন: মুকুল @ ( আরেকটা উপদ্রব তৈরি হয়েছে স্বাধীনতা বিরোধীদের আস্ফালন। তাদের কারনে সৃষ্টিশীল অনেক ব্লগারকে স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিকে ঘায়েল করার জন্য অনেক মূল্যবান মেধা শ্রম ব্যয় করতে হচ্ছে। এতে করে তাদের সৃষ্টিশীল পোস্ট থেকেও আমরা বঞ্চিত হচ্ছি। অনেক সময়েই অনাকাংখিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। )


যাক বুঝলেন, কিন্তু পালন করেন না।
২৪. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৪১
ফারহান দাউদ বলেছেন: ২-১টা কথা বলার অনুমতি পাবো কিনা বুঝতে পারছি না,সবার জন্য কি উন্মুক্ত ?
২৫. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:০১
মাহবুব সুমন বলেছেন: মাত্র দেখলাম, শুরু করবো।
২৬. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৪৩
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: ফারহান দাউদ,
সবার জন্য উন্মুক্ত। আপনার নাম তুলতে ভুলে গেছিলাম। প্লিজ আলোচনা শুরু করুন।
মাহবুব সুমন,
তাড়াতাড়ি করেন। এই সংখ্যায় ধরাই।
২৭. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৪৪
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: ভাস্করদা,
সুবিনয় মুস্তফির আলোচনার রিঅ্যাকশনই শুধু পাইলাম। আপনার মূল্যায়ন কী?
২৮. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৪৭
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: মোস্তফা মনির সৌরভ, কালবেলা ও ফাহমিদ ভাই,
আপনাদের দরকারি ও বিস্তারিত আলোচনার জন্য কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
২৯. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৫৫
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: আলোচনার সঙ্গে আলোচকের ছবি দেয়ার প্রস্তাব করছি। এ বিষয়ে আপনাদের মত চাই। অনেকের ছবি দিতে আপত্তি থাকতে পারে।
৩০. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:০৮
মাহবুব সুমন বলেছেন: সাহিত্যের ধারা হিসেবে ব্লগ বা অনলাইন বাংলাদেশে তুলনামুলকভাবে নতুন হলেও অন্যান্য দেশে বিশেষ করে ইউরোপে ব্লগ একটি প্রতিষ্ঠিত ধারা। অনেক প্রতিস্ঠিত লেখকের নিজস্ব ওয়েব সাইট এবং ব্লগ আছে যার মাধ্যমে তারা পাঠকের সাথে আলোচনায় অংশগ্রহন করেন, লেখার মুল্যায়ন গ্রহন করেন, ই-মেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ প্রতিস্ঠা করেন। এটা আমাদের দেশে অনুপস্থিত। তবে নতুন প্রজন্মের লেখকরা অবশ্য বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যমে লিখছেন, যার মাঝে রয়েছে ওয়ব ম্যাগাজিন, অনলাইন ফোরাম, ওয়েব সাইট ও ব্লগ।
ব্লগের কথা বল্লে বলা যায় এখানে যারা লেখেন তাদের বেশীর ভাগই অপেশাদার ও শখের লেখক। তথাকথিত প্রতিস্ঠিত লেখকদের অবশ্য ব্লগে বা অনলাইনে খুব একটা পাওয়া যায় না।
এসব শখের ও অপেশাদার লেখকরা সাহিত্যের সব ধারাতেই দাগ কাটার চেষ্টা করেন।ভতে পারে সেটা কবিতা বা উপন্যাস ! মাঝে মাঝেই সেটাই প্রতিস্ঠিত লেখকদের চাইতেও ভালো হয়ে যায়!

