আমার প্রিয় পোস্ট
- সামহয়ারে আসার আগে আমি যে লেখকদের চিনতাম পরে সামহয়ারেও যারা রেজিস্ট্রেশন করেছেন - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি ব্লগীয় রাউন্ড টেবিল আলোচনার প্রস্তাব - মাহবুব মোর্শেদ
- জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতার কুড়ি বছর - মাহবুব মোর্শেদ
- সামহয়ার কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ # বিষয় : মত প্রকাশের স্বাধীনতা, প্রাইভেসি ও সিকিউরিটি - মাহবুব মোর্শেদ
- ওয়ান্স আপন এ কান্ট্রি, সামহয়ার ইন দ্য ওয়েব - মাহবুব মোর্শেদ
- সেলিম আল দীন : সফল নাট্যকার ও শিক্ষকের বিদায় - মাহবুব মোর্শেদ
- সেলিম আল দীনের সাক্ষাৎকারের বাকী অংশ - মাহবুব মোর্শেদ
- আমার নব্যরাজাকারিতার সন্ধানে - মাহবুব মোর্শেদ
- আমেরিকার নির্বাচনে ভোটার হওয়ার আবেদন - মাহবুব মোর্শেদ
- এক চিত্রনায়কের জন্য আমার শোকগাথা - মাহবুব মোর্শেদ
- জয় বাবা আলুনাথ! - মাহবুব মোর্শেদ
- পাকিস্তান, পারভেজ মোশাররফ, গণতন্ত্র ও প্রগতিশীল আর্মি - মাহবুব মোর্শেদ
- ছোটদের অর্থনীতি অথবা কয়দিন ধরে যা কিছু কথা ভাবতেছি - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি চিঠি... ভাস্করদা ও সুমন ভাইকে - মাহবুব মোর্শেদ
- এখানেও আমরা ব্যর্থ হবো? - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি বাসি বিজ্ঞাপন - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি গল্পের পরীক্ষামূলক উতক্ষেপন : জিসম # মাহবুব মোর্শেদ - মাহবুব মোর্শেদ
- বুনুয়েলের বুর্জোয়া - মাহবুব মোর্শেদ
- এই ছবি আমি তুলেছি - মাহবুব মোর্শেদ
- প্রেমেক্কার শ্বশুর বাড়ি - মাহবুব মোর্শেদ
- তুই ...রে ব...সন্ত সমী...রণ - মাহবুব মোর্শেদ
- ফাদার গাস্তঁ রোবের্জের সাক্ষাৎকার - মাহবুব মোর্শেদ
- তারেক মাসুদের সাক্ষাতকার - মাহবুব মোর্শেদ
- টেগোর ইন দ্য টাইম অব এমার্জেন্সি - মাহবুব মোর্শেদ
- বহুদিন পর আবার হরিদাস পাল - মাহবুব মোর্শেদ
- কবি আল মাহমুদের সাক্ষাতকার - মাহবুব মোর্শেদ
- ব্লগে পোস্টিংয়ের স্লথগতি - মাহবুব মোর্শেদ
- সামহোয়ার, ইলেকট্রনিক মোল্লা, ভার্চুয়াল মুক্তিযুদ্ধ ও লেখক যশোপ্রার্থীদের তড়পানি - মাহবুব মোর্শেদ
- আমার সচলায়তন অভিজ্ঞতা : সে এক কাহিনি বটে! - মাহবুব মোর্শেদ
কে কেন কিভাবে বেনজির ভুট্টোকে খুন করলো?
