আমার প্রিয় পোস্ট
- সামহয়ারে এসে যে লেখকদের সঙ্গে পরিচয় হলো - মাহবুব মোর্শেদ
- সামহয়ারে আসার আগে আমি যে লেখকদের চিনতাম পরে সামহয়ারেও যারা রেজিস্ট্রেশন করেছেন - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি ব্লগীয় রাউন্ড টেবিল আলোচনার প্রস্তাব - মাহবুব মোর্শেদ
- জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতার কুড়ি বছর - মাহবুব মোর্শেদ
- সামহয়ার কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ # বিষয় : মত প্রকাশের স্বাধীনতা, প্রাইভেসি ও সিকিউরিটি - মাহবুব মোর্শেদ
- ওয়ান্স আপন এ কান্ট্রি, সামহয়ার ইন দ্য ওয়েব - মাহবুব মোর্শেদ
- সেলিম আল দীন : সফল নাট্যকার ও শিক্ষকের বিদায় - মাহবুব মোর্শেদ
- সেলিম আল দীনের সাক্ষাৎকারের বাকী অংশ - মাহবুব মোর্শেদ
- আমার নব্যরাজাকারিতার সন্ধানে - মাহবুব মোর্শেদ
- আমেরিকার নির্বাচনে ভোটার হওয়ার আবেদন - মাহবুব মোর্শেদ
- এক চিত্রনায়কের জন্য আমার শোকগাথা - মাহবুব মোর্শেদ
- জয় বাবা আলুনাথ! - মাহবুব মোর্শেদ
- পাকিস্তান, পারভেজ মোশাররফ, গণতন্ত্র ও প্রগতিশীল আর্মি - মাহবুব মোর্শেদ
- ছোটদের অর্থনীতি অথবা কয়দিন ধরে যা কিছু কথা ভাবতেছি - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি চিঠি... ভাস্করদা ও সুমন ভাইকে - মাহবুব মোর্শেদ
- এখানেও আমরা ব্যর্থ হবো? - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি বাসি বিজ্ঞাপন - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি গল্পের পরীক্ষামূলক উতক্ষেপন : জিসম # মাহবুব মোর্শেদ - মাহবুব মোর্শেদ
- বুনুয়েলের বুর্জোয়া - মাহবুব মোর্শেদ
- এই ছবি আমি তুলেছি - মাহবুব মোর্শেদ
- প্রেমেক্কার শ্বশুর বাড়ি - মাহবুব মোর্শেদ
- তুই ...রে ব...সন্ত সমী...রণ - মাহবুব মোর্শেদ
- ফাদার গাস্তঁ রোবের্জের সাক্ষাৎকার - মাহবুব মোর্শেদ
- তারেক মাসুদের সাক্ষাতকার - মাহবুব মোর্শেদ
- টেগোর ইন দ্য টাইম অব এমার্জেন্সি - মাহবুব মোর্শেদ
- বহুদিন পর আবার হরিদাস পাল - মাহবুব মোর্শেদ
- কবি আল মাহমুদের সাক্ষাতকার - মাহবুব মোর্শেদ
- ব্লগে পোস্টিংয়ের স্লথগতি - মাহবুব মোর্শেদ
- সামহোয়ার, ইলেকট্রনিক মোল্লা, ভার্চুয়াল মুক্তিযুদ্ধ ও লেখক যশোপ্রার্থীদের তড়পানি - মাহবুব মোর্শেদ
- আমার সচলায়তন অভিজ্ঞতা : সে এক কাহিনি বটে! - মাহবুব মোর্শেদ
নাম-চেতনা, ছদ্মনাম, নিক ও ড. জেকিল অ্যান্ড মি. হাইড সমস্যা
০৮ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৪৫
রাইসু ভাইয়ের নাম অভিযান দেইখা নিজেরে জিগাইলাম, এ বিষয়ে তোমার কী মত? মন কইলো, এ বিষয়ে আমার কোনো মত নাই। হোয়াট আই হ্যাভ... দ্যাট... ইউ মে কল সামথিং লাইক ফিলিং। আমি সেই ফিলিংয়ের কথা কিছু বইলা রাখি।
