ক্ষমতা দখলের হাতিয়ার নই, এসো দিন বদলের যোদ্ধা হই

ধর্ম নিয়ে কয়েকটি প্রশ্ন (?)

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৯:৪৪

শেয়ার করুন:                   Facebook

ধর্ম নিয়ে কয়েকটা প্রশ্ন করতে চাই। দয়া করে কেউ মাইন্ড করবেন না। কারো অনুভূতিতে আঘাত দেবার জন্যও প্রশ্ন করছিনা। শুধু মাত্র উত্তর জানার জন্যই করছি। আমি জন্মসূত্রে মুসলমান। তাই প্রশ্নগুলো ইসলাম ধর্মকেই নিয়ে। ইসলাম ধর্মে নারী-পুরুষে এত বৈষম্য কেন?

১. ইসলাম ধর্মে পুরূষদের জন্য বেহেশতে উপহারস্বরূপ হুর বরাদ্দ আছে কিন্তু মহিলাদের জন্য কি বরাদ্দ আছে?
২. ইসলাম ধর্মে নারীদের পর্দানশীল হতে বলা আছে কিন্তু পুরুষদের নয় কেন?
৩. স্বামীর পদতলে স্ত্রীর বেহেশত কিন্তু স্ত্রীর পদতলে স্বামীর কী?
৪. স্বামীরা স্ত্রীর অনুমতিক্রমে ৪ টা বিবাহ করতে পারে কিন্তু স্ত্রীরা নয় কেন?
৫. ইসলাম ধর্মে পুরুষরা চাইলে দাসীদের সাথে সহবাস করতে পারে কিন্তু মহিলারা?
৬. ধর্মগ্রন্থ কোরান এ আছে- ‘পুরুষের অধিকার আছে নারীর উপর আধিপত্য করার, কারন আল্লাহ পুরুষকে নারীর চেয়ে উন্নততর মানুষ হিসেবে তৈরী করেছেন’ – আমার প্রশ্ন ধর্মেও নারী-পুরুষে এত বৈষম্য থাকবে কেন?

উপরোক্ত প্রশ্ন গুলোর উত্তর কারো জানা থাকলে দয়া করে আমাকে জানালে উপকৃত হব।

 

 

  • ৪৩ টি মন্তব্য
  • ৪৪৪ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৭ জনের ভাল লেগেছে, ৮ জনের ভাল লাগেনি
১. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৯:৪৯
comment by: যাযাবর পংক্তিমালা বলেছেন: এগুলো তো ইসলামী চিন্তাবিদেরাও বলতে পারবেনা......প্রথম শর্ত যে....কোন প্রশ্ন না করে অন্ধ ভাবে বিশ্বাস করতে হবে....
২. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৯:৫৬
comment by: অবজারভার বলেছেন: আপনি নিশ্চয়ই জানেন, পৃথিবীতে কোনো ধর্মই নারীর হাত ধরে আসে নি। অর্থাৎ কোনো ধর্মেই কোনো নারী নবী নেই। পুরুষরা যেরকম চায়, ধর্মগ্রন্থগুলোতে নারীদের অবস্থান সেরকমভাবেই অংকিত হয়েছে। এবং সেটা খুবই বৈষম্যপূর্ণভাবে।

নারীর সমানাধিকার প্রতিষ্ঠার পথে এ কারণেই ধর্মকে একটা অন্তরায় হিসেবে গণ্য করা যায়।

আপনি যে বিষয়ে পোস্ট করেছেন সেটা কিন্তু খুবই সেনসেটিভ। আশংকা করি কিছুক্ষণের মধ্যেই এই পোস্টটি ব্যান হতে পারে।
৩. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১০:০০
comment by: উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: বাপরে, মার মার কাট কাট প্রশ্ন। যাউকগা আমি যদিও কিছু জানি না , তাও উত্তর দেই:
১) জানি না, তয় স্বামীরেই দেয়া দরকার আরো তন্দুরস্ত কইরা!
২) পুরুষগো চোখের পর্দা করতে কইছে। আর শরীরের পর্দা মিয়া কেমনে হয়, তাইলে তো বডি বিল্ডাররা শো কেমনে করবো?
৩) এইটা কোনো খানে লেখা নাই, একমাত্র মায়ের ঠ্যাং এর নীচে সন্তানের লিগা বেহেশত বরাদ্দ!তয় আপনি মনে হয় ফুটপাতের নামায শিক্ষা টাইপ বইতে পাইছেন!
৪) জানি না!
৫) এইটা কৈ পাইছেন? এইটাও কি ফুটপাটের নামায শিক্ষায় পাইছেন?
৬) জানি না।