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:০৪
মাঝে মাঝে সত্যি খুব ভুল হয়ে যায়। শাদাকে কালোর কালোকে শাদার বিপরীত পক্ষ মনে হয়। কিন্তু প্রকৃতপ্রস্তাবে, খুব ভাল ভেবে দেখলে, শাদা আসলে কালোরই পরিপূরক। কালো আছে বলেই শাদা উজ্জ্বল, আর শাদা আছে বলেই কালো আরও গভীর। এই দুয়ে মিলে, পরস্পরের বিরোধিতা করে অথবা বিরোধিতা করার ভান করে দুনিয়া শাসন করে। কিন্তু সবার আগে যা করে তা হলো, অন্যসব রঙকে তারা পদানত করে রাখে। সেই আদার কালার্স কারা কোথায় সে প্রশ্ন এতটাই দাবিয়ে রাখা যে, মাঝে মাঝে পৃথিবীতে অন্য কোনো রঙ নেই বলেই ভুল হয়ে যায়।
বেনজির ভুট্টো আহামরি কোনো নেতা ছিলেন না। এমন কি তার বাবাও ছিলেন না বড় কোনো নেতা। জুলফিকার আলী ভুট্টো জনগণের রাজনীতি শুরু করেছিলেন, সমাজতন্ত্রের ধূয়াও তুলেছিলেন। শেষ পর্যন্ত ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য পাকিস্তানের সামন্ততন্ত্র, সামরিকতন্ত্র, ইউএসতন্ত্র ও মোল্লাতন্ত্রের সঙ্গে আপোষ করেছিলেন। ৭১-এ তার ভুমিকা বাংলাদেশের মানুষকে মনে করিয়ে দেয়ার দরকার নেই। পাকিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য জুলফিকার আলী ভুট্টোর দায় অনেক বেশী। বেনজির নেতার মেয়ে, প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্য, অক্সফোর্ডের গ্রাজুয়েট আরও কত কী? কিন্তু তার অবদানটা যে কী সেটা বলা সত্যি খুব কঠিন। সত্য কথা, বেনজির ভুট্টোর হাত ধরে প্রথম দফা গণতন্ত্র এসেছিল। দ্বিতীয় দফা প্রধানমন্ত্রীত্বের সময় তার বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগও উঠেছিল। তার স্বামী আসিফ জারদারি মি. টেন পার্সেন্ট হিসেবে নাম কামিয়েছিলেন। পারভেজ মোশাররফের উত্থানের সময় বেনজির ও নওয়াজ সামান্য প্রতিবাদটুকু করার সাহসও দেখাননি। চোরের মতো পালিয়ে গিয়ে তারা আট নয় বছরের ফেরারি জীবনযাপন করেছেন। এই সময়ে তারা হয় যুক্তরাষ্ট্র নয়তো সৌদি আরবের মন রক্ষার চেষ্টা করেছেন। নিজের নিজের মতো করে ইউরোপ আমেরিকায় পীর ধরে বসে থেকেছেন। মোশাররফের দুঃসময়ের জন্য অপেক্ষা করেছেন।
পাকিস্তানের মানুষ যখন মোশাররফের নিকাশ করার জন্য উদ্যত তখন বেনজির ছুটে এসেছেন তাকে বাঁচানোর জন্য। যেহেতু বেনজির ফিরেছেন সেহেতু নওয়াজও ফিরে এসেছেন। বেনজির গণতন্ত্র বাঁচানোর জন্য, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য আসেননি। পারভেজ মোশাররফ যখন বিপদে তখন মার্কিন এইড হিসেবে উর্দিহীন মোশাররফের রক্ষাকবচ হিসেবে এসেছেন তিনি। ফলে, এইবার মোশাররফ, বেনজির ও যুক্তরাষ্ট্র একই পক্ষ। (এবার দেখা যাক, নওয়াজ শরীফকে বেনজিরের জায়গায় নিয়োগ দেয়া হয় কি না।)
