আমার প্রিয় পোস্ট

এখানে আমার বাংলা ও মনিপুরি লেখা পত্রস্থ করা হবে

পাঁচটি মনিপুরি কবিতা

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৫

শেয়ারঃ
0 0 0

'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে বাংলা ভাষার ন্যায় পৃথিবীর সকল ভাষা যেন পায় শ্রদ্ধা ও সম্মান' - এই স্লোগানকে সামনে রেখেই ফেব্রুয়ারী ২০০১ এ প্রকাশিত হয়েছিল এক বসন্তের ভালোবাসা। একটি দ্বি-মাত্রিক (বাংলা-মনিপুরি) কাব্যগ্রন্থ। মুতুম অপু সম্পাদিত দ্বিমাত্রিক কবিতার গ্রন্থ এক বসন্তের ভালোবাসা কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত কিছু কবিতা এখানে দেয়া হলো। কবিতাগুলো মনিপুরি ভাষা অর্থাত্ মীতৈ লোন বা মৈতৈ লোন থেকে বাংলায় অনূদিত। আর এ অনুবাদের কঠিনতম কাজটি করেছেন কবিরা নিজে, তবে কবি হামোম প্রমোদ এর কবিতাটি শেরাম নিরঞ্জন কর্তৃক অনূদিত। - মাইবম সাধন


এ. কে. শেরাম

এক এক করে ভেঙ্গে পড়ে সবকিছু

আমার বাড়ীর কাছেই
সেই কোন প্রাচীন কালের একটা সেতু ছিলো।
একদিন রাত্রির পৌঢ় প্রহরে
সকলের অজ্ঞাতসারে ভেঙ্গে পড়লো সেই সেতু।
আমাদের বাড়ীর বাম পাশেই
আমাদের কোন প্রপিতামহের বানানো
পরিত্যক্ত একটি প্রাচীন ইমারতও ছিলো,
শৈশবের লুকোচুরি খেলার স্থান
পুরনো সেই ইমারতের ক্ষয়িত শরীর থেকে
এখন কেবলি লাবন্য খসে পড়ে,
এখানে ওখানে উত্কন্ঠ ভেসে ওঠে
শ্যাওলা ধরা তার নীল নীল শিরা উপশিরা ;
জরাজীর্ণ সেই ঘর এখন পোকা মাকড়ের বসত বাড়ী
কুকুর বেড়ালও সেখানে যায়না সহজে।
একদিন সকলের বিস্মিত দৃষ্টির সামনে
সশব্দ হুংকারে ভেঙ্গে পড়লো সেই জীর্ণ ইমারত।
আমাদের গ্রামের পাশে বহমান
রাত্রির মতো রহস্যময়ী যে নদী
ভরা পেটেই হয়তোবা সে ক্ষুধার্ত হয় বেশী,
তাইতো সে বর্ষার ভরা প্লাবনেই
ক্ষুধার বিশাল ব্যদিত মুখে
গ্রাস করে দুপারের খন্ড খন্ড মাটি।
ভাঙ্গনের এই ভয়াল শব্দে
সচকিত হয়ে চমকে চমকে ওঠে
রাত্রির বুকে বিশ্রামরত নির্বিরোধ গ্রাম।

কেনো জানিনা
এক এক করে সবকিছু ভেঙ্গে পড়ে
ভেঙ্গে পড়ে প্রকৃতি, চাঁদ ও নক্ষত্ররাজি
টুকরো টুকরো হয়ে যায় পৃথিবী, আকাশ, জল ও বায়ু
বৃদ্ধ-যুবা, নারী-পুরুষ, সাদা-কালো
কেউ বাদ যায়না ভাঙ্গনের এই সর্বভুক ক্ষুধার গ্রাস থেকে।
এক এক করে ভেঙ্গে পড়ে সবকিছু
মানুষের হৃদয়ের সেতু
বিশ্বাসের ঘর
জীবনের নদী

