somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বসন্তদিন-৩৪

১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:২১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ভালোবাসার জোয়ারে ভাসতে ভাসতে মাঝে মাঝে আমাদের প্রচন্ড ঝগড়াও লেগে যায়।প্রতিফলন একতরফাভাবে দোষ দেয় আমাকেই।বলে আমি নাকি ঝগড়ুটি। আমার কারণেই নাকি ঝগড়া লাগে সব সময়।কি আর করা কাউকে তো আর সাক্ষী মানার উপায় নেই। তাই সেদিন পুরোটা ঝগড়াই সেইভ করে রাখলাম। যারা বসন্তদিন পড়ে তারাই বিচার করুক আসল ঝগড়ুটিটা কে ?
একদিন প্রতিফলন তার স্বভাব অনুযায়ী একটা প্রশ্নের উত্তর জানতে চাইলো তো একদম ঘোড়ার কামড়। বলতেই হবে উনাকে। আমি বলবোনা ও সেকথা শুনবেনা। এমন রাগটা লাগে!!!!!
আর তখনই শুরু হল ঝগড়াটা............(অবশ্য ঝগড়া লাগিয়ে দিয়ে উনার ঢং করে স্যরি স্যরি করে স্যারেন্ডার করার অভ্যাস আছে। রোজ রোজ কি ঢং ভালো লাগে?)


প:ফ: আমি খুব জোর করে ফেলি, স্যরি। আর এমন হবেনা।
বরুনা:শুনো প্রতিফলন, আমার ইচ্ছা আমি বলবোনা তোমার যা ইচ্ছা তাই করতে পারো।
প:ফ: ওকে তাই হবে
বরুনা: যাও এখন দূর হও।
বরুনা: আর মর।
প:ফ: আরে বললাম তো বলতে হবেনা। কেনো মনে হয় যে শুনলেই আমি মরবো?এটাই বুঝিনা
বরুনা: শুনে মরতে বলিনি। বলেছি না শুনেই মর।
পফ: এত ফেলনা ভাবো ? এত তাচ্ছিল্য?
ওর সাথে ঝগড়ার সময় আমি আবার অনেক পুরোণো ঘটনা বা আজগুবী গায়েবি ব্যাপারও টেনে আনি ওকে জব্দ করার জন্য। নাহলে ও তো জিতে যাবে । তাই একদিন একটা কোন যেন সানজিনা না কি একটা মেয়ের গল্প করেছিলো তার কথা টেনে আনলাম।কিন্তু প্রবলেম হলো তার নামটা কিছুতেই রাগের মুর্হুতে মনে করতে পারছিলাম না। তাই বল্লাম,
বরুনা: যেখানে ছিলে সেখানেই থাকো।
পফ: কই ছিলাম?
বরুনা: ঐ যে কি যেনো নাম? সাজিনা না কি যেন?ভুলে গেছি।
পফ: সাজিনা? এইটা আবার কি? সাজি আপু ? ওহ বুঝেছি সুলতানা শিরিন সাজি আপুর কবিতার কথা বলছো? ( কি শয়তান কোথায় সানজিনা আর কোথায় সাজি আপুর কবিতা?)
বরুনা: চোপ। বেশি বাড় বেড়েছে না? তোমাকে বসতিতে পাঠানো দরকার ।
পফ: বসতি কেনো ? এসবরের সাথে আমাদের রিলেশনের সম্পর্ক কি?সেটাইতো বুঝলাম না।
বরুনা: বোঝা লাগবেনা। বেশি আল্লাদ বেড়েছে না? সত্যি আদর দিলে মাথায় উঠে বাদর।আর তুমি উঠেছো আসমানে।
পফ: মাঝে মাঝে একটু ভুল করি। ভালোবাসার অধিকারে মনে হয়।কিন্তু আসলে..........
বরুনা: আসলে আসমান থেকে ছুড়ে ফেলে দিলেই সব ভুল ভেঙে যাবে।
পফ: তোমার মাথা। আমার হাড্ডি ভাঙবেনা এত স হ জে। আমি প্যারাসুটে চলাফেলা করি। আমাকে ফেলা এত সোজা না।
বরুনা: ঐ চোপ ! দূর হও।তুমি আমার চোখের সামনে থেকে দূর হও !!!!!!!!!!!!!! সারাজীবনের মত। বাই।
আর শুনো খবরদার ব্লগে উলটা পাল্টা লিখবানা।আবার নাকি কান্নার ঢং দেখাবানা।মনে থাকে যেন।
পফ: শুনো আমাকে
একটা কথা বলো।
বরুনা: না । কিচ্ছু বলবোনা তোমাকে।
পফ: আরে না শুনেই
বরুনা: হ্যা না শুনেই।
পফ: শুনো তোমার ইচ্ছা তুমি শুনোনা আমার ইচ্ছা আমি বলি।তাই বলে এমন করতে হবে কেনো?আজকের বসন্তদিন পড়োনি?
বরুনা: না পড়িনি।
পফ: লাগ কলেনা !!!!!!!!!!!!!!!! থোনামনিতা!!!!!!!!!!!!!আমাল এত্তা মাত্ত.........।এই লকম আল এত্তা কই পাবো?(ইশ কি শয়তানী আবার তোতলাও সাজে। রাগে গা জ্বলে যায়।)
বরুনা: পাবেনা। তুমি এইভাবেই থাকো। ফকিরের মত।
পফ: জানিতো।
বরুনা: দানিতো ।ঢং না? চুপ!!
পফ: এত রাগ!! বাবা! মানে রাগের চোটে বলেনা......... না বাবা থাক বললে আবার বিপদ। একটা কথা আছে বাংলায় । বলা যাবেনা।
বরুনা: তোমার সেটা হোক।
পফ: আরে কি হবে?????????? হাহাহাহাহাহা। হাহাহাহাহাহা। ঐ তুমি কেমনে জানো? (এইখানে ছেটে দিয়েছি ঝগড়ার লাইন নাহলে সবাই হাসবে, আমাকে নিয়ে।)
বরুনা: তুমি একটা বসতি। এখন যাও বসতিতে।তবুও ভালো ডক্টর কি বলেছিলো বললাম না।
পফ: ঐ ডক্টর তো একটা গু এর ট্যাংক।
বরুনা : আর তুমি একটা সুইপার।
আর ঐ ডকটর একটা হলুদ.....।
বরুনা: কি বললে তুমি ? পাগল কোথাকার।
পফ: আর তুমি একটা ছাগল। জামাত। শিবির।মাইগড!!! তোমরা রাজাকার??
বরুনা: ভালো আর তুমি একটা ব্লগের ছাগু। তুমি একটা ....ছাগু।( ডটের জায়গায় একটা জ্যামিতিক নাম ছিলো কিন্তু কারো সাথে ব্যাক্তিগত রেষারেষি নেই । কথার কথা, এই ব্লগেই শুনেছিলাম বলে ঝগড়ায় টেনে আনলাম। নাম দিলাম না।আমি সবাইকে ভালোবাসি।)
পফ: তুমি শিবির।
বরুনা: ভালো তোমার রগ কাটতে পাঠাবো এখন।চুপ থাকো।
পফ: শান্তি পেলাম।
বরুনা: কিসের শান্তি?
পফ: অজানাকে জানার। ঐ যে তুমি যে একটা জামাত শিবির এইমাত্র আবিষ্কার করলাম।আহা কত অজানারে!!একটা বই পড়েছিলাম। (চিন্তা করা যায়!!!!! কি রকম শয়তান আমাকে জোর করে জামাত শিবির বানাচ্ছে।)
বরুনা:গাঁধা।আস্ত একটা গাঁধা।

