
১.
চাঁদের মেয়েটি আলোর মাঝে থাকে।
আগুনের মত আশার আর জোনাকির মত নরম হয়ে,
কারো জন্য মেয়েটি আলো নিয়ে আসে।
যেখানে হাড়ি উল্টে পড়ে আছে।
গতকালের বাসি খাবারে প্রজাপতির মত ছোট ছোট পতঙ্গ!
চাঁদের মেয়েটি আলো এনেছিল।
চালের ভেতর আলো মাখিয়ে দমে রেখে দিল সময়টাকে।
জলে কাদায় যে ছোট মাছেরা
সুযোগ পেলেই মরে যায়।
চাঁদের মেয়েটি নরম হাতে আগলে রাখে তাদের।
সে ফিরলেই কড়া পাকে ভেজে দিতে হবে।
কতকাল আর গতকালের খাবার খাবে কেউ!
চাঁদের মেয়েটির ভাল লাগেনা দিন
রাত না হলে আলো থাকেনা তার...
রাত না হলে কষ্টে থাকে সেও!
২.
তোমাকে কিছু একটা বলতে চাই
বুনো সূর্যের লেজ ধরে চলে যেতে চাই দূরে!
দু' একটা রাঙা পথে
পড়ে থাকে কাক-শালিকের পালক।
পচে গলে থাকে বটের ফল।
এসব আঙ্গুলে মেখে যেতে চাই নিয়ে...
যেখানে তুমি নিঃসঙ্গ একাকি
অপেক্ষাতে দাঁড়িয়ে থাকো।
তোমার কপালে শিল্পকলা এঁকে দিতে
আঙ্গুলটা আমার কাজে লেগে যাবে একটা সময়!
যেদিন কিছু না বলেও আমার
বলা হয়ে যাবে অনেক কিছুই;
তুমি জেনে যাবে, কি করে ভাল থাকতে হয়!
পোষ্টের ভেতর আরেকটা পোষ্ট:
আমার দাদা
আমার দাদা ভুতুম বিলাই
বললে করেন কাঁথা সেলাই।
সুঁচে পরান সুতো
দিব্যি লাগান গুঁতো।
বললে আমি শিং গজাবে দেখো
রাঙা চোখে ওমনি বলেন শেখো!
কেমন করে মাথায় গজায় শিং--
ধিঙি মেয়ে কল্কিচুলোয় থাকো সারাদিন।
তারচে তো শিং গজানো শেখো
শিংয়ের গুঁড়ো রূপচর্চায় মেখো।
শুনে আমি তো হেসেই খুন;
মাথা থেকে দুটো উকুন
দাদার মাথায় দিলাম ছেড়ে
সেলাই ফেলে আসলো তেড়ে
আমার দাদা ভুতুম বিলাই
সুযোগ পেলেই আমায় কিলাই!
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৫:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