শখের এসব লেখকরা সনাতন পন্থা যেমন পত্রিকার সাহিত্যের পাতায় লেখার সুযোগ না পাওয়া অথবা পৃথিবীর যেকোন প্রান্ত হতে বিনা বাধায় তাদের লেখা প্রকাশের সুযোগ পাওয়ায় ব্লগ বা অন্য অনলাইন মাধ্যমকে লুফে নেন।
সামহোয়্যার ইনের মতো ব্লগের বড় সুবিধে হলো লেখক ও পাঠকের মাঝে মিথস্ক্রিয়া। লেখক ব্লগে পোস্ট করার সাথে সাথে পাঠক পড়তে পারছে ও তার মতামত জানাতে পারছে যা সনাতন পন্থায় একেবারেই অসম্ভব। এতে শখের লেখকরা তাদের ভুলত্রুটি ধরতে পারছে ও লেখার মানের পরিবর্তন বা উন্নতি করতে পারছে। ব্লগ সংস্কৃতির প্রসারে বর্তমানে এক লেখক ও পাঠকের এক নতুন ধারা তৈরি হচ্ছে ও এর প্রসার প্রতিনিয়তই বাড়ছে।
শখের লেখকদের ব্লগ থেকে বইও বের হচ্ছে। গত বইমেলায় আলি মাহমেদের "শুভর ব্লগিং " এবং সামহোয়্যারইন ব্লগারদের লেখা " অপরবাস্তব " এর উদাহরন। আশা করা যায় এবারের বইমেলায় আরো বই আসবে। এ ছাড়া শুরু হয়েছে ই-বুক নামের নতুন কিন্তু প্রতিস্ঠিত ধারা। সচলায়তন নামের ব্লগ সাইট থেকে বের হওয়া " আমার ছেলে বেলা " ই-বুক এর একটি সুন্দর ‌উদাহরন। এভাবেই ব্লগ বা অনলাইন থেকে অন্য একধারার লেখক বের হতে যাচ্ছে। মুক্তমনার কথা বলা যায়; পত্রিকা বা ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় যা বলা সম্ভব হয় না সেটাই তার আলোচনা করতে পারছে তাদের ওয়েব সাইটের মাধ্যমে।
বিডিনিউজ২৪ এর আর্টস এ অনেক লেখক আছেন যারা মুল ধারায় সক্রিয়। তবে অনলাইনের তারা লিখছেন ও এর মাধ্যমে তারা হাজারো পাঠকের মাঝে তাদের লেখা ছড়িয়ে দিতে পারছেন খুব সহজেই যা সনাতন পন্থায় সহজ নয় অনেকের পক্ষেই।
অনলাইন বা ব্লগের কিছু দূর্বলতা আছে। এতে যার যা ইচ্ছে লিখতে পারে কোনরকম বাধা ছাড়াই। তবে নির্মল বাতাস যেমন দূর্গন্ধময় বাটাস কে উড়িয়ে দেয় তেমনি ভালো লেখাও বাজে লেখাকে তাড়িয়ে দেয়।
সামহোয়্যারইন বা অন্য সব ব্লগসাইটে লেখক-পাঠকের মিথস্ক্রিয়ায় অনেক সময় গালাগালী বা ব্যক্তিগত আক্রমন আসতে পারে তবে মন্তব্য নিয়ন্ত্রনে লেখকের ক্ষমতা থাকায় সেটা এড়ানো সম্ভব। অনলাইনের প্রতিটি ধারাই তৈরি করা যায় মানুষের জীবনের সাথে মিল রেখে। ব্লগেও সেই ছাপ পরে। মানুষের হাসি কান্নায় মেশানো জীবনের ছাপ পড়ে ব্লগে।
পেশাদার ও প্রতিস্ঠিত লেখকরা এ ধারার প্রতি অনেকটুকুই উন্নাসিক। তবে এ উন্নাসিকতা একসময় ভালোবাসায় রুপ নিবে বলে আশা করছি যখন তারাও বাধ্য হবে অনলাইনে লিখতে, কারন একসময় এ ধারাই হবে মুল ধারা।
৩১. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:১৯
নাজিরুল হক বলেছেন: প্রস্তাবনার সপক্ষে আছি।
৩২. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:২১
মনিটর বলেছেন: ব্লগ সাহিত্য ব্যাপারটি সাহিত্যের কোন পর্যায়ে থাকবে তা বলার সময় এখনো আসেনি। দৈনন্দিন জীবনের বাইরে সমকালীন ইস্যু আলোচনায় এসে পারস্পরিক আলোচনার-বিতর্কের সুযোগটাই এখনো পর্যন্ত বলার মতো একটি ব্যাপার। ব্লগে যারা গল্প কবিতা নিবন্ধ লিখেন, তারা প্রায়ই বলেন পাঠকের সাথে ইন্টারঅ্যাকশন হয়। এ জায়গাটি আমার কাছে খুব ধোঁয়াশা মনে হয়। এখানে আসল মন্তব্যের চেয়ে 'ভালো লেগেছে ৫ দিলাম' টাইপ কমেন্টই বেশি। গ্রুপ-সাব গ্রুপের প্রভাবও মারাত্মক। সম্পাদকের কাঁচির শংকা না থাকায় নূতন লিখিয়েরা সানন্দে লিখে যাচ্ছে, তবে মান নির্ধারনে খুব বেশী উত্তীর্ন বোধ হয় হতে পারছে না। মূলধারার লেখক যারা ব্লগে আছেন তারা সেভাবে নূতনদের মার্জিনে মন্তব্য দিতে চান না, আগ্রহ পান না কিংবা পারেন না। বরং এসব প্রতিষ্ঠিতরাই বইমেলা উপলক্ষে নিজের বইয়ের বিজ্ঞাপনটা ব্লগে সেরে ফেলেন কৌশলে।
সর্বোপরি, ব্লগে সাহিত্যচর্চা খুব বেশি হলে হাত মকশো করার একটা মাধ্যম হতে পারে, এর বেশী কিছু হওয়ার সম্ভবনা আমি দেখছি না। ব্লগ থেকে নূতন লেখক বেরিয়ে আসার সম্ভবনা আপাতত: নেই।
৩৩. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:২৮
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: মাহবুব সুমন,
অনেক ধন্যবাদ। ছবির ব্যাপারে কী বলেন। যারা ছবি দিতে চান না তাদের জন্য ছবির জায়গায় একটা লোগো দেয়ার অপশন দেয়া যায়। কী বলেন?
নাজিরুল হক,
থ্যাংকস।
মনিটর,
অনেক ধন্যবাদ। মূলধারার লেখকদের প্রতি মনিটরের সমালোচনার জবাব কেউ দেবেন?
৩৪. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৩৩
রিজভী বলেছেন: সাহিত্য মূল্যমান হিসেবে হিসেবে ব্লগের অনেক লেখাই এক্ষেত্রে বিবেচনার দাবী রাখে।

