somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... আপনার ওয়েবসাইটটিকে পরিচিত করুন (Search Engine Optimization)

আপনি যদি একজন ওয়েবমাস্টার হন এবং আপনার যদি একটি ওয়েবসাইট থাকে তাহলে আপনি অবশ্যই চাইবেন সবাই আপনার ওয়েবসাইটটি সার্চ করে সহজে খুজে পাক। যারা এ্যাডসেন্স করছেন তাদের জন্য পেইজ ভিজিট একটি খুবই গুরুত্বপূর্ন বিষয়। সার্চ অপটিমাইজেশনের অনেক টেকনিক আছে, আমি এ লেখায় একটি টেকনিক Sitemap কিভাবে তৈরী করবেন তা নিয়ে আলোচনা করব।

Sitemap সাধারনত একটি XML ফাইল, যেটি আপনার ওয়েবসাইটের পুরো স্টাকচারকে একটি তালিকা আকারে তুলে ধরে। এই XML ফাইলের মূল লক্ষ্য হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিনকে আপনার সাইটটির বিষয়বস্তু কি, কখন সে আপনার সাইটকে সার্চ রেজাল্টে তুলে আনবে ইত্যাদি বুঝতে সহায়তা করা।



আপনি যদি একজন প্রোগ্রামার হন, তাহলে আপনি নিজেই পছন্দ অনুযায়ী Sitemap তৈরী করে নিতে পারবেন। কিন্তু যারা প্রোগ্রামিং সম্পর্কে অতটা অভিজ্ঞ নন তাদের ওয়েবসাইটের Sitemap তৈরী করার জন্য একটি চমৎকার সাইট http://www.xml-sitemaps.com । এখানে Sitemap তৈরী করা অত্যন্ত সহজ, মাত্র ৪টি স্টেপে কাজটি শেষ হবে :

১। আপনি এই সাইটে গিয়ে আপনার ওয়েবসাইটের পুরো URL (যেমন: http://www.domain.com) দিন।

২। এবার Start বাটনে প্রেস করলে ওরা ওদের নিজস্ব Web Crawler দিয়ে একটি Sitemap তৈরী করে দেবে।

৩। এই Sitemap.xml ফাইলটিকে ডাউনলোড করে আপনার ওয়েবসার্ভারের "public_html/" এ আপলোড করে দিন।

৪। এখন এই লিংকের মাধ্যমে Google Webmaster account এ প্রবেশ করুন। এজন্য আপনার একটি Gmail একাউন্ট থাকতে হবে। যদি না থাকে সেক্ষেত্রে আগে একটি Gmail একাউন্ট তৈরী করে নিন।



Google Webmaster এ গিয়ে Add a site এ ক্লিক করুন। আপনার ওয়েবসাইটের পুরো URL দিয়ে Continue বাটন প্রেস করুন।



নতুন পেইজে আপনাকে Website Ownership Verify করতে বলবে। এখানে ৪টি অপশন রয়েছে, আপনি আপনার পছন্দমত যেকোন অপশন Choose করতে পারেন। আমি Choose করছি “Upload an HTML file to your server”, এখান থেকে একটি Verification File download করে “public_html/” এ আপলোড করে দিন। এরপর Verify বাটনে প্রেস করুন। এখন এটি আপনাকে Dashboard এ নিয়ে যাবে, যেখানে আপনি Add Sitemap লিংক পাবেন। সেখানে, আপনার সার্ভারে আপলোড করা Sitemap.xml ফাইলটির URL দেখিয়ে দিন। Google Webmaster আপনার সাইটটির সমস্ত ইনফরমেশন সংরক্ষন করবে এবং আপনি যেকোন সময় এই Dashboard এ এসে তা দেখতে পারবেন।



Yahoo!!! : গুগলের মত ইয়াহুতেও Sitemap.xml টি দেখিয়ে দিতে হবে যাতে সে তার সার্চ রেজাল্টে আপনার সাইটটি তুলে আনতে পারে। এজন্য আপনাকে আর নতুন করে Sitemap.xml ফাইলটি তৈরী করতে হবে না। শুধু URL দিয়ে দেখিয়ে দিলেই হবে। তাই আপনি Yahoo File Explorer পেইজটি ভিজিট করুন। এখানে আপনার ওয়েবসাইটের পুরো URL দিয়ে Add My Site এ ক্লিক করলেই হবে।



Bing.com : মাইক্রোসফটের Bing সার্চ ইঞ্জিনেরও নিজস্ব Webmaster Account আছে। এজন্য আপনার একটি hotmail একাউন্ট থাকতে হবে। এই মেইল এড্রেস দিয়ে Webmaster এ Login করে আপনার তৈরী করা Sitemap.xml টি আপলোড করে দিলেই হবে।



Ask.com : Ask সার্চ ইঞ্জিনে Sitemap দেয়া সবচেয়ে সহজ। এর জন্য আপনাকে শুধু একটি URL কপি করে ব্রাউজারে দিলেই হবে। URL টি হচ্ছে "http://submissions.ask.com/ping?sitemap=http://www.MYSITE.com/sitemap.xml" , এখানে আপনি শুধু MYSITEলেখা অংশের বদলে আপনার ওয়েবসাইটের domain name টি দিন। ব্যাস, এবার URL টি কপি করে ব্রাউজারে দিয়ে পেইজটি ভিজিট করলেই ওরা আপনার ওয়েবসাইটিকে ওদের সার্ভারে যুক্ত করে নেবে।

এছাড়া আরও অসংখ্য পদ্ধতি আছে Search Engine Optimization এর জন্য। যেমন : আপনি আপনার ওয়েবপেইজটি তৈরীর সময় কিছু meta tag ব্যবহার করতে পারেন। যেগুলো সার্চ ইঞ্জিনকে সাহায্য করবে আপনার ওয়েবপেইজের বিষয়বস্তু বুঝতে। একটি Example আমি নিচে দিচ্ছি :



উপরের কোডিং এর ডাবল কোটেশনের মধ্যে আপনি আপনার ইনফরমেশনগুলো লিখে আপনার ওয়েবসাইটের প্রথমপাতার head ট্যাগের মধ্যে দিয়ে দিন। ব্যাস, আজকে এ পর্যন্তই থাক.....]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/29276744 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/29276744 2010-11-23 22:03:26
শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় : বাড়ছে মেধাবীদের আগ্রহ (পত্রিকার পাতা থেকে) শিক্ষকদের আন্তরিকতা, প্রশাসন ও ছাত্রসংগঠনগুলোর সদিচ্ছায় বর্তমানে সেশনজট থেকে মুক্তির পথে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। পাঁচটি ব্যাচের সেশনজট প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। স্বতন্ত্র ভর্তি ও শিক্ষা পদ্ধতি, আন্তর্জাতিক মানের সিলেবাস, প্রযুক্তিনির্ভর এবং প্রয়োগমুখী শিক্ষার কল্যাণে প্রকৃতভাবে সেশনজট মুক্তির পথে বলে দাবি মেধাবী শিক্ষার্থীদের। এখানে আছে শুধু একঝাঁক মেধাবীর প্রাণচঞ্চল আবেগ ও ক্যারিয়ার গড়ার প্রাণান্তকর চেষ্টা। এমনকি থেমে নেই শাবির নানা ধরনের উন্নয়ন কার্যক্রম। এতে করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি মেধাবীদের আগ্রহ দিন দিন বেড়েই চলছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, শাবিতে বর্তমানে ৯টি ব্যাচ অধ্যয়নরত রয়েছে। এর মধ্যে শেষ ৫টি ব্যাচের শিক্ষার্থীরা তাদের সেমিস্টারগুলো যথাসময়ে শুরু ও সম্পন্ন করেছে। তবে অন্যান্য ব্যাচে সেশনজট থাকলেও তা তুলনামূলকভাবে অনেক কমেছে। এখানে বর্তমানে ৫২ জন বিদেশি শিক্ষার্থীসহ ৯ হাজার ২৬২ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে, যার মধ্যে ২ হাজার ২৯ জন ছাত্রী এবং ৭ হাজার ৩৩ জন ছাত্র রয়েছে। আর তাদের পাঠদানে রয়েছেন ৩৭২ জন শিক্ষক।

সর্বশেষ ২০০৯-১০ এবং ২০০৮-০৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রায় ১ সেমিস্টার এগিয়ে আছে। শাবিতে বছরে ২টি সেমিস্টারে তথা জানুয়ারি-জুন এবং জুলাই-ডিসেম্বর—এই সেশনে যথাসময়ের মধ্যে সেমিস্টার শেষ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও ছিল সেশনজট কমিয়ে আনার ব্যাপারে দৃঢ় প্রত্যয়ী। আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে ফলাফলের এ বিন্যাস শাবিকে এনে দিয়েছে স্বাতন্ত্র্য মর্যাদা। সিলেবাস প্রণয়নে বিশ্বের খ্যাতিমান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে অনুসরণ করা হয়। এখানে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধীনে সিসিএনএ ও পিজিডি কোর্স এবং ইংরেজি বিভাগের অধীনে ইএলপিসি কোর্স পরিচালিত হয়। ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের নূর জাহান শিমু বলেন, সেশনজট কমে আসা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য খুবই ইতিবাচক। তবে এ অবস্থা ধরে রাখাটাই বড় ব্যাপার।

কিন্তু যাত্রা শুরুর পর গত ২০০০ সাল থেকে বিভিন্ন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ও শিক্ষা কার্যক্রমে বিচ্ছিন্ন অচলাবস্থা বিশ্ববিদ্যালয়টির সেশনজট বাড়তে থাকে। মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর ছাত্রলীগের মধ্যে বিভিন্ন সময় অভ্যন্তরীণ কোন্দলে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটলেও প্রশাসনের হস্তক্ষেপে শিক্ষা কার্যক্রমে বিন্দুমাত্র ভাটা পড়েনি। এরপর ঢাকা, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র হত্যাকাণ্ড ও সংঘর্ষের ঘটনায় শাবিতে ঘটেনি কোনো রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ। নিয়মিত চলেছে ক্লাস-পরীক্ষাসহ একাডেমিক কার্যক্রম। এছাড়া সেশনজট কমানোর লক্ষ্যে শিক্ষক, প্রশাসন ও শিক্ষার্থীদের আন্তরিক প্রচেষ্টা এবং ছাত্রসংগঠনগুলোর সদিচ্ছা ফিরিয়ে দিয়েছে শাবির একাডেমিক কার্যক্রমের গতিশীলতা।

এমনকি থেমে নেই শাবির উন্নয়ন কার্যক্রম। ৪ তলাবিশিষ্ট নতুন একাডেমিক ভবন, ২টি আবাসিক ছাত্র ও ছাত্রী হল, অভ্যন্তরীণ রাস্তাগুলো, সাংস্কৃতিক চর্চার জন্য মুক্তমঞ্চ, মুক্তিযুদ্ধ কর্নার ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। এদিকে দীর্ঘ ৭ বছর ধরে নির্মাণাধীন কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামের অসমাপ্ত কাজ বর্তমান ভিসি প্রফেসর ড. মোঃ সালেহ উদ্দিন যোগদানের পর সমাপ্ত করার বিশেষ উদ্যোগ নেয়ায় এরই মধ্যে অধিকাংশ নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। সর্বপ্রথম মুঠোফোনে এসএমএসের মাধ্যমে ভর্তি পদ্ধতি উদ্ভাবক ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয় খ্যাত শাবিতে প্রায় ৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে আইসিটি বিল্ডিং নির্মাণ হতে যাচ্ছে। একমাত্র শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে পুরো ক্যাম্পাস ও আবাসিক হলগুলো তারবিহীন ইন্টারনেট ওয়াইফাইয়ের আওতায় আনা হয়েছে। এছাড়া ক্যাম্পাসকে সৌন্দর্যবর্ধন ও পরিচ্ছন্ন রাখতে ভিসির নেতৃত্বে স্যাটারডে ব্রিগেড গঠন করা হয়েছে। পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে প্রায় ১০ হাজার বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের জন্য হলের পাশে ব্যয়বহুলভাবে গভীর নলকূপ স্থাপন উন্নয়নের অনন্য উদাহরণ। বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ এগিয়ে চললেও আবাসিক ছাত্রদের দীর্ঘদিনের দাবি হল মসজিদের সংস্কার কাজে অর্থ বরাদ্দ হওয়া সত্ত্বেও কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন আবাসিক শিক্ষার্থীরা।

শাবি ভিসি প্রফেসর ড. মো. সালেহ উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষা কার্যক্রমের গতিশীলতায় সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, এক্ষেত্রে তিনি প্রথমেই ধন্যবাদ জ্ঞাপন
করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের এবং
শিক্ষকদের আন্তরিকতার সঙ্গে পরিশ্রম করে যাওয়া ও শিক্ষার্থীদের প্রশাসনকে সহযোগিতা করাকে। এছাড়া তিনি শিক্ষক সঙ্কট নিরসনের ব্যাপারে বলেন, আমি দায়িত্ব নেয়ার পর এরই মধ্যে কিছু শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়েছে এবং কিছু প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

মূল লেখা : View this link ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/29248501 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/29248501 2010-10-02 14:36:58
আসুন সহজে পিসি-টু-পিসি LAN করি (পর্ব – ৬)

আজকের পর্ব : নেটওয়ার্ক সিমুলেশন সফটওয়্যার

আজকে আমি নেটওয়ার্ক সিমুলেশন সফটওয়্যার বা নেটওয়ার্ক সিমুলেটর নিয়ে আলোচনা করব। নেটওয়ার্ক সিমুলেটর কি এবং কেন ব্যবহার করব তা প্রথমে আমাদের জানা প্রয়োজন। বড় নেটওয়ার্ক তৈরীর ক্ষেত্রে প্রথমে যে জিনিষটি প্রয়োজন তা হচ্ছে একটি সুনির্দিষ্ট প্ল্যানিং/ডিজাইন যাতে নেটওয়ার্কটির বাজেট এবং বর্তমান ও ভবিষ্যত চাহিদার প্রতিফলন থাকবে। ডিজাইন তৈরী না করেই যদি নেটওয়ার্ক তৈরীর কাজে হাত দেয়া হয়, তাহলে পরবর্তীতে আপনাকে ধাপে ধাপে নানা সমস্যার মধ্যে পড়তে হবে যা সমধান করা অনেক ক্ষেত্রেই অসম্ভব বা প্রচুর আর্থিক ক্ষতির কারন হয়ে দাড়ায়।

শিক্ষার্থীদের জন্য নেটওয়ার্ক সিমুলেটর আরও গুরুত্বপূর্ন। বাংলাদেশের মত দেশে একজন নেটওয়ার্কিং শিক্ষার্থীর পক্ষে কাজ শেখার জন্য নেটওয়ার্কিং ডিভাইসগুলো সংগ্রহ করা এক কথায় অসম্ভব। ভাল কোন নেটওয়ার্কিং ল্যাবও নেই যেখানে হাতে কলমে প্রাকটিস করার সুযোগ আছে। তাই তাদের জন্য একটি উত্তম সমাধান এই সিমুলেটর, যেখানে তারা বাসায় কম্পিউটারে বসেই নেটওয়ার্কিং প্রজেক্ট তৈরী করতে পারবে এবং পরীক্ষা করে দেখতে পারবে যে তার নেটওয়ার্কটি সুষ্ঠভাবে কাজ করছে কিনা।

বর্তমানে বেশ কিছু নেটওয়ার্কিং সিমুলেটর পাওয়া যায়। তবে এর মধ্যে সবচেয়ে ভালো এবং সহজে ব্যবহার উপযোগী সিমুলেটর হচ্ছে Packet Tracer, যা বিনামূল্যে আপনি নিচের ডাউনলোড লিংক থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।

সফটওয়্যার ডাউনলোড লিংক : ক্লিক করুন।

ডাউনলোড হয়ে গেলে সফটওয়্যারটি সাধারন যে কোন সফটওয়্যারের মত ইন্সটল করুন।



ইন্সটলের পর সফটওয়্যারটি Open করলে উপরের উইন্ডোটি দেখতে পাবেন।

Packet Tracer ইন্টারফেস পরিচিতি :



উপরের ছবিটি লক্ষ্য করুন। ছবিটিতে আমি মোট ১০টি Component চিহ্নিত করেছি। এগুলোর প্রতিটির পরিচিতি নিচে দেওয়া হলো :

1. Menu Bar : এই Bar এ File, Edit, Options, View, Tools, Extensions এবং Help মেন্যু আছে। আপনি এখানে সাধারন commands যেমন : Open, Save, Print এবং Preferences ইত্যাদি পাবেন।

2. Main Tool Bar : এই মেন্যুতে গুরুত্বপূর্ন কমান্ডগুলোর shortcut icon দেয়া আছে। যেমন: Zoom, Drawing Palette, Device Template Manager, Network Information Button ইত্যাদি।

3. Common Tools Bar : এখানে সবচেয়ে বেশী ব্যবহৃত workspace tools গুলো দেয়া আছে। যেমন : Select, Move Layout, Place Note, Delete, Inspect, Add Simple PDU (সাধারন ডাটা প্যাকেট), and Add Complex PDU (অপেক্ষাকৃত জটিল ডাটা প্যাকেট)।

4. Logical/Physical Workspace and Navigation Bar : এর মাধ্যমে আপনি Physical Workspace এবং Logical Workspace এই দুটি মাধ্যমের মধ্যে toggle করতে পারবেন। Physical Workspace আপনাকে একটি physical location তৈরী করতে সাহায্য করবে। যেমন : একটি New City, একটি New Building, একটি New Closet ইত্যাদি। আমরা সাধারনত নেটওয়ার্ক তৈরীর জন্য Logical Workspace ব্যবহার করব।

5. Workspace : এটিই হচ্ছে আসল অংশ যেখানে আপনি নেটওয়ার্কটি তৈরী করবেন। আপনি নেটওয়ার্কটির সিমুলেশন এবং বিভিন্ন তথ্যও এখানেই দেখতে পাবেন।

6. Realtime/Simulation Bar : আপনি এর মাধ্যমে Realtime Mode এবং Simulation Mode এর মধ্যে toggle করতে পারবেন। Realtime Mode এ নেটওয়ার্কটি তৈরী করার পর Simulation Mode এ গিয়ে আপনি ডাটা প্যাকেট নেটওয়ার্কটির মধ্যে দিয়ে কিভাবে যাচ্ছে, কোথাও বাধা পাচ্ছে কিনা তা সকল তথ্য সহকারে দেখতে পারবেন।

7. Network Component Box : এই বক্স থেকে আপনি Workspace এ আপনার নেটওয়ার্কটি তৈরীর জন্য প্রয়োজনীয় ডিভাইস এবং কম্পোনেন্টগুলো বাছাই করতে পারবেন। এই বক্সটি Device-Type Selection Box এবং Device-Specific Selection Box এই দুটি ভাগে বিভক্ত।

8. Device-Type Selection Box : এই বক্সে আপনি নেটওয়ার্কিং সকল ডিভাইস পাবেন। যেমন : পিসি, ক্যাবল, সুইচ, হাব, রাউটার, ক্লাউড ইত্যাদি।

9. Device-Specific Selection Box : Device-Type Selection Box থেকে একটি ডিভাইস সিলেক্ট করার পর Device-Specific Selection Box থেকে সেই ডিভাইসের নির্দিষ্ট একটি মডেল সিলেক্ট করতে পারবেন। যেমন : সুইচ ডিভাইসটি সিলেক্ট করার পর এই বক্সটি থেকে আপনি আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী সুইচের যেকোন একটি মডেল বেছে নিতে পারেন।

10. User Created Packet Window : এই উইন্ডোটি ডাটা প্যাকেটগুলোকে একত্রিত করে দেখায়। আপনি নেটওয়ার্কটি ঠিকভাবে কাজ করছে কিনা তা পরীক্ষা করার জন্য একাধিক ডাটা প্যাকেট দিতে পারেন যা এই উইন্ডোটিতে লিস্ট আকারে দেখাবে।

আমি যখন প্রথম এই নেটওয়ার্কিং টিউটোরিয়াল শুরু করেছিলাম, তখন ভেবেছিলাম এটি শুধুমাত্র দুটি পিসির LAN করার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে। আমি লেখার বিষয়বস্তু এবং উপস্থাপনা সেভাবে সহজ করার চেষ্টা করেছি, যাতে টেকনোলজি বিষয়ে অনভিজ্ঞ যে কেউ আমার লেখা পড়ে সাধারন মানের নেটওয়ার্কিং করতে পারেন। কিন্তু আপনাদের সবার আগ্রহ এবং অনুপ্রেরনার কারনে ধীরে ধীরে টিউটোরিয়ালটি বড় নেটওয়ার্ক তৈরীর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। প্রতিদিন আমি প্রচুর ইমেইল পাই আপনাদের নেটওয়ার্কিং সমস্যার সমাধান চেয়ে, জানার আগ্রহ জানিয়ে এবং লেখার উৎসাহ দিয়ে। আমাকে অনেকেই নেটওয়ার্কিং বিষয়ে আরও এ্যাডভান্স বিষয় নিয়ে লিখতে অনুরোধ করেছেন। আমিও লিখতে আগ্রহী, কিন্তু সেটা হয়ত সবার জন্য আর সহজবোধ্য থাকবে না। তারপরও চেষ্টা করব এই সিরিজটি Continue করার। আগামী পর্বে আমি Packet Tracer সিমুলেটরটি দিয়ে আপনাদেরকে একটি পূনাঙ্গ প্রোজেক্ট তৈরী করে দেখাবো। Packet Tracer দিয়ে তৈরী একটি নেটওয়ার্কের মডেল হতে পারে নিচের ছবির মত :



আগের লেখাগুলো :

১। আসুন সহজে পিসি-টু-পিসি LAN করি (পর্ব – ১)
২। আসুন সহজে পিসি-টু-পিসি LAN করি (পর্ব – ২)
৩। আসুন সহজে পিসি-টু-পিসি LAN করি (পর্ব – ৩)
৪। আসুন সহজে পিসি-টু-পিসি LAN করি (পর্ব – ৪)
৫। আসুন সহজে পিসি-টু-পিসি LAN করি (পর্ব – ৫)
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/29165177 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/29165177 2010-05-29 20:36:57
আমার মেঝো ভাই জিপিএ ৫ পেয়েছে। সবাই ওর জন্য দোয়া করবেন, প্লিজ...

কিছুক্ষন আগে ইন্টারনেটের মাধ্যমে আমার মেঝো ভাইয়ের রেজাল্ট জানতে পারলাম। সে এবার চট্টগ্রাম বোর্ডের অধিনে নাসিরাবাদ সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এস.এস.সি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। গত রাত থেকেই বাসার সবাই, বিশেষ করে আমার আম্মু ওর রেজাল্ট নিয়ে চিন্তিত ছিলেন।

আল্লাহর অশেষ রহমতে ও জিপিএ-৫ (এ+) পেয়েছে। আপনারা সবাই ওর জন্য দোয়া করবেন। যেন ও ভবিষ্যতেও ওর সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখতে পারে।

ফলাফল ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/29155416 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/29155416 2010-05-15 14:29:32
পৃথিবী যখন একটি ক্ষুদ্রগ্রাম

৬০০ কোটিরও অধিক জনসংখ্যার এই পৃথিবীতে নানান জাতি, নানান বর্ন, নানান ধর্ম, হাজারো বৈষম্য, নানা ধরনের ব্যবস্থা সব মিলিয়ে বিশাল এক আয়োজন। এই বিশাল জনসংখ্যার বহরকে একটি আনুপাতিক হারে অতিক্ষুদ্র একটি গ্রামের রুপ দিলে চিত্রটি কি দাড়ায় তা এখানে তুলে ধরছি।

যদি সমগ্র পৃথিবীর জনসংখ্যাকে সংকুচিত করে মাত্র ১০০ জনে নামিয়ে আনা হয় তাহলে দেখা যাবে, এই একশত জনের মধ্যে ৫৭ জন এশিয়ান, ২১ জন ইউরোপীয়ান, ১৪ জন পশ্চিমাগোলার্ধের, ৮ জন আফ্রিকান। ১০০ জনে : ৫২ জন নারী ৪৮ জন পুরুষ, ৭০জন নানান বর্নের ৩০ জন ককেশীয় সাদা, ৭০ জন অ-খ্রিষ্টিয়ান ৩০ জন খ্রিষ্টিয়ান। এই ১০০ জনের মধ্যে মাত্র ৬ জনের হাতে সমগ্র পৃথিবীর ৫৯% সম্পদ কুক্ষিগত এবং এই ৬ জনই খোদ উত্তর আমেরিকা থেকে। এবার বাসস্থান প্রসঙ্গ – ১০০ জনের মধ্যে ৮০ জন বাস করে নিম্নমানের হাউজিং বা বাসস্থানে। ৭০ জন লোক পড়তে পারে না, ৫০ জন পুষ্টিহীনতায় ভুগছে, একজন মৃত্যুমুখে পতিত আর ১ টি শিশুর জন্ম হচ্ছে প্রতি মুহূর্তে। ১০০ জনের মধ্যে ১ জনের মাত্র কলেজ পর্যায়ে পড়াশোনার যোগ্যতা রয়েছে আর মাত্র ১ জনের রয়েছে কম্পিউটর।

উপরের এই সংখ্যাগুলোর দিকে তাকিয়ে যদি একবার নিজের অবস্থানের দিকে তাকানো হয়, তাহলে যে কোন সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ বুঝতে পারবেন তার অবস্থান। যদি আপনার ফ্রিজে খাবার থাকে, পরনে কাপড়, মাথার উপর একটি ছাদ ও একটু ঘুমানোর জায়গা তাহলে আপনি গোটা বিশ্বের ৭৫% জনগনের চেয়ে ধনী। রোজ সকালে ঘুম থেকে উঠে যদি দেখেন নিজেকে সুস্থ দেহে এর অর্থ হলো আপনি প্রায় ১০ কোটি লোকের চেয়ে অনেক ভাগ্যবান, কারন এদের অনেকেই হয়তো এই সপ্তাহে দেহত্যাগ করবে রোগগ্রস্থ অবস্থায়। আরো যদি দেখেন আপনার ব্যাংক একাউন্টে আছে টাকা, মানিব্যাগে টাকা আর বাড়ীর কোন পুরোনো কৌটায় তোলা খুচরা পয়সা – এর অর্থ আপনি বিশ্বের সেই ৮% সম্পদশালীদের একজন। আপনি আরো পাচ্ছেন প্রতি সপ্তাহে আপনার পছন্দের ধর্মীয় চর্চা কেন্দ্র যেমন : মসজিদ, মন্দির, গির্জায় যেতে পারার সুযোগ একেবারে নিশ্চিন্তে, যেখানে যেতে হলে আপনাকে মুখোমখি হতে হয় না কোন মৃত্যু ভয়, গ্রেফতারী পরোয়ানা কিংবা অন্য কোন অত্যাচার – এর অর্থ আপনি গোটা বিশ্বের প্রায় ৩০০ কোটি লোকের চেয়ে অধিক ভাগ্যবান। এদের কেউ নিশ্চিন্তে নিজ ধর্মচর্চা চালিয়ে যেতে পারে না। আরো বলতে হয় যখন আপনি কোন যুদ্ধ দেখেননি, কখনো বিনাদোষে গ্রেপ্তার হয়নি, মুখোমুখি হননি কোন শারীরিক ও মানসিক অত্যাচারের, নির্জন কারাবাস আপনি সত্যিই অতি ভাগ্যবান সেই ৫০ কোটি বিশ্ববাসীর চেয়ে যারা প্রতিমুহূর্তে গোলাবারুদ এবং যুদ্ধের ডামাডোলে বেচে রয়েছে।