আমি লেখক মানুষ। যতটা না লেখক বাস্তবে, তার চেয়ে বেশি বিশ্বাসে। আমার নিকটবন্ধুদের অধিকাংশই লেখক। আড্ডা দেই লেখকদের লগে। ভাবি লেখকদের নিয়া। একটা লেখক জীবন মহাশয় আমারে সারাক্ষণ ঘিরা রাখে। এই লেখকস্পর্শী জীবন থিকা আমি জানি লেখকরা খুব নাম সচেতন। তারা নাম কামায়, নাম বেচে, নাম ছাপায়, নাম দেখে, নাম উজ্জ্বল করে, স্বর্ণাক্ষরে নাম অংকন করে। সাহিত্যের ইতিহাসে নাম লেখায়। নামই লেখকের লোগো, নামই তার কোম্পানি, নামই তার বিজ্ঞাপন। ফলে, নামের ব্যাপারে তারা খুবই স্পর্শকাতর। কী নামে লিখবে একজন লেখককে এইটা লেখক জীবনের শুরুতে ডিসাইড করতে হয়। যারা বয়স গেলেও নাম ঠিক করতে পারেন না তাদের জীবন বড় দুঃখের। তাদের লোগো দাঁড়ায় না। সাহিত্যের ইতিহাসে অনেক কিছু মেলে, কিন্তু নাম? আধুনিক সাহিত্যের ইতিহাসে এক নামে দুই লেখক পাওয়া ভার। রবীন্দ্রনাথের পর কারো নাম রবীন্দ্রনাথ হইলে উনি আর যাই হোন লেখক হইতে পারবেন না। অবশ্য মধ্যযুগে এক নামে নাকি বহু লেখক আছিলেন। যারা বাংলা সাহিত্য পড়েন তারা বাংলা সাহিত্যে চণ্ঢীদাস সমস্যা আলোচনা না কইরা ফার্স্ট ইয়ার পার করতে পারেন না।
বাংলা সাহিত্যে নতুন সাহিত্যিক মাত্রই নাম নিয়া চিন্তায় থাকেন। হুমায়ুন আজাদ সাক্ষাৎকার বইতে শওকত ওসমান প্রসঙ্গে নাম নিয়া কিছু কথা কইছিলেন। বাঙালি মুসলমান লেখকদের আনস্মার্ট নাম থেকে শওকত ওসমান কীভাবে স্মার্ট নামের সূচনা করলের সেইটার একটা ইতিবৃত্ত ওই বইয়ে পাওয়া যাবে। আমারও মনে হইছে কথা ঠিক। শওকত ওসমানের পর থিকা বাঙালি মুসলমানের মধ্যে স্মার্ট নামের প্রচলন হইছে। ওই বই পড়ার পর ছাত্রজীবনে আমার মধ্যেও নাম-চেতনা দানা বাঁধে। আমি নিজের নাম নিয়া বিস্তর গবেষণা করি। বিপুল গবেষণায় বাইর হয়, আমার বাবা ধন্যবাদার্হ। কারণ উনি আমার নামটা স্মার্ট আকারে রাখছেন। কিছু বাংলা শব্দ বসায়া দেখলাম না তার চেয়ে আমার এই পিতৃদত্ত নামটাই ভাল। নিরিবিলি। স্লিম। কিছুটা কমন। কিন্তু আমার প্রতিভার ওপর বিশ্বাস থিকা আমার এই সিদ্ধান্ত যে, কমনতা থিকা এই নামরে উজ্জ্বল করতে পারবো ইনশাআল্লাহ।
আমি স্বনামে লিখতেছি যখন তখন আমার বন্ধুদের মধ্যে নাম বদলানোর হিড়িক পড়লো। বন্ধু বললে ওনারা গোস্বা করেন। বলতে হবে, গুরু। একেকজন একেকটা মহানাম গ্রহণ করলেন শীঘ্রই। এবং নিজের নাম ফোটানোর কাজে ব্যস্ত হয়া থাকলেন। আমাকেও বললেন, তুমিও বদলাও। আমি স্টিক্টলি কইলাম, না। তখন এক বন্ধু কইলো, নিদেন পক্ষে মোর্শেদ মাহবুব হয়া যাও। সেইটাও আমি রাখলাম না। ফলে, বকমধ্যে হংসযথা হয়া থাকলাম।
তবে নিজে না বদলাইলেও আমি এইটা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি, লেখকের একটা উপযুক্ত নাম থাকা উচিত। সেই নামটা মেইনটেইন করাও উচিত। কেউ যদি বাপের দেওয়া নাম চেঞ্জ করে, এবং তিনি যদি লেখক হন তাইলে সেইটা তার অধিকার ও কর্তব্য, দুইটাই।
ব্লগে আইসা দেখলাম, ছদ্মনাম কতপ্রকার ও কী কী? জানলাম এইটারে নিক কয়।
