আমার প্রিয় পোস্ট
- সামহয়ারে আসার আগে আমি যে লেখকদের চিনতাম পরে সামহয়ারেও যারা রেজিস্ট্রেশন করেছেন - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি ব্লগীয় রাউন্ড টেবিল আলোচনার প্রস্তাব - মাহবুব মোর্শেদ
- জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতার কুড়ি বছর - মাহবুব মোর্শেদ
- সামহয়ার কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ # বিষয় : মত প্রকাশের স্বাধীনতা, প্রাইভেসি ও সিকিউরিটি - মাহবুব মোর্শেদ
- ওয়ান্স আপন এ কান্ট্রি, সামহয়ার ইন দ্য ওয়েব - মাহবুব মোর্শেদ
- সেলিম আল দীন : সফল নাট্যকার ও শিক্ষকের বিদায় - মাহবুব মোর্শেদ
- সেলিম আল দীনের সাক্ষাৎকারের বাকী অংশ - মাহবুব মোর্শেদ
- আমার নব্যরাজাকারিতার সন্ধানে - মাহবুব মোর্শেদ
- আমেরিকার নির্বাচনে ভোটার হওয়ার আবেদন - মাহবুব মোর্শেদ
- এক চিত্রনায়কের জন্য আমার শোকগাথা - মাহবুব মোর্শেদ
- জয় বাবা আলুনাথ! - মাহবুব মোর্শেদ
- পাকিস্তান, পারভেজ মোশাররফ, গণতন্ত্র ও প্রগতিশীল আর্মি - মাহবুব মোর্শেদ
- ছোটদের অর্থনীতি অথবা কয়দিন ধরে যা কিছু কথা ভাবতেছি - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি চিঠি... ভাস্করদা ও সুমন ভাইকে - মাহবুব মোর্শেদ
- এখানেও আমরা ব্যর্থ হবো? - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি বাসি বিজ্ঞাপন - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি গল্পের পরীক্ষামূলক উতক্ষেপন : জিসম # মাহবুব মোর্শেদ - মাহবুব মোর্শেদ
- বুনুয়েলের বুর্জোয়া - মাহবুব মোর্শেদ
- এই ছবি আমি তুলেছি - মাহবুব মোর্শেদ
- প্রেমেক্কার শ্বশুর বাড়ি - মাহবুব মোর্শেদ
- তুই ...রে ব...সন্ত সমী...রণ - মাহবুব মোর্শেদ
- ফাদার গাস্তঁ রোবের্জের সাক্ষাৎকার - মাহবুব মোর্শেদ
- তারেক মাসুদের সাক্ষাতকার - মাহবুব মোর্শেদ
- টেগোর ইন দ্য টাইম অব এমার্জেন্সি - মাহবুব মোর্শেদ
- বহুদিন পর আবার হরিদাস পাল - মাহবুব মোর্শেদ
- কবি আল মাহমুদের সাক্ষাতকার - মাহবুব মোর্শেদ
- ব্লগে পোস্টিংয়ের স্লথগতি - মাহবুব মোর্শেদ
- সামহোয়ার, ইলেকট্রনিক মোল্লা, ভার্চুয়াল মুক্তিযুদ্ধ ও লেখক যশোপ্রার্থীদের তড়পানি - মাহবুব মোর্শেদ
- আমার সচলায়তন অভিজ্ঞতা : সে এক কাহিনি বটে! - মাহবুব মোর্শেদ
ওয়ান্স আপন এ কান্ট্রি, সামহয়ার ইন দ্য ওয়েব
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:২৬
অপরাজেয় সংঘাত
সামহয়ারের আর কারো হয়তো জানতে বাকী নেই। এমন একজনও হয়তো মিলবে না যিনি হঠাৎ করে লগ ইন করে একদম অবাক হয়ে যাবেন। নিজের মনেই বলে উঠবেন, হায় এ কী! আমার ধারণা, যাদের বলার সবাই বলে ফেলেছেন। যাদের পক্ষ নেবার সবাই পক্ষ নিয়ে ফেলেছেন। কেউ নিজে থেকে পোস্ট দিয়েছেন। কেউ অন্যের পোস্টে গিয়ে মন্তব্য করে নিজের ঐক্যমত বা দ্বিমত জানিয়ে এসেছেন। সব মিলিয়ে, সবার মত গ্রন্থিত করে একজোট করলে হয়তো একটা মহাকাব্য হয়ে যাবে। কিন্তু যা হয়েছে, সমস্যা যেখানে এসে দাঁড়িয়েছে তা যেন সমাধানহীন। যেন এক পরিত্রাণহীন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছি আমরা। আমরা আপাতত ব্লগার, কিন্তু আগামী দিনের তরুণ চিন্তক, নাগরিক, অ্যাক্টিভিস্ট, সাধারণ মানুষ। এই তরুণদের নানা অংশের মধ্যে চলছে বিরামহীন ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়া। জয় ও পরাজয়ের মহড়া। আন্দোলন সংগ্রাম। এবং অবশ্যই সংঘর্ষ। আমাদের এই বাংলাদেশে ফেরেশতা অথবা শয়তান যেই ক্ষমতা নিক, মাইনাস টু থেকে শুরু করে মাইনাস মিলিয়ন যাই করুক এই সংঘর্ষ যেন অপরাজেয়। ব্লগের যুদ্ধক্ষেত্রে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের সংঘর্ষ, সংঘাত তথা মতাদর্শিক লড়াই দেখে আপাতত তাই মনে হলো।
আদার কালার্স
