ভাষা নিয়া আমি দুইটা লেখা লেখছিলাম ব্লগে (Click This Link), (Click This Link)। মূল লেখার শিরোনাম আছিল : ভাষা বিষয়ক কতিপয় ফেৎনা, ব্যক্তি লেখকের স্টাইল ও কথ্যভাষার অকথ্য মর্মযাতনা। হিসাব কইরা দেখছিলাম সব মিলায়ে একটা লেখাই হয়। কিন্তু কপালদোষে তিনটা লেখা হয়া গেল। প্রথম লেখা : ভাষা বিষয়ে কতিপয় ফেৎনা, দ্বিতীয় লেখা ব্যক্তি লেখকের স্টাইল। আর তৃতীয় লেখা কথ্য ভাষার অকথ্য মর্মযাতনা। আগের দুইটা পোস্টে আমি ব্যক্তি লেখকের স্টাইল ও কথ্যভাষার অকথ্য মর্মযাতনা শেষ করতে পারি নাই। এখন শেষ করার মানসে আবার পুরানা লিঙ্ক নিয়া বসলাম।
ব্যক্তি লেখকের স্টাইল (পরবর্তী অংশ)
শান্তনু কায়সার কাব্যনাটক নামে একটা বই লিখছিলেন। সেই বইয়ে সৈয়দ শামসুল হকের ভাষা চিন্তা নিয়া সৈয়দ হকে সঙ্গে কিছু কথার উদ্ধৃতি দিছিলেন উনি। কথাগুলা এখন আমার আবছা মনে আছে। আমাদের গদ্যলেখকদের মধ্যে সবচেয়ে নিয়মিত এবং সবচেয়ে সচল লেখক হিসাবে সাহিত্যের ইতিহাসে সৈয়দ হকের গুরুত্ব আলাদা। উপন্যাসে, নাটকে, কবিতায় তিনি যে স্টাইল বা লিখনরীতি চালু করেন তা বিশেষভাবে তাকায়া দেখার মতো। বাক্য গঠনের ইউরোপীয় রীতি রপ্ত কইরা তিনি লেখেন বটে, কিন্তু ভাষার মধ্যে শব্দ বাছাই ও প্রয়োগে তিনি আঞ্চলিক ও কথ্যভাষার নানা জার্গন ব্যবহার করছেন। শিক্ষিত সাহিত্যিক সমাজে চালু না এমন শব্দ আইনা ভাষারে বৈচিত্র দিছেন। একথা ঠিক, বহু তৎসম, তদ্ভব শব্দও তিনি ব্যবহার করেন। তারপরও তার ভাষা ব্যবহারের স্টাইলের মধ্যে নতুন একটা ভাষা প্রস্তাব খেয়াল করছিলাম। কাব্য নাটকে সেইভাষার এক ধরনের স্ফূর্তি আসছিল। নাটক যেহেতু কথা সেহেতু সেইখানে স্ফূর্তি বিশেষভাবে টের পাওয়া গেছলো। কিন্তু সৈয়দ হক শান্তনু কায়সারকে কইলেন, না তিনি নতুন কোনো ভাষা প্রস্তাব দিতে চান না। আমার যতদূর মনে পড়ে, তিনি কইছিলেন, বাংলাভাষা নিয়া অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে। অতএব নতুন করে তিনি কোনো বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে চান না। তিনি তার নাটকের