বেনজির নিহত হওয়ার পরপরই খুব সম্ভবত গর্ডন ব্রাউন প্রথমবারের মতো জঙ্গীদের কথা বলেন হত্যাকারী হিসেবে। তার আগে পরে বুশ ও তার সাগরেদরা ধূয়া তুলতে থাকেন। পাকিস্তান সরকার, তাদের গোয়েন্দা বাহিনীও একই কথার পুনরাবৃত্তি করতে থাকে। কিন্তু, পাকিস্তানের মানুষ বিশ্বাস করে না বেনজিরকে আল কায়দা হত্যা করেছে। তারা বিশ্বাস করে বেনজিরকে হত্যার জন্য মোশাররফই দায়ী। বেনজির নিজেও মোশাররফকে দায়ী করে গেছেন। তার ফেরার দিনে বোমা বিস্ফোরণের জন্য তিনি আইএসআইকে দায়ী করেছিলেন। তার মধ্যে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত প্রতারিত হওয়ার ভয় ছিল। তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও পারভেজ মোশাররফের সঙ্গে ঐক্য করে ভুল করেছেন এই বোধও তার ছিল। ফলে, মাঝে তিনি কন্সপেরিসির রাজনীতির চেয়ে মাঠের রাজনীতির দিকেও ঝুঁকেছিলেন বেশি। ফলে, যুক্তরাষ্ট্রকে বিশেষ দূত পাঠিয়ে তাকে নতুন করে সাইজ করতে হয়েছে।
পাকিস্তানের মানুষ বিশ্বাস করেন, বেনজিরকে মোশাররফের লোকেরাই খুন করেছে। আর এই খুনের ফায়দা ওঠানো হবে জানুয়ারির নির্বাচন বাতিলের মাধ্যমে। নির্বাচন হলেও তার কোনো ভূমিকাই আর থাকবে না। ফলে, বিশ্বের সবাই আল কায়দা আল কাযদা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেও পাকিস্তানের মানুষ মোশাররফের দিকেই আঙ্গুল তুলেছে।
বেনজিরের মৃত্যুর ঘটনাটা বিশ্বাস করা কঠিন। পারভেজ মোশাররফের রক্ষকবচ বেনজিরকে রক্ষার কোনো উদ্যোগ নেয়নি সরকার। বলা হচ্ছে, কালাসনিকভসহ একটা বালক, একটা স্নাইপার আর এক বা একাধিক বোমা ব্যবহার করা হয়েছিল তাকে হত্যা করতে। সরকার বলছে, গাড়ির আঘাতও লেগেছে। তাকে হত্যা করার জন্য কয়েকবার উদ্যোগ এসেছে। তারপরও এত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখের সামনে কিভাবে এত বড় আয়োজন করে তাকে হত্যা করা গেল?
হতে পারে, পারভেজ মোশাররফ তাকে খুন করেননি। কিন্তু সেক্ষেত্রে তার নিরাপত্তাহীনতার দায়ভার তার ওপরই পড়ে। অথবা পারভেজ মোশাররফ সরকারের মধ্যকার কোনো উপদলের কাজ এটা হতে পারে। সেক্ষেত্রেও খুনের দায় মোশাররফেরই।
যখন সবাই মোশাররফকে দোষারোপ করতে ব্যস্ত তখনই মোশাররফের সবচেয়ে বড় বন্ধু হিসেবে এগিয়ে এসেছে একটি শক্তি। তারা নিজেদের কাঁধে দায় নিয়ে, মোশাররফকে এ যাত্রা বাঁচানোর উদ্যোগ নিয়েছে। এই শক্তি হলো আল কায়দা। আল কায়দার শত্রু যদি মোশাররফ হয় তাহলে তারা বেনজিরকে হত্যা করুক বা না করুক, মোশাররফকে ক্ষতিগ্রস্ত করাই তাদের বিবেচ্য হওয়া উচিত।
আর যদি আল কায়দা খুন করে দায় স্বীকার না করে থাকে তবে দায় পড়ে আল কায়দার বিবৃতি আল কায়দার পক্ষ থেকে কারা দেয় তাদের ওপর।
ফলে, পারভেজ মোশাররফ ও আল কায়দা এখন এক পক্ষই। এই পক্ষে আছে যুক্তরাষ্ট্রও। এবং এই পক্ষে যোগ দিতে গিয়েছিলেন বেনজির ভুট্টোও। এবং আল কায়দার হাতে যদি তিনি নিহত হন, তাহলে নিজের পক্ষের লোকেরাই তাকে খুন করেছে। তিনি যাদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে পারভেজ মোশাররফকে সমর্থন দিতে এসেছিলেন সেই জনগণ তাকে খুন করেনি। বরং তারা অবুঝের মতো তাকে ভালোবাসা দিতে গেছে। আবার তাকে যদি পারভেজ মোশাররফ খুন করে থাকে তবে নিজের আঁতাতের লোকেরাই তাকে খুন করেছে।