আজ যখন আমার লেখাটি আপনি পড়ছেন ও বুঝতে চেষ্টা করছেন এর অর্থ হলো আপনি বিশ্বের ২০০ কোটি হতভাগ্য শিক্ষার আলোকহীন মানুষের চেয়ে অনেক এগিয়ে। সবকিছুর পর শুধু এটুকু জানুন এবং নিজেকে সন্তুষ্ট রাখুন এই বলে যে, আপনি এই বিশ্বের অসংখ্য নিপীড়িত, নির্যাতিত বঞ্চিত মানুষের চেয়ে অনেক ভাগ্যবান, সুখী, সম্পদশালী, শিক্ষিত ও সুবিধাজনক অবস্থানে আছেন। মনে কোন কষ্ট না রেখে নিজের অবস্থানকে এক অনবদ্য আশীর্বাদ হিসেবেই দেখুন।

একটি ঘোড়ার খামারে অনেক ঘোড়ার মধ্যে একটি ছিল অন্ধঘোড়া। খামারের মালিক অন্ধ ঘোড়াকে অন্যদের চেয়ে আলাদা করে দেখতে চাননি। তাই অন্ধঘোড়র সঙ্গে রাখলেন এক সুস্থ সবল ঘোড়াকে এবং সুস্থ ঘোড়ার গলায় বাধলেন একটি ঘন্টা। রোজ সকালে অন্য ঘোড়ার সঙ্গে দল বেধে অন্ধঘোড়াও বেরিয়ে পড়ে, তাকে পথ চিনিয়ে নিয়ে যায় সেই ঘন্টাওয়ালা ঘোড়াটি। রোজ তাকে অনুসরণ করে অন্ধঘোড়া। সন্ধ্যাবেলা মাঠ থেকে ঘোড়ার দল আস্তাবলে ফেরে। ঘন্টাওয়ালা ঘোড়ার ঘাড় ঘুরিয়ে একটিবার দেখে নেয় তার অন্ধ সাথীটি ঠিকমত ফিরলো কিনা। প্রকৃতি মাতা আমাদের এইভাবেই শিখিয়ে দেন এই অবোধ প্রানীদের নৈমিত্তিক আচরণ দিয়েই অসহায় দুঃখী বন্ধুকে ফেলে যেওনা। এদেরকে নিতে হবে সাথে, দিতে হবে অধিকার। হাইতি, ভূজ, আইলা, নার্গিস, সুনামি, দাবানল, অগ্ন্যৎপাত, পাহাড়ধ্বস যতো নামই দেইনা কেন সেই অন্ধকার অসহায় বন্ধুকে যেন আমরা না ভুলি।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/29140718 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/29140718 2010-04-23 20:43:08
আসুন সহজে পিসি-টু-পিসি LAN করি (পর্ব – ৫)

আজকের পর্ব : নেটওয়ার্কিং ডিভাইস পরিচিতি

কম্পিউটার নেটওয়ার্ক তৈরী করার জন্য কম্পিউটার এবং ক্যাবল ছাড়াও আরও বেশ কিছু ডিভাইসের প্রয়োজন হয়। নেটওয়ার্ক তৈরী করার জন্য কোন ডিভাইসের কি কাজ, কোন ক্ষেত্রে কোন ডিভাইস ব্যবহার করতে হবে এবং ডিভাইসগুলোর মধ্যে পার্থক্য জানা প্রয়োজন। এ কারনে আমি অল্প কথায় সহজ ভাষায় নেটওয়ার্কিং ডিভাইসগুলোর পরিচিতি তুলে ধরার চেষ্টা করছি।

প্রথমে OSI Layer সম্পর্কে কিছুটা ধারনা দেয়া প্রয়োজন, কারন এই লেয়ারগুলোর উপর ভিত্তি করেই নেটওয়ার্কিং ডিভাইসগুলো কাজ করে।



উপরের চিত্রে OSI Layer এর মডেল দেয়া আছে, যা ৭ টি স্তরে বিভক্ত। কোনো প্রেরক (Sender) ডিভাইস (যেমন: কম্পিউটার) থেকে ডাটা প্রবাহিত হওয়ার সময়, প্রেরক ডিভাইসের ডাটা উপরের লেয়ার থেকে নিচের লেয়ারের দিকে প্রবাহিত হতে থাকে। প্রতিটি লেয়ারে সেই ডাটাকে নিয়ে কিছু কাজ হয়, তারপর পরবর্তী লেয়ারে পঠিয়ে দেয়। এভাবে কোন ইউজার যখন কোন ডাটা পাঠায় তখন সেটি প্রথমে আসে এপ্লিকেশন লেয়ারে, এরপর প্রেজেন্টেশন, সেশন .... এভাবে চলতে চলতে ফিজিক্যাল লেয়ার পর্যন্ত। ফিজিক্যাল লেয়ারে এসে ডাটা পুরোপুরি মেশিন কোডে রুপান্তরিত হয়, যা ক্যাবলের মধ্যে দিয়ে গন্তব্যে পাঠানো হয়। গন্তব্যে পৌছে প্রাপক (Receiver) ডিভাইসটি ফিজিক্যাল লেয়ারে ডাটাটি গ্রহন করে উপরের দিকের লেয়ারে পাঠাতে থাকে এবং এপ্লিকেশন লেয়ারে পৌছানোর পর আমরা সেই ডাটাটি দেখতে পারি। এটাই মূলত OSI Layer এর কাজ। এখানে মনে রাখতে হবে, নেটওয়ার্কিং ডিভাইসগুলো শুধুমাত্র ফিজিক্যাল, ডাটা লিংক এবং নেটওয়ার্ক এই ৩ টি লেয়ারে কাজ করতে পারে।

NIC Card বা ল্যান কার্ড : NIC Card বা ল্যান কার্ডের সাথে আমরা সবাই পরিচিত, এটি কম্পিউটারের সাথে লাগানো থাকে এবং প্রতিটি ল্যান কার্ড দিয়ে একটি মাত্র কানেকশন লাগানো যায়। একাধিক কানেকশন ব্যবহারের প্রয়োজন হলে একই কম্পিউটারে একাধিক ল্যান কার্ডও চাইলে ব্যবহার করতে পারবেন। প্রতিটি ল্যান কার্ডে একটি নির্দিষ্ট ফিজিক্যাল এড্রেস থাকে যাকে ম্যাক এড্রেস (MAC Address) বলা হয়। এই ম্যাক এড্রেস প্রতিটি ল্যান কার্ডের জন্য তৈরী করার সময়ই নিদিষ্ট করে দেয়া থাকে, যা পরিবর্তন করা যায় না। এই ম্যাক এড্রেস ব্যবহার করা হয় OSI Layer এর ফিজিক্যাল লেয়ারে। রাউটিং এর জন্য এই ম্যাক এড্রেস খুবই গুরুত্বপূর্ন। এছাড়া ল্যান কার্ডে একটি লজিক্যাল এড্রেস বা আইপি এড্রেস বসাতে হয় যা নেটওয়ার্ক লেয়ারে কাজ করে।

হাব (Hub) : হাব একটি নেটওয়ার্ক ইন্টারকানেক্টিং ডিভাইস, যা ব্যবহার করে স্টার টপোলজি তৈরী করা যায়। হাব OSI Layer লেয়ারের শুধুমাত্র ফিজিক্যাল লেয়ারে কাজ করে।



হাব দামে সস্তা এবং সহজে ব্যবহার করা যায় তাই অনেকেই ছোট নেটওয়ার্কের জন্য হাব ব্যবহার করেন। কিন্তু সুবিধার পাশাপশি হাব ব্যবহারের বেশ কিছু অসুবিধাও আছে। যেমন : হাবের কোন নিজস্ব রাউটিং টেবিল নেই, যার কারনে সে তার সাথে সরাসরি যুক্ত নেটওয়ার্ক বা ডিভাইস চিনতে পারে না। তাই হাব যখন কোন ডাটা পায় তখন সে তার সাথে পোর্টে যুক্ত সবগুলো ডিভাইসকে সেই একই ডাটা কপি করে পাঠিয়ে দেয়। এরপর প্রাপক কম্পিউটারটি ছাড়া বাকি কম্পিউটারগুলো ডাটাটি পরীক্ষা করে যখন দেখে যে, এটি তার জন্য পাঠানো হয়নি তখন ডাটাটি ডিলিট করে দেয়। এভাবেই হাব যত ডাটা পায় তা তার সাথে পোর্টে যুক্ত সবাইকে পঠিয়ে দেয়, যা ডাটার সিকিউরিটি এবং মূল্যবান ব্যান্ডউইথ নষ্ট করে। বড় নেটওয়ার্কের মাঝে একটি হাব পুরো নেটওয়ার্কের ব্যান্ডউইথ কমিয়ে দেয়ার জন্য যথেষ্ট। একারনে বর্তমানে হাবের ব্যবহার কিছুটা কমে এসেছে এবং এর বদলে কম দামের এক ধরনের সুইচের ব্যবহার বেড়েছে। এই সব সুইচের দাম ১০০০-১২০০ টাকার মধ্যে এবং হাবের চাইতে কিছুটা ভাল কাজ করে। তাই যারা ছোট নেটওয়ার্ক তৈরী করবেন তাদের জন্য এই সুইচ কেনাই সবচেয়ে ভাল হবে, ডি-লিংক এবং আসুস ব্রান্ডর সুইচগুলো বেশ ভাল কাজ করে দেখেছি।

সুইচ (Switch): সুইচ এবং হাব একই কাজ করলেও, সুইচ হাবের চাইতে উন্নত। সুইচ আর হাবের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে সুইচের নিজস্ব রাউটিং টেবিল আছে। এই টেবিলে সে তার সাথে যুক্ত সকল নেটওয়ার্ক এবং নেটওয়ার্কে সংযুক্ত কম্পিউটারগুলোর ডাটা সংরক্ষন করে রাখে।



সুইচ যেহেতু ফিজিক্যাল এবং ডাটালিংক লেয়ারে কাজ করে তাই তার সাথে যুক্ত কম্পিউটারের ডাটা হিসেবে সে ল্যান কার্ডের MAC Address ব্যবহার করে। যখন একটি ডাটা সুইচের কাছে আসে সে তখন সেই ডাটাটির প্রাপক কম্পিউটারের MAC Address তার রাউটিং টেবিলের সাথে মিলিয়ে দেখে। মিলে গেলে প্রাপক কম্পিউটারটি সুইচের যে পোর্টের সাথে যুক্ত সেই পোর্ট দিয়ে ডাটাটি পাঠিয়ে দেয়। যার ফলে যেকোন ডাটা শুধুমাত্র নির্দিষ্ট প্রাপক কম্পিউটারের কাছেই পৌছায়। সাধারন মানের সুইচ সবসময় একটি নেটওয়ার্ক নিয়েই কাজ করতে পারে। তবে ম্যানেজেবল সুইচকে VLAN (Virtual LAN) করে ভাগ করে একাধিক নেটওয়ার্কে কাজ করানো যায়। ম্যানেজেবল সুইচের দাম সাধারন সুইচের চাইতে অনেক বেশি, যেমন Cisco কোম্পানীর একটি ৮ পোর্টের ম্যানেজেবল সুইচের দাম ১৫ হাজার টাকার মত। তাই এগুলো শুধুমাত্র বড় এবং গুরুত্বপূর্ন নেটওয়ার্কে ব্যবহার করা হয়। বর্তমানে কিছু উন্নত প্রযুক্তির ৩ লেয়ারের সুইচ রয়েছে, যা নেটওয়ার্ক লেয়ার পর্যন্ত সরাসরি IP Address নিয়ে কাজ করতে পারে।

রাউটার (Router): রাউটার একটি ৩ লেয়ার ডিভাইস, অর্থাৎ এটি OSI Layer এর ফিজিক্যাল, ডাটালিংক এবং নেটওয়ার্ক লেয়ার নিয়ে কাজ করতে পারে। একারনে রাউটার নেটওয়ার্ক লেয়ারে IP Address নিয়ে কাজ করতে পারে।



রাউটার সাধারনত অনেকগুলো LAN (Local Area Network) কে যুক্ত করে WAN (Wide Area Network) তৈরী করতে সাহায্য করে। রাউটার Wired এবং Wireless এই দুই ধরনের হয়। ছবিতে একটি Wireless Router দেখানো হয়েছে। রাউটারের রাউটিং টেবিলে MAC Address এর বদলে থাকে IP Address এবং তার সাথে যুক্ত নেটওয়ার্কগুলোর সম্পর্কে সমস্ত রেকর্ড তার কাছে থাকে, যা দেখে সে সহজেই একটি ডাটা কোন পথ দিয়ে বা কোন পোর্ট দিয়ে যাবে তা নির্দেশ করতে পারে। শুধু তার সাথে সরাসরি যুক্ত নেটওয়ার্কগুলোই নয়, বরং দূরের কোন নেটওয়ার্কে ডাটা পৌছানোর জন্য কোন পথ দিয়ে ডাটাটি পাঠাতে হবে তাও রাউটার ঠিক করে দেয়। প্রতিটি রাউটার কিছু সেকেন্ড পর পর নিজেকে আপডেট করে নেয় এবং তার পার্শ্ববর্তী রাউটারগুলোকে সেই আপডেট মেসেজ পাঠায়, যা দেখে অন্য রাউটারগুলোও নিজেদের আপডেট করে নেয়। যেমন ধরুন একটি নেটওয়ার্ক বা ল্যান কোন কারনে রাউটার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল, সেক্ষেত্রে রাউটারটি প্রথমে তার নিজের রাউটিং টেবিলটিকে আপডেট করে নেবে এবং তার পার্শ্ববর্তী রাউটারগুলোকে মেসেজ সেন্ড করে জানিয়ে দেবে যে এই ল্যানটি বিচ্ছিন্ন হয়েছে। এ পুরো পক্রিয়াটি চালু রাখার জন্য বেশকিছু রাউটিং প্রোটোকল (Routing Protocol) রয়েছে যেমন : RIPv2, EIGRP, OSPF ইত্যাদি। প্রোটোকল হচ্ছে কিছু নিয়মের সমন্বয় যা ওই প্রোটোকলের আওতাধীন রাউটারগুলোকে অবশ্যই মেনে চলতে হবে। সুতরাং বুঝতেই পারছেন রাউটার একটি অত্যান্ত বুদ্ধিমান এবং উন্নতমানের ডিভাইস, এ কারনে এর দামটাও কিঞ্চিত বেশি।



সার্ভার (Server) : সার্ভার হচ্ছে একটি তথ্য ভান্ডার যেখানে তথ্য জমা থাকে এবং যখন কোন ক্লায়েন্ট তথ্য চায় তখন সাথে সাথে তাকে সেই তথ্য বা ডাটা সরবরাহ করা সার্ভারের কাজ। বর্তমানে অনেক ধরনের সার্ভার রয়েছে যেমন : ফাইল সার্ভার, ইমেইল সার্ভার, ডাটাবেজ সার্ভার, প্রক্সি সার্ভার, প্রিন্ট সার্ভার, ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি।



নেটওয়ার্কের আকার বৃদ্ধির সাথে সাথে সার্ভারের সংখ্যাও বাড়তে থাকে। প্রতিটি সার্ভার একটি নিদিষ্ট বিশেষ ধরনের কাজের জন্য। যেমন : ফাইল সার্ভারের কাজ হলো নেটওয়ার্ক ইউজারদের জন্য বিভিন্ন ফাইল শেয়ার করা যাতে ইউজাররা সহজে যেকোন সময় তাদের প্রয়োজনীয় ফাইলে প্রবেশ করতে পারে। ফাইল সার্ভারে চলে এমন এক নেটওয়ার্ক সার্ভিস যার মাধ্যমে কোন সার্ভার ডাটা স্টোর করা যায়, সেই ডাটা পড়া যায় এবং প্রয়োজনে অন্যত্র স্থানান্তর করা যায়। যেকোন সার্ভারের দুটি গুরুত্বপূর্ন অংশ স্টোরেজ মেমোরী এবং RAM। এ দুটো অংশ কতটা শক্তিশালী হবে তা নির্ভর করে এটি কি ধরনের কাজ করবে এবং কতজন ক্লায়েন্ট এটি ব্যবহার করবে তার উপর।

[ কিছু কথা : আমি ভার্সিটির ফাইনাল পরীক্ষার ব্যাস্ততার কারনে গত প্রায় দু'মাস ধরে সামুতে কোন লেখা দিতে পারিনি। অনেকে আমাকে ইমেইল করে খোজ নিয়েছেন, তাদেরকে অনেক ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা। অনেকে নানা ধরনের টেকি সমস্যা নিয়ে ইমেইল করেছেন, কিন্তু পরীক্ষা নিয়ে ব্যাস্ততার কারনে সময়মত তাদেরকে সাহায্য করতে পারিনি। সেজন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত। ভবিষ্যতে নিয়মিত আপনাদের সাথে থাকার আশারাখি। ধন্যবাদ।]

আগের লেখাগুলো :

১। আসুন সহজে পিসি-টু-পিসি LAN করি (পর্ব – ১)
২। আসুন সহজে পিসি-টু-পিসি LAN করি (পর্ব – ২)
৩। আসুন সহজে পিসি-টু-পিসি LAN করি (পর্ব – ৩)
৪। আসুন সহজে পিসি-টু-পিসি LAN করি (পর্ব – ৪)
৫। আসুন সহজে পিসি-টু-পিসি LAN করি (পর্ব – ৬)




]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/29080555 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/29080555 2010-01-17 21:19:48
ফটোশপ দিয়ে চমৎকার টেক্সট ইফেক্ট তৈরী করুন
অবসর সময়ে ফটোশপ, ফ্ল্যাশ, থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট চালানো আমার এক ধরনের শখ। ফটোশপ দিয়ে এত সহজে চমৎকার সব ইফেক্ট তৈরী করা যায়, যা তৈরী করার পর নিজের কাছেই অবাক লাগে। আজকে সেরকম একটি সহজ অথচ জমজমাট টেক্সট ইফেক্টের সাথে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দেবো।

প্রজেক্টটির নাম দিলাম Ice Cool Effect। বিভিন্ন এ্যাডে বরফ শীতল বোঝাতে এক ধরনের টেক্সট ইফেক্ট ব্যবহার করে, যেখানে ডিউ থাকে, সাথে থাকে ট্রান্সপারেন্ট একটা ভাব মনে হয় যেন বরফ দিয়েই লেখাটা লেখা হয়েছে। আসুন সেরকম একটি এফেক্ট তৈরী করার চেষ্টা করি।

প্রথমে File > New এ গিয়ে একটি ক্যানভাস তৈরী করুন। আমার ল্যাপটপের রেজুলেশন 1366*768 পিক্সেল হওয়ায় আমি এই আকারের ক্যানভাস তৈরী করেছি। আপনারা আপনাদের ডেক্সটপের রেজুলেশন অনুযায়ী ক্যানভাস তৈরী করে নিন, যাতে এটি আপনার ডেক্সটপ ওয়াল পেপার হিসেবে মানিয়ে যায়।

এখন আমাদের ছবিটির জন্য একটি ব্যাকগ্রাউন্ড তৈরী করতে হবে। এজন্য আমি Mayang ওয়েব সাইটটি থেকে একটি টেক্সচার নিয়েছি। আপনারা এই ওয়েবসাইটে হাজার হাজার টেক্সচার পাবেন যা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ডিজাইনের ক্ষেত্রে ভীষন কাজে দেয়।



টেক্সচারটিকে একটি লেয়ারে নিয়ে নিন, লেয়ারের নাম দিন Texture। এখানে লক্ষ্য করলে দেখবেন টেক্সচারটিতে ঠিক বরফের ইফেক্ট না এসে কেমন যেন মেটাল ইফেক্ট দিচ্ছে। তাই টেক্সচার লেয়ারটির ব্লেন্ডিং মোড Soft Light করে দিন।



এরপর এই লেয়ারটির নিচে আর একটি নতুন লেয়ার নিয়ে তাতে কালার কোড #002D59 এবং #3CC1FA দিয়ে একটি রেডিয়াল গ্রেডিয়েন্ট তৈরী করুন। গ্রেডিয়েন্ট লেয়ারটি নিচ থেকে লাইটিং করে বরফের মত নীল ব্যাকগ্রাউন্ড তৈরী করবে। ব্যাস, ব্যাকগ্রাউন্ড তৈরী।



এবার টেক্সট টুল দিয়ে আপনার পছন্দসই একটি ফন্ট বেছে নিয়ে কিছু টাইপ করুন। টেক্সট সাইজ বাড়িয়ে কমিয়ে ক্যানভাস সাইজ অনুযায়ী করে নিন। এই লেখাগুলো অটোমেটিক ভিন্ন একটি টেক্সট লেয়ারে লেখা হবে। এই টেক্সট লেয়ারটিতে রাইট মাউস বাটন ক্লিক করে Blending Options এ যান। এখানে গিয়ে নিচের ছবিগুলোর মত করে হুবহু অপশনগুলো চেঞ্জ করুন।

১। Drop Shadow



২। Inner Shadow



৩। Inner Glow



৪। Bevel & Emboss



৫। Satin



৬।Stroke



৭। Blending Options



ব্যাস, কাজ শেষ। এপর্যন্ত এসে আপনার ফাইনাল টেক্সট ইফেক্টটি হবে নিচের ছবিটির মত।



আপনাদের সুবিধার্থে মূল সোর্স ফাইল (.psd) টি আপলোড করে দিলাম। ডাউনলোড লিংক : সোর্স ফাইল ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/29044080 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/29044080 2009-11-15 23:23:00
"ডিজিটাল টাইম" নিয়ে জাফর স্যারের চমৎকার কলামটি সবাইকে পড়ার অনুরোধ করছি। ‘ডিজিটাল টাইম’ এবং ঘোড়ার মৃতদেহ

এই বছর জুন মাসের ১৯ তারিখ বাংলাদেশে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা এগিয়ে নেওয়া হয়েছিল। এ ধরনের একটা কাজ করা হবে এ রকম কানাঘুষা হচ্ছিল, আমার ধারণা ছিল এত বড় একটা ব্যাপার—সেটা নিয়ে আলাপ-আলোচনা হবে, দেশের জ্ঞানী-গুণী মানুষেরা বলবেন, এটা নেহায়েত এক ধরনের খামখেয়ালিপনা—সোজা কথায় পাগলামো। তখন আর এই সিদ্ধান্তটা নেওয়া হবে না। দেশ যখন রাজা-বাদশাহরা শাসন করতেন তখন তাঁরা এ রকম খামখেয়ালিপনা করতেন—কথা নেই বার্তা নেই তাঁরা পুরো রাজধানী এক শহর থেকে অন্য শহরে নিয়ে যেতেন। রাজা-বাদশাহদের সেই খামখেয়ালি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কেউ টুঁ শব্দটি করত না, কার ঘাড়ে দুটি মাথা আছে যে, এর প্রতিবাদ করে নিজের গর্দানটি হারাবে? আমি ভেবেছিলাম, এখন তো রাজা-বাদশাহদের আমল নয়—এখন গণতান্ত্রিক সরকার, এ রকম একটা সিদ্ধান্ত নিশ্চয়ই কিছু খামখেয়ালি মানুষ নিয়ে ফেলবে না।
কিন্তু অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি, আমি অবাক হয়ে দেখলাম, দেশের ইলেকট্রিসিটি বাঁচানোর কথা বলে হুট করে একদিন ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা এগিয়ে দেওয়া হলো! আমি দুর্বলভাবে পত্রিকায় একটা লেখা লিখেছিলাম—কিন্তু কার সময় আছে আমাদের মতো মানুষের লেখা পড়ার কিংবা সেই লেখা বিবেচনা করার? আজকে আবার লিখতে বসেছি, আগের বার যখন লিখেছিলাম তখন নিজের ভেতর যে অনুভূতিটা ছিল সেটা ছিল খানিকটা হতাশার। এখন যখন লিখছি তখন আমার ভেতরকার অনুভূতিটা রীতিমতো ক্রোধের অনুভূতি। আস্ত একটা দেশের মানুষকে প্রতারণা করা হলে যেটুকু ক্রোধান্বিত হওয়ার কথা আমি এই মুহূর্তে ঠিক সে রকম ক্রোধান্বিত। ‘ডে লাইট সেভিং’ এর কথা বলে ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে নেওয়া হয়েছিল। এখন বলা হচ্ছে, এটা বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সময় নির্ধারণের পদ্ধতির বাইরে ঠেলে দিয়ে পাকাপাকিভাবে এক ঘণ্টা এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। এর চেয়ে বড় প্রতারণা আর কী হতে পারে?
যে সব দেশে ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে নেওয়া হয় এবং পিছিয়ে নেওয়া হয় আমি সে রকম একটি দেশে প্রায় ১৮ বছর ছিলাম। কাজেই এই ব্যাপারটি কী আমি সেটা খুব ভালো করে জানি। আমার ধারণা, কেন এই ধরনের বিচিত্র একটা কাজ করা হয় সে ব্যাপারে এ দেশের বেশির ভাগ মানুষের ধারণা ছিল না। কাজেই হুট করে যখন এটা করা হলো, তখন সবাই নিশ্চয়ই আকাশ থেকে পড়েছে। ইলেকট্রিসিটি বাঁচানোর একটা খোঁড়া যুক্তি দিয়ে ঘটনাটা ঘটানো হয়েছিল, তাই অনেক পত্র-পত্রিকাও এর পক্ষে সম্পাদকীয় লিখে ফেলেছিল, আমি আবিষ্কার করেছিলাম এর বিরুদ্ধে কথা বলার মানুষ বলতে গেলে কেউ ছিল না।
আমার ধারণা ছিল, ব্যাপারটা ঘটার পর দেশে এমন একটা গোলমাল লেগে যাবে যে, সরকার সঙ্গে সঙ্গে টের পাবে কাজটা খুব বড় ধরনের বোকামি হয়েছে। (আমার মাঝে মাঝে জানার ইচ্ছা করে, সরকারটা কে বা কী! এটা কী একটা বিমূর্ত ব্যাপার, যারা অদৃশ্য থেকে দেশের বড় বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে, কিন্তু কে ঘটনাটা ঘটিয়েছে সেটা কী কেউ জানতে পারবে না?) যাই হোক, আমি সবিস্ময়ে লক্ষ করলাম, দেশে কোনো বড় ধরনের গোলমাল হলো না, সবাই ব্যাপারটা বেশ সহজেই মেনে নিল। বলতে দ্বিধা নেই, আমি বেশ অবাক হয়েছিলাম।
দেশে কেন বড় ধরনের কোনো প্রতিক্রিয়া হলো না, সেটা বুঝেছি অনেক পরে। আমার পরিচিত একজন হঠাত্ খুব বড় ধরনের ঝামেলায় পড়েছে, রীতিমতো পুলিশের হস্তক্ষেপ করিয়ে তাকে ঝামেলামুক্ত করা হয়েছে। মানুষটি সবিস্তারে যখন আমার কাছে ঘটনাটি বর্ণনা করছে, তখন তাকে আমি মাঝপথে থামিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, ‘রাত তখন কয়টা?’
মানুষটি বলল, ‘আসল টাইম ১০টা। ডিজিটাল টাইম ১১টা।’
আমি তখন সবিস্ময়ে আবিষ্কার করলাম, এ দেশের অনেক মানুষ ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে নেওয়ার বিষয়টা গ্রহণ করেনি। তারা এখনো সেটাকে সরকারের এক ধরনের খামখেয়ালি কাণ্ড হিসেবে ধরে নিয়ে ‘আসল টাইমে’ তাদের জীবন চালিয়ে যাচ্ছে! শুধু তাই নয়, তারা সরকারের হুট করে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা এগিয়ে দেওয়ার ফলে তৈরি হওয়া এই নতুন সময়টার নাম দিয়েছে ‘ডিজিটাল টাইম’—যদিও ডিজিটাল প্রযুক্তি বলতে যা বোঝায় তার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
এই সরকার নির্বাচনে জিতে দেশ চালানোর দায়িত্ব পেয়েছে দেশের কমবয়সী ভোটারদের ভোটে, তারা মেনিফেস্টোর দুটি বিষয়কে খুব আগ্রহের সঙ্গে গ্রহণ করেছিল, একটা হচ্ছে যুদ্ধাপরাধীর বিচার, দ্বিতীয়টি হচ্ছে ডিজিটাল বাংলাদেশের অঙ্গীকার। ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ কথাটা খুব সুন্দর দুই শব্দে বুঝিয়ে দেওয়া যায় যে, আমরা আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর একটা দেশ গড়তে চাইছি। শব্দটি অত্যন্ত ইতিবাচক, শব্দটির মাঝে একটা স্বপ্ন লুকিয়ে আছে।
‘ডিজিটাল টাইম’ শব্দটিতে কোনো স্বপ্ন লুকিয়ে নেই, এটা একটা টিটকারি! এটা একটা রসিকতা। সরকারের চমত্কার একটা স্বপ্নকে টিটকারিতে পরিণত করার সুযোগ যাঁরা করে দিয়েছেন তাদের কী জিজ্ঞেস করা যায়, তাঁরা কার বুদ্ধিতে এটা করেছেন?