যাই হোক আমার মসলায় ভুল হইলে ক্ষেমা কইরা দিয়েন!
৪. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১০:০০
comment by: মুহিব বলেছেন: ২ - পুরুষ দেহে দেখলে িচত্ত চঞ্চল হয়না।৩ - ভুয়া কথা। ৪ - সন্তানের বাপ িনিশ্চিত করতে। ৫ - ভুয়া কথা।৬ - পুরুষকে অিধক দািয়ত্বশীল করতে নারীকে অবহেলা করতে নয়।
৫. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১০:০১
comment by: একে ৪৭ বলেছেন: ১ গেলেমান আচে না
২ ওই মিয়া, পোলারা কি উলঙ্গ হইয়া বাইরে জাইতে পারব? নাভি থেইকা পা পর্যন্ত ঢাকা ফরজ। আর একটা কতা"মাইয়াদের শরীর আর পোলা গো শরীর কি এক?" বৈষম্য তো এখানেও হইয়া গেল
৩"স্বামীর পদতলে স্ত্রীর বেহেশত" এইটা কই পাইছ? মায়ের পায়ের তলে সন্তানের বেহেস্ত দেখ মেয়েদের কে কত উপরে তুলা হইছে?
৪) চার টা পারে কিন্তু তুমি কি এর জন্য যে যে শর্ত দেওয়া আচে তাকি দেখছ? আমি একটা বউ নিয়াই বিরাট জন্ত্রনার মাঝে আছি। ৪ তা হইলে কি হইতো? মাবুদ মাফ করো।
৫) এই কাহিনী যে সময় কার ওই সময় এইডা জায়েজ কইরা দিচিল সমইয়ের দাবি। উত্তর তা অনেক জটিল আমি নিজেও এত জ্ঞ্যানি না।
৬ এর জন্য যে আয়াত থন পাইছ অই আয়াত তা উল্লেখ কর। পইরা দেখুম নে।
৬. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১০:০৫
comment by: জোনাকি বলেছেন: ১. নরী যাদি ভালো কাজ করে তাইলে পরকালে সে তার স্বামীকেই আবার ফিরে পাবে!
৩. আমি শুনেছি ঐটা কোন হাদিসে নাই! স্বামীর পায়ের নিচে স্ত্রীর বেহেসত এই টা নাকি নাজিল হওয়ার কথা ছিল কিন্তু হয় নাই (আমার শুনা কথা)


এই ২ টাই জানি!(শুনা কথা)
বাকি গুলা জানি না!
৭. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১০:১০
comment by: মাহমুদউল্লাহ বলেছেন: আমি যতদুর জানি..
২)পুরুষদের ও এমন কিছু পড়তে নিষেধ করা হয়েছে যাতে তাদের শরীরের যে অংশ আবৃত রাখতে বলা হয়েছে তার অবয়ব বুঝা না যায়।
৩) এটা ইসলামে বলা হয়নি।
৫)ইসলামে এটা হারাম।
৬) কোন সুরার কোন আয়াত জানালে ভালো হত।