(তারপর শয়তানটা আবার নতুন বুদ্ধি ধরলো। কোথা থেকে যে কোথায় শয়তানী বুদ্ধি যায় সেটাই দেখলাম সেদিন।)
পফ: শুনোনা। তোমার চেহারা কি এখন বাঘের মত হয়ে গেছে?একটু আয়নার সামনে দাড়িয়ে দেখোতো।
বরুনা: তোমার কথামত আয়নার সামনে দাড়াতে হবে নাকি?
পফ: তাহলে কি আয়নার পেছনে দাড়ালে দেখা যাবে? বোকা!
একদম বোকা! এটাও জানেনা।একদম পুলাপাইন
বরুনা: আর তুমি পাইন এ্যাপেল।
পফ: আর তুমি খালি এ্যাপেল। স্যরি স্যরি। শুনোনা ওকে?
বরুনা: ভালো। তোমার চোদ্দ গুষ্ঠি কাঁঠাল
পফ: তোমরা বেল।
বরুনা: ঐ । পাগলামি কম।
পফ: শুনোনা। আমরা এখন থেকে বেশ তুই তুই করে কথা বলবো। ক--বি----তা----র মত।
বরুনা: কেনো?
পফ:জানিনা। তাহলে রাগটা কম লাগবে মনে হয়।
পফ: এ্যই তুই রাতে খাবিনা?ঐ তোরে একটা কথা বলি।
বরুনা: চোপপপপপপপপপপপপপপপপপপপপপপপপপপ।
( ইশ আল্লাদ কত তুই করে বলবে নাকি? কবিতায় তুই তুই করে কিযে আল্লাদ বেড়েছে!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!)
পফ: ভাবছি একটা কবিতা লিখবো। নাম দেবো কি জানো?
বরুনা: কি?
পফ: বসন্ত লীলা।
বরুনা: কি বললে???????? সাহস তো কম না???????????
বাড়তে বাড়তে আসমান ছেড়ে একদম স্পেসে।চাঁদের দেশে উড়ে বেড়াচ্ছো না?
আরে আমি তো বাড়তে চাইনা কমতে কমতে একদম ছোত্ত বাবু হয়ে যেতে চাই।একদম বাত্তার মত।তারপর তারপর .......
বরুনা: এক বাড়ী দিয়ে মাথার ভুত ছুটাই দেবো।
(এমন রাগটা লাগে !!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!! এইখানের কথা গুলো বাদ দিয়ে দিতে হোলোই।)