২.
সরকার যখন প্রথম ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল তখন আমরা সতর্ক করে দেওয়ার জন্য বলেছিলাম কাজটি বুদ্ধিমানের মতো হয়নি। কারণ যদি কখনো গ্রীষ্মকালে এক ঘণ্টা সময় এগিয়ে নেওয়া হয় তাহলে শীতকালে এটা আবার এক ঘণ্টা পিছিয়ে নিতে হয়। মার্কিন যুক্তিরাষ্ট্র বা ইউরোপের মতো দেশ সেটা করতে পারে, আমাদের মতো দেশের জন্য সেটা এত সহজ নয়, বছরে দুবার করে এই হাঙ্গামা করার মতো ক্ষমতা আমাদের দেশের নেই। কাজেই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ হবে এ রকম ঝামেলার মাঝে না যাওয়া। সরকার তার পরেও এই ঝামেলাটা নিজের ঘাড়ে তুলে নিল, আমরা এটা সহ্য করেছি এবং এতদিন নিঃশ্বাস বন্ধ করে সহ্য করে আছি যে, শীতকালে ঘড়ির কাঁটা আবার এক ঘণ্টা পিছিয়ে নেওয়ার সময় সরকার বুঝতে পারবে কাজটা বুদ্ধিমানের মতো হয়নি। তারপর ভবিষ্যতে আর এ ঝামেলায় পড়তে চাইবে না।
ঠিক যখন ঘড়ির কাঁটা আবার পিছিয়ে নেওয়ার সময় হলো, তখন হঠাত্ করে একদিন রাতের বেলা আমার টেলিফোন বাজতে থাকে, ফোন ধরতেই শুনতে পেলাম, বিবিসি থেকে একজন আমাকে জিজ্ঞেস করছেন, ‘আপনি কী জানেন সরকার ঠিক করেছে তারা ঘড়ির কাঁটা পিছিয়ে নেবে না?’ আমি আকাশ থেকে পড়লাম, নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারলাম না! ঘড়ির কাঁটা নাড়াচাড়া করার পেছনে তবু এক ধরনের যুক্তি আছে, কিন্তু ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা এগিয়ে নিয়ে আর কোনোদিন সেটা পিছিয়ে না আনাটা স্রেফ এক ধরনের পাগলামি, তুঘলক খান বা কালিগুলারা এগুলো করত—তাই বলে একটা গণতান্ত্রিক সরকার? তারা কী জানে যে, এ ব্যাপারটা হঠাত্ করে ঘোষণা করাতে এই শুক্রবারটিকে শনিবার বলে বিবেচনা করার মতো? কিংবা ২০০৯ সালের পর ২০১০ সাল না এসে ২০১১ সাল আসবে—এ রকম একটা ঘোষণা দেওয়ার মতো? বিবিসির প্রতিবেদক আমাকে বললেন, ‘আপনি কী জ্বালানি উপদেষ্টার বক্তব্যটা শুনতে চান?’
আমি শুনতে চাইলাম, তখন তাঁরা আমাকে সেটা শোনালেন। আমাদের জ্বালানি উপদেষ্টা বললেন, ঘড়ির কাঁটা পিছিয়ে না আনার কারণে যে সব সমস্যা হবে, সেই সমস্যার সমাধান করা হবে অফিস-আদালত বা স্কুলের সময়সূচি এক ঘণ্টা পিছিয়ে দিয়ে! রসিকতাটা কী কেউ ধরতে পেরেছেন? ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা এগিয়ে নেয়া হলো, সেই সমস্যাটা মেটানোর জন্য অফিস-আদালত, স্কুল-কলেজের সময়সূচিও এক ঘণ্টা পরিবর্তন করা হলো! যদি সময়সূচি পরিবর্তন করেই সমস্যায় সমাধান করতে হবে তাহলে সেই গ্রীষ্মকালে অফিস-আদালত, স্কুল-কলেজের সময়সূচি পরিবর্তন করে দেওয়া হলো না কেন? তাহলে তো ঘড়ির কাঁটা পরিবর্তন করতে হতো না। এটা হুবহু হবুচন্দ্র রাজার গল্পের মতো—পা দুটো ঢেকে ফেললেই পায়ে ধুলো-মাটি লাগে না! পাকে ধুলো-বালি থেকে রক্ষা করার জন্য সারা পৃথিবীকে চামড়া দিয়ে ঢাকতে হয় না। ঠিক সে রকম অফিস-আদালত, স্কুল-কলেজের সময়সূচিকে পরিবর্তন করলেই ইলেকট্রিসিটির খরচ কমানো যায়—সে জন্য সারা দেশের সব ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা এগিয়ে দিতে হয় না।
বিবিসির প্রতিবেদক এ ব্যাপারে আমার মন্তব্য জানতে চেয়েছিলেন, আমার যতদূর মনে পড়ে আমি অত্যন্ত ক্রুদ্ধ গলায় কিছু কথা বলেছিলাম, একাধিকবার ‘উন্মাদ’ শব্দটি ব্যবহার করেছিলাম। ধারণা করছি, বিবিসির মতো সম্ভ্রান্ত প্রতিষ্ঠান আমার ক্রুদ্ধ চিত্কারকে কাটছাঁট করে সেটাকে ভদ্র একটা রূপ দিয়ে প্রচার করেছিল।

৩.
এতক্ষণ ছিল ভূমিকা, এবার আসল কথায় আসি! পৃথিবীর বড় বড় মনীষী মিলে সারা পৃথিবীর মাঝে একটা সমন্বয় করেছেন, সেটাকে নানাভাবে ভাগ করেছেন। একটা ভাগের নাম দ্রাঘিমাংশ। পৃথিবীটা গোলাকার, গোলাকার বৃত্তের কেন্দ্রে মোট কোণের পরিমাণ ৩৬০ ডিগ্রি। ৩৬০ ডিগ্রি হচ্ছে চারটি সমকোণ, প্রত্যেকটি সমকোণ হচ্ছে ৯০ ডিগ্রি, কাজেই পৃথিবীর ওপর চারটি সমকোণের ওপর দিয়ে চারটি দ্রাঘিমারেখা চলে গেছে। ০ ডিগ্রির দ্রাঘিমারেখাটা গেছে গ্রিনিচের ওপর দিয়ে, (সে জন্য আমরা কথায় কথায় বলি গ্রিনিচের সময়!) এর পরের সমকোণটি হচ্ছে ৯০ ডিগ্রি, আমাদের দেশের অনেকেই হয়তো জানেন না, এই ৯০ ডিগ্রি দ্রাঘিমারেখাটি ঠিক বাংলাদেশের ওপর দিয়ে চলে গেছে। (আমার একটা জিপিএস আছে আমি সেটা দিয়ে এই ৯০ ডিগ্রি দ্রাঘিমারেখা খুঁজে বের করেছি—যতবার আমি সেটা অতিক্রম করি, আমি আনন্দের একটা শব্দ করি। মানিকগঞ্জের চৌরাস্তার মোড় থেকে উত্তর-দক্ষিণে যে রাস্তাটা গেছে সেটা প্রায় ৯০ ডিগ্রি দ্রাঘিমারেখা দিয়ে গেছে!)
৯০ ডিগ্রি দ্রাঘিমারেখার একটা খুব বড় গুরুত্ব আছে—সেটা হচ্ছে গ্রিনিচের সময় থেকে এর পার্থক্য হচ্ছে কাঁটায় কাঁটায় ছয় ঘণ্টা। ভারত, পাকিস্তান বা মিয়ানামার তাদের ঘড়ি একটু এদিক-সেদিক করতে পারে, তাতে পৃথিবীর সৌন্দর্যের কোনো ক্ষতিবৃদ্ধি হবে না। কিন্তু যে দেশের ওপর দিয়ে ৯০ ডিগ্রি দ্রাঘিমারেখাটি গেছে সেই দেশ যদি তাদের সময়টি গ্রিনিচের সময় থেকে ঠিক ছয় ঘণ্টা পরে নির্ধারণ না করে তাহলে তারা যে কাজটি করবে সেটা আমার চোখে একটা অনেক বড় অপরাধ। পৃথিবীর বড় বড় মনীষী মিলে সারা পৃথিবীকে একটা নিয়মনীতির মাঝে এনেছেন, কয়েকজন খামখেয়ালি মানুষ মিলে আমাদের দেশকে সারা পৃথিবীর নিয়মনীতি থেকে সরিয়ে উদ্ভট একটা জায়গায় নিয়ে যাবেন, সেটা কোনোমতে মেনে নেয়া যায় না।
যাঁরা এ সিদ্ধান্তগুলো নেন, তাদের কাছে আমি হাত জোড় করে অনুরোধ করি, এ দেশের বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল বিভাগের বড় বড় প্রফেসরকে ডেকে একটিবার তাদের সঙ্গে কথা বলে নিন। তাদের জিজ্ঞেস করে দেখুন ৯০ ডিগ্রি দ্রাঘিমারেখা যে দেশের ওপর দিয়ে গেছে গ্রিনিচ সময় থেকে সাত ঘণ্টা পরে সময় নির্ধারণ করার কোনো নৈতিক অধিকার সেই দেশের আছে কি না। আমরা স্কুলের বাচ্চাদের শেখাই ২৪ ঘণ্টা সময়টি কেমন করে সারা পৃথিবীতে ভাগ করে দেয়া হয়েছে, খুব জোর গলায় বলি, প্রতি ৯০ ডিগ্রি হচ্ছে ছয় ঘণ্টা সময়। আমাদের কিছু খামখেয়ালি মানুষের কারণে আমরা আমাদের স্কুলের বাচ্চাদের এই বিষয়টি আর বলতে পারছি না!

৪.
আমি যে প্রফেসরের সঙ্গে পিএইচডি করেছি তিনি আমাকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ জিনিস শিখিয়েছিলেন। তার একটি হচ্ছে, ‘যদি কোনো কিছু কাজ করে তাহলে সেটা ঠিক করার চেষ্টা করো না!’ অনেকেই হয়তো জেনে থাকবেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়াটি এবার আমরা মোবাইল টেলিফোনের এসএমএস দিয়ে করে ফেলেছি। এটা করার জন্য যে ডেটাবেস তৈরি করা হয়েছিল, সেটা আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে যখন দেখতে পেলাম ঠিক ঠিক কাজ করছে তারপর আমরা একবারও সেটাতে হাত দিইনি! কেউ কেউ সেটাকে আরেকটু সংস্কার করার প্রস্তাব দিচ্ছিলেন, আমি সেটা করতে দিইনি—আমি আমার প্রফেসরের আপ্তবাক্য স্মরণ রেখেছি যেটা কাজ করছে সেটাকে ঠিক করার চেষ্টা করতে হয় না। আমার ধারণা, সে কারণে আমরা একটিবারও কোনো সমস্যায় পড়িনি।
আমার প্রফেসর আমাকে আরেকটা জিনিস শিখিয়েছিলেন, বলেছিলেন, ‘তুমি তোমার ঘোড়াকে নিয়ে কেরদানি করতে চাও কর—আমার কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু সেই কেরদানি করতে গিয়ে যদি তোমার ঘোড়া মারা যায় তাহলে খবরদার ঘোড়ার মৃতদেহ নিয়ে টানাহেঁচড়া করবে না—দ্রুত সেটাকে মাটিতে পুঁতে ফেলবে।’
ঘড়ির কাঁটা নিয়ে যারা কেরদানি করেছেন তাদের জানতে হবে ঘড়ির কাঁটা নামক এ ঘোড়াটা মারা গেছে। এর মৃতদেহটি নিয়ে টানাহেঁচড়া করে কোনো লাভ নেই—এখন এটাকে মাটিতে পুঁতে ফেলার সময় হয়েছে।
যদি সেটা না করা হয়, তাহলে সেটা পচে-গলে সেখান থেকে দুর্গন্ধ ছড়াবে, আর কোনো লাভ হবে না।

মুহম্মদ জাফর ইকবাল: লেখক। অধ্যাপক শাহাজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/29040498 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/29040498 2009-11-09 15:00:43
আসুন সহজে পিসি-টু-পিসি LAN করি (পর্ব – ৪)

আজকের পর্ব সাবনেটিং

আমার আগের কয়েকটি লেখায় বলেছিলাম কিভাবে ছোট আকারের নেটওয়ার্ক তৈরী করতে হয়। এবার আমি আলোচনা করব বড় আকারের নেটওয়ার্ক নিয়ে। বড় আকারের নেটওয়ার্ক তৈরীর সবচাইতে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে প্রতিটি কম্পিউটারের জন্য একটি করে IP Address বরাদ্দ করা। কারন IPv4 এ IP Address এর সংখ্যা সীমিত। প্রথম যখন ইন্টারনেট আবিস্কার হয় তখন কেউ কল্পনা করতে পারেনি যে এটি এতটা জনপ্রিয় একটি মাধ্যম হবে, তখন ইন্টারনেট শুধুমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিভিন্ন ধরনের গবেষনার কাজে ব্যবহার করা হত। তাই ৩২ বিটের IPv4 Address কেই তারা ভেবেছিল যথেষ্ট। কিন্তু বর্তমানে সারা পৃথিবীতে ইন্টারনেট বিস্তৃত হওয়ায় IP Address সংকট দেখা দিয়েছে। তাই এই অল্প সংখ্যক IP Address নিয়েই আমাদের নেটওয়ার্ক তৈরী করতে হবে। এ কারনেই আমাদের সাবনেটিং এর প্রয়োজন হচ্ছে।

প্রথমে আমারা জানি যে, IPv4 Address কে ৪ টি ক্লাসে ভাগ করা হয়েছে, যা হলো :

CLASS A শুরু 0.0.0.0 থেকে 127.0.0.0 পর্যন্ত এবং সাবনেট মাস্ক 255.0.0.0
CLASS B শুরু 128.0.0.0 থেকে 191.0.0.0 পর্যন্ত এবং সাবনেট মাস্ক 255.255.0.0
CLASS C শুরু 192.0.0.0 থেকে 223.0.0.0 পর্যন্ত এবং সাবনেট মাস্ক 255.255.255.0
CLASS D শুরু 224.0.0.0 থেকে 239.0.0.0 পর্যন্ত [মাল্টিকাস্টের জন্য সংরক্ষিত]
CLASS E শুরু 240.0.0.0 থেকে 255.0.0.0 পর্যন্ত [রিসার্চের জন্য সংরক্ষিত]

এর মধ্যে Class A এড্রেস শেষ হয়ে গেছে এবং Class B এড্রেস প্রায় নিঃশেষ হয়ে গেছে, ইন্টারনিকের কাছে আবেদন করে সেই আবেদনের যথার্থতা প্রমান করতে পারলেই কেবল এই ক্লাসের IP পাওয়া যায়।

এর মধ্যে কিছু এড্রেস রাখা হয়েছে Private IP Address হিসেবে সেগুলো হচ্ছে :

CLASS A শুরু 10.0.0.0 থেকে 10.255.255.255 পর্যন্ত
CLASS B শুরু 172.16.0.0 থেকে 172.31.255.255 পর্যন্ত
CLASS C শুরু 192.168.0.0 থেকে 192.168.255.255 পর্যন্ত

বড় একটি নেটওয়ার্কের জন্য যদি আপনি প্রতিটি পিসির জন্য আলাদা আলাদা আইপি এড্রেস কিনতে চান তাহলে আপনার নেটওয়ার্কটি হবে অনেক ব্যায়বহুল এবং ইন্টারনিক আপনাকে এতগুলো আইপি দেবেও না। তাই বড় নেটওয়ার্ককে যদি ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত করতে চান তাহলে প্রথমে বড় নেটওয়ার্কটিকে ছোট ছোট নেটওয়ার্কে (সাবনেটে) ভাগ করুন এবং IP Address হিসেবে Private IP Address Range ব্যবহার করুন। কারন Private IP Address ফ্রি এবং Private Address দিয়ে আপনি হাজার হাজার কম্পিউটারে আইপি এড্রেস বসাতে পারবেন। তবে এই প্রক্রিয়ায় ইন্টারনেট ব্যবহার করতে গেলে আপনাকে Router ব্যবহার করতে হবে। কারন প্রাইভেট আইপি দিয়ে সরাসরি ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত হওয়া যায় না, রাউটার ব্যবহার করলেই প্রাইভেট আইপির সব কম্পিউটার রাউটারের গেইটওয়ে এড্রেস ব্যবহার করে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবে।

এখন ছোট ছোট নেটওয়ার্কগুলোকে রাউটারের সাথে যুক্ত করলেই একটি বড় নেটওয়ার্ক দাড়িয়ে গেল। ইন্টারনেট ব্যবহার করার জন্য রাউটারের আউটগোয়িং পোর্টে ইন্টারনিক থেকে কেনা Public IP Address বসিয়ে দিন। তাতে আপনার নেটওয়ার্কের জন্য এতগুলো Public IP কিনতে হচ্ছে না, জাস্ট একটি Public IP হলেই চলছে এবং নেটওয়ার্কের সিকিউরিটিও বাড়বে। কারন Public IP Address দিয়ে বাইরের কেউ Private Network এ ঢুকতে পারে না।

ছোট নেটওয়ার্কে (সাবনেট) ভাগ করা ছাড়া যেকোন হোস্ট এড্রেস হয় নিম্নরুপ :

নেটওয়ার্ক আইডি + হোস্ট আইডি

এখানে মনে রাখা প্রয়োজন যে ইন্টারনিক আমাদেরকে যে নেটওয়ার্ক আইডি দিচ্ছে সেটিকে আমরা পরিবর্তন করতে পারবো না। কিন্তু আমরা যেসব ছোট নেটওয়ার্ক (সাবনেট) তৈরী করব সেগুলোকে ভিন্নভাবে চিহ্নিত করা দরকার। তাই আমরা নেটওয়ার্কের বিটগুলোকে অপরিবর্তিত রেখে হোস্ট আইডির কিছু বিটকে ব্যবহার করতে হবে। সাবনেট যুক্ত যেকোন নেটওয়ার্কের আইপি এড্রেস হবে নিম্নরুপ :

নেটওয়ার্ক আইডি + সাবনেট আইডি + হোস্ট আইডি

এখানে হোস্ট আইডিকে ভেঙ্গে কিছু বিট সাবনেট আইডি হিসেবে নেয়া হয়েছে। কিন্তু নেটওয়ার্ক আইডি অপরিবর্তিত রয়েছে।

সাব-নেটওয়ার্ক এড্রেস বের করার একটি পদ্ধতি হচ্ছে Binary ANDing। ANDing করার নিয়ম হচ্ছে :

1 AND 1 = 1
1 AND 0 = 0
0 AND 1 = 0
0 AND 0 = 0

একটি আইপি এড্রেস কোন সাবনেটের অন্তর্ভুক্ত তা বের করার জন্য Binary ANDing ব্যবহার করা হয়। নিচের ছবিটি লক্ষ করুন :



উপরের ছবিতে IP Address দেয়া হয়েছে 192.100.10.33 এবং সাবনেট মাস্ক দেয়া হয়েছে 255.255.255.0 এরপর আইপি এড্রেস আর সাবনেট মাস্ককে বাইনারি নম্বরে পরিবর্তন করে ANDing করতেই রেজাল্টে সাব-নেটওয়ার্ক এড্রেস 192.100.10.0 বের হয়ে এসেছে। এই ফর্মুলা ব্যবহার করে যে কোন আইপি কোন সাবনেট বা নেটের অন্তর্ভূক্ত তা বের করা সম্ভব।

এবারে আসুন দেখা যাক কিভাবে একটি বড় নেটওয়ার্কের জন্য IP Address সরবরাহ করবেন। প্রথমে কিছু প্রশ্নের উত্তর খুজুন।

১। আপনি কতগুলো কম্পিউটারের জন্য IP Address খুজছেন?
২। আপনার বড় নেটওয়ার্কটিকে কতগুলো ছোট নেটওয়ার্কে (সাবনেট) ভাগ করতে চান?
৩। আপনার নেটওয়ার্কে কি ইন্টারনেট থাকবে নাকি শুধুমাত্র অভ্যন্তরীন কাজে ব্যবহার হবে?

উত্তরগুলো জেনে নিন। এখানে একটি বড় নেটওয়ার্ককে ছোট ছোট নেটওয়ার্কে ভাগ করে নেয়া সুবিধাজনক, কারন ধরুন আপনি একটি বিল্ডিং এর সবগুলো তলা নিয়ে বড় নেটওয়ার্ক তৈরী করছেন। এখানে যদি প্রতিটি তলা ছোট ছোট নেটওয়ার্কে ভাগ করা থাকে তবে তা আপনার জন্য সেটাপ+মেইনটেইন করা সুবিধাজনক।

ধরুন, আপনি 180 টি কম্পিউটার নিয়ে বড় একটি নেটওয়ার্ক তৈরী করতে চান। যেখানে সাবনেট থাকবে 6 টি এবং প্রতিটি সাবনেটে হোস্ট কম্পিউটার থাকবে কমপক্ষে 30 টি। IP Address দেয়া হলো 192.168.16.0 এবং সাবনেট 255.255.255.0। কিভাবে করবেন?

