somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিক্ষিপ্ত কিছু কথা….. (আপডেটেড)

১২ ই জুন, ২০০৯ ভোর ৫:০৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


আমি প্রতিদিন রাতে ঘুমাই কোনো একটা স্বপ্ন নিয়ে। যেই স্বপ্নটা আগামীদিন পূরন করতে চাই। স্বপ্ন গুলো বড়ই সাধারন । যেমন গত কাল স্বপ্ন দেখেছিলাম একটা মুভি দেখার । তার আগের দিন দেখেছিলাম কোনো এক স্থান থেকে ঘুরে আসার তার আগের দিন একটা গল্পের বই কেনার। কখনো কখনো স্বপ্ন গুলো বাস্তবায়ন হয় কখনো হয়না। কিন্তু সব সময়ই কোনো না কোনো স্বপ্ন দেখতে চাই। কিন্তু সব রাতেই যে স্বপ্ন থাকে তা কিন্তু না। যে রাতে স্বপ্ন থাকে না সেই রাত গুলোতে ঘুমাতে যাই না। কখনো পিসির সামনে কখনো ছোট্ট বারান্দায় দাড়িয়ে আথবা কখনো পুরোনো স্মৃতির উপর বিচরন করে রাতটা পার করে দেই। আজ সে রকম একটি রাত যেই রাতে সকালো পূরন করার মত কোনো স্বপ্ন নাই।

সকাল ৭ টা

পিসিটা বন্ধ করে ইউনিভার্সিটির জন্য প্রস্তুতি নিলাম। ৭.৩০ এর দিকে বাসার কাউকে না বলেই বেরিয়ে গেলাম। প্রায় ৮.১০ এ পৌছালাম। ৮.৩০ এ Math ক্লাশ আছে আজ স্যার এর কুইজ এর রেজাল্ট দেয়ার কথা। তবে সেই আশা করা প্রায় অপরাধ এর পর্যায়ে পরে। কারন উনিই সম্ভবত একমাত্র শিক্ষক যে কিনা প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে সেশন জট লাগেতে পারে।
হাহাহাআআআ। নিজে নিজেই হাসলাম স্যারের কান্ড কারখানা চিন্তা করে । ভাবতে ভাবতে ৮ তলায় উঠে গেলাম। লিফটের জন্য দাড়িয়ে থাকতে সব সময়ই কষ্ট লাগে। বলতে পারেন আমি উল্টা ধরনের অলস। লিফ্টের জন্য দাড়িয়ে থাকতে আলসেমি লাগে কিন্তু লিফট এর সাথে রেস করে দৌড়ে উঠি। এই কাজটা যেমন বাসায় করি তেমনি ইউনিভার্সিটিতে। ভালই লাগে খারাপ কি। ক্লাশে এসে দেখি ৩টা মেয়ে অলরেডি চলে আসছে বসলাম ৩য় বেঞ্জে এই সিটটাই আমার প্রিয়। মেয়ে গুলা ফিস ফাস করতেছে। এই মেয়েদের কাজই হল ফিস ফাস করা আর সবার আগে এসে ক্লশে বসে থাকা। যাই হোক আজকে রিভিউ ক্লাস কার কি প্রবলেম আছে বলবে । আমার কোনো প্রবলেম নাই। কারন স্যার যে ক্লাশে বুঝিয়েছে তা ঠিকই বুঝছি কিন্তু বাসায় প্রেকটিস করি নাই। সুতরাং প্রবলেম বেরও হয় নাই। যাই হোক স্যার আসলেন যথারিতি কুইজ রেজাল্ট দিতে ব্যার্থ হলেন। এবং ক্লাস নিয়ে চলে গেলেন। ঘুম ভরা চোখে ক্লাশ থেকে বের হয়ে ক্যাফেটেরিয়তে গেলাম। তাও অন্য বিল্ডিং এ সেটা যেতে অনেক কষ্ট করতে হয়। যথারিতি Noodles আর কফি অর্ডার দিলাম। নেক্সট ক্লশের এখনো ১ ঘন্টা ৪০ মিনিট বাকি । কি করা যায় ভাবতে ভাবতে খাওয়ার কাজ শেষ হয়। একটা বই বের করে পড়তে যেয়ে দেখি কিচ্ছু ঢুকছে না মাথায় । তার আমি এখন পড়া হবে না। কি আর করা অগ্যতা নিচে নামলাম। কোনো পরিচিত মুখের আসয় ক্যাম্পাস এর এক মাথা টু আরেক মাথয় গেলাম। পেলামও কিছু পরিচিত মুখ। কিন্তু সমস্যা হল আমি কারো সাথেই সহজ হতে পারি না। কি আর করা ঠিক করলাম ল্যাব এ যাব রওনা দিয়েও থেমে গেলাম কেন জানি ইচ্ছা হল না।