কিন্ত তারপরও
গোপনে গোপনে একাকী পালিয়ে
হয়তোবা এখনও নিজেকে বাঁচিয়ে রাখে ভালোবাসা,
হয়তোবা ভাঙ্গনের এই করাল গ্রাসে
এখনও পড়েনি ভালোবাসার ঘর।
এক এক করে ভেঙ্গে পড়ার এই সর্বগ্রাসী সময়ে
এটুকুইতো আমার প্রাণদ ভরসা
আমি বাচিয়ে রাখতে চাইও শুধু এটুকুই
আমার বেঁচে থাকার ভিত্তিভূমি হিসেবে।



হামোম প্রমোদ

বিপ্রতীপ

'বলেছিলে ভুলবোনা এ জীবনে আমরা আমাদের
প্রতিজ্ঞা করেছিলে ভালোবাসার সুতোয় বাঁধব দুজন'
শুয়ে শুয়ে ভাবি আমি সেই অচল শপথের কথা
হৃদয়ের গভীর খচখচে করে ওঠে এক অচেনা ব্যথা

একদিন আমি বলেছিলাম লক্ষী-সরস্বতী
চন্ডী-বেহুলার ধারা তুমি-তুমিও বলেছিলে
রাধা-কৃষ্ণ, খম্বা-থোইবীর অমর কাহিনী
কিন্ত আজ রাধা-কৃষ্ণে, খম্বা-থোইবীতে দুরত্ব সৃষ্টি হচ্ছে ক্রমশঃ
চেতনার চারিদিকে এক রহস্যময়ী পাপেটের ওড়াওড়ি
সামনে দাঁড়িয়ে আছে দুরন্ত এক মহিষ
হিংস্র কুকুরের গর্জন ভেসে আসে ইথারে ইথারে
পলায়নপর মা কালীর ভুলের মাশুল দিচ্ছে রক্তাক্ত জিহ্বা
অর্থাত্ কোথা থেকে যেনো পালিয়ে এলো সম্পূর্ণ বিবস্ত্র হয়ে
সীতা, দ্রোপদী, মাইনু, পেমচা, এই উন্মুক্ত ময়দানে
আর অন্ধ গহ্বরে আত্মধিক্কারে হাতড়াতে থাকে
দেবরাজ ইন্দ্র, জিউস, পাখংবা, মহাদেব
রাবন, দূর্যোধন আর নোংবানের দু'চোখ অশ্রুসিক্ত আজ
ক্লীওপেট্রা, মোনালিসা, শন্দ্রেম্বীর হাসিতে প্রশান্তি খুঁজতে গিয়ে দেখি
ছোপ ছোপ রক্তের রঞ্জিত হয়ে আছে স্তনাগ্র থেকে নাভিমূল

কে তুমি বসে আছো পুষ্পরথে ?
হৃদয়ের স্পন্দনে তুমি কি বিচলিত নও ?
একবার তাকিয়ে দেখো চেতনার শার্সিতে
বলে যাও একবার কে ?

আমি ভঙ্গি পরিবর্তন করে শুয়ে থাকি পুনরায়।



শেরাম নিরঞ্জন

অদাহ্য হৃদয় পোড়ে
দু'হাতে স্বপ্ন সরাতে সরাতে এগিয়ে যায় সে
তার পায়ে লুটিয়ে পড়ে জ্যোত্স্নার অন্ধকার
লাবন্য উপচে পড়ে জ্যোত্স্নার দীপ্তিতে
সরলরেখা হয়ে যায় জীবনের জটিল কম্পোজিশন

সে,
সন্ধ্যামালতীর মালা গাঁথে
তার চোখের পল্লবে নাচে নীল তারার বুটিদার আকাশ

এবং হঠাত্
পূর্ণ চাঁদ ভেঙ্গে ভেঙ্গে
দ্বি-খন্ড
ত্রি-খন্ড
চর্তুখন্ড

অতঃপর চৈত্রের পাতা ঝরার শব্দ
তার চোখে ভাসে গান্ধারীর শত স্নানের মৃত্যুশোক
স্মৃতিদীর্ণ ট্রয় তার কাঁধে রাখে হাত

অদাহ্য হৃদয় পোড়ে-পোড়েনা ভালোবাসা তবু..