কাগজ কলম নিয়ে হাতে সাবনেট ক্যালকুলেশন করার প্রকিয়া কিছুটা জটিল এবং নতুনদের জন্য সমস্যার। তাই আমি আপনাদের সাবনেট ক্যালকুলেটর ব্যবহার করে সাবনেট হিসাব করার জন্য বলছি। এখান থেকে Subnet Calculator Software টি ডাউনলোড করে নিন। ইন্সটল করুন এবং রান করান, নিচের উইন্ডোটি আসবে।



এখানে IP বক্সে 192.168.16.0 লিখুন। এবার Max Subnets এ 6 দিন এবং Max hosts এ 30 বসান।



এবার সার্চ বাটনটিতে ক্লিক করুন। নিচের উইন্ডোটি পাবেন।



এখানে 6 টি নেটওয়ার্কের নেটওয়ার্ক এড্রেস, ওই সাবনেটের রেঞ্জ এবং ব্রডকাস্ট এড্রেস দেয়া আছে। এখান থেকে টুকে নিয়ে কম্পিউটারে এড্রেসগুলো বসিয়ে দিলেই হবে। তবে মনে রাখতে হবে, নেটওয়ার্ক এড্রেস অর্থাৎ প্রথম আইপি এড্রেসটি এবং ব্রডকাস্ট এড্রেস অর্থাৎ শেষের আইপি এড্রেসটি আপনি কোন কম্পিউটারে ব্যবহার করতে পারবেন না। মাঝের সাবনেট রেঞ্জ এ যে এড্রেসগুলো দেয়া আছে ওগুলোই শুধু ব্যবহার করা যাবে।

এভাবে যেকোন আইপির জন্য সাবনেট তৈরী করা সম্ভব।

হাতে-কলমে সাবনেটিং শিখতে চাইলে, আমার কাছে একটি বই আছে যা পড়ে দেখতে পারেন। ডাউনলোড লিংক : Click This Link

এর পরের লেখায় আলোচনা করব সিমুলেশন সফটওয়্যার ব্যবহার করে ভার্চুয়াল ভাবে নেটওয়ার্ক তৈরী করে পরীক্ষা করার পদ্ধতি এবং নেটওয়ার্কের ত্রুটি খুজে বের করা।

ধন্যবাদ।

আগের লেখাগুলো :

১। আসুন সহজে পিসি-টু-পিসি LAN করি (পর্ব – ১)
২। আসুন সহজে পিসি-টু-পিসি LAN করি (পর্ব – ২)
৩। আসুন সহজে পিসি-টু-পিসি LAN করি (পর্ব – ৩)
৪। আসুন সহজে পিসি-টু-পিসি LAN করি (পর্ব – ৫)
৫। আসুন সহজে পিসি-টু-পিসি LAN করি (পর্ব – ৬) ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/29039460 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/29039460 2009-11-07 21:27:16
ফেসবুক ব্রাউজার গেমস আসক্তি

বর্তমান সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় সোস্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট হিসেবে ফেসবুক এখনও তার আধিপত্য বিস্তার করে চলেছে। দিনদিন বেড়েই চলেছে তার জনপ্রিয়তা। প্রায় ১৫০ মিলিয়ন সক্রিয় সদস্যের এ সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় সোস্যাল নেটওয়ার্কিং ওয়েবসাইট ফেসবুক ৫ বছর পার করেছে। যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক কর্মকান্ড সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ফেসবুকের ব্যবহার ক্রমশ বাড়ছে। এর সাথেই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ফেসবুক গেমস এবং এপ্লিকেশনের সংখ্যা। এখন ফেসবুক খুললে যতটা না কারও স্ট্যাটাস, ওয়াল বা ফটো কমেন্ট চোখে পরে, তার চাইতে অনেক বেশী চোখে পরে এপ্লিকেশন আর গেমসের নিউজ। এ থেকে বোঝা যায়, সময়ের সাথে সাথে আগের ফেসবুক ব্যবহারের ধারনা পাল্টেছে।

আমি প্রথম ২০০৬ সালে Hi5 ছেড়ে ফেসবুক ব্যবহার শুরু করি। ফেসবুকের অসাধারন মেকিং এবং নতুন নতুন এপ্লিকেশন দেখে মুগ্ধ হই। বন্ধুদের সাথে যুক্ত হওয়ার পরই শুরু হয়ে যায় এপ্লিকেশন রিকোয়েস্টের ধুম। সেখান থেকেই প্রথম পরিচিত হই মাল্টিপ্লেয়ার ব্রাউজার গেমস “মব ওয়ার’স” এর সাথে। যদিও প্রথমে গেমসগুলো খুবই হাস্যকর মনে হত, পরে একসময় আমিও বন্ধুদের সাথে প্রতিযোগীতায় নেমে পরলাম। অবসর সময়ে বন্ধুদের সাথে পাল্লা দিয়ে চলত মব ওয়ার’স খেলা। কে কার চাইতে আগে লেভেল কম্প্লিট করতে পারে, কার মব সাইজ সবচেয়ে বেশী, কার একাউন্টে টাকার পরিমান বেশী ইত্যাদি। মজা লাগল, একদিন এক বানিজ্যিক ব্যাংকের কম্পিউটার সেকশনে অফ টাইমে গিয়ে দেখি সেখানের অফিসারও “মব ওয়ার’স” খেলায় ব্যাস্ত।



সময়ের সাথে সাথে মব ওয়ার’সকে বিদায় করে দিয়ে শুরু করলাম “মাফিয়া ওয়ার’স” খেলা। মব ওয়ার’স থেকে মাফিয়া ওয়ার’স অনেক আধুনিক এবং গেমস প্ল্যানিং এ অনেক বৈচিত্র আছে। নিত্য নতুন আপডেট’স এবং দীর্ঘ গেম প্ল্যানিং এর জন্য মাফিয়া ওয়ার’স এখনও খেলে চলেছি। বর্তমানে ২৫০ এর উপর লেভেল কম্প্লিট করেছি। নিজের কাছেই অবাক লাগে এত এত গেমস থাকতে কি এমন আছে এর ভেতরে যে এর পিছনে সময় নষ্ট করছি!! উত্তর জানা নেই।



ইদানিং ফেসবুকের নিউজ ফিডে ভর্তি হয়ে থাকে “ফার্ম ভিলি” নামে আর একটি গেমস। এটি অনেকটা খামারবাড়ী পরিচালনার এবং রক্ষনাবেক্ষনের গেমস, যা দেখেছি মেয়েরাই বেশী পছন্দ করে। “ফার্ম ভিলি” এবং “মাফিয়া ওয়ার’স” দুটোই “জিংগা (Zynga)” নামে একটি প্রতিষ্ঠানের তৈরী। তারা মূলত স্যোসাল নেটওয়াকিং সাইটগুলোর জন্য গেমস তৈরী করে, যেমন : ফেসবুক, মাইস্পেস, হাই ফাইভ, ট্যাগড ইত্যাদি।

জিংগা কর্পোরেশনের বর্তমানে মোট গেমসের সংখ্যা ৩২ টি এবং এসব গেমসে ২০০৭ সাল থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত তাদের ৪৬ মিলিয়ন এ্যাকটিভ গেমার’স এবং ৭১ মিলিয়নেরও বেশী রেজিস্টার্ড গেমার’স আছে। বোঝাই যাচ্ছে আমার মত অসংখ্য পাগল পৃথিবীতে আছে। শুনে অবাক হবেন, জিংগা কর্পোরেশনের বর্তমানে টোটাল ইনভেস্টমেন্টের পরিমান ২৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার !!



মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, এত ডলার ইনভেস্ট করে মানুষকে বিনে পয়সায় গেমস খেলতে দিয়ে তাদের লাভ হয় কিভাবে? এখানেই মার্কিনিদের বিজনেস প্ল্যান। আমরা যেখানে ব্যবসা খুজে পাইনা, ওরা সেখান থেকেই ব্যবসা করে নেয়। মাফিয়া ওয়ার’স বা অন্যান্য ব্রাউজার গেমসগুলোতে এনার্জি, স্টেমিনা, হেলথ ইত্যাদির একটি নির্দিষ্ট লিমিট থাকে। নির্দিষ্ট সংখ্যক বার জব এবং ফাইট শেষ করার পর এসব শেষ হয়ে যায়। তখন এনার্জি, স্টেমিনা, হেলথ ফুল করার জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে হয়। পাগল গেমাররা এই ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে মোটেই রাজি নয়। তাই জিংগা তাদের “গডফাদার” নামের একটি অপশনের মাধ্যমে ৫ মার্কিন ডলারের বিনিময়ে ২১ টি রিওয়ার্ড পয়েন্ট দেয়। পে-প্যাল, ভিসা, মাস্টার কার্ড ইত্যাদি দিয়ে এই টাকা পরিশোধ করলেই তাদের গডফাদার রিওয়ার্ড পয়েন্ট দেয়া হয়। এটাই তাদের প্রধান বিজনেস স্ট্রাটেজি। সাথে ফেসবুকও এই গেমসের সুযোগে এডভার্টাইজ চালু রাখছে এবং সবাইকে বাধ্য করছে ফেসবুক নিয়মিত ভিজিট করার জন্য।

আমি হিসাব করে দেখেছি, প্রতিদিন একটি লেভেল কম্প্লিট করার জন্য মিনিমাম ৮-১০ বার ফেসবুক ভিজিট করতে হয় এবং গেমস খেলার পেছনে ব্যায় হয় ২ ঘন্টারও বেশী সময়। অনেকের জন্যই এটা এখন একপ্রকার আসক্তিতে পরিনত হয়েছে। নিচে একটি পরিসংখ্যানে দেখুন ফেসবুকের টপ ২৫ টি গেমসের বর্তমান অবস্থা :



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/29032215 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/29032215 2009-10-26 16:32:00
আসছে উবুন্টু ৯.১০ (কারমিক কোয়ালা)..... আর মাত্র ৮ দিন বাকি। আর মাত্র ৮ দিন পর উবুন্টু ৯.১০ রিলিজ হচ্ছে। এই ভার্সনটির নাম দেয়া হয়েছে "কারমিক কোয়ালা"। এর আগে বেশ কিছু নতুন ফিচার নিয়ে এসেছিল উবুন্টু ৯.০৪ জান্টি জ্যাকালোপ। এরপর প্রায় ৬ মাসেরও বেশি সময় পর নতুন এই ভার্সনটি রিলিজ হতে যাচ্ছে। সাধারনত উবুন্টুর .০৪ রিলিজে নতুন নতুন ফিচার এ্যাড করা হয় আর .১০ রিলিজে সেই ফিচারগুলোর বাগ বা সমস্যাগুলো দূর করা হয়। এবার হয়ত আমরা আরও আধুনিক উবুন্টু উপহার পাবো।

উবুন্টুর নতুন ভার্সনের ফ্রি সিডি পেতে রেজিস্ট্রেশন করুন এই ওয়েবসাইটে । এখনই চাইলে যে কেউ তার ইমেইল একাউন্ট ব্যবহার করে ফ্রি সিডির জন্য প্রি-রিকোয়েস্ট পাঠাতে পারবে। আর রিলিজ হওয়ার পরপরই ফ্রি সিডিটি আপনার ঠিকানায় পাঠিয়ে দেয়া হবে। এছাড়া বেটা ভার্সনটি ডাউনলোড করেও ব্যবহার করে দেখতে পারেন।

উবুন্টু ৯.১০ কারমিক কোয়ালার ফ্রি সিডি পেতে কিভাবে রেজিস্ট্রেশন করবেন তা আর বিস্তারিত লিখছি না। কারন আগে উবুন্টু ৯.০৪ জান্টি জ্যাকালোপ রিলিজের সময়ই আমার পোষ্টে রেজিস্ট্রেশন এবং উবুন্টুর অন্যান্য রিলিজগুলো নিয়ে বিস্তারিত লিখেছিলাম। এখনও রেজিস্ট্রেশনের প্রক্রিয়া একই আছে। তাই রেজিস্ট্রেশনের নিয়ম জানতে নিচের লিংক থেকে "আসছে উবুন্টু ৯.০৪ (জান্টি জ্যাকালোপ) ....." পড়ুন।

উবুন্টু নিয়ে আমার পূর্বে পোষ্ট করা সব লেখার লিংক নিচে দিলাম :

১। আসছে উবুন্টু ৯.০৪ (জান্টি জ্যাকালোপ).... আর মাত্র ৯ দিন বাকি।

২। সহজে ইন্সটল করুন উবুন্টু ৯.০৪ জান্টি জ্যাকালোপ

৩। উবুন্টু ৮.১০ ইন্টারপিড আইবেক্স ইনস্টলেশন পদ্ধতি - ধাপে ধাপে

৪। উবুন্টু লিনাক্স ইনস্টলেশন পরবর্তি গাইড

৫। উবুন্টুতে গেমস চালানোর সহজ উপায়


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/29029706 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/29029706 2009-10-21 20:15:50
Hotline রঙ্গ : জাফর ইকবাল স্যারের মুখে শোনা
সাস্টে এ বছরই প্রথমবারের মত মোবাইল ফোনে SMS এর মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষায় রেজিস্ট্রেশনের প্রক্রিয়া চালু হয়েছে। যেহেতু প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ন নতুন তাই শিক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য কিছু হটলাইন নম্বর রাখা হয়েছে, যাতে তারা সরাসরি যোগাযোগ করে তাদের রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত যেকোন সমস্যা জানাতে পারে।

এই হটলাইন নম্বরগুলোর একটি আছে জাফর ইকবাল স্যারের হাতে। কিন্তু বাইরের কাউকে জানানো হয়নি, যে ওনার নম্বরটি কত। তো একদিন জাফর স্যারের হটলাইন নম্বরে ফোন করে একটা মেয়ে বলে উঠলো “ভাইয়া, ভাইয়া.... আমি রেজিস্ট্রেশন করতে পারছি না।‍‍” স্যার জিজ্ঞেস করলেন কি ধরনের সমস্যা, কিভাবে SMS করেছো ইত্যাদি এরপর আবার SMS করতে বললেন। একটু পরে মেয়েটি আবার কল করে বলল “ভাইয়া, আমি রেজিস্ট্রেশন করতে পেরেছি”। স্যার খুশি হয়ে বললেন “গুড..”। মেয়ে বলল “গুড...!! আমি আমার পাচ বান্ধবী মিলে একসাথে পরীক্ষা দেবো বলে একসাথে SMS পাঠিয়েছিলাম, ওদের সবার রেজিস্ট্রেশন আমার অনেক আগে হয়ে গেছে। আমি ওদের সাথে রেজিস্ট্রেশন করতে পারলাম না আর আপনি বলেন গুড..!! <img src=(" style="border:0;" />”

এরপর আর একদিন রাত ২ টা বাজে স্যারের হটলাইন নম্বরে একটা কল এলো। স্যার কল রিসিভ করে সমস্যার কথা জিজ্ঞেস করলে ছেলেটি বললো “না কোন সমস্যা নাই, এমনি ফোন করেছি। এটা হটলাইন নম্বর তো ২৪ ঘন্টা সার্ভিস দেয়ার কথা, তাই কল করে চেক করলাম যে এটা আসলেই হটলাইন সার্ভিস কিনা। <img src=" style="border:0;" />”


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/29024700 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/29024700 2009-10-12 21:26:50
আসুন সহজে পিসি-টু-পিসি LAN করি (পর্ব – ৩)

আজকের পর্ব : ওয়ার্কগ্রুপ তৈরী এবং ইন্টারনেট, ডাটা ও প্রিন্টার শেয়ারিং।

আমি আগে ২টি পর্বে আপনাদেরকে দেখিয়েছি কিভাবে নেটওয়ার্কিং করার জন্য হার্ডওয়্যার প্রস্তুত করতে হয় এবং IP Addressing এর নিয়মাবলী। এবার দেখাবো নেটওয়ার্কের জন্য ওয়ার্কগ্রুপ তৈরী করার নিয়ম এবং সার্ভার কম্পিউটারটির ইন্টারনেট শেয়ারিং, যাতে অন্য কম্পিউটারগুলো ইন্টারনেট ব্যবহার এবং ফাইল শেয়ারিং করতে পারে। সার্ভার (Server) শব্দটি শুনে ভয় পাওয়ার কিছু নেই, এই সার্ভার আর ওয়েব সার্ভার এক জিনিষ নয়। এখানে সার্ভার হচ্ছে শুধুমাত্র ইন্টারনেট গেইটওয়ে সার্ভার যা যেকোন সাধারন কম্পিউটার হতে পারে।

এখানে একটি বিষয় মনে রাখতে হবে, ইন্টারনেট যুক্ত নেটওয়ার্কে যে কম্পিউটারটি সরাসরি ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত সেই কম্পিউটারটিকে Server হিসেবে ব্যবহার করব এবং বাকি সকল কম্পিউটারকে Client হিসেবে ব্যবহার করব। সকল কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহার করার জন্য সার্ভার কম্পিউটারটি সব সময় চালু রাখতে হবে। সার্ভার কম্পিউটারটি বন্ধ করলে নেটওয়ার্কের অন্যান্য কম্পিউটার ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবে না, তবে নিজেদের মধ্যে নেটওয়ার্কিং/ফাইল শেয়ারিং চালু থাকবে। যদি ইন্টারনেট সংযোগ না থাকে তবে নেটওয়ার্কে সার্ভারের কোন প্রয়োজন নেই, তখন সব পিসিই হবে ক্লায়েন্ট।

Control Panel > Network Connections এ গিয়ে সাইড ম্যানু থেকে Setup a home or small office network লিংকে ক্লিক করুন।



Network Setup Wizard উইন্ডোটি ওপেন হবে।



Network Setup Wizard এ Next বাটন প্রেস করুন। নিচের উইন্ডোটি আসবে।



এখানে Select a connection method অংশে আপনি কি ধরনের Connection Setup করতে চান তা সিলেক্ট করে দিতে হবে। যেমন : আপনার এই কম্পিউটারটি যদি সার্ভার (Server) করতে চান তবে প্রথম অপশনটি (This Computer connects directly to the internet…..) সিলেক্ট করুন, আর ক্লায়েন্ট (Client) করতে চাইলে দ্বিতীয় অপশনটি (This computer connects to the internet through a residential gateway…..) সিলেক্ট করুন। এরপর Next দিন। নিচের উইন্ডোটি আসবে :



এটি শুধু সার্ভার সেটাপের সময় আসবে ক্লায়েন্ট সেটাপে আসবে না। সার্ভার হিসেবে আমরা যে কম্পিউটারটি নিয়েছি তার ইন্টারনেট কানেকশনটি এখানে দেখিয়ে দিতে হবে। যেমন : আমি Nokia EDGE Modem দিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করি বলে Nokia Bluetooth Modem সিলেক্ট করেছি। আবার Next ক্লিক করুন, নিচের উইন্ডো আসবে :



এখানে আপনি আপনার কম্পিউটারের জন্য একটি নাম দিয়ে দিতে পারেন। কম্পিউটারের নাম দিয়ে Next দিন।



এখানে Workgroup Name অংশে Workgroup এর জন্য একটি নাম দিন, প্রতিটি কম্পিউটারের জন্য আলাদা আলাদা নাম দেয়া ভালো। তাতে করে পরে My Network Places এ গিয়ে ঔ কম্পিউটারটি খুজে বের করতে সুবিধে হবে। Next ক্লিক করুন।



এখানে আপনার কাছে জানতে চাইবে আপনি নেটওয়ার্কের অন্য কম্পিউটারগুলোর সাথে ফাইল এবং প্রিন্টার শেয়ার করতে চান কিনা। যদি চান তবে Turn On File & Printer Sharing সিলেক্ট করুন অথবা Turn off করে রাখুন। এরপর Next দিতে থাকুন এবং শেষে Finish দিয়ে বের হয়ে আসুন।

ব্যাস্..... এ পর্যন্ত এসে Workgroup তৈরী এবং ইন্টারনেট শেয়ারিং শেষ।

এখানে একটি বিষয় মনে রাখবেন, অনেক সময় Windows Firewall অন থাকলে আপনাকে নেটওয়ার্কের ফাইল শেয়ারিং করতে দেবে না। উইন্ডোজের এই ফায়ারওয়াল জঘন্য, এটি চোখ বন্ধ করে নেটওয়ার্কের সব শেয়ারিং বন্ধ করে দেয়। ফায়ারওয়াল ব্যবহার করতে চাইলে আলাদাভাবে ফায়ারওয়াল সফটওয়্যার ব্যবহার করুন।

এখন নেটওয়ার্কে যদি Printer যুক্ত থাকে এবং সেই প্রিন্টারটি যদি নেটওয়ার্কে যুক্ত সব কম্পিউটার ব্যবহার করতে চায় তাহলে সেই প্রিন্টারটিকে শেয়ার করে দিতে হবে। বাজারে এখন আধুনিক IP Address যুক্ত প্রিন্টার পাওয়া যায়। এই প্রিন্টারগুলোকে IP Address দিয়ে দিলেই নেটওয়ার্কের সব কম্পিউটার প্রিন্টারটিকে প্রিন্ট কমান্ড দিতে পারে। শেয়ারিং করার দরকার হয় না।
তবে সাধারন লেজার, বাবল জেট বা ডটমেট্রিক্স প্রিন্টারগুলোতে IP Address সেট করা যায় না তাই এগুলোকে শেয়ারিং করতে হয় সরাসরি যুক্ত কম্পিউটারটির সাহায্যে। যেমন : আপনার লেজার কম্পিউটারটি যে কম্পিউটারটির সাথে সরাসরি যুক্ত সেই কম্পিউটারটির Control Panel > Printers & Faxes এ গিয়ে আপনি যে প্রিন্টারটি শেয়ার করবেন সেই প্রিন্টারটি সিলেক্ট করুন।



এবার সাইড ম্যানু থেকে থেকে Share this printer ক্লিক করুন। নিচের উইন্ডোটি আসবে :



এখানে Share Name এ প্রিন্টারটির নাম দিন। Apply দিয়ে বের হয়ে আসুন। এতেই প্রিন্টারটি নেটওয়ার্কের সব কম্পিউটারের জন্য শেয়ার হয়ে যাবে। এখন অন্যান্য কম্পিউটারগুলোতে Control Panel > Printers & Faxes এ গিয়ে Add a Printer এ ক্লিক করুন। Next দিয়ে নিচের উইন্ডোটি পাবেন :



এখান থেকে A network printer, or a printer attached to another computer সিলেক্ট করে Next দিন। নিচের উইন্ডোটি আসবে :



এখানে Browse for a printer সিলেক্ট করে Next দিন এবং ব্রাউজ করে আপনার নেটওয়ার্কে যুক্ত প্রিন্টারটি দেখিয়ে দিন। ব্যাস... এতেই আপনি ওই প্রিন্টারটি ব্যবহার করতে পারবেন।

ফাইল শেয়ারিং করার জন্য যেকোন ফোল্ডার, ড্রাইভার বা সিডি/ডিভিডি রম (যেটি আপনি শেয়ার করতে চান) সিলেক্ট করে Mouse Right Button ক্লিক করে Properties এ যান। নিচের উইন্ডোটি আসবে :



এখানে Share this folder on the network এ টিক দিন এবং ফোল্ডারটির নাম দিন। এতে এই ফোল্ডারটি নেটওয়ার্কের সব কম্পিউটারের জন্য Read Only হিসেবে দেখাবে অর্থাৎ নেটওয়ার্কের সবাই ফোল্ডারটি দেখতে পারবে, Copy করতে পারবে কিন্তু Delete, Cut বা Edit করতে পারবে না। যদি আপনি অন্য কম্পিউটারগুলোকেও ফোল্ডারটি Delete, Cut, Edit করার পারমিশন দিতে চান তাহলে Allow Network users to change my files এ টিক দিয়ে দিন। ব্যাস... ফাইল/ফোল্ডার শেয়ারিং শেষ।

এবার দেখাবো কিভাবে শেয়ারিং ফোল্ডার নেটওয়ার্কের অন্য কম্পিউটার থেকে খুজে বের করবেন। Start Menu থেকে My Network Places এ ক্লিক করুন।



এরপর সাইড ম্যানু থেকে View Workgroup Computers এ ক্লিক করুন। Up দিয়ে Microsoft Windows Network এ যান। সেখানে আপনার নেটওয়ার্কে যুক্ত সব কম্পিউটারগুলোর ওয়ার্কগ্রুপ দেখাবে, ওয়ার্কগ্রুপগুলোর নাম হবে আপনি ওয়ার্কগ্রুপ সেটআপের সময় যে নাম দিয়েছেন সেই নামটি। এবার যেকোন ওয়ার্কগ্রুপে ঢুকলে ওই কম্পিউটারের সব শেয়ারিং ফাইল/ফোল্ডার দেখতে পাবেন।

আপনি যদি এই পর্যন্ত আমার লেখাগুলো বুঝতে পারেন তাহলে আশাকরি আপনি ছোটখাটো যেকোন নেটওয়ার্ক তৈরী করতে পারবেন। আমার লেখার কোন অংশ বুঝতে না পারলে বা আরও বিস্তারিত জানতে চাইলে মন্তব্য লিখুন।

ধন্যবাদ।

আগের লেখাগুলো :

১। আসুন সহজে পিসি-টু-পিসি LAN করি (পর্ব – ১)
২। আসুন সহজে পিসি-টু-পিসি LAN করি (পর্ব – ২)
৩। আসুন সহজে পিসি-টু-পিসি LAN করি (পর্ব – ৪)
৪। আসুন সহজে পিসি-টু-পিসি LAN করি (পর্ব – ৫)
৫। আসুন সহজে পিসি-টু-পিসি LAN করি (পর্ব – ৬)

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/29018349 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/29018349 2009-10-01 00:44:45
আসুন সহজে পিসি-টু-পিসি LAN করি (পর্ব – ২)

প্রথম পর্বে আমি বিস্তারিত আলোচনা করেছিলাম কিভাবে ল্যান নেটওয়ার্কিং এর জন্য ক্যাবল এবং স্টার টপোলজি প্রস্তুত করতে হয় অর্থাৎ আমরা হার্ডওয়্যার অংশ প্রস্তুত করা শিখেছি, এবার ইন্সটলেশনের পালা। UTP ক্যাবলগুলো পিসিগুলোতে কানেক্ট করে কম্পিউটারগুলো চালু করুন। এখন ইন্সটলেশনের প্রথম ধাপে প্রতিটি কম্পিউটারের জন্য একটি করে IP Address দিতে হবে। আমরা সাধারনত IP Address হিসেবে IPv4 ব্যবহার করি এটি ৩২ বিটের একটি বাইনারি (Binary) নম্বর। প্রতিটি ওয়ার্কগ্রুপের (Workgroup) সকল কম্পিউটারের জন্য আলাদা আলাদ IP Address দিতে হবে। একই এড্রেসের দুটি কম্পিউটার একই নেটওয়ার্কে কখনও থাকতে পারবে না।

আসুন এবার IP Address নিয়ে কিছুটা আলোচনা করি। ৩২ বিটের IP Address এর উদাহরন নিচে দিলাম :

11000000.10101000.00000000.00000001 (বাইনারি ফরমেট)

তবে আমাদের সহজে বোঝা এবং লেখার সুবিধার জন্য IP Address কে বাইনারি ফরমেটে না লিখে ডেসিমেল ফরমেটে লিখা হয়। যা নিম্নরুপ :

192.168.0.1 (ডেসিমেল ফরমেট)

উপরে এই পুরোটা নিয়ে একটি এড্রেস। এখানে যে ডট (.) দিয়ে আলাদা করা ৪ টি সংখ্যা দেখছেন, প্রতিটি সংখ্যা ৮ বিটের বাইনারি সংখ্যাকে প্রকাশ করছে। IP address এর সর্বত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে একে ৫টি ক্লাসে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হচ্ছে :

CLASS A শুরু 0.0.0.0 থেকে 127.0.0.0 পর্যন্ত এবং সাবনেট মাস্ক 255.0.0.0
CLASS B শুরু 128.0.0.0 থেকে 191.0.0.0 পর্যন্ত এবং সাবনেট মাস্ক 255.255.0.0
CLASS C শুরু 192.0.0.0 থেকে 223.0.0.0 পর্যন্ত এবং সাবনেট মাস্ক 255.255.255.0
CLASS D শুরু 224.0.0.0 থেকে 239.0.0.0 পর্যন্ত [মাল্টিকাস্টের জন্য সংরক্ষিত]
CLASS E শুরু 240.0.0.0 থেকে 255.0.0.0 পর্যন্ত [রিসার্চের জন্য সংরক্ষিত]

এখানে 127.0.0.0 কে লুপ ব্যাক এড্রেস বলা হয়, অর্থাৎ এটি কম্পিউটারকে নিজের নেটওয়ার্কই নির্দেশ করে যা টেস্টিং এর জন্য ব্যাবহৃত হয়।

এর মধ্যে প্রাইভেট IP Address গুলো হচ্ছে :
CLASS A শুরু 10.0.0.0 থেকে 10.255.255.255 পর্যন্ত
CLASS B শুরু 172.16.0.0 থেকে 172.31.255.255 পর্যন্ত
CLASS C শুরু 192.168.0.0 থেকে 192.168.255.255 পর্যন্ত

এই এড্রেসগুলো শুধুমাত্র অভ্যন্তরীন নেটওয়ার্ক তৈরীর জন্য রাখা হয়েছে। তাই এইসব প্রাইভেট IP Address গুলো দিয়ে আমরা আমাদের নিজেদের মধ্যে অভ্যন্তরীন নেটওয়ার্ক তৈরী করতে পারব কিন্তু এই Address গুলো দিয়ে সরাসরি ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত হওয়া যাবে না।

খুব বেশী কি জটিল মনে হচ্ছে? তাহলে একটু সহজ করে দেই.... প্রথমে Control Panel > Network Connections > Local Area Connection (ল্যান কার্ড ইন্সটল থাকতে হবে) এ ক্লিক করুন। নিচের উইন্ডোটি আসবে।



এখান থেকে Internet Protocol (TCP/IP) সিলেক্ট করে Properties বাটন ক্লিক করুন। সেখানে নিচের উইন্ডোটি পাবেন:



এবার IP Address এবং Subnet Mask বসান। আপনি যদি নিজেদের মধ্যে নেটওয়ার্কিং করতে চান সেক্ষেত্রে প্রাইভেট IP Address ব্যবহার করা উচিত। তাই প্রথম কম্পিউটারটির IP Address দিন 192.168.0.1, তারপরেরটি 192.168.0.2,...... এভাবে 192.168.0.254 পর্যন্ত ক্রমানুসারে প্রতিটি কম্পিউটারে IP Address বসাতে থাকুন। এক্ষেত্রে সাবনেট মাস্ক (Subnet Mask) সব কম্পিউটারে হবে একই 255.255.255.0 । ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত না হতে চাইলে IP Address এবং Subnet Mask বসানোই যথেষ্ট।

তবে আপনার নেটওয়ার্কটিকে যদি ইন্টারনেটের সথে যুক্ত করতে চান সেক্ষেত্রে আপনাকে অতিরিক্ত Gateway Address এবং DNS Server Address বসাতে হবে। যে কম্পিউটারটি সরাসরি ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত, সেই কম্পিউটারটির জন্য ইন্টারনেট সার্ভিস প্রভাইডারদের দেয়া Gateway Address এবং DNS Server Address বসাতে হবে (যদি GPRS Modem ব্যবহার করেন তবে Gateway Address বা DNS Server Address বসাতে হবে না)। ইন্টারনেট যুক্ত এই কম্পিউটারটিকে সার্ভার হিসেবে ব্যবহার করে অন্য কম্পিউটারগুলো ইন্টারনেট ব্যবহার করবে তাই অন্য কম্পিউটারগুলোর (Client) জন্য Gateway Address এবং DNS Server Address হবে সার্ভার কম্পিউটারের IP Address। বোঝাতে পারলাম কি??

