আমার প্রিয় পোস্ট
- জানিনা,পেরেক কোথায় বিঁধে আছে/ছোট গল্প - বিহংগ
- সব ব্লগারের ইমেল এড্রেস সংকলন , আপডেটেড - তারকে
- আর কতকাল ? - লাবণ্য প্রভা
- আমার মায়ের সাতটি মিথ্যা কথা - প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা- ৩ (কেউ কথা রাখেনি ---সুনীল) - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- সেবার দাপটে সর্বেসর্বা - জ্বিনের বাদশা
- ফ্যাক্ট আর ফিকশনের গল্প, সাথে একটি মোরাল,সারা জীবন মনে রাখার মতো।/বিহংগ - বিহংগ
- ছি ছি! ইসলাম এতো খারাপ? - ফারজানা মাহবুবা
- আমাদের জন্য হযরত মুহাম্মদ (সা
এর ভালবাসা - অজানা একজন
ঠগাঠগির খেইল
১২ ই এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৫
দেশের বইনদের কষ্টে অনেকের আবেগ উত্থলাইয়া পড়তাছে মনে হয়। বইনদের ঠকানোতে তাদের মনে অনেক কষ্ট।
কিন্তু ৩০ লক্ষ বইনদের যে বছরের পর বছর ঠকানো হয় কম মজুরি দিয়া তাতে তাদের কইলজাতে লাগে না।
যেসব বইনদের সমানভাগে সম্পদ দিতে ব্লগের ভাইয়েদের কইলজ্যা ফাইট্যা যাইতাছে তাদের এক মাসের রূপচর্চার ট্যাকাতে গার্মেন্টসের বইনদের সারা মাস রানীর হালে চইল্যা যাইতে পারে।
অথচ দেশের রাজা বাদশাহ আর শিক্ষিত সমাজে দরকষাকষি চলতাছে নিম্নতম মজুরী কত দিলে ঐ বইনেরা আর ঠকত না।
হিসাবটা খুবি সোজা, তুই গরীব, তুই ঠকলে সমাজের অত ক্ষতি অইবনা যতনা ক্ষতি অইব একজন সম্পদওয়ালা বা সম্পদওয়ালী ঠকলে।
একজন নারীবাদি সভায় সেমিনারে বত্ত্যব আর মতামত দিয়া তিন বেলা পেট পুড়ে বিরিয়ানী পোলাও দিয়া আর এক নারী সকাল থাইক্যা সন্ধাবেলাতক জান বাই করইন্যা খাটাখাটুনি দিয়া একবেলায় ভালা খাইতে পায়না। এই ঠকানিঠা চোখে পড়ে না কেন?
গরীবেরা শত, হাজার বছর ধইরা ঠইক্যা আসছে ঠইক্যা যাইব এইঠাই নিয়ম। শিক্ষিতজনেরা হাজার বছরেওকি কোন আইন বানাইতে পারেনাই গরীবেরা যাতে একটু কম ঠকে। হিসাবঠা খুব সোজা, গার্মেন্টসের মাইয়া আর ইট ভাংগুনির মাইয়াও ইট ভাইংগা আর কাপড় সিলাইয়া একবেলা খাইব আর শিক্ষিত মাইয়া লোকেরা শুধু মাত্র কথাবার্তা কইয়া হাজার লক্ষ ট্যাকা কামাইব। আর এই নিয়ম নীতি থাইক্যা বাইর অওয়ার কোন উপায় থাকব না।
আমাদের দেশে জনদরদীদের অভাব যেমন নাই তেমনই অভাব নাই ইসলামের সেবকদেরও। অথচ নিজের প্রতি দরদ দেখাইলে দেশের এই বাজে চেহারা হইত না।
আগে নিজের জন্য খাট, নিজের অবস্থার উন্নতি কর, স্বভাব চরিত্র ভাল কর, তারপর সুযোগ থাকলে দেশের জন্য খাটনি দে। তা না দেশের জন্য জান দিতে, ধর্মের জন্য জান কোরবান করতে একপায়ে খাড়া ত না, আকাশে উইড়া বেড়াইতাছে।
ঠকাঠকির হিসাব নিকাশে মানুষদের মইধ্যে ঠোকাঠুকি লাগানের মত বদ লোকের অভাব আমাদের সমাজে নাই। অভাব আছে নিজে ঠইক্যা অন্যরে জিতাইয়া দেওয়ার মানুষের। তাইত আমাদের মা বোনেরা বছরের পর নিজে ঠইক্যা জিতাইয়া দিছে নিজের সন্তানেরে নিজের সংসার, সমাজ আর পরিবাররে।