এন. যোগেশ্বর অপু

জল পর্দার চোখ

হিম কুয়াশার চাদর জড়ালে প্রকৃতি
তোমার উষ্ণ উপস্থিতির জন্য তৃষ্ণার্ত হয়ে যাই
আদিগন্ত আলোয় উদ্ভাসিত হলে বিশ্বলোক
শিশিরের মতো ঝরে যায় জীবনের দিনগুলো
কালের গর্ভ হতে পূনর্জন্মের অস্থির প্রহরে
আমি একা, শুধু একা। নিঃসঙ্গ।

কেমন আছো অনিতা, আনন্দের সত্সঙ্গ হারা এদিনে
সময় এখন এ ঘরে স্থির, তবু শুনি
ঘড়ির কাঁটার মতো পথিকের পদধ্বনি
আসা-যাওয়ার ক্লান্তিহীন সময়ের সঙ্গীতে
কে যেনো জেগে ওঠে হৃদয়ে।
পর্দা ওড়ানো বসন্ত বাতাস চুপি চুপি
বলে যায় পথিক জীবনের গল্প।

অনিতা, কোলাহল এ সময়ে ভালো আছো ?
ঘুমহীন রাত্রির পোড়া চোখে
বন্দি সময়ের শয্যার এপাশ ওপাশ
খুলে বসি হৃদয়ের জানালা একা, নিশ্চুপ।
কল্পনার রঙের মতো দেয়ালের ছবিগুলো
ঝাপসা হয়ে আসে চোখে জল পর্দায়
এ জীবন যাত্রায়-
তোমার সেই জল পর্দার চোখের মতো।



নামব্রম শংকর

কুয়াশাচ্ছন্ন ভালোবাসার গল্প

কুয়াশার চাদর জড়িয়ে
আবছা অন্ধকারেই রয়ে গেলে তুমি।

তোমাকে কি নামে ডাকি ?
আফ্রোদিতি, নুমিতলৈ নাকি সুস্মিতা।
ভেবে পাইনা কি করে জাগাই তোমাকে
সুখ স্বপ্নের অতল থেকে।
জানিনা কি করে বুঝাই তোমাকে
তৃষিতের এক চুমুক জল তুমি,
হৃদয়ের প্রান্তরে বুনো হাওয়া
রুগ্ন আকাশে একাদশীর চাঁদ।

ভালোবাসার অনুর্বর ক্ষেত্রে উদ্যমী চাষী আমি
শুষে নিতে চাই ভালোবাসার মাংশ-হৃতপিন্ড।

আমি সেই ক্ষণের অপেক্ষায়
একদিন সূর্যের প্রখর আলোয় কুয়াশা কেটে যাবে
আবছা অন্ধকার থেকে বেরিয়ে আসবে তুমি।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): Manipuri PoemsFive Popular Manipuri Poems of Bangladesh. বাংলাদেশের পাঁচটি মনিপুরি কবিতামণিপুরী কবিতামণিপুরী সাহিত্যের উজ্জ্বল নক্ষত্র ;
প্রকাশ করা হয়েছে: মণিপুরী কবিতা  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৪১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৫
হাসিব বলেছেন:
পাখংবা
মহাদেব
নোংবানের
শন্দ্রেম্বী
নুমিতলৈ
মাইনু, পেমচা
খম্বা-থোইবীর অমর কাহিনী
মাইনু, পেমচা

এদেরকে চিনি না । একটু কি পরিচিতি দেয়া সম্ভব এদের?
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৮

লেখক বলেছেন: হাসিব ভাই, অনেক দিন পর।

পাখংবা = খুব সংক্ষেপে, মনিপুরি মিথ অনুযায়ী পাখংবার হাত ধরেই মানব জাতির সৃষ্টি।
মহাদেব = হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম দেবতা।
নোংবান = একজন প্রেমিকের নাম।
শন্দ্রেম্বী, মাইনু, পেমচা = শন্দ্রেম্বী, মাইনু এবং পেমচা মানুষের নাম (মেয়ে)।
নুমিৎলৈ = একটি ফুলের নাম। বাংলা অর্থ সূর্যমুখী।
খম্বা-থোইবী = খম্বা একজন পুরুষের নাম। আর থোইবী তার প্রেমিকার নাম। তাদের অমর প্রেম কাহিনী আজও লুকমুখে প্রচলিত। এই অমর প্রেম কাহিনী নিয়ে বাংলায় লিখিত 'খম্বা-থোইবী' নামে একখানা বই আছে। ঠিক এই মুহুর্তে লেখকের নাম মনে পড়ছে না, পরে বিস্তারিত জানিয়ে দেবো।

আপনার ইমেইল ঠিকানা দিয়েন। ভালো থাকা হয় যেনো।

আমার ইমেইল

২. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৪১
সৈয়দা তাহমিনা বেগম সীমা বলেছেন: ধন্যবাদ তোমাকে। আশা কি, ভালো আছো?
'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে বাংলা ভাষার ন্যায় পৃথিবীর সকল ভাষা যেন পায় শ্রদ্ধা ও সম্মান' -সহমত।

সাধন, তোমার লেখার সংশোধনীঃ .......................................
একটি দ্বি-ভাষিক (বাংলা-মনিপুরি) কাব্যগ্রন্থ। মুতুম অপু সম্পাদিত দ্বি-ভাষিক .......................................................................
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৫১

লেখক বলেছেন: দ্বি-ভাষিক কিংবা দ্বি-মাত্রিক এর তর্কে যেতে চাইনা।

সবচেয়ে বড় কথা এখানে ভাষাদ্বয় মানে উভয় ভাষায় মায়ের ভাষা। মনিপুরি ভাষা বা মীতৈ লোন যেমন আমার মায়ের ভাষা বাংলা তেমনি সমগ্র বাঙ্গালীর (বর্তমানে বাংলাদেশের সীমানা পেরিয়ে আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত) সেহেতু উভয়কেই সম্মান স্বরুপ 'দ্বি-মাত্রিক' শব্দের ব্যবহার।

প্রাণের মেলা 'অমর একুশে বই মেলা'য় আসবেন না..?
আসলে একটু ইনফর্ম করবেন..

ভালো থাকবেন। থ্যাংকু।

৩. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৪
রেটিং বলেছেন: অনেক ভাল লেগেছে। বৈচিত্র অনেক লেখাটিতে। সাথে করে নিলাম, সময়মত আবার দেখব। আরও কিছু কবিতা দিয়েন যাতে আরও লেখকের পরিচয় পাই। মায়ের ভাষা প্রধান ভাষা। অবশ্যই মনিপুরী ভাষার প্রতি যথাযোগ্য মর্যাদা প্রদান করা উচিত। মনিপুরী ঐতিহ্য অনেক সমৃদ্ধ। কুংগথাংগ (বানান ঠিক হয় নি)এর লেখায় ও আমরা অনেক কিছু জানতে পারি। ধন্যবাদ আপনাদের ২ জনকেই।
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রেটিং ভাই।

যে ভাষার জন্য ৫২ তে আন্দোলন হয়েছে, সে ভাষার দেশে অপরাপর ভাষাগুলো উপেক্ষিত থাকে..! এই দু:খ কেমনে লিখি, কেমনে বুঝায়..!!!


