somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... রাশান গল্প - পোস্টটা কেন স্টিকি করা উচিত হয়নি কি একটা ব্যপার নিয়ে দুটা বাচ্চার মধ্যে ঝগড়া বেধে গেল। এমনকি দুটা বাচ্চার মধ্যে হাতাহাতি শুরু হল। হট্টগোলে অভিভাবকেরা এসে জড়ো হওয়া শুরু করল। দুই বাচ্চার দুই অভিভাবক দুই বাচ্চার পক্ষ নিলেন। আবার অন্য অভিভাবকেরাও দুই অভিভাবকের পক্ষে নিয়ে তর্কাতর্কি শুরু করলেন। বেধে গেল দুই দলের মধ্যে ঝগড়া এবং তা গুরুতর রূপ নেয়া শুরু করল। অভিভাবকেরা যখন ঝগড়া নিয়ে খুব ব্যস্ত হয়ে পড়লেন, ঠিক তখনই তাদের দৃষ্টি আকর্ষন করলেন একজন মুরুব্বী। তিনি চেচিয়ে বললেন, তোমরা ঝগড়া থামিয়ে ঐদিকে তাকাও।
সবাই তার আংগুল অনুসরন করল। অবাক ঘটনা। একটু আগে যে দুটি ছেলে ঝগড়া করছিল, সে বাচ্চা দুটি আর অন্যসব বাচ্চার সাথে খেলাধুলায় মশগুল, খেলতে খেলতে মাঝে মাঝেই তারা উচ্চস্বরে হেসে উঠছে। যে হাসির শব্দ ঝগড়াঝাটিতে মশগুল অভিভাবকেরা শুনতে পারছিলেননা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29539796 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29539796 2012-02-12 20:54:54
2011সালের ওয়ার্ল্ড প্রেস ফটো প্রতিযোগীতায় শ্রেষ্ঠ ছবি বোরখা পরিহিত এক মহিলা ইয়েমেনে একটি বিক্ষোভের পর তার আহত আত্মীয়কে জড়িয়ে ধরে আছে।ছবিটি নিউইয়র্ক টাইমসে ছাপানো হয়।
ছবিটি সানার একটি মসজিদে অক্টো 15 তারিখে তোলা হয়। মসজিদটি ফিল্ড হসপিটাল হিসাবে ব্যবহার করা হয় প্রেসিডেন্ট আলী আব্দুল্লাহ সালেহ সরকারের বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে আহত হওয়া বিক্ষোভকারীদের চিকিতসার জন্য।
ছবিটিতে দুজন মানুষের আবেগঘন চমতকার একটি মুহুর্তকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, আহত পুরুষমানুষটিকে মহিলাটি জড়িয়ে ধরে আছে মমত্বের সাথে। ছবিটি আরো প্রমান করে ইয়েমেনের এই আন্দোলনে মহিলাদের অংশগ্রহন ছিল স্বতস্ফুর্ত এবং গূরুত্বপূর্ন। . দুজন মানুষের এই ছবিটি ছিল মানুষের সাহসের একটি মূর্ত প্রতিক, যা কিনা ছিলা আরব বসন্তের একটি গূরুত্বপূর্ন অধ্যায়।
মহিলাটি পুরো শরীরটি আবৃত, হাতগুলোও রাবার গ্লোবে আবৃত।
সে আকড়িয়ে ধরে আছে তার আত্বীয়কে, যে কিনা ব্যথায় কাতরাচ্ছে। এই মূহুর্তটি একজন নারীর শুধু মমতাময়ী চেহারাটি ফুটিয়ে তোলেনি, একটি বিশেষ গূরুত্বপূর্ন মুহুর্তের প্রতিক হয়েও ফুটে উঠেছে।



Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29538596 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29538596 2012-02-10 21:11:51
একটা ল্যাপটপ কিনব, কোনটা কিনলে ভাল হয় ডেলের ইন্সপিরেশনে ১৪ কিনলে কেমন হয়।
সনিরটা বোধহয় দাম বেশি।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29537346 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29537346 2012-02-08 20:08:17
মানিবুকারসে কিভাবে ব্যাংক একাউন্ট যোগ করতে হয়

Identity verification required!

Option 1: Charge the redemption fee to your credit/debit card (instant)
We will charge the redemption fee to your card.

Option 2: Verify your bank account (within 3 banking days)
We will make a payment to your bank account. In the reference field of the payment we will include a unique verification code which you will have to enter back at our site.

Option 3: Verify your address (within 2-5 banking days)
Upon request we will send a letter to the address registered on your account. This letter will contain a verification code which you will have to enter back at our site. If you choose this option you will be forwarded to our address verification section.

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29497646 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29497646 2011-12-06 18:46:30
ছোট গল্প - দূর্বলকে কখনো অবহেলা করা ঠিক না। "আমাকে তোমাদের সাথে চেষ্টা করতে দাও", দূর্বল ছেলেটি মৃদু শুরে বলল।
সবাই তখন মরিয়া হয়ে উঠেছে। রাজি হয়ে আবার গাছিটিকে ঠেলতে শুরু করল সবাই, এবার দূর্বল ছেলেটিসহ।
একটু একটু নড়তে শুর করল গাছটা, তারপর সবাইকে অবাক করে দিয়ে গাছটি গড়িয়ে পড়ল একপাশে একটুখানি, আর তাতে করেই গুহা থেকে বেরিয়ে আসার সুযোগ পেল ছেলেগুলো, একজন একজন করে।
ওরপর থেকে দূর্বল ছেলেটিকে কেউ কখনো আর অবহেলা করেনি। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29480344 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29480344 2011-11-09 21:07:44
নেতিনিয়াহুকে মিথ্যাবাদি বললেন সারকোজি সারকোজি ওবামাকে বলেন নেতিনিয়াহু একটা মিথ্যেবাদি, তার দিকে তাকানোর ইচ্ছে করেনা।
উত্তরে ওবামা বলেন, এতেই আপনি আপনি বিরক্ত (অসুস্থ) বোধ করছেন। তার সাথে আমাকে প্রতিদিনই দেনদরবার করতে হয়।
সাংবাদিকদের কান থেকে হেডফোন সরিয়ে নেয়ার কথা ছিল।
ভূলবশত: অনেকে কান থেকে সরাতে ভুলে যান, বিপত্তি ঘটে তখনই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29479806 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29479806 2011-11-08 18:36:33
ব্লগের আধুনিক এবং সেক্যুলার ব্লগারদের আর্থসামাজিক অবস্থানটি জানতে ইচ্ছে করে। তারা দেশের উন্নয়ন ঘটাতে চান কিভাবে? ধর্মকে হটিয়ে আর পশ্চিমা... বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ভারত এমনকি পাকিস্তানের চাইতেও অনেক কম। আসাম কিংবা পশ্চিম বংগের চাইতে কম। মানবউন্নয়ন সূচকে আমরা পাকিস্তানেরও নীচে, এই অন্চলে শুধু নেপাল আর আফগানিস্তানের উপর।
ধনী দরিদ্রের ফারাক দিন কে দিন বাড়ছে।

এবছর গার্মেন্টের ১০ লক্ষ মেয়ে বোনাস পাইনি।
বাংলাদেশ আর্থসামাজিক অবস্থার দিন কে দিন অবনতি হচ্ছে।
আমাদের দেশে বুদ্বীজীবি, ব্যবসায়ী আর রাজনীতিবিদদের একটা চক্র গড়ে উঠেছে। তারা দেশের মানুষের জন্য নাকি কান্না করবে, দেশের সবকিছু লুন্ঠন করবে আর তাদের ছেলেমেয়েরা দেশে বিদেশে আনন্দ ফুর্তি করে বেড়াবে।

এরা মিডিয়া (টিভি, পত্রিকা) নিয়ন্ত্রন করে আর পয়দাকরে কিছু সুশীল, যাদের কাজই হল প্রভুদের এজেন্ডা পূরন করা। ধর্ম আর সংষ্কৃতিকে পুজি করে একধরনের ধুম্রজাল সৃষ্টি করে, যাতে করে প্রভুদের লোটপাটের মহাযজ্ঞটি সহজসাধ্য হয়ে উঠে।

পশ্চিমারা সারা দুনিয়াব্যপি লুন্ঠন চালানোর জন্য কিছু জংগী নিজেই সৃষ্টি করেছিল আর জংগীবাদ দমনে নিজেরাই দুনিয়ার যত্রতত্র অভিযান চালিয়েছিল আন্তর্জাতিক রীতিনীতে উপেক্ষা করে।

আমাদের দেশেও ইসলামকে এখন টার্গেট করা হয়েছে, মানুষের দৃষ্টি লুটপাট থেকে সরিয়ে নেয়ার জন্য।

তাই এখন গার্মেন্টের লক্ষ লক্ষ মেয়েদের লজ্জা নিবারনের জন্য কাপড়ের যোগান দেয়ার চাইতে একশ্রেনীর বুদ্ধিজীবি বেশি আগ্রহী মধ্যবিত্ত আর উচ্চবিত্তের মেয়েদের বস্রহরনে। ক্ষীন পোশাকের নারীদের মাঝে তারা দেশের সম্ভাবনাকে খুজে বেড়ান।

ব্লগে উপরে বর্নিত বুদ্বীজীবি, ব্যবসায়ী আর রাজনীতিবিদদের সন্তান কিংবা চেলা চামুন্ডাদের বিচরন করাটা খুব অবাক হওয়ার মত কিছু না। তাইত সাইক্লোন, বন্যা, মহামারি, বিদুৎ ঘাটতি, রাজনৈতিক অন্তর্দন্ধ, দূর্নীতি , পুওর গভার্নেন্স কিংবা দূর্বল পাবলিকে সার্ভিস নিয়ে তাদের কোন উৎকন্ঠা নেই। তাদের উৎকন্ঠা ইসলাম, বোরখা নিয়ে আর আগ্রহ নগ্ন পশ্চিমা কিংবা হিন্দি সংষ্কৃতি নিয়ে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29479499 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29479499 2011-11-07 23:16:54
কোরবানীর পশু বিক্রি ১০% বৃদ্ধি পেয়েছে
ব্লগে যারা পশু হত্যার বিরুদ্ধে সোচ্চার, তাদের জন্য এটি দু:সংবাদ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29479445 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29479445 2011-11-07 21:29:47
মা সন্ধে বেলার দিকেই ঝুপড়িতে ঢুকে বিছানায় গা এলিয়ে দেয় জামাল।
একজন জলজ্যান্ত মানুষকে খুন করার পর মাথাটা ঠিক রাখাটা কঠিন।

