চলুন একজন ঠেলাওয়ালার জীবনে সব ক্ষেত্রেই নারী পুরুষ সমান শ্লোগানটির কার্যকারিতা দেখি।
এখানে ঠেলাওয়ালা লিখে লিংগভেদ করা হচ্ছে না, কেননা আমি জীবনে কোন ঠেলাওয়ালী দেখিনি।
ধরুন তারা ঠিক করে নিল দৈনন্দিন জীবনে সব কাজকর্ম ভাগ করে নিবে।
একদিন ঠেলাওয়ালা ঠেলা চালাবে আর তার বৌ রান্নাবান্না করবে।
আরেকদিন তার বৌ ঠেলা টানবে আর ঠেলাওয়ালা রান্নাবান্না করবে।
কিন্তু এভাবে কি চালানো সম্ভব?
কেননা তার বৌ একসময় ৮ মাসের অন্তসত্বা হবে।
ইদানিং ডাক্তার মায়ের দুধের বিকল্প নাই বলে গলা ফাটান।
তাহলে খুব দ্রুত মায়ের দুধের বিকল্প আবিস্কার করতে হয়।
আরো ভাল হয় একটা সন্তান ঠেলাওয়ালা আর একটা সন্তান ঠেলাওয়ালি ধারন করলে।
উত্তরাধিকারে সমান অধিকারের প্রশ্নটি ঠেলাওয়ালার জীবনে কিন্তু কোন পরিবর্তন আনবেনা। যেমনটি আনবেনা ৩০ লক্ষ নারী গার্মেন্টস কর্মীদের জীবনে, কেননা তারা দিন আনে দিন খায়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