ধন্যবাদ। ভালো একটা প্রস্তাব।৫
৩৫. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৪৩
মাহবুব সুমন বলেছেন: প্রতিস্ঠিত লেখকদের ব্যপারে মনিটরের সাথে অনেকটুকুই একমত।
সামহোয়্যারইন ব্লগ বা অন্য যেসব ব্লগ সাইট আছে সেখানে প্রতিস্ঠিত লেখক বলতে যাদের বোঝায় তাদের তেমন একটি পদচারনা নেই। যারা আছেন তারাও নতুন বা অপেশদার বা তাদের ভাষায় অপ্রতিস্ঠিত ব্লগারদের লেখায় কমেন্ট করেননা বল্লেই চলে, উতসাহিত করাও দূরের কথা। এক্ষেত্রে তাদের উন্নাসিকতা/নাক উঁচো মনোভাব চোখে লাগে।
৩৬. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৫১
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: মাহবুব সুমন,
ব্লগের ভাল সাহিত্যকে চিহ্নিত ও মূল্যায়ন করার জন্য ব্লগারদের মধ্যে কোন সক্রিয়তা দরকার বলে আপনি মনে করেন? আমি লক্ষ্য করছি অনেক সময় এই উৎসাহ প্রদান ধান্দাবাজিতে পর্যবসিত হয়।
৩৭. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৫৫
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: ব্লগটা আমার কাছে মনে হয়েছে নিজের মাঝে একটা নতুন সত্তার অস্তিত্ব খুজে পাওয়া ,পাশ করার করার দায়ে ২৩ বছর যে হাত পরীক্ষার কয়েকটি খাতা ছাড়া আর কিছু ভরাতে পারেনি , সেই হাত অন্য কি যেন একটা লিখছে , স্মৃতিগুলো জেগে উঠছে , ব্লগের পাতায় ফিল্মের মত স্মৃতিগুলো রয়ে যাচ্ছে । মান উতরে যাবার নিরিখে বিচার করলে ব্লগে আমার নিজের লেখাগুলো একদমই কাচা ,অগোছালো , ভাষার কোন বুদ্ধিদীপ্ত প্রয়োগহীন , কিন্তু তুষ্টিটা রয়েছে পুরো মাত্রায় ।

একটা সময় ধারণা ছিল ভার্চুয়াল জগতটা অবাস্তব গ্রহের ছবির মত , মনিটরের পর্দায় পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণ দৃশ্যেও নির্বিকার থাকা যায় , ব্লগ সে ধারণাও বদলে দিল । সামান্য উতসাহে আংগুল গুলো যেমন নতুন কিছু লিখবার জন্য সচল হয়ে যায় , অহেতুক ব্যক্তি আক্রমণের মুখে সেই হাতটাই অসার হয়ে পড়ে । নিজের নামে না এসে অন্য কোন নিক নিয়ে আসলে হয়তো মানসিক ক্ষমতাটা থাকতো বেশি , কিন্তু সেটা খারাপ পথে চলে যাবার সম্ভবনা থেকেই যেত ।

