আমার প্রিয় পোস্ট
- জানিনা,পেরেক কোথায় বিঁধে আছে/ছোট গল্প - বিহংগ
- সব ব্লগারের ইমেল এড্রেস সংকলন , আপডেটেড - তারকে
- আর কতকাল ? - লাবণ্য প্রভা
- আমার মায়ের সাতটি মিথ্যা কথা - প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা- ৩ (কেউ কথা রাখেনি ---সুনীল) - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- সেবার দাপটে সর্বেসর্বা - জ্বিনের বাদশা
- ফ্যাক্ট আর ফিকশনের গল্প, সাথে একটি মোরাল,সারা জীবন মনে রাখার মতো।/বিহংগ - বিহংগ
- ছি ছি! ইসলাম এতো খারাপ? - ফারজানা মাহবুবা
- আমাদের জন্য হযরত মুহাম্মদ (সা
এর ভালবাসা - অজানা একজন
নাস্তিক ভাইদের কাছে কিছু প্রশ্ন।
০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৯
নাস্তিক ভাইদের কাছে কিছু প্রশ্ন।
আপনারা কেউ কোনদিন নিজ চোখে ইলেক্ট্রন, প্রোটন কিংবা এটম দেখেছেন কি?
না দেখে থাকলে এগুলোতে বিস্বাস করেন কি? আবার আমরা জানি যে বিবর্তনবাদের মতে বিবর্তন ঘটেছে লক্ষ বছরে, তাহলে কোন মানুষের পক্ষে ত এটি চোখে দেখা একেবারেই অসম্ভব, তাহলে বিবর্তনবাদে বিস্বাস করেন কি?
আরেকটি ব্যপারে আমার প্রশ্ন হল গ্যালাক্সির অনেক গ্রহ নক্ষত্রের অস্তিত্ব এবং চারিত্রিক বৈশিষ্ট বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত করেন আশেপাশের গ্যাসীয় মন্ডলীর আচরনবিধি দেখে। তাহলে এক্ষেত্রে চাক্ষুস প্রমানটির প্রয়োজন পরে না কেন?
মহান শ্রষ্টাকে যদি চোখে দেখেই বিস্বাস করতে হবে তাহলে একজন জন্মান্ধকে তার অস্তিত্ব প্রমানের জন্য কি করবেন?
আরেকটি প্রশ্ন আপনারা প্রায়ই করে থাকেন খোদাকে কে সৃষ্টি করেছেন কে?
আপনাদের ধারনা সবকিছুই এমনিতেই সৃষ্টি হয়েছে। তাহলে খোদাও নিজে নিজে সৃষ্টি হলে অসুবিধা কোথায়?
আর আমরা সাধারনত সেইসব জিনিষকেই আমারদের চিন্তায় আনতে পারি যা কিনা অস্তিত্ববান। কিছুটা কল্পনার রং চড়ালেও অস্তিত্ববান জিনিষগুলোকেই আমরা নিজের মত ঢেলে সাজাই। যেমন অনেকে রাক্ষসের কল্পনা করে থাকেন তার বড় বড় দাত, লম্বা একটা লেজ আর রক্তবর্ন চোখ একে।
ঠিক তেমনি ভাবে একজন শ্রষ্টা, যার শুরু নেই এবং শেষ নেই এবং অনন্তকাল জাতীয় চিন্তাগুলো মাথায় আসে ঐসবগুলোর অস্তিত্ব আছে বলেই নয়কি?
র্যাভেন বলেছেন:
ইলেকত্রন প্রতন খালি চুখে দেকা না গেলেও ম্যাসিন ডিটেকটেবল,
গড ডিটেক্ট করার মেসিন আচেনি?
যে সব ছাগলীয় যুক্তি দেকাইলা তাতে তুমার বেকুবিই প্রকাশ পাইলো আর কিচুনা
মাহিরাহি বলেছেন:
র্যাভেন তোমার মেশিনে (মগজে) আল্লাহ ডিটেক্ট করেনা আমারটাতে করে।
বাংলার দাদা বলেছেন:
নাস্তিকরাই আসল ছাগল, বেকুব ও গদ্দভ! নাহলে দুনিয়াতে এতকিছু করার থাকতে এরা আস্তিক নাস্তিকের মত আজাইরা কথা নিয়া বকবক করে কেন? এমন কর্ম করার দরকার যে কর্মে মানুষের উপকার হয়।
মাহিরাহি বলেছেন:
ধন্যবাদ সুমাইয়া মুনিরা
মাহিরাহি বলেছেন:
ধন্যবাদ বাংলার দাদা
লুকার বলেছেন:
এইগুলা কোন যুক্তি হইল?
তাইলে আপমে কি রাক্ষস-খোক্কস দৈত্য দানব ভূত পেত্নিও বিশ্বাস করেন? ছেলেমানুষি কল্পনা থেইকা এখনো বাইর হইতে পারেন নাই, আর কবে হইবেন?