আসলে মনটা খারাপ কোনো উদ্দেশ্য না থাকলে আমার এমন হয় আমার । কোনো উদ্দেশ্য বিহীন চলা সত্যি কঠিন। যাই হোক অনেক কষ্টে বাকি টাইম এদিক সেদিক ঘুরা ঘুরি করে কাটিয়ে দিলাম। এর পর BUS 101 ক্লাসে চলে গেলাম এখনো একই কান্ড মেয়ে গুলা এসে ভরে গেছে আবার সেই থার্ড বেঞ্চ এ গেলাম। একটা ছেলে এসে বসল পাশে। ছেলেটা এমনি তে ভালই তবে দেখলেই মনে হয় কোনো টেনশনে আছে। জিজ্ঞেস করলাম কেমন আছে বল্ল ভালই । তবে দেখে মনে হল না। একটু পর আসল বিশ্ব প্রেমিক। এই ছেলে আজ এ তো কাল ঐ মেয়ের সাথে লাইন মারা। বসল যেয়ে এক মেয়ের পাশে মেয়েটা ডিষ্টর্ব ফিল করতেসে তার ঐ দিকে খেয়ালই নাই । একবার এই প্রশ্ন তো আরেক বার আরেক প্রশ্ন কইরা মেয়েটার সাথে কথা বলতে চাইতেসে। যাই হোক ঐ দিকে মাথা ঘামালাম না। পাশের ছেলেটার সাথে একটু আড্ড দেয়া শুরু কলাম। বিক্ষিপ্ত কথা বর্তা এখন পড়া লেখা তো তখন খেলা এমন। এখনো ক্লাসের ৩০ মিনিট বাকি সুতরাই টাইম পাসএর চেষ্টা আরকি। আরো কিছু ছেলে যোগ দিল আমাদের সাথে একসময় প্রচুর হাসাহাসি হচ্ছিল স্পোকেন ক্লেসে কে কি মজার কান্ড করেছে ঐটা নিয়ে। হঠাৎ একটা মেয়ে বল্ল আচ্ছা তোমার কি কোনো টুইন ভাই আছে??? আমি তো থতমত খেয়ে গেলাম। আমারে বলছে নাকি??? আমাকে তো বলার কথা না! কিন্তু পরে বুঝলাম আমারেই বলেছে কিচ্ছুক্ষন ভেবে সিন্ধান্ত নিলাম আমার কোনো টুইন ভাই নাই। সুতরাং খুবই গম্ভির ভাবে উত্তর দিলাম। নাহ। মেয়েটা মনে হয় অবাক হল বা নিরাশ হল এই টাইপের কিছু একটা হবে। পরে গভীর চিন্তায় ডুবে গেলাম আমাকে এই প্রশ্নটা জিজ্ঞেস করল কেন???? গত কাল এক দোকিনী ও জিজ্ঞেস করছিল ভাইজান আপনার কি কোনো বড় ভাই আছে আমি তো ভাল মানুষের মত উত্তর দিয়েছিলাম হ্যা। কিন্তু এই মেয়েটা এই প্রশ্ন করল কেন???? সেই উত্তর খুজতেই টয়লেটের উদ্দেশ্যে রওনা হলাম। কারন দেখা দরকার চেহারা পাল্টে গেল কিনা সামান্য……………………………………..

আয়নার নিজেকে দেখে আমি তো নিজেই অবাকsurprised! এটা কেthinking? ওহ ! এটা তো আমি না । পুরা এক মিনিট চোখ বন্ধ করে থাকলাম। চোখ খোলার পরও সেই একই অবস্থা কিছুক্ষন অসুস্থ বোধ করলাম তার পর ব্যাপারটা নিয়ে ভাল করে চিন্তা ভাবনা করলাম। আসলে চেহারা পাল্টিয়েছে ঠিক কিন্তু তা এক দিনে পাল্টায় নাই। আচ্ছা শেষ কবে নিজের চেহারা দেখেছি? নাহ মনে পরছে না। মুখটা ধুয়ে ক্লাসের উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। যেয়ে দেখি ক্লাস শুরু হয়ে গেছে । চুপ চাপ যেয়ে ক্লাসে বসে গেলাম। ইস কয়েক মাসের ব্যবধানে কত চেঞ্জ হল সব কিছুর আগে ছিলাম রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের জেলখানায় আর এখন ইষ্ট ওয়েষ্টের মুরর্গির ফার্মে । ঐখানে বিশাল এরিয়া হওয়ার পড়ও জেলখানা জেলখানা লাগত। কারন অনেক আইন অনেক নিয়ম কানুন। অথচ এই মুরর্গির খামারে আবার নিয়ম কানুন তেমন একটা নাই। যে যখন খুশি ক্লাশ থেকে বের হচ্ছে আসছে স্যার দেখেও না দেখার ভান করছে। ভালই খারাপ না। এই ক্লাশটাও শেষ হল । আজকের মত ক্লাশ শেষ। এখন আর কিছুই করার নাই। বাসার উদ্দ্যশ্যে রওনা দিব। দুই এক জন এর সাথে টুক টাক কথা বলে বাসার উদ্দ্যেশ্যে রওনা দিলাম।
…………….