বিছানায় গা এলিয়ে দেয়ার মুহুর্তেই বেজে উঠে তার নিজের মোবাইলটা।
বিরক্তবোধ করলেও কানের কাছে তুলে নেয় মোবাইলটা, সে জানে এটি তার মায়ের কল। দিনে কয়বার এবং প্রতিদিন সন্ধায় একবার মোবাইলে খোজখবর নেয়াটা নিয়মিত।

বাবা কেমন আছস, শরীরটা ভাল ত। তরে দেখবার মন চায়।
কোন ঝামেলা করস নাই ত আবার। তর জন্য খুব দুশ্চিন্তা হয় আমার, রাইতে ঘুমাইতে পারিনা। একটানে সবগুলো প্রশ্ন করে থামে জামালের মা।
জামাল ছোট্ট করে উত্তর দেয় "হ সব ঠিক আছে"
তারপর লাইন কেটে দেয়।
বিছানায় কতক্ষন এপাশ ওপাশ করে কাটায় তার মনে নেই।

ঠিক তখনই মোবাইল বেজে উঠে আবার, তবে তার নয় খুন হওয়া লোকটার। অজান্তেই ইয়েস বাটন চেপে কানের কাছে ধরে সে।

ওপাশ থেকে ভেসে আসে মায়ের কন্ঠ, তবে তার নয়, খুন হওয়া লোকটার।
" বাবা কেমন আছিস, শরীর ঠিক আছে ত। তোর জন্য খুব দুশ্চিন্তা হয় আমার, তোর বাবা রাতে তোর জন্য ঘুমাতে পারেন......

জামালের হাত থেকে মোবাইলটা খসে পড়ে, নিজের অজান্তেই চোখ দুটো ভিজে আসে তার।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29470442 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29470442 2011-10-22 10:35:08
ক্যাপিটাল ক্রাইমের জন্য ২০১০ সালে চীন সর্বোচ্চ ৫০০০ জনকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছে। ক্যাপিটাল ক্রাইমের জন্য ২০১০ সালে চীন সর্বোচ্চ ৫০০০ জনকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছে। ইরান ২৫২ জনকে। যুক্তরাষ্ট্র ৪৬ জনকে। সৌদি আরব ২৭ জনকে। বাংলাদেশ ৯ জনকে।
মৃত্যুদন্ড কার্যকর করতে শিরচ্ছেদ (সৌদি আরব, কাতার), ইলেকট্রিক চেয়ার, গ্যাস চেম্বার (যুক্তরাষ্ট্র), বন্দুকের গুলি (চীন, যুক্তরাষ্ট্র, কিউবা), ফাসি (বাংলাদেশ, ভারত) ব্যবহার করা হয়।

সিংগাপুরে শুধুমাত্র ২০০৩সালেই মাদক চোরাচালানের জন্য ৭০ থেকে ৮০ জনকে মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়। পাচজনের বেশি যদি ডাকাতিতে অংশগ্রহন করে এবং মানুষ হত্যা করে তবে তার শাস্তি মৃত্যুদন্ড। এছারা জলদস্যুতা, হত্যার জন্য অপহরনের শাস্তিও মৃত্যুদন্ড।

ফ্রান্সে শেষ গিলোটিনে মাথা কাটা হয় ১৯৭৭ সালে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29462986 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29462986 2011-10-09 21:13:06
নন্দন পার্ক কিংবা ফ্যান্টাসি কিংডোম, বাচ্চাদের জন্য কোনটা ভাল? আমার ছেলেদের (৭ & ১০) পানিতে দৌড়ঝাপ দেয়ার খুব শখ।
কোনটা ভাল হবে? পরামর্শ থাকলে জানাবেন। টাকা পয়সাও খুব একটা নেই!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29460920 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29460920 2011-10-06 09:36:29
কচ্ছপ কিন্তু ইন্টারনেটে দেখলাম এগুলা নাকি ভয়ানক রোগ ছড়ায়(salmonellosis)। এব্যাপারে কারো কোন পরামর্শ আছে কি? অথবা কেউ কিনবেন কি?]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29458336 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29458336 2011-10-01 20:28:53 এই ফুটফুটে শিশুটির পোষ্টটিকে কেন ষ্টিকি করা হবেনা
বাচ্চার নামঃ হারিছ আহমেদ
পিতার নামঃ মোঃ জিল্লুর রহমান
গ্রামঃ পারকালিকাপুর
ডাকঘরঃ মান্দা
থানাঃ মান্দা
জেলাঃ নওগাঁ

সাহায্য পাঠানোর ঠিকানাঃ

মোঃ জিল্লুর রহমান
সঞ্চয়ী হিসাব নম্বরঃ 0115103000015082
ডাচ বাংলা ব্যাঙ্ক লিমিটেড, মিরপুর শাখা।
মোবাইল নম্বরঃ ০১৭৫৯৯১১৮৮২



অথবা

মিসামী গার্মেন্টস লিঃ
৮২২/৩, বেগম রোকেয়া স্মরণী, মিরপুর ঢাকা-১২১৬।


Click This Link
মূল পোষ্ট]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29443485 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29443485 2011-09-05 22:32:04
ব্লগের নাস্তিকদের চরিত্র মুসোলিনির (নাস্তিক) মত পবিত্র

মুসোলিনির মা ছিলেন ক্যাথলিক আর বাবা খ্রীষ্ট বিরোধী । তাঁর মা Rosa তাঁকে রোমান ক্যাথলিক চার্চ মধ্যে baptized করেন। প্রতি রোববার তা মা তাকে নিয়ে যেতেন চার্চে। কিন্তু বাবা কখনো চার্চে যাননি। ধর্মীয় বোর্ডিং স্কুলে যখন তাকে ভর্তি করানো হয়, তখন তিনি অত্যন্ত নাখোশ ছিলেন। এবং স্কুলটিকে নরকের সাথে তুলনা করেছিলেন।

বড় হয়ে বাবার মত ধর্মকে ঘৃনা করতে শুরু করলেন। তিনি যখন যুবক তখন নিজেকে ঘোষনা করলেন নাস্তিক হিসাবে। এবং তার শ্রোতাকে তিনি মাঝে মাঝে চমকে দিতেন এই বলে, খোদাকে বল এখন আমাকে আঘাত করুক এবং মেরে ফেলুক। সোসালিষ্ট মধ্যে যারা ধর্মের ব্যপারে সহনশীল ছিল এবং সন্তানদের baptized করত তাদেরকে তিনি তিরষ্কার করতেন। তিনি বিশ্বাস করতেন সাইন্স প্রমান করেছে যে খোদা বলতে কিছু নেই। যিশু পাগল ছিল এবং ছিল মূর্খ। ধর্মকে তিনি মনে করতেন সাইকোদের একটা রোগের মত আর মনের করতেন ধর্ম মানুষকে ভীরু আর হতাশ করে ফেলে।

তিনি নিজেকে মনে করতেন নিৎসের সুপারম্যানের মত, যেকিনা খোদা কিংবা জনগন কাউকেই ভয় করেনা।

কিন্তু জনগনের ত ধর্ম ছাড়া চলেনা। তাই জনপ্রিয়তা অর্জনের জন্য র‌্যাচেলকে বিয়ে করলেন ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে 1925 সালে আর 1924 সালে তিন সন্তানকেও ধর্মীয় আচার অনুষ্টানের মাধ্যমে বড় করলেন। ক্যাথলিক ধর্মকে ঘোষনা দিলেন রাষ্ট্রিয় ধর্ম হিসাবে। রোমান ক্যাথলিকের সাথে চুক্তি করলেন, পোপের সাথেও শুরু করলেন দহরম। কিন্তু পোপের সাথে হাটু গেড়ে বসা ছবিগুলো নিজের পত্রিকা কিংবা ম্যাগাজিনে ছাপানোর মত বেশরম হওয়াটা তার জন্য একটু কষ্টকর ছিল বোধহয়। পোপ ঘোষনা দিলেন "Italy has been given back to God and God to Italy।

1938সালে আবার ভোল পাল্টালেন। নিজেকে প্রমান করতে চাইলেন আবার নাস্তিক হিসাবে। একবার ত সংসদে বলে বসলেন খ্রীষ্ট ধর্মের চাইতে ইসলাম ধর্ম ভাল।

১৯৪৩ সালের পরাজয়ের পর আবার শুরু করলেন খোদাকে বিশ্বাস করা এবং তার শেষকৃতও অনুষ্ঠিত হয় খ্রীষ্ট ধর্মের রীতি অনুসারে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29441671 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29441671 2011-09-01 11:36:52
ধর্মীয় বৈষম্য কিংবা বর্নবাদের লিষ্টে সেক্যুলার ভারতের অবস্থান ২য় আর পাকিস্তানের ৩য় তাই তার সেক্যুলার একটি দেশের স্বপ্ন দেখেন, বিসমিল্লাহ আর ইসলামে সংবিধান থেকে বাদ দিয়ে।

কিন্তু নীচের রিপোর্টটি তাদের জন্য খুবই বিব্রতকর বোধ করি।

মার্কিন থিংকট্যাংক এর ষ্টাডি অনুসারে ধর্মীয় বৈষম্যে, ভারত ইরাক থেকে কেবল পিছিয়ে।
ওয়াশিংটনভিত্তিক থিংকট্যাংকPew Research Centre এর একটি সমীক্ষা অনুসারে ব্যাক্তি কিংবা দল কর্তৃক সামাজিক আগ্রাসন, ধর্মীয় বর্ণবাদের দিক থেকে ভারতে স্থান ২য়, শুধুমাত্র ইরাকের পরে।
এমনকি পাকিস্তান, আফগানিস্থান কিংবা ইরানের কিংবা সউদি আরবের উপরে।
`Global Restrictions on Religion' নামের এই সমীক্ষাটি চালানো হয় ১৯৮টি দেশে।

