প্রযুক্তির মুক্তি বনাম বিকেন্দ্রিকৃত বিজ্ঞাপন
০১ লা জুন, ২০১০ ভোর ৬:২৪
আমাদের আন্দোলন প্রতিবাদগুলো কেন সবসময় বিকেন্দ্রীকৃত বিজ্ঞাপনে রূপ নেয়? প্রযুক্তিকে সামগ্রিকভাবে সামনে না রেখে আমরা সবসময় কোন না কোন বিশেষ পন্যকে কেন সামনে নিয়ে আসি?
স্বাধীনতার আন্দোলনে একজন রাজনৈতিক নেতা পুরো জাতির সমার্থক হয়ে উঠতে পারেন। তাই বলে কোন ব্যবসায়িক পণ্য তা যত সেবাধর্মীই হোক না কেন তা কি প্রযুক্তির মুক্তিকে বা ভাষার মুক্তি বা চিন্তার মুক্তি বা বাক স্বাধীনতার মুক্তি বা তথ্যের অবাধ প্রবাহকে ধারণ করে একক প্রতিনিধি হয়ে উঠতে পারে? আমি জানিনা এটি আমাদের বুঝার অক্ষমতা নাকি প্রকাশের অক্ষমতা। আমরা ঈশ্বরকে স্মরণ করতে গিয়ে মুর্তি বানাই, তারপর মুর্তিকে ঈশ্বর ভাবি। ঈশ্বর কেন্দ্রিক সব কথাবার্তা তখন মূর্তি কেন্দ্রিক হয়ে যায়। মূর্তি পূজারীরা মাতম শুরু করেন, ভোগ লাভের উদ্দেশ্যে থাকে কি, বলা মুশকিল? যা হোক আসল ঈশ্বর আড়ালে চলে যায়।
আমাদের আবেগ আন্দোলন প্রযুক্তি কুক্ষিগতকরন বা প্রযুক্তির মুক্তির দিকে যায় নি, যাচ্ছে বা গিয়েছে বিশেষ কাউকে উদ্ধার করতে। অথচ আমরা আন্দোলনকে সঠিক দিকে নিতে পারলে আগত অনাগত সংশ্লিষ্ট সকলকে একযোগে উদ্ধার করতে পারি। একটা সমস্যা সামনে এলে শুধু সেটাকে সমাধান করতে পারলেই মোহগ্রস্ত আমরা মহা খুশী, সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সমস্যা একবারে সমাধান আমাদের চিন্তায়ও স্থান পায় না।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
ব্ল্যাকমেটাল বলেছেন:
ছোট পোস্টে অনেকগুলো পয়েন্ট নিয়ে এসেছেন, ভালো জিনিস
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














