আমার প্রিয় পোস্ট
- সামহয়ারে আসার আগে আমি যে লেখকদের চিনতাম পরে সামহয়ারেও যারা রেজিস্ট্রেশন করেছেন - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি ব্লগীয় রাউন্ড টেবিল আলোচনার প্রস্তাব - মাহবুব মোর্শেদ
- জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতার কুড়ি বছর - মাহবুব মোর্শেদ
- সামহয়ার কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ # বিষয় : মত প্রকাশের স্বাধীনতা, প্রাইভেসি ও সিকিউরিটি - মাহবুব মোর্শেদ
- ওয়ান্স আপন এ কান্ট্রি, সামহয়ার ইন দ্য ওয়েব - মাহবুব মোর্শেদ
- সেলিম আল দীন : সফল নাট্যকার ও শিক্ষকের বিদায় - মাহবুব মোর্শেদ
- সেলিম আল দীনের সাক্ষাৎকারের বাকী অংশ - মাহবুব মোর্শেদ
- আমার নব্যরাজাকারিতার সন্ধানে - মাহবুব মোর্শেদ
- আমেরিকার নির্বাচনে ভোটার হওয়ার আবেদন - মাহবুব মোর্শেদ
- এক চিত্রনায়কের জন্য আমার শোকগাথা - মাহবুব মোর্শেদ
- জয় বাবা আলুনাথ! - মাহবুব মোর্শেদ
- পাকিস্তান, পারভেজ মোশাররফ, গণতন্ত্র ও প্রগতিশীল আর্মি - মাহবুব মোর্শেদ
- ছোটদের অর্থনীতি অথবা কয়দিন ধরে যা কিছু কথা ভাবতেছি - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি চিঠি... ভাস্করদা ও সুমন ভাইকে - মাহবুব মোর্শেদ
- এখানেও আমরা ব্যর্থ হবো? - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি বাসি বিজ্ঞাপন - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি গল্পের পরীক্ষামূলক উতক্ষেপন : জিসম # মাহবুব মোর্শেদ - মাহবুব মোর্শেদ
- বুনুয়েলের বুর্জোয়া - মাহবুব মোর্শেদ
- এই ছবি আমি তুলেছি - মাহবুব মোর্শেদ
- প্রেমেক্কার শ্বশুর বাড়ি - মাহবুব মোর্শেদ
- তুই ...রে ব...সন্ত সমী...রণ - মাহবুব মোর্শেদ
- ফাদার গাস্তঁ রোবের্জের সাক্ষাৎকার - মাহবুব মোর্শেদ
- তারেক মাসুদের সাক্ষাতকার - মাহবুব মোর্শেদ
- টেগোর ইন দ্য টাইম অব এমার্জেন্সি - মাহবুব মোর্শেদ
- বহুদিন পর আবার হরিদাস পাল - মাহবুব মোর্শেদ
- কবি আল মাহমুদের সাক্ষাতকার - মাহবুব মোর্শেদ
- ব্লগে পোস্টিংয়ের স্লথগতি - মাহবুব মোর্শেদ
- সামহোয়ার, ইলেকট্রনিক মোল্লা, ভার্চুয়াল মুক্তিযুদ্ধ ও লেখক যশোপ্রার্থীদের তড়পানি - মাহবুব মোর্শেদ
- আমার সচলায়তন অভিজ্ঞতা : সে এক কাহিনি বটে! - মাহবুব মোর্শেদ
বাংলা ব্লগের ভবিষ্যত নিয়া শংকিত মাছের মায়েদের পুত্রশোক এবং ছাগমাতার তৃতীয় সন্তানদের অনর্থক ফালাফালি
২৬ শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৩২
বাঙালির জীবনে সবচেয়ে সুখ কোথায়? এ প্রশ্ন জিগাইলে সহজে উত্তর মিলবে না। আপনেরা নানা উত্তর দিবেন। উত্তর আমারও আছে। তাই আপনেদেরটা শুনার আগে আমি বলি, বাঙালি জীবনে শ্রেষ্ঠসুখ মৃত্যুতে। কেন কইলাম? কেন কইলাম, সেইটা জানতে হইলে, একবার কপট মরণ মইরা দেখেন। আপনে সামান্য কিছু কাম-কাজ কইরা যদি মরতে পারেন। তাইলে, বাঙালি আপনেরে মহামানব বানায়া দিবে। সামান্য কামকাজ না থাকলেও ক্ষতি নাই। আপনে ধোয়াতুলসি পাতা হয়া যাবেন শুধু পরপারে যাইতে পারলে। আর যদি চোর-বদমাশ, বাটপার, ডাকাত কিছু হন তাইলেও ক্ষতি নাই। আপনে নিদেনপক্ষে ভাল মানুষ অথবা সমাজসেবী উপাধি বিনামূল্যে পাইবেন। আপনে ফ্যাসিস্ট শাসক আছিলেন, অস্ত্রের মুখে ক্ষমতা দখল করছিলেন? ক্ষতি নাই। আপনে স্মরণকালের সেরা জাতীয় নেতা হয়া যাবেন। এই কারণেই কই, বাঙালি জীবনের শ্রেষ্ঠসুখ মরণে। বাঙালি মরলে তর্কের উর্ধে চইলা যায়। মজিদ মিয়া তো একটা মাজার তৈরি করছিল। শিক্ষিত লোকেরা মাথার ভিতরে হাজারটা মাজার বানায়া রাখছে। কোনোটা ডাকাইতের মাজার, কোনোটা আবার সাধুর মাজার।