বুঝলাম, লেখকের নামকেন্দ্রিক লোগোর যুগ শেষ হইতে যাইতেছে। ব্লগে নাম গুরুত্বপূর্ণ না। গুরুত্বপূর্ণ হইলো, পাবলিক এক্সপ্রেশন অথবা ফ্রি এক্সপ্রেশন। ফলে, এযুগের এক্সপ্রেশন নামের আড়ালে আশ্রয় নিয়া আরেকজনকে ওয়েবে পাঠাইলো, যে তার হয়া কথা বলবে। এক্সপ্রেস করবে। বেশ। সমাজে পরিচয় তৈরি করার বাতিক হয়তো তাদের মধ্যে নাই। নিজের পরিচয় ফুটানোর ইচ্ছাও নাই। নিজেকে যে কোনো প্রক্রিয়ায় হয়তো নিরাপদ রাখতে চান তারা। হয়তো নিজের মত নিয়া তারা কিছুটা শঙ্কিত ও বিব্রত। নিজেকে পর্দার আড়ালে রাইখা বিচার করতে চান। হয়তো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কিছু কইতে চান। হয়তো ক্ষমতাধরকে কোনো বিপদে ফেলতে চান।
কিন্তু এক পর্যায়ে দেখা গেল, এই অনামী ব্যক্তিরা এসব কিছু কইরা বা না কইরা মূলত যে কাজটা করতেছেন সেইটা হইলো অন্যরে ইরিটেট করা। ঠিক যে, অনেকেই ছদ্মনামে ভাল লিখছেন। ভাল কাজ করছেন। ছদ্মনামের আড়াল ঘুচায়া বাইরে বারাইছেন। দেখা দিছেন। তথাপি নিকের একটা বড় কাজ হইলো ইরিটেট করা। এবং দায়িত্ব না নেয়া।
ব্রাত্য রাইসু ছদ্মনাম বটে। কিন্তু ওই নামেই তিনি চলাফিরা করেন। বাড়িভাড়া থাকেন। লেখেন, লোকজনকে দেখা দেন। ফলে সেইনামের দায় তাকে নিতে হয়। কিন্তু ধরাযাক লাভারবয় যিনি তিনি তো লাভারবয় নামে জীবনযাপন করেন না। তিনি ফখরুদ্দীন সরকারের বিরুদ্ধে লিখলে, ক্ষমতাসীনদের বিরুদ্ধে কথা কইলে তারে তো কেউ ধরতে যাইতে পারবো না। কথাটা তিনি কইছেন এইটা আমরা মানলাম। কিন্তু তার কথার রহস্য কী, কোন ইন্টারেস্ট থিকা তিনি কইলেন সেইটা তো আমরা জানলাম না। ফলে, ছদ্মনামের আড়াল থিকা বলা লাভারবয়ের সাহসী কথা ঠিক সাহসী না। তার ছদ্মবেশটাই আসল। এই কথা সমাজে কোনো গুরুত্ব তৈয়ার করতে পারে না। কিন্তু নিজের যাপন করা নামে, নিজে হাজির নাজির থাইকা কোনো কথা কইলে সেইটা গুরুত্ব কী সেইটা আমরা সবাই জানি। আর এই গুরুত্ব থিকা এটাও জানি যে দেশে থাইকা, সাহস দেখাইলে তাসনিম খলিলের কী হইতে পারে? আর অমুক, তমুক লাভারবয় কী কইতেছে এইটা নিয়া কেউ ভাবেও না। যাপিত নাম মানে বাসার ঠিকানা, কই যায় কী খায় তা জানা। কে কার ভাই-ব্রাদার তার খবর রাখা।
নিকের বিরুদ্ধে আমিও কিছু কথা কইছি অতীতে। নিক-অ্যাবিউজ নিয়া সামহয়ার কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করছি। তারপরও ভাবছি, নিক জিনিশটা থাকুক। এমনও তো সময় আসতে পারে, যখন নিজের নামে কথা বলা যাইতেছে না। তখন? সমহয়ারে আইজ পর্যন্ত আমি কোনো লেখা পড়লাম না যা নিজের যাপিত নামে না লিখলে লেখকরে পুলিশ ধইরা নিয়া যাইতো।
নিক একটা অপশন। কিন্তু নিক মূলপ্রবণতা হইলে তো অসুবিধা। আসলে নিক নিয়া আমরা করতেছিটা কী? কেউ যদি লেখক হইতে চান তাইলে তিনি নিজের নামটাকেই কেন এক্সপ্রেশনের উপায় হিসাবে বাইছা নিবেন না? আমি আসলেই বুঝি না। কীসের সংশয়, কীসের ভয়, কীসের জন্য কার আড়াল?
