
১.
এভাবে প্রতিদিন তারা হারিয়ে যায়। ভোর হলে অথবা রাত অবধি
নিরাসক্ত এভাবেই প্রতিদিন! জননীর কান্না দুপায়ে ঠেলে
একেকদিন বড় অনভিপ্রেত।
হারাতে পারদর্শী অতীত আমার!
২.
তোমাকে হারালে আমি বড় সাধারন হয়ে যাই। যেমনটা আর দশজন! চোখ, নাক মুখ নিয়ে বড় বেশি একরকম। সব একসাথে মিশে গেলে কি করে আমি আমাকে পাব!
৩.
একদিন কিছু শব্দের ভেতর দিয়ে কষ্ট এল, শব্দটা কেটে গেলে যেভাবে রক্ত ঝরতো, অশ্রুর উৎসব হত, সেভাবে কিছুটা! বহুগামী হৃদয় হলে হাতের বইটি খসে পড়বে।
এলোমেলো শব্দার্থে হারিয়ে যাবে বেদনার মানে।
শুধু আকাশ আর তারার খবর রেখে, জল কাদা ফুল গুলোকে অচেনা লাগে, উল্টোপাল্টা প্লাবনে সব ভেসে যেতে থাকে। সেদিন ঠিক কষ্টই পেয়েছিলাম। কিছু ক্ষুধার্ত কাকের মত নোংরা ঘেঁটে ঘেঁটে তোমাকে এগিয়ে যেতে দেখে।
৪.
কেউ আমাকে বলেছিল পেছনে তাকিয়ে রবে তো কাগজেরা তোমার জন্য মৃত্যুর ফুল হয়ে আসবে। আঘাতের শব্দগুলোকে কোঁচর ভর্তি করে কোলের কাছে রাখো, সঠিক মানুষটির গায়ে ছিটিয়ে দিতে পারলেই আজীবন তোমার তৃষ্ণা মিটে যাবে।
অথচ সামনে এগিয়ে যাওয়ার মত কঠিন কিছু নেই।
যেখানে স্থবিরতা কবিতার মত!
৫.
প্রশংসা থেকে মুখ ফিরিয়ে রাখা ভাল। সবচেয়ে ভাল জীবনীশক্তি লাল নীল কলমের ভেতর বন্দী করে রাখা। বেরিয়ে পড়া অজর বিনাশী পাখি গুলোর চোখে চোখ রাখবেতো অগ্ন্যুৎপাতে ঝলসে যেতে পারো। নিদ্রাবতীর পাখায় যখন ঘুমের দেবতা নামে, তখন কেউ এভাবে বলেছিল বলে আজ আমার এত বনাঞ্চল রুক্ষ কাঠগড়ায়!
কি করে সব পাথুরে জীবন গুলো এমন মানবীক গুন পেল, কি করে তারা হল শহুরে নাগরীক!
৬.
ভাবো, মানুষের মাঝে থেকে এ শহরে সে আজ কি রকম একা! ভেতরে ভেতরে সে আদীম জনপদ লালন করেছে। চামড়ার শরীর থেকে উপড়ে ফেলেছে স্বর্গের বেড়ী।
আজ এভাবে খাঁ খাঁ করা তাহিতির আপন মমতাদের সে আজ কি ভাবে দূরে ঠেলেছে।
ভাবো...এখন হৃদয়ে তার কি নিদারুন তাপ!
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ৯:৪৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