ভাগ্যে মরণ না থাকলে অন্তত একটা চিপায় পইড়া দেখেন। একটু বিপদে পড়লেও দেখবেন, আপনের সুখ অনুভূত হইতেছে। বিপদে পড়া লোকরে বাঙালি খুব পছন্দ করে। এরশাদ জেলে থেকে কীভাবে ভোটে জেতে সেইটা তো সবাই দেখছেন। ভুরি ভুরি চিপায় পড়া লোকের মহাপুরুষ হওয়ার উদাহরণ দেওয়া যাবে। এখন তার দরকার নাই। এখন চিপায় পড়া একটা সাইট নিয়া আলোচনার মনোবাসনা করি। বিপদের মুহূর্তে সমালোচনা না কইরা লোকেরে বা সংগঠনরে মহাপুরুষ বা মহা সংগঠন বানায়া দেওয়া আমাদের খাসলত। এই খাসলত থিকা বের হওয়া কঠিন। কেউ যদি বের হইতে চায় তাইলে সে ভিলেন হয়া যাবে।
আপনেরা হয়তো জানেন, সচলায়তন সমস্যার একটা সমাধান হইছে। কেমনে জানবেন? আপনেদের তো কেউ জানায় নাই। বিপদে যখন পড়ছে তখন আইসা ইস্যু জাগায়া গেছে। সমর্থন নিয়া গেছে। কিন্তু বিপদ যখন মুক্ত হইছে তখন আর সামহয়ারের পাবলিকরে খবরটা দিয়া যাওয়ার প্রয়োজন তারা মনে করে নাই। আমি কইতেছি। সচলায়তনের সদস্যদের কাছে লেখা এক চিঠিতে সচলায়তন কর্তৃপক্ষ জানাইছেন, বাংলাদেশ থেকে সচলায়তন দেখার ব্যবস্থা হইছে। কর্তৃপক্ষ প্রকারান্তরে বলছেন, এইটা টেকনিকাল সমস্যা আছিলো। যাই হউক, সচলায়তনের বোধোদয় ঘটছে। ওনারা নাকি ব্লগারদের জানাইছেন, আগের মতো, উস্কানি দেওয়া যাবে না। গালাগালি করা যাবে না। সচল-সংকট মুক্তি উপলক্ষে ওনাদের অভিন্দন জানাই। সচলায়তন যখন চিপায় পড়ছিল, তখন আমরা সচল সংকটের সামাধান কামনা করছি। ব্যানের ঘটনা ঘটলে ব্যানমুক্তি দাবি করছি। টেকনিকাল ত্রুটির ঘটনা ঘটলে, আল্লার দরবারে দোয়া করছি। আমাদের টেকি-বন্ধুরা নানা বিচার-বিশ্লেষণ ও পরামর্শ দিছেন। অবশেষে সচলায়তন বাংলাদেশ থেকে দেখা যাইতেছে।
কিন্তু অবস্থাদৃষ্টে মনে হইতেছে ঘটনা এইখানে শেষ না। সচলায়তনের শুভানুধ্যায়ীদের পক্ষ থিকা নতুন ধরনের আক্রমণ শানিত করা হইতেছে। আমার ব্লগে বৃহৎ মুষ্ঠি (http://amarblog.com/thebigfist/3075) নামক এক ব্লগার লোকালটক, জামাল ভাস্কর, সুমন রহমান ও আমার বিরুদ্ধে নিবন্ধ রচনা করছেন। আমার বিরুদ্ধে নিবন্ধ রচনা নতুন ঘটনা না। আমার জন্য আনন্দের এইকাজটা অনেকেই করছেন। আমিও তাদের উত্তর দিছি। উত্তর দিয়া তর্ক কইরা মজা পাইছি। এক্ষণে বৃহৎমুষ্ঠি নতুন মজার আমদানী ঘটাইলেন। তার পোস্টে সচলায়তনের শুভানুধ্যায়ীদের বাহবা রোল পইড়া গেছে। সেইটাতেও আমার সমস্যা নাই। সমস্যা হইলো থুথুতে। ভুল বুইঝা বা না বুইঝা থুতু দিছে বৃহৎ। আমার কথা হইলো, আলোচনা করতে গিয়া থুতু ছিটানোর অভ্যাস যাদের তাদের সঙ্গে আলোচনা করতে পারি না আমি। বমি আসে। ফলে, বৃহৎমুষ্ঠির আপাত সুশীল আলোচনায় অংশ না নিয়া এই পোস্টের অবতারণা করলাম। সেইটা এইখানেই করলাম। কারণ আলোচনার জন্য সামহয়ারের মতো মজা আর কোথাও নাই।
লোকালটক, জামাল ভাস্কর, সুমন রহমান ও আমার মধ্যে মতামতের পার্থক্য বিস্তর। নানা সময়ে আমাদিগের মধ্যে নানা তর্ক-বিতর্ক, মনোমালিন্য হইছে। কিন্তু বৃহৎ আমাদের মধ্যে একটা ঐক্যের সুর দেখতে পাইছেন। একই দোষে আমাদের দুষছেন। কী দোষ? সচলায়তন সংকটের সময় অনেকেই সচলায়তন ব্যান হইছে মনে কইরা ব্যানমুক্তি দাবি করছেন। কেউ কেউ পাল্টা দুয়ো দিছেন। আর আমরা ব্যানমুক্তি দাবি করার সঙ্গে সঙ্গে সচলায়তনের কিছু সমালোচনাও করছি। আমাদের কী করা উচিত আছিল? সচলায়তনকে মুক্তবুদ্ধির একটা প্রশ্নহীন প্লাটফর্মের মর্যাদা দিয়া এর পক্ষে জয়গান গাওয়া? সেইটা কেমনে সম্ভব?