ব্লগ থেকে ভালো লেখক উঠে আসাটা আমার কাছে অনেক কঠিন মনে হয় , এখানে শখের লেখকের সংখ্যাই বেশি , লেখালেখির ভবিষ্যত নিয়ে যারা নিজেরাও কখনো ভেবে দেখেনা । পরমত সহিষ্ঞুতার পরিচয় দিয়ে আলোচনা গুলো গঠনমূলক হলে , অহেতুক আক্রমণ পরিহার করলে ব্লগটা আরও অনেক জনপ্রিয়তা একটা আড্ডাস্থল হয়ে উঠতো ।
৩৮. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:১৪
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন: ছবি দিতে সমস্যা নেই।
"জরুরি অবস্থায় যখন অনেক জরুরি কথা বলা যায়না, তখন ব্লগ সেই ব্যবস্থা করে দেয়। এখানে সেন্সর হবার, গ্রেফতার হবার, আইনী মারপ্যাঁচে পড়বার ভয় নেই। ছদ্মনাম বা নিক ব্লগারকে এসব থেকে বাঁচিয়ে দেয়।"
- অনেক ক্ষেত্রে এর বিপরীত চিত্রও লক্ষ্য করা যায়। যেমন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১শে আগস্ট ঘটনার সময় অনেক পোস্টই মুছে ফেলা হয়েছে।

ব্লগ লেখক তৈরী করছে না - এই কথাটি আমি মানতে পারছি না। ব্যাপক অর্থে না হলেও সীমিত আকারে হলেও অনেক লেখক বেরিয়ে আসছে।অনেকেই সাহিত্য চর্চার জন্য কোন সহজ মাধ্যম পান না, সেই অর্থে ব্লগ একটি বিশেষ ভূমিকা রাখছে। কারন একটি লেখা জন্ম দিচ্ছে বিভিন্ন মতের এবং মন্তব্যের-এর আকর্ষনেও অনেকে লিখছেন।
আরেকটি ব্যাপার হল, অনেক ক্ষেত্রেই গালিগালাজ করা হলেও ব্লগের মাধ্যমে কোন একটি ধারনা'র বিপরীত মত জানা যাচ্ছে।
৩৯. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:২৪
জুবেরী বলেছেন: চিন্তাকে ভাষায় প্রকাশ করার চেষ্টা কখনো করিনি ।
কারন , হাতে লেখা অথবা কম্পিউটারে টাইপ করা সময় সাপেক্ষ্য ও শ্রমসাধ্য মনে হতো ।

চিন্তাকে সংগোঠিত করে তা প্রকাশের ক্ষেত্র আমার মনে হয় দুইটা ধরনের সামর্থ্য বিদ্যমান ।

১. লেখালেখির ও সৃজনশীল কাজ করার স্বাভাবিক
(জন্মগত অথবা পারিবারিকসূত্রে )ক্ষমতা ।
২.সাধারন মানের ক্ষমতা অথচ লেখালেখির ও সৃজনশীল কাজ করার আগ্রহ।

দুই ক্ষেত্রেই সুযোগ,পরির্চচা আর উৎসাহের প্রয়োজন হয় । এক্ষেত্রে প্রচলিত প্রিন্টিং ধারার থেকে নতুন ইন্টারনেট ভিত্তিক ব্লগিং এর সুযোগ ,পরিসর আর সম্ভাবনা অনেক বেশি ।

অনেকটা
বাজাতে বাজাতে বায়েন
আর লিখতে লিখতে লেখক ।
এই অসীম সুযোগ আর সুবিধা এক মাত্র এখানেই সম্ভব ।
আমি এই যে এতোটুকু লিখতে পাড়লাম তা শুধুমাত্র এই কয়দিনের ব্লগের লেখালেখির অভ্যাসের কারনে ।
আর মাধ্যম হিসাবে ইন্টারনেট ভিত্তিক লেখালেখি একদিন মূল ধারা হয়ে উঠবে এটি এখন সময় এর ব্যাপার ।


