পালাই পালাই তুই তো করিস!
বোবার ছলে দূরেই সড়িস!
নাও-ভাঙা মোর ডুবেই আছে-
পারলে টেনে -নে তুই কাছে
বরুণা:
টেনে নেবো? পাগল হলি?
পাজীর পাজী কানটি দলি।
ডুবে থাকা নৌকোতে তোর
আগুন দেবো জ্বালি!!
জলের মাঝে জ্বলবে আগুন
ভালোবাসার দুঃখ ফাগুন
বোবাচোখের দৃষ্টিতে তোর
সোহাগ দেবো ঢালি!!
প্রতিফলন:
ভয় কি আমার নদীর পানায়?
দম কাড়া -তো তোকেই মানায়।
দিলাম নাহয় তোকেই সে শ্বাস
থাকবো কাছে- ছিল সে আশ।
নীল জানালায় পাইনা খুঁজে
পলকবিহীন অবুঝ বুঝে-
দেখবো বলে- থাকি আশায়
কথা ছাড়া- বোবা ভাষায়।
বরুণা:
ছড়িয়ে আছি খোলা হাওয়ায়,
তোরই ছায়ায় তোরই কায়ায়,
পলক বিহীন দৃষ্টিতে তোর
স্বপ্ন হয়ে দুলবো!!
তবুও কেনো বলিসনাতুই?
ভালোবাসায় এই তোরে ছুই-
তবুও মিছে দেখার ছলে
মিথ্যে কথায় ভুলবো?
প্রতিফলন:
দাপট বলেই তুই যে আপন
জাগাস বুকে ভীরু কাঁপন!
তোরই সুরে সূর মিলিয়ে
উঠে ভূবন ঝিলমিলিয়ে।
বরুণা:
আমি দাপট আমি আপন
আমিই হব বুকের কাঁপন
ঝিলমিলিয়ে সুরের ভুবন
আলোয় ভরে তুলবো!!
প্রতিফলন:
লাজ কি সখী- করতে স্বীকার
শেখালি গান- মালবিকার!
তুই ই আমার সূরের পাখি!
তাই তো বুকের ভেতর রাখি।
বরুনা:
বলিস কিসব ? লাজ আমি পাই?
তোকে শেখাই, সে গানই গাই?
বুকের ভেতর বাসা বেঁধে
মূর্ছনা সূর তুলবো!!
প্রতিফলন:
রুক্ষ দুপুর- সুক্ষ্ণ ব্যাথায়
যায় পেরিয়ে অলসতায়।
থাকিস বুকের শব্দ হয়ে
বেচে থাকার সময় ক্ষয়ে।
বাঁধব ভাল-বাসার সে নীড়
হাটবো দুজন- দুঃখের সে তীর।
বরুণা:
সময় গুলো যাচ্ছে ক্ষয়ে,
দুঃখরাতের গগণ ছুয়ে
তিমির আঁধার নিকস কেটে
ফুটবে আলোর বন্যা।
নাইবা র'লাম সেদিনে তোর,
হদয়মাঝে ব্যাথারই ভোর
কান পেতে তুই শুনিস সেদিন
আমার নীরব কান্না!!
বাকহারা সব কান্না গুলোয়-
ভালোবাসার পরশ ধুলোয়-
তোরই বুকের পথটি জুড়ে
নীথর বসে রইবো!!
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৪৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