রাত: ১:৫০

আজ পরীক্ষা আছে তাই নেটে আসতে একটু দেরি হয়ে গেল। আসলে নেটে আসার ইচ্ছা ছিল না আজ রাতে কিন্তু কি আর করা ফোরামটাতে না এসে থাকতে পারলাম না। এখন ভাবছি আজ রাতে জেগে থাকব নাকি ঘুম দিব। ফোরামে ঢুকেই বুঝতে পারলাম সকালে কি ঘটনাটা ঘটেছিল! আসলে আমি গত পরশু চুল কেটেছি বিশাল চুল কেটে এত ছোটো করেছি যে হাত দিয়ে ধরা যাবে না। গত ১০ বছর এভাবেই চুল কাটতাম কিন্তু কলেজের মাতব্বরি শেষ তো আমার চুল ও বড় হচ্ছিল। কি ভেবে যে কেটে ফেল্লাম তা নিজেও জানি না। আসলে মানুষ অভ্যাসের দ্বাস তো , পুরোনো অভ্যাস ছাড়তে একটু সময় লাগবে।

কিছুক্ষন ফোরামে এই সাইটে ঐ সাইটে ঘুরা ঘুরি করলাম, কাজ করার এখন আর কিচ্ছু পাচ্ছি না। মাঝে মধ্যে এমন হয় কখনো কখনো চান্দি গরম হয়ে যায় কাজের ঠেলায়, আবার কখনো কখনো কিছুই পাইনা কাজ করার। কি করি ভাবতে ভাবতে নাইট রাইডার এর নতুন একটা সিয়াল বের হয়েছে সেটা দেখতে বসলাম কিন্তু কিছুক্ষন দেখার পরই আমার মাথা চক্কর দিয়ে উঠল সর্বনাস! হায় হায় এখন কি হবে!!!!

………

আজ দুইটা পরীক্ষা। MAT 100 আর BUS 101 অথচ BUS 101 এর কথা আমার মনেই নাই। আমি মাত্র একটা সাবজেক্ট পড়েছি। কিছুক্ষন ভাবলাম কি করা যায় ? তার পর সিদ্ধান্ত নিলাম। টেনশন নিয়ে লাভ নাই। দিলাম একটা ঘুম। আমি এমন টা করি। কখনো যোদি এমন সিচুয়েশন আসে যেটা করা খুবই কঠিন তখন যত দরকারিই হোক আমি আর সেই কাজের আগ্রহ পাই না। তবে যেই কাজটা পছন্দ করি বা ভাল লাগে করতে যত কঠিনই হোক চেষ্টা চালিয়ে যাই।

BUS 101 এর স্যার একটা এসাইনম্যান্ট দিয়েছে। এসাইনম্যান্ট টা হল Business Plan প্রথমে খুবই মজা লাগছিল পরে দেখি আসলে বিষয়টা এত সোজা না । বেশ কঠিন। অনেক জটিলতা এর মধ্যে। Study Room এ বসে বসে কি ভাবে Business এর লাভ দেখানো যায় তা চিন্তা ভাবনা করছি। কিন্তু কিছুতেই লাভ দেখাতে পারছি না। চান্দি একটু একটু গরম হচ্ছে। তার মধ্যে এত হৈচৈ। স্টাডি রুমে বসে কিছু করতে নিলে এই এক সমস্যা। Study Room আর Study Room নাই। Dating Room হয়ে গেছে। কালকে একটা কাজ করতে হবে, বাসা থেকে একটা কাগজে প্রন্ট করে নিয়ে আসব Dating Room লিখে তার পর দরজায় লাগিয়ে দিব। ভালই হবে কাজটা এর মধ্যে কোনো সমস্যা দেখছি না। এই সব চিন্তা করতে করতে ব্যাগ গুছিয়ে বেরিয়ে এলাম স্টাডি সরি ডেটিং রুম থেকে।