এমনকি সরকার কর্তৃক ধর্মীয় বর্ণবাদের ক্ষেত্রেও ভারত প্রথম ৪০ টি দেশের মধ্যে স্থান করে নিয়েছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী ভারত, শ্রিলংকা, ইউথোপিয়া আর বাংলাদেশ একই গ্রুপে পরে গেছে যেখানে জনগনের বড় অংশই একটি বিশেষ ধর্মকে বিশেষ সম্মান দিতে চায়।
Pew Forumএর গবেষকরা তথ্যের জন্য নিম্নবর্ণিত উৎসগুলোকে বেছে নিয়েছে, US State Department, the US Commission on International Religious Freedom, the UN Special Rapporteur on Freedom of Religion or Belief, the Council of the European Union, the United Kingdom's Foreign and Commonwealth Office, Human Rights Watch, the International Crisis Group, the Hudson Institute and Amnesty International।

Click This Link

Click This Link

Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29441515 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29441515 2011-08-31 22:09:02
নাস্তিকেরা ভয়ংকর কেন?
উপরের কথাগুলো জেফ্রি ডাহ্‌মার
জেফ্রি ডাহ্‌মার (জন্ম মে ২১, ১৯৬০ -মৃত্যু নভেম্বর ২৮,১৯৯৪) একজন মার্কিন মানুষখেকো খুনি। ১৯৭৮ সাল হতে ১৯৯১ সালের মধ্যে তিনি ১৭জন পুরুষ ও বালককে হত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হয়ে থাকে। সে ছিল সমকামী, রেপিষ্ট।

প্রিজন সেলে যখন তাকে প্রশ্ন করা হল কেন তুমি এইধরনের ভয়ংকর কাজ করেছ?
তার উত্তর ছিল, আমি যখন জানলাম কোন খোদা নেই, পাকচক্রে আমাদের জন্ম এবং মারা গেলে আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না, তখন কোন কিছুই আমাকে থামাতে পারেনি।

http://en.wikipedia.org/wiki/Jeffrey_Dahmer

ভিডি লিংক
http://www.youtube.com/watch?v=qlZv7V-Gixg
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29440125 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29440125 2011-08-28 22:01:26
এইমাত্র ভূমিকম্প হল কত মাত্রার জানেন কি কেউ? Lurking Under Bangladesh: The Next Great Earthquake?
Lurking Under Bangladesh: The Next Great Earthquake?

After the recent great quakes that have swept away entire coastlines and cities in Japan, Haiti and Sumatra, scientists are now looking hard at the nation that may suffer the gravest threat of all: Bangladesh. A new documentary from the Earth Institute follows seismologists as they trace signs of deeply buried active faults, past movements of the earth, and sudden, catastrophic river-course changes.

With more than 160 million people, Bangladesh is the most crowded place on earth, and one of the poorest–and it is growing fast. It sits on the world’s largest river delta, close to sea level, which exposes it to tsunamis and the possibility of rivers jumping their banks in the event of earthquake. And, it is furiously putting up bridges and multistory buildings that increase its vulnerability. Scientists have come to recognize that it sits at the juncture of several active tectonic plate boundaries–including the tail end of the one that caused the 2004 Sumatra tsunami that killed over 200,000 people, 1,300 miles south. Syed Humayun Akhter, a seismologist at the Dhaka University Earth Observatory, warns that an earthquake near the crowded capital could dwarf other modern tragedies.

This year saw the start of a five-year, $5 million project to chart the hazards, funded by the U.S. National Science Foundation’s Partnerships for International Research and Education program. Led by seismologists at Columbia University’s Lamont-Doherty Earth Observatory in conjunction with Dhaka University, the team includes specialists from Vanderbilt University, the University of Minnesota and Queens College, and researchers in Germany, Italy and India. The scientists have been upgrading a network of seismometers that registers tiny tremors far below. This allows them to better map active faults buried under as much as 12 miles of sand and mud laid down by the mighty rivers that drain the Himalayas. They are also drilling some 250 wells near riverbeds to take sediment samples. These, they hope, will reveal the scope and timing of past earthquakes and river-course shifts that may have wiped out large swaths of countryside–though at times when population and infrastructure were far less dense. The goal is to give Bangladeshi scientists and leaders the tools they need to understand, and minimize, the risks.

Seismologist Leonardo Seeber inspects sediments along a riverbank in northern Bangladesh

“Like the great delta on which Bangladesh is confined, we find ourselves at a strategic confluence between earth science, natural hazard engineering and international relations,” says Leonardo Seeber, a Lamont seismologist working on the project. This month, Lamont seismologist Michael Steckler, the project’s lead investigator, was in Washington to help launch a new program run jointly by NSF and the U.S. Agency for International Development designed to advance such collaborations with developing countries. “This partnership will help particularly with the application of science, technology and innovation to accelerate global development, with huge benefits for industrialized and developing countries alike,” said John P. Holdern, director of the White House Office of Science and Technology Policy, speaking at the event.]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29439266 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29439266 2011-08-27 07:01:20
যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রীম কোর্ট হযরত মুহাম্মদ সা: কে সম্মান জানালেও তা বিপাকে ফেলেছে মুসলিমদের
হাম্মুরাবি, অগাস্টাস, মুসা আ:,কনফুসিয়াস, ড্রাকো, জন অফ ইংল্যান্ড (যার সময় ম্যাগনা কার্টার শুরু) Hugo Grotius (ইন্টারন্যাশনাল আইনের প্রবর্তক, Sir William Blackstone, John Marshall আর নেপোলিয়ানের মুর্তিও এতে স্থান করে নিয়েছে।
১৯৩৫ সালে যেই আর্কিটেক্ট এগুলোর নকশা করেছিলেন, তিনি হয়ত যানতেন না ইসলামে এধরনের মুর্তি বানানো হারাম।
তার উদ্দেশ্য ছিল শুধুই সম্মান জানানো।

আশাকরি মুর্তি সরিয়ে তাকে সম্মান জানানোর অন্যকোন ব্যবস্থা করা হবে।

যাহোক অন্য একটি প্রসংগে আসা যাক।

পৃথিবীর সবচাইতে প্রায় সব দিকদিয়েই অগ্রসর একটি দেশের সবচাইতে পবিত্রতম স্থানে যখন হযরত মুহাম্মদ সা: কে সম্মান জানানোর জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে, সেই জায়গায় নীচ এবং হীনমন্যা কিছু নাস্তিক এই পবিত্র রমযান মাসে একের পর এক কুরুচিপূর্ন পোস্ট দিচ্ছে শুধুমাত্র হযরত মুহাম্মদ সা: কে হেয় করার জন্য।

ধিক তাদের ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29426715 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29426715 2011-08-06 17:35:51
কচ্ছপের বাচ্চা সস্তায় কোথায় পাওয়া যাবে বলতে পারবেন কি]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29415147 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29415147 2011-07-18 09:43:03 জংগী নাস্তিক নাস্তিক্য জংগীবাদ শব্দটি প্রথম ব্যবহার করা হয় ১৮৯৪ সালে, অথচ
বির্টিশ ফিলোসোফার Julian Baggini মিলিটান্ট এথিইজম বা জংগী নাস্তিক্যবাদের ডেফিনশন দিতে গিয়ে বলেন, জংগী নাস্তিক্যবাদ হল এমন নাস্তিক্যবাদ যা কিনা ধর্মের প্রতি সহিংস এবং একান্তভাবে ধর্মবিরোধী, যা কিনা ঘৃনায় ভরা দৃষ্টিভংগি দিয়ে সবধরনের ধর্মে দুনিয়ার বুক থেকে মুছে ফেলতে চায়। উদারপন্থি নাস্তিকেরা একটিতে কিন্তু জংগী নাস্তিকেরা দুটিতে বিশ্বাস করে। উদারপন্হি কিংবা মডারেট নাস্তিকেরা দাবি করে ধর্ম মিথ্যা এবং বোকামি, কিন্তু জংগী নাস্তিকেরা এর সাথে আরেকটি ব্যাপার দাবি করে, তাহল ধর্ম সবসময় ক্ষতিকারক কিংবা বিপদজনক।

জংগী নাস্তিক্যবাদ materialism of Marxism-Leninism এর অবিচ্ছেদ্দ অংগ ছিল। চরম নাস্তিক্যবাদ লক্ষ করা যায় বিগত সোভিয়েত ইউনিয়নে, যেখান নাস্তিক্যবাদকে সরকারী ক্রেডো বা ধর্মে প্রতিষ্ঠিত করা চেষ্টা চালানো হয় আর তা করা হয় ধর্মের বিরদ্ধে আগ্রাসন চালিয়ে।
কমিউনিস্ট পরিনত হয় চার্চের ভুমিকায়।
ধংস করতে শুরু করে মসজিদ মাদ্রাসা আর চার্চ।
এই জন্যই বোধহয় সামুর নাস্তিকদের প্রধান টার্গেট মসজিদ আর মাদ্রাসা।