তারপরও জানি নিক বা ছদ্মনাম আরও স্পষ্ট কইরা কইলে জীবনে অযাপিত ছদ্মনামের বিরুদ্ধে অভিযান আমার সমর্থন পাবে না। কারণ, জীবনের পদ্ধতিতে আমি অপশন রাখায় বিশ্বাসী। কোনো রাস্তাই বন্ধ রাখতে চাই না।
কিন্তু তারপরও একটা কথা থাইকা গেল। ৩০ এপ্রিলের আবদুল জলিলের ষড়যন্ত্র ফাঁস হইয়া গেলে খালেদা জিয়া যেমন শিউরে উঠেছিলেন তেমনি সেদিন ব্লগারদের একটা কাহিনী শুইনা আমি শিউরে উঠলাম। জানলাম, ব্লগের কিছু কুখ্যাত নিক আসলে ব্লগেরই কিছু বিখ্যাত ব্যক্তিরই কাজ। এইটার নাম দেওয়া যায় ড. জেকিল অ্যান্ড মি. হাইড সমস্যা। এক ব্যক্তি হয়তো খুব গঠনমূলক ভূমিকা পালন করতেছেন নিজের নামে। কিন্তু কুখ্যাত নিক দিয়া তিনি আবার পুরা জিনিশটাই ধ্বংস কইরা দিতে উদ্যত। ক্রিয়েটিভ মানুষ বইলা তারা নিজের মনে মাধুরী মিশায় একটা চরিত্র তৈরি করেন। সেই চরিত্র ভক্ত তৈয়ার করে। পরে ভক্তদল সহকারে সংঘর্ষ বাঁধায়। লাভটা নেতা তুলেন। নিজের নামে তোলেন আবার কুখ্যাত নিকেও তুলেন।
সামহয়ার গণহারে নিক বানচাল করবে এইটা আমরা চাই না। যার যা খুশী নামে লিখুক। কেউ নিজের নামে লিখবে না তো লিখবে না। কিচ্ছু করার নাই। কিন্তু এই ড. জেকিল অ্যান্ড মি. হাইডদের বিরুদ্ধে তারা কিছু করবে কি না সেইটা একটু জানা দরকার।
প্রকাশ করা হয়েছে: ডায়েরি বিভাগে ।
ইউনুস খান বলেছেন:
ভাল হইছে আপনার লেখা। প্লাস।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
মদন বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
পথিক মানিক বলেছেন:
ক্রিয়েটিভ মানুষ বইলা তারা নিজের মনে মাধুরী মিশায় একটা চরিত্র তৈরি করেন। সেই চরিত্র ভক্ত তৈয়ার করে। পরে ভক্তদল সহকারে সংঘর্ষ বাঁধায়। লাভটা নেতা তুলেন। নিজের নামে তোলেন আবার কুখ্যাত নিকেও তুলেন।সামহয়ার গণহারে নিক বানচাল করবে এইটা আমরা চাই না। যার যা খুশী নামে লিখুক। কেউ নিজের নামে লিখবে না তো লিখবে না। কিচ্ছু করার নাই।
সহমত।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সহমত প্রকাশের জন্য।
ইফতেখার ইনান বলেছেন:
আপ্নের লেখাটা ভালা হইসে.. ব্রাত্য রাইসু-র গতকালের কাজকর্ম হাস্যকর মনে হইসে... আমার কাসে ব্লগিং-এর ক্ষেত্র কখনোই নাম বা নিক বিশেষ গুরুত্বপূর্ন মনে হয় নাই... কেউ যদি নিজেকে আড়ালে রাখতে চায় তাইলে রাখুক... সমস্যা দেখি না.. লেখক বলেছেন: রাইসু ভাইয়ের লেখাটা আমার কাছে হাস্যকর লাগে নাই। এইটা ওনার চয়েস। এই অবস্থানটা উনি নিতে পারেন, ব্লগের রীতি অনুসারেই।
এইটা আমার মত।
ধন্যবাদ ইনান।
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
একটা লাইন বাদ গেছিলো, যোগ করলাম।
লুলুপাগলা বলেছেন:
জটিল লেখা। পড়তে পড়তে তো মাথাটা ঘুইরা গেল। আপনেরে খালি প্লাস দিয়া ছোট করতে চাইনা। দইন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: হা হা হা।
আপনাকে খালি ধন্যবাদ দিতে হইলো।
কোপা সামছু বলেছেন:
প্রথমে পিলাস দিয়া কুপাইলাম।সামহয়্যারের কুখ্যাত ও সুখ্যাত একই ব্লগারের নিক এর ঘটনা শুনে একটা কথা মনে হচ্ছে, সেটা হল সামহয়্যার তার বিভিন্ন নিক গুলা একই ব্যক্তি কিনা সেই ধরনের তথ্য গুলা ফাস করে দিচ্ছে। যার ছায়া অত্যন্ত প্রকট। ইদানিং সামহয়্যারের ঘনিষ্টতার সূত্রে এটা বেশী হচ্ছে।
এটা হয়ে থাকলে এক ধরনের অনৈতিক কাজ। সামহয়্যারের উচিত সেটা কঠোর হস্থে বন্ধ করা।
ব্র্যত্য ভাইয়ের কথায় কিছুটা লজিক আছে, তবে সেটা সময়ের সাথে খুব একটা মানাসই না। এই যুগে এটা মেইনটেইন করা সম্ভব না... অত্যন্ত কঠিন। কিন্তু উনি যে ভাবে বিনা কারনে গনহারে ব্লক করা শুরু করছেন তাতে কুখ্যাত হয়ে নাম ফাটানোর ভূমিকায় নামছেন বলে মনে হয়।
উনার মাথাটা ক্যাডা গরম বানাইল গত রাইত থেক তাই ভাবতাছি?