ভাষা, উপন্যাসের ভাষার নিজস্ব রীতির জেনারালাইজেশন থিকা পিছায়ে আইলেন। এইটারে নিজস্ব ভাষা বা ওই নাটকের নিজস্ব ভাষা বললেন। আমি হতাশ হইলাম আবার টাশকিও খাইলাম। আমাদের লেখকদের মধ্যে অনেকেই চান তার ভাষা সবার ভাষা হয়া উঠুক, আবার কেউ কেউ চান তার ভাষা একান্ত তারই ভাষা থাক। কিছু লেখক অধিকাংশের ভাষায় নিজের লেখা লিখতে চেষ্টা করেন।
আমাদের সাহিত্যিকরা ভাষা বলতে কী বুঝেন আর কী আকারে ভাষাকে প্রয়োগ করেন সেইটা গুরুতর আলোচনার বিষয়। আলোচনা করতেছিলাম অমিয়ভূষণ মজুমদারের ভাষা নিয়া। উপন্যাসে উপন্যাসে তার ভাষা চেঞ্জ হয়ে গেছে। যখন যে বিষয় তখন সে বিষয়-জড়ানো ভাষা। আবার একই সাথে সে ভাষা মজুমদার মশাইয়ের নিজের স্টাইলের ভাষাও বটে। অমিয়ভূষণের তুলনা বাংলা সাহিত্যে খুব একটা নাই। কলকাতার সাহিত্যিক গদ্য অমিয়ভূষণের পথে হাঁটে নাই। হেঁটেছে সাংবাদিক গদ্যের পথে। উনিশ কুড়ি শতেকে যে সাংবাদিক গদ্য তৈরি হইছে সেইটারে সাহিত্যের গদ্য বানাইছে আনন্দবাজারের লেখকরা। সাংবাদিকতা হিসাবে এই গদ্য ভাল, কিছু সাহিত্য হিসাবেও ভাল। কিন্তু গড়ে সকল সাহিত্যে উপায় হিসাবে এই ভাষা এখন বিষয়কেও হারায়ে ফেলছে। বিষয় বিহীন এই ভাষাই কলকাতার সাহিত্যের সাধারণ ভাষা। আনন্দের কথা, আনন্দবাজারের বাইরের আরও অনেক লেখক মূলধারার আনন্দবাজারীয় ভাষার রাস্তায় চলেন নাই। যেমন দেবেশ রায়, যেমন অভিজিৎ সেন। দেবেশ রায়ের কথা বিশেষ কইরা বলা দরকার। ইনি ভাষা প্রসঙ্গে আমার মনে গুরুতর একটা বিবাদ তৈরি করছেন। সাধারণত বাংলাদেশের বিদ্বান সমাজে ভাষা বিষয়ক আলোচনায় ভাষার দুই রূপ পশ্চিমবাংলা ও বাংলাদেশের ভাষা নিয়া আলোচনা হয়। দেবেশ রায়ের উপন্যাস থিকা আমার ধারণা হইছে ভাষার ভূগোলে উত্তরবঙ্গ একটা ভিন্ন স্থান এবং প্রাসঙ্গিকভাবে দক্ষিণবঙ্গও। উত্তরবঙ্গের ভাষা বৈশিষ্ট্য দেবেশ রায়ের উপন্যাসে গদ্যে ফাঁকফোঁকর খুঁজে স্থান করে নিছে। তারপরও কলকাতার মেট্রোপলিটন চেতনার মধ্যে দেবেশ রায়ের মতো লেখকও কথ্য ও অকথ্য ভাষার সীমানা মোটামুটি মাইনা নিয়া চলছেন।