সোভিয়েত ইউনিয়নে তখন কোন ধরনের ধর্মীয় সভা করা যেত না। স্কুল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ধর্মীয় শিক্ষা শুধুমাত্র নিষিদ্দ্ব করা হয়নি, সেখানে নাস্তিক্যবাদের পাঠ্যদান করা হত। ছাত্রদের বলা হত তারা যেন তাদের পরিবার পরিজনকে নাস্তিক্যবাদে ধর্মান্তর ঘটায়। ধর্মবিরোধী গান, কবিতা লেখায় তাদের উদ্বুদ্ব করা হত। কোন ছাত্র নাস্তিক্যবাদে অস্বীকৃতি জানালে তাকে স্কলারশিপ বাতিল করা হত এবং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিতাড়িত করা হয়। যে কেউ এসব নীতিমালা লংঘন করলে তার জন্য ছিল কঠোর শাস্তি। শুধুমাত্র ১৯২২ সালেই এই জংগী নাস্তিকদের হাতে ২৬৯১ জন সেক্যুলার প্রিষ্ট, ১৯৬২ জন মংক আর ৩৪৪৭ জন নানকে তাদের প্রান হারাতে হয়েছিল। ধার্মিকদের নাস্তিক হতে বাধ্য করা হত বিভিন্ন রকম টরচার করে কিংবা জেলে পাঠিয়ে। শুধুমাত্র ১৯৪১ সালে ৪০০০০ চার্চ আর ২৫০০০ মসজিদকে বিলুপ্ত করে সেখানে ষ্কুল, সিনেমা, ক্লাব আর নাস্তিক্যসম্পর্কীয় মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠা করা হয়।
তাই Oscar J. Hammenনামের আমরিকান ঐতিহাসিক Engels আর মার্কস আক্ষা দিয়েছিলেন জংগী নাস্তিক হিসাবে।

১৯২৯ সালে গঠিত হয় League of Militant Atheists (Russian: Союз воинствующих безбожников, Soyuz voinstvuyushchikh bezbozhnikov)। এবং Tatar Union of the Militant Godless সাথে নিয়ে ধর্মের বিরুদ্দ্বে প্রপাগান্ডা চালায়।
Aleksandr Solzhenitsyn, তাদের ধংসের বিবরন দিয়েছেন তার লেখায়।

জংগী নাস্তিকের মনে করে যে যেহেতু ঈশ্বরকে দেখা যায় না তাই বিজ্ঞানের দৃষ্টিভংগিতে ঈশ্বরের অস্তিত্ব নেই। ধর্মীয় গালগল্প আর ধর্মীয় মিরাকলের কোন বৈগ্যানিক প্রমান নেই।
Bruce Sheiman যিকি কিনা Atheist 3.0 movement এর নেতা ছিলেন তিনি পর্যন্ত জংগী নাস্তিকদের বিজ্ঞানকে ব্যবহার করে ঈশ্বরকে বাতিল করার এই প্রয়াসকে নিন্দা জানান।
অথচ সামুর নাস্তিকেরা বিজ্ঞান দিয়ে ঈশ্বরকে কুপোকাত করার আজীব আর অযৌক্তিক সব চেষ্টা চালান।

জংগী নাস্তিকেরা শুধু সোভিয়েত ইউনিয়নে নয় বেশির ভাগ কম্যুনিষ্ট দেশগুলোতে সক্রিয় ছিল।

জংগী নাস্তিকদের নতুন নেতা হিসাবে আবির্ভুত হয়েছেন রিচার্ড ডকিন্স।
জার্নালিষ্ট Moore Daily Telegraph এ "Militant atheists: নামক আর্টিকেলে লিখেছেন too clever for their own good"
সেখানে Richard Dawkinsকে লক্ষ্য করে লেখেন
"intolerance, dogmatism, righteousness, moral contempt for one's opponents"

Moore আরো বলেন রিচার্ড ডকিন্স সবসময় প্রমান করার চেষ্টা করেন যে নাস্তিক্যবাদ আর সব মতবাদের চাইতে উচ্চতর।
যার অর্থ নাস্তিকদের সবসময় খুব বুদ্বিমান শ্রেনীর কিছু একটা প্রমানের অহেতুক প্রচেষ্টা চালানো হয়।
একই পত্রিকায় Raj Persaud categorised রিচার্ড ডকিন্সকে জংগী নাস্তিক বলে অভিহিত করেন, কেননা সে সবসময় প্রমান করতে চায় ধর্ম একটি মগজের ভাইরাসে মত।

Quadrant যা কিনা একটি সাহিত্যিক এবং সংষ্কৃতির জার্নাল, তার এডিটর রিচার্ড ডকিন্সকে আখ্যা দেন জংগী হিসাবে এবং চিন্হিত যে কিনা চরমভাবে অন্যের প্রতিক্রিয়াশীল।
জার্নালিষ্ট RJ Eskow, Huffington Post এ রিচার্ড ডকিন্স আর স্যাম হারিসের উল্লেখ করে বলেন,
"বেশিরভাগ নাস্তিকেরাই প্রগতিশীল এবং শুধুমাত্রই শ্রষ্টায় অবিশ্বাসী। আমরা বিবাদ শুধু তাদের সাথেই যারা অযৌক্তিকভাবে ধর্মকে মুছে ফেলার পরামর্শ দেয়।


Melanie Phillips নামের একজন ব্রিটিশ লেখক বলেন জংগী নাস্তিকেরা ধর্মকে আক্রমন করতে গিয়ে বস্তুবাদী দুনিয়ার বাইরেরু সবকিছুই ধংস করতে চায়, ধংস করতে চায় আমাদের নৈতিকতাবোধকে। এবং তাদের এজেন্ডাকে পাবলিক পলিসি হিসাবে বাস্তবায়িত করার জন্য অন্যকে হেয় করার কিংবা আগ্রাসনের পথ বেছে নেয়।

Simon Blackburn বলেন আমাদের মত অনেক দার্শনিকেরা, যারা কিনা শ্রষ্টায় বিশ্বাস করে না, তারা পর্যন্ত জংগী নাস্তিক আর ধার্মিকদের দন্দে বিব্রত আর বিরক্ত বোধ করে।

Paul Kurtz যাকে বলা হয় সেক্যুলার হিউমিনিজমের জনক, তিনি জংগী নাস্তিকদের এই বলে তিরষ্কার করেন যে তারা যে কোন ধরনের বিতর্কের সুযোগ দেয় না। মিলিট্যান্ট এথিইজম একটি ডগমাতে পরিনত হচ্ছে। তিনি সোভিয়েত ইউনিয়নে ধংসাত্মক কার্যকলাপের জন্য তাদেরকে দোষারোপ করেন।
তিনি জংগী নাস্তিক আর হিউমিনিষ্টদের বড় পার্থ্ক্য হল
হিউমিনিস্টরা মানুষের মুক্তি আর গনতন্ত্রের জন্য কাজ করে।
পক্ষান্তরে জংগী নাস্তিকেরা মানবাধিকার লংঘন করে। তিনি আরো বলেন ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষা করা যেমন ধর্মে বিশ্বাসীদের অধিকার, ঠিক তেমনি ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষা করা মানবাতবাদিদের জন্য একটি খুব মুল্যবান বিষয়। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29405119 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29405119 2011-06-30 20:45:08
সামুর বেশিরভাগ নাস্তিকই জংগী নাস্তিক ইসলামী জংগীবাদ উনাদের সবচাইতে পছন্দনীয় টপিক।
কিন্তু জংগী নাস্তিক্যবাদ বলে যে কিছু আছে তা তাদের অনেকেই জানেন না না। আর সবচাইতে আশ্চর্য্যজনক সত্য হল জংগী ইসলামীরা না যত মানুষ মেরেছে তার চাইতে বেশি মানুষ মেরেছে জংগী নাস্তিকেরা।
নাস্তিক্য জংগীবাদ শব্দটি প্রথম ব্যবহার করা হয় ১৮৯৪ সালে, অথচ ইসলামী জংগীবাদের সাথে আমাদের পরিচয় খুব বেশিকাল আগের নয়।
বির্টিশ ফিলোসোফার Julian Baggini মিলিটান্ট এথিইজম বা জংগী নাস্তিক্যবাদের ডেফিনশন দিতে গিয়ে বলেন, জংগী নাস্তিক্যবাদ হল এমন নাস্তিক্যবাদ যা কিনা ধর্মের প্রতি সহিংস এবং একান্তভাবে ধর্মবিরোধী, যা কিনা ঘৃনায় ভরা দৃষ্টিভংগি দিয়ে সবধরনের ধর্মে দুনিয়ার বুক থেকে মুছে ফেলতে চায়। উদারপন্থি নাস্তিকেরা একটিতে কিন্তু জংগী নাস্তিকেরা দুটিতে বিশ্বাস করে। উদারপন্হি কিংবা মডারেট নাস্তিকেরা দাবি করে ধর্ম মিথ্যা এবং বোকামি, কিন্তু জংগী নাস্তিকেরা এর সাথে আরেকটি ব্যাপার দাবি করে, তাহল ধর্ম সবসময় ক্ষতিকারক কিংবা বিপদজনক।

জংগী নাস্তিক্যবাদ materialism of Marxism-Leninism এর অবিচ্ছেদ্দ অংগ ছিল। চরম নাস্তিক্যবাদ লক্ষ করা যায় বিগত সোভিয়েত ইউনিয়নে, যেখান নাস্তিক্যবাদকে সরকারী ক্রেডো বা ধর্মে প্রতিষ্ঠিত করা চেষ্টা চালানো হয় আর তা করা হয় ধর্মের বিরদ্ধে আগ্রাসন চালিয়ে।
কমিউনিস্ট পরিনত হয় চার্চের ভুমিকায়।
ধংস করতে শুরু করে মসজিদ মাদ্রাসা আর চার্চ।
এই জন্যই বোধহয় সামুর নাস্তিকদের প্রধান টার্গেট মসজিদ আর মাদ্রাসা।