লেখক বলেছেন: তথ্য ফাঁস বিষয়ের গুরুত্বহেতু আলাদা কমেন্ট দিলাম।
থ্যাংকস।
হটডগ বলেছেন:
মামো নামটা কিরাম? জব্বর স্মার্ট না?
লেখক বলেছেন: কিন্তু কিরাম জানি মামা মামা লাগে।
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
আপনার লেখা ঠিক আছে।কিন্তু কথা হলো সবাই তো আর নিজ নাম পায় না।
আমার উদাহরণই দেই...
আমার পিতৃপ্রদত্ত নাম হলো "শুভ"
অন্ততঃ আমি পরিচিত হতে চাই এই নামেই
কিন্তু সা.ইনে রেজিঃ করার সময় দেখি আমার নামে আরো একজন রেজিঃ করে আছেন। অনেক আগে থেকেই।
এখন আমি তো আর "শুভ১" বা "শুভ_" নামে পরিচিত হতে চাইছিনা। (আর কিছু থাকুক না থাকুক ইগো প্রবলেমটা ছোট বেলা থেকেই আছে।)
সেজন্য
আমি নাম নিলাম "বৃত্তবন্দী" যেটা আমার চরিত্রকে সর্বত্তোম ভাবে প্রকাশ করে।
সেক্ষেত্রে আমি বাস্তব জীবনে যেমন আচরণ করি বৃত্তবন্দী হিসাবে কি সেরকম আচরণ বন্ধ করে দিবো?
অবশ্যই না।
বাস্তবে আমি যেমন ভার্চুয়াল দুনিয়াতেও আমি সেরকমই থাকবোই।
বাস্তবে যেমন আমার চিন্তাধারা, রাজাকারদের বিরুদ্ধে ঘৃণা, সুবিধাবাদীদের গালি দেওয়া সবই ব্লগেও জারী থাকবে।
তাতে কোন সুশীল সেলিব্রিটি ব্লগার আমাকে ব্লক করলো না কি করলো তাতে আমার কিছুই আসে কিংবা যায় না।
লেখক বলেছেন: আপনার অবস্থানটা সহজেই বুঝা গেল। কিন্তু আমরা নিশ্চয়ই আশা করবো না সবাই আপনার মতো এসে নিজের নামকরণের ইতিহাস বইলা যাক। সেইটা সবাই করবেও না।
ফলে, দুনিয়া যেমন আছে তেমনি চলতে থাকবে।
ঘৃণা, গালিগালাজের চেয়ে সমালোচনা ও যুক্তি অধিক কার্যকর বইলা আমার ধারণা। ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: বিপদে ফেলার জন্য একবার কৌশিকের কথা শুনাই যথেষ্ট।
প্যান্ট ঢিলা মাস্তান বলেছেন:
কপি করে রাখলাম। পরে পড়ে নিবো।
লেখক বলেছেন: কেন কপি করলেন কেন?
কপিরাইট নিয়া কত কিছু হয়া গেল। তারপরও আপনি কপি করলেন?
পড়লে জানাইয়েন কী মনে হইলো।
কালপুরুষ বলেছেন:
সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন বক্তব্য।
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস কালপুরুষ ভাই।
ভোরের আলো বলেছেন:
কৌশিক কইচে "লেখায় দুইশ প্লাস।"
লেখক বলেছেন: কইতে তো অসুবিধা নাই। কিন্তু দুইশ কেন দুইটা প্লাস দেওনের ক্ষমতাও হের নাই।
ঠিকানা বলেছেন:
কৌশিক বলেছেন: কোন কুখ্যাত গুলা কোন বিখ্যাতদের? বইলা ফেলান, জাইন্না রাখি।লেখায় দুইশ প্লাস///////////////
ফোন দিয়ে জাইন্না নেন। মোর্শেদ ভাইরে জিগান ক্যান? সামইন তাইলে এখন নিক ও পাচার ও প্রচার করে। ভালো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। এ বিষয়ে বিস্তারিত কমেন্ট দিছি আলাদা কইরা।
মাছরাঙ্গা বলেছেন:
বক্তব্যে সহমত।
লেখক বলেছেন: সহমত পেয়ে খুব ভাল লাগতেছে।
আবদেল্লাহ ফাইসাল বলেছেন:
কথা ঠিক। কিন্তু ছদ্মনামে যেভাবে প্রকাশ করা যায় আসল নামে তা ব্লগে সম্ভব হয়তো হয় না। সে জন্যই হয়তো অনেকে ছদ্মনাম পছন্দ করেন। আমি দু'পক্ষে আছি। ছদ্মনামধারীদের কোনও দোষ দেখি না, যদিও নিজের পরিচয় গোপন করিনি।
লেখক বলেছেন: অপশনগুলা যত খোলা রাখা যায় ততোই ভাল।
থ্যাংকস এ লট।
রোবোকপ বলেছেন:
"ব্লগের কিছু কুখ্যাত নিক আসলে ব্লগেরই কিছু বিখ্যাত ব্যক্তিরই কাজ। "
দুই এক্টা নাম বলেন। নইলে কেমনে লোকে বুঝবে?
