১. প্রগতিশীলরা বলেন, ধর্ম নিয়া উচ্চবাচ্য করার কিছু নাই। এইটা যার যার ব্যক্তিগত ব্যাপার। মানলাম। কিন্তু নাস্তিকতাও যে ব্যক্তিগত বিশ্বাসের ব্যাপার, এইটা নিয়াও যে উচ্চবাচ্য করার কিছু নাই। সেইটা কেন তারা বুঝতে পারেন না। সেইটা বুঝি না।
২. নাস্তিকেরা মনে করেন, মানবজাতিরে মুক্ত করার জন্য নাস্তিকতার প্রচার দরকার। আবার ধার্মিকরা মনে করেন, মানবজাতির মুক্তির জন্যই ধর্মপ্র্রচার দরকার। মুক্তির দোহাই দিয়া প্রচারণার শেষ কোথায়?
৩. আমার মতে, নৈরাজ্যবাদী নাস্তিক ও জঙ্গি মোল্লার সংখ্যা সমান। উভয়ে প্যানিক আর গিমিকের দাস। দূর থেকে মনে হয় সংখ্যায় অনেক। কিন্তু কাছে গেলে বুঝা যায় শূন্য কলসি বাজে বেশি।
৪. অন্যের মতাদর্শ বা মতাদর্শের প্রচারকদের খাটো করে যে নাস্তিকতা দাঁড়াতে চায় তা শুধু নিম্নরুচির চিন্তাকেই প্রকাশ করে।
৫. ধর্ম যখন অন্য ধর্ম ও মতাদর্শকে অভিসম্পাত করে, তখনও তা বিদ্বেষ ও হিংসাকেই পথ করে দেয়।
৬. দুনিয়ার চিন্তা যখন অনেক আগায়ে গেছে, তখন আমাদের কিছু ভার্চুয়াল চিন্তাবিদ এখনও ডারউইনের যুগে পইড়া আছে। বিদ্যা অর্জনে আমাদের স্লোনেস সহজে ঘুচবে বইলা মনে হয় না।
৭. নাস্তিকতার সঙ্গে যারা বামপন্থাকে এক কইরা ফেলেন, তারা বুর্জোয়াদের পক্ষে পলিটিক্স করেন। মানুষরে নাস্তিক কইরা কমিউনিজম প্রতিষ্ঠা কোনোদিন সম্ভব না।
৮. কোনোদিনই পৃথিবীর সব মানুষ পুরা নাস্তিক হবে না। আবার কোনোদিনই পৃথিবীর সব মানুষ এক ধর্মের ছাতার তলে আসবে না। ফলে, এই নিয়া যারা বল প্রয়োগের কথা চিন্তা করেন, তাদের থামতে অনুরোধ করাই প্রথম কর্তব্য।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