সোভিয়েত ইউনিয়নে তখন কোন ধরনের ধর্মীয় সভা করা যেত না। স্কুল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ধর্মীয় শিক্ষা শুধুমাত্র নিষিদ্দ্ব করা হয়নি, সেখানে নাস্তিক্যবাদের পাঠ্যদান করা হত। ছাত্রদের বলা হত তারা যেন তাদের পরিবার পরিজনকে নাস্তিক্যবাদে ধর্মান্তর ঘটায়। ধর্মবিরোধী গান, কবিতা লেখায় তাদের উদ্বুদ্ব করা হত। কোন ছাত্র নাস্তিক্যবাদে অস্বীকৃতি জানালে তাকে স্কলারশিপ বাতিল করা হত এবং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিতাড়িত করা হয়। যে কেউ এসব নীতিমালা লংঘন করলে তার জন্য ছিল কঠোর শাস্তি। শুধুমাত্র ১৯২২ সালেই এই জংগী নাস্তিকদের হাতে ২৬৯১ জন সেক্যুলার প্রিষ্ট, ১৯৬২ জন মংক আর ৩৪৪৭ জন নানকে তাদের প্রান হারাতে হয়েছিল। ধার্মিকদের নাস্তিক হতে বাধ্য করা হত বিভিন্ন রকম টরচার করে কিংবা জেলে পাঠিয়ে। শুধুমাত্র ১৯৪১ সালে ৪০০০০ চার্চ আর ২৫০০০ মসজিদকে বিলুপ্ত করে সেখানে ষ্কুল, সিনেমা, ক্লাব আর নাস্তিক্যসম্পর্কীয় মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠা করা হয়।
তাই Oscar J. Hammenনামের আমরিকান ঐতিহাসিক Engels আর মার্কস আক্ষা দিয়েছিলেন জংগী নাস্তিক হিসাবে।

অথচ দেখুন এক লালন মুর্তি ভাংগাতেই নাস্তিকদের নর্তন কুর্দনে ব্লগ প্রকম্পিত হয়ে উঠেছিল।

১৯২৯ সালে গঠিত হয় League of Militant Atheists (Russian: Союз воинствующих безбожников, Soyuz voinstvuyushchikh bezbozhnikov)। এবং Tatar Union of the Militant Godless সাথে নিয়ে ধর্মের বিরুদ্দ্বে প্রপাগান্ডা চালায়।
Aleksandr Solzhenitsyn, তাদের ধংসের বিবরন দিয়েছেন তার লেখায়।

জংগী নাস্তিকের মনে করে যে যেহেতু ঈশ্বরকে দেখা যায় না তাই বিগ্যানের দৃষ্টিভংগিতে ঈশ্বরের অস্তিত্ব নেই। ধর্মীয় গালগল্প আর ধর্মীয় মিরাকলের কোন বৈগ্যানিক প্রমান নেই। Bruce Sheiman যিকি কিনা Atheist 3.0 movement এর নেতা ছিলেন তিনি পর্যন্ত জংগী নাস্তিকদের বিগ্যানকে ব্যবহার করে ঈশ্বরকে বাতিল করার এই প্রয়াসকে নিন্দা জানান।
অথচ সামুর নাস্তিকেরা বিগ্যান দিয়ে ঈশ্বরকে কুপোকাত করার আজীব আর অযৌক্তিক সব চেষ্টা চালান।

জংগী নাস্তিকেরা শুধু সোভিয়েত ইউনিয়নে নয় বেশির ভাগ কম্যুনিষ্ট দেশগুলোতে সক্রিয় ছিল।

জংগী নাস্তিকদের নতুন নেতা হিসাবে আবির্ভুত হয়েছেন রিচার্ড ডকিন্স।
জার্নালিষ্ট Moore Daily Telegraph এ "Militant atheists: নামক আর্টিকেলে লিখেছেন too clever for their own good"
সেখানে Richard Dawkinsকে লক্ষ্য করে লেখেন
"intolerance, dogmatism, righteousness, moral contempt for one's opponents"

Moore also stated that Dawkins promulgated the idea that atheism is "a superior order of being".[73] In the same newspaper, Raj Persaud categorised Richard Dawkins as a militant atheist for his 'famously virulent views on religion, attacking it as a "virus of the mind" and an "infantile regression".'[74]

The editor of Quadrant Magazine, a literary and cultural journal, also refers to Dawkins in these terms, and suggests that Dawkins' views are an extreme example of intolerance.[75] Journalist, RJ Eskow, in The Huffington Post refers to Richard Dawkins and Sam Harris as fundamentalist atheists, saying "I believe most atheists are progressive, enlightened people who are simply 'nonbelievers.' My quarrel is only with those who advocate the elimination of religion based on grandiose and unsubstantiated claims."[76]

General

Melanie Phillips, a British author, suggests that militant atheism "in junking religion, has destroyed our sense of anything beyond our material selves and the here and now" and "paved the way for the onslaught on bedrock moral values ... and intimidation and bullying to drive this agenda into public policy".[79]

Simon Blackburn writes that "many professional philosophers, including ones such as myself who have no religious beliefs at all, are slightly embarrassed, or even annoyed, by the voluble disputes between militant atheists and religious apologists".[80]
[edit] Humanism

Paul Kurtz, considered by many to be the founder of secular humanism,[81] has criticized militant atheists in that "they resist any effort to engage in inquiry or debate" and militant atheism as "becom[ing] mere dogma."[82] Kurtz has criticized the militant atheism of the Soviet Union, which he stated "persecuted religious beleivers, confiscated church properties, executed or exiled tens of thousands of clerics, and prohibited believers to engage in religious instruction or publish religious materials" and praised Mikhail Gorbachev's "dismantling such policies by permitting greater freedom of religious conscience...moving from militant atheism to tolerant humanism."[83] One of the differences Kurtz cited between militant atheists and humanists was the latter's commitment to "human freedom and democracy" while stating that the militant atheism of the Soviet Union consistently violated basic human rights.[35] Kurtz also stated that the "defense of religious liberty is as precious to the humanist as are the rights of the believers."[35]

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29404612 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29404612 2011-06-29 22:06:28
ইতিহাসের সবচাইতে খারাপ মানুষগুলোর তিন চার জন নাস্তিক, একজন মুসলমান বাকী সব খৃষ্ট ধর্মের Attila.The.Hun. হুনদের রাজা, ইউরোপিয়ান সম্রাটদের ঘুম হারাম করে রেখেছিল এই ভয়ংকর লোকটি।
Bad.King.John ইংল্যান্ডের সম্রাট
Caligula. রোমান সম্রাট
Francisco.Pizarro ষ্পেনের শাসক
Hitler এরে সবাই জানেন।
Idi.Amin ইদি আমিনের বেশি খ্যাপা ছিল সাদা চামড়ার উপর
Ivan.the.Terrible মস্কোর এই প্রিন্স রাশিয়ানদের মধ্যে ত্রাসের সৃষ্টি করেছিল
Joseph.Stalin সোভিয়েত রাশিয়ায় এই মানসিক রোগীটি লক্ষ লক্ষ মানুষকে খুন করেছিল।
Nero রোম যখন পুড়ছিল নিরো তখন বাশি বাজাচ্ছিল
Pol.Pot খেমারুজরা মানবাধিকারের লংঘনে চ্যাম্পিয়ন ছিল।
Rasputin মিস্টিরিয়াস এই চরিত্রটি রুশ সাম্রাজ্যের অনেক কিছু নিয়ত্রম করত।
Torquemada এই খৃ্ষ্টান যাজকের হাতে মরে স্পেন ইহুদিশুন্য হয়ে পড়েছিল, মুসলমানেরাও বাদ পড়েনি।
Vlad.The.Impaler শত্রুকে এত বেশি যন্ত্রনা দিয়ে কেউ মারত না।

ইতিহাসের খারাপ মহিলারা-

Bloody.Mary.Tudor
Countess.Dracula.
Ilse.Koch.
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29398684 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29398684 2011-06-18 17:45:40
নাস্তিক প্রফেসর আর তার আস্তিক ছাত্র তার আগমন ঘটেছিল দুর্বলতর মানুষদের ভয় পাইয়ে দিয়ে সবলদের সুবিধা আদায়ের জন্য। তাই ঈশ্বরে মানুষের বিশ্বাসটা মানসিক ব্যাধির মত।

প্রফেসরের এই অপ্রাসংগিক রকমের লেকচার আর আচরনে কিছু ছেলেপেলে খুবই বিব্রতবোধ করা শুরু করল।

একদিন প্রফেসর ধর্মকে খুব বেশি হেয় করার জন্য শুরু করলেন বর্ননা, কিভাবে ধর্মভীরু মানসিক ব্যাধিগ্রস্থ মানুষগুলো পরষ্পরকে খুনজখম করতে কুন্ঠাবোধ করেনা।

ঠিক সেই সময়টিতে তাকে থামিয়ে দিয়ে একজন ছাত্র তাকে কিছু প্রশ্ন করতে চাইল।
প্রফেসরের অনুমতি নিয়ে সে প্রশ্ন করল, স্যার আপনি সিজোফ্রনিয়া রোগিদের ব্যপারে কিংবা হ্যালুসিনেশনের ব্যপারে কি জানেন।

প্রফেসর অবাক হলেন। এটি অনেক আগের প্রমানিত মতবাদ অবিশ্বাস করার কি আছে!

প্রফেসর শুরু করলেন কিভাবে এইজাতীয় মনোরোগীরা অদৃশ্য কিছু দেখতে কিংবা শুনতে পায়।

প্রসংগক্রমে স্বরন করিয়ে দিলেন বিউটিফুল মাইন্ড নামের একটি ছবির কথা।
যেখানে নোবেলজয়ী অর্থনীতির প্রফেসরের হ্যালুসিনেশ হত।
তিনি তিনজন অদৃশ্য মানুষকে দেখতে পেতেন।

এবার প্রফেসরকে থামিয়ে দিয়ে ছাত্রটি জিজ্ঞেস করল, তাহলে স্যার আপনি সিজোফ্রনিয়া আর হ্যালুসিনেশনের ব্যপারটি বিশ্বাস করেন।

ছাত্রটি এব্যাপার জিজ্ঞেস করল, স্যার আপনার কি কখনো হ্যালুসিনেশ হয়েছিল কিংবা আপনি কি কখনো সিজোফ্রনিয়া রোগী ছিলেন।

প্রফেসর রেগে কাই হলেন, বেয়াদপ ছেলে বলছ কি?