বাংলাদেশে যেমন সারা পৃথিবীতে তেমনি কেবলই দুইটা রঙ চোখে পড়ে। শাদা আর কালো। ব্লগেও তেমনি দুইটা রঙই চোখে পড়ে শাদা আর কালো। আমি প্রথম থেকে আজ পর্যন্ত বলে আসছি। মাঝে আরও সাতটি রঙ আছে। শুধু শাদা আর কালো ছাড়া পৃথিবীতে আর কোনো রঙ নাই একথা মিথ্যা। কিন্তু কোনো দলই এটা মেনে নিতে প্রস্তুত নন। এই দুই দল সমস্ত রঙকে পরাজিত করে পৃথিবী শাসন করার এই বিধ্বংসী খেলায় মেতেছে। হয় জর্জ বুশের দল, নয়তো লাদেনের দল। হয় আক্রমণকারী নয়তো আক্রন্ত। কোন দলে আপনি? তাড়াতাড়ি জবাব দিন, নইলে এখনি আপনার ওপর হামলা করবে ইসলামপন্থীরা অথবা ওয়ার অন টেররের সৈনিকরা।
ব্লগেও এমন পরিস্থিতির চাপ। শাদা আর কালো দুইটা পক্ষ। কোন দিকে আপনি? তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত নিন। নইলে আপনার ভাগ্যে তকমা জুটবে এখনি। হয় আপনি রাজাকার নইলে মুরতাদ। আপনার বিরুদ্ধে মিছিল নামবে হয় বায়তুল মোকাররম থেকে নয়তো সুধাসদন থেকে।
অনেক লেখালেখির পর অনেক কথা খরচের পর এখন সবাই মানতে রাজি হয়েছেন শাদা ও কালোর বাইরে অন্য রঙ আছে। ভার্চুয়াল মুক্তিযোদ্ধারা নিন্দা করে তাদের নাম দিয়েছেন সুশীল। সুশীল তো এখন প্রবলভাবে সমালোচিত একটা গোষ্ঠী। যারা আওয়ামী লীগ-বিএনপি-জামাতের বাইরে এদেশে তৃতীয় কণ্ঠস্বরের দাবিদার। কিন্তু বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর জানা গেল তারা হলেন বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক/সাম্রাজ্যবাদী স্বার্থের উকিল। ফলে সুশীল এখন বড় সমালোচিত শব্দ।
তকমা দেয়া যাদের কাজ তারা চান্স পেলে তকমা দিয়ে যাবেন, সে তকমা দিয়ে কিছু বোঝা যাক বা না যাক। কিন্তু, এই তকমা নেগেটিভলি দিলেও একটা ব্যাপার কিন্তু তারা মেনে নিয়েছেন যে, ব্লগে তৃতীয়, চতুর্থ ইত্যাদি মত আছে বা থাকতে পারে। যে মতগুলো মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে কিন্তু অনৈতিক উপায়ে গালিবাজী করে কোনো ফায়দা লোটার উদ্দেশে তাকে প্রতিষ্ঠিত না করে যুক্তি, বুদ্ধি ও সহনশীল পদ্ধতি অবলম্বনের পক্ষপাতি। ইসলামকে স্রেফ জঙ্গিবাদের সঙ্গে, ইসলামী মতাদর্শকে স্রেফ পাকিস্তানপন্থী, এন্টি সেভেনটিওয়ান হিসেবে দেখার যেমন একচোখা নীতি আছে। তেমনি ইসলামের মধ্যেও অন্য মত আছে। যে মত, যে কাউকে যে কোনো প্রকারে মুরতাদ ঘোষণা করে না, মাথার দাম ঘোষণা করে না, দেশ ছাড়া করে না। সমালোচনাকারীকে বেঈমান বলে তার বিরুদ্ধে গজারির লাঠি হাতে রাস্তায় নেমে পড়ে না। রাজনৈতিক ফায়দা লুটে ইসলামকে কলুষিত করে না।
১৯৭১ বাংলাদেশের মানুষের জন্য অপূর্ব এক সুযোগ এনে দিয়েছিল। এদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনগোষ্ঠী নিজেদের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মুক্তির লক্ষে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। তাদের সঙ্গে অন্য সব মতবাদ ধর্ম বর্ণের মানুষ ছিল। কিন্তু নেতৃত্বে ছিল এই মুসলমানরাই। উপমহাদেশে এই একমাত্র জাতিরাষ্ট্র যারা মালিক মূলত বাঙালি মুসলমান। কিন্তু ১৯৭১-এর সুযোগ আমরা নেইনি। একাত্তরের পরাজিত শক্তি তাই ইসলামকে ব্যবহার করে নিয়মিত আমাদের ওপর আঘাত হেনেছে। আমাদের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মুক্তিকে সুদূর পরাহত করে রেখেছে।
আমাদের সমাজ আজ নানামুখি সংঘর্ষে এক যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত। এ যুদ্ধ কখনো মুখোমুখি কখনো আড়ালে আবডালে চলছে।
আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিএনপির। আওয়ামী লীগের সঙ্গে জামাতের। শিক্ষার্থীর সঙ্গে সেনাবাহিনী। নাগরিকদের সঙ্গে শাসকের। নাস্তিকের সঙ্গে আস্তিকের। যুক্তির সঙ্গে বিশ্বাসের। ধর্মের সঙ্গে বাস্তবতার। জ্ঞানীর সঙ্গে মূর্খের সংঘাত লেগে আছে। এদেশে পাকিস্তানপন্থী আছে। ভারতপন্থী, চীন পন্থী, রুশপন্থী, আমেরিকা পন্থী এমনকি মালয়েশিয়া পন্থীও পাওয়া যাবে কিন্তু বাংলাদেশ পন্থী মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। একাত্তরের পর বাংলাদেশকে টিকিয়ে রাখার জন্য বড় কোনো সংগ্রাম হয়নি। বড় কোনো উদ্যোগ আসেনি। ফলে, নাগরিকের দেশপ্রেমবিহীন এক ভবিতব্য নিয়ে দেশটি থমকে আছে। এখানে প্রগতিশীলরা নৈরাজ্যবাদী। ধর্মপন্থীরা জঙ্গি। কেউ কাউকে বিশ্বাস করে না। একদল চায় আরেক দল দেশ ছেড়ে চলে যাক। বহিষ্কার হোক। কোনো আপোষরফা নেই। দুটো দলই এমন এমন সব পদ্ধতি অবলম্বন করে যার অধিকাংশই ফ্যাসিস্টরা অবলম্বন করেছিল। কিন্তু আমরা বলতে চাই, দেশ ছেড়ে বা ব্লগ ছেড়ে চলে যাওয়া বা বহিষ্কার করার বাইরেও পথ আছে। গণতান্ত্রিক উপায়ে, আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে পরস্পরের কঠোর সমালোচনা করেও এদেশে থাকা সম্ভব। এমনকি ব্লগেও থাকা সম্ভব।
আমাদের দায়
সামহয়ারের বর্তমান সংকটে আমাদের দায় কতটুকু? যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে কায়েম করার কথা বলে যাকে তাকে রাজাকার বলে এক ধরনের নৈরাজ্য তৈরি করে নিজেদের ব্লগীয় ফায়দা লুটতে চেয়েছেন এবং তা করতে গিয়ে অন্যায় পদ্ধতি বেছে নিয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে আমরা প্রতিবাদ করেছি। আমরা বলেছি, এ পদ্ধতিতে ব্লগটিকেই শুধু ধ্বংস করে দেবার চেষ্টা হচ্ছে না, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকেও ক্ষতিগ্রস্ত করা হচ্ছে। আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা স্বপক্ষের বলে মনে করে ভুল বলিনি। কিন্তু আমাদের বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা চালিয়ে এবং অব্যাহতভাবে পিকেটিং চালিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারী সবাইকে ব্লগ থেকে বের করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চলছে। লক্ষ্য, কতিপয় মুক্তিযুদ্ধপন্থী গুণ্ডার অন্যায় কাজকে বৈধতা দান করা। কিছু ব্যান এক্ষেত্রে আগুনে ঘি ঢেলেছে। এই সুযোগে সামহয়ারে সংখ্যাগত আধিপত্য কায়েম করেছে তথাকথিত ইসলামপন্থীরা। এদের অনেকে ব্লগে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির সমালোচনা করেছেন। কেউ কেউ মুক্তিযুদ্ধকেও সমালোচনা করেছেন। কেউ কেউ প্রকাশ্যে একাত্তরের রাজাকার আল-বদরের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন। কেউ বায়তুল মোকারম থেকে মিছিল নামানোর হুমকি দিয়েছেন। কেউ সহব্লগারকে মুরতাদ ঘোষণা করেছেন। এখন আপাত অর্থে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারী ব্লগারেদের অনুপস্থিতিতে এরা আমাদের ছালাম দিয়ে যাচ্ছেন। আরেক রাজনেতিক ফায়দা লোটার উৎসবে নেমেছেন।
আমার কথা পরিষ্কার। আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিপক্ষ শক্তির ছালাম চাই না। আবার মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির গালিও শুনতে চাই না। আমরা আওয়ামী টীমের পিকেটিং চাই না। আবার ছাত্র শিবিরের দাওয়াতও চাই না। আমরা একটা সুস্থ, সুন্দর, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা আছে, প্রাইভেসি ও নিরাপত্তা আছে এরকম একটা ব্লগ চাই। সেখানে ক্রিয়েটিভ চিন্তা ও সৃষ্টি প্রকাশ করতে চাই। ব্যস। যারা মতাদর্শ কায়েমের স্বপ্নে বিভোর তারাও থাকবেন। কিন্তু তারা যেন অন্যায় কোনো পদ্ধতি বেছে না নেন।
আমরা চাই না, এ ব্লগে যুক্তি দিতে গিয়ে কেউ ধর্মের অবমাননা করুক। আবার কেউ ধর্মের অবমাননা করার আগেই তাকে মুরতাদ ঘোষণা করুক কেউ। কেউ মুক্তিযুদ্ধকে বিতর্কিত করার জন্য বিতর্কিত কিছু বলুক। আবার কেউ মুক্তিযুদ্ধের গঠনমূলক সমালোচনা করলেও তাকে রাজাকার খেতাব দেয়া হোক।
মতাদর্শ কায়েমের ফ্যাসিস্ট পদ্ধতি থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতেই হবে। এজন্য শাদা ও কালোর বাইরের অন্য রঙগুলোতে আলো ফেলতে হবে। এ জন্য সুস্থ-সুন্দর চর্চা যারা চান তাদের সক্রিয় হতেই হবে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনার এই জ্ঞান আপাতত এখানে অপ্রয়োজনীয়।
রোকন বলেছেন:
" মুক্তিযুদ্ধের গঠনমূলক সমালোচনা"-টা কেমন? একটু খোলাসা করেন।
লেখক বলেছেন: এই একটা বাক্যই পাইলেন?