এখানে একটি বিষয় মনে রাখতে হবে, ইন্টারনেট যুক্ত নেটওয়ার্কে যে কম্পিউটারটি সরাসরি ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত সেই কম্পিউটারটিকে Server হিসেবে ব্যবহার করব এবং বাকি সকল কম্পিউটারকে Client হিসেবে ব্যবহার করব। সকল কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহার করার জন্য সার্ভার কম্পিউটারটি সব সময় চালু রাখতে হবে। সার্ভার কম্পিউটারটি বন্ধ করলে নেটওয়ার্কের অন্যান্য কম্পিউটার ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবে না, তবে নিজেদের মধ্যে নেটওয়ার্কিং/ফাইল শেয়ারিং চালু থাকবে। যদি ইন্টারনেট সংযোগ না থাকে তবে নেটওয়ার্কে সার্ভারের কোন প্রয়োজন নেই, তখন সব পিসিই হবে ক্লায়েন্ট।

২য় পর্বে আমি চেষ্টা করেছি সহজে সবাইকে IP Addressing বোঝানোর, তারপরও নেটওয়ার্কিং এর মত বিশাল একটি বিষয়কে সংক্ষেপে বোঝাতে গিয়ে অনেক কিছু সংক্ষিপ্ত করতে হয়েছে। তাই কেউ কোন অংশ না বুঝলে বা বিস্তারিত আরও জানতে চাইলে মন্তব্য লিখুন।

অন্যান্য পর্ব :

১। আসুন সহজে পিসি-টু-পিসি LAN করি (পর্ব – ১)
২। আসুন সহজে পিসি-টু-পিসি LAN করি (পর্ব – ৩)
৩। আসুন সহজে পিসি-টু-পিসি LAN করি (পর্ব – ৪)
৪। আসুন সহজে পিসি-টু-পিসি LAN করি (পর্ব – ৫)
৫। আসুন সহজে পিসি-টু-পিসি LAN করি (পর্ব – ৬)

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/29017201 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/29017201 2009-09-28 22:36:20
আসুন সহজে পিসি-টু-পিসি LAN করি (পর্ব – ১)

LAN বলতে Local Area Network বোঝানো হয়। এই LAN দুটি পিসি থেকে শুরু করে ছোট পরিসরে অসংখ্য পিসির মধ্যে হতে পারে। শুধু পিসিই নয় LAN এ যুক্ত হতে পারে প্রিন্টার, আইপি ফোন, সার্ভারসহ IP সাপোর্ট করে এমন যেকোন ডিভাইস। আপনি এই LAN কে চাইলে ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত করতে পারেন অথবা শুধুমাত্র নিজেদের মধ্যে ফাইল বা কন্টেন্ট শেয়ারিং এর মধ্যেও সীমাবদ্ধ রাখতে পারেন। এখন অনেকেই মাল্টিপ্লেয়ার গেমসের সাথে পরিচিত, ল্যান করে মাল্টিপ্লেয়ার গেমস খেলার মজাই আলাদা।

আসুন এবারে দেখা যাক LAN তৈরী করার জন্য আপনার কি কি জিনিষ লাগবে :
১। UTP LAN Cable (CAT6 হলে ভালো, না হলে CAT5 হলেও চলবে)।



২। RJ45 Connector (Micronet এরটা বেশ ভালো)।



৩। ক্রিমপার (Crimper)।



৪। মাদারবোর্ডের বিল্ট-ইন LAN পোর্ট অথবা LAN Card।



৫। হাব (HUB) অথবা সুইচ (Switch) [যদি দুই এর অধিক পিসির মধ্যে LAN করতে চান]।

প্রথমে ধরে নিচ্ছি আপনি দুটি পিসির ভেতরে ল্যান করবেন। সেক্ষেত্রে আপনি প্রথমে আপনার দুটি পিসির মধ্যে দূরত্ব অনুযায়ী UTP Cable কেটে নিন। UTP Cable এর সবোচ্চ দূরত্ব ১০০ মিটার। এর বেশী দূরত্ব হলে মাঝে ১০০ মিটার পরপর হাব অথবা সুইচ ব্যবহার করতে হবে। Cable এর মাপ নেয়া হয়ে গেলে ক্যাবল কাটার জন্য Crimper ব্যবহার করুন। Cable কাটার পরে কভারটি সরালেই ভেতরে আরও ৪ জোড়া চিকন ক্যাবল দেখতে পাবেন। এদের রং হচ্ছে কমলা, নীল, সবুজ, খয়েরী। এটি যদি CAT6 ক্যাবল হয় তবে এর ভেতরে বাড়তি একটি প্লাস্টিকের দন্ড থাকে।

এবার ক্যাবলের দুই প্রান্তে কানেক্টর লাগানোর পালা, 8B RJ45 Connector দুভাবে সাজিয়ে লাগানো যায়। একটি হচ্ছে T568A এবং অন্যটি T568B। নিচের চিত্রটি লক্ষ করুন।



চিত্রে ১ নং পিন থেকে ৮ নং পিন পর্যন্ত ক্যাবল সাজানোর কৌশল দেয়া আছে। আপনি যদি একই ধরনের ডিভাইস (যেমন : পিসি টু পিসি অর্থাৎ দুটি কম্পিউটারের মধ্যে) LAN করেন, তাহলে আপনাকে Crossover Cable করে ডিভাইস দুটি কানেক্ট করতে হবে। অর্থাৎ ক্যাবলের একপ্রান্তে কানেক্টরের বিন্যাস হবে T568A এর মত এবং অন্যপ্রান্তের কানেক্টরটির বিন্যাস হবে T568B এর মত। নিচের চিত্রে Crossover Cable তৈরী করার একটি উদাহরন দেয়া হলো।



কিন্তু আপনি যদি ভিন্ন ধরনের ডিভাইস ব্যবহার করেন (যেমন: পিসি টু সুইচ) সেক্ষেত্রে Straight Through Cable দিয়ে ডিভাইসগুলোকে কানেক্ট করতে হবে। অর্থাৎ তখন ক্যাবলের দুই প্রান্তের কানেক্টরেরই বিন্যাস হবে T568A অথবা T568B যেকোন এক ধরনের। নিচের চিত্রের Straight Through Cable এর উদাহরনটি লক্ষ্য করুন।



কখন Straight Though আর কখন Crossover ব্যবহার করবেন এই সমস্যা সমাধানের জন্য আমি নিচে একটি তালিকা দিচ্ছি :

straight-through cables ব্যবহার করুন :
১। Switch to router
২। Computer to switch
৩। Computer to hub

Crossover cables ব্যবহার করুন :
১। Switch to switch
২। Switch to hub
৩। Hub to hub
৪। Router to router
৫। Computer to computer
৬। Computer to router

৮টি চিকন ক্যাবল চিত্রের মত করে সাজানো হয়ে গেলে ক্যাবলগুলোর মাথা Crimper এর সাহায্যে কেটে সমান করে নিন। এবার ধীরে যত্নসহকারে ক্যাবলগুলোকে একই সাথে কানেক্টরে ঢোকান, খেয়াল রাখবেন কানেক্টরের ভেতরে একটি ক্যাবল যেন অন্য আর একটির ওপর ওভারল্যাপ না করে। ঢোকানো হয়ে গেলে কানেক্টরের ওপর দিক থেকে তাকিয়ে দেখুন সবগুলো তার জায়গামত বসেছে কিনা এবং শেষ প্রান্ত পর্যন্ত পৌছেছে কিনা। যদি সবকিছু ঠিক থাকে তবে কানেক্টরটিকে Crimper এর 8B Connector ছিদ্রে বসিয়ে লিভারে চাপ দিন। কট্ করে একটি শব্দ শোনার আগ পর্যন্ত চাপ দিতে থাকুন। ব্যাস, আপনার ক্যবলে কানেক্টর লাগানো শেষ।

এখন আপনি যদি দুইয়ের অধিক কম্পিউটার ল্যানে যুক্ত করতে চান, সেক্ষেত্রে আপনাকে হাব অথবা সুইচ ব্যবহার করতে হবে। হাব এবং সুইচ দুটিই প্রায় একই কাজ করে যদিও সুইচ হাব অপেক্ষা দ্রুত এবং নিরাপদ। কিন্তু হাবের দাম তুলনামূলক কম হওয়ায় এবং ছোট নেটওয়ার্কে হাব এবং সুইচের পারফরমেন্স প্রায় একই হওয়ায় অনেকেই এখনও হাব ব্যবহার করেন। বাজারে ৮ পোর্টের DLink সুইচের দাম পড়বে ১২০০/= টাকার মত। এটি সাধারন মানের Switch, এর চাইতে ভালো পারফরমেন্স চাইলে Manageable Switch ব্যবহার করতে হবে যার দাম ১৫,০০০/= টাকা যা ব্যাবসাপ্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত হয়। ৮ পোর্টের সুইচ দিয়ে আপনি ৮ টি পিসিকে কানেক্ট করে নেটওয়ার্ক তৈরী করতে পারবেন। এর চাইতেও বেশী কম্পিউটার নেটওয়ার্কে কানেক্ট করার প্রয়োজন হলে অধিক পোর্টের সুইচ অথবা একাধিক সুইচ ব্যবহার করতে পারবেন। সুইচ ব্যবহার করে স্টার টপোলজি নেটওয়ার্কের চিত্র নিচে দেয়া হলো।



উপরের চিত্রটি লক্ষ্য করুন, এখানে মাঝখানে যে ডিভাইসটি ব্যবহার করা হয়েছে সেটি হচ্ছে Switch আর তার চারপাশে পিসি এবং অন্যান্য IP Device গুলো রয়েছে। স্টার টপোলজিতে কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিভাইসগুলো সুইচ বা হাবকে কেন্দ্রে রেখে পুরো নেটওয়ার্ক পরিচালনা করে। নেটওয়ার্কের একটি পিসি থেকে অন্য পিসিতে ডাটা পাঠাতে গেলে ডাটাটি প্রথমে সুইচে যাবে তারপর সুইচ বলে দেবে কোন পোর্ট দিয়ে গেলে গন্তব্যের (Destination) পিসিতে পৌছানো যাবে, তখন ডাটাটি সেই পোর্ট দিয়ে গন্তব্যের (Destination) কম্পিউটারে পৌছে যাবে। অর্থাৎ স্টার টপোলজিতে সুইচ বা হাব সবসময় ভায়া হিসেবে কাজ করছে। সুতরাং যদি আপনি সুইচ বা হাবটি বন্ধ করে রাখেন, তাহলে আপনার পুরো নেটওয়ার্কই বন্ধ হয়ে থাকবে। কারন সুইচ দিয়েই পিসিগুলো কমিউনিকেট করছে।এখানে মনে রাখবেন, পিসি থেকে সুইচ পর্যন্ত Straight-through Cable ব্যবহার করতে হবে। কারন সুইচ এবং পিসি ভিন্ন ধরনের ডিভাইস। সাধারন সুইচে কোন ধরনের কনফিগারেশনের প্রয়োজন হয় না।

অন্যান্য পর্ব :

১। আসুন সহজে পিসি-টু-পিসি LAN করি (পর্ব – ২)
২। আসুন সহজে পিসি-টু-পিসি LAN করি (পর্ব – ৩)
৩। আসুন সহজে পিসি-টু-পিসি LAN করি (পর্ব – ৪)
৪। আসুন সহজে পিসি-টু-পিসি LAN করি (পর্ব – ৫)
৫। আসুন সহজে পিসি-টু-পিসি LAN করি (পর্ব – ৬)
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/29015666 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/29015666 2009-09-25 21:42:40
পিক্সারের অসাধারন অ্যানিমেশন মুভিগুলো

পিক্সার ১৯৭৯ সালে শুরু হলেও স্টিভ জবস যখন অ্যাপল কর্পোরেশন থেকে বের হয়ে এসে ১৯৮৬ সালে পিক্সার কিনে নেন তখন থেকেই অ্যানিমেশন জগতে এক নতুন বিপ্লব শুরু হতে থাকে। ১৯৯৫ সালে ডিজনির সাথে পিক্সারের প্রথম ছবি টয় স্টোরির বিপুল জনপ্রিয়তা পিক্সারকে অ্যানিমেশন মুভির জগতে শক্ত অবস্থান তৈরী করে দেয়। পরে অ্যাপল কর্পোরেশন পিক্সারকে কিনে নিয়ে আবার স্টিভ জবসকে অ্যাপলের প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেয়। এরপর পিক্সার একের পর এক অসাধারন সব অ্যানিমেশন মুভি তৈরী করতে থাকে এবং ব্যাবসায়িক দিক দেয়েও সবগুলোই সফল। পিক্সার এখন পর্যন্ত ১০টি একাডেমি এ্যাওয়ার্ড, ৪ টি গোল্ডেন গ্লোবস এবং ৩ টি গ্যামী এ্যাওয়ার্ড জিতেছে। পরে ২০০৬ সালে দ্যা ওয়াল্ট ডিজনি কোম্পানী পিক্সারকে কিনে নেয়।

পিক্সার এখন পর্যন্ত ১০ টি অ্যানিমেশন ফিচার ফ্লিম তৈরী করেছে। তা হলো :
১। টয় স্টোরী – ১৯৯৫ সাল।
২। এ বাগ’স লাইফ – ১৯৯৮ সাল।
৩। টয় স্টোরী ২ – ১৯৯৯।
৪। মনষ্টার ইনক্ – ২০০১।
৫। ফাইন্ডিং নিমো – ২০০৩।
৬। দ্যা ইনিক্রিডিবল – ২০০৪।
৭। কার’স – ২০০৬।
৮। রাট্যাটোউলি - ২০০৭।
৯। ওয়ালই - ২০০৮।
১০। আপ – ২০০৯।

সামনে আরও আসছে নতুন ৪টি মুভি। সেগুলো হচ্ছে :
১। টয় স্টোরী ৩ – রিলিজ হচ্ছে ১৮ জুন, ২০১০।
২। কার’স ২ – রিলিজ ডেট ২৪ জুন ২০১১।
৩। দ্যা বিয়ার এন্ড দ্যা বোউ – রিলিজ পাবে ২৫ ডিসেম্বর, ২০১১।
৪। নেওয়েট – রিলিজ হবে জুন, ২০১২।

পিক্সারের শর্ট ফ্লিমগুলোর তালিকা নিচে দিলাম :
১। The Adventures of André and Wally B.
২। Red's Dream
৩। Tin Toy 1988
৪। Knick Knack
৫। Geri's Game
৬। For the Birds
৭। Mike's New Car
৮। Boundin
৯। Jack-Jack Attack 2005
১০। One Man Band
১১। Mater and the Ghostlight
১২। Lifted
১৩। Your Friend the Rat
১৪। Presto
১৫। BURN-E 2008
১৬। Partly Cloudy
১৭। Dug's Special Mission 1984
১৮। Luxo Jr.

পিক্সারের কয়েকটি শর্ট ফ্লিম ইউটিউবে দেখুন :

১। Lifted (২০০৬)


২। For the Birds (Best Animated Short Film winner)


৩। Geri's Game (Best Animated Short Film winner)


৪। Presto (২০০৮)


একটা সময় ছিলো যখন ওয়াল্ট ডিজনির আলাদিন, লায়ন কিং, মুগলী, টারজান, সিন্ডারেলা, মুলান, অ্যানাস্টেসিয়া, স্নো হোয়াইট এন্ড দ্য সেভেন ডোয়ার্ফ ইত্যাদি 2D এ্যানিমেশন মুভিগুলো অবাক হয়ে দেখতাম, এই মুভিগুলো মূলত ছোটদেরকে লক্ষ্য করেই তৈরী করা হতো। কিন্তু পিক্সারের 3D মুভিগুলো আমার মনে হয় ছোট/বড় সব বয়সের মানুষকেই আনন্দ দেবে। এর কারন এদের জমজমাট কাহিনী, প্রতিটি ছবি দেখার পরে আপনাকে অনেকক্ষন ভাবাবে এবং এক অজানা ভালো লাগায় মনকে ছুয়ে দেবে। তাছাড়া অ্যানিমেশনে অনেককিছু দেখানোর সুযোগ আছে যা বাস্তবে সেট তৈরী করে বা অভিনয় করে করা মুশকিল। যেমন : সায়েন্স ফিকশন মুভি। এ্যানিমেশন মুভিগুলো ধীরে ধীরে অনেক বেশী রিয়েলিস্টিক হচ্ছে, কিছু কিছু এ্যানিমেশন মুভি দেখে তো এখন বিশ্বাস করাই কঠিন যে এগুলো এ্যানিমেশনে করা। এখানেই 2D আর 3D মধ্যে চলছে যুদ্ধ, থ্রিডি মুভিগুলোই আকর্ষনীয় গ্রাফিক্সের কারনে সহজে দর্শকদের আকর্ষন করছে কিন্তু তাই বলে 2D মুভি নির্মাণও থেমে নেই। যাইহোক, যারা এখনও পিক্সারের এইসব অসাধারন মুভিগুলো দেখেননি তারা এখনই দেখে ফেলুন। ঈদে টিভি চ্যানেলগুলোর বিরক্তিকর অনুষ্ঠানের চাইতে অনেক বেশি আনন্দ পাবেন তা গ্যারান্টেড।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/29015315 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/29015315 2009-09-24 23:25:26
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশনের নিয়মাবলী শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০০৯-২০১০ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক সম্মান প্রথম বর্ষ প্রথম সেমিস্টারের ভর্তির রেজিস্ট্রেশনে এবার "ডিজিটাল অ্যাডমিশন" পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে। এই পদ্ধতিতে এবার মোবাইলের SMS এর মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন করা যাবে অর্থাৎ কোন প্রকার ভর্তি ফরম পূরন করার প্রয়োজন হবে না। টেলিটক গ্রাহকদের প্রথমে ভর্তির প্রয়োজনীয় রেজিস্ট্রেশন ফি কার্ড অথবা ফ্লেক্সিলোডের মাধ্যমে মোবাইলে লোড করে নিতে হবে তারপর নির্দিষ্ট নম্বরে নির্দিষ্ট উপায়ে SMS সেন্ড করলেই ভর্তির রেজিস্ট্রেশন হয়ে যাবে এবং মোবাইলের ব্যালেন্স থেকে রেজিস্ট্রেশনের টাকা কেটে নেয়া হবে।

ইউনিটসমূহ:
এবার ভর্তি পরীক্ষায় নীতিমালা পরিবর্তন করে দুটি ইউনিট রাখা হয়েছে :
‘A’ ইউনিট : মানবিক ও ব্যবসা প্রশাসনের সব বিভাগ।
‘B’ ইউনিট : বিজ্ঞানের সব বিভাগ।

বিভাগভিত্তিক আসনবিন্যাস :
A ইউনটের বিষয়সমূহ : ব্যবসা প্রশাসন (৬৫), অর্থনীতি (৬৫), ইংরেজী (৬৫), সমাজবিজ্ঞান (৬৫), নৃবিজ্ঞান (৬৫), সমাজকর্ম (৬৫), পলিটিক্যাল স্টাডিজ (৬৫), লোকপ্রশাসন (৬৫) ও বাংলা (৬৫)। মোট ৫৮৫টি আসন।
B ইউনিটের বিষয়সমূহ :
সায়েন্স গ্রুপ : পদার্থবিজ্ঞান (৬০), রসায়ন (৬০), গনিত (৭০)। মোট ১৯০টি আসন।
লাইফ সায়েন্স গ্রুপ : ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভয়রনমেন্টাল সায়েন্স (৫০), জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি (৩০), ফুড অ্যান্ড টি টেকনোলজি (৪০)। মোট ১২০টি আসন।
অ্যাপ্লায়েড সায়েন্স গ্রুপ : কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (৬০), কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড পলিমার সায়েন্স (৫০), ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং (৫০), সিভিল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং (৫০), পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড জিওরিসোর্সেস ইঞ্জিনিয়ারিং (৩০) এবং আর্কিটেকচার (৩০)। মোট ২৭০টি আসন।

আবেদন করার যোগ্যতা :
২০০৯/২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত উচ্চমাধ্যমিক/আলিম/ডিপ্লোমা ইন কমার্স এবং ২০০৭/২০০৬ সালে অনুষ্ঠিত মাধ্যমিক/দাখিল পরীক্ষায় উত্তীর্ন ছাত্রছাত্রীদের ক্ষেত্রে নূন্যতম GPA 3.00 সহ মোট GPA 7.00 থাকতে হবে। GCE 'O' Level পাশ করা পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে কমপক্ষে তিনটি বিষয়ে B গ্রেডসহ পাচটি বিষয়ে পাশ এবং GCE 'A' Level এ দটি বিষয়ে কমপক্ষে B গ্রেড থাকতে হবে। B ইউনিটের কেবল বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পাস করা শিক্ষার্থীরা এবং A ইউনিটে যেকোন বিভাগ থেকে পাস করা শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবে। ২০০৬ সালের আগে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ন শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবে না।

আবেদনের নিয়ম :
১৩ সেপ্টেম্বর থেকে ২০ অক্টোবর ২০০৯ এর মধ্যে টেলিটকের মোবাইল অপারেটর থেকে উচ্চমাধ্যমিক/আলিম/ডিপ্লোমা ইন কমার্স পরীক্ষার ক্রমিক নম্বর, শিক্ষাবর্ষ, শিক্ষাবোর্ড ও ইউনিটের নাম লিখে ৭৮৭ নম্বরে SMS পাঠানোর মাধ্যমে আবেদন করা যাবে। ভর্তি ফরমের নির্ধারিত মূল্য মোবাইল ব্যালেন্স থেকে কেটে নেয়া হবে। পরে ফিরতি বার্তায় একটি নির্দিষ্ট কোড নম্বর দেয়া হবে। এই নম্বর এবং ভর্তিচ্ছু প্রার্থীর সত্যায়িত দুই কপি রঙিন পাসপোর্ট সাইজের ছবি নিয়ে সরাসরি ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে। পরীক্ষার কেন্দ্রে যাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট পরিদর্শক ছবি সংগ্রহ করে পরীক্ষায় অংশগ্রহনের জন্য একটি কার্ড দেবেন। পরে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ন হলে ওই কার্ড দেখিয়ে ভর্তি হওয়া যাবে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ভর্তিচ্ছু প্রার্থীর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ক্রমিক নম্বরের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড থেকে তথ্য সংগ্রহ করবে। ভর্তি হওয়ার পর আবার তা বোর্ডকে জানিয়ে দেয়া হবে।