ছাত্রটি বলল, স্যার আপনি যা দেখেননি তাতে বিশ্বাস করেন কিভাবে।

কিছু পাগল ছাগলের (সিজোফ্রনিয়া রোগী) কথা বিশ্বাস করতে আপনার লজ্জাবোধ হওয়া উচতি।

অথচ পৃথিবীর শতকোটি মানুষ যারা সবাই মানুষিকভাবে সূস্থ্য এবং যাদের মধ্যে অনেক বুদ্বিমান ভালো মানুষও আছে, তাদের বিশ্বাসকে হেয় করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছেন, এর জন্য আপনার লজ্জিত বোধ করা উচিত নয় কি?

প্রফের হা হয়ে তাকিয়ে রইলেন ছাত্রের দিকে
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29396190 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29396190 2011-06-13 17:58:41
নাস্তিকেরা শেষ পর্যন্ত আল্লাহকে স্বীকার করে, তবে দেরীতে আবার যখন ক্ষমতার বাইরে থাকে, তখন হয়ে যায় মানবদরদী, মুক্তচিন্তার ধারক বাহক।
শুনা যায় সংখালঘুরা সবসময় বেশ চালাক হয়ে থাকে। ইহুদি আর নাস্তিকদের এই ক্ষেত্রে একই কাতারে ফেলা যায়।

তাই আস্তিক লাদেনকে তারা বানিয়ে ফেলে ধর্মকে পর্যুদস্তু করার হাতিয়ার হিসাবে, ঠাট্টা মস্করার একটি চমতকার উপাদান এখন লাদেন।

কিন্তু আবার নাস্তিক চে গুভেয়ারকে তারা বানিয়ে তুলে তারা পৃথিবীর একজন প্রধান ত্রাতা রূপে।

কিন্তু মজার ব্যপার মানবাধিকার লংঘনে দুজনরেই কোন জুরি নেই।
দুজনের হাতেই হাজার হাজার নিরাপরাধ মানুষকে মরতে হয়েছে।

দুজনেই লড়াই করেছে পূজিবাদী আর সামাজ্যবাদী শক্তির বিরুদ্বে।
স্পস্টভাবে বললে দুজনেরই লড়াই করার পন্হাটি হালাল ছিল না।

আজ আমি একজন মহান নাস্তিক শাসকের কাহিনী বলব যার নাম Plutarco Elías Calles। মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ছিলেন ১৯২৪ থেকে ১৯২৮ সাল পর্যন্ত। এরপরও মেক্সিকোকে শাসন করেছেন আরও কয়বছর। দেশের আসল ক্ষমতাটি তার হাতেই ছিল।

ক্ষমতায় এসেই পৃথিবীর সব সমস্যার কারন ধর্মকে উতখাত অভিযানে নেমে পড়লেন। গীর্জা ধংস করতে লাগলেন একটার পর একটা। আইন পাশ করলেন, যাতে ধর্মকর্ম পালন করতে না পারে মানুষ।
শুরু হয় গৃহযুদ্ব।
১৯২৬ সাল থেকে ১৯২৯ সাল পর্যন্ত চলে এই যুদ্ব( Cristero War)।
মানুষ মারা যায় ৯০ হাজার। অকাতরে মানুষ মেরেও যখন ধর্ম থেকে মানুষকে ফেরানো যাচ্ছিল না, তখন চুক্তিতে বাধ্য হন তিনি।

তারপর যে মহান কাজটি করেন এই নাস্তিক ভদ্রলোক তা রীতিমত আতকে উঠার মত।
বিরোধীদের আবার কচুকাটা করা।
তাদেরকে তাদের ঘরের সামনেই, পরিবারের সামনেই মারতে পিছপা হলেন না এই মহান নেতা।

৫০০ Cristero নেতা আর ৫০০০ অনুসারীকে গুলি করে মারেন তিনি তাদের ঘরে তাদেরই বউ বাচ্চাদের সামনে। আর সেটি করা হয় শান্তি চুক্তির পরে।

আর এসবকিছুই করেছেন তিনি ধর্মের বিষফোরাকে এই ধরিত্রীকে থেকে উতপাটনের জন্য।

Between 1926 and 1934 at least 4000 priests were killed or expelled.[21] Where there were 4,500 priests serving the people before the rebellion, in 1934 there were only 334 priests licensed by the government to serve fifteen million people, the rest having been eliminated by emigration, expulsion, and assassination.

কিন্তু শেষ জীবনে এই নাস্তিক ভদ্রলোকের বোধদয় ঘটে।
সর্বশক্তিমানের ব্যপারে তার আগ্রহ জেগে উঠে। মৃত্যুর কয় মাস আগে তিনি বলে গেলেন, অবশ্যই সর্বশক্তিমান একজন আছে।

In his last years he reportedly became interested in Spiritualism.[30] A few months before his death in October 1945, aged 68, Calles reportedly stated that he "most certainly believed" in a higher power.[31]

কিন্তু ততক্ষনে অনেক দেরী হয়ে গেছে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29387342 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29387342 2011-05-28 10:45:47
জাপানীজ বাংলা ডিকশনারী কেও কি এব্যপারে সাহায্য করতে পারবেন।
টাকাও পে করতে রাজী আছি।

অন্তত: কি ধরনের এপ্লিকেশন ব্যবহার করলে ভাল হয়, অনলাইনে কোন রেডিমেড এপ্লিকেশন আছে কিনা, এটুকু জানালেও উপকৃত হব

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29384312 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29384312 2011-05-20 19:15:26
ইসলামের বহুবিবাহ নাস্তিকদের অপছন্দ কেন

নাষ্তিকদের দৃষ্টি কিন্তু ইসলামেই সীমাবদ্ধ, অন্যদিকে যায়না।

কিছু তথ্য দিলাম যাতে করে বুঝা যাবে ইসলামের বাইরের দেশ গুলাতে মেয়েদের নিয়ে কি করা হয়।

সেক্সট্যুরিজম জিনিষটা বিদ্যান নাষ্তিকদের ভালভাবেই বোঝার কথা।
পৃথিবী যে কয়টি দেশ সেক্সট্যুরিজমের জন্য বিখ্যাত তা হল, ব্রাজিল, কোষ্টারিকা, কিউবা, কেনিয়া, নেদারল্যান্ড ফিলিপাইন থাইল্যান্ড এবং ডোমানিকান রিপাবলিক।
মুসলমান দেশ একটাও নাই। নাষ্তিকদের অসন্তুষ্টির এটিও একটি বড় কারন।
শিশু বা চাইল্ড সেক্সট্যুরিজমের জন্য বিখ্যাত জায়গা হল, থাইল্যান্ড, কেম্বোডিয়া, ইন্ডিয়া, ব্রাজিল এবং মেক্সিকো।
ইন্ডিয়াতে বোধহয় আমাদের দেশ থেকে নারী পাচার হয়।

আমেরিকার Utahতে ৪০,০০০ মানুষ একাধিক বিয়ে করেন, যা কিনা জনসংখ্যার ২%।

সবচাইতে বেশি আলোচিত শিশু যৌন নির্যাতনের ঘটনা ঘটাচ্ছেন চার্চের লোকজনেররা, যারা কিনা একাধিক ত দুরের কথা সারা জীবন কুমারত্ব গ্রহনের মহান কাজে ব্রত।

সবচাইতে বেশি শিশুরা যৌন নির্যাতনের সম্মুখীন হয় দক্ষিন আফ্রিকাতে।

আমেরিকা এবং ইউরোপের চিত্রও ভয়াবহ।
বৃটেনে 8% ছেলে এবং12% মেয়ে এবং আমেরিকাতে17% ছেলে 28%মেয়ে যৌন নির্যাতনের সম্মুখীন হয়। ২০০৫সালে 83,600 যৌন নির্যাতনের রিপোর্ট লিপিবদ্ধ হয়।
0.2% মেয়েরা নিজের বাপ আর 3.7% মেয়ের সত বাপের সাথে যৌন মেলামেশা করে।

9.6%শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের কাছে যৌনভাবে নির্যাতনের সম্মুখীন হয়।

ইন্ডিয়াতে চিত্রটি আরো ভয়াবহ।
53.22% শিশুরা যৌনভাবে নির্যাতনের সম্মুখীন হয়।

200,000 নেপালি মেয়েকে যাদের বয়স কিনা ১৪র নীচে যৌনদাসী হিসাবে বিক্রি করে দেয়া হয় ইন্ডিয়াতে। ভারতে হালকা চামড়ার নেপালী কুমারিদের কদর অত্যন্ত বেশি।

যে দেশগুলোতে মেয়েদের যৌন কাজের জন্য মেয়েদের পাচারের ঘটনা সবচাইতে বেশি ঘটে তা হল জাপান, জার্মান, ইউরোপের অন্যান্য দেশ।
ফিলিপাইন আর থাইল্যান্ড থেকে অসংখ্য মেয়ে পাচার হয় জাপানে।
পূর্ব ইউরোপ থেকে পাচার হয় পশ্চিম ইউরোপে।

এখন নাস্তিকদের কাছে আমার প্রশ্ন উন্নত বিশ্বের উন্নত লাগামহীন জীবন যাপনের গুনগ্রাহী হয়ে কিভাবে উনারা এসব অন্যায় নিরবে হজম করে ফেলেন।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29380520 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29380520 2011-05-13 21:51:39
নাস্তিকেরা যে জিনিষটা ভুলে যান
গেমের চরিত্রগুলো এক্সিকিউশন বাটন ইউজ করে বিভিন্ন কাজ কর্ম সারতে পারে।
মনে করেন গেমের একটা চরিত্রের সামনে তিনটা এক্সিকিউশন বাটন আছে।
একটাতে টিপ দিলে পানিতে পড়বে, একটাতে টিপ দিলে আগুনে পড়বে আর একটাতে টিপ দিলে সোজা আরেকটা লেভেলে গিয়ে পৌছবে।

এখন যদি প্রোগামার বলে আমি গেমের ক্ষেত্রে কি কি ঘটবে তা সবই জানি।
আবার যদি তিনি বলেন গেমের চরিত্রগুলোরে স্বাধিনভাবে এক্সিকিউশন বাটন টেপার স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে, তাহলেও কি ঠিক হবেনা।