আমার প্রশ্নে উত্তর দেন : ধর্মের গঠনমূলক সমালোচনা করা সম্ভব? ধর্মকে অবমাননা না করে?
এম.এ.হামিদ বলেছেন:
মুক্তিযুদ্ধের গঠনমূলক সমালোচনা করলেও তাকে রাজাকার খেতাব দেয়া হোক।Am I allowed to discuss constructively why Mahbub Morshed is a bastard?
লেখক বলেছেন: এই একটা কাজই তো করতে পারেন আপনে।
কবিতা বালিকা বলেছেন:
আপনার প্রতিটা লিখুনিই চমৎকার। অনেক খাঁটি কথা তুলে এনেছেন। তবুও এদের হুঁশ হবে বলে মনে হয়না। ব্লগটাকে বন্ধ করার চক্রান্ত চলছে, প্লীজ এটা হতে দেবেননা। ব্লগে এসে আমি অনেক কিছু শিখতে পেরেছি। কিন্তু শিক্ষিত মানুষদের মুখ থেকে গালি যখন শুনি তখন নিজের উপর ঘেন্না ধরে যায়, মনে হয় মানুষেরা এত নীচ কেন।যখন দেখি আমার প্রিয় নবী মুহাম্মাদ (সাঃ) কে গালি দিয়ে পোষ্ট দেয়া হয় তখন খুব কষ্ট হয়। এটাকি আমাদের কাম্য ছিল? কেন রাজাকার আর ধর্মপ্রানকে একসাথে গুলিয়ে ফেলা হচ্ছে? কেন সবাই একটু সহনশীলতা দেখাতে পারছেনা?
লেখক বলেছেন: এতদিন জানতাম ইসলাম হলো ধর্ম।
এখন দেখছি মুক্তিযুদ্ধ আরও বড় ধর্মে পরিণত হয়েছে।
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: গালি চলছে না আর?
কবিতা বালিকা বলেছেন:
মাহবুব মোর্শেদ সাহেব দেখুন, এম এ হামিদ = আইজুদ্দিন আপনাকেও গালি দিল !! অবাক লাগে এদের আচরণ!!আর রোকন নামের ঐ লোকটা, ফজলে এলাহি নামের একজন ব্লগারের ব্যাক্তিগত ওয়েবসাইট থেকে ছবি চুরি করে নিয়ে এসে নিজের প্রোফাইলে লাগিয়ে ঘুরছে! কারও কি কিছুই বলার নেই? কর্তৃপক্ষ কেন ব্যাবস্থা নিতে এত দেরী করে সবসময়?
লেখক বলেছেন: এই দুইজন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা রক্ষা করছে এখন?
রোকন বলেছেন:
" মুক্তিযুদ্ধের গঠনমূলক সমালোচনা"-টা কেমন? একটু খোলাসা করেন।
লেখক বলেছেন: মুক্তিযোদ্ধারা তো দেখি ইসলামপন্থীদের চেয়ে অসহনশীল হয়ে পড়েছে। বাহ!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
রোকন বলেছেন:
আমি কোন ধর্মকে বিশ্বাস করি না। কাজেই ধর্মের কথা আমার থেকে না জানতে চাওয়াই ভাল।
লেখক বলেছেন: আপনি তো মুক্তিযুদ্ধকে ধর্ম বানিয়ে ফেলেছেন।
রোকন বলেছেন:
আপনে পাগলের গু পারায়ছেন। কেমনে বুঝলেন মুক্তিযুদ্ধকে ধর্ম বানিয়েছি?ফালতু বকবাজ করেন কেন?
লেখক বলেছেন: মুক্তিযুদ্ধকে আপনে ধর্মেরও উর্ধে নিয়া গেছেন।
লেখক বলেছেন: হ।
রোকন বলেছেন:
হা হা, আমি আগেই বলেছি ধর্মকে আমি বিশ্বাস করি না, কাজেই আমার কাছে ধর্মের কোন স্থান নেই। সেখানে মুক্তিযুদ্ধ ঠিক মুক্তিযুদ্ধের স্থানেই আছে। ধর্মের আগে বা পরে থাকার কোন ব্যাপার নেই।এইবার বলেন আপনার এই বোধদয় কেমতে হল?