লোকালটকের কথা জানি না। জামাল ভাস্কর ও সুমন রহমান নিজেরাই ভুক্তভোগী। সচলায়তন মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী না সেইটার প্রমাণ। সচলায়তন কীভাবে তাদের মতো লেখকের সঙ্গে অন্যায় আচরণ করেছে তা অনেকেই জানেন। বিস্তারিত বলার দরকার নাই। শুধু এইটুকু বলি, এই দুইজনের কারণে এইটা বলার কোনো জায়গা নাই যে সচলায়তন সবার মতপ্রকাশের অধিকারে বিশ্বাসী। সহব্লগারদের অধিকারের বিষয়ে সচেতন। আমার যা মনে হয়েছে তাতে তারা দুজনেই সচলায়তন কর্তৃপক্ষের অ্যাবিউজের শিকার। এই তথ্যগুলা মাথায় থাকলে কেমনে এই সাইটারে মুক্তবুদ্ধির মর্যাদা দেওয়া যায়?
সচলায়তন আমার সাথে কী করছে সেইটা আর কইতে চাই না। আপনেরা আমার পোস্ট পইড়া নিয়েন। সে সময় আমি দেখেছি, আমাকে নিয়ে ওই সাইটে আলোচনা চলছে, আপত্তিকর কথা হচ্ছে, কিন্তু আমার আত্মপক্ষ সমর্থনের কোনো উপায় নাই। কারণ ওইখানে প্রবেশাধিকার রুদ্ধ। অনেকের ক্ষেত্রেই এরকম ঘটনা ঘটেছে। সামহয়ারে ব্লগারদের বাইরের কাউকে নিয়ে কথা হলে, তিনি হয়তো কোনো একদিন এসে জবাব দিতে পারবেন। কিন্তু সচলায়তনের লৌহযবানিকা ভেদ করে সেটা সম্ভব না। ওইখানে চলে এক ধরনের ফ্যাসিস্ট চর্চা। এই ফ্যাসিস্ট চর্চার মধ্যে কিন্তু গালাগালি বৈধ, আক্রমণ বৈধ। এমনকি টাকা তুলে খুনি ভাড়া করার ঘটনাও বৈধ। এখন হাজি সাইবের দোষ কী?
দোষ হইলো খারাপ বহু প্র্রবণতা থাকা সত্ত্বেও হাজি সাইব শুধু মতপ্রকাশের স্বাধীনতার স্বার্থে সচলায়তনের ব্যানমুক্তি দাবি করছেন।
সচলায়তন খারাপ। তাদের আমি ভাল কোনো সাইট মনে করি না। তারপরও আমি তাদের পক্ষে দাঁড়াইছি শুধু মতপ্রকাশের স্বাধীনতার স্বার্থে। আর আমি এমন কোনো বিশিষ্ট অন্ধ না যে, তাদের দোষ চাপা দিয়া আমার তাদের পক্ষে দাঁড়াইতে হবে।
বৃহৎ মুষ্ঠি কইছেন, আমাদের এই সমালোচনার কারণে বাংলা ব্লগের ভবিষ্যত নাকি অন্ধকার হয়া গেছে।
আরে ভাই, আমি বলি আমাদের এই সমালোচনা মূলক ভুমিকার কারণে বাংলা ব্লগের জগৎ আলোকিত হইছে। যে ফ্যাসিস্ট ও অসিহিষ্ণু প্রবণতা সচলায়তনে ভিতরে ভিতরে গইড়া উঠতেছিল সেইটার সমালোচনা দরকার আছিল। আমরা বাংলাদেশে থাকি, কিছু আইন কানুন মাইনা জীবন ধারণ করি। সেইখানে কোনে ফ্যাসিজমের উস্কানিকে আমরা দেশবাসীর স্বার্থে কোনো ক্ষুদ্র পরিসরেও উৎসাহিত করতে পারি না। বাংলা ব্লগেও সমঝদার লোক আছে, যারা আত্মসমালোচনা করতে পারে। যারা খারাপ প্রবণতা থেকে ব্লগকে রক্ষার ব্যাপারে উদ্যোগী। খারাপ প্রবণতাগুলার সমালোচনায় মুখর। এই মেসেজটা আমাদের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছানো দরকার।
বৃহৎ সাহেব সুকৌশলে আমাদের জঙ্গি গোষ্ঠী ও রাজাকারদের সঙ্গে সম্পর্কিত করেছেন। যারা অযথা এই কাজটি করেন তাদের আমি ছাগমাতার তৃতীয় সন্তান বলি। কারণ যখন আপনার সামনে যুক্তি নাই, তখনই আপনি প্রতিপক্ষকে ভিক্টিমাইজ করার জন্য অবাস্তব ও অসার অভিযোগ হানেন।
বৃহৎ ও সহব্লগারদের কাছে আমার প্রশ্ন, সচলায়তন ব্যান হইছে/ তাদের টেকনিকাল অসুবিধা হইছে। আমরা তাদের ব্যান/ টেকিনিক্যাল অসুবিধা মুক্তি দাবি করছি। সঙ্গে তাদের খারাপ প্রবণতার সমালোচনা করছি। এই কারণে আমাদের জঙ্গি-রাজাকারদের সমর্থক কেমনে বললো বৃহৎ মুষ্ঠি?