ভর্তি ফরমের মূল্য এবং SMS করার নিয়ম:
১। A ইউনিটের ভর্তি ফরমের মূল্য ৪০০ টাকা।এজন্য A লিখে SMS পাঠাতে হবে ৭৮৭ নম্বরে।
২। B ইউনিটের সকল বিভাগের জন্য ভর্তি ফরমের মূল্য ৫০০ টাকা। এজন্য B লিখে SMS পাঠাতে হবে ৭৮৭ নম্বরে।
৩। B ইউনিটের আর্কিটেকচার ব্যাতিত সকল বিভাগের জন্য ভর্তি ফরমের মূল্য ৪৫০ টাকা। এজন্য B1 লিখে SMS পাঠাতে হবে ৭৮৭ নম্বরে।
৪। B ইউনিটের সায়েন্স ও অ্যাপ্লাইড সায়েন্সের সকল বিভাগের জন্য ভর্তি ফরমের মূল্য ৪৫০ টাকা। এজন্য B2 লিখে SMS পাঠাতে হবে ৭৮৭ নম্বরে।
৫। B ইউনিটের আর্কিটেকচার ব্যাতিত সায়েন্স ও অ্যাপ্লাইড সায়েন্সের সকল বিভাগের জন্য ভর্তি ফরমের মূল্য ৪০০ টাকা। এজন্য B3 লিখে SMS পাঠাতে হবে ৭৮৭ নম্বরে।
৬। B ইউনিটের লাইফ সায়েন্স গ্রুপের সকল বিভাগের জন্য ভর্তি ফরমের মূল্য ৪০০ টাকা। এজন্য B4 লিখে SMS পাঠাতে হবে ৭৮৭ নম্বরে।
উদাহরন : SMS পাঠানোর ফরমেন নিচের মত –
SYL [space] HSC_Roll_No [space] 2009 [space] A
এখানে HSC পরীক্ষায় শিক্ষার্থী যে বোর্ড থেকে পাস করেছে তার প্রথম তিন অক্ষর লিখতে হবে যেমন : সিলেট বোর্ডের জন্য SYL। ‘O’ লেভেলে উত্তির্ন শিক্ষার্থীদের তথ্য শিক্ষাবোর্ডের ডাটাবেজে নেই। তাই তাদের প্রথমে www.sust.edu/admission ওয়েবসাইটে নিজের তথ্য জানিয়ে একটি কোড নম্বর সংগ্রহ করে টেলিটক প্রিপেইড মোবাইল ফোন থেকে GCE কোড নম্বর, বছর এবং ইউনিটের কি-ওয়ার্ড লিখে ৭৮৭ নম্বরে SMS করতে হবে। উদাহরন : GCE [space] O_level_roll no [space] A। এছাড়া ভর্তি সংক্রান্ত কোন প্রশ্ন থাকলে ০১৫৫৫৫৫৫০০১-৫ হটলাইনে এবং তে যোগাযোগ করা যাবে। ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বাংলায় দেয়া হবে। তবে কেউ যদি ইংরেজীতে প্রশ্নপত্র পেতে চায় তাহলে তাকে www.sust.edu/admission ওয়েবসাইটে পরীক্ষার এক সপ্তাহ আগে জানিয়ে দিতে হবে।

পরীক্ষা পদ্ধতি :
ভর্তি পরীক্ষা MCQ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার্থীকে কালো বলপয়েন্ট কলম দিয়ে OMR ফর্মে সঠিক উত্তরে বৃত্ত ভরাট করতে হবে।
A ইউনিট : ইংরেজী (২০ নম্বর), বাংলা (১০ নম্বর), বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক প্রসঙ্গ (১০ নম্বর) ও পরীক্ষার্থীদের উচ্চমাধ্যমিকের সংশ্লিষ্ট বিভাগের বিষয়ে ৩০ নম্বরসহ মোট ৭০ নম্বরের পরীক্ষা দিতে হবে।
B ইউনিট : ইংরেজী (১০ নম্বর), পদার্থবিজ্ঞান (২০ নম্বর), রসায়ন (২০ নম্বর), এছাড়া পরীক্ষার্থীদের উচ্চমাধ্যমিকের সংশ্লিষ্ট বিভাগের বিষয়ে ২০ নম্বরসহ মোট ৭০ নম্বরের পরীক্ষা দিতে হবে।ভর্তি পরীক্ষার সময় ১ ঘন্টা ৩০ মিনিট।প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে।

প্রার্থী বাছাই পদ্ধতি :
‘A’ ও ‘B’ ইউনিটের জন্য ভিন্ন মেধাতালিকা প্রনয়ন করা হবে। মেধাতালিকার ১০০ নম্বরের মধ্যে ৭০ নম্বর আসবে ভর্তি পরীক্ষা থেকে এবং বাকি ৩০ নম্বর আসবে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রাপ্ত GPA থেকে।২০০৯ সালের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্নদের উভয় পরীক্ষায় প্রাপ্ত মোট GPA কে ৩ দিয়ে গুন করে ভর্তি পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের সাথে যোগ করে চুড়ান্ত মেধাতালিকা তৈরী করা হবে।২০০৮ সালে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্নদের উভয় পরীক্ষায় প্রাপ্ত মোট GPA কে ২.৭ দিয়ে গুন করে ভর্তি পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের সাথে যোগ করে চুড়ান্ত মেধাতালিকা তৈরী করা হবে।B ইউনিটের সায়েন্স, অ্যাপ্লাইড সায়েন্স, লাইফ সায়েন্স এবং আর্কিটেকচার বিভাগের জন্য তিনটি পৃথক মেধাতালিকা প্রকাশ করা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকায় প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিটি নিচে দেয়া হলো :

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/29013156 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/29013156 2009-09-19 20:44:48
শাবিপ্রবি'র মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষার আবেদনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার আবেদনের পুরো বিষয়টি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সম্পন্ন করার প্রক্রিয়ার উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোববার দুপুরে প্রধানমন্ত্রী তার জাতীয় সংসদের কার্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার রেজিষ্ট্রেশনের নতুন এ পদ্ধতির উদ্বোধনকালে বলেন, "ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে নতুন নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবন করতে হবে।"

"জনগণের জীবনমানের উন্নয়নের জন্যই আমি ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ঘোষণা দিয়েছিলাম।"



তিনি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ধরণের উদ্যোগের সাফল্য কামনা করে এজন্য সরকারের পক্ষ থেকে সব রকমের সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দেন।

আরও বেশি তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারে সবাইকে আগ্রহী করে তুলতে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি নতুন ভবন নির্মাণেরও আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী।

নতুন এই পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষার আবেদনপত্র (ফরম) আনা বা তা জমা দেওয়ার জন্য ভর্তিচ্ছুকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে যেতে হবে না।

এ প্রক্রিয়ার উদ্বোধনকালে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, শিক্ষা উপদেষ্টা আলাউদ্দিন আহমেদ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সালেহউদ্দিন আহমেদ, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, অধ্যাপক জাফর ইকবাল, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ উপস্থিত ছিলেন।

তথ্যসূত্র : বিডি নিউজ ২৪

===============================================

আজকে সকাল ১১ টায় ভর্তি রেজিস্ট্রেশনের প্রক্রিয়াটি উদ্বোধন করা হয়েছে। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০৯-২০১০ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৩০ অক্টোবর, ২০০৯ ইং তারিখে। এর আগে শাবিপ্রবিতেই প্রথম মোবাইল ফোনে এসএমএস এর মাধ্যমে বিভিন্ন বিভাগের পরীক্ষার ফলাফল জানার নিয়ম চালু করা হয়। এখানে উল্লেখ করার মত বিষয় হচ্ছে, দুটি প্রক্রিয়াই সম্পূর্ন তৈরী করা হয়েছে শাবিপ্রবির কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইন্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সহায়তায়। পুরো প্রজেক্টটি তত্বাবধান করেছেন সিএসই বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ।

গত ২৪ শে আগষ্ট সোমবার ভিসি ড. সালেহ উদ্দিনের সভাপতিত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের বৈঠকে মোবাইল ফোনে এসএমএস এর মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি প্রয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সভায় অর্থনীতি বিভাগের প্রধান ড. রেজাই করিম খন্দাকারকে আহবায়ক করে ১১ সদস্য বিশিষ্ট ভর্তি কমিটিও গঠন করা হয়। এছাড়া ওই বৈঠকে ভর্তি পরীক্ষার নিয়মে বেশ কিছু পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়।

২০০৯-১০ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষার নিয়মে বেশ কিছু পরিবর্তন হয়েছে। এর মধ্যে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে এসএমএস করে ভর্তি পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন করা যাবে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক নির্ধারিত মোবাইল কোম্পানি মারফত মেসেজ অপশনে গিয়ে এসএসসি এবং এইচএসসির রোল নাম্বার ও ভর্তি হতে আগ্রহী ইউনিটের নাম নির্ধারিত নান্বারে পাঠালে ফিরতি এসএমএস’র মাধ্যমে একটি রেজিস্ট্রেশন জানিয়ে দেওয়া হবে।

মোবাইলে এসএমএস মাধ্যম প্রাপ্ত রেজিস্ট্রেশন নাম্বার ও তিন কপি ছবি নিয়ে সরাসরি ভর্তি পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করা যাবে। এর ফলে ভর্তির আবেদনের জন্য কোন ফরম পূরন করতে হবে না।

পরীক্ষা কেন্দ্রে যাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট পরিদর্শক ছবিগুলো সংগ্রহ করে প্রত্যেক পরীক্ষার্থীকে একটি কার্ড দেবেন । ভর্তি পরীক্ষায় উর্ত্তীণ শিক্ষার্থী ওই কার্ড দেখিয়ে পরবর্তিতে ভর্তি হতে পারবে।

মোবাইল ফোনে এসএমএস করে রেজিস্ট্রেশনের আগেই মোবাইলে নির্ধারিত ফরমের মুল্য বাবদ সমপরিমাণ ক্রেডিট লোড করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ভর্তিচ্ছুক প্রার্থীর এসএসসি ও এইচএসসির রোল নাম্বারের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট বোর্ড থেকে তথ্য সংগ্রহ করবে।

এদিকে গত বছর পর্যন্ত শাবিতে চারটি ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ করা হলেও এবার মাত্র দুটি ইউনিট রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ‘ক’ ইউনিটের অধীনে বিজ্ঞানের সকল বিষয় এবং মানবিক ও ব্যবসা প্রশাসনের সকল বিভাগ ‘খ’ ইউনিটের অধীনে নেওয়া হবে।

উভয় ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষাই একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে। আর নতুন শিক্ষাবর্ষের ক্লাস শুরু হবে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/29009964 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/29009964 2009-09-13 21:38:03
ছবি বিভ্রাট.......... <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_26.gif" width="23" height="22" alt=":-*" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_05.gif" width="23" height="22" alt=":D" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_25.gif" width="23" height="22" alt=":P" style="border:0;" />

আজকে বিবিসির ওয়েবসাইটে একটি মজার নিউজ দেখলাম। সফটওয়্যার জায়ান্ট মাইক্রোসফট তাদের ওয়েবসাইটে একটি ছবির ফেস পরিবর্তন (এডিট) করার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেছে। উপরের ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে ডেস্কে মাইক্রোসফটের তিন কর্মকর্তা বসে আছেন, এখানে ছবিটির টাইটেল “Empower Your People with the IT tools they need”. ছবিটি মাইক্রোসফটের আমেরিকান ওয়েবসাইটে এভাবেই দেয়া আছে, কিন্তু বৈপরীত্ব দেখা যায় তাদের পোলিশ ওয়েবসাইটে, যেখানে দেখা যায় ছবিটির মাঝে বসা মধ্যবয়স্ক কালো মানুষটির মাথা কেটে সেখানে সাদা চামড়ার এক লোকের মাথা বসানো হয়েছে। অথচ কালো লোকটির শরীরের অংশটি অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে, যা দেখে ছবিটি এডিট করার ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যায়।

মাইক্রোসফট অবশ্য বলেছে তারা এই বিষয়টির শুষ্ঠ তদন্ত করে দেখবে, পাশাপাশি এর জন্য মাইক্রোসফট কতৃপক্ষ ক্ষমা প্রার্থনাও করেছে। ধারনা করছি এটা মাইক্রোসফটের কোন বদ কর্মকর্তার নিজস্ব রেসিজম। কিন্তু বিভিন্ন মিডিয়া মাইক্রোসফটের দোষ ধরতে থেমে নেই, অনেকেই বলছে, মাইক্রোসফট তাদের সবশ্রেনীর মানুষের কাছে বাজার ধরে রাখার জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী সাদা, কালো, এশিয়ান সকল ধরনের মানুষের ফেস ব্যাবহার করছে। আরও অনেকেই অনেক ভাবে এটাকে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছে। দেখা যাক, তদন্ত শেষে মাইক্রোসফট এর কি ব্যাখ্যা দেয়..... <img src=" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/29000163 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/29000163 2009-08-26 23:15:42
মাইক্রোসফটের জন্য হুমকি হয়ে আসছে Google এর Chrome অপারেটিং সিস্টেম

কিছুদিন আগে অনলাইন জায়ান্ট গুগল তাদের নতুন অপারেটিং সিস্টেম Chrome বাজারে ছাড়ার ঘোষনা দিয়েছে। গুগলের এই ঘোষনাকে বিশেষজ্ঞরা মাইক্রোসফটের অপারেটিং সিস্টেম গুলোর বিরুদ্ধে একটি যুদ্ধ হিসেবে দেখছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন বিষয় হচ্ছে, গুগলের Chrome অপারেটিং সিস্টেম একটি ওপেন সোর্স প্রোজেক্ট। গুগল জানিয়েছে তারা এবছরের শেষের দিকেই তাদের নতুন অপারেটিং সিস্টেমটির কোড উন্মুক্ত করে দেবে। প্রাথমিক ভাবে Google এই Chrome OS এর একটি হালকা-পাতলা ভার্সন উন্মুক্ত করবে, যেটি নেটবুকগুলোতে ব্যাবহার হবে এবং নেটবুকসহ এটি আগামী বছরের দ্বিতীয়ার্ধে পাওয়া যাবে। নেটবুকগুলোর দামও হবে তুলনামুলক অন্যান্য কম্পিউটারের চাইতে কম। তবে হতাস হওয়ার কিছু নেই, ডেক্সটপ পিসির জন্যেও এই অপারেটিং সিস্টেম পাওয়া যাবে শীঘ্রই।



গুগলের Chrome ব্রাউজারের সাথে আমরা সবাই পরিচিত।এখন আসুন পরিচিত হই তাদের আসন্ন অপারেটিং সিস্টেমটির সাথে। গুগল তাদের নতুন অপারেটিং সিস্টেমে Speed, simplicity এবং security এই তিনটি বিষয়ের উপর জোর দিচ্ছে। তারা দাবী করছে, এমন একটি অপারেটিং সিস্টেম বানানোর যা আকারে হবে অনেক ছোট, খুবই দ্রুত, পোর্টেবল, কমগতির Atom বা ARM প্রসেসরে চলবে এবং নিরাপত্তা দিকেও বিশেষ নজর রাখা হবে। অবাক করার বিষয় হচ্ছে, এটি এতই দ্রুত রান করবে যে আপনার পিসি স্টার্ট করা থেকে শুরু করে সরাসরি ওয়েবের সাথে যুক্ত হতে কিছু সেকেন্ড মাত্র সময় নেবে...!!! আরও মজার তথ্য হচ্ছে, অপারেটিং সিস্টেমটির মধ্যমনি হয়ে থাকবে গুগল Chrome ব্রাউজার এবং Google এমন এক অনলাইন ব্যাবস্থা দাড় করাতে যাচ্ছে যাতে করে অধিকাংশ এপ্লিকেশন Chrome ব্রাউজার দিয়েই চলবে। যদিও গুগল ঘুড়ে-ফিরে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদেরকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে, তবে ভবিষ্যতে এডভান্স ইউজারদের জন্যও সুবিধা রাখবে বলে আশা রাখি। তাদের ভাষ্য মতে, তাদের অধিকাংশ ইউজার সরাসরি ইন্টারনেটের সাথে কানেক্টেড থাকতে চায়। তারা চায় মুহুর্তের মধ্যে তাদের মেইল চেক করতে, ইন্টারনেটে তাদের প্রয়োজনীয় কাজগুলো সেরে নিতে। যেখানে অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটারে ইন্সটল করা, বুট হওয়া, প্রয়োজনীয় কনফিগারেশন করে নেয়া, ব্রাউজার ওপেন করা ইত্যাদির পেছনে অঢেল সময় নষ্ট করছে। আজকালকার ব্যাস্ত মানুষের এতসব করার সময় কোথায়, সবাই চায় চটজলদি রেডিমেইড ব্যাবস্থা। এসকল ক্লায়েন্টদের চাহিদা পূরন করার স্বার্থেই আসছে গুগলের নতুন অপারেটিং সিস্টেমটি।

গুগল তাদের এই অপারেটিং সিস্টেমটি তৈরীর পুরো পরিকল্পনাটি করছে ওপেন সোর্স কমিউনিটির সাহায্য নিয়ে। অপারেটিং সিস্টেমের কার্নেল হিসেবেও ব্যবহার করছে লিনাক্স। তবে এখনও তাদের কিছু প্রয়োজনীয় এপ্লিকেশন সফটওয়্যার তৈরী করা বাকি আছে, যেমন : মিডিয়া প্লেয়ার। ব্রাউজার হিসেবে Chrome তো তার নিজের অবস্থান তৈরী করে চলেছেই, তবে Google তাদের অপারেটিং সিস্টেমের জন্য কোন মিডিয়া প্লেয়ার এখনও তৈরী করেনি, হয়ত তারা বলতে পারে ইউটিউব থাকতে সব মিডিয়া তো এখন হাতের মুঠোয় কিন্তু তারপরও হয়ত তাদের VLC, Songbird মিউজিক প্লেয়ার ইত্যাদি ওপেনসোর্স প্লেয়ারগুলোর সাহায্য নেয়ার প্রয়োজন হতে পারে। উইন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ারের মত জনপ্রিয় কোন মিডিয়া প্লেয়ার তৈরী করতে পারলে গুগল Chrome OS আরও দ্রুত জনপ্রিয়তা পাবে বলে আমার ধারনা।



ওপেন সোর্স দুনিয়াতে গুগলের এই উদ্দ্যোগকে স্বাগত জানাই। তারা মোবাইলে জন্য এন্ড্রয়েড তৈরী করেছে এবং এখন কম্পিউটারের জন্যও মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম তৈরী করছে যা প্রশংসার দাবী রাখে। ওপেন সোর্স ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম উবুন্টু আস্তে আস্তে মাথা তুলে দাড়াচ্ছে। অনেক ধাপ পেরিয়ে এখন উবুন্টুকে অনেকটা ইউজার ফ্রেন্ডলি অপারেটিং সিস্টেম বলা চলে। পাবলিসিটির পাশাপাশি উবুন্টুর ইউজারের সংখ্যও ধীরে ধীরে বেড়ে চলেছে, যারা আগে জানতো না তারাও জানার চেষ্টা করছে। আমার ধারনা সেদিন খুব বেশী দূরে নয় যেদিন মাইক্রোসফটও বাধ্য হবে তাদের অপারেটিং সিস্টেমের একচেটিয়া ব্যবসা গুটিয়ে অন্যকাজে মন দিতে। অপারেটিং সিস্টেম হবে সবার জন্য উন্মুক্ত। গুগলের উপর আমি ভরসা করতে পারি, কারন তারা অনেক অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখিয়েছে। এমন সব প্রযুক্তি আবিষ্কার করেছে এবং করছে যা দ্রুত মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সাথে মিশে যাচ্ছে। এবছরের শেষেই আসছে গুগলের আরেক বিশ্বয় Google Wave, সেটি ব্যবহার করার অপেক্ষায় আছি।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/28995566 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/28995566 2009-08-17 22:56:59
জাফর স্যারের ফাইবার অপটিকস ল্যাব

ছবিটা আমাদের ফাইবার অপটিকস ল্যাবের ভাইভা দেয়ার সময় তোলা। জাফর স্যার আমাদের ফাইবার অপটিকস কোর্স নেন। জাফর স্যার কতটা চমৎকার পড়ান তা বলার অপেক্ষা রাখে না। স্যার আমাদের ল্যাব নেন, ল্যাবে প্রতিটি এক্সপেরিমেন্ট করার পর স্যারের কাছে এসে ভাইভা দিতে হয়। স্যারের কাছে ভাইভা দিতে গেলে ওই এক্সপেরিমেন্টেরে ওপর খুব ক্লিয়ায় কনসেপ্ট না থাকলে, ভাইভা দেয়া কঠিন। কারন স্যার একের পর এক প্রশ্ন করতে থাকে আর সঠিক উত্তরটাও কেন সঠিক জিজ্ঞেস করে কনফিউজড করে ফেলে, শেষে সবকিছু তালগোল পাকিয়ে যায়। আমার কাছে ভাইভা মানেই চাপাবাজি, নিজে যা জানি তার চাইতে কয়েকগুন বেশি বানিয়ে এত কনফিডেন্সের সাথে বলে দেই যে স্যারেরাও কনফিউজড হয়ে যায়। কিন্তু জাফর স্যারের সামনে চাপাবাজি টিকলো না, চাপাবাজি করতে গিয়েই প্রথম এক্সপেরিমেন্টের ভাইভায় ৫ মিনিটের মাথায় হাটু কাপাকাপি লেগে গেল। ফলাফল প্রথম এক্সপেরিমেন্টের ভাইভাতে একজন ছাড়া বাকি সবাই রিপিট খেলাম।

জাফর স্যারের সাথে আমাদের এটাই শেষ কোর্স। সাস্টে সিএসই বিভাগের সবার কাছেই জাফর স্যারের শেষ এই কোর্সটা গুরুত্বপূর্ন। কারন আমরা ভার্সিটি লাইফ শুরু করেছিলাম জাফর স্যারের “ডিসকৃট ম্যাথামেটিকস” দিয়ে আর শেষও করছি স্যারের কোর্স “ফাইবার অপটিকস” দিয়ে। আমি নিশ্চিত যদি এখানে সাস্টের সিএসইর কোন ভাই থাকেন, ছবিটা দেখে এক মূহুর্তের জন্য হলেও ভাবনায় তারা সেই দিনগুলোতে ফিরে যাবেন। আর কয়েকমাস পর গ্রাজুয়েশন শেষ করে শাবিপ্রবি ছেড়ে চলে যাচ্ছি, ভাবতেই বুকটা টনটন করছে। কয়েকটা বছরে কত স্মৃতি রয়ে গেছে ক্যাম্পাসটায়। জীবনের সবচাইতে শ্রেষ্ঠ সময়টা কাটিয়েছি সাস্টের মনোরম পরিবেশে।

আমি ভালবাসি সাস্ট, ভালবাসি সিএসই বিভাগ এবং ভালবাসি জাফর স্যারকে, যিনি সারাজীবন আমাদের জন্য আদর্শ হয়ে থাকবেন।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/28991863 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/28991863 2009-08-11 00:55:43
আমার প্রিয় কিছু মোবাইল সফটওয়্যার আমার পছন্দের কিছু চমৎকার মোবাইল সফটওয়্যার নিয়ে আমি এই লেখায় আলোচনা করব। সফটওয়্যার গুলোর ফাইল ফরমেট .sis সুতরাং সফটওয়্যারগুলো সকল নোকিয়ার সিমবিয়ান (Symbian OS) অপারেটিং সিস্টেম যুক্ত সেট সমূহে চলবে যেমন : Nokia Symbian s60 v2 (7610, 6600, 6630, 6680,
3230, 6260, 6620, 6670, N70, N72, N90) এবং Nokia s60 v3(3250, E70, N73, N75, N80, N91, N91 8GB, N92, N93, N93i, N95, N95 8GB, E71 & all Symbian OS9.1 OS9.2 OS9.3) ইত্যাদি। সফটওয়্যারগুলো ডাউনলোড করে আপনার মোবাইলে ইন্সটল করে নিন এবং সমস্যায় পড়লে জানাতে ভুলবেন না। যারা মোবাইলে সফটওয়্যার ইন্সটল করতে ভয় পান তাদের জন্য বলছি, এই সফটওয়্যারগুলো সম্পূর্ন নিরাপদ এবং আপনার মোবাইল সেটের কোন প্রকার ক্ষতি হওয়ার কোনই সম্ভাবনা নেই।

মোবাইলের জন্য Avaira Antivirus ব্যবহার করুন ২৫/১২/২০১১ পর্যন্ত

কম্পিউটারের জন্য ব্যবহৃত Avaira Antivirus এর সাথে আমরা সবাই কমবেশি পরিচিত। এবার আপনাদের পরিচয় করিয়ে দেব মোবাইলের জন্য Avaira Antivirus। কম্পিউটারের পাশাপাশি মোবাইলেও এটি সমানভাবে জনপ্রিয়।



এন্টিভাইরাসটির যে ভার্সনটি আমি পেয়েছি তার মেয়াদকাল ২৫শে ডিসেম্বর ২০১১ পর্যন্ত অর্থাৎ আরও আড়াই বছরেরও বেশি সময় আপনি এন্টিভাইরাসটি বিনেপয়সায় ব্যবহার এবং ফ্রি আপডেট করতে পারবেন। এটি খুবই শক্তিশালী এবং নিশ্চিতভাবে আপনার মোবাইলকে সকল ধরনের ভাইরাসের হাত থেকে রক্ষা করবে। এটি ব্যবহার করা খুবই সহজ এবং কার্যকরী। এই এন্টিভাইরাসের সাহায্যে আপনার মোবাইলে ভাইরাস আছে কিনা তা স্ক্যান করার জন্য স্ক্যানার ট্যাবে গিয়ে স্ক্যান বাটন চাপুন। নিচে সফ্টওয়্যারটির কিছু স্নেপসট দিলাম....