দশ বছর আগে দেবেশ রায় বাংলাদেশে আসছিলেন। সেলিম আল দীনের পঞ্চাশ বছর পূর্তি উপলক্ষে নানা আয়োজনের মধ্যে ঢাকা থিয়েটার একটা সেমিনারের আয়োজন করছিল। সেইখানে দেবেশ রায় কইছিলেন, আঞ্চলিক ভাষা বলে কোনো ভাষাকে প্রান্তে ঠেলে দেয়ার প্রক্রিয়া তিনি সমর্থন করেন না। নোয়াখালীর ভাষাকে তিনি নোয়াখালীর ভাষাই বলতে চান, নোয়াখালীর আঞ্চলিক ভাষা না বইলা। কথা হচ্ছিল, সেলিম আল দীনের নাটক নিয়া। গদ্যে সেলিম আল দীন তৎসম ভারাক্রান্ত, নাটকের আইডিয়াতেও ক্লাসিসিস্ট অর্থাৎ ব্রাহ্মণ্য দশাপ্রাপ্ত হইলেও নাটকে তিনি একটু বিপ্লবী। হাত হদাই নাটকে তিনি বিশেষভাবে নিজের আয়ত্তে থাকা ফেনীর ভাষা ব্যবহার করছেন। অন্য নাটকগুলোতেও তা করছেন। যখন যে অঞ্চলের নাটক লিখছেন তখন সেই অঞ্চলের ভাষা শিখছেন, কথার ঠার বুঝার চেষ্টা করছেন। কথায় তো বটেই, বর্ণনায়ও সেই ভাষা ও ঠার প্রয়োগ করছেন। দেবেশ রায় এই বিষয়টারে স্বীকৃতি দিতে চাচ্ছিলেন। ভাল কথা। কিন্তু দশ বছর পর আবার ঢাকা আইসা দেবেশ রায় একই কথা কইলেন। বললেন, আঞ্চলিক ভাষাকে তিনি আঞ্চলিক ভাষা কইতে চান না। উনি রিপিট করলেন, কারণ হয়তো উনি মনে করেন কথাটা প্রতিষ্ঠিত হয় নাই। হক কথা। কথা প্রতিষ্ঠিত হয় নাই। সাহিত্যিক গোঁয়াররা এখনও ভাষা প্রসঙ্গে কথা কইলে এক ধরনের নৈরাজ্যের কথা মনে করায়া দেন। কন, সবাই যদি যার যার আঞ্চলিক ভাষায় উপন্যাস লেখে তাইলে পড়বে কেঠা? অনুবাদ করবে কে এইগুলা? আমার কথা পরিষ্কার, কেউ গুরুত্বপূর্ণ কাজ করলে অবশ্যই পড়তে হবে। দরকার হইলে অনুবাদ কইরাই পড়তে হবে। সিলেটের ভাষা থেকে বাংলায় অনুবাদ করতে সমস্যা কোথায়?
দেবেশ রায়ের এইবারের রিটিটেশনটা আমার মধ্যে যে খটকা তৈরি করলো সেইটা নিয়া একটা আগানোর চিন্তা করলাম আমি। মঞ্চে উইঠা কইলাম। আঞ্চলিক ভাষার স্বাতন্ত্র্য ও গুরুত্ব এখন পুরানা জিনিশ বইলা মনে হয় আমাদের কাছে। সাহিত্যের পুরানা প্রসঙ্গ। আগে থিকা ডায়লোগে তো আঞ্চলিক ভাষা আসতেছেই। এখন আগ বাড়ায়ে বর্ণনায় সেইটা ব্যবহার করলেই কেল্লা ফতে। হাসান আজিজুল হক সেটা করছেন আগুনপাখিতে। বাকী থাকলো কী? স্বীকৃতি?