যুদ্ধাপরাধী-স্বাধীনতা বিরোধিদের বিচার চাই বইলা কি আমাদের এখন তাদের মারার জন্য খুনি ভাড়ার করার টাকা তোলার আয়োজনেও সমর্থন দিতে হবে?
আজব!
প্রকাশ করা হয়েছে: পঞ্চতন্ত্র বিভাগে ।
আরণ্যক যাযাবর বলেছেন:
মাইনাস। আইজকা দেখি ক্ষোভ এর সুনামি।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। প্রথম মাইনাসের জন্য।
চিপা রংবাজ বলেছেন:
সচলায়তনের সদস্যদের কাছে লেখা এক চিঠিতে সচলায়তন কর্তৃপক্ষ জানাইছেন, বাংলাদেশ থেকে সচলায়তন দেখার ব্যবস্থা হইছে। কর্তৃপক্ষ প্রকারান্তরে বলছেন, এইটা টেকনিকাল সমস্যা আছিলো। - এই খবর আপনি কিভাবে জানলেন? আপনি তো সচল না। তাইলে কোন সচল ভিতরের প্ল্যান ফাস করে দিচ্ছে?
লেখক বলেছেন: খাইছে। ওইখানে কি স্ট্যালিনের শাসন চলতেছে নাকি। যে আমারে কইছে সে কি ব্যান খাইবে নাকি?
এইসব কইরা আপনেরা ব্লগিং করবেন?
কৌশিক বলেছেন:
আপনার ধৈর্য্যের আমি বেজায় প্রশংসা করি।
লেখক বলেছেন: হা হা হা। ( অনেকবার হাহাহা কপি পেস্ট করে শুনুন)
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন:
''যারা অযথা এই কাজটি করেন তাদের আমি ছাগমাতার তৃতীয় সন্তান বলি। কারণ যখন আপনার সামনে যুক্তি নাই, তখনই আপনি প্রতিপক্ষকে ভিক্টিমাইজ করার জন্য অবাস্তব ও অসার অভিযোগ হানেন''সমস্যার সারবস্তু এখানেই। সবকিছুর মধ্যে 'ষড়যন্ত্র' আর `দালাল তত্ব'!
লেখক বলেছেন: হ। সেইটাই তো সমস্যা।
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
আমাদের দেশে এই তো সমস্যা। আমরা এক্ই ব্যক্তিকে কখনও মাথাই তুলি - মহাপুরুষ বানাই। আবার তাকেই কখনও তাকে তুলোধুনো করি - কাপুরুষ বানাই। মাঝামাঝি কোন রাস্তা আমরা চিনি না। আর সত্যটা তো আমাদের চেনার কোন ইচ্ছাই নাই। তাই কেউ সত্য তুলে ধরলে তা এই উভয় ধরনের লোকের কাছে বিষাক্ত লাগে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শামীম ভাই। অনেক কৃতজ্ঞতা।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
পোস্টের সাথে পুরোপুরি একমত।সচুদের একটা ব্যপার লক্ষ্য করেছি "আপনি দেশের সমালোচনা করতে পারবেন, সরকারের সমালোচনা করতে পারবেন, আইনের সমালোচনা করতে পারবেন, ব্যক্তি সমালোচনা করতে পারবেন কিন্তু সচলায়তনের কোন রকম সমালোচনা করতে পারবেন না, সচলায়তনের মডুছাগল বা কারি-হাফেজদের সমালাচনা করতে পারবে না, কোন প্রশ্ন করতে পারবেন না" করলে কতৃপক্ষ জবাব দিতে বাধ্য নন জাতীয় অসভ্য - অগনতান্ত্রিক উত্তর পাবেন। সচলায়তনের সমালোচনা করে লেখা লিখলে সুশিল থেকে শুরু করে রাজাকার উপাধী জুটবে। যেটা সুমন রহমান, জামাল ভাস্কর, আপনারে বা লোকালটকের ক্ষেত্রে হচ্ছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মাহবুব সুমন।
ঘটনা তো এইটাই। ওরা মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না, কিন্তু আমরা মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় অবিশ্বাসীদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতাতেও বিশ্বাস করি।
সচলায়তন বাংলা ব্লগের জগতে যে খারাপ প্রবণতাগুলা চালু করছে তার কঠোর সমালোচনা হওয়া দরকার। নইলে ব্লগিং বলতে মানুষ খারাপ ব্যাপারগুলা বুঝবে।