অাবু জাফর বলেছেন:
র্যাভেন,লুকার কি নাস্তিক নাকি? ধন্যবাদ সুমাইয়া মুনিরা ,বাংলার দাদা
নাজিম উদদীন বলেছেন:
হাস্যকর ছেলেমানুষী যুক্তি।ইলেক্ট্রন, প্রোটন পরীক্ষাগারে ডিটেক্ট করা যায়, এবং সেটা রিপ্রডিউসিবল, ঈশ্বরের অস্তিত্ব যায় না। ঈশ্বরের অস্তিত্ব প্রমাণসাপেক্ষ নয়, তাই বলা হয় 'ঈমাণ' বা 'বিশ্বাসের' কথা। যেমন ভূতের অস্তিত্ব থাক বা না থাক কিছু লোক ভূতে বিশ্বাস করে।
বিবর্তনবাদ একটি চলমান প্রক্রিয়া। অসংখ্য তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে এটি প্রতিষ্ঠিত, এবং প্রতিনিয়ত আরও প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। মেডিক্যাল সায়েন্সে এর প্রত্যক্ষ প্রয়োগও হচ্ছে।
সবকিছু নিজে নিজে সৃষ্টি হয়েছে এ যুক্তিতে খোদা যদি স্বয়ম্ভু হয়ে থাকেন, তাহলে বাকি সবকিছুও খোদা, কিছু ধর্ম (প্যানথেইজম)এরকম বিশ্বাস করে। আপনার খোদার সমতুল্য এরকম অসংখ্য খোদা হতে সমস্যা কোথায়।
"আর আমরা সাধারনত সেইসব জিনিষকেই আমারদের চিন্তায় আনতে পারি যা কিনা অস্তিত্ববান। "
Not really. Think about love, peace, uniqueness all these abstract ideas. How do we get these ideas when you cant show any real example or universal existence and meaning.
Sorry Bangla font didn't work.
আপনাকে ধন্যবাদ।
অতন্দ্র প্রহরী বলেছেন:
এদেরকে বুঝিয়ে লাভ নাই। ফেরেস্তার ডান্ডা না খাওয়া পর্যন্ত তাদের কখনো হোস্ আসবে না।আপনার লেখার জন্য ধন্যবাদ। প্লাস্ দিলাম।
আন্ধার রাত বলেছেন:
+++
গিফার বলেছেন:
++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
দ্রগবা বলেছেন:
লাকুম দ্বীনুকুম ওয়ালিয়া দ্বীন (অর্থাৎ যার যার ধর্ম তার তার কাছে।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
আপনার লেখা ভাল লাগল। আমি যুক্তি নির্ভর এক মানুষ এই নিয়ে এক সময় খুব গর্ববোধ করতাম। সব কিছুর পেছনের যুক্তি খুজতে গিয়ে একসময় দেখলাম কোন উক্তিই যুক্তিহীন নয়। কিছু যুক্তি প্রমান করা যায় হাতে নাতে, কিছু যুক্তি অনুভবের মাধ্যমে ব্যক্ত করা যায়। যা হাতে নাতে প্রমান হল তা মানতে হয়, আবার যা অনুভব করি তা যতই নিজের যুক্তির কাছেই পরাজিত হোক না কেন মন মানে না তা অগ্রাহ্য করতে। তাই আমি বিবর্তনবাদী হয়েও আস্তিক। অনেকেই নিজেকে নাস্তিক ঘোষণা করে শান্তি পান। খাতাকলমে নাস্তিকতা বলতে যা বোঝায় তাতে হয়ত তারা নাস্তিক। কিন্তু তারা যে নাস্তিকতা প্রমানের জন্য তারা ছুটছেন, এই কর্মটিই তাদের অবচেতন মনের আস্তিক অস্তিত্বের সবচাইতে বড় প্রমান।
নাস্তিক ভাইদের কাছে আপনার যে সব প্রশ্ন আছে তার প্রতিউত্তরে তাদেরো কিছু প্রশ্ন আছে আপনার প্রতি। এগুলোর উত্তর দিয়ে কোন নির্দিষ্ট সমাধানের আসতে পারবেন না কেউই। কিন্তু এগুলোর উত্তর খুঁজে তারাই যাদের অন্তরের অন্তস্থলে সৃষ্টিকর্তার মহিমা লুকায়িত। বাস্তবে তারা নিজেদের যাই ভাবুক না কেন।
ধন্যবাদ।
বিবেক সত্যি বলেছেন:
র্যাভেন দেখি মুসলিমদের দুরদশা নিয়া ব্যাপক দুশ্চিন্তিত !!! মাহিরাহিরা যদি মুসলিমদের দুর্দশার কারন হয় , তাইলে তারে গালি না দিয়া সাবাশ দাও ।
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
মাহিরাহিরা নাই, ইশ্বরও নাই।
স্টিংরে বলেছেন:
বোগাস
বাবুয়া বলেছেন:
অপুরব সুন্দর লিখেছেন। অল্প কথায় অনেক বড় কিছু ফুটিয়ে তোলার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
মাহিরাহি বলেছেন:
ধন্যবাদ সবাইকে।শেষ পর্যন্ত যার যা বিস্বাস তাকে সে প্রতিষ্ঠিত করতে আমৃত্যু চেষ্টা চালিয়ে যাবে এটাই স্বাভাবিক।
সীমান্ত আহমেদ বলেছেন:
আমি আস্তিক তবে প্রচলিত ধর্ম পালন করি না।যাই হোক লেখা ভালো হইছে।
তবে আস্তিক নাস্তিক যাই হোন সবচেয়ে বড় ধর্ম মানব ধর্ম।
আমাদের জীবনকে কাজে লাগাতে হবে।
ইস্পাত বইয়ের ভাষায় বলি,"মানুষের সবচেয়ে বর সম্পদ জীবন।এই জীবন সে একটাই পায়.....।জীবনকে এমনভাবে কাটাতে হবে যাতে মরার আগে সে ভাবতে পারে আমি আমার জীবনকে ব্যয় করেছি মানুষের মুক্তির জন্য......"