এখন কিছু লোক আসছে যারা জিতাইয়া দিবার চায় মা বইনরে আর ভাংগতে চায়, সমাজ, সংসার আর পরিবাররে।
দুনিয়াতে যা কিছু গইড়্যা ওঠে তা ওঠে ত্যাগে, ভোগে না।
এইডা একটা আস্ত মিছা কতা।
এখন শেইষ পর্যন্ত দেহার বিষয় একটাই ঠগবটা কে আর জিতবঠা কেডায়।
যদিও শেষ পর্যন্ত ঠকানিডা খায় গরীবেই
মাহিরাহি বলেছেন:
ধন্যবাদ কেক বাংলাদেশ।
কোবরা বলেছেন:
গরীব দুঃখি নারীদের নিয়া আপনি যা লিখছেন ভালো লিখছেন কিন্তু নারীদের সম্পত্তির অধিকার নিয়া যা আব-জাব লিখার চেষ্টা করছেন তা আপনার মতন জাপান ফেরত শিক্ষিত মানুষের মানায় না...এই লেখা কোনো মাদ্রাসার পোলাপান লিখলে ঠিক হইতো...
মাইনুল বলেছেন:
আপনার এই সুন্দর পোস্টের জন্য ধন্যবাদ এবং প্লাস । আমি আরো কিছু যোগ করতে চাই। প্রথমেই আমি বলতে চাই, ইসলামের নারীর সন্মান কত। ইসলামের চোখে নবী রাসুলের পরেই মায়ের অবস্থান। অর্থাত মায়ের মর্যাদা বাবার চেয়ে ও বেশী। যদিও আমার ডিটেইলস ধারনা নাই, তবুও আমি যতটুক জানি তা বলছি। সম্পত্তিভাগের যে আইন আছে তাতে পুরুষ কিন্তু পাচ্ছে শুধু মাত্র বাবার কাছ থেকে। অন্যদিকে নারী পাচ্ছে বাবার কাছ থেকে এবং স্বামীর কাছ থেকে। আর ইসলামের চোখে নারীর ভরন পোষনের দায়িত্ব পুরুষের উপর। এজন্য বিয়ের সময় পুরুষকে দেন মোহর দিতে হয়। এবং স্ত্রীর ভরনপোষনের দায়িত্ব কিন্তু স্বামীর নিতে হয়। আর দেখেন মেয়ে যত দিন বাবার কাছে থাকে ততদিন সে বাবাই তার দায়িত্ব বহন করে। ইসলামের চোখে নারীর প্রধান দায়িত্ব হচ্ছে সংসার অর্থাৎ ছেলেমেয়েদের লালন পালন করে। তার মানে এই নয় যে নারীকে সব সময় ঘরে বসে থাকতে হবে। সেও চাকরী করতে পারবে বা শিক্ষাদিক্ষা সবই নিতে পারবে। কিন্তু তার প্রধান দায়িত্ব ঘরে এইটা ভুলে গেলে চলবেনা। সে যদি ঘর সামলিয়ে চাকরি করে তাতে ইসলামের কোন বাধা নাই। হযরত আয়েশা (রাঃ) ছিলেন খুব ই মহিয়সী নারী। তিনি সবচেয়ে বেশী হাদিস বর্ননা করেছেন। রাসুল (সাঃ) এর প্রথম স্ত্রী খাদিজা (আঃ) ছিলেন একজন ব্যবসায়ী। তো ইসলামের চোখে নারীর মর্যাদার অপরীসীম। আজকে আমাদের দেশে আমরা ইসলামের শিক্ষা না মেনে চলার কারনেই নারীকে প্রকৃ্ত মর্যাদা দিতে পারছিনা। আর কেউ যদি পশ্চিমা লিভিং টুগেদার কালচার মেনে চলতে চান তার সেক্ষেত্রে আমার কোন কিছু বলার নেই। পশ্চিমারা এখন ফ্রিসেক্সের চর্চা করছে। তাদের কাছে নারী পন্য ছাড়া কিছুই নয়। বেশীর ভাগ বিয়ের ই পরিনতি হচ্ছে ডিভোর্স। আর বাবা,,মা, ভাই, বোন , সন্তানের প্রতি মায়া ভালবাসা এসব তাদের কালচার থেকে আস্তে আস্তে উঠে যাচ্ছে। পারিবারীক বন্ধন কি জিনিস সেটা তারা ভুলতে বসেছে? কেউ যদি সেই জীবন চান তাতে আমার কিছু বলার নেই।
মাহিরাহি বলেছেন:
ধন্যবাদ মাইনুল।এক সাহাবী একবার রাসুল সা: কে প্রশ্ন করলেন, আমার উপর কার হক বেশি।
রাসুল সা: উত্তর দিলেন তোমার মার।
সাহাবী প্রশ্ন করলেন, এরপর কার?