অবগত আছেন যে বিগত ১৫ই জুলাই থেকে বাংলাদেশে থেকে স্বাভাবিক নিয়মে সচলায়তনের দেখা পাওয়া সম্ভব হচ্ছিল না। অনুসন্ধানে জানা যায় যে সরকারী তথ্য অবকাঠামো অতিক্রম করার সময় কোন এক অজানা কারনে সচলায়তনের আইপি ঠিকানার ৮০ নম্বর পোর্টে (যা দিয়ে ওয়েবসাইট দেখা হয়) ও ১১০ নম্বর পোর্টে (যা দিয়ে ইমেল চেক করা হয়) প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়। ফলে বাংলাদেশ থেকে স্বাভাবিক নিয়মে সচল দেখা অসম্ভব হয়ে পড়ে। হতে পারে এটা ব্যান, হতে পারে বাংলাদেশ প্রান্তে প্রযুক্তিগত সমস্যা।
আমরা এবিষয়ে খোঁজ নেবার পর অপেক্ষা করি বিষয়টি কিভাবে ঠিক হয় দেখার জন্য। বেশ কিছুদিন অপেক্ষার পর ২৫শে জুলাই ভোর রাতে সচলায়তনের আইপি ঠিকানা বদলে ফেলা হয়। এই বদলের দু' ঘন্টা পর ঢাকা থেকে খবর আসে যে, সচল আবার স্বাভাবিক নিয়মে দেখা যাচ্ছে, প্রক্সি-র প্রয়োজন পড়ছে না আর। এতে প্রমাণিত হয় সচল না দেখার বিষয়টি আইপি ঠিকানার সাথে জড়িত।
আমরা বিকেল পর্যন্ত বিষয়টি অপ্রকাশিত রাখি। উদ্দেশ্য ছিল যে আবার কোন প্রতিবন্ধকতা হয় কিনা। প্রায় সারাদিন কোন সমস্যা না থাকায় বিষয়টিকে আমরা এখন অফিসিয়ালী জানিয়ে দিচ্ছি আপনাদের।
যদি সচলায়তনে প্রবেশ আবার প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়ে তবে সাথে সাথে আমাদের অবগত করবেন
আসুন সবাই কামনা করি সচল পরিবার আবারো তার উচ্ছ্বাস নিয়ে মেতে উঠুক।
তবে একটি বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখবেন, সচল নিয়ে অনাবশ্যক কৌতুহল তৈরি হয়েছে। আপনাদের প্রতিটি লেখায় ও মন্তব্যে যথাসম্ভব সতর্কতা অবলম্বন করুন। অশ্লীলতা, গালি, উস্কানিমূলক বক্তব্য যথাসম্ভব পরিহার করুন। এগুলো নিয়ে আমরা যতোনা চিন্তিত, তার চেয়ে উৎসাহী আমাদের অকল্যাণকামী গোষ্ঠী। তাই তাদের মাথাচাড়া দেওয়া আটকাতে লেখালেখির ক্ষেত্রে আপনার সুবিবেচনা খুবই জরুরী।
অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা বিপদে পাশে থাকার জন্য
সচলায়তন কর্তৃপক্ষ
লেখক বলেছেন: এইটাই সেই চিঠিটা নাকি?
'অশ্লীলতা, গালি, উস্কানিমূলক বক্তব্য যথাসম্ভব পরিহার করুন।'
লাইনটা খুব ইন্টারেস্টিং।
সম্ভব না হইলে গালি দিন, অশ্লীলতা করুন ও উস্কানি দিন?
ফারহান দাউদ বলেছেন:
বৃহৎ সাহেব সুকৌশলে আমাদের জঙ্গি গোষ্ঠী ও রাজাকারদের সঙ্গে সম্পর্কিত করেছেন। যারা অযথা এই কাজটি করেন তাদের আমি ছাগমাতার তৃতীয় সন্তান বলি। কারণ যখন আপনার সামনে যুক্তি নাই, তখনই আপনি প্রতিপক্ষকে ভিক্টিমাইজ করার জন্য অবাস্তব ও অসার অভিযোগ হানেন।
লেখক বলেছেন: হ।
মজার ব্যাপার আমাদের আর্গুমেন্ট নিয়া তার কোনো কথা নাই।
তানিম হুমায়ুন বলেছেন:
'আপনাদের মুখে থুতু দিতে ইচ্ছা করলেও দিচ্ছি না। আপনারা আমার থুতুরও যোগ্য না।'বৃহতের লেখার লাস্ট সেন্টেন্স এইটা।
একে তো আমার অসুস্থ মনে হইতেসে...
লেখক বলেছেন: অসুস্থ লোকের তবু শুশ্রূষা করা সম্ভব। কিন্তু ফ্যাসিস্টদের নিরাময় সম্ভব নয়।
হুদাই বলেছেন:
একলব্য কি সচল এর নোটিশবোর্ড?
লেখক বলেছেন: বিরোধী দলেরও হইতে পারে। কে জানে?