পফ: কি করো?
বরুনা: কিছুনা।
পফ:কিছু তো একটা করছো। চুপ করে বসে থাকার বান্দা তুমিনা।আচ্ছা একটা আংগুল ধরো।
বরুনা: কেনো?
পফ: একটা টেস্ট।
বরুনা: পারবোনা আংগুল ধরতে
পফ: তাহলে অন্য কিছু ধরো।
বরুনা: হুম চুলের মুঠি।
পফ: নানা তুমি আমার আমার আমার
পফ: জামাটা ধর।
বরুনা: চোপ। আমি কি তোমাদের বাসার বুয়া? যে জামা ধরে দাড়াই থাকবো?
পফ: জামাটা ধরে ছুড়ে ফেলে দিবে। তারপর ইয়াহু!!!!!!!!!! করে আমার বুকের উপর একদম ঝাপায় পড়বে।আরে হিন্দি সিনেমা দেখোনা?হায় হায়!!!!!!!!!!!!!!
বরুনা: এহ!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!! ইয়াহূ না??????????????
শুনো তোমার মত বসতি না যে সারাখন সিনেমা দেখবো। বস্তিরা সিনেমা দেখে।
পফ: এহ বসতিরা সিনেমা দেখে!!!!!!!!!!!! এহ এহহহহহ এহহহহহ!!!!!!!!আর আমরা যে সিনেমা করবো!!! তার কি হবে?
( এরপর প্রতিফলনের সত্যি সিনেমা করার শখ হোলো। সে সিনেমার নায়কের মত গান ধরলো)
পফ: আমার একটা বরুনা ছিলো জানলোনাতো কেউ। বরুর নাম ছিলোনা কাম ছিলোনা ছিলো একটা ইয়াহু।
বরুনা: ভেউ ভেউ করা লাগবেনা
( এই কথায় একটু দুঃখ পেলো মনে হোলো। সঙীত চর্চায় বাঁধা পেয়ে। একটু বোকা হয়ে গিয়ে বললো।)
পফ: আহা । জানো আমার গলা শুনে ব্লগের সবাই কত প্রশংসা?
বরুনা: কবে শুনি?
পফ: আমার একটা বরুনা ছিলো জানলোনাতো কেউ।
বরুনা: যাও এখান থেকে। ঘেউ ঘেউ করা লাগবেনা কুত্তার মত ।
পফ: ওকে । স্যরি । করবোনা কুত্তার মত ঘেউঘেউ।

(কুত্তা বলায় সে ভীষন অপমানিত হল।কিন্তু কি করবো আর এছাড়া আমি তো ঝগড়ায় নির্ঘাৎ হেরে যেতাম। আমি হেরে যাবো নাকি?এরপর ১০ মিনিট নীরবতাপালন। তারপর।)
পফ: কুত্তাটা যাচ্ছে।
বরুনা: কই যাচ্ছে?
পফ: জানেনা। যেদিকে দুচোখ যায়।
বরুনা: আচ্ছা কুত্তা তুমি ................................

(থাক এত কষ্ট নিয়ে চলে যাবে সেটা মানা যায়না। এমনিতেই কত্ত কষ্ট দিলাম!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!)


প্রতিফলন তুমি না আসলে কুত্তা না তুমি আমার একটা কলিজার টুকরা, জীবনের টুকরা ......তুমি না .......তুমি না .........তুমি তুমি তুমি
আকাশে সূর্য্য আছে যতদিন তুমি তো আমারি আর কারো নও.....
যাক বাবা শেষ পর্যন্ত ঝগড়ায় জিতলাম !!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
(এই বিশাল বড় পেচালী যে পড়বে সেই মনে মনে বলবে নেকামী। কেউ কেউ মুখের উপরেই বলে দেবে। মাইনাসও দেবে।কাঁকন আপু বলবে ঢং আর তাজীন আপু বলবে ঐ যে বলেছিলাম না দুই বেড়ালের ঝগড়া।আসলে এই দুইটা বেড়ালেরও অধম। এটা তাজীন আপুর জন্য স্পেশালী দিলাম।)




সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই আগস্ট, ২০১৪ সকাল ৮:৩০
৪৫টি মন্তব্য ৪১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×