আবার চিন্তা করেন গেমের মধ্যে ইচ্ছার স্বাধীনতা, সময়, অতীত, ভবিষত, শেষ, শুরু জাতীয় অবজেক্ট রাখার ব্যবস্থা করা হল।

এখন আবার চিন্তা করেন গেমের চরিত্রগুলোরে প্রোগামারের ব্যপারে কিছু চিন্তাভাবনা করার সুযোগ দেয়া গেল।

এখন চরিত্রগুলো প্রোগামারের শেষ, শুরু , অতীত , ভবিষত জাতীয় ব্যপারগুলো চিন্তা করে খুব কাহিল হয়ে পড়বে নয়কি।

তাই আমাদেরকে যেইসব বিষয় নিয়া সৃষ্টি করা হয়েছে (স্থান, সময় জাতীয় ডাইমেনশন) তার মধ্য থেকে স্রষ্টাকে যাচাই করা বোকামি নয়কি।

এখন একজন নাস্তিক ঈশ্বরকে অস্বীকার করার জন্য সংখ্যা দিয়ে কিসব যুক্তি প্রদর্শন করেছেন।

কিন্তু যে ঈশ্বর যুক্তি তর্ক কিংবা সংখ্যা সৃষ্টি করেছেন, তা দিয়েই আবার তাকে ঘায়েল করতে যাওয়াটা বোকামি নয় কি।

নাস্তিকেরা বোকামীটা করেন ঐ যায়গাতেই।

আমি যদি আস্তিক হই তাহলে যুক্তিটা দাড়ায় কেমন।
যে আমাকে সৃষ্টি করেছেন, সৃষ্টি করেছেন সংখ্যাকেও, তাকে অস্বীকার করতে চাইছেন সংখ্যার মারপ্যাচ দিয়ে।

পাচশ বছর আগে পৃ্থিবীর সবচাইতে সেরা যুক্তিবাদী কিংবা বিজ্ঞানীরের সামনে যদি একটা ল্যাপটপ এনে স্কাইপেতে কারো সাথে ভিডিও চ্যাট করতেন তখন সে যুক্তিটুক্তি বাদ দিয়া আপনাকে পুজা শুরু করত।
কারন পাচশ বছরের পরের জ্ঞান তার নেই।

যা বিজ্ঞান কয় বছর আগেও অস্বীকার করেছে, তা এখন প্রমানিত।

তাই অনেক কিছুই আমরা জানি না, আমাদের জ্ঞান সীমিত।

সেই জ্ঞান দিয়া সর্বশক্তিমান কাউরে যাচাই করা বোকামী ছাড়া কিছুই নয়।






]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29379341 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29379341 2011-05-11 20:12:57
নবীজি সা: কে নিয়ে মিথ্যা প্রচারনাকারী নিজেদেরকেই অসম্মানিত করে
পৃথিবীখ্যাত ইতিহাসবিদ টমাস কারলাইল বলতে তাই বাধ্য হয়েছিলেন,

."এই মহামানবের সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য পশ্চিমারা অপপ্রচার চালানোর ব্যপারে যে উতসাহ উদ্দীপনা দেখিয়েছিল তাতে করে তারা নিজেদেরকেই অসম্মানিত করেছিল।"

."সংকল্পে অটল এই মহাত্বা পৃথিবীকে আলোকিত করার জন্য স্রষ্টা কর্তৃক নির্দেশিত হয়েছিলেন।"

"অনারম্ভর সহজ সরল জীবন যাপন ছিল নবীজি সা: এর। কিন্তু তার মহান লক্ষ্য বা উদ্দ্যেশ সাধনে তিনি সফল হয়েছিলেন, খুব কম সময়ের মধ্যে। "

ব্রিটিনিকা এনসাইক্লোপিডিয়ার ভাষায়,
"বিভিন্ন বিস্বাসযোগ্য বর্ননায় এটা সহজেই অনুমেয় কেবল সত আর নীতিতে অটল দায়িত্বশীল লোকের পক্ষেই সম্ভব নবীজি সা: মহাত্ব্য আর বিশালত্বকে বুঝতে পারা।"

হীনমন্য, দুরাচার,নীতিহীন, বিবেকবর্জিত, দায়িত্বহীন মানুষের পক্ষে কখনো সম্ভব নয় তার মহাত্ব্য আর বিশালত্বকে বুঝতে পারা।

ফরাসী বিখ্যাত সাহিত্যিক এবং ঐতিহাসিক লামারটাইনের ভাষায়,
মনুষ্য প্রতিভাকে যদি যাচাই করা হয় উদ্দ্যেশের মহাত্ব্যে, আয়াসসাধ্য প্রচেষ্টায় আশ্বার্যজনক ফলাফলের লাভের ভিত্তিতে তাহলে কার দু:সাহস আছে নবীজি সা: কে তুলনা করে আধুনিক ইতিহাসের কোন মহান ব্যক্তিত্বের সাথে।

তার মতে তিনি তার মহান উদ্দ্যেশ সাধনের যুদ্ধে জয়ী হলেও কখনোও ধৈর্যহারা, আত্মহারা হননি, বরন্চ তিনি নিজেকে সর্বোতভাবে উতসর্গ করেছিলেন একটি মাত্র উদ্দ্যেশে, তিনি ক্ষুদার্ত ছিলেন না কোন সামার্জ্য স্হাপনে। তার অশেষ প্রার্থনা, আল্লাহর সাথে রহস্যপুর্ন কথোপকথন, তার মৃত্যু, মৃত্যু পরবর্তী ইসলামের অগ্রযাত্রা সবই প্রমান করে যে তিনি প্রতারক ছিলেন না, ছিলেন একটি সত্য ধর্মের প্রবর্তক।

মাত্র ২৩ বছরের মধ্য তিনি পুরো আরব বিশ্বের চেহার বদলে দিয়েছিলেন।

মুর্তিপুজারি একটি জাতিকে একত্ববাদে দীক্ষিত করেন।
জাতিগত যুদ্ধে নিয়োজিত জাতিগুলিকে একতাবদ্ধ করেন।
মদ্যপায়ী, অসংযমী যৌনাচারে অভ্যস্থ একটি জাতিকে ভদ্র এবং বিনয়ী জাতিতে পরিনত করেন।
উশৃংখল এবং জংলী একটি জাতিকে সুশৃংখল জাতিতে পরিনত করেন।
নীতিবিবর্জিত জাতিকে পরিনত করেন একটি নীতিবান জাতিতে।

দুযুগের মধ্যে একটি সমাজের অভুতপুর্ব এই পরিবর্তন মানব ইতিহাসে কখনো ঘটেনি।

ভারতের বিখ্যাত কবি সরোজিনি নাইডু বলেছিলেন, আমি অবাক হয়েছি ইসলামের ঐক্য দেখে যা মানুষের মধ্যে অখন্ডনীয় ভ্রাতৃত্ববোধের জন্ম দেয়।

ইসলাম বিদ্ধেষীরা কাস্মীর, ইরাক কিংবা ফিলিস্তিনি মুসলমানদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করলে, ইসলামী বিশ্বের ভ্রাতৃত্ববোধের কথা বললে তেলে বেগুনে জ্বলে উঠে। কেননা ইসলামের এই মুল শিক্ষা আমরা ভুলে বসেছি অনেক আগেই। ইসলামের শত্রুদের জন্য তাই এখন সহজ হয়েছে শতধা বিভক্ত মুসলিম জাতিকে আক্রমনে শতছিন্ন করা।

তিনি আরো বলেছিলেন, এটাই প্রথম ধর্ম যা কিনা গনতন্ত্রের কথা শুধু বলেইনি চর্চাও করেছিল। দিনে পাচবার আজানের ধ্বনি শুনে মসজিদে যখন নামাজীরা সমবেত হন ইসলামে তখন গনতন্ত্রের চর্চাটি পরিলক্ষিত হয়, কেননা বাদশাহ গরীব পাশাপাশি মাথানত করে উচ্চারন করে, আল্লাহই কেবল সর্বশক্তিমান।

মহান এই ধর্মের প্রবর্তককে এখন অবমাননা করতে ইসলামের শত্রুদের একটুও বাধে না। তাদের ভাষায় উনি একজন প্রতারক ছিলেন (নাউযুবিল্লাহ)। এখন তাকে আক্রমনের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে এইসব মানবতার শত্রুরা। নি:সন্দেহে তারা ঈর্ষান্বিত।

মাইকেল এইচ হার্টের বিশ্বের ইতিহাসে ১০০জন প্রভাবশালী ব্যক্তিদের লিস্টে হজরত মোহাম্মদ সা: এক নাম্বার ছিলেন। কেননা ধর্ম এবং সেক্যুলার উভয় লেভেলে তার সফল মানুষ দ্বিতীয়টি জন্ম নেইনি।
মহানবী সাঃ একজন ধ্রমের প্রবর্তক, একটি রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা, একটি জাতির প্রতিষ্ঠাতা, একটি নীতি বিষয়ক আইনের প্রবর্তক এবং বহু রাজনৈতিক ও সামাজিক সংস্কারের প্রবর্তক।

বিখ্যাত কিছু ব্যক্তির মন্তব্য দেয়া গেল নিচে যা অনেক কিছুই প্রমান করে।

Sir George Bernard Shaw in 'The Genuine Islam,' Vol. 1, No. 8, 1936.
পৃ্থিবী তিনজন বিখ্যাত নাট্যকারের (সেক্সপিয়র, বার্নাড শ, ইবসেন) একজন।

আগামী একশ বছরে আরো কোন ধর্ম যদি ইংল্যান্ড আর ইউরোপকে শাসনের ক্ষমতা রাখে সেটা হল ইসলাম।