বেনজির জননেতা ছিলেন বা জননেতার আভাস তার মধ্যে ছিল। ফলে, গণতান্ত্রিক শক্তি হিসেবে তার ভূমিকা থাকুক এই প্রত্যাশাও ছিল। সে ভূমিকা তিনি কতটা পালন করতেন সেটা তার অতীতের ভূমিকা থেকেই বোঝা যায়। কিন্তু তার ফেরার মধ্য দিয়ে পাকিস্তানের আদার কালার্স মুভমেন্টকে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন। কিন্তু, তার মৃত্যুর মধ্য দিয়ে আবার সেই আদার কালার মুভমেন্টকেই শক্তিশালী করে গেলেন। বেনজির যাই করুক না কেন, মানুষ এখন বেনজিরের নামেই রাস্তায় নেমেছে আল কায়দার বিরুদ্ধে এবং পারভেজ মোশাররফের বিরুদ্ধেও।
পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও আল কায়দা এই দু্ই সশস্ত্র পক্ষের উদ্যত বন্দুকের মুখে। হয়, এখানে আবার সেনাতন্ত্রই আসবে নয়তো আফগানিস্তানের মতো ভাগ্য বরণ করতে হবে একে আল কায়দার হাতে গিয়ে। যদি পাকিস্তান আল কায়দার হাতে যায় তাহলে, আফগানিস্তানের পর পাকিস্তানেও আমেরিকান সৈন্য নামবে।
এর বিকল্প হলো জনগণের বিজয়। পাকিস্তানের রাজনীতিতে জনগণ কখনো বিজয় লাভ করেনি। এবার অন্তত একবারের জন্য হলেও করুক।
প্রকাশ করা হয়েছে: পঞ্চতন্ত্র বিভাগে ।
সাতিয়া মুনতাহা নিশা বলেছেন:
বরাবরের মতোই ভালো লাগলো
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস এ লট।
গোপনীয়া বলেছেন:
পাগলা ঘাতকের সমস্যা কী?সে পিডাপিডি নিয়া এত টেনশিত কেন?
এই ব্লগে পাবনার কেউ আছেন?
থাকলে পাগলা ঘাতকের একটা ব্যবস্থা করেন, পিলিজ।
লেখক বলেছেন: হ।
মদন বলেছেন:
+++++++++++++++++++
লেখক বলেছেন: ৳#@%^@#৳%^
কোলাহল বলেছেন:
আপনার কথার সাথে একমত। বেনজীরের মৃত্যুর পরে সবাই যেভাবে তাকে মহান প্রমান করার জন্য চেষ্টা করছেন তা সত্যিই হাস্যকর। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ে বেনজীরের এবং তার পিতার ভুমিকাটা আসলে কি ছিল সেটাকে এত তাড়াতাড়ি ভুলে যান কি করে তারা। আমার একটা পোষ্টেও আমি মরহুমের প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা বজায় রেখেও কথাটা তুলে ধরতে চেয়েছি।
লেখক বলেছেন: বেনজিরকে মহান বলা হচ্ছে আসলে বিদেশী মিডিয়ার প্রভাবে। কত যে পার্সপেক্টিভ! ধন্যবাদ কোলাহল।
মিসিরআলী বলেছেন:
কমেন্ট মোছা কোন ধরণের ভদ্রতা?
লেখক বলেছেন: মিসির আলী,
আমি লগড ইন ছিলাম না। সো এটা ভদ্রতা অভদ্রতার ব্যাপার না। মে বি টেকনিকাল প্রোব্লেম।
নুপুর বলেছেন:
ভাল লাগল
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস নুপুর।
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
ভালো লাগলো। তবে বেনজীর মোটেও আদর্শ বাদী নেত্রী না কিন্তু্ জনপ্রিয় নেত্রী
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস। আর কেউ নেই বলেই জনপ্রিয়। হয়তো।
মিসিরআলী বলেছেন:
আমি প্রশ্ন করেছিলাম যে, নওয়াজ শরীফকেও কি এই হামলার নেপথ্যে রাখলে খুব বেশি ভুল হবে?