যেগুলা সম্পকে ধারনা আছে সেগুলা বললাম।
৮. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১০:২২
comment by: প্রশ্ন কত বলেছেন: ১.বেহেশতে কারোর অতৃপ্তি থাকবে না,মহিলা যদি আগের স্বামীকে চান তাকে পাবেন ।না হলে পছন্দ মত পুরুষ হুর পাবেন ।মূল কথা,বেহেশতে কারোর অতৃপ্তি থাকবে না।
বাকি পরে ।
৯. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১০:২৫
comment by: ইলা বলেছেন: ১। জন্নাতি মহিলারা হবে হুর।
২। পুরুষদের পোষাক পরিধানে ব্যাপারে নিয়ম কানুন আছে।
৩। এই কথার ভিত্তি নাই। ভুয়া কথা।
৪। কঠিন শর্ত আছে।
৫। এই ফতোয়া এখনকার জন্য প্রযোজ্য নয়।
৬। পুরুষদের শারীরিক শক্তি এবং বুদ্ধমত্তা অনেক বেশী নারীদের তুলনায়। মহান আল্লাহ এভােব সৃষ্টি করেছেন। আর তাই পুরুষরাই হবে নেতা। তবে নারীদেরসােথ পরামর্শ করতে হবে।
১০. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১০:২৬
comment by: আউটসাইডার বলেছেন: আপনার এইসব ফালতু প্রশ্ন অনেক পুরোনো এবং সস্তা। আমি ১০০% নিশ্চিত যে এই প্রশ্ন গুলি আপনার নিজের মস্তিষ্কপ্রসূত না।যাইহোক আপনার প্রশ্ন গুলির উত্তর দিচ্ছি নীচে, জানি এগুলি আপনাকে সেটিসফাইড করবেনা, কারণ আল্লাহ কোরআনে বলেছেন যে মানুষের মধ্যে অনেকেই থাকবে যারা কখনোই আল্লাহর কালাম কে বিশ্বাস করবেনা। সুতারং ছিদ্রান্বেষন আপনারা চালিয়ে যাবেন যাতে আপনাদের কোন লাভ নেই ক্ষতি ছাড়া:
১।সব কথা তো ডাইরেক্টলি বলার দরকার নাই রে ভাই। আল্লাহ তাআলা তো আপনারে একটু বুদ্ধি দিছে যে ছেলেদের জন্য যদি হুর থাকে তাহলে মেয়েদের জন্য কি থাকবে। এত পরিষ্কার ভাবে বলার তো কিছু নাই। এমন তো হইতে পারে যে আপনার বউ হুর হিসেবে আপনাকে সং দিবে। সমস্যা তো নাইরে ভাই।

২। একটু পড়াশুনা করলেই জানতে পারবেন পুরুষদের ও অংগ ঢাকার কিছু নিয়ম আছে। কোথাও বলে নাই ছেলেরা সতর না ঢেকে ঘুরতে পারবে।

৩।ভূয়া তথ্য।

৪। ধরেন ক একটা মানুষ। এখন ক এর মা যদি চারটা বিয়ে করে তাইলে ক কেমনে শিওর হবে যে হের বাপ কে?ব্যাপরটা বুঝছেন না বুঝেন নাই? না বুঝলে আর কিছু কইতে পারুম না।

৫।তখনকার দাস প্রথা ডিফরেন্ট ছিল। আর আগের উত্তর টা একটু রিলেট করেন।

৬।উন্নততর বলে নাই গো ভাই। শক্তির দিক দিয়ে, কষ্ট করার ক্ষমতার দিক দিয়ে তো
১১. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১০:৩২
comment by: চতুরভূজ বলেছেন: আউটসাইডারের কমেন্টে ৫৫৫৫। আমি লিখতে চাচ্ছিলাম কিন্তু তার আগেই আপনি লিখেছেন, অনেক ধন্যবাদ আউটসাইডার।
আর যারা নিজের চেহারা বিকৃত করে ইচ্চাকৃতভাবে ইসলামকে পঁচানোর মিশন নিয়েছে তাদের জন্য ঘৃনা।
১২. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১০:৩৪
comment by: একে ৪৭ বলেছেন: মাহমুদ মামুন ভাই এবার কিছু একটা কও অনেক ত শুনলা।
১৩. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১০:৩৪
comment by: শেষমাত্রা বলেছেন: আরেকটা ভেড়া মামুনের উদভব হয়েচে দেকি।বালা,কুব বালা।যারে আবাল পর্বতের তলে গিয়া শুকনা ঘাস খা।