৪০. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৩৩
বাপ্পী... বলেছেন: আমি আশাবাদী এই ব্লগীয় ধারা নিয়ে। যদিও আমার নিজের লিখতে খুবই ইচ্ছে করে কিন্তু লিখতে পারি না দেখে হাত পা গুটিয়ে বসে থাকতে হয় না। আগে যেটা হত পত্রিকায় একটা লেখা পাঠিয়ে দিনের পর দিন পার করে দিতাম পত্রিকায় লেখাটা ছাপা হল কিনা তা দেখার জন্য। এখানে সেটার কোন উপায়ই নাই। তাই আমি বলতে চাই "ব্লগ হলো এমন এক মাধ্যম যেখানে যে কেউ তার লেখা বা চিন্তাধারা প্রকাশ করতে পারে বিনা বাধায়"। এটাই হচ্ছে ব্লগের সবথেকে বড় পাওয়া অর্থাৎ "লেখার স্বাধীনতা"। এই যা ইচ্ছা তা লেখার স্বাধীনতাই একদিন হাজার হাজার লেখককে তৈরী করবে। কিভাবে সেটা সময়ই বলে দিবে। ব্লগাররা ভুল করবে আবার তারাই ভুল শুধরাবে। এভাবেই এগিয়ে যাবে।

ব্লগে যে শুধু সাহিত্যিকই তৈরী হবে তার কোন বাধাধরা নিয়ম আছে বলে আমি মনে করি না। একজন কবি বা গল্প লেখক যেমন তেমনি একজন একাউন্টটেন্ট, ভূগোলবিদ বা বিজ্ঞানী তার কথা বা গবেষনার অভিজ্ঞতা এবং তার চিন্তা ধারা নিয়ে এখানে লিখতে পারবেন। এতে করে যেটা হবে নতুনরা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে লিখতে উৎসাহিত হবেন।

এবার আসি প্রতিষ্ঠিতদের ব্যাপারে। যারা আজকে প্রতিস্ঠিত তারা তাদের এই অবস্থানে একদিনে আসেননি। একটা সময় ছিল যখন প্রয়াত কবি শামসুর রহমানকেও অপেক্ষা করতে হত তার লেখা পত্রিকায় ছাপা হবে কিনা সেটা জানার জন্য। তারপর যখন উনি প্রতিস্ঠিত হলেন, তখন সম্পাদকরাই উল্টা তার জন্য অপেক্ষা করতেন। এই ব্যাপারগুলোই যারা প্রতিস্ঠিত হয়ে গেছেন বা প্রতিস্ঠিত হবার লাইনে আছেন তারা এখানে নতুনদের টিপস (উপদেশ বল্লাম না) দিতে পারেন, তার লেখা পরে। আর যদি টিপস নাও দিতে চান তাহলে তার ব্লগটা একবার ঘুরে আসতে পারেন। একথাটা বল্লাম এজন্য যে এখন আমরা বুঝতে পারি কারা কারা আমার ব্লগটা দেখেছেন। তাই একজন ছড়াকার যখন দেখেন তার ব্লগটি লুৎফর রহমান রিটন (উদাহরণ স্বরূপ ব্যবহৃত) সাম্প্রতিক সময়ে দেখেছেন তখন তিনি খুবই উৎসাহ এবং উত্তেজিত বোধ করেন এবং অনুপ্রানিত হন আরও ভাল কিছু ছড়া লিখবার।

তাই নতুনদের জন্য ব্লগ হচ্ছে এক অপার সম্ভবনার জায়গা। এমন দিন হয়ত দেরী নয়, যেদিন রাহাত কান বা মতিউর রহমান বা শফিক রেহমান একজন ব্লগারকে মেইল করে বলবেন "তুমি কি আমার পত্রিকায় লিখবে?"

মাহবুব, আপনাকে ধন্যবাদ।
৪১. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৩৮
বাপ্পী... বলেছেন: রাহাত কান = রাহাত খান হবে।

ছবি দিতে সমস্যা নেই।
৪২. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:২০
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: বাপ্পী...,জুবেরী, মোসতফা মনির সৌরভ, মেহরাব শাহরিয়ার,
আলোচনার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। একটা কাজের জায়গায় আলোচনা পৌছাবে এই বিশ্বাস ছিল। আপনাদের আবারও ধন্যবাদ।
রিজভী,
ধন্যবাদ।
৪৩. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:২৪
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: ছবির ব্যাপারে কেমন সাড়া পাওয়া যাবে বুঝতে পারছি না। যারা ছবি দিতে চান না, তারা পছন্দসই লোগো দিতে পারেন। সামহোয়ারের প্রোফাইলের ছবির রেজুলেশন কম। তাই অনুরোধ করছি, ছবি/ লোগো যাই হোক আমার ঠিকানায় মেইল করে দিন।
মেইল অ্যাড্রেস :
কারও দ্বিমত থাকলে বলেন।
৪৪. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৩৭
মাঠশালা বলেছেন: ব্লগের লেখালেখির ক্ষেত্রে সাহিত্যমান দ্বিতীয় চিন্তার বিষয়। এখানে যোগাযোগটাই মূখ্য। তাই দেখা যায় ব্লগাররা তাদের নিজস্ব বৈশিষ্ট ও অভ্যাসবসতই সারা দিয়ে পোস্ট অথবা মন্তব্য করেন। আমি এতে অসুবিধার কিছু দেখি না আবার মহান কিছুও মনে করি না।
৪৫. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:২৬
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: জুবেরী,
ধন্যবাদ।