লেখক বলেছেন: tai to!
kivabe bujhbe?
লেখক বলেছেন: হ।
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
ডিসক্লেইমার :বিখ্যাত ব্যক্তির কুখ্যাত নিক বিষয়ে আমার জানার সঙ্গে সামহয়ারের কোনো সম্পর্ক নাই। আমি বিশ্বাস করি, সামহয়ার তার ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা বিধানে সচেষ্ট ও সচেষ্ট থাকবে। কিন্তু নিক অ্যাবিউজ বিষয়ে তাদের একটা সিস্টেম বাইর করতে হবে। যেটা একই সঙ্গে ওই ব্লগারের জন্য নিরাপদ হবে এবং তাকে/তাদের সতর্কও করে দিবে।
বিষয়টা আমি জানতে পারছি ঘনিষ্ট এক বন্ধুর থিকা। বন্ধু কইলো কথা সত্য। আমি আর সন্দেহ না কইরা কথা সত্য বইলা মানছি। কিন্তু এর মানে এই না যে, আমি তাদের নাম প্রকাশ কইরা মামলা খাবো। আমি কইলাম, আপনেরা মানলে মানেন না মানলে নাই। আর সামহয়ার ব্যবস্থা নিলে নিক না নিলে না নিক। এতদিন যেভাবে চলছে সেভাবে তো অন্তত চলবে। আমি কুনু অবস্থাতেই হতাশ হইতে চাই না। তবে, আবারও কই, নিক অ্যাবিউজ ডুয়াল বা ততোধিক নিক নিয়া মিসইউজ ঠেকানোর কোনো ব্যবস্থা হইলে ভাল হইতো। যারা নিক অ্যাবিউজের পক্ষে সুর মিলাইতেছেন তাদের নিয়া সন্দেহ করার কি কোনো কারণ নাই?
কোলাহল বলেছেন:
আপনার যুক্তি শক্ত, খন্ডানো সহজ নয়। তবে সকল নিকই যে সমস্যার কারন তা নয়। __"নিক অ্যাবিউজ বিষয়ে তাদের একটা সিস্টেম বাইর করতে হবে।"__ এটা করতে পাররে হয়তো ভাল হতো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কোলাহল।
মেহরাব বলেছেন:
সামহয়্যার বোরিং লাগতাছে ইদানিং। এইডারে আরো বোরিং করার যে কোন পায়তারার সাথে সহমত।
লেখক বলেছেন: বুঝায়া বলেন একটু।
কাঙাল বলেছেন:
আমনে তো মিয়া নিজের পোস্ট আর আমনেরে নিয়া পোস্ট ছাড়া আর কোনখানে পাড়া দেন না । বিষয় কি ?
লেখক বলেছেন: কথা ঘুরানোর আর বিষয় পাইলেন না?
যান এখন থিকা আপনার ব্লগে সাড়া দিমুনে।
দরদী নজরুল বলেছেন:
ভাল লিখেছেন। কে কোন নামে লিখবে সেটা তার ব্যাক্তিগত ব্যাপার, তবে নিকের অপব্যাবহার হলে তার বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যাবস্হা নেয়া উচিত।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আসলেই।
রিফাত হাসান বলেছেন:
ড. জেকিল অ্যান্ড মি. হাইড ব্যাপারটা আসলেই গুরুত্বপূর্ণ। আপনেরে এই জায়গায় সমর্থন করি। কিন্তু ব্রাত্য রাইসুর প্রচেস্টা লোক হাসানোয় পর্যবসিত হইছে।
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস। রাইসু ভাইয়ের প্রচেষ্টাকে আমার লোকহাসানো বইলা মনে হয় নাই। এইটা তো একটা চয়েস। সামহয়ারের টেকনোলজি ব্যবহার করে তো অপছন্দের ব্লগারকে ব্লক করা যায়। সেইটা উনি অধিকমাত্রায় ব্যবহার করছেন। এবং ব্যবহারের পক্ষে যুক্তি দেখাইছেন।
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
আপনে একটা কথা বলছেন--কেউ যদি লেখক হইতে চান তাইলে নিজের নামেই এক্সপ্রেশনটা দিবেন না কেন ?