আতাগাছে তুতা ফাখি পেচা ঘরের চালে
শালার বোলগ ভরিয়া গেচে ভেড়ার পালে পালে
১৪. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১০:৩৫
comment by: শেষমাত্রা বলেছেন: ১ ছিটানো হইল।
১৫. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১০:৩৬
comment by: আউটসাইডার বলেছেন:
১৬. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১০:৩৬
comment by: রাগিব বলেছেন: ১ এর ক্ষেত্রে, প্রশ্ন হলো, যাদের একাধিক বিবাহ (বিধবা বা তালাকের পরে অন্য স্বামীকে), সেই সব মহিলাদের ক্ষেত্রে কী হবে? কোন স্বামীকে বেছে নেয়া হবে?
১৭. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১০:৩৯
comment by: চে বলেছেন: ধন্যবাদ, মাহমুদ মামূন, সাহস করে প্রশ্ন গুলি করার জন্য। আমারা অনেক কিছু জানতে পারছি।

আমার মনে হয় ইলা সবচেয়ে ভাল বলেছেন। আউটসাইডার এর ভুমিকাটা বিদ্বেষপ্রসুত।
অন্যান্য ব্লগারদের সুচিন্তিত পোস্ট এর অপেক্খায় থাকলাম।
১৮. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১০:৪২
comment by: একে ৪৭ বলেছেন: @ রাগিব ভাই
"যে স্বামীকে পাইলে সে সুখী হইবে"

১৯. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১০:৪৫
comment by: আউটসাইডার বলেছেন: চে@বিদ্বেষপ্রসুত অবশ্যই।আমি গ্যানপাপীদের ঘৃনা করি। আর বললাম তো এইসব প্রশ্ন আর উত্তর অনেক পুরানো। কিন্তু গ্যানপাপীদের তা সেটিসফাইড করতে পারেনি। কারণ তাঁরা ডিসাইড করেই নিয়েছে যে সব বুঝলেও ইসলাম বুঝবে না।
যেকোন বিষয়েই প্রশ্ন করা খুব সহজ।সস্তা প্রশ্নের জন্য কাউকে আমি ক্রেডিট দিতে রাজি নই।
২০. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১০:৪৭
comment by: মুহিব বলেছেন: বাকোয়াজ বন্ধ কর
২১. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১০:৪৭
comment by: আউটসাইডার বলেছেন: সুরা আন নিসা খুব মনোযোগ দিয়ে পড়েন, পড়ার জন্য না শুধু, বোঝার জন্য পড়েন, সব উত্তর পাবেন নারী বিষয়ে আপনাদের যুক্তিসংগত প্রশ্নের।
২২. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১০:৫১
comment by: যাযাবর পংক্তিমালা বলেছেন: অনেক জানলাম....সবাইরে ধন্যবাদ....
২৩. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১০:৫৩
comment by: অচেনা বাঙালি বলেছেন: [link|http://www.somewhereinblog.net/blog/abblog/28704035][wjsK=http://www.somewhereinblog.net/blog/abblog/28704035|!@@!1823634 !@@!1823635 !@@!1823636 !@@!1823637 !@@!1823638 !@@!1823639 ]
২৪. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১০:৫৬
comment by: ইয়।সিন কবির বলেছেন: প্প্ব প্প্ব েপ্প্ব্বপ্প্বজ্জপ্প্বপ্প্ব্রেপ্প্মপ্প্বেক্ক প্প্বগুপ্প্বগুপ্প্ম প্প্বমপ্প্বজ্জ প্প্ব্রপ্প্ম্কপ্প্বগুপ্প্ম প্প্ব্ব .......................
২৫. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১১:০০
comment by: একে ৪৭ বলেছেন: অচেনা বাঙালি গেলেমান দের একটা বর্ননা দেওন জাই না। মাইয়া রা মাইন্ড করব। বৈষম্য তো এখানেও হইয়া গেল ।
২৬. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১১:০৩
comment by: অচেনা বাঙালি বলেছেন: গেলমানদের দরকার কি স্বামী আছে না
২৭. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১১:০৪
comment by: লালন ফকির বলেছেন: সুন্নত দিলে হয় মুসলমান
নারীর তবে কী হয় বিধান
বামন চিনি পৈতেয় প্রমাণ
বামনি চিনি কীসে রে!
২৮. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১১:০৮
comment by: একে ৪৭ বলেছেন: ৭০ টা স্বামী কই পাইব? আর আমি চাইছিলাম বৈষম্য এড়াতে
২৯. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১১:১৩
comment by: যাযাবর পংক্তিমালা বলেছেন: দেখলাম তো......হুরের যে বর্ণনা দেয়া আছে.....ডরাইছি....আমি ভাই ছোটখাট মানুষ.....
৩০. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১১:১৩
comment by: অনিশ্চিত বলেছেন: প্রশ্নগুলো উত্থাপন করার জন্য ধন্যবাদ। যদিও প্রশ্নগুলো পুরনো, কিন্তু এর যুক্তিযুক্ত উত্তর পাইনি।
৩১. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১১:১৩
comment by: অচেনা বাঙালি বলেছেন: যে ব্যাডা একলা ৭০ টা হুররে সামলাইতে পারে হে একাই ৭০ টা স্বামীর কাম করবো
৩২. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১১:২৪
comment by: এখনও গল্প লিখি বলেছেন: ইসলাম নাকি কনক্রিট। এর অনুসারিরা নিজেরাই এত কনফিউসড কেন? জবাব দিবেন সরাসরি।
৩৩. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১১:৩১
comment by: মো: খায়রুল বাসার বলেছেন: আউটসাইডারের কমেন্টের জন্য ৫।
৩৪. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ১২:১৯
comment by: প্রশ্ন কত বলেছেন: @এখনও গল্প লিখি বলেছেন
ইসলাম এর অনুসারিদের পড়াশোনা , জানাশোনা ভিন্ন ,এবং ঘাটতি আছে , এত কনফিউসড । কোন ধর্মের অনুসারীদের মধৈ কনফিউসন নাই?।