ছবির ব্যাপারে দুইজন ছাড়া তেমন কারো সাড়া পাওয়া গেল না।
আলোচনা সুন্দর হয়েছে। আরও কেউ আলোচনা করতে চাইলে তিনি নিশ্চয়ই আমন্ত্রিত। কিন্তু আগামীকাল বাংলাদেশ সময় বারোটার পর হলে পত্রিকায় আর ধরাতে পারবো না।
যারা পড়লেন, আলোচনা করলেন, উৎসাহ দিলেন সবাইকে আমার আন্তরিক অভিনন্দন।
৪৬. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:১৭
ফাহমিদুল হক বলেছেন: মাহবুব, আমি মেইলে ছবি পাঠিয়ে দিচ্ছি।
সৌরভ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনার সময়ে আমি ব্লগে সক্রিয় ছিলাম না। আমি রেজিস্ট্রেশন করি অক্টোবরে। যদি তেমনটি ঘটে থাকে, তবে খুবই দুঃখজনক। এডমিনই কি মুছে দিয়েছিল?
৪৭. ২৮ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ২:২৫
মেহেদী হাসান বলেছেন: একবার কাগজে লিখে আবার লেখাটাকে কাগজে প্রকাশ করার মাধ্যমে সাহিত্যচর্চা অর্থের কাছে হার মানছিল। ফলে লেখার আগ্রহ থাকলেও প্রকাশের জটিলতার কারণে অনেকেই লিখতে চাইতো না। স্কুল বা কলেজ লাইফে দুই একটি কবিতা, গল্প অনেকেই লিখে। অনেক সাহিত্যিক আছে যাদের সব লেখা বই আকারে প্রকাশ পায়নি। যেহেতু সেগুলো পাঠকের হাতে পৌছায়নি, তাই সেগুলো যে সাহিত্যমানসম্পন্ন ছিল না তা বলা যায় না। হয়তো অপ্রকাশিত লেখাগুলোর মধ্যে বেশিরভাগ লেখাই প্রকাশ পাবার যোগ্য ছিল। প্রকাশক তখনই লেখা ছাপাতে ইচ্ছা পোষন করে যখন সে বুঝতে পারে বইটি ব্যবসা সফল হবে। প্রকাশকের হাতে অনেক বই থাকলে যেটি বেশি ব্যবসা সফল সেটিই ছাপা হয় প্রথমে। পৃষ্ঠা সংখ্যা বেশি হলে সেটা ব্যবসা সফলতা ও ইনভেস্টমেন্ট ক্যাপাসিটির বিচারে টিকতে হয়। এটি সাহিত্যচর্চার সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা। নিউজপেপার বা ম্যাগাজিন লেখার জায়গা দিলেও সে জায়গা নির্ধারিত। নির্দিষ্ট বিভাগ ও নির্দিষ্ট আয়তন এখানেও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছিল। সেই সঙ্গে সাবএডিটর ও এডিটরের ফায়ারওয়াল লেখক ও কাগজের মাঝে যেন সত্যিকারের ওয়াল। ব্লগ সাহিত্য প্রকাশের অর্থ আর জায়গা বা নির্দিষ্ট আয়তনের সীমাবদ্ধতা তুলে নিয়েছে। কিনতু ন্সেন্সরশীপ রেখে দিয়েছে। সেযাই হোক এভাবে সকলেই সাহিত্য অর্থাত মনের ভাব প্রকাশ করতে পারছে। হয়তো এখান থেকে নতুন প্রফেশনাল তৈরি হবে।
এক সময় কবিতা ছন্দাকারে প্রকাশিত হতো। আধুনিক কবিতা সেরকম না। অনেকটা গদ্যের মতো। শরত চন্দ্রের মতো এখন কেউ সাধু ভাষায় উপন্যাস লিখে না। লেখার ধারা সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হবে এটাই স্বাভাবিক। ব্লগ নতুন একটি ধারা। এ ধারায় সকল ব্লগার সাহিত্যিক হবে না। তবে কম বেশি আলোচক-সমালোচক হবে। কেউ জানাতে চায়, আবার কেউ জানতে চায়। ব্লগ দুইটিকে একত্র করেছে।
৪৯. ২৮ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:০৪
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: ধন্যবাদ ফাহমিদ ভাই, মেহেদী ও সবাইকে।
মাত্র মেকাপ সেরে এসে বসলাম। আগামী কালের যায়যায়দিনের আর্ট অ্যান্ড কালচার পাতায় দেখুন ব্লগারদের অংশগ্রহণে প্রথম অনলাইন রাউন্ড টেবিল বৈঠকের বিবরণ। অনেকেই ছবি পাঠাননি। ছবি পাঠানোর দলে কেউ কেউ আছেন যাদের কোনো খোঁজ পাওয়াই সম্ভব নয়। আবার কেউ কেউ আছেন উইদিন মাই রিচ। তাদের ছবি জোগাড় করে ছাপলাম।
এই অবকাশে একটা বাকী থাকা ধন্যবাদ দিয়ে ফেলা দরকার। গোলটেবিলের আইডিয়াটা আসলে আমার না। এই আইডিয়াটা দিয়েছেন আমাদের ফিচার এডিটর মোহাম্মাদ মাহমুদুজ্জামান। আইডিয়াটা কাজে লেগেছে। সো, থ্যাংকস টু মাহমুদ ভাই।
৫০. ২৮ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:১১