ভালো থাকবেন।

৪. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৫
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন: প্রথমটাই পড়লাম-মনে হলো মানবজাতীর ইতিহাস পড়লাম-কিংবা ব্যক্তিরও। জানি না সঠিক বুঝলাম কি না।

অনুভূতিটুকু জানিয়ে গেলাম আর লিখাটা তুলে রাখলাম।

ভালো থাকুন।
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৩

লেখক বলেছেন: থ্যাংকু।

আপনার অনুভূতির উষ্ণ ছোঁয়া আমাকেও ছুঁয়ে গেলো। এক এক করে যেনো সবকিছু ভেঙ্গে না যায়..

সামনে আরো কিছু পোস্ট দেবো, সেগুলোও আশা রাখি দেখবেন।

আবারও দেখা হবে। ভালো থাকবেন।

৫. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৫
ক-খ-গ বলেছেন:
শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ক-খ-গ। নিয়মিত দেখা হবে আশা রাখি।

৬. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৮
থৌরাংবা মৈঙাল বলেছেন: অমর একুশের এ মাসে এমন একটি লেখা সত্যি ভাবাবেগের জায়গায় ঠিক নাড়া দিয়ে যায় কিন্তু রাষ্ট্র চালিকাশক্তির আসনে আসীন কর্তারা কি এগুলো পড়েন বা পড়ার সময় কি হয় কিম্বা কখনো কি এসব বিষয়-আশয় নিয়ে ভাবেন..!!!

শোকেসে নিয়ে গেলাম। ধন্যবাদ।
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৫

লেখক বলেছেন: হুম.....!!! ধইন্যা পাতা দিলাম।

৭. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৩৭
আলমগীর কুমকুম বলেছেন: শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ +
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:২৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৮. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:২৯
মাইবম সাধন বলেছেন: যারা পড়েছেন কিন্তু কোন মন্তব্য করেননি তাদের প্রতি আমার অকৃত্রিম শুভেচ্ছ আর যারা মন্তব্য করে অনুভূতি শেয়ার করেছেন তাদের প্রতিও আমার শুভেচ্ছা।

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৩৭

লেখক বলেছেন:

'মনিপুরি ভাষার সাংবিধানিক স্বীকৃতি চাই'

৯. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:০৩
হামোম প্রমোদ বলেছেন: ধন্যবাদ সাধন, কবিতাগুলো ব্লগে দেয়ার জন্য।
সময় আর সুযোগের অভাব আরও বিবিধ কারণে কবিতা লেখা আর তেমন হয়ে উঠে না। তবে আকাংখাটুকু রয়ে যাই, এই যা তৃপ্তি।

বইমেলা আর ঢাকাবাসী মনিপুরীদের বিভিন্ন এক্টিভিটিজ নিয়ে পারলে আরও পোষ্ট দিয়েন। আব্দার নয় কিন্তু.........
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:৪৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। চেষ্টা অব্যাহত..



দাদা, এই ঢাকাদা তং তা'বগী কন্না হোৎনরি অদুনা মফম-মতমগা চান্ন-চুনবা থিবদা খৌরী কংলে..! তৌনিংবনা মপৈ মপৈ পৈশিন্না লৈরে..


মথংদা অমুক ফাউরক্কে..

১০. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:২৫
চারবাক বলেছেন: খুবই সুন্দর একটি লেখা। এ কে শেরামের কবিতাগুলো মনপ্রান ছুয়ে গেলো। এ কে শেরামের কবিতা আগেও পড়েছি (কিছু কিছু) কিন্তু এই লেখাটি/কবিতাটি পুরোপুরি ভিন্ন। ভালো লাগে।

শোকেসে নিয়ে গেলাম। আরও লেখা চাই..
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৩৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, সাথে থাকবেন আশা করি..

 

মোট সময় লেগেছে ২.০০৫৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
দেখছি- শরীরের সাথে প্রাণ কিভাবে লেগে আছে..!
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