ডাউনলোড লিংক : Avaira Antivirus

মোবাইল সেট টার্ন অফ সফটওয়্যার
যারা গ্রামীনফোনের P3 ইন্টারনেট প্যাকেজ বা সিটিসেল জুম ব্যবহার করেন, তাদের জন্য এই সফটওয়্যারটি খুবই কাজে দেবে। গ্রামীনফোন P3 ইন্টারনেট প্যাকেজের সময়সীমা রাত ১২টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত, এর বাইরে আপনাকে কিলোবাইট প্রতি ২ পয়সা করে চার্জ দিতে হবে। আমি যখন P3 ব্যবহার করতাম তখন অনেক সময় দেখা যেত বড় কোন ফাইল ডাউনলোড করতে দিয়ে ঘুমিয়ে গেছি, সকালে ঘুম থেকে উঠতে দেরী হওয়ায় আর কানেকশন অফ করা হয়নি। যার কারনে মাশুল দিতে হয়েছে অনেক টাকা। জুম প্যাকেজেও ঘন্টা বা মিনিট হিসেবে ইন্টারনেট ব্যবহারের একটি অফার আছে, সেক্ষেত্রে বারবার ঘড়ি দেখার ঝামেলা থেকে মুক্ত হতে এই সফটওয়্যারটি ব্যবহার করতে পারেন।

সফটওয়্যারটির ব্যবহার করা খুবই সহজ। প্রথমে সফটওয়্যারটি ইন্সটল করে নিন, এবার সফটওয়্যারটি ওপেন করুন।



এখন আপনি Option থেকে Set এ ক্লিক করে আপনার মোবাইল সেটটি কখন বন্ধ হবে সেই সময়টি লিখুন।



এরপর Ok চেপে করে বের হয়ে আসুন।



এবার Back চাপুন দেখবেন সফটওয়্যারটি অটো মিনিমাইজ হয়ে যাবে এবং সময়মতো ঠিকই আপনার মোবাইল সেটটি বন্ধ করে দেবে।

ডাউনলোড লিংক : টার্ন অফ সফটওয়্যার

মোবাইলের অজানা লক কোড বের করার সফটওয়্যার

আপনারা অনেকে নিজেদের মোবাইলকে অন্যদের ব্যবহার করার হাত থেকে বাচাতে সিকিউরিটি পাসওয়্যার্ড দিয়ে লক করে রাখেন। অনেক সময় কিছুদিন সিকিউরিটি লক ব্যবহার না করার কারনে পাসওয়্যার্ড ভুলে গিয়ে মহা সমস্যায় পড়তে হয়। সবচেয়ে বেশী সমস্যায় ভুগতে হয় সেকেন্ড হ্যান্ড মোবাইল ফোন কিনলে, কারন এইসব সেটের ডিফল্ট লক কোড পরিবর্তন করা থাকে। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন ছোট একটি সফটওয়্যার Unlock Me ব্যবহার করে।

সফটওয়্যারটি নিচে দেয়া লিংকটি থেকে ডাউনলোড করে ইন্সটল করে নিন। এবার সফটওয়্যারটি ওপেন করুন।



এরপর Option থেকে Unlock এ ক্লিক করুন।



এবার সফটওয়্যারটি অটোমেটিক ভাবে বিভিন্ন কোড বসিয়ে বসিয়ে আপনার আসল পাসওয়্যার্ডটি বের করে ফেলবে। এরকম প্রতিটা কোড বসিয়ে বসিয়ে বের করতে সফটওয়্যারটির ২ থেকে ৩ মিনিটের মত সময় লাগে। এত সময় অপেক্ষা করা বিরক্তকর তাই আপনি এটি কাজ করা অবস্থায় মিনিমাইজ করে রাখুন। সফটওয়্যারটি যখন আপনার পাসওয়্যার্ডটি পেয়ে যাবে তখন এটি একটি বিপ দিয়ে আওয়াজ করবে।



তখন সফটওয়্যারটি ম্যাক্সিমাইজ করুন, দেখবেন সফটওয়্যারটি আপনার পাসওয়্যার্ড টি দেখাচ্ছে। এখানে আমার পাসওয়্যার্ড ১২৩৪৫ তাই Unlock Code: ১২৩৪৫ দেখাচ্ছে।

ডাউনলোড লিংক : Unlock Me

আপনার মোবাইলে অনেকগুলো এলার্ম একত্রে সেট করুন

নোকিয়ার সিমবিয়ান সেটগুলোতে এলার্ম সেট করার সুযোগ থাকে একটি, তাও আবার প্রতি দিন সেট করতে হয়। এমন যদি হত যে, আপনি আপনার টাইম টেবিল অনুযায়ী একবার এলার্ম সেট করলেন যেটি প্রতিদিন এলার্ম দিয়ে আপনাকে মেসেজ আকারে স্মরন করিয়ে দেবে তাহলে চমৎকার হত তাই না..? এই সুবিধাগুলোই আপনি পাবেন এই সফটওয়্যারটিতে। ছাত্ররা তাদের ক্লাসের সময়সুচি, চাকুরীজীবীরা তাদের এপয়েন্টমেন্ট এলার্ম দিয়ে রাখতে পারেন এখানে। চাইলে আপনি এটিকে রিমাইন্ডার হিসেবেও ব্যবহার করতে পারেন।

সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে ইন্সটল করে নিন। এবার সফটওয়্যারটি ওপেন করুন।



Option থেকে New Alarm ক্লিক করুন।



তারপর এলার্ম টাইম এবং ম্যাসেজ (যা এলার্মের সময় ডিসপ্লেতে দেখাবে) সেট করে Ok চাপুন।



দেখবেন এলার্ম সেট হয়ে গেছে এবং তার নিচে আপনার মেসেজটা দেখাচ্ছে। একই ভাবে আপনি একাধিক এলার্ম সেট করতে পারেন।



ডাউনলোড লিংক : মাল্টিপল এলার্ম

মোবাইলের ফোনবুক, সফটওয়্যার, গেমস, মেসেজ, ফটো, ভিডিও ইত্যাদি হাইড করার সফটওয়্যার
আমি বাড়িতে গেলে আমার ছোট ভাইটি মোবাইল নিয়ে গেমস লেখা শুরু করে। নিষেধ করলে কান্নাকাটি করে, অবশেষে দেখা যায় দরকারি ফোন করার সময় মোবাইলে চার্জ থাকে না। তখন মনে হত যদি মোবাইলের গেমসগুলোকে অদৃশ্য করে দেওয়া যেত তাহলে মনে হয় বেচে যেতাম। এই সমস্যার সমাধান করেছে Zplus নামের সফটওয়্যারটি। আপনার ব্যাক্তিগত কন্টেন্ট গুলো যেমন : ফোনবুকের মোবাইল নম্বর, মেসেজ, গ্যালারীতে রাখা ফটো, ভিডিও ইত্যাদি এই সফটওয়্যারটি দিয়ে লুকিয়ে রাখুন যাতে করে অন্য কেউ আপনার ব্যাক্তিগত বিষয়ের ওপর হামলা করতে না পারে।

সফটওয়্যারটি ব্যবহার করা খুবই সহজ এবং নিরাপদ। প্রথমে নিচের লিংক থেকে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে আপনার মোবাইলে ইন্সটল করে নিন। এরপর ওপেন করে সেটিংসে গিয়ে পাসওয়ার্ড এবং সিকিউরিটি কোশ্চেন ঠিক করে নিন। এতে করে প্রতিবার এই সফটওয়্যারটি ওপেনের সময় পাসওয়ার্ড চাইবে ফলে এই সফটওয়্যারটি অন্য কেউ ব্যবহার করতে গেলেই পাসওয়ার্ড তাকে আটকাবে।



এবার লুকানোর পালা। লুকানোর আগে বলে রাখি আপনি কোনো কিছু লুকালে সেটি লুকায়িত অবস্থায়ই এই সফটওয়্যারটা ব্যবহার করে ওপেন করতে পারবেন। আবার আপনি যদি লুকায়িত জিনিস পুনরায় পূর্বের অবস্থায় ফেরত আনতে চান তখনও এই সফটওয়্যারটি ব্যবহার করতে হবে। এখন আপনি Application এ ক্লিক করুন। যেই বিষয়ের জিনিস লুকাতে চান সেটাতে ক্লিক করুন। একটু অপেক্ষা করলেই এ বিষয়ের সকল ফাইল দেখা যাবে। এখন আপনি যেটা লুকাতে চান সেটার উপর এসে Option থেকে Hide এ ক্লিক করলেই তা লুকায়িত হয়ে যাবে এবং তার পাশে লক একটা চিহ্ন দেখা যাবে।



এভাবে এই সফটওয়্যারটি দিয়ে যত খুশি ফাইল আপনি লক করে হাইড করে দিতে পারবেন।

ডাউনলোড লিংক : Zplus

কোন বিশেষ নম্বর থেকে বিরক্তিকর মিসকল বা কল ঠেকানোর সফটওয়্যার
ব্লগে আমি বেশ কয়েকবার দেখেছি বিভিন্ন মোবাইল নম্বর তুলে দিয়ে ব্লগার বলেছেন তাকে এই নম্বরটি বারবার মিসকল বা কল দিয়ে ডিস্টার্ব করছে। এই সমস্যাটি সাধারনত বেশি ভোগে মেয়েরা, উটকো কুরুচীপূর্ন মানুষ মেয়েদের নম্বর জোগার করে মিসকল দিয়ে বা কল করে বিরক্ত করে। বাধ্য হয়ে অনেকে সিম পরিবর্তন করেন, যার ফলে পরিচিত জনের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে হয়। মোবাইল কোম্পানীগুলোর উচিৎ নিজস্ব ব্যবস্থায় এর সুরাহা করা। যেহেতু তারা এখনও করছে না, তাই এই সব উটকো কলারদের ঠেকানোর জন্য একটি সফটওয়্যার হচ্ছে MCleaner। চমৎকার এই সফটওয়্যারটি ব্যবহার করে খুব সহজেই আপনি এইসব ডিস্টার্বিং নম্বরকে Black Listed করে দিতে পারেন অর্থাৎ তারা আর কখনওই আপনাকে কল করে বিরক্ত করতে পারবে না। সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে ইন্সটল করে নিন। এর পরপরই সফটওয়্যারটি ওপেন করেই রেজিস্ট্রেশন কোড নম্বর 46998375 অথবা 55092411 বসিয়ে দিন। এখন আপনি এর রেজিস্টার্ড ইউজার হয়ে গেছেন। এবার Black List এ ক্লিক করুন।



এখানে Select এ ক্লিক করে New দিয়ে আপনি যে নম্বরটি বন্ধ করতে চান তার জন্য টাইটেল এবং মোবাইল নম্বরটি দিন।



চাইলে আপনি মোবাইল নম্বরটি আপনার মোবাইলের ফোনবুক থেকে Import করেও নিতে পারেন। Setup এ গিয়ে আপনি সফটওয়্যারটির Setting আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবর্তন করে নিন।



এখন আপনার Black List করা নম্বরগুলো থেকে কোন কল আপনাকে আর ডিস্টার্ব করতে পারবে না।

ডাউনলোড লিংক : এমক্লিনার

আশাকরি, সফটওয়্যারগুলো আপনাদের ভাল লাগবে। আপনি আপনার মোবাইলটির সর্বোত্তম ব্যবহার করুন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/28958869 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/28958869 2009-06-01 22:56:39
কিছু প্রশ্ন থেকে যায় সাগর কি বোঝে কতটা গভীরতা তার মাঝে?
রাত কি জানে সে যে আধার?
সময় কি বোঝে কতটা মূল্য তার?
বৃষ্টি কি দেখতে পায় আকাশের কান্না?
স্বপ্ন কি বোঝে সে যে কল্পনা?
প্রেম কি জানে সে যে হৃদয়ের বায়না?
দুঃখ কি বোঝে মন যে তাকে চায় না?
চাঁদ কি জানে কতটা আকর্ষন তার মাঝে?
সুখ কি বোঝে মন কেন তাকেই খোঁজে?
তবে তুমি কি করে আমায় বুঝবে?
কি করে তুমি আমায় ভালবাসবে?
No Way........................................]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/28957963 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/28957963 2009-05-30 22:12:39
আমেরিকা বলেই সম্ভব <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" />









এর কিছুদিন পর সভিয়েত ইউনিয়নও তাদের স্পেসশীপ মহাকাশে পাঠায়। আমেরিকার একদল বিজ্ঞানী রাশিয়ায় তাদের গবেষনা দেখতে যায়। রাশিয়ায় গিয়ে আমেরিকান বিজ্ঞানীরা রাশিয়ান বিজ্ঞানীদের জিজ্ঞেস করে, আপনারা এই কলমের সমস্যা কিভাবে সমাধান করেছিলেন? আমরা তো রিসার্চ করে মিলিয়ন ডলারের চমৎকার একটি কলম বানিয়েছিলাম। রাশিয়ান বিজ্ঞানীরা বলল, মহাকাশে লেখার জন্য আমরা ১ রুবেল মূল্যের একটি পেনসিল ব্যবহার করেছি.......!!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/28955607 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/28955607 2009-05-25 20:48:35
এক ডজন কুইজ.....!!

আমার "এক মুঠো কুইজ" লেখাটির ব্যাপক সফলতায় বুঝতে পেরেছি মানুষের মধ্যে কুইজের প্রতি আগ্রহ এবং ভালবাসা অনেক। আমি নিজেও অবসর সময়ে কুইজ চর্চা করতে ভালবাসি। তাই এবার কুইজ প্রেমীদের জন্য "এক ডজন কুইজ"। এই কুইজগুলো সংগ্রহ করেছি জোবাইর ফারুকের লেখা "৫০৫ গানিতিক কুইজ" বইটি থেকে এবং কিঞ্চিত পরিবর্তন করেছি কিছু ক্ষেত্রে। কুইজগুলোর মধ্যে অধিকাংশ কুইজ খুবই সহজ এবং মজার। চেষ্টা করেই দেখুন না........

ছয় ঘন্টার টেবলেট
ডাক্তার এক রোগীকে সকাল ৬ টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত আধ ঘন্টা পরপর ১টা টেবলেট খেতে বললেন। রোগীর মোট কয়টি টেবলেটের প্রয়োজন?

বিরাট মূল্য হ্রাস
ক্যাটস আই দোকানে প্রতিটি সার্টের দাম ৮৪ টাকা। দোকানটিতে একটি সার্ট কিনলে আর একটি সার্ট ফ্রি দেয়। হ্যান্ডিবাজার দোকানে একই সার্টের দাম প্রতিটি ২০০ টাকা এবং কেউ যদি দুইটি সার্ট কিনে ৭টি সার্ট ফ্রি দেয়। কোন দোকান থেকে সার্ট কিনলে ক্রেতা লাভবান হবে।

সিরিজের শেষ সংখ্যা
নিম্নের সিরিজের শেষ সংখ্যাটি কত?
২, ৫, ১১, ২৩, ৪৭, ...?

বাবুর্চি ও পেঁয়াজ
কোন এক বিয়ের অনুষ্ঠানে রান্না করতে এক বাবুর্চি ও তার সহকারী মোট ৪০০টি পেঁয়াজ কাটে। বাবুর্চি প্রতি মিনিটে কাটে ৩টি পেঁয়াজ এবং তার সহকারী কাটে প্রতি মিনিটে ২টি। বাবুর্চি তার সহকারীর ২৫ মিনিট পূর্বেই পেঁয়াজ কাটা বন্ধ করে। বলতে হবে, কে কয়টি পেঁয়াজ কেটেছিল এবং কার কতক্ষন সময় লেগেছিল।

খেলনাগাড়ি ভাগ
খেলনা গাড়ি নিয়ে খেলার সময় মিন্টু দেখল, সেন্টুর খেলনা গাড়ির সংখ্যা তার চেয়ে বেশি এবং সেন্টুকে বলল, যদি তুমি আমাকে ২টি খেলনা গাড়ি দাও তবে দুজনের খেলনা গাড়ির সংখ্যা হবে সমান সমান। সেন্টু উল্টো জোড় করে মিন্টু থেকে ২টি খেলনা গাড়ি নিয়ে হিসাব করে বলল, তার গাড়ির সংখ্যা এখন মিন্টুর দ্বিগুন। শুরুতে কার কয়টি খেলনা গাড়ি ছিল?

তিন ভাগের এক ভাগ ও চার ভাগের এক ভাগ
দুই অংকের একটি সংখ্যার তিন ভাগের এক ভাগ ও চার ভাগের এক ভাগের যোগফল ১৪। সংখ্যাটি কত?

জন্মমাস
জমির ১৯৮৪ সালের ফেব্রুয়ারির ১০০ মাস পরে জন্মগ্রহন করেছিল। জমিরের জন্মদিন কোন মাসে?

কাঠুরিয়ার সময়
একটি কাঠকে করাত দিয়ে কেটে দু'টুকরো করতে একজন কাঠুরিয়ার ৩০ সেকেন্ড সময় লাগে, একই সাইজের কাঠকে পাঁচ টুকরো করতে কাঠুরিয়ার কতক্ষন লাগবে?

ভাইবোনের সংখ্যা
একটি পরিবারে মোট সন্তান সন্ততি আট জন। প্রতিটি ভাইয়ের যদি তিনজন বোন থাকে, পরিবারটিতে কয়জন ভাই ও কয়জন বোন?

সাইকেল ও রিকসা
রাস্তার মোড়ে কিছু সাইকেল ও কিছু রিকশা। সাইকেল ও রিকশার যোগফল ১৫ এবং সাইকেল ও রিকশার চাকার যোগফল ৩৯, রাস্তার মোড়ে কয়টি রিকশা এবং কয়টি সাইকেল?

ঘন্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটা
রাত ১২টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত একটি ঘড়ির মিনিটের কাঁটা কয়বার ঘন্টার কাঁটাকে অতিক্রম করে?

তিনটি সংখ্যার যোগফল ১০০
কয়ভাবে তিনটি পজিটিভ সংখ্যাকে যোগ করে ১০০ লেখা যায়?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/28955479 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/28955479 2009-05-25 14:32:38
সহজে ইন্সটল করুন উবুন্টু ৯.০৪ জান্টি জ্যাকালোপ উবুন্টু ইন্সটল নিয়ে অনেকের মনেই ধারনা থাকে যে, এটি ইন্সটল করা জটিল। অনেকে ইন্সটল করতে গিয়ে পুরো হার্ডডিস্ক ফরমেট করে ফেলেছেন এমন ঘটনাও ঘটেছে। এ থেকে মুক্তি পাবার একটি সহজ উপায় হচ্ছে উইন্ডোজের ভেতরেই উবুন্টু ইন্সটল করা। আমি আমার এই লেখায় ধাপে ধাপে এ বিষয়ে আলোচনা করব।

প্রথমে আপনি আপনার হার্ডডিস্কের যে কোন ড্রাইভে ৩ GB থেকে ৬ GB (আপনার প্রয়োজন মত) জায়গা খালি করে নিন। ড্রাইভে যদি অন্য কোন ফাইল, ফোল্ডার থাকে তাতে কোন সমস্যা নেই। শুধুমাত্র ফ্রি স্পেস থাকলেই হবে। এই ফ্রি স্পেসেই উবুন্টু ৯.০৪ ইন্সটল হবে।

এবার উইন্ডোজ এক্সপি বা ভিসতা চালু থাকা অবস্থায় উবুন্টু ৯.০৪ সিডিটি ডিভিডি ড্রাইভে ঢুকিয়ে রান করুন। তখন নিচের উইন্ডোটি দেখা যাবে-



এখান থেকে Install inside Windows বাটনটি ক্লিক করুন।



এই উইন্ডোতে প্রথমেই আছে Installation drive এখানে আপনি আপনার হার্ডডিস্কের যে ড্রাইভে ফ্রি স্পেস তৈরী করেছেন তা দেখিয়ে দিন।

Installation Size মিনিমাম ৩GB থেকে শুরু করে যে কোন সাইজ দিন। এই সাইজ হচ্ছে উবুন্টু ইন্সটল, সফটওয়্যার ইন্সটল এবং Ubuntu root এর জন্য প্রয়োজনীয় স্পেস। সাধারনত ৫-৬ GB সাইজ হলেই যথেষ্ট।

Desktop Environment যেমন আছে তেমনই থাকবে Language এ আপনি English বা বাংলা আপনার সুবিধা অনুযায়ী যেকোন ভাষা ব্যবহার করতে পারেন। এরপর Username এবং Password দিন। এখন Install বাটন প্রেস করুন। এখন ইন্সটলেশনের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে।



ইন্সটল শেষ হয়ে গেলে সিডিটি বের করে ফেলুন। এবার আপনার কম্পিউটারটিকে Reboot করুন।



Reboot করার সময় দেখবেন আপনার কম্পিউটারে ডুয়াল অপারেটিং সিস্টেম কাজ করছে। তাই স্টার্টের সময় Windows XP or Vista এবং Ubuntu 9.04 মেনু আকারে দেখাবে। এখান থেকে Ubuntu 9.04 সিলেক্ট করুন। এরপর বাকি ইন্সটলেশনের কাজ Ubuntu নিজেই করে নেবে।

ব্যাস, হয়ে গেল উবুন্টু ৯.০৪ জান্টি জ্যাকালোপ ইন্সটলেশন।

Uninstall করবেন যেভাবে :

উবুন্টু Uninstall করা install করার চাইতে সহজ। যখন Uninstall করবেন তখন সিডিটি ঢুকিয়ে Install Inside Windows বাটনটিতে প্রেস করুন। দেখবেন আপনাকে Uninstall করার জন্য বলবে। ব্যাস, এখন Uninstall করে নিন। এরপর চাইলে আপনি আবার উবুন্টু ইন্সটল করতে পারবেন।

সুবিধা :
১। আপনাকে উবুন্টুর জন্য দুটি আলাদা ড্রাইভ (মূল ড্রাইভ এবং সোয়াপ ড্রাইভ) তৈরী করতে হবে না, যা আসলেই বিরক্তিকর এবং অনেকসময় ঝামেলা তৈরী করে।

২। ইন্সটলের সময় পুরো হার্ডডিস্ক ফরমেট হয়ে যাওয়ার ভয় নেই। এমনকি আপনি যে ড্রাইভে উবুন্টু ইন্সটল করছেন সেই ড্রাইভেরও কোন ফাইল নষ্ট হবে না।

৩। ইন্সটলেশন প্রক্রিয়া অনেক দ্রুত। সাধারন ইন্সটলের চাইতে এটি অনেক দ্রুত ইন্সটলেশন প্রক্রিয়া শেষ করে।

৪। যার উবুন্টু এবং উইন্ডোজ দুটোই একই সাথে ব্যবহার করতে চান, তাদের জন্য এর চাইতে ভাল ইন্সটলেশনের প্রক্রিয়া আর হতে পারে না।

সুতরাং আর দেরি না করে এখনই ইন্সটল করে ফেলুন উবুন্টুর নতুন ভার্সন উবুন্টু ৯.০৪ জান্টি জ্যাকালোপ

যারা Manually উবুন্টু ইন্সটল করতে চান তাদের জন্য আমার উবুন্টু ৮.১০ ইন্টারপিড আইবেক্স ইনস্টলেশন পদ্ধতি - ধাপে ধাপে লেখাটি পড়ুন।

ইন্সটল হয়ে গেলে পড়ুন উবুন্টু লিনাক্স ইনস্টলেশন পরবর্তি গাইড এই লেখাটি।

আর যারা এখনও উবুন্টু ডাউনলোড করেননি বা কিভাবে ফ্রি সিডি পেতে হয় জানেন না তাদের জন্য উবুন্টু ৯.০৪ (জান্টি জ্যাকালোপ) লেখাটি পড়ুন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/28949637 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/28949637 2009-05-12 12:02:37
বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন এই অতিরিক্ত বেতন বৃদ্ধি?

বিশ্ববিদ্যালয়ের বেতন বৃদ্ধি এখন প্রতি বছরের সাধারন ঘটনা। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ প্রতি বছর ক্রেডিট ফি বাড়াবেন আর ছাত্ররা শুরু করবে আন্দোলন, ভাঙচুর, অবরোধ। মানছি যে বিশ্ববিদ্যালয় চালানোর জন্য প্রচুর অর্থের প্রয়োজন হয়, তাই বলে প্রতি বছর বেতন বৃদ্ধি বা আকাশ ছোয়া বেতন বৃদ্ধি কখনও সমর্থনযোগ্য নয়। সরকারের এখানে কি কিছুই করার নেই?

আজকে প্রথম আলো পত্রিকায় একটি নিউজ পড়লাম "নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে টিউশন ফি বাড়ানোর প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের অবরোধ, ভাঙচুর"। নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে এখন প্রতি ক্রেডিট ৪০০০/= টাকা থেকে বেড়ে ৫৫০০/= টাকা করা হচ্ছে। অর্থাৎ ক্রেডিট প্রতি বাড়ছে ১৫০০/= টাকা প্রতি সেমিস্টারে ১২ ক্রেডিট থাকলে ১৮০০০/= টাকা এবং বছরে ৩টি সেমিস্টারে অতিরিক্ত দিতে হবে মোট ৫৪০০০/= টাকা.......!! যা একটি পূর্ন সেমিস্টারের ফিসের সমান। শোনার পর আপনাদের কি মনে হচ্ছে জানিনা কিন্তু আমার মাথা পুরা আউলা হয়ে গেছে....

একটা সময় ছিল যখন প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি গুলোতে শুধুমাত্র উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তানেরা পড়ত। কিন্তু সেই দিন এখন আর নেই। উচ্চ-মধ্যবিত্তর গন্ডি পেরিয়ে এখন মধ্যবিত্ত ঘরের ছেলেরাও প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে পড়ে। যত যাই বলেন, সরকার হাজার হাজার A+ পাওয়া স্টুডেন্ট বের করছে কিন্তু শুধুমাত্র এইসব মেধাবী ছাত্রের জন্যও পর্যাপ্ত সংখ্যক পাবলিক ইউনিভার্সিটির সিট নাই। তো এরা প্রাইভেটে যাবে না তো কই যাবে? বাবা-মাও চায় তার সন্তানেরা উচ্চশিক্ষিত হোক, কষ্ট করে হলেও পড়াশোনার টাকা যোগার করেন। এখন যদি এসব প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিগুলো হঠাৎ করে এত টাকা ফিস বৃদ্ধি করে তবে এদের কি উপায় হবে! এখানে দোষটা কার????

আমাদের শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়েও একই ঘটনা ঘটেছে কিছুদিন আগে। নতুন ব্যাচ ভর্তি হবার পর তাদের ক্রেডিট ফি দ্বিগুন করে দেওয়া হয়েছে। আমরা (২০০৪ ব্যাচ) প্রতি ক্রেডিট ফি দেই থিওরি ৪০ টাকা এবং ল্যাব ৭০ টাকা। আর নতুন ব্যাচের জন্য ক্রেডিট ফি করা হয়েছে থিওরি ৮০ টাকা এবং ল্যাব ১৪০ টাকা। অর্থাৎ গড়ে ২০ ক্রেডিটের একটি সেমিস্টারে বাড়তি দিতে হচ্ছে প্রায় ১০০০ টাকার মত, বছরে ২টি সেমিস্টারে প্রায় ২০০০ টাকা বেশি । এর জন্য ছাত্ররা এক সপ্তাহ ব্যাপি নানা আন্দোলন কর্মসূচি করেছে। আমি এখন ভাবছি যদি তাদের ৫৪০০০/= টাকা বাড়তি দিতে বলা হত তবে তো তারা হার্টফেল করে মারা পড়ত।

যাইহোক, বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষের উচিৎ এ ব্যাপারে সজাগ হওয়া। ভেবে চিন্তে ফিস বাড়ানো যাতে করে এটি এটি সহনশীল মাত্রায় থাকে। সরকারও পারে এ ব্যাপারে একটি সুষ্ঠ তদারকি করতে, যাতে করে নীতিমালার বাইরে গিয়ে কেউ বেতন বাড়াতে না পারে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/28949291 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/28949291 2009-05-11 15:25:09
এক মুঠো কুইজ

কয়েকটি কুইজ দিলাম যেগুলো কাগজ-কলম ছাড়াই শুধু চিন্তা করে উত্তর বের করা যায়, আর পাওয়া যায় নির্মল আনন্দ। কুইজগুলো খুবই সহজ একটু চেষ্টা করেই দেখুন না..!!