৩৫. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ১২:৫৪
comment by: প্রশ্ন কত বলেছেন: ৬.নারী পুরুষ ভিন্ন,তাই তাদের ভিন্ন অধিকার ।বৈষম্য না ।নারী পুরুষ কে এক ধরা ভুল। এই ভুলের কারণেই বৈষম্য মনে হয়।
৩৬. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ১:৪৪
comment by: ব্লগারু বলেছেন: জন্মসূত্রে আমি হিন্দু। হিন্দু ধমেও নারী-পুরুষে বৈষম্য রযেছে। কিন্তু ভারতে আমরা তা অনেকটা কাটিয়ে উঠেছি। যার প্রবল উদাহরণ হল আমাদের রাষ্ট্রপতি। ধন্যবাদ।
৩৭. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১০:৩৪
comment by: চে বলেছেন: মাহমুদ মামূন

আপনার পরের পোস্টের অপেখ্খায় আছি।
৩৮. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১০:৪৯
comment by: সূর্য বলেছেন: আউটসাইডারের বক্তব্য টিপিক্যাল। যুক্তির সামনে যখন ওরা দাঁড়াতে পারবেনা তখন নানারকম ভুজুংভাজুং দিয়ে বিষয়টির রহস্যীকরণেই ওদের গন্তব্য।
দেখুন একখানে সে বলছে কোরানের একটি সুরা মন দিয়ে পড়লেই সব জবাব পাওয়া যাবে আবার একটু আগেই বলেছে যে কোরানে সবকথা ডাইরেক্টলি বলার দরকার নেই, বুদ্ধি দিয়ে বুঝতে হবে।
তারপর সেই পঁচা বুলি কোরানের দোহাই দিয়ে।
প্রশ্ন করা সবসময় সহজ নয়। মাহমুদ মামুনকে স্যালুট প্রশ্নগুলো করার সাহস থাকার জন্য।
৩৯. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১১:১৪
comment by: মাহমুদউল্লাহ বলেছেন: @সূর্য। প্রশ্ন করা ভাল, কিন্তু প্রশ্ন দেখলেই বোঝা যায়, কে জানতে চায় আর কে ফাজলামি করছে। যদি কিছু জানতে চান, তাহলে নিজে আগে একটু পড়াশোনা করে নেয়া উচিত নয় কি? খুবই কি কঠিন? উনার কিছু প্রশ্ন দেখলেই বোঝা যায়, জানার চেয়ে ফোরাম গরম করাই উনার উদ্দেশ্য। প্রথম পোস্ট এর পরে আর কিন্তু উনার পাত্তা নাই।
৪০. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১১:৪৬
comment by: মাহমুদ মামূন বলেছেন: @ মাহমুদউল্লাহ,