লেখক বলেছেন: কাইলকা বলবো।
শীমুলতা বলেছেন:
ভাইজান আমি একটা কিশোর ছেলেই বলা চলে। প্রথম প্রথম ব্লগে এসে আমি দেখলাম একটা শক্তিশালী দল অন্য আরেকটা দূর্বল দলকে আঘাত হানবার ছেষ্টা করছেএবং বলছে ওরা রাজাকার। শক্তিশালী দলে কিছু শক্তিশালী সাংবাদিকও ছিল। আমি ভেবেছিলাম যেহেতু, ওরা এত স্বাধীনতার কথা বলছেন নিশ্চই ওরাই ভাল। তাই ওদের পক্ষ নিয়ে আমিও দূর্বল দলের অনেককে আজেবাজে কথা বলেছি কিন্তু গালি দেইনি কোনোদিন কাউকে। বলেছি রাজাকার। একদিন এক ব্লগার আমার কাছে ই-মেইল করে বলল, কোনো ধর্মীয় পোষ্ট দেখলেই যেন ১ দেই এবং আরও অন্য কিছু ব্লগারের নাম লিখে বলল যেন তাদের পোষ্টে এক দেই এবং তাদেরকে সারক্ষন খোঁচার উপড়ে রাখি। তাহলে ওরা আমার পোষ্ট টপরেটে উঠাবে। পরে আমি অনেক ভেবে চিন্তে দেখলাম যে , কতটা জঘন্য মানসিকতার হলে তারা এই কাজগুলো করতে পারে এবং ইসলামের বিরুদ্ধে এমন কটু কথা বলতে পারে। আমি তার ঐ মেইলের কোনো জবাব আজ পর্যন্ত দেইনি।উল্ল্যেখ্য,নিজেকে সে এক স্বাধীনতার স্বপক্ষ শক্তির ব্লগার বলেছে। অনেক ভাবনার পর আমি সিদ্ধান্ত নিলাম আমি ওদের কথা মত চলবনা এবং এরপর পরই তারা আমাকে রাজাকার উপাধীতে ভূষিত করে। এখন বলুন ভাইজান, সাধারণ পাব্লিক কিভাবে ওদের কাছে জিম্মী হয়ে আছে।তাই আমার মতে যারা গালিবাজি এবং ফ্লাডিং করার জন্য ব্যান হয়েছেন তাদের কাছ থেকে লিখিত নিয়ে ব্লগে ফেরত আনা হোক। স্বাধীনতাবিরোধী পোষ্ট কিন্তু সাধারণ ব্লগারেরা খুঁজে পাচ্ছেননা এবং যারা আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন তারাও স্পেসিফিকলি দেখাতে পারছেননা কোনটা দেশবিরোধী পোষ্ট। আমাদের মনে হচ্ছে ইচ্ছাকৃতভাবে গন্ডগোল সৃষ্টি করার জন্যই এসব করা হচ্ছে।এই পোষ্ট টাকে স্টিকি করার দাবী জানাই।
লেখক বলেছেন: এতদিন এই কাহিনী বলেননি বলেই দুষ্টরা সুযোগ পেয়েছে।
পোস্ট স্টিকি করার দরকার নাই। আপনারা পড়ছেন এইটাই ভাল।
ধন্যবাদ।
ফাহমিদুল হক বলেছেন:
মাহবুব, ব্লগে আপনার অবস্থান নিয়ে অনেক ব্লগারের মনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। আপনার অবস্থান আমার কাছে অস্পষ্ট নয়। কিন্তু কয়েকটি কারণে, যেসব ব্লগার ক'দিন আগেও আপনার ওপর আস্থাবান ছিল, তারা আপনাকে এখন সন্দেহের চোখে দেখছে: ১. আপনার প্রাইভেসি সিকিউরিটি সংক্রান্ত পোস্টের পরেই কর্তৃপক্ষের নোটিশ এবং কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ। সেজন্য আপনার ভয়েসকে অনেকে কর্তৃপক্ষের ভয়েস মনে করছে।
২. কর্তৃপক্ষ পদক্ষেপ নিতে গিয়ে কয়েকজন ভালো ব্লগারকে ব্যান করেছে, যেটা পরিস্থিতিকে সবচেয়ে খারাপ জায়গায় নিয়ে গিয়েছে।
৩. চিহ্নিত চরম দক্ষিণপন্থী ব্লগাররা আপনার সাম্প্রতিক পোস্টগুলোতে দ্রুত এসে নির্বিচারে অভিনন্দন জানাচ্ছে। এটাও সন্দেহ তৈরি করছে।
৪. আপনার কোনো কোনা বক্তব্য মাঝে মাঝে অস্পষ্ট থেকেছে। (মোটের ওপরে বললাম, রেফারেন্স চাইয়েন না)
দেশবিরোধীদের আমি চরম ঘৃণা করি, অতি রক্ষণশীলদের আমি অপছন্দ করি। ধর্মের বিষয়ে আমার আগ্রহ আছে, (পরিবর্তিত বিশ্বপরিস্থিতিতে এই আগ্রহ বেড়েছে) কিন্তু একচোখা ধার্মিকদের কথাবার্তায় আমার অরুচি আছে।