মঞ্চে উইঠা আমি কইলাম, ভাষা প্রসঙ্গে নতুন যে ঘটনা সেইটা হইলো, বাংলাদেশে নতুন একটা মানভাষার প্রস্তাবনা অলরেডি আলোচনা হইতেছে তরুণদের মধ্যে। এইটাই এখন আলোচ্য বিষয়। দেবেশ রায় ফিরতি বক্তৃতায় কইলেন, মান ভাষা তো তৈরি হইতেই পারে। সেটা হবেও।
ব্যস এই স্বীকৃতিটুকু আপাতত আমাদের পাওনা। কেন স্বীকৃতিটুকু গুরুত্বপূর্ণ সেইটা জানার জন্যই কথ্য ভাষার অকথ্য মর্ম যাতনা লেখাটা লিখছি।
কথ্য ভাষার অকথ্য মর্মযাতনা
বাংলাদেশে বাংলাভাষার মুখ্য মর্মযাতনা হইলো এইখানে একটা কথ্য ভাষা তৈরি হইছে সাধারণ লোকের মুখে মুখে কিন্তু গোঁড়াপন্থী, ভাষার মৌলবাদী সম্প্রদায় এই ভাষারে স্বীকৃতি দিতেছেন না। ফলে, লোকের মুখের ভাষা সাহিত্যের বা সাহিত্যের প্রতিষ্ঠানের ভাষা হয়া উঠতে বাঁধা পাইতেছে। কলকাতার যখন বাংলা সাহিত্যিক গদ্য তৈরি হইতেছে উনিশ শতকের শেষ দিকে তখন হুতোম পেঁচার নকশা ও আলালের ঘরের দুলাল রচিত হইছিল কলকাতার কথ্যভাষারে অবলম্বন কইরা। কিন্তু শিক্ষিত সমাজ সেইভাষারে গ্রাহ্য করেন নাই। তারা নানা গবেষণা কইরা নদীয়া কৃষ্ণনগরের ভাষাকে মোডিফাই কইরা ফতোয়া দিছেন যে এই ভাষাই আমাদের চলতি লেখার ভাষা হবে। নদীয়া কৃষ্ণনগরের ভাষা থেকে বাংলা চলতি ভাষা আসছে, এইটা জনপ্রিয় বচন। যে কথাটা বলা হয় না, সেইটা হইলো ওই ভাষারে নিয়া ভালোমতে সাইজ কইরা পরে অনুমোদন করা হইছে। নদীয়া পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের সীমান্তের শহর। আমাদের কুষ্টিয়া জেলা আগে নদীয়ার মধ্যে আছিল। ফলে, এক অর্থে এই ভাষা আমাদের যশোর কুষ্টিয়ার ভাষা। মানে ভাষার মূল কথ্য ভিত্তিটা ওই এলাকার। প্রশ্ন হইলো এইটাও তো একটা এলাকার আঞ্চলিক ভাষাই। তাইলে অন্য অঞ্চলের আঞ্চলিক ভাষারে কথ্য ভাষা হিসাবে মানতে সমস্য কই? আমরা যদি নদীয়ার ভাষারে মান ভাষা হিসাবে নিতে পারি তাইলে সিলেটের ভাষারে নিবো না কেন?
ক্ষমতা কাঠামো থেকে এই ভাষাটা উপর থিকা চাপায়ে দেওয়া হইছিল। এক দেড়শ বছরে সেইটায় আমরা অভ্যস্ত হয়া উঠছি। কিন্তু যদি শহুরে লোকের কথা বলার জন্য, লেখার জন্য অর্থাৎ কমিউনিকেশনের জন্য কোনো স্বাভাবিক ভাষাকে বাইছা নেওয়ার প্রশ্ন উঠতো তাইলে হুতোম পেঁচার ভাষাকেই স্বাভাবিকভাবে বাইছা নেওয়া দরকার আছিল। আমাদের দুর্ভাগ্য সেইটা হয় নাই। হইলে বাংলা ভাষার ইতিহাস অন্যরকম হইতে পারতো।