ফারহান দাউদ বলেছেন: যদিও মনে হচ্ছে আলোচনার সময় পার হয়ে গেছে(পরীক্ষার দৌড়ে ছিলাম),তাও একটু নাক গলানোর লোভ ছাড়তে পারলাম না। ব্লগটা ১টা মাল্টিপারপাস প্ল্যাটফর্ম,সেখানে সাহিত্যচর্চার,বা সাহিত্যচর্চার চেষ্টা ১টা পারপাস হতেই পারে। ব্লগ সাহিত্যকে আমার কাছে অনেকটাই মন্চ্ঞ নাটকের মতই মনে হয়েছে,যেখানে পাঠকের তাতক্ষণিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়। ব্লগে যারা কোন কিছু নিয়ে লেখেন,সাহিত্যচর্চার চেষ্টা করেন,তাদের সবাই যে লেখক তা নয়,শখের লেখক আছেন,আমাদের মত অলেখকও আছে,কিন্তু এর মাঝে থেকেও অনেক ভালো লেখা বের হয়ে আসছে,আর এখানে সবাই লেখক না হতে পারেন কিন্তু পাঠক হিসেবে যে মোটামুটি অনেকেই বেশ উঁচুদরের তাতে কোন সন্দেহ নেই,ফলে পাতে দেয়ার অযোগ্য লেখা দিয়ে এখানে পার পাবার উপায় এমনকি প্রতিষ্ঠিত লেখকদেরও নেই। হয়তো সরাসরি মন্তব্য সবসময় হয়না,কখনো রেটিংয়ের দলবাজিও হয়ে থাকে,কিন্তু কে লেখা পড়ছে,কিভাবে পড়ছে,কেন পড়ছে,সেটা দেখেও লেখা কেমন হলো তা অনেক পাঠক না হলেও যিনি লেখক তিনি বেশিরভাগ সময়ই বুঝতে পারেন বলেই মনে হয়,যে সুযোগটা বাইরে কোথাও লিখে নেই। তবে যারা প্রতিষ্ঠিত লেখক বা সাংবাদিক,তাদের ব্যাপারে ১টা অভিযোগ করা যায়,নতুনদের ব্যাপারে তাদের বিশেষ মাথাব্যথা নেই,যদিও নতুন,বা নবীশরা,তাদের কাছে থেকে কিছুটা গাইডলাইন আশা করে। মাঝে একবার মনে হয় জেবতিক আরিফ ১টা লেখা দিয়েছিলেন,প্রদায়ক হবার প্রস্তুতি,এমনভাবে যাদের লেখালেখি নিয়ে অভিজ্ঞতা আছে,তারা অন্য ব্লগারদের জন্য মাঝে মাঝে 'অনলাইন রাইটিং ওয়ার্কশপ' জাতীয় কিছু করতে পারেন কিনা ভেবে দেখতে পারেন।
৫১. ২৮ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:১৬
ফারহান দাউদ বলেছেন: আর পাঠক হিসাবে বলবো,অপার স্বাধীনতা পড়ার,নিজের পছন্দ অপছন্দ জানাবার। পাঠকেরও কিছু অধিকার আছে বলার,তোমার লেখা আমার ভালো লেগেছে বলার,ভালো লাগেনি সেটাও বলার,ব্লগ সেই সুযোগটা করে দিচ্ছে,সেই সাথে মাল্টিডাইমেনশনাল লেখা পড়ার সুযোগ পাচ্ছি,আর কি চাই!
৫২. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৩৬
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: মাহবুব ভাই , কষ্ট করে ফেইসবুক থেকে আমার ছবিটা সংগ্রহ করে নিয়েছেন , এজন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
আজকের যায়যায়দিনের [wsjK=http://www.jaijaidin.com/details.php?nid=43175]আর্টস এন্ড কালচার[/wsjK] পাতায় আলোচনাটি ছাপা হয়েছে
৫৩. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৪০
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: মাহবুব ভাই , কষ্ট করে ফেইসবুক থেকে আমার ছবিটা সংগ্রহ করে নিয়েছেন , এজন্য অসংখ্য ধন্যবাদ
আজকের যায়যায়দিনের আর্টস এন্ড কালচার পাতায় আলোচনাটি ছাপা হয়েছে
৫৪. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:০৬
মুকুল বলেছেন: ধন্যবাদ মাহবুব ভাই। এইমাত্র যায়যায়দিনে আলোচনাটা পড়লাম। সত্যিই ইউনিক আইডিয়া।
৫৫. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:১৩
জয়িতা বলেছেন: আমি পড়তে পারলাম না, ভুয়া অফিস।
৫৬. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:২৫
অভিক শাওন বলেছেন: চেয়ারতো মাত্র ৩টা।এর মইদ্দে ১টা হাতাওলা।
সেয়ানে সেয়ানে ৩শেয়ান।
৫৭. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৩৭
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: ফারহাদ দাউদ,
অল্পের জন্য আপনাকে মিস করলাম। ধন্যবাদ।
মেহরাব, মুকুল,
ধন্যবাদ।
অভিক শাওন,
যারা চেয়ারের চিন্তা করে তারা বসতে পারে?
জয়িতা,
কেন পড়তে পারলেন না?
৫৮. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৫০
অচেনা বাঙালি বলেছেন: """
সুবিনয় মুস্তফি বলেছেন:
ব্লগে সাহিত্য চর্চা হচ্ছে, জঙ্গলে বানর কি হরিণ ছানার যদৃচ্ছা বেড়ে ওঠার মতো।
"""
এইটা মিস করেছিলাম।
হা হা এইবার থেইকা মুস্তফি ছাবের উপর তো চোখ রাখন লাগে উনি কেমনে বাইড়া উঠেন আর তারপরে কেমনে আটি বান্ধেন।
৫৯. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:৪৫
সুবিনয় মুস্তফী বলেছেন: বহুদিন পরে এই ব্লগে আসলাম - এবং অন দ্য রেকর্ড কিছু কারেকশান দেয়ার দরকার বোধ করলাম, যদিও এইটা খুব সম্ভবত একেবারেই ম্যাটার করবে না।