আসুন আমরা এসব স্থুল তর্ক বাদ দিয়ে জগত ও জীবনের জন্য কিছু রেখে যাবার চেষ্টা করি।
মানুষের উপকার করলে খোদা খুশি না হয়ে বেজার হবেন না।
অচন্দ্রচেতন বলেছেন:
হাস্যকর-দুর্বল যুক্তির জন্য। প্রমাণ-নির্ভর ব্যাপারগুলোর সঙ্গে আপনার বিশ্বাস এক করে দেখছেন।
নীরব পাঠক বলেছেন:
ফ্রান্সিস বেকন বলেছেন: মানুষ অল্প বিজ্ঞান জানলে হয় নাস্তিক আর বেশী জানলে হয় আস্তিক। পিপড়া যদি পাহাড় দেখতে চায়, তাহলে তার কি সাধ্য আছে তা দেখার?
স্রষ্টাকে যদি মেশিনের মাধ্যমে ডিটেক্ট করা যেতো তাহলে সেতো গিনিপিগের মত পরীক্ষার বিষয়বস্তু হয়ে যেত! স্রষ্টার মত মহান হত কিভাবে?
নাস্তিকরা বিশ্বাস করে ফুল ফল শস্য শ্যামল এ সুন্দর পৃথিবী এমনি এমনিই সৃষ্টি হয়েছে? তাহলে তো এ পৃথিবী-ই স্রষ্টা যা পরে আমাদের মত অসংখ্য জীব জন্তু সৃষ্টি করেছে। এসব আজগুবি যুক্তির মাধ্যমে নাস্তিক হওয়ার চেয়ে একজন স্রষ্টার অস্তিত্বে বিশ্বাস করা কি খুব জটিল?
মাহিরাহি বলেছেন:
ঠিকই বলেছেন নীরব পাঠক, শ্রষ্টাকে মেশিনের মাধ্যমে ডিটেক্ট করতে চাওয়াটা বোকামী বৈকি।
অচন্দ্রচেতন বলেছেন:
*** স্রষ্টাকে মেশিনের মাধ্যমে ডিটেক্ট করতে চাওয়াটা বোকামি বৈকি *** - এই কথাটা যদি বুঝে থাকেন, তবে কেন বলছেন, অণু-পরমাণু তো চোখে দেখা যায়না তবে কেন বিশ্বাস করি?
অণু-পরমাণুর অস্তিত্ব প্রমাণ করা যায়, আল্লাহর অস্তিত্ব ল্যাবরেটরিতে প্রমাণ করা যায় না। কারণঃ "ওয়ালাম ইয়াকুল্লাহু কুফুয়ান আহাদ "(৪র্থ আয়াত, সূরা ঈখলাস)। অর্থাৎ, " এবং তার সমতুল্য কেউ নাই।" জাগতিক কোন কিছুর সঙ্গে তার তুলনা চলেনা। তুলনা করাও উচিত নয়।
নীরব পাঠক বলেছেন:
আমার নাস্তিক ভাইয়েরা! আপনারা কি উত্তর দিতে পারবেন- একই পিতা ও মাতার দুই সন্তান। একজন ছেলে আরেকজন মেয়ে-জময। একজন সন্তান গর্ভ ধারন করে, সন্তান জন্ম দেয়, সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়ায় আরেক জন পারে না কেন? এই পার্থক্য কিসের?
নীরব পাঠক বলেছেন:
যারা সত্যানুসন্ধানী নাস্তিক তারা দয়া করে এই সব সাইটগুলো ভিজিট করতে পারেনhttp://www.harunyahya.com/worldwide/sites.php
http://www.allahexists.com/
http://www.harunyahya.com/
নাজমুল। বলেছেন:
খুব সুন্দর হয়েছে। +



















বেকুব