দেশভাগ ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর আমরা কলকাতার কর্তাদের তৈরি করা মান ভাষায় কথা বলতেছি, লিখতেছি এবং শিক্ষা দিতেছি। এই ভাষা আমাদের শিক্ষা ও প্রগতিশীলতার সনদ হয়া উঠছে। বইলা রাখা ভাল, আমাদের কুষ্টিয়া-যশোরের ভাষাও কিছু ক্রিয়াপদ ছাড়া মান ভাষা থিকা অনেক দূরে সইরা গেছে। ফলে, ক্রিয়াকাণ্ডের সঙ্গে কোনো জনগোষ্ঠী এইভাষায় কথা বলে না। এই ভাষা এখন ভাসমান মানুষের ভাসমান ভাষা। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর এইখানে ভাষা বিকাশের নতুন একটা পর্ব তৈরি হইছে। প্রকাশের স্বাধীন স্ফূর্তি এইখানে ভাষাকে দিগ্বিদিক বিকশিত করছে। ঢাকায় দেশের নানা অঞ্চলের মানুষ আইসা নিজেদের মধ্যে কমিউনিকেট করছে। তারা ঢাকা থেকে বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়ায়ে পড়ছে। এবং সব মিলায়ে মূলত ঢাকায় এক নতুন ভাষা তৈরি হইছে কথ্য ভাষা হিসাবে। এইভাষা এখন বাংলাদেশের সব অঞ্চলের মানুষের কাছে সহজগম্য। স্কুলে না পইড়াও এই ভাষা শিখা যায়, এবং কথা কইলে সবতেই বোঝে।
ভাষা বিষয়ে প্রতিক্রিয়াশীলতা হইলো পুরানা বা মানভাষারে বাঁচাইয়া রাখার সংগ্রাম। আর প্রগতিশীলতা হইলো সাধারণ মানুষের কথার কাছাকাছি আনতে ভাষারে আক্রমণ করা। সেই কাজটা চলতেছে এখন। ধারণা করা গেছলো আমেরিকায় গিয়া অভিবাসীরা যে নতুন ইংরেজি চালু করছে সেইরকম একটা নতুন ভাষা কথ্যভাষা আমাদের এইখানে তৈরি হইবে। সেটা হইছেও। কিন্তু গোঁড়া ভাষাপন্থীরা এইটা এখনও মানতে রাজী না।
সাহিত্যিক মহলে একটা কথা শুনা যায় যে, এই নতুন ভাষার প্রস্তাব নাকি বাংলাদেশের সাহিত্যের সঙ্গে পশ্চিম বাংলার সাহিত্যে বিভেদ তৈরি করা জন্য করা হইতেছে। সাহিত্যে বিভেদ তৈরি ও মিটমাটের দায়িত্ব নিয়া নিশ্চয় সাধারণ মানুষ কথা বলে না। ফলে, তাদের ভাষাও এই বিষয়ে চিন্তিত না। আমরা যদি লেখার এই ভাষা ব্যবহার করি তাইলে নিশ্চয় দাদারা যাতে বুঝে সেইদিকে খিয়াল রাখতে হবে। কিন্তু কেন? পশ্চিমবঙ্গে পাঠকরা কি আমাদের লেখা পড়তে চায়? পইড়া বুঝতে চায়?
পলিটিকালি, জিওগ্রাফিকালি আমরা দুই দেশের মানুষ। রাজনীতির কারণে আমাদের চেতনা ও প্রকাশভঙ্গিকে বিভেদ তৈরি হইছে। ভাষায় তার ছাপ পড়বে তাতে সন্দেহ নাই। সাহিত্যেও পড়বে। ফলে, বাংলাদেশের বাংলা সাহিত্য আলাদা হয়া গেছে। রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, জীবনানন্দ, কমলকুমার একই সাহিত্যের পূর্বপুরুষ। কিন্তু ইতিহাসের কোনো এক চোরা বাঁকে ভাষা ও সাহিত্য দুটি দিকে গেছে বেঁকে। সেইটা দুই সাহিত্যের দুইটা ইতিহাস তৈরি করছে। সেই চোরা বাঁকটাকে এখন চিনা দরকার। বুঝা দরকার। বিভেদটারে যদি স্পষ্ট কইরা চিনা যায়, তাইলে সেইটা বাদ দিয়া অন্যগুলা মিটানো সম্ভব। কিন্তু ভেদ বিভেদ নাই বইলা বিভেদের রাজনীতি চর্চা করলে সেইটা ইতিহাসের কোনো না কোনো সময়ে গিয়া চোরাবালিতে ফেলায়ে দিবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