নার্ভাস নাইনটিজ বলেছেন:
সেইদিন কৌতূকের ভঙ্গি নিয়া লক্ষ্য কর্তেছিলাম, "বিশেষত লোকালটক..." "বিশেষত লোকালটক..." বৈলা বৈলা বৃহৎমুষ্টি নামের এই লোক আর্তনাদ কর্তেছিল তার পোস্টে। ভিন্নমত যারা সহ্য করতে পারে না, আমার সচল-সমালোচনা তারা সহজভাবে নেবে না- এইটা স্বাভাবিক। ভাবেসাবে যদিও তারে বাংলা সিনেমার নিয়মিত দর্শক বৈলা মনে হৈছে, যে কিনা মারামারির ছবিতে ভিলেনকে অপদস্থ হতে দেখে শিশুতোষ আনন্দ লাভ করে। তবে এই গর্দভ যে সচল থিকা ডেপুটেশনে আগত, তা বুঝতে শেষপর্যন্ত আর বাকি থাকেনি।যাগ্গা, কিভাবে সহজে মুক্তিযোদ্ধা হওয়া যায়- এইটা নিয়া আমি এক্টা নাতিদীর্ঘ গবেষণায় রত আছি।
লেখক বলেছেন: এই নিয়া আমার একটা গবেষণা প্রবন্ধ আছে। আপনেরে লিঙ্ক পাঠাবোনে।
ডেপুটেশনে আইসা কীরাম ভেক ধরছে দেখেন।
সুজনবাঙালী বলেছেন:
বালা কতা কইচেন। সামোয়ারের সচুরা সামোয়ারে অনকে আ-আ কর্লো। কিন্তুক মেসেজ পেয়ে তারপর আর জানালো না যে সচল সচল হৈচে। ব্যান না হৈলে তো আর 'তসলিমা' অওন যায় না!
লেখক বলেছেন: সেইটাই। ব্যান হইলেই তসলিমা হওয়া যায় না।
ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়ায় একটা খবর পর্যন্ত আইলো না।
বিগব্যাং বলেছেন:
এত্তো বড় অভিসন্দর্ভ পড়ার ধৈর্য কুলাইলো না...এ অক্ষমতাকে ক্ষমা সুন্দর দ্রিষ্টিতে দেখবেন এই ভরসা রাখি...আল্লাপাক আমাদের মঙ্গোল করুণ...
লেখক বলেছেন: জ্বি বড় ব্যাঙ সাহেব,
বাংলা টাইপিং স্পিড যত বাড়তেছে সামান্য কথা বলতে গিয়া দেখি ততোই কথা বাড়তেছে।
না পড়লেও দৃষ্টি তো বুলিয়েছেন।
এতেই আমি খুশী।
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
"যুদ্ধাপরাধী-স্বাধীনতা বিরোধিদের বিচার চাই বইলা কি আমাদের এখন তাদের মারার জন্য খুনি ভাড়ার করার টাকা তোলার আয়োজনেও সমর্থন দিতে হবে?"আমি হয়তো তাদের সমর্থণ দিবোনা কিন্তু তাদের আবেগের জায়গাটা বুঝি।
এবং সেই পরিকল্পনা যে আদৌ সিরিয়াস কিছু ছিলোনা,সেইটা আমি যেমন বুঝি,আপনেও তার চেয়ে বেশি বোঝার কথা।
সচলায়তন আমারও অপছন্দের কিন্তু আপনার সচলবিদ্বেষ এখণো
গেলোনা।সমোলোচনা আর বিদ্বেষ'কে একভাবে দেখিনা বলেই,আপনাকে মাইনাস দিলাম।স্যারি।
লেখক বলেছেন: আপনার মাইনাসের জন্য ধন্যবাদ।
সচলায়তন থিকা ডেপুটেশনে বৃহৎ মুষ্ঠিরে আমার ব্লগে পাঠায়া আমাদের গালি দিবে থুতু দিবে আর আপনে ভাল ভাল কথা কয়া মাইনাস দিবেন এই অবস্থানটা বেশ চমৎকার।
তাদের আবেগ এইরাম কইরা বাড়তে থাকলে বাংলা ব্লগের কী হাল হবে সেইটা চিন্তা কইরেন।
সেই পরিকল্পনা আদৌ সিরিয়াস কিছু ছিল না এইটা কি তারা কইছে না আপনে কইতেছেন?
আপনার সঙ্গে আলোচনা করা বাসনা করি।
আলোচনা আগায়া নেওয়ার স্বার্থে একটা প্রশ্ন দিয়া শুরু করি।
সমালোচনা আর বিদ্বেষের পার্থক্য আপনে কিভাবে নির্ধারণ করেন?