আপনি ভুল বলছেন। ফোরাম গরম করা আমার উদ্দেশ্য নয়। আমি এখন নিয়মিতই লিখছি। আপনি আমার ব্লগ দেখলেই তা বুঝতে পারবেন যদিও আমি এই ব্লগে একজন নবাগত। আর আমার প্রতিটা লেখাই সাম্প্রদায়িকতা, বৈষম্য ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে। দয়া করে আমার ব্লগ দেখে তারপর মন্তব্য করুন।
৪১. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ১২:৫২
comment by: মাহমুদ রহমান বলেছেন: ১. যে লোক অন্যায় করবে তাকে ততখানি প্রতিফলই দেয়া হবে, যতখানি অন্রায় সে করেছে। আর যে লোক নেক আমল করবে সে পুরুষই হোক কিংবা স্ত্রী লোক ..... যদি সে মুমিন হয়....এইরুপ সব মানুষই জান্নাতে দাখিল হবে। সেখানে তাদের বে-হিসাব রেযক দেয়া হবে। (সুরা মু'মেনঃ ৪০)

সব রকমের সুস্বাদু খাদ্য ও পানীয় তাদের জন্য সেখানে মজুদ রয়েছে। তারা যা কিছুই চাবে, তা-ই তাদের জন্য রয়েছে। (ইয়াসীনঃ ৫৭)

২.হে নবী, মুমেন পুরুষদের বলঃ তারা যেন নিজেদের চোখকে বাঁচিয়ে চলে এবং নিজেদের লজ্জাস্থানসমূহের হেফাজত করে। এটা তাদের পক্ষে পবিত্রতম নীতি। যা তারা করে, আল্লাহ সে বিষয়ে পূর্ণ অবগত।

আর হে নবী, মু'মেন স্ত্রীলোকদের বল, তারা যেন নিজেদের চোখকে বাঁচিয়ে রাখে এবং নিজেদের লজ্জাস্থানের হেফাযত করে ও নিজেদের সাজ সজ্জা না দেখায় কেবল সেই সব জিনিস ছাড়া যা আপনা হতেই প্রকাশিত হয়।........... (নূরঃ ৩০-৩১)

লক্ষণীয়ঃ পুরুষদের পর্দার বিধান আগে এসেছে।

৩. সমাজে প্রচলিত এই কথাটি ঠিক নয়। কুরআন হাদীসে এরকম কোন বক্তব্য নেই। বরং হাদীসে এসেছে, মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের বেহেশ্ত। অর্থাৎ নারী-পুরুষের জান্নাত একজন নারীর পায়ের নিচে।

৪. তোমরা যদি ইয়াতীমের প্রতি অবিচার করাকে ভয় কর তবে যে সব স্ত্রীলোক তোমাদের পছন্দ হয়, তন্মধ্য হতে দুই দুই, তিন তিন, চার চারজনকে বিবাহ করে নাও। কিন্তু তোমাদের মনে যদি আশংকা জাগে যে, তাদের সাথে ইনসাফ করতে পারবে না তবে একজন স্ত্রী-ই গ্রহণ করো। (নিসাঃ৩)

ইসলাম একজন স্ত্রী-ই গ্রহণ করতে বলে। শর্তসাপেক্ষে ও বিশেষ ক্ষেত্রে একর অধিক বিয়ের অনুমতি আছে, তবে অবশ্যই সেটা চারের অধিক হবে না। এই কথার অনেকগুলি যৌক্তিক কারণ আছে।

