গ্রীষ্মের জানালার ধারে বিকালের স্তোত্রগান
ইয়াহুদা আমেহাই
অতীত নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছেড়ে দাও।
আমার আত্মা আমারই ভেতর ব্যাকুল হয়ে আছে, উনিশ শতকের বড় বড় যুদ্ধের আগেকার আত্মার মতোন। যেন কোনো খোলা জানালার পর্দা, মুক্ত হয়ে আকাশে উড়ে যাবে।
ছোট ছোট শ্বাস নিয়ে আমরা যেভাবে শুশ্রূষা করি নিজেদের, ছুটে চলার পর
ফিরিয়ে আনি স্বাভাবিক শ্বাস। সুস্থ ও সবল দেহে পৌঁছাতে চাই মৃত্যুর কাছে, যেমন করে আহত ও দণ্ডপ্রাপ্ত আসামীকে ফাঁসিকাষ্ঠে তুলে দেবার আগে বিচারক তাকে নিরাময় দিতে চান।
ভাবি আমি, কতটুকু স্থবির জল একটি একাকী স্থবির রাতের কারণ হতে পারে, মরুভূমির মতো প্রশস্ত কতটুকু সবুজ-তৃণভূমি পারে একটি ঘণ্টার নীরবতা দিতে। কতগুলো মৃত্যু উপত্যকার ছায়া প্রয়োজন আমাদের, অকরুণ সূর্যের নিচে করুণ শামিয়ানার জন্য।
আমি জানালার বাইরে তাকাই। একশ পঞ্চাশটি স্তোত্র গোধূলির ভেতর মিলিয়ে যায়। ছোট-বড় একশ পঞ্চাশটি স্তোত্র। কত বিপুল ও দ্যুতিময় এবং ক্ষণিকের স্তোত্রবহর!
আমি বলি : জানালাটি ঈশ্বর
আর দরজা তার প্রেরিত পুরুষ।
(হিব্রু থেকে ইংরেজিতে অনুবাদ করেছেন রবার্ট অলটার)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