কর্তৃপক্ষ কেন এখনও ভালো ব্লগারদের (তারা যতই গালি দিক) আনব্যান করছে না সেটা একটা বিস্ময়। দেশবিরোধী কথা বলবেননা, গালি দিবেন না -- এই দুইটি বিষয় নিশ্চিত করতে গিয়ে কর্তৃপক্ষ সব লেজেগোবরে করে ফেলেছে।
আপাতত আনব্যান করে এবং কিছু আহ্বান জানিয়ে এর সমাধান হতে পারে। কিন্তু আপনার মতো আমিও মনে করি, ঐ দুইটা জিনিস গ্রহণীয় নয়। গালিতে আমার আপত্তি নাই, গালিসর্বস্বতায় আছে। আর মুক্তিযুদ্ধকে, জাতিসত্তাকে হেয় যে করে তার তো দেশে থাকারই অধিকার নেই।
লেখক বলেছেন: ফাহমিদ ভাই,
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ফাহমিদ ভাই,
১৩ তারিখ রাতে হাতে সময় আছিল না। তাই আপনার কমেন্টের উত্তর না দিয়ে ধন্যবাদ দিয়ে কেটে পড়েছি। ১৪ তারিখে আপনার কমেন্টের উত্তর দিতে বসেছিলাম। তখনই সেলিম আল দীনের মৃত্যু সংবাদ এলো।
আজকে কিছু কথা বলতে চাই। প্রথমত ব্লগে আমি একজন ব্লগার মাত্র। লেখার বাইরে আর কোনো টুল ব্যবহার করি না। আমি আমার এক বন্ধুকে চ্যালেঞ্জ করে বলেছিলাম, তাকে তিনদিন সময় দেয়া হলো, সে যেন আমার ব্লগ থেকে রাজাকারদের সমর্থন করা একটা বাক্য খুঁজে বের করে। আমার লেখা পড়ে যদি কারো মনে হয়, আমার অবস্থান প্রশ্নবিদ্ধ তাহলে সত্যিই কিছু করার নেই। যে বোঝে না তাকে বোঝানো কঠিন। আর যে জেগে ঘুমায় তাকে জাগানোই সম্ভব না। আমাকে সন্দেহের চোখে দেখার কারণ নাই। কারণ, পাবলিক পোস্ট ও কমেন্ট ছাড়া আমি আর কোনো পদ্ধতিতে মত গঠনের চেষ্টা করি না।
১. আমার কথা ন্যায্য হলে কর্তৃপক্ষ মানতে বাধ্য। আবার আমার কথা তাদের কাছে প্রয়োজনীয় মনে হলে তারা সেটাকে স্টিকি করতে পারেন। এর আগেও তারা অনেকের ক্ষেত্রে তা করেছেন। এক্ষেত্রে আপত্তির কিছু নাই।
২. ভালো ব্লগারদের আনব্যান করার ব্যাপারে আমি একাধিকবার দাবি জানিয়েছি। এক্ষেত্রে আমার অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন আছে বলে আমার মনে হয় না।
৩. আমি সাধারণত কোনো ব্লক লিস্ট মেইন্টেইন করি না। কমেন্ট মডারেশনও সাধারণত করি না। চরম দক্ষিণপন্থী যদি কেউ আমার পোস্টে এসে তাদের বিরুদ্ধ মতবাদকেও সমর্থন করে তবে আমার কী করার আছে? আমার মতে, চরম পশ্চিমপন্থীদের বোকামির সুযোগে তারা এ ধরনের সুযোগ নিচ্ছে। অন্যের কাজের দায় তো আমি নিতে পারি না। তাই না?
৪.আমার বক্তব্য অস্পষ্ট এই কমেন্ট তো রেফারেন্স ছাড়া আমি গ্রহণ করতে পারি না, ফাহমিদ ভাই। রেফারেন্স দিতেই হবে।
গালি বিষয়ে আপনার মতের সঙ্গে আমি একমত নই। বাকী বিষয়গুলোতে সহমত।
আবারও ধন্যবাদ।
ফাহমিদুল হক বলেছেন:
আমি স্বাভাবিকভাবে ব্লগিং করতে চাই। জানি আপনিও চান। বিদ্যমান সঙ্কটের কী সমাধান হতে পারে বলে আপনি মনে করেন? আগের একটি পোস্টে সমাধানের বিষয়ে আমি হতাশা ব্যক্ত করেছিলাম। আপনি আশাবাদী ছিলেন।
লেখক বলেছেন: বিদ্যমান সংকটের সমাধান হলো ভার্চুয়ার গুণ্ডা, গালিবাজদের ব্যান। ভালো ব্লগারদের আনব্যান। আমি এখনও আশাবাদী।
রোকন বলেছেন:
আজকে তাহলে আপনি আর কোন আলোচনা করছেন না?
লেখক বলেছেন: যে কোনো দিন যে কোনো সময় আপনার সঙ্গে আলোচনা করে কি কোনো ফল পাওয়া সম্ভব?
১০০ পার্সেন্ট সহমত,
এদের সালাম চাই না,এবং এদের উপস্থতিই একধরনের বিরক্তি সৃস্টি করছে সবার মনে।আর কিছুদিন পর দেখবো এখানে আজান বাজছে,এবং মিলাদের আহবান করা হচ্ছে মুক্তিযোদ্ধাপন্থীদের ব্যান করার কারণে!