লেখক বলেছেন: নওয়াজ তো নিজেই ত্রিশঙ্কু অবস্থায়। তাকে রাখা যায়। কিন্তু এই হত্যাকাণ্ড তার কোনো উপকার করবে মনে হয় না।
মাঠশালা বলেছেন:
বেনজির আমাদের বোন!!সাঈফ ইবনে রফিক
তার বাবা স্বাধীনতাবিরোধী ছিল।
সেও মরেছে... মেয়েও মরল রাজনৈতিক ক্যাচালে।
আমাদের কিছু আসে যায় না।
যাক তবু মিডিয়া আগামী কালের জন্য লিড নিউজ পেল।
ভাবখানা এমন...
বেনজির আমাদের বোন!!
(লেখাটি সাঈফের "ঘোর" ব্লগে প্রকাশিত।লিংক দিতে পারি না তাই কপি পেস্ট করলাম)
লেখক বলেছেন: ভাল।
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
"যাক তবু মিডিয়া আগামী কালের জন্য লিড নিউজ পেল।ভাবখানা এমন...
বেনজির আমাদের বোন!! "
এ প্রসঙ্গে বলা যায় আমাদের মিডিয়াগুলো বিশেষত ইলেকট্রনিক মিডিয়ার কেউ কেই বেনজিরের নামের আগে যেধরণের বিষেশন ব্যবহার করছেন, তা দেখে যে কারো ভুল হতে পারে যে, আসলে বেনজির আমাদের বোন কিনা ।
বাংলাদেশ ভূ-খন্ডের মুক্তিলগ্নে বেনজির এবং তার পরিবারের ভুমিকা কি ছিল সেটা বিষেশায়ীত বিষেশনে আড়াল হয়ে পড়ছে ।
লেখক বলেছেন: আরাশি,
হ। কিন্তু একটা ব্যাপার সত্যি, পাকিস্তানের সঙ্গে আমাদের রাজনীতির ভীষণ মিল।
বিশেষণ বেশি হয়ে গেছে?
ফ্লোরা ফেরদৌসী বলেছেন:
ভালো লেখা বরাবরের মতো
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস, ফ্লোরা।
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস এ লট।
লেখক বলেছেন: হ। থ্যাংকস।
দূরন্ত বলেছেন:
৫ দেয়ার সিস্টেমটা উঠেই গেলঃ
লেখক বলেছেন: ওই আপদ উঠে গেছে ভাল হইছে।
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস মুয়ীয মাহফুজ।
লেখক বলেছেন: *
দ্বীপবালক বলেছেন:
অদ্য প্রভাতের খবরে দেখিলাম "আল-কায়েদা" নেতা মেহসুদ বেনজীর হত্যাকাণ্ডের সব দায়-দায়িত্ব অস্বীকার করিয়াছে।
লেখক বলেছেন: হ।
ওয়ামি বলেছেন:
"তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও পারভেজ মোশাররফের সঙ্গে ঐক্য করে ভুল করেছেন এই বোধও তার ছিল। ফলে, মাঝে তিনি কনস্পিরেসির রাজনীতির চেয়ে মাঠের রাজনীতির দিকেও ঝুঁকেছিলেন বেশি।"আমারও তাই মনে হয়েছে।
সকল ষড়যন্ত্রকে নস্যাৎ করে জনগণের বিজয় হোক।
লেখক বলেছেন: হউক।
সাইফুর বলেছেন:
ভালো লিখেছেন +
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস।
ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন:
Question: Who forced Benazir Bhutto to stay in London and tried to prevent her return to Pakistan? Answer: General Musharraf. Question: Who ordered the arrest of thousands of Benazir's supporters this month? Answer: General Musharraf.
Question: Who placed Benazir under temporary house arrest this month? Answer: General Musharraf.
Question: Who declared martial law this month? Answer General Musharraf.
Question: who killed Benazir Bhutto?
Er. Yes. Well quite.
You see the problem? Yesterday, our television warriors informed us the PPP members shouting that Musharraf was a "murderer" were complaining he had not provided sufficient security for Benazir. Wrong. They were shouting this because they believe he killed her.