আমার কাছে ইসলাম এবং মুহাম্মদ সা: সবসময় আলাদা উচ্চতার গুরুত্ব বহন করে। এই একটি ধর্ম যা কিনা সব বয়সের মানুষের কাছে আবেদন রাখে এইজন্য যে মানুষের অস্তিত্বের বিভিন্ন পর্যায়ের পরিবর্তনের সাথে এটি সাংঘর্ষিক নয়।
আমি মুহাম্মদ সা: ব্যপারে পড়াশুনা করেছি। চমতকার একজন মানুষ, তিনি মানবজাতির ত্রানকর্তা

আমি বিশ্বাস করি তার মত মানুষের হাতে যদি সমগ্র আধুনিকা বিশ্বের ভার দেয়া হত, তাহলে তিনি তার সব সমস্যার সমাধান করতে পারতেন সহজে, পৃথিবী এনে দিতে পারতেন তার কাংখিত শান্তি এবং সুখ। আজকে যেমন ইউরোপে ইসলাম সমাদৃত হতে শুরু করেছে, আগামীতে তা আরো গ্রহনযোগ্য হয়ে উঠবে।

মুহাম্মদ সা: মুর্তিপুজারীদেরকে বিতাড়িত করে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। এতিম ছিলেন, ছিলেন দরিদ্র . অন্যসব নবীদের মত তিনি লাজুক ছিলেন।
তিনি ছিলেন বাস্তববাদী। ছেলের মৃত্যতে যখন সূর্যগ্রহন শুরু হল, যখন বলা শুরু হল তার সন্তানের মৃত্যুতে আল্লাহ সমবেদনা জানাচ্ছেন, তিনি ঘোষনা করলেন এটি একটি প্রাকৃতিক ব্যপার, মানুষের জন্ম মৃত্যুর সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই।

তার মৃত্যুতে যখন তার অনুসারীরা হিস্টিরিয়াগ্রস্থ হয়ে পড়ল, তার মনোনিত প্রথম খলিফা ঘোষনা করলেন,
তোমাদের মধ্য যারা মুহাম্মদ সা: পুজা করতে জেনে রেখ তিনি মুত্যুবরন করেছেন, আর যদি তোমরা আল্লাহর এবাদত করে থাক তবে জেনে রেখ তিনি অমর।
[James A. Michener, ‘Islam The Misunderstood Religion’, In the Reader’s Digest (American Edition) for May 1955, pp. 68-70.]]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29324859 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29324859 2011-02-12 10:32:44
ইউরোপরের মুসলিম ফুটবল খেলোয়াড়
- Patrick Vieira (Inter Milan)

- Robin Van Persie, Arsenal


- Franck Ribery (Bayern Munich)


-Omar Frederick Kanoute, Sevilla

- Zinedine Yazid Zidane, x-France

- Nicholas Anelka, Chelsea

- El Hadji Diouf, Bolton

- Salomon Kalou, Chelsea

- Nihat Kahveci, Villareal

- Diomansy Kamara, Fulham
- Samir Nasri, Marseille

- Zlatan Ibrahimovic, Inter Milan

- Hassan Salihamidzic, Juventus


-Kareem Benzema, Lyon - Nabil El Z

Ali AlHabsi,Bolton -

Amr Zaki,Wigan -

Hatem Ben Arfa,Marseille -

- Vahid Hashemian (VfL Bochum)

- Mehdi Mahdavikia (Eintracht Frankfurt)

- Nuri Şahin (Borussia Dortmund)

- Tuncay Şanlı (Stoke City)

- Mesut Özil (Real Madrid)

- Hamit Altıntop (Bayern Munchen)

- Halil Altıntop (Eintracht Frankfurt)

- Yıldıray Baştürk (Blackburn Rovers)

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29324288 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29324288 2011-02-11 10:40:41
বেচে থাকা জ্যাম লেগে গেছে। নির্ঘাৎ দেরি হয়ে যাবে।
চাকুরীর জন্য গত দুবছর যাবৎ চেষ্টা চালিয়ে যাবার পর একটা ভাল প্রতিষ্ঠান রিটেন পরীক্ষায় টিকে গেছে।
হাতের ঘড়ির দিকে তাকাল। ভাইভা পরীক্ষার আর মাত্র আধা ঘন্টা বাকী আছে।
এজায়গাটিতে জ্যাম লাগার কথা নয়। মাসুমকে অবাক করে দিয়ে জ্যাম আরো আধাঘন্টা স্থায়ী হল। তার সিএনজি যখন তড়িঘড়ি করে এগুতে শুরু করল তখনই তার মোবাইলটি বেজে উঠল।
প্রতিষ্ঠানটির এডমিনের ফোন। তাকে বাদ দেয়া হয়েছে। সময়ের ব্যপারে তারা নাকি খুবই সিরিয়াস। কোন অজুহাত শুনতে রাজী নয়।

মাসুমের মাথাটা ভারী হয়ে এল। এমাসের মধ্যে চাকুরী না হলে তাকে ঢাকা ত্যাগ করে গ্রামের বাড়িতে ফেরতে হবে।
বাবা মা দুজনকেই হারিয়েছে এক বছর আগে। গ্রামের বাড়ীর বড় দু ভায়ের একজনের পোষ্য হয়ে থাকার কথা চিন্তাই করতেই কলজেটা ছোট হয়ে আসে তার। র

সিএনজিকে থামতে বলল সে।

নেমেই দিকভ্রান্তের মত হাটতে শুরু করল সে।
একসময় নিজেকে আবিস্কার করল রেল লাইনের উপর।

ধীর পায়ে হাটা শুরু করল রেললাইন ধরে।
মাথাটা খালি হতে শুরু করল তার। হাটার গতি বাড়তে লাগল। রীতিমত দৌড়ে চলল সে। জীবনের প্রতিটি বাধন আলগা হয়ে গেছে তার। কোন আশা নেই। কোন দুষ্চিন্তা নেই আর।

কতক্ষন এভাবে দৌড়াল তার মনে নেই। একসময় দেখল ঢাকা ছাড়িয়ে এসেছে সে, মাথার উপর সূর্যটা হেলে পড়েছে পশ্চিমের দিকে।

পা আর চলে না।
রেললাইনের পাশে একটা গাছ চোখে পড়তেই তার গোড়ায় পা ছড়িয়ে বসতে বসতে ক্লান্তি আর অবসাদে চোখ বুজে আসল তার। একসময় ঘুমিয়ে পড়ল।

চোখ খুলল একটি কন্ঠস্বরে, ভাইজানের কি শরীর খারাপ।

না, বলেই লোকটাকে পাত্তা দিল না সে।

লোকটাও আগ্রহ দেখাল না আর।

ঐ জায়গাটাতেই বসে বসেই সূর্যাস্ত দেখল মাসুম।

মনে পড়ে গেল অনেকদিনে আগের একটা ঘটনা।
তখন বোধহয় ক্লাস ফাইভে পড়ে সে। বন্ধুদের সাথে চুরি করে সিনেমা দেখতে গিয়েছিল বলে বেধড়ক মার খেতে হয় বাবার হাতে।

মার খাবার পর বাসা ছেড়ে বেরিয়েছিল কোথায় পালিয়ে যাবে বলে, অভিমানে। আর বাড়িত ফেরবে না। কিন্তু ক্ষিদে লাগতেই চোরের মত বাসায় ফিরে, মাকে বলেছিল খাবার দাও ক্ষিদে পেয়েছে।

ফুপিয়ে কাদতে লাগল মাসুম।

অভিমান করার মানসিকতাও নেই, অভিমানে সাড়া দেয়ার মতও কেউ নেই।
ফেরার মত কোন বাড়ি নেই, যেখানে ফিরে মা কিংবা মায়ের মত মমতাময়ী কাউকে বলবে খাবার দাও।

চারিদিকে একসময় আধার করে আসল।

রেললাইন ধরে আবার পা বাড়াল মাসুম।

কিছুদুর এগোতেই রেললাইনের ওপর ব্রিজ চোখে পড়ল তার।
একশ মিটারের মত লম্বা ব্রিজটা।

পা বাড়াল ব্রীজের দিকে। তারপড় ঠায় দাড়িয়ে রইল ব্রিজের ওপর।
একসময় বসের পড়ল। বেশ কিছুক্ষন বসে থাকার পর কানে আসল তার সেই প্রতিক্ষিত ট্রেন ছুটে আসার শব্দটি।

ক্রমশ ষ্পষ্ট থেকে ষ্পষ্টতর হয়ে উঠল ট্রেনের শব্দ।
জীবনের শেষ কিছু সময়। মাথা ঝিম ঝিম করে উঠল তার। মনের পড়ল ছোটবেলার ছোট্ট খেলার মাঠটির কথা। মনে পড়ল তাদের ছোট্ট সংসারের কথা। মনে পড়ল বাবার ভাব গম্ভীর চেহারা, কিন্তু খুবই আপন। আর সবশেষে মনে পড়ল মায়ের মুখটি।

ট্রেনের চেহারটা তখন ষ্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

ঠিক সময়টিতে বেজে উঠল তার মোবাইল ফোনটি।

খুব পরিচিত ছাড়া কেউ তাকে কল করে না।
কানের কাছে চাপতেই আকাশের কান্না ভেজা কন্ঠ শুনতে পেল মাসুম।

"মাসুম আমার ভাইরে বাচা"

"কি হয়েছে" চেচিয়ে শুধাল মাসুম।
"একসিডেন্ট করেছে, প্রচুর রক্তের দরকার।
ও পজিটিভ, একমাত্র তোর সাথেই মেলে।" কান্নার সূরের বলল আকাশ।

"ঠিক আছে আমি আসছি। বলেই ব্রিজের কাছের দিকটাতে দৌড়ায় মাসুম।

ব্রিজ থেকে নামতে না নামতেই কলজে কাপিয়ে দিয়ে ট্রেন পাশ কাটায় তাকে।

রেললাইনে উঠে এবার উল্টো পথে হাটা ধরে সে। এবার ঢাকার দিকে।

এখনো বেচে থাকার প্রয়োজন ফুরিয়ে যায়নি তার।











]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29322119 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahirahiblog/29322119 2011-02-07 19:42:19