আসলে ব্লগের মুক্তিযোদ্ধাপন্হীদের চাইতে কুটচালে বেশী পারদর্শী এই মুক্তিযুদ্ধবিরোধীরা।ব্লগের মুক্তিযোদ্ধাপন্হীরা যখন উত্তেজিত হয়ে গালিগালাজ করেন তখন তারা নিরব থাকে এবং পরে তার ব্যান দাবী করে উদাহরণ সহ পোস্ট দেয়।আমার মনে হয় মুক্তিযুদ্ধবিরোধীরা দীর্ঘ কোন সময়ের প্ল্যান নিয়ে টেস্ট স্টাইলে খেলছে....লালসবুজ দল সেখানে বেধরক পিটিয়ে খেলতে গিয়ে অনেক উইকেট হারিয়ে ফেলেছে,একটু তাদের সাবধানী হয়ে খেলা উচিত।
লেখাটা ভাল হইছে।
লেখক বলেছেন: মুয়ীজ,
আপনার বিশ্লেষণটা ভাল লাগলো।
ব্লগেই শুধু নয়, দেশেও মাথা গরম করে খেলে জামাতিদের শক্তিশালী করা হয়েছে।
হট্টগোল বলেছেন:
মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে কায়েম করার কথা বলে যাকে তাকে রাজাকার বলে এক ধরনের নৈরাজ্য তৈরি করে নিজেদের ব্লগীয় ফায়দা লুটতে চেয়েছেন--------------মা.মো
------------------------------
এই 'ব্লগীয় ফায়দা' জিনিসটা কি?
লেখক বলেছেন: ব্লগীয় ফায়দা হলো, নৈরাজ্য কায়েম করে ভালো কাজগুলোকে বাড়তে না দেয়া আর গুণ্ডাদের নায়ক হওয়ার সহজ পদ্ধতি।
@ফাহমিদ --> আপনার বক্তব্য আমার কাছে অনেক বেশি বিবেচনা প্রসূত মনে হয়েছে। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: কানার বাজার,
কেন জানি মনে হইলে তো হবে না, কেন মনে হইছে সেইটা বলেন।
আমার মত আমি বলছি। আপনার পছন্দ হইলে বলেন, না হইলেও বলেন। কিন্তু মধ্যপন্থা বললে আপনার কি কোনো বাড়তি সুবিধা হয়? মধ্যস্থতা করার কোনো দায় আমার নাই। আমি আক্রান্ত হয়ে আক্রমণের প্রতিবিধান করার দাবি জানিয়েছি কর্তৃপক্ষের কাছে।
আপনাকে আগের পোস্টগুলো পড়ার অনুরোধ জানাচ্ছি। বিশেষ করে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা... পোস্টটা।
ফাহমিদুল হক, আপনার লেখার মান অসাধারন - এটা যে কেউ স্বীকার করবে। কিন্তু গালিবাজরা কি করে ভাল ব্লগার হয়? এই কয়দিন গালি পাই নি, এর চেয়ে শান্তির কি আছে?
আনব্যান হয়ত হবে। এটাই আমার বিশ্বাস। কতৃপক্ষ একটা লিমিটেড সময়ের জন্য ব্যান করে রাখে। অতীতে তাই দেখেছি। কিন্তু গালির সেই পরিবেশে ফিরে যেতে চাই না।
লেখক বলেছেন: ভাল ব্লগারদের আনব্যান দ্রুত বাস্তবায়িত হোক এটাই এখন প্রধান দাবি।
শয়তান বলেছেন:
@মুয়ীয মাহফুজ আপনি সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা দিয়েছেন এখন এই চরম সত্যটা সহ অনাগত ভবিষ্যত টা বুঝুক সবাই ।
লেখক বলেছেন: সহমত।
পাখী বলেছেন:
কাদের রাজাকার বা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী বলা হচ্ছে মুয়ীজ মাহফুজ ভাইয়া? ইসলাম ধর্ম নিয়ে কোনো কথা লিখলেই রাজাকার হয়ে যায়না। এই ধরনের মনোভাব বাদ দিন দয়া করে । এখানে দেশবিরোধী কোন পোষ্ট আপনার চোখে পড়েছে একটু বলবেন কি?
লেখক বলেছেন: মুয়ীজ রাজাকার ও মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী বলতে ইসলাম ধর্ম নিয়ে যারা কথা বলেন তাদের বোঝাননি। রাজাকর ও মুক্তিযুদ্ধ বিরোধিদেরকেই বুঝিয়েছেন বলেই আমার ধারণা।
পাখী বলেছেন:
ফাহমিদ: গালিবাজরা কি করে ভাল ব্লগার হন? এতদিন কেন আমি ব্লগে আসিনি জানতে চান? গালির জন্য। আপনি সেই গালিবাজদের সাপোর্ট করে যাচ্ছেন? ছিঃ ছিঃ ছিঃ, এই আপনার শিক্ষা? আপনাদের কাছ থেক অনেক কিছু শেখার ছিল আমাদের। কিন্তু এখন আর নয়।
এই পোষ্ট টাকে স্টিকি করার দাবি আমারও।
লেখক বলেছেন: গালি বিষয়ে ফাহমিদ ভাইয়ের সঙ্গে আমার দ্বিমত আছে। কিন্তু তিনি ব্লগে গালি সমর্থন করেন বলে আমার মনে হয় না।
স্টিকি করার প্রয়োজন নাই। যাদের পড়ার তারা পড়লেই হবে।
কালিদাস পন্ডিত বলেছেন:
"মুক্তিযুদ্ধের সমালোচনা" বিষয়টি আপত্তিকর মনে হইতেছে, মুক্তিযুদ্ধের গঠনমুলক বা অগঠনমুলক কোনপ্রকার সমালোচনা থাকিতেই পারেনা।
"মুক্তিযুদ্ধের সমালোচনা"কারীদের পশ্চাৎদেশে পদাঘাতপুর্বক রাষ্ট্র হইতে বিতারন অতিআবশ্যক।
লেখক বলেছেন: আপনি মুক্তিযুদ্ধ বলতে কী বুঝেন পৃথক পোস্ট দিয়া অথবা এইখানে কমেন্ট দিয়া বোঝাইবেন কি?