রাসুল সা: উত্তর দিলেন তোমার মার।
সাহাবী আবার প্রশ্ন করলেন, এরপর কার?
রাসুল সা: আবার উত্তর দিলেন তোমার মার।
আরেকবার একই প্রশ্ন করা হলে নবীজি সা: উত্তর দিলেন তোমার বাবার।
তার মানে একজন মাকে (নারীকে) বাবার (পুরুষ) চাইতে তিনগুন অধিকার দেওয়া হয়েছে।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
কাঠুমুল্লাগো চুক্কা বাচ্চাদের প্রতি একটা প্রশ্নঃ ধরেন,
আপনার বোন,
তার বিয়ে হয় নাই, বিয়ে হবেও না কোনদিন ( এরকম মেয়েও আছে আমাদের দেশে অনেক ) এবং ধরেন তার বয়স ৬০।
সেই ক্ষেত্রে কি ভাবে সম্পত্তিতে তার অধিকার রক্ষিত হবে ?
ইসলামে সম্মান রাখছে কি রাখে নাই সেই প্রসংগ আনার দরকার নাই।
আমি আইনের কথা বলছি।
ইসলামে কোরআন হাদিসের পরে ইজমা কিয়াস কেনো আনা হয়েছে?
ইসলাম বন্টন ব্যবস্থা দিয়া দিছে যেনো মাইয়াগোরে এর কম দেওয়া না হয় । বেশী দিলে কি আল্লাহ মাইন্ড করবো?
ফরজ পড়ার পর অতিরিক্ত নফল নামাজ পড়লে কি আল্লাহর আইন ভাংগা হয়? আল্লাহ যতোটুকু দিতে বলছেন সেইটা দেওয়ার পর আরো দিলে আল্লাহর আইন ভাংগা হয়?
হালা ঝাওরার দল ।
পলাশমিঞা বলেছেন:
আপনার লেখাটা পড়ার জন্য লগিন করলাম। সত্য কথা বলেছেন। এক্কেবারে চোখে আঙ্গুল দিয়ে। আপনাকে সালাম। এমন লেখা মনের চোখ খুলে।
মাহিরাহি বলেছেন:
ধন্যবাদ পলাশমিঞা
মাইনুল বলেছেন:
@ মাহবুব সুমন, যতদিন বাবা বেচে থাকে ততদিন বাবা ই তো তাকে লালন পালন করবে। আর এর পর বাবার সম্পত্তি থেকে সে নিয়মানুযায়ী ভাগ পাবে। এই সম্পত্তি পাবার পর ও ইসলামের চোখে যেহেতু বাবার পরে তার ভাইরা তার গার্ডিয়ান ভাইদের ও রেসপনসিবিলিটি তাকে দেখা শুনা করার।ইজমা কিয়াস হচ্ছে কোন বিষয়ে ইসলামিক স্কলারদের সিদ্ধান্ত নেয়ার সিস্টেম।


