পাগল রাজা বলেছেন:
একমত পোষন করছি
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
"সচলায়তন থিকা ডেপুটেশনে বৃহৎ মুষ্ঠিরে আমার ব্লগে পাঠায়া আমাদের গালি দিবে থুতু দিবে আর আপনে ভাল ভাল কথা কয়া মাইনাস দিবেন এই অবস্থানটা বেশ চমৎকার"। বৃহৎ মুষ্টি'র লেখা আমি পড়ি নাই।আমার অজ্ঞতা আমার দোষ।সমোলোচনা হলো দোষ এবং গুণ উভয়ের বর্ণনা,তাদের দোষগুলিকে ধরিয়ে দেয়া এবং যেগুলো প্রশংসনীয় সেইগুলোকে হাইলাইট করা।যেমন যে ছেলেটা রাজাকারদের টাকা উঠিয়ে খুনী ভাড়া করতে চেয়েছে।এইটা অতিআবেগের বহিঃপ্রকাশ কিন্তু ভাবনা'টা ভুল।
আবার এর পিছনে,যুদ্ধপরাধী রাজাকারকারদের বিচারে রাষ্ট্র যখন দ্বায়িত্ব নেয়না,মেইনস্ট্রিম মেডিয়া নিঃশ্চুপ করে থাকে, তখনে সে হতাশা তাকে গ্রাস করে,সেই হতাশা তাকে এই ধরণের মন্তব্যে বাধ্য করে।আমি তার অনূভুতির সাথে একাত্ম কিংন্তু এক্সপ্রেশণ-এর সাথে দ্বিমত পোষণ করি।
আপনি তাঁর এই চিন্তাধারাকে আদৌ কোন গুরুত্ব না দিয়ে,কোন মূল্যয়ন না করে যদি বলেন ফ্যাসিবাদ,তাইলে সেটা হয় বিদ্বেষ কিন্তু তার সৎ কিন্তু ভূল ভাবনাটা'কে ধরিয়ে দিতেন তাইলে হতো সমোলচনা।
লেখক বলেছেন: আপনে বৃহৎমুষ্ঠির লেখাটা পড়বেন না বইলা ঠিক করছেন?
এই বাক্যের স্থলে,
এই প্রশ্নে কেনো আমি জামায়াত বা রাজাকারের পক্ষের শক্তি হমু!?
পড়তে হইবো
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
ভাস্করদা, আমি ফ্যাসিবাদ বলতে যেইটা বুঝি,সচল কতৃপক্ষ যদিও সেইটা হয়,তাইলে আমি কোনভাবেই সচলের ব্যানমুক্তি চাইবো না।"এখন সচলায়তন ব্যান হইলে তার প্রতিবাদ করনের কালে কি আমি কইতে পারিনা যে সচলায়তন কর্তৃপক্ষ ফ্যাসিস্ট হইলেও তার ব্যান প্রক্রিয়া আমি সমর্থন করি না"?আপনার মতামত এমনটা হইলেও আমি যেকোন ফ্যাসিবাদ'কে আইনকরে নিষিদ্ব করার পক্ষপাতি।এই ক্ষেত্রে যুক্তিতর্কের ধার আমি ধারিনা।
ফ্যাসিবাদ মানলে,নাজি পার্টি যেইটা জার্মানী'তে এখণো নিষিদ্ধ(কিন্তু তার সমর্থক যে নাই এমন নয়) তাদের রাজনীতির অধিকার দিতে হবে,ইসরাঈলের সেলফ্ ডিফেন্সের নামে প্যালেষ্টাইনি হত্যাযজ্ঞ সমর্থণ করতে হবে ।
আর কেই রাজাকার সহানূভুতিশীল কিংবা পক্ষের শক্তি কেমনে আসতেছে,আমি বুঝতেছি না,আমি যতদূর মনে পড়ে এইটা নিয়ে কোন কথা বলিনি এমনকি ইশারাও দেয়নি।
সচলায়তন'কে আমি "অনুদার হটি,এলিট কম্যুনীটি" বলতে পারি কিন্তু ফ্যাসিষ্ট মনে করিনা।
লেখক বলেছেন: আগুন! আগুন!
লেখক বলেছেন: ক্যান মুছবো ক্যান?
প্রথমেই দুঃখ স্বীকার করতেছি। আপনে রাজাকার বা জামায়াত বিষয়ে কিছু কন নাই কিন্তু আমি অপ্রাসঙ্গিকভাবেই ঐ প্রসঙ্গ আনছি। তয় বৃহৎ মুষ্টি নিকে আমার বিরুদ্ধে ঐ অভিযোগ দেওয়া হইছে...
আর ফ্যাসিজমের যেই কয়টা বৈশিষ্ট্য আছে তার প্রায় সব কয়টাই সচলায়তন কর্তৃপক্ষের আচরনে আমি পাইছি...তারা ভিন্নমতের কারনে আমারে জানাইছে আমি conform করি না বইলা তারা মনে করে আমি সচলায়তনের ভালো চাইনা। ফ্যাসিস্ট মুসোলিনিও এই স্বরে ইতালির উন্নয়ন নিয়া ভাবতো। সচলায়তন কোনরম নোটিশ ছাড়া আমার লেখা প্রকাশের অধিকারে হস্তক্ষেপ করছিলো। যেই নিয়মের প্রয়োগ দেখাইয়া তারা এই পদক্ষেপ নেয়, সেই একই নিয়মে আরেকজনের লেখা সরাইয়া তারপর সেইটারে কারিগরী ত্রুটি হিসাবে এস্টাবলিশ করনের ধান্দা করে। এইগুলি এলিটিজমও বটে...তয় ফ্যাসিস্টরাও নিজেগো এলিটিস্ট মনে করতো...হিটলার আর মুসোলিনি'র বচন পড়লেই টের পাইবেন...