রিসার্চ বিল্ডং থেকে নেমে দেখি এলাহি কান্ড ফুচকা খাওয়ার ধুম পড়ে গেছে। ফুচকা আমার ভালই লাগে শুধু ভালই না বেশ ভাল লাগে। তবে এখন খাওয়া সম্ভব না। সবাই যখন যা করে আমি সেটা করতে পারিনা এটা আমার আরেক সমস্যা। আস্তে আস্তে একাডেমিক বিল্ডং এর দিকে এগুলাম। হঠাৎ দেখি এক পুরোনো ফ্রেন্ড । আমি ওরে কিছুক্ষন দেখে চিনলাম। কিন্তু আমারে চিনার কোনো কারন নাই। কারন ওর সাথে বেশ কয়েকটা ফ্রেন্ড আছে , খুবই ব্যস্ত মনে হয়। কি আজব আমরা স্কুল, কলেজ পাল্টালে আমাদের ফ্রেন্ড ও পাল্টে যায় পুরানো ফ্রেন্ড গুলারে একদম ভুলে যাই। কেন যে মানুষ এমন???

মানুষ কে চমকে দেয়ার মজাই আলাদা। তাই ঠিক করলাম আমার পুরানো বন্ধুটারে চমকে দেয়া যাক। কিন্তু যায়ে দেখা করা ঠিক হবে না। কারন ঐযে আগে বল্লাম! মহা ব্যস্ত! একটু অন্যভাবে চমকে দেয়া যায় ………………….

………………..

হুম এবার চমকে দেয়ার পালা! আমার একটা অভ্যাস আছে আমি কোনো ফোন নাম্বার মুছি না মোবাই থেকে! একবার একটা নাম্বার পেলেই হল সেটা সেভ করে ফেলি । এটা করি কারন অপরিচিত নাম্বার আমি রিসিভ করি না। সুতরাং যত পারি সেভ করি। যাক সে কথা । আমার ঐ বন্ধুটার ফোন নাম্বার বের করে দিলাম ফোন । কপাল ভাল ফোন পাল্টায় নাই। ধরল ফোন টা।

>কেমন আছেন …..
>> কে?
> আরে আমারে চিনবেন না
>> চিনব না কেন আপনি কে বলেন
> তার আগে আপনার সাথে মেয়েটা কে সেটা বলেন?
>> কোন মেয়েটা? (এদিক সেদিক তাকিয়ে) [তখন যোদি আপনারা ওর চেহারাটা দেখতেন!!]

এমন একটা ভাব ধরল মেয়েটারে চিনেই না। ওর সাথে যে মেয়েটা ছিল সে ওরে কি যেন বলতেসে কিন্তু ওর কোনো খেয়াল নাই সেদিকে। ও খুজতেসে কে ওরে ফোন করছে তাকে। কিন্তু আমারে কই থেকে পাবে, আমি ঐ ভাবেই আছি যাতে দেখতে না পায়tongue

> আপনার বাসা কই যানি ভাই জান মোহাম্মদপুর না?
>> জ্বি ? জিনা আমার বাসা ধানমন্ডি।
> তাই না ? তা ধানমন্ডি ৩২ নাম্বার নাকি?
>> আরে ভাই আপনি বলেন তো কে আপনি ?
> শুনেন ভাই আপনার বাড়ি মোহাম্মদপুর এটা আমি জানি।

আরেকটা কথা শুনেন আপনার সামনের মেয়েটারে আপনি বলসেন আপনার বাড়ি ধানমন্ডি এইটা ঠিক করেন নাই। (আন্দাজে ঢিল মারসি!big_smile)

>আপনি এখন মেয়েটারে সরি বলেন এবং চাপা যে মারসেন সেটাও বলেন। ওর মুখটা যোদি তখন আপনারা দেখতেন (হাহাহা)

>> এই গুলার মানে কি ভাই? আপনি চানটা কি?
>আরে ভাই আমি কি চাব আপনার কাছ থেকে ? আপনি একটা চাপা মারসেন সেটার জন্য এখন কনফেস করবেন।

>আচ্ছা একদিন সময় দিলাম আপনারে এর মধ্যে যোদি না বলেন আপনারে এমন দৌড়ানি দিমু আপনি চিন্তাও করতে পারবেন না।

বলে ফোনটা রেখে দিলাম। আহারে আমার দোস্তের অবস্থা যোদি তখন আপনারা দেখতেন । পরে নিজেরই খারাপ লাগল বেচারার হার্টের অবস্থা কিছুক্ষনেই খারাপ করে দিসি।

ওরে জাস্ট একটু টাইট দিলাম আর কি । আর যখন বুঝলাম ও চাপা মারসে তখন মাত্রাটা একটু বাড়িয়ে দিলাম যাতে পরবর্তিতে চাপা মারার আগে যেন একটু ভাবে।

সেদিন রাত ১২ টার দিকে পিসির সামনে বসে এদিক সেদিক ঘুরা ঘুরি করছিলাম মজাই লাগছিল। কিন্তু আমার জীবনে মজা খুব একটা টিকে না সুতরাং এবার ও টিকল না……….
৫টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×