লেখক বলেছেন: কালকেই পড়ছি।
লেখক বলেছেন: আপনার নিকটা বেশ বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। এইটা বাদ দিয়ে অন্য নিক ব্যবহার করা যায় না?
অনিশ্চিত বলেছেন:
সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরী বলেছেন, পাকিস্তান বাংলাদেশের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা না চাইলেও তিনি ছিলেন এ ব্যাপারে উদার। তিনি বাঙালিদের মনের অবস্থা বোঝার চেষ্টা করতেন। - এ কথা দ্বারা তিনি কী বুঝিয়েছেন তা আমি বুঝতে পারি নি। একাত্তরের গণহত্যা-খুন-ধর্ষণ ইত্যাদির জন্য ক্ষমা না চেয়ে তিনি কী উদারতা দেখিয়েছেন সেটি লেখক স্পষ্ট করেন নি। আমাদের মিডিয়া যে পুরোপুরি বিদেশি প্রভাবে চলে, তার একটি বড় উদাহরণ বেনজিরকে মহৎ বানানো। এ ব্যাপারে আরেকটি ব্লগ সাইটে (সচলায়তনে) অন্য নামে লিখেছিলাম - 'আমরা কেনো বারাক ওবামা-হিলারি ক্লিনটনের দূতিয়ালি করছি?'
জাতীয় সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে পত্রিকাগুলোর নীতি বা আদর্শ থাকলেও আন্তর্জাতিক সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে আমাদের পত্রিকা ও লেখকদের কোনো নীতিমালা নেই বলেই মনে হয়।
লেখক বলেছেন: একদম খাঁটি কথা বলছেন।
আবুল হাসান চৌধুরীর ক্লাসমেট ছিলেন বেনজির, অক্সফোর্ডে। তাই হয়তো ওনার কাছে আলাদা করে উদার মনে হয়ে থাকতে পারে। প্লাস উনি একজন আওয়ামী লীগার তো। ওনার পক্ষে থাকলেই তো আর কিছু লাগে না।
সামী মিয়াদাদ বলেছেন:
২৮ তারিখে মোশাররফের পদত্যাগের কথা ছিল, ২৭ তারিখে বেনজীরের মৃত্যু.......কেমন যেন লাগতেছে এইটা....কোথায় একটা "কিন্তু".....লেখক বলেছেন: অনেক কিন্তুর মধ্যে পাকিস্তান শেষ।
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
বেনজির ভুট্টোর নতুন ছবি দিলাম।
অন্যরকম বলেছেন:
প্রথম দিনই আপনার লেখাটি পড়েছিলাম! কিন্তু কমেন্ট করার মত টাইম ছিল না। পরে বাসায় গিয়ে আরও কয়েকজনকে পড়ালাম এটা। মোটামুটি সবাই একমত! শেষ প্যারায় বলেছেন একবার অন্তত পাকিস্তানের জনগনের জয় হোক!... কিন্তু কিভাবে? সামন্তবাদি একটি দেশ, যে দেশে জাতিগত বিভক্তি চড়ম! গণতান্ত্রিক চর্চা নাই, গনতন্ত্রের লেবাসে পরিবারতন্ত্র জেঁকে বসেছে দৃষ্টিকটুভাবে, যার ফল ১৯ বছর বয়সি এক নাবালক দেশের বৃহত্তম দলে প্রধান হয়! আর আন্তরজাতিক ষড়যন্ত্রের কথা নাইইবা বললাম! সে দেশে অন্তত জনগনের বিজয় সুদূর পরাহত!
লেখক বলেছেন: অন্যরকম,
ধন্যবাদ আপনাকে। সবাই একমত হওয়ায় আমি একটু অবাক হয়েছি। অনেক সময় আমার মনে হয় কন্টেন্ট নয় আমার অ্যাপ্রোচের সঙ্গে একমত হয়েছেন কোব্লগাররা।
পাকিস্তানে জনগণের জয়লাভ কঠিন, তারপরও উইশ করলাম। পাকিস্তানেই বোধ হয় এইটা সম্ভব।
অন্যরকম বলেছেন:
স্টারে টিপি দিলাম!
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস।


