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
আমি দুই-একবার মন্তব্য করেছি অতিথী হিসেবে কিন্তু কমেণ্ট মডারেশনের জন্য দীর্ঘকাল অপেক্ষা করতে হয় বলে,তাই আর আগ্রহ পায়নি।কিন্তু স্বীকার করতে দ্বিধা নাই,অনেক ভালো লেখা আমি পড়েছি সচলায়তনে।"সচলায়তন"যদি ব্যাক্তি হিসেবে আমার সাথে ফ্যাসিবাদি আচরণ করতো,তাইলে আমি কোনভাবেই ব্যানমুক্তি চাইতাম না।কোন "ফ্যাসিবাদী শক্তি" শক্তি স্বমন্ধে আমার ধারণা খুবই পরিষ্কার এবং তার পরেও মননে কিংবা ভাবনায় তার বিকাশ কখণোই আমার কাম্য না। আমি মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী কিন্তু সেই স্বাধীনতাই যদি আপাতদৃষ্টিতে অন্যকারো মতপ্রকাশে বাধা হয়ে দাঁড়ায়,তাইলে সেই স্বাধীনতা আদৌ কাম্য নয়।
ফ্যাসিষ্ট'রা সবশ্যই এলিট চেতনাধারী কিন্তু সব এলিটই কি ফ্যাসিষ্ট!
আমি তবু্ও সচলায়তন ব্যান খাইলে তার প্রতিবাদ করুম...
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
তাইলে ভাস্কর'দা আমি তালেবানগো প্রকাশ্যে সাপোর্ট দিমু,ওরা ফ্যাসিষ্ট কিন্তু যাদের লগে ফাইট করতেছে তারা আরো বড় ফ্যাসিষ্ট।
দরদী নজরুল বলেছেন:
পোষ্টের বক্তব্যের সাথে পুরোই একমত।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
যা হোক, আপনার লেখা থেকে আমরা প্রকৃত অবস্থা জানতে পেরেছি। সেজন্য আপনাকে ধন্যবাদ। শত বিরক্তি সত্ত্বেও আপনি নীতিবোধ বিসর্জন দেন নি - এটা অবশ্যই একটি বড় মানবীয় গুন।
আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
আমার কিন্তু মনে হয়, দুর্বল সময়ে আমি বা আমরা কেউই অতিরিক্ত সমালোচনা করিনি। খুব প্রয়োজনীয় সমালোচনাটা রেখে বাকীগুলো মনে সরিয়ে রেখেছি। কিন্তু কেউ কেউ দুর্বল সময়ে পুরা হাজি হয়া যাইতে চান। এইখানেই সমস্যা।
মন্তব্যের জন্য আবারও ধন্যবাদ।
আরে ভাই, আমি বলি আমাদের এই সমালোচনা মূলক ভুমিকার কারণে বাংলা ব্লগের জগৎ আলোকিত হইছে।"
একমত মাহবুব ভাই। সমালোচনা মূলক ভূমিকাই বাংলা ব্লগকে এগিয়ে নিয়ে গেছে। সামহোয়ারের নানা সিদ্ধান্তে আমি বিরক্ত ও দ্বিমত প্রকাশ করলেও সামহোয়ার মুক্ততাকে নীতি হিসেবে অবলম্বন করেছে - এটা ভাল লাগে। সে নীতিতে কতটুকু সফল হয়েছে সেটা ভিন্ন প্রসংগ, কিন্তু নীতি হিসেবে মুক্ততাকে বেছে নেয়া অবশ্যই প্রশংসার যোগ্য।
আর যারা এই নীতিতে বিশ্বাসী নন, তারা তো অন্ধকার দেখতে পাবেনই।
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস এগেইন।
আমি বুঝি নাই এইখানে প্রতিবাদ করনটারে আপনে কি অর্থে নিতাছেন!
আওয়ামি-বিএনপি সমর্থন করি না কিন্তু শেখ হাসিনা-খালেদারে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের শিকার হইতে হয় তখন আমি সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকতে চাই!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
ভাস্কর দা, পরিস্কার করেই বলি,আমি সচলায়তন'কে ফ্যাসিষ্ট মনে করিনা তাই তার ব্যানমুক্তি চাই।যদি মনে করতাম,তাইলে চাইতাম না।ছোট ফ্যাসিষ্ট,বড় ফ্যাসিষ্ট এই টার্মগুলো আমার কাছে ক্লিয়ার না।"তালেবানগো যদি মার্কিনীরা নিধনে নামে তাইলে আমি তারও প্রতিবাদ করুম". আপনে এইটা করতে পারেন আমিও করবো্,,,,,,, মানবিক দৃষ্টিভংগি থেকে।কিন্তু চেতনাগতভাবে মার্কিনি'রা তালেবানদের রোধ করে,সেইটা'তে আমি কোন প্রতিবাদ করবো না।ব্যাক্তি'কে আমি মানবিক দৃষ্টিভংগী থেকে দেখলেও তার ফ্যাসিষ্ট মতাদর্শ'কে আমি ওইভাবে দেখিনা এবং সেই মতাদর্শকে আরেক ফ্যাসিষ্ট মতাদর্শ রোধ করে,সেই ক্ষেত্রে আমার কোন "সে" নাই।
সচলায়তন'কে আমি একটা চেতনাগত অবস্থান হিসাবেই

