জীবন অথবা মৃত্যু

রাজা একজন মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামীকে ভাগ্য পরীক্ষার জন্য শেষবারে মত সুযোগ দিলেন। বিচারকক্ষের দুইটি দরজা একটি জল্লাদখানায় যাওয়ার ও অন্যটি কারাগার থেকে বের হওয়ার। কেনটি কোন দরজা আসামী জানে না। দুইটি দরজার পাসে দুইজন প্রহরী। আসামীকে জানানো হল যে একজন প্রহরী সবসময় সত্য কথা বলে আর একজন সবসময় মিথ্যা কথা বলে। আসামী যে কোন একজন প্রহরীকে শুধু প্রশ্ন করতে পারবে তারপর সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে কোন দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে। যদি জল্লাদখানায় যাওয়ার দরজা হয় মৃত্যুদন্ড বলবৎ থাকবে, যদি কারাগার থেকে বের হওয়ার দরজা হয় যে বেকুসুর খালাস পাবে। কোন একজন প্রহরীকে কোন প্রশ্নটি করলে আসামী কারাগার থেকে বের হওয়ার দরজা কোনটি জানতে পারবে?

দুই ছাদে দুই দল পাখি

পাশাপাশি দুটি ছাদে দুই দল পাখি। ১টি পাখি অন্যদলকে ডেকে বলল, "তোমাদের থেকে যদি একজন আমাদের দলে আস আমরা তোমাদের দ্বিগুন হই।" উত্তরে অন্যদলের ১টি পাখি বলল, "তোমাদের থেকে যদি একজন আমাদের দলে আস আমরা তোমাদের সমান হই।" প্রতিটি দলে কয়টি পাখি?

তিনজন ভদ্রলোক ও তিনটি টাই

একটি মিটিং এ তিনজন ভদ্রলোক Mr. Yellow, Mr. Green ও Mr. Brown। তাদের তিনজনের টাইয়ের রং ছিল তিন রকমের : সবুজ, হলুদ ও বাদামী। Mr. Yellow বলল, "তোমরা লক্ষ করেছ, আমাদের নামের সাথে আমাদের টাইয়ের রংয়ের মিল নেই"। যে লোকটির গলায় সবুজ টাই ছিল সে উত্তরে বলল, "হ্যা, তুমি ঠিকই বলেছ"। কোন লোকটির গলায় কোন রংয়ের টাই ছিল?

কার বয়স বেশি

ভাইবোন দুইজনকে প্রশ্ন করা হল, বয়সে কে বড়। বোনটি বলল, আমি বয়সে বড়। ভাইটি বলল, আমি বয়সে ছোট। এরা দুইজনের মধ্যে কমপক্ষে একজন মিথ্যা বলেছে, আসলে বয়সে কে বড়?

বিড়াল ও ইঁদুর

৫টি বিড়াল যদি ৫ মিনিটে ৫টি ইঁদুর মারে, ১০টি বিড়াল ১০ মিনিটে কয়টি ইঁদুর মারবে?


কুইজগুলো খুবই সহজ, তাই আর উত্তর দিলাম না। ধন্যবাদ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/28948887 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/28948887 2009-05-10 15:52:04
CCNA সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনা CCNA কি?
Cisco Certified Network Associate যাকে সংক্ষেপে বলা হয় CCNA। এটি একটি বিশেষ ধরনের নেটওয়াকিং কোর্স। চাকরির প্রমোশনে ও জব এনরিচমেন্টে আইটি সার্টিফিকেশনের বিকল্প নেই। যারা নেটওয়াকিং সম্পর্কে জানতে আগ্রহী, নেটওয়ার্কিং পেশা হিসেবে নিতে চান তাদের জন্য নেটওয়াকিং শিক্ষার শুরু হতে পারে CCNA কোর্সটি দিয়ে। নেটওয়াকিং বিষয়ক যতধরনের কোর্স বর্তমানে প্রচলিত রয়েছে তার মধ্যে Cisco Certified Networking কোর্সগুলো হচ্ছে পূর্বের সকলের চেয়ে ভাল। এর কোর্স কারিকুলাম অত্যন্ত আধুনিক ও সময়োপযোগী। সিসিএনএ টেকনো বিশেষজ্ঞদের নেটওয়ার্ক স্কিল উন্নয়নে সর্বাধিক সহায়তা সহ সর্বশেষ প্রযুক্তির নেটওয়ার্ক জ্ঞান প্রদান করবে। Cisco Career Certifications এর আওতায় নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত কোর্সগুলোর মধ্যে এন্ট্রি লেভেলের কোর্স CCENT (Cisco Certified Entry Networking Technician) তারপরই CCNA। CCNA করার জন্য CCENT করতেই হবে এমন কোন বাধ্যবাধকতা নেই, তবে CCNP (Cisco Certified Network Professional) এবং CCIE করতে গেলে আপনাকে অবশ্যই CCNA কমপ্লিট থাকতে হবে। এই কোর্সের টাইটেল স্পন্সর হচ্ছে আমেরিকার Cisco Systems, Inc. এটি বিখ্যাত নেটওয়াকিং ডিভাইস প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান। Cisco এই কোর্স চালু করেছে তাদের প্রোডাক্টের পাবলিসিটি এবং দক্ষ জনবল তৈরী করার জন্য।

বর্তমানে দুই ধরনের CCNA কোর্স চালু আছে। দুটি কোর্সের ভিউ দুই ধরনের। সেগুলো হচ্ছে :
# CCNA Discovery # CCNA Exploration
CCNA Discovery :
Discovery মূলত তাদের জন্য যাদের কম্পিউটার সম্পর্কে প্রাথমিক জ্ঞান আছে কিন্তু নেটওয়াকিং সম্পর্কে বিশেষ কিছু জানা নেই। এটি Exploration এর চাইতে সহজ এবং খুব বেশী গভীরে না গিয়েও বেসিক নেটওয়াকিং সম্পর্কে পরিস্কার ধারনা দিতে পারে। Beginner দের জন্য এটি সবচাইতে ভাল নেটওয়ার্কিং কোর্স। CCNA Discovery এর এক বছর মেয়াদী মোট ৪টি সেমিস্টার রয়েছে। এগুলো হচ্ছে -
১। Networking for Home and Small Businesses v4.0
২। Working at a Small-to-Medium Business or ISP v4.1
৩। Introducing Routing and Switching in the Enterprise v4.0
৪। Designing and Supporting Computer Networks v4.0

CCNA Exploration :
CCNA Exploration একটু এ্যাডভান্স ইউজারদের জন্য। এই কোর্সে ভাল করার জন্য আপনাকে কম্পিউটার এবং নেটওয়াকিং সম্পর্কে বেশ ভাল জ্ঞান থাকতে হবে। সাধারনত কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বা কম্পিউটার বিষয়ক অন্য কোন গ্রাজুয়েশন ডিগ্রীধারীরা এই কোর্স নিয়ে থাকে। তবে অন্যান্যদের হতাশ হবার কিছু নেই, চেষ্টা থাকলে অন্যদের পক্ষেও ভাল করা সম্ভব। CCNA Exploration এরও এক বছর মেয়াদী মোট ৪টি সেমিস্টার। এগুলো হচ্ছে -
১। Network Fundamental
২। Routing Protocol and Concept
৩। LAN Switching and Wireless
৪। Accessing the WLAN

CCNA কেন পড়ব?
এরকম প্রশ্ন মনে আশা স্বাভাবিক। এক্ষেত্রে উত্তরটাও মন থেকেই বের করতে হবে। ভাবতে হবে আপনার চাহিদাটা কি। আপনি কি আপনার ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার নেটওয়ার্কিং নিয়ে সাজাতে চান? আপনার জব অপরচুনিটি বাড়ানোর জন্য কি নেটওয়াকিং জানা প্রয়োজন? আপনার কি আগ্রহ আছে নেটওয়াকিং এর প্রতি? তবে মনে রাখতে হবে যে CCNA কোন গ্রাজুয়েশন লেভেলের কোর্স বা তার সমপর্যায়ের নয়। তবে CCNA Certified দের চাকুরী বাজার আছে।

অনেকে মনে করেন এইসব কোর্স কম্পিউটার সায়েন্সে গ্রাজুয়েটদের জন্য। আসলে কম্পিউটার সায়েন্সে গ্র্যাজুয়েশন না করেও কিন্তু নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ার হওয়া সম্ভব। আমাদের দেশে আইএসপিগুলোতে নেটওয়ার্ক সাপোর্ট ইঞ্জিনিয়ার এমনকি অনেক ব্যাংকে পর্যন্ত নেটওয়ার্ক সাপোর্ট ইঞ্জিনিয়ার রয়েছেন যারা কম্পিউটার সায়েন্স কখনো পড়েননি। কিন্তু বিভিন্ন আইটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, থেকে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বিষয়ে ১ বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা সম্পন্ন করে জব মার্কেটে ঢুকে পড়েছে। ১৯৯৩-১৯৯৭ সাল পর্যন্ত যারা এসব ডিপ্লোমাগুলো করে জব মার্কেটে ঢুকেছিলেন এমন অনেকেই আজকে অনেক বড় প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের কর্ণধার। অথচ ওনাদের কোন কম্পিউটার সায়েন্সে গ্র্যাজুয়েশন নেই, এমনকি সাধারণ ডিগ্রী পাস অনেকেও নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছেন। তবে বর্তমানে যেসব প্রতিষ্ঠান ডিপ্লোমা করাচ্ছে তাদের মান কিছুটা কমে গেছে বললে খারাপ কিছু বলা হবে না। অন্যদিকে প্রতিযোগিতা এ পেশার ক্ষেত্রে অনেক বেড়ে গেছে এবং কম্পিউটার সায়েন্সে গ্র্যাজুয়েট করেও অনেকে নেটওয়ার্কিং ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপ্লোমাগুলো আবার করে নিচ্ছে। যদি আপনি কম্পিউটার সায়েন্সে না পড়ে থাকেন তবে নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্ন থেকে থাকে তাহলে আপনাকে স্বাগতম; কারণ এ পেশায় কম্পিউটার সায়েন্সে গ্র্যাজুয়েট নয় এমন ক্যারিয়ারিস্টের সংখ্যা অনেক। তবে এক্ষেত্রে আপনাকে দু’তিনটি ইন্টারন্যাশনাল ভেন্ডর সার্টিফিকেট কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং এর উপর অর্জন করতে হবে। একই কথা কম্পিউটার সায়েন্সের বেলায়ও প্রযোজ্য।

কিভাবে শুরু করব?
কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ারিং এ পেশা গড়ার ইচ্ছা থাকলে অবশ্যই আপনার ধৈর্য থাকতে হবে অত্যন্ত দুই বছর এ বিষয়টি অধ্যয়ন করার। আমার মতামত হলো প্রথমে আপনি যদি কম্পিউটার সায়েন্সে না পড়ে থাকেন তাহলে নীলক্ষেত থেকে বাংলাভাষায় লিখিত কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং বিষয়ে একটি বই কিনে পড়া শুরু করুন। পাশাপাশি ইংরেজি একটি নেটওয়ার্কিং বই কিনে নেবেন। আর কম্পিউটার সায়েন্সে গ্র্যাজুয়েশন করছেন যারা তাদের বলছি, ডেটা কমিউনিকেশন এবং কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং কোর্স দুটি ভাল মত কমপ্লিট করবেন। যদি দেখেন কোর্স দুটির বিষয় আপনাকে আকর্ষণ করেছে এবং ভবিষ্যতে এ বিষয়ে ক্যারিয়ার গড়ার ইচ্ছা জন্মেছে তাহলে অন্তত দুটি ইন্টারন্যাশনাল ভেন্ডর সার্টিফিকেট অর্জন আপনাকে করতেই হবে। যেমন: প্রথমে CCNA তারপর CCNP।

CCNA কোর্স কোথায় করব ?
CCNA কোর্সটির পরীক্ষা দিতে হয় অনলাইনে এবং কোর্স ম্যাটেরিয়াল সব প্রতিষ্ঠানেই একই। সুতরাং আপনি CCNA যে কোন সেন্টার থেকেই করতে পারেন। সব সেন্টারের সার্টিফিকেট Cisco থেকে আসবে এবং সবার সার্টিফিকেট ভ্যালু সমান। শুধু আপনাকে মনযোগী হতে হবে এবং আগ্রহ ধরে রাখতে হবে। তবে ল্যাবে রিসোর্স বেশী থাকলে কিছু বাড়তি সুবিধা পাবেন হাতে কলমে শিখে নেওয়ার। এছাড়া সিমুলেশন সফটওয়্যার Packet Tracer যেটি Cisco থেকে দেওয়া হয় এখানেও আপনি নেটওয়াকিং প্রাকটিস করতে পারবেন। সুতরাং আপনি খোজ করুন সেন্টারটি অবস্থান এবং কোর্স ফির উপর ভিত্তি করে। CCNA জন্য কোন ফিক্সড ফিস নাই, যার কারনে সেন্টার টু সেন্টার এর ফিস ভিন্ন হতে পারে। আমাদের দেশে সিসকোর লোকাল এডুকেশন একাডেমিগুলো হলো- বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, আহসানউল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ইত্যাদি। উচ্চ মাধ্যমিক বা এইচএসসি সমাপ্ত করে যে কেউ বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু এক বছর মেয়াদি এ একাডেমিক কোর্সে ভর্তি হতে পারবে। সিসকো কোর্স ক্যারিকুলাম ও এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ তথ্য পেতে যোগাযোগ করুন সিসকোর অফিশিয়াল ওয়েব সাইটে http://cisco.netacad.net আর একাডেমিক কোর্স করার পর ভেন্ডর পরীক্ষা সহজে দিয়ে দেওয়া যায়।

ক্যারিয়ার ক্ষেত্র
কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করার সুযোগ রয়েছে আইএসপি অর্থাৎ ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার কোম্পানিগুলোতে। এছাড়া মোবাইল কোম্পানি, ব্যাংক, এয়ারলাইন, ট্রাভেল এজেন্সি, শেয়ার মার্কেট, মাল্টিন্যাশনাল ও ন্যাশনাল কোম্পানি, বায়িং হাউজে অর্থাৎ যেখানে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক আর ইন্টারনেট ব্যবহার করা হয় সেখানেই রয়েছে চাকরির সুযোগ। দিনে দিনে এই চাকরির বাজারটি বড় হচ্ছে।

আমার অভিজ্ঞতা :
আমি বর্তমানে CCNA Exploration কোর্সটি করছি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে। ৪ টি সেমিস্টারের মধ্যে আমার ৩টি সেমিস্টার সম্পন্ন হয়েছে, এখন ৪র্থ(শেষ) সেমিস্টারটি চলছে। আমার কাছে CCNA কোর্সটি খুবই মজার মনে হয়েছে, নেটওয়ার্কিং এর বেসিক আগেই ছিল কিন্তু তারপরও অনেক নতুন কিছু শিখেছি এই কোর্সটিতে। তাই আমার মনে হয় আইটি গ্রাজুয়েট যাদের ভবিষ্যত পরিকল্পনা নেটওয়ার্কিং নিয়ে, তাদের উচিৎ শুধুমাত্র গ্রাজুয়েশন কোর্সের উপর নির্ভর না থেকে পাশাপাশি এই ধরনের কোর্সগুলো করা। এর জন্য আপনাকে খুব বেশী সময়ও ব্যয় করতে হবে না। এক বছর মেয়াদী কোর্স হওয়ায় একটু নিয়মিত পড়াশুনা করলেই ভাল করা সম্ভব। অনলাইন পরীক্ষাগুলো হয় MCQ আকারের। এছাড়া Skill Exam এবং Written পরীক্ষা দিতে হয়। মোট ১০০ মার্কসের ভেতরে ৭০ মার্কস পেলে পাস ধরা হয় এবং সাটিফিকেট পাবেন। তবে আপনি যদি ৮০ মার্কস পান তবে আপনাকে একটি স্পেশাল লেটার দেওয়া হবে। এছাড়া আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার সম্পর্কে বলতে গেলে বলব আমি পুরোপুরি সন্তুষ্ট, আমাদের এখানে আধুনিক ল্যাব রয়েছে এবং আছে হাইস্পিড ইন্টারনেট যুক্ত কম্পিউটার সুবিধা। তবে আমার মনে হয় শুধু CCNA করেই নেটওয়াকিং শেখা শেষ করে দেওয়া উচিৎ নয়। CCNP বা অন্য কোন কোর্স একটু দীর্ঘমেয়াদী সময় নিয়ে লেগে থাকলে সাফল্য আসবেই।

যাইহোক, আশাকরি আমার এই লেখাটি আপনার সিদ্ধান্ত গ্রহনে সহায়তা করবে। ধন্যবাদ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/28948161 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/28948161 2009-05-08 23:29:56
উইন্ডোজ এক্সপির কাস্টমাইজ সিডি তৈরী করুন উইন্ডোজ ড্রাইভ ফরমেট করে নতুন করে উইন্ডোজ এক্সপি সেটআপ করা অনেক ঝামেলার কাজ। কারন উইন্ডোজ এক্সপি ইনষ্টল করতে গেলে অনেক ধরনের তথ্য দিতে হয়। এর মধ্যে সিরিয়াল নম্বর, এ্যাডমিনিষ্ট্রেটরে পাসওয়ার্ড, কম্পিউটারের নাম ইত্যাদি। যা অনেক সময় বিরক্তিকর এবং সময় সাপেক্ষ হয়। এছাড়া ইন্সটলের পর মাদারবোর্ড, ল্যানকার্ড, সাউন্ডকার্ড ইত্যাদির ড্রাইভার ইন্সটল করতে হয়। আমি অনেকদিন থেকে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবার উপায় খুজছিলাম। একটি ভাল উপায় পেয়েছি তা হচ্ছে উইন্ডোজের কাষ্টমাইজ সিডি তৈরী করে রাখা। আপনি যদি উইন্ডোজ এক্সপির একটি কাষ্টমাইজ সিডি তৈরী করে রাখেন তাহলে প্রতিবার ইনষ্টল করার সময় এসব তথ্য দিতে হবে না, আবার ড্রাইভারগুলোও অটোমেটিক পেয়ে যাবে। চাইলে আপনি আপনার পছন্দের কোন থিমও ব্যবহার করতে পারবেন। এছাড়া আপনার দরকারী কিছু সফটওয়্যার যা সবসময় আপনি ইন্সটল করে থাকেন যেমন : মিডিয়া প্লেয়ার, ফ্লাশ প্লেয়ার, ডিরেক্স এক্স, ফক্সি রিডার, উইন্ডোজ অফিস ইত্যাদিও চাইলে উইন্ডোজ এক্সপি ইন্সটলের সাথেই যুক্ত করা সম্ভব। আমি এসব নিয়ে এখানে ধাপে ধাপে আলোচনা করব।

যা যা লাগবে :
১। nLite সফটওয়্যার
২। মাইক্রোসফটের ডট নেট ২.০
৩। উইন্ডোজ এক্সপি সিডি।

nLite সফটওয়্যার দিয়ে আপনি উইন্ডোজ এক্সপির কাস্টমাইজ সিডি তৈরী করতে পারবেন। ২.৫৪ মেগাবাইটের ফ্রিওয়্যার এই সফটওয়্যারটি www.nliteos.com থেকে ডাউনলোড করে ইনষ্টল করে নিন। এজন্য আপনার কম্পিউটারে মাইক্রোসফটের ডট নেট ২.০ সংস্করণ ইনষ্টল থাকতে হবে।

# প্রথমে nLite সফটওয়্যারটি চালু করুন এবং ইংরেজী ভাষা নির্বাচিত রেখে Next বাটনে ক্লিক করুন।



# Location the Windows installation উইন্ডো থেকে Browse বাটনে ক্লিক করে আপনার কম্পিউটারে থাকা উইন্ডোজের লোকেশন (সরাসরি সিডি থেকে হবে না) দেখিয়ে দিন তাহলে উইন্ডোজের সকল তথ্য চলে আসবে।



# এবার Next বাটনে ক্লিক করে আবার Next বাটনে ক্লিক করুন। Task Selection এ All বাটনে ক্লিক করে Next করুন।



# Service Pack উইন্ডোতে আপনি চাইলে এক্সপির সার্ভিস প্যাক ৩ যুক্ত করতে পারেন Select বাটনে ক্লিক করে। উইন্ডোজ এক্সপির সার্ভিস প্যাকটি দেখিয়ে দিলেই এটি ইন্ট্রিগেট হয়ে যাবে।



# এরপরে Next করে Hotfixes, Add-ons and Update Packs
উইন্ডোতে নতুন Update Packs বা Add-ons যুক্ত করতে পারবেন।



কোথায় পাবো Hotfixes, Add-ons বা Update Packs??
১। RyanVM Post SP3 Update Pack.
২। www.winaddons.com
৩। Windows Updates Downloader
৪। TheHotfixShare
৫। MSFN
৬। SoftwarePatch

# Windows Media Player 11 যুক্ত করার জন্য WMP11 Integrator এবং WMP11 installer ডাউনলোড করুন। এরপর WMP11 Integrator এর সাহায্যে উইন্ডোজ এক্সপির সাথে Windows Media Player 11 যুক্ত করুন।

# Internet Explorer 7.0 যুক্ত করার জন্য IE7 ডাউনলোড করে nLite এর সাহায্যে .exe ফাইলটি যুক্ত করুন।

# এরপরে Next করে Drivers উইন্ডো থেকে প্রয়োজনীয় ড্রাইভার (প্রিন্টার, ল্যান, গ্রাফিক্স, সাউন্ডকার্ড ইত্যাদি) Insert করতে পারেন। আপনার যদি মাদারবোর্ডের সিডি বা অন্য যেকোন ড্রাইভার সিডি থাকে তবে শুধু সিডিটি দেখিয়ে দিলেই অটোমেটিকভাবে সব ড্রাইভার নিয়ে নেবে। অথবা http://driverpacks.net/ সাইট থেকে আপনি ড্রাইভার ডাউনলোড করে নিতে পারেন। ইন্টেলের ড্রাইভার ডাউনলোড সাইট হচ্ছে http://downloadcenter.intel.com



# এবার Next করে করে Components উইন্ডো থেকে প্রয়োজনীয় কম্পোনেন্টগুলো নির্বাচন করুন এবং Next করুন। লাল চিহ্নিত Components গুলো গুরুত্বপূর্ন তাই এগুলো Disable না করাই ভাল।



# এরপরে Unattended উইন্ডোর General ট্যাবে গিয়ে Product Key দিন। এটি উইন্ডোজ এক্সপির সিরিয়াল নম্বর।



# এবার User ট্যাবে গিয়ে User Create করুন। এখানে আপনি আপনার নাম, একাউন্টের নাম, পার্সওয়ার্ড ইত্যাদি তথ্য দিয়ে দিতে পারবেন।



# Owner and Network ID ট্যাবে আপনি আপনার Computer Name এবং Workgroup দিয়ে দিতে পারবেন, যা পরবর্তীতে LAN Networking করার সময় আপনার কাজে আসবে।



# Regional ট্যাবে গিয়ে আপনি আপনার Location, Localization, Timezone, Language group ইত্যাদি তথ্য দিয়ে দিতে পারবেন, যা পরবর্তীতে ইন্সটলের সময় আপনাকে আর দিতে হবে না।



# এখন Next করে Options উইন্ডোর General ট্যাব থেকে প্রয়োজনবোধে বিভিন্ন অপশনস পরিবর্তন করতে পারেন।



# Options উইন্ডোর Patches ট্যাব থেকে Maximum unfinished simultaneous connections সেট করুন ১০০ থেকে ১০০০ এর মধ্যে। USP Port Polling Frequency এ প্রয়োজনমত USP Polling Frequency সেট করুন। Unsighned Themes Support আপনাকে 3rd Party Themes ব্যবহার করতে দেবে সেক্ষেত্রে এটি Enable রাখুন। Windows File Protection এটি আদতে সুবিধাজনক মনে হলেও এটি Disable রাখাই আমার মনে হয়েছে ভাল, কারন প্রয়োজনে অনেকসময় Windows File চেঞ্জ করার দরকার হতে পারে।



# এবার Next করে Tweaks উইন্ডো থেকে প্রয়োজনীয় টোয়ীক এবং সার্ভিস নির্বাচন করুন। এগুলো হচ্ছে উইন্ডোজের বেসিক সেটিং যেমন : ডেক্সটপে মাই কম্পিউটার আইকন থাকবে কিনা, উইন্ডোতে সাইড ম্যানুতে কি কি অপসন থাকবে, কন্ট্রোল প্যানেল কিভাবে সাজানো থাকবে ইত্যাদি।



# এর পরে Next বাটনে ক্লিক করলে Do you want to start the process? আসবে। Yes দিয়ে দিন, তাহলেই Process শুরু হবে।



# প্রসেস শেষ হলে Next করলে Bootable ISO উইন্ডো আসবে। এখান থেকে আপনি সরাসরি সিডিতে রাইট করতে পারবেন বা বুটেবল ইমেজ তৈরী করতে পারবেন পরবর্তিতে রাইট করার জন্য। বুটেবল ইমেজ তৈরী করতে Mode এ Create Image নির্বাচন করে Label লিখে Make ISO বাটনে ক্লিক করুন।



# এবার নির্দিষ্ট লোকেশন দেখিয়ে Save করুন।

ব্যাস এরপরে উক্ত ইমেজ সিডিতে রাইট করলেই হয়ে গেলো আপনার কাস্টমাইজ উইন্ডোজ এক্সপি।

এরপর থেকে আরো সহজে কাস্টমাইজ এক্সপি ইনষ্টল করতে পারবেন। আর উইন্ডোজ ভিসতাকে কাস্টমাইজ করতে আপনাকে ভিলাইট (www.vlite.net ) ব্যবহার করতে হবে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/28944312 http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud75/28944312 2009-04-29 23:38:23