৫. এটার কথা পরে বলছি।

৬. আপনার বক্তব্য সঠিক নয়। কোরআন বলেছে,

পুরুষ স্ত্রী লোকদের পরিচালক এই কারণে যে, আল্লাহ তাদের মধ্যে এককে অপরের উপর বিশিষ্টতা দান করেছেন, এবং এই জন্য যে, পুরুষ তার ধন সম্পদ ব্যয় করে। (নিসাঃ ৩৪)।

কাউয়াম বা কাইয়েম সেই লোককেই বলা হয় যে কোন ব্যক্তি প্রতিষ্ঠান বা ব্যবস্থাপনার ব্যাপার সমূহ সুষ্ঠু সঠিকভাবে পরিচালনার করার, রক্ষণাবেক্ষণ ও পাহারাদারী করার ও তার সকল প্রয়োজন পূর্ণ করার জন্য দায়িত্বশীল হয়ে থাকে। এখানে নেতৃত্বের প্রশ্ন নয়, দায়িত্বর প্রশ্ন। ইসলাম পুরুষের দায়িত্ব বাড়িয়েছে, আর মেয়েদের বাড়িয়েছে সম্মান।
৪২. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ২:০৭
comment by: মাহমুদ রহমান বলেছেন: ইসলামপূর্ব যুগে সেই সমাজে দাসপ্রথা ছিল অবিচ্ছেদ্য অংশ। সবাই-ই কম বেশি দাস-দাসী রাখত, কেনাবেচা হত। ইসলাম এটা দূরীভূত করতে চেয়েছে।

"আমি কি তাকে দুই চোখ, একটি জিহ্বা ও একটি ওষ্ঠ দেয়নি? আর উভয় স্পষ্ট পথ কি তাকে দেখায় নি? কিন্তু সে দুর্গম বন্ধুর ঘাঁটিপথ অতিক্রমের সাহস দেখায় নাই, তুমি কি জান সেই দুর্গম বন্ধুর ঘাঁটিপথ কি? দাসত্বের শৃংখল থেকে মুক্তি। (বালাদঃ৮-১৩)।"

কুরআনই বলছে কাজটা কঠিন। বহুদিন থেকে চলে আসা এধরনের সামাজিক অচলাবস্থা দুর করতে সময়ের প্রয়োজন। সাহাবারা দাস মুক্ত করেছেন। বাজার থেকে টাকা দিয়ে কিনে তাদের মুক্ত করে দিয়েছেন। কিন্তু দাসীদের ব্যাপারটা কি? এভাবে মুক্ত করতে থাকলে পতিতালয় ছাড়া তাদের জায়গা হত না, কারণ সমাজের দাসীদের সাধারণ মানুষের মত কোন মর্যাদা দেয়া হত না। তাদের কোন অধিকারই স্বীকৃত ছিল না। অপরদিকে তারা ছিল কারো না কারো মালিকানায়। ফলে অন্যান্য অধিকারের সাথে সাথে যৌন অধিকারও তাদের স্বীকৃত হওয়া উচিত ছিল। ইসলাম তাদের সে অধিকার নিশ্চিত করেছে, অপরদিকে গ্র্যজুয়্যালি এই প্রথার বিলুপ্ত সাধন করেছে। ফলে এখন আর নতুন করে দাসপ্রথা চালুর সুযোগ নাই এবং সেই একই কারণে বিয়ে বহির্ভূত দাসী রাখার কোন সিস্টেম নাই।
৪৩. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:২৫
comment by: অনুপ্রাস বলেছেন: আউট সাইডার ভাল লিখেছেন। ইসলাম নিয়ে উল্টাপালটা লিখা বা বলা বরতমানে আমাদের দেশের তথাকথিত প্রগতিবাদীদের ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে। ইসলাম নিয়ে একটু পড়াশোনা করলেই এসব প্রশ্নের উত্যর জানা যেত। একটু কষ্ট করে ইসলামিক ফাউণ্ডেশনের লাইব্রেরীতে গেলেই হবে।

 



 


যৌবনের প্রারম্ভে অনেকেই সমাজ বদলের স্বপ্ন দেখে, আমিও দেখতাম। এক সময়ে সবার সেই স্বপ্ন জীবনে প্রতিষ্ঠিত হবার স্বপ্নে রুপান্তরিত হয়...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ১১৯৯২