তাইলে আপনার সঙ্গে কথা আগানো যায়।
মিরাজ বলেছেন:
মাহবুব ভাই, চমৎকার লিখেছেন ।দেশ এবং ব্লগীয় বাস্তবতা একসাথে তুলে এনেছেন ।
গালিবাজদের হাতে জিম্মী হয়ে থাকা আর নয় ।
আমাদের সবাইকে সম্মিলিতভাবে প্রতিবাদ করতে হবে এবং সামহোয়্যারইনকে একটি পরিচ্ছন্ন প্ল্যাটফর্ম করতে হবে যেখানে স্বাধীনতার চেতনা সমুন্নত থাকবে এবং গালিগালাজ ও অশ্লীলতা মুক্ত থাকবে ।
লেখক বলেছেন: সম্পূর্ণ সহমত। ধন্যবাদ, মিরাজ ভাই।
মিরাজ বলেছেন:
কিছু কিছু অংশের সাথে দ্বিমত আছে কিন্তু এখন সেই ব্যাপারগুলি বর্তমান বাস্তবতায় সামনে আনলাম না ।
লেখক বলেছেন: দ্বমতগুলোর আলোচনাও দরকার। পরে করতে চাইলেও আমি রাজি।
মৃদুল মাহবুব বলেছেন:
সমস্যাটা আরও গভীরতর দিকে যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। "প্রগতিশীলরা নৈরাজ্যবাদী। ধর্মপন্থীরা জঙ্গি।" এর বাইরে বাংলাদেশবাদী কন্ঠের আওয়াজ শুনতে চাই। তবে সে গনকন্ঠে যেনো রাজাকার, ধর্ম পণ্ডিত বা মুক্তিযুদ্ধ ব্যবসায়ী, জামাতীরা না থাকে। ধর্ম নিরপেক্ষতা কি এতই কঠিন একটা বিষয় আমাদের জন্য?
আমি যুদ্ধাপরাধীসহ আমাদের বাংলাদেশ লুন্ঠনকারী মহান রাজনীতিবিগনেরও বিচার চাই। তারাও জামাতীদের থেকে কম কিছু না। আ.লীগ, বিএনপি, জামাত নিপাত যাক। মানবতা হোক বাংলাদেশের উদার বুক।
আপনার লেখাটা নানা আলোচনার সুযোগ তৈরি করলো। আশা রাখি গঠনমূলক আলোচনা হবে। আমাদের ব্লগারদের আবস্থান পরিস্কার হবে। ভালো ব্লগারদের সস্মান মুক্তি চাই।
লেখক বলেছেন: ইয়েস। ধন্যবাদ।
মিরাজ বলেছেন:
"আবার কেউ মুক্তিযুদ্ধের গঠনমূলক সমালোচনা করলেও তাকে রাজাকার খেতাব দেয়া হোক।"মাহবুব ভাই, এই একটি লাইন আপনার পুরো বক্তব্যকে অনেক দুর্বল করে দিচ্ছে । এই লাইনটা বাদ দেয়া যায় না?
মুক্তিযুদ্ধের গঠনমুলক সমালোচনা হয়না, হতে পারে মুক্তিযুদ্ধের অর্জনকে কাজে না লাগানোর ব্যাপারে গঠনমুলক আলোচনা ।
আমরা কেন মুক্তিযুদ্ধকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলামনা দেশ গড়ার ক্ষেত্রে, সেই ক্ষেত্রে রাজনীতিকদের দায় কতটুকু, কতটুকু দায় আমাদের এগুলি আলোচনায় আসতে পারে কিন্তু আমার দৃষ্টিতে শুধু মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে সমালোচনা হতে পারেনা ।
ধন্যবাদ ।
লেখক বলেছেন: এই লাইনটা আমি অনেক ভেবেই লিখেছি। @মিরাজ ভাই।
মুক্তিযুদ্ধের সমালোচনা করা যাবে কি যাবে না। তার আগে আমাদের জানতে হবে মুক্তিযুদ্ধ কী? ভার্চুয়াল মুক্তিযোদ্ধারা জবাব দিলেই এ বিষয়ক আলোচনা আগাইতে পারে।
কালপুরুষ বলেছেন:
জনাব মিরাজ, আপনার বক্তব্য সমর্থনযোগ্য। আমাদের "মুক্তিযুদ্ধ" সকল সমালোচনার ঊর্দ্ধে। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কোথাও কোন বিতর্কের কোন অবকাশ নেই এবং তা কোনভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়।
লেখক বলেছেন: কালপুরুষ দা,
আপনি ভাল ব্লগার। আপনার কাছে জিজ্ঞেস করি, মুক্তিযুদ্ধকে আপনি কিভাবে সংজ্ঞায়িত করবেন? মুক্তিযুদ্ধের এমন একটা প্রসঙ্গের উল্লেখ করুন যা নিয়ে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ বিবাদে লিপ্ত হয় নাই।


















===============================
ভাল বলেছেন।