উপরের সুবিনয় মুস্তফি, আর এই কমেন্টের লেখক সুবিনয় মুস্তফী, এক লোক না। উনি দিছেন ই-কার আর আমি ব্যবহার করি ঈ-কার। আমি মূলত সচলে ব্লগাই সুবিনয় মুস্তফী নিকে, আর এইখানে একটা একাউন্ট ছিলো কিন্তু জীবু বাবুর দুইটা কবিতা পোস্ট করা ছাড়া আর কিছু ছাপানো হয় নাই।

এই মন্তব্যটা আদৌ লিখতাম না, কিন্তু উপরের ভদ্রলোকের বানর ইত্যাদি জাতীয় কমেন্ট বড়ই অফেন্সিভ মনে হইছে, এবং এই কমেন্টের সাথে আমার নাম কোনভাবে জড়িত হোক, সেইটাও আমি চাই না। যদিও সচল ব্যান বিষয়ক আরেক ডিসকাশনে আমার নাম ভূলবশত ইতিমধ্যে এই বানর কমেন্টের সাথে জড়ানো হইছে।

কেউ যদি জড়াতে চায়, অসুবিধা নাই। কিন্তু আমার পক্ষ থেকে এই কনফিউশন-টা পরিষ্কার করার জরুরত বোধ করলাম। আরেকবার - সুবিনয় মুস্তফি আর সচল ব্লগার এই একাউন্টের মালিক সুবিনয় মুস্তফী এক না।

 

মোট সময় লেগেছে ১.৫৪৪৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