এই প্রশ্নটা নিয়া আমি অনেকদিন ভাবছি । নিজে নিজে যে উত্তরটা পাইছি, সেইটা হইলো, সবাই লেখক হইতে চান না । কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমার নিজের কাছে নিজের সেই উত্তরেও তুষ্ট থাকতে পারি নাই । কারণ, ইতোমধ্যে সা ইনে এমন কিছু লেখককে আমি আবিস্কার করছি, যারা লেখক হবার জন্যই লেখালেখি করেন বইলা আমার মনে হইছে । অন্তত তাদের লেখা পইড়া তাদেরকে লেখক হিসাবেই বিশ্বাস করছি । তারা লেখেনও মৌলিক সাহিত্য গল্প বা কবিতা ।
এমন তিনজন লেখকের নিক আমি এখন উল্লেখ করতে পারি, যাদের লেখা পইড়া নাম জানতে আমার ইচ্ছা হইছে । তাদের পোস্টে জিনিসটা আমি প্রকাশ করছি । অন্য কিসু না, এজন্য যে বাজারে যদি তাদের কোন গল্পগ্রন্থ থাকে, বা ভবিষ্যতে যদি তারা গল্পগ্রন্থ প্রকাশের ইচ্ছা পোষণ করেন, তো আমি সেটা কিভাবে জানবো, কিভাবে তাদের চিনবো ?
সেই তিনজন ব্লগার হইলেন যথাক্রমে--অগাণীতিক, আকাশচুরি আর রোডায়া ।
এই তিনজনের গল্পের হাত আমার কাছে অসাধারণ লাগছে । এতো ভালো লিখিয়ে তিনজন মানুষ কেন ছদ্মনিকে লিখেন, জানতে আমার সত্যিই কৌতূহল হয় ।
এইবার নিজের নামের প্রসঙ্গে একটা সিরিয়াস কথা কই । নামটারে আনস্মার্ট মনে হয় । এখন এইটারে স্মার্ট বানানের তরিকা কি । পরামর্শ চাইতেছি । আমি সিরিয়াস !
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য। আপনার মতো আমিও খুব জানতে চাই তিমুর এবং হার্ভি ক্রাম্পেট আসলে কে?
হাসান আজিজুল হক, আখতারুজ্জামান ইলিয়াস নাম দুইটা কি স্মার্ট মনে হয়? শাহাদুজ্জামান?
স্মার্ট নাম দরকার বটে। কিন্তু লেখা স্মার্ট হইলে নামটাও লেখার মতো স্মার্টনেস পেয়ে যায়। নিজের নামরে স্মার্ট বানানোর সহজ তরিকা হইলো লেখারে স্মার্ট বানানো।
আবদুর রাজ্জাক শিপন নামটা কিন্তু আমার ভাল লাগে। তিনপদের কিন্তু স্লিম নাম। এই নামে থাইকা যান। সিরিয়ালি কইলাম।
কৌশিক বলেছেন:
শিপন রেজ্জাক
আরিফুর রহমান বলেছেন:
আরাশি আনস্মার্ট !!??
আরিফুর রহমান বলেছেন:
মামো ভাই এবং রাইসু মিয়ারে কই একটু হাওয়া বাতাস আইতে দেন। বাপদাদার দেয়া নাম নিয়া কতা কইতে হইবো এইসব ফতোয়া দেওনের কি দরকার!
'কথা' টাই এইখানে গুরুত্বপূর্ন, কে কইলো, তা নিয়া কেউ াল ও ফালায় না।
তবে যেই নামই নেয়া হউক না ক্যন, তার কনসিস্ট্যান্সি থাকলে ভালো। এই বিষয়ে একমত।
লেখক বলেছেন: বাপদাদারা আপটুডেট মনে কইরা সন্তানের নাম দেয়। ট্রাজেডি হইলো অধিকাংশ সন্তানই নামটারে আনস্মার্ট মনে করে। কারণ দুনিয়া আগাইতেছে। সন্তানরা বাপ-দাদা চেয়ে সবসময় এগিয়ে থাকে।
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
আরাশিতো সুন্দর । কিন্তু 'আবদুর রাজ্জাক শিপন'টা আনস্মার্ট মনে হয় না ?
লেখালেখির সাথে যায় না যেন ?
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
শিপন আবদুর রাজ্জাক টা কেমন ?
বাপ-দাদার দেয়া নাম অটুট থাকলো !
খালি আগ-পিছ
কৌশিক বলেছেন:
তার চেয়ে আবদুর রাজ্জাক শিপন কোন অংশে খারাপ না। আপনার যে নাম আছে তা আমার কাছে আনস্ম্যার্ট মনে হয় না। সৈয়দ শাসমুল হক, ইমদাদুল হক মিলন কি আনস্মার্ট মনে হয়? অথচ সেঅর্থে এ নামগুলো তো খ্যাতই।
রহমান মাসুদ বলেছেন:
তুষার মাহামুদের পত্রিকার নাম ও নাম। তাই নাম নিয়ে বেশি কথা বললে বা মুখে ছিপি এটেঁ বসে থাকলেও নামের কোন পরিবর্তন হবেনা বা নামধারী ব্যাক্তি বা বস্তু অথবা পদার্থের আকার , চরিত্র, স্বাদ - আহ্লাদ এমন কি রূপের কোন পরিবর্তন হবেনা বলেই আমার বিশ্বাস।আমাদের বরং আগামী ১২ তারিখে পাবলো নেরুদার ১০৪তম জন্মদিন নিয়ে চিন্তা করা এবং প্রেম ও দ্রোহের শিল্পের কথা ভাবা উচিৎ।
হা...হা...হা.....
আমি শিখে গেছি , তাইনা বস্ ?
লেখক বলেছেন: তাই তো, পুরা শিখে গেছেন দেখি।
গ্রাউন্ড ফ্লোর বলেছেন:
গ্রউন্ড ফ্লোরে জন্ম আমারনীচু তলার মানুষ,
ছেঁড়া কাথায় শুয়ে উড়াই
ট্রিলিয়ন ডলার ফানুস।
লেখক বলেছেন: নীচুতলার মানুষ ব্যাপারটা একটু বুঝায়া বলেন।
ছদ্মনামধারীরা যদি শুধু জেকিল হতে পারেন , তাতে আমিও কোন দোষ দেখিনা । অ-গাণিতিক , নির্বাসিত , আকাশচুরি , নাদান , তীরন্দাজরা নিজেদের ভালো করেই চিনিয়েছেন ।
লেখক বলেছেন: সহমত ও ধন্যবাদ।
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
ধন্যবাদ মাহবুব মোর্শেদ পরামর্শের জন্য ।
বিষয়টি নিয়ে আমি ভেবেছি । প্রতিবারই আপনার এবং
কৌশিকের যুক্তিটার মতই যুক্তি দাড় করিয়েছি এই নামের স্বপক্ষে ।
তাহলে এতেই চলুক । আবারো ধন্যবাদ ।
লেখক বলেছেন: চলুক।
সীমান্ত আহমেদ বলেছেন:
ভালো লাগলো লেখাটা।ছদ্ম নামে লেখার কারণ হতে পারে আমার মত দুষ্টুদের হাট হতে বাচা।
পরিচিত কারো লেখা পেলে আমি মনযোগ দিয়ে পড়ি ,ভালো না লাগলে লেখকের কানের কাছে ঘ্যানর ঘ্যানর করি।তাই আমার মতো লোকদের হাত থেকে বাচার জন্যই ছদ্মনাম।
উল্লেখ্য আমার নিকটাও ছদ্ম নাম।তবে এর বিশেষত্ব- ইংরেজি বানানে আমার ও আমার ভালোলাগার মানুষের নাম দুইটির অক্ষর উলট পালট করে এই shimanto.
আমি যখন লেখি তখন নিজেকে আর ভালোলাগার মানুষকে একসুরে বেধে লিখি।আবার হুট করে কেউ চিনে আমার ছাইপাশ লেখা নিয়ে ঘ্যানর ঘ্যানর ও কড়টে পারে না।
হা হা হা।
লেখক বলেছেন: আসলেই ছদ্মনাম ছাড়া আপনের হাত থেকে বাঁচার উপায় নাই।
কৌশিক বলেছেন:
তিমুরকে আমি চিনি। ভাল রাইটার। দুই চারটে বই বের হয়েছে।
লেখক বলেছেন: বইয়ের নাম কী?
নুরুন্নবী হাছিব বলেছেন:
হুমমম...সহমত...
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস।
রিফাত হাসান বলেছেন:
রাইসুর প্রচেষ্টা আদৌ হাস্যরস তৈরী করেছে কিনা সেই আলোচনা কোন রাজনৈতিক তাৎপর্য বহন করে না। দরকারীও নয়। তাই দ্বিতীয়বার এ বিষয়ে কথা বলার চেয়ে আপনার বর্তমান মতামতটারে গুরুত্ব দিলাম।
লেখক বলেছেন: এইখানে আবার আপনার পুরানা প্রশ্নটা মনে পড়লো।
আসলে এইখানে রাইসু ভাইয়ের পলিটিক্সটা কী আছিল?
খোরশেদুল ইসলাম বলেছেন:
খুব গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছেন।
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস।
লেখক বলেছেন: হা হা হা।
গনি মিয়া বলেছেন:
রবীন্দ্রনাথের পর কারো নাম রবীন্দ্রনাথ হইলে উনি আর যাই হোন লেখক হইতে পারবেন নামজাতো। আগে খেয়াল করি নাই। পিলাচ।
লেখক বলেছেন: হ।
ধন্